× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
I want concerted efforts to implement SDG State Minister for Power
hear-news
player
print-icon

এসডিজি বাস্তবায়নে চাই সমন্বিত প্রচেষ্টা: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

এসডিজি-বাস্তবায়নে-চাই-সমন্বিত-প্রচেষ্টা-বিদ্যুৎ-প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মঙ্গলবার এসডিজি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। ছবি: নিউজবাংলা
‘পরিবেশ সংরক্ষণ করেই আমরা উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজিয়েছি। পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলে দ্রুত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। অপরচুনিটি কস্ট বিবেচনা করে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এসডিজি বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিতভাবেই বাংলাদেশ সাফল্য পাবে।’

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নে প্রয়োজন সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টা। অংশীদারত্ব অ্যাপ্রোচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তবায়ন কার্যক্রমে অংশীজনদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারলে দ্রুত এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ মঙ্গলবার এসডিজি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ করেই আমরা উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজিয়েছি। পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলে দ্রুত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। অপরচুনিটি কস্ট বিবেচনা করে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের ফুয়েল মিক্স বহুমাত্রিক। আমরা ক্লিন ও গ্রিন এনার্জিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে প্রযুক্তি-বান্ধব করা হয়েছে এবং হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগে ৪টি মডিউলে ইআরপি বাস্তবায়িত হয়েছে। পেপারলেস অফিস করার কাজ করে যাচ্ছি। উন্নয়ন ও অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ও সহনীয় মূল্যও বিবেচনায় রয়েছে। সার্বিকভাবে বলা যেতে পারে, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিতভাবেই বাংলাদেশ সাফল্য পাবে।’

এসডিজি বাস্তবায়ন নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের কার্যক্রম তুলে ধরেন বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান। এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য রয়েছে। ‌একটি লক্ষ্য, ৫টি টার্গেট ও ৬টি নির্দেশনা কীভাবে বিদ্যুৎ বিভাগে বাস্তবায়িত হচ্ছে তা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার বিভএগর পক্ষে স্ব স্ব সচিবগণ এসময় এসডিজি বাস্তবায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মাহবুব হোসেন ও বুয়েটের অধ্যাপক মো. শামসুল হক বক্তব্য দেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The Foreign Minister reiterated the countrys commitment to achieve SDGs

এসডিজি অর্জনে দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এসডিজি অর্জনে দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে পর্তুগালে দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার লিসবনে পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি: বাসস
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অবৈধ, অনবহিত এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে মাছ ধরা বন্ধ করতে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের মোট প্রায় ৮ দশমিক ৮ ভাগ এলাকাকে সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকা হিসাবে ঘোষণা করেছে এবং ২০১৯ সালে জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।’

টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মহাসাগর, সাগর ও সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) ১৪-এর সব লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পর্তুগালের লিসবনে দ্বিতীয় জাতিসংঘ মহাসাগর সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার সময় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘অবৈধ, অনবহিত এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে মাছ ধরা বন্ধ করতে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের মোট প্রায় ৮ দশমিক ৮ ভাগ এলাকাকে সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকা হিসাবে ঘোষণা করেছে এবং ২০১৯ সালে জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম, পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান ও প্রতিনিধি দলের অন্যান্য কর্মকর্তারা সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

মোমেন বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় বাংলাদেশ তার দুই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সমস্যার সমাধান করেছে এবং যৌথভাবে সম্পদ কাজে লাগাতে প্রস্তুত।’

দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখা, বিশ্বের সামুদ্রিক পরিবেশ ও সম্পদ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট দূষণ সম্পর্কে পূর্বাভাস প্রদান ও পদক্ষেপ গ্রহণ এবং মহাসাগর ও সাগরের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সমুদ্র বিজ্ঞানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন আব্দুল মোমেন।

মোমেন বলেন, বাংলাদেশ সরকার ‘বাংলাদেশ শিপ রিসাইকেল অ্যাক্ট ২০১৮’ সংশোধন করেছে এবং ২০২৩ সাল থেকে হংকং কনভেনশন মেনে চলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

বাংলাদেশ ২০২৩ সাল থেকে নিরাপদে জাহাজ রিসাইক্লিং নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন পদক্ষেপেরও ঘোষণা দিয়েছে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক শপিং ব্যাগ উৎপাদন নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও বিশ্ব নেতাদের অবহিত করেন মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, ‘মহাসাগরের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে আর্থিক, প্রযুক্তিগত এবং মানব সম্পদের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার বৈষম্যগুলি অবশ্যই দূর করতে হবে।’

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিসবনের একটি পাবলিক পার্কে স্থাপন করা স্থায়ী শহীদ মিনার পরিদর্শন করেন এবং ভাষা শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুন:
মহাসাগর সম্মেলন: এসডিজি অর্জনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ: ক্ষতিপূরণ চান মোমেন
গম আমদানিতে জি-টু-জির প্রস্তাব বাংলাদেশের
ভারত সফরে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর মোমেনের
‘বাংলাদেশ নিজের ক্ষতি করে কোনো জোটে যাবে না’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Opportunity for illegal Bangladeshis to become legal in the Maldives

মালদ্বীপে অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

মালদ্বীপে অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধ হওয়ার সুযোগ
মালদ্বীপে বসবাসরত আনডকুমেন্টেড প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের (ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রি) আওতায় বৈধকরণ প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু রয়েছে। যাদের বৈধ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট নেই তাদেরকে দ্রুততার সঙ্গে ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে বৈধভাবে কাজ শুরু করারও অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন।

মালদ্বীপে অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাই দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জরুরি ভিত্তিতে বৈধকরণ প্রক্রিয়ায় ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করার অনুরোধ জানিয়েছে মালেতে বাংলাদেশে হাইকমিশন।

বৃহস্পতিবার এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটিতে বাংলাদেশের হাইকমিশন।

এতে বলা হয়, মালদ্বীপে বসবাসরত আনডকুমেন্টেড প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের (ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রি) আওতায় বৈধকরণ প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু রয়েছে।

যাদের বৈধ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট নেই তাদেরকে দ্রুততার সঙ্গে ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে বৈধভাবে কাজ শুরু করারও অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈধকরণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা যে প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ করছে, সেই প্রতিষ্ঠান মালিককে ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রিতে আবেদন করতে হবে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন দুর্ঘটনায় সব প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন হওয়ারও অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন।

আরও পড়ুন:
মালদ্বীপে লক্ষাধিক বাংলাদেশির বৈধতার সুযোগ
মালদ্বীপে যাবে ডাক্তার-নার্স
মালদ্বীপের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তির খসড়া অনুমোদন
পর্যটনে মালদ্বীপের চেয়ে কেন পিছিয়ে বাংলাদেশ
মালদ্বীপে ‘সুদিনের অপেক্ষায়’ বাংলাদেশি কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Permission to register online portal of 3 portal 15 daily

৩ পোর্টাল, ১৫ দৈনিকের অনলাইন সংস্করণকে নিবন্ধন অনুমতি

৩ পোর্টাল, ১৫ দৈনিকের অনলাইন সংস্করণকে নিবন্ধন অনুমতি
বিজ্ঞপ্তি দুটিতে এসব সংবাদমাধ্যমকে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

দেশের আরও তিনটি নিউজপোর্টাল ও ১৫টি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণকে নিবন্ধনের অনুমতি দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত দুটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি দুটিতে এসব সংবাদমাধ্যমকে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

তিনটি নিউজপোর্টাল হলো শীর্ষ সংবাদ ডটকম, এইচবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং শেয়ারবাজার নিউজ ডটকম।

১৫টি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণগুলো হলো দৈনিক সকালের সময়, দৈনিক অগ্রসর, দৈনিক মাতৃভূমির খবর, দৈনিক বর্তমান কথা, দৈনিক আমাদের বাংলা, দৈনিক কুমিল্লার কাগজ, সাপ্তাহিক অন্যধারা, দৈনিক করতোয়া, দৈনিক ফুলকি, দৈনিক জননেত্র, দৈনিক পল্লী বাংলা, দৈনিক আমাদের কক্সবাজার, দৈনিক আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দৈনিক মাধুকর ও দ্য নিউ নেশন।

আরও পড়ুন:
অনিবন্ধিত নিউজপোর্টাল বন্ধে সময় পেল বিটিআরসি
নিবন্ধনহীন অনলাইন নিউজপোর্টাল বন্ধ শুরু
এত অনলাইনের প্রয়োজন নেই: তথ্যমন্ত্রী
চালু থাকবে যেসব অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনিবন্ধিত সব নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The locals do not want a shelter project in the centenary Balaishimul field

শতবর্ষী বলাইশিমুল মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প চায় না এলাকাবাসী

শতবর্ষী বলাইশিমুল মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প চায় না এলাকাবাসী নেত্রকোণার বলাইশিমুল মাঠ রক্ষায় আন্দোলনে নেমেছেন স্থানীয়রা। ছবি: নিউজবাংলা
তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক সৈয়দা রত্না বলেন, ‘মাঠ আন্দোলন যৌক্তিক ও মানবিক আন্দোলন। আগামী প্রজন্মের জন্য এই লড়াই, অন্য যেকোন আন্দোলন থেকে কম নয়। আপনাদের এই দাবি যদি প্রধানমন্ত্রী শোনেন, নিশ্চয় তিনি একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় শতবর্ষী বলাইশিমুল খেলার মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প না করার দাবি জানিয়েছে সে ইউনিয়নের বাসিন্দারা। তারা প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করেছেন, শিশুদের সঠিক বিকাশে ভুমিকা রাখা বলাইশিমুল মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প না করে অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বলাইশিমুল ইউনিয়নবাসী’ ব্যানারে আয়োজিত ‘শতবর্ষী প্রাচীন বলাইশিমুল খেলার মাঠ থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্প অন্যত্র স্থাপনের দাবিতে’ মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

বলাইশিমুল মাঠ রক্ষা আন্দোলনে এ সময় সংহতি জানান তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক সৈয়দা রত্না।

তিনি বলেন, ‘মাঠ আন্দোলন যৌক্তিক ও মানবিক আন্দোলন। আগামী প্রজন্মের জন্য এই লড়াই, অন্য যেকোন আন্দোলন থেকে কম নয়। আপনাদের এই দাবি যদি প্রধানমন্ত্রী শোনেন, নিশ্চয় তিনি একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

রত্না বলেন, ‘যারা বলাইশিমুল মাঠ দখল করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায়, তারা পক্ষান্তরে প্রধানমন্ত্রীর আদেশ অমান্য করছে। দেশে উন্নয়ন প্রয়োজন, কিন্তু প্রকৃতি ধ্বংস করে না।’

মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন, ‘অতন্ত দুঃখ পাই যখন একটা মাঠ রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে লাগে, একটা নদী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে লাগে। একজন ব্যক্তির পক্ষে এক সঙ্গে সবদিক খেয়াল করা সম্ভব না। যারা মাঠ দখল করে প্রকল্প গ্রহণ করেছে তারা বলাইশিমুলবাসীকে সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই মাঠ আপনাদের মাঠ, মালিকানা আপনাদের। আপনারা এই মাঠ ছাড়বেন না। এইটা রূপক আন্দোলন, সারা দেশেই মাঠ রক্ষায় আমাদের আন্দোলন চালু থাকবে।’

বলাইশিমুল গ্রামের বাসিন্দা মশিউর জামান টিটু বলেন, ‘আমারা চাই সুন্দর জীবন, সুষ্ঠু জীবন৷ আমরা চাই আগামীর প্রজন্ম যেন সুন্দরভাবে বেড়ে উঠে। কিন্তু এই মাঠ দখল হলে স্থানীয় শিশু-কিশোররা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ হারাবে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, আমাদের আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যতে কথা চিন্তা করে প্রকল্প অন্যত্রে স্থানান্তর করা হোক।’

মানববন্ধনে অন্যরা বলেন, ‘শত বছরের পুরোনো ওই খেলার মাঠটি বলাইশিমুল গ্রামের ১ একর ৮৭ শতক সরকারি জায়গায় অবস্থিত। সেখানে এলাকার শিশু-কিশোর, শিক্ষার্থীসহ তরুণ-যুবকেরা খেলাধুলা করেন। সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসন মাঠের দুই পাশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ২৩টি ঘর নির্মাণ করছে। তাই ওই জায়গার পরিবর্তে মাঠের উত্তর পাশে কিছুটা নিচু জমিতে ঘর নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।’

এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন ব্রহ্মপুত্র সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক আবুল কালাম আল আজাদ, কণ্ঠশিল্পী বীথি ঘোষসহ এলাকার ছাত্র ও যুবকরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The legitimacy of bringing back the money of trafficking is good for evil

পাচারের অর্থ ফিরিয়ে আনার বৈধতা ‘মন্দের ভালো’

পাচারের অর্থ ফিরিয়ে আনার বৈধতা ‘মন্দের ভালো’ রাজধানীর এফডিসিতে শুক্রবার নতুন অর্থবছরের বাজেট নিয়ে ছায়া সংসদে প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: নিউজবাংলা
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘যেসব দেশে টাকা পাচার করা হয়, সেসব দেশের সরকার অর্থের বৈধতা যাচাই না করেই তা বিনিয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে দেশে কিছু টাকা ফেরত এলে অসুবিধা কোথায়? তাই পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত মন্দের ভালো।’

নতুন অর্থবছরে বাজেটে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনগতভাবে বৈধতা দেয়া হলেও সেটা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তবে এ সিদ্ধান্তকে ‘মন্দের ভালো’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

রাজধানীর এফডিসিতে শুক্রবার নতুন অর্থবছরের বাজেট নিয়ে এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

এম এ মান্নান বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, আইনের বৈধতা দিয়েও তা পুরোপুরি ফেরত আনা সম্ভব নয়। চুরি করা টাকা ফেরানোর জন্য পাচার করেনি পাচারকারীরা। তাই পাচারকৃত অর্থের খুব সামান্যই দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে।’

বাংলাদেশে একশ্রেণির মানুষের কাছে প্রচুর টাকা রয়েছে এবং তারা পাচার করছেন বলেও মন্তব্য করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘যেসব দেশে টাকা পাচার করা হয়, সেসব দেশের সরকার অর্থের বৈধতা যাচাই না করেই তা বিনিয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে দেশে কিছু টাকা ফেরত এলে অসুবিধা কোথায়? তাই পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত মন্দের ভালো।’

এ ক্ষেত্রে সরকার বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধির জন্য কাজ করছে না বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

প্রতিযোগিতায় সরকারি তিতুমীর কলেজকে পরাজিত করে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ছায়া সংসদে বিচারক ছিলেন উন্নয়ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক রিজভী নেওয়াজ, সাংবাদিক কাবেরী মৈত্রেয় ও সাংবাদিক আরিফুর রহমান। ছায়া সংসদে মক স্পিকার হিসেবে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন:
বড় পরিবর্তন ছাড়া বাজেট পাস, কার্যকর শুক্রবার থেকে
বড় পরিবর্তন ছাড়াই পাস হচ্ছে প্রস্তাবিত বাজেট
মেডিটেশনে ভ্যাট কমল, বাড়ল বিটুমিনে
মিতব্যয়ী হোন, দেশেই চিকিৎসা নিন: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If it had not turned around Padma Bridge Metrorail would not have happened DMP Commissioner
হোলি আর্টিজানে হামলা

‘ঘুরে না দাঁড়ালে পদ্মা সেতু-মেট্রোরেল হতো না’

‘ঘুরে না দাঁড়ালে পদ্মা সেতু-মেট্রোরেল হতো না’ হোলি আর্টিজান হামলায় নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে শ্রদ্ধা জানান ডিএমপি কমিশনার। ছবি: নিউজবাংলা
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হোলি আর্টিজানের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর আমরা যদি ঘুরে দাঁড়াতে না পারতাম, তবে আজ যে পদ্মা সেতু দেখছি, মেট্রোরেল দেখছি, তার কোনো প্রজেক্টই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না। কোনো বিদেশি ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশে কাজ করতে আসত না। আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’

গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে পদ্মা সেতু-মেট্রোরেল প্রজেক্টই বাস্তবায়ন হতো না বলে মনে করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

হোলি আর্টিজান হামলার ষষ্ঠ বার্ষিকীতে শুক্রবার ‘দীপ্ত শপথ’ ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

হোলি আর্টিজান হামলায় তৎকালীন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রবিউল করিম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সালাউদ্দিন নিহত হন। তাদের স্মরণে গুলশান মডেল থানার সামনে ‘দীপ্ত শপথ’ নামে এই দুই অফিসারের ভাস্কর্য বানানো হয়। প্রতি বছর হোলি আর্টিজানের হামলার বার্ষিকীতে ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় তাদের স্মরণে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হোলি আর্টিজানের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর আমরা যদি ঘুরে দাঁড়াতে না পারতাম, তবে আজ যে পদ্মা সেতু দেখছি, মেট্রোরেল দেখছি, তার কোনো প্রজেক্টই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না। কোনো বিদেশি ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশে কাজ করতে আসত না। আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘হরকাত-উল-জিহাদের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের উত্থান হয় ও জেএমবির উত্থান ঘটে। এরপর ইরাকে যখন আইএসের উৎপাত শুরু হয়, তখন বাংলাদেশের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য দেশের কিছু মানুষ তামিম চৌধুরীর নেতৃত্বে হোলি আর্টিজানে হামলা চালায়।’

তিনি বলেন, ‘হোলি আর্টিজানের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গি দমনে নতুন একটি ইউনিট খোলে। এই ইউনিটের অধিকাংশ সদস্যই বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হন। এরপর দেশের যেসব জায়গায় জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছে, সেখানেই জঙ্গিদের আস্তানা তছনছ করে দেয়া হয়েছে।’

জঙ্গি দমনে আত্মতৃপ্তিতে ভুগছেন না বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। বলেন, ‘এখনও জঙ্গি তৎপরতা মাঝে মাঝে চোখে পড়ছে। জঙ্গিদের সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভিটিসহ সব বিষয়ে আমরা মনিটরিং করছি।

‘এ ছাড়া বিভিন্ন সময় অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটসহ বিভিন্ন মেট্রো ও জেলা পুলিশ মিলে একটি করে ছোট ইউনিট করা হয়েছে। বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে জঙ্গিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, হচ্ছে। জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক নস্যাৎ করে দেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
‘সন্তানরা বাবাকে মিস করে না, এমন দিন দেখিনি’
হোলি আর্টিজানে হামলায় নিহতদের প্রতি দূতদের শ্রদ্ধা
জঙ্গিরা এখন কতটা শক্তিশালী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ocean Conference Bangladesh reaffirms commitment to SDGs

মহাসাগর সম্মেলন: এসডিজি অর্জনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

মহাসাগর সম্মেলন: এসডিজি অর্জনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে হচ্ছে জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসাগর সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত
মহাসাগর সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে মোমেন উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার করুন।’

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের (এসডিজি) সব লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে দ্বিতীয় জাতিসংঘ মহাসাগর সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে তিনি দেশের এ অবস্থানের কথা জানান।

শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মোমেন তার বক্তৃতায় উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার করুন।’

সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অংশ নেন মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল খুরশেদ আলম, পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সমুদ্র ও সমুদ্রের টেকসই উন্নয়নকে বেগবান করতে সমুদ্রবিজ্ঞান চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে ও দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ প্রতিবেশী উভয় দেশের সঙ্গে সমুদ্রসীমার সমস্যা সমাধান করেছে এবং যৌথভাবে সম্পদ কাজে লাগাতে প্রস্তুত। অবৈধ, আনরিপোর্টেড এবং আনরেগুলেটেড মাছ ধরা দূর করার জন্য বাংলাদেশ সরকার তার একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের মোট প্রায় ৪.৪ শতাংশ এলাকাকে সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং ২০১৯ সালে জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় তা বাস্তবায়ন করেছে।’

তিনি বলেন, সরকার বাংলাদেশ জাহাজ চলাচল আইনকে সংশোধন করেছে। সরকার রিসাইকেল অ্যাক্ট-২০১৮ মেনে চলছে। ২০২৩ সালের মধ্যে হংকং কনভেনশন মেনে চলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ২০২৩ সালের মধ্যে নিরাপদ জাহাজ পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন পদক্ষেপেরও ঘোষণা করেছে। একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক শপিং ব্যাগ উৎপাদন নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেয়া উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।

আরও পড়ুন:
‘রোহিঙ্গাদের কারণে আর্থ-সামাজিক ও পরিবেশগত ঝুঁকিতে বাংলাদেশ’
রাষ্ট্রদূতকে প্রশ্ন করুন যুক্তরাষ্ট্রে কেন বিচারবহির্ভূত হত্যা: মোমেন
রাশিয়ার গম-জ্বালানি কিনতে ভারতের কাছে বুদ্ধি চেয়েছে বাংলাদেশ
আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি ভাগাভাগি অপরিহার্য: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে মিয়ানমারমুখী হোন: বাংলাদেশ

মন্তব্য

p
উপরে