× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
The passengers of the robbed bus survived due to the bravery of the police
hear-news
player
print-icon

পুলিশের সাহসিকতায় বাঁচল ‘ডাকাতকবলিত’ বাসের যাত্রীরা

পুলিশের-সাহসিকতায়-বাঁচল-ডাকাতকবলিত-বাসের-যাত্রীরা
ট্রাফিক পুলিশের এসআই হেলাল।
আশুলিয়া থানার এসআই আসলামুজ্জামান বলেন, ‘আমরা ওখানে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার একজনকে পাই। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একটি ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে।’

ঢাকার সাভারে চলন্ত বাসে যাত্রীবেশে অস্ত্র ধরে ডাকাতির অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ডাকাতের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন এক যুবক। এ ছাড়া বাস থেকে লাথি দিয়ে ফেলা দিলে আরেক নারীও আহত হন। পরে আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ছাড়া পুলিশের এক সদস্যও ওই ডাকাতকে আটক করতে গিয়ে সামান্য আহত হয়েছেন।

সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আশুলিয়ার নবীনগর এলাকায় সেনা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে ঘটনাটি ঘটে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহত ও ডাকাত সন্দেহে আটক ব্যক্তির পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

বাসের যাত্রী মনির হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, বাসের যাত্রী ছিল ২০-২৫ জন। যাত্রীদের মধ্যে এক নারীকে লাথি দিয়ে বাস থেকে ফেলে দেয়া হয়। আরেকজনকে পায়ে ছুরিকাঘাত করা হয়।

মনির বলেন, ‘পরে এক পুলিশ চলতি বাসে উইঠা এক ডাকাতরে ধইরা ফেলে। পরে সবাই তারে মারধর করে। বাসটা তখন পলায় গেছে। বাসের স্টাফরা ডাকাতির সাথে জড়িত। না হইলে বাস পলায় গেল ক্যা?’

বাসের আরেক যাত্রী বলেন, ‘সাভার পরিবহনের বাসটা সাভার যাবে। আমি বাইপাইলে উঠছি। সাভার থানা স্ট্যান্ড নামবো। দেখি যে, কয়েকজন লোক একসাথে উঠছে। ওঠার পরে বাস নবীনগরে সেনা মার্কেটের সামনে গেলে একজন লাফ দিয়া ছুরি নিয়া ড্রাইভারের কাছে গিয়া বসে। ড্রাইভারকে বলে, ওস্তাদ গাড়ি দাঁড় করাবেন না। দাঁড় করাইলে একদম মাইরা দিমু। পরে আমি ভাব-ভঙ্গি দেইখা বাস থাইকা লাফ দিছি। এই সময় এক মহিলা নাইমা যাইতে চাইছিল, তারে একটা জোরে লাথি মারসে। বেটি মনে হয়, বাস থাইকা ২০-২৫ ফুট নিচে গিয়া পড়ছে। তার পা ভাইঙ্গা গেছে। আরেক যাত্রীর পায়ের রগ কাইটা দিছে। তাগো হাসপাতালে নিয়া গেছে।’

প্রত্যক্ষদর্শী ইমরান খান বলেন, আমি সেনা মার্কেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তখন এক মহিলাকে বাস থেকে ফেলা দেয়া হয়। এ সময় বাসের যাত্রীরা ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করছিল। মার্কেটের সামনে ট্রাফিক পুলিশের এসআই হেলাল ডিউটি করছিলেন। তিনি মহিলাকে ফেলে দেয়া দেখে দৌড়ে একাই বাসে গিয়ে ওঠেন। পরে ছুরি হাতে থাকা একজনকে জাপটে ধরে আটক করে ফেলেন।

‘ডাকাতের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় এসআই হেলাল সামান্য আহতও হন। এ সময় বাকি ডাকাত সদস্যরা তখন দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে উপস্থিত জনতা ওই ডাকাত সদস্যকে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের এসআই আসলাম তাকে আটক করে নিয়ে যান।’

তবে এ বিষয়ে সাভার ট্রাফিক পুলিশের এসআই হেলালের মুঠোফোনে ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

আশুলিয়া থানার এসআই আসলামুজ্জামান বলেন, ‘আমরা ওখানে গিয়ে গণপিটুনি দেয়া একজনকে পাই। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একটি ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রীরা বলেছে, ছুরি হাতে ছিনতাইকারী বা ডাকাত সদস্যরা তাদের আক্রমণ করেছিল। এখনও ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারিনি। এ ঘটনায় বাসটিও জব্দ করা সম্ভব হয়নি।’

আরও পড়ুন:
স্বর্ণের দোকানে একের পর এক ডাকাতি, বারবার গ্রেপ্তার
মারধরের পর বাথরুমে আটকে রেখে ডাকাতি
এক রাতে ৩ ডাকাতি বানারীপাড়ায়
ডাকাত সেজে ডাকাত ধরা
‘র‍্যাব পরিচয়ে’ ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৭

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
80 percent of RBIs budget will go to salaries allowances and pensions

রাবির বাজেটের ৮০ ভাগই যাবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে

রাবির বাজেটের ৮০ ভাগই যাবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
বাজেটের ৩৩৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে বরাদ্দ দেয়া হবে। বাকি ২২ কোটি টাকা আসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় থেকে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৪৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে সিন্ডিকেট। গত অর্থবছরের তুলনায় এবার ২১ কোটি ২৩ লাখ টাকা বাড়িয়ে বাজেট পাশ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সিন্ডিকেটের ৫১৫ তম সভায় বাজেটটি পাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করেন। এর আগে ২ জুলাই অর্থায়ন কমিটির ৫৫৮ তম সভায় এই বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পান্ডে জানান, এবার ৪৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বাজেটের মধ্যে ৩৬৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা খরচ হবে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও পেনশনে। যা মোট বাজেটের ৮০ দশমিক ৬১ শতাংশ।

এবার গবেষণা খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১০ কোটি টাকা। যা মোট বাজেটের ২.১৯ শতাংশ। গতবছর এই খাতে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল।

এবারই প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ১ কোটি টাকার বাজেট রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, প্রকাশনা, বই পত্র, গবেষণাগার সরঞ্জামাদি, স্মার্ট ক্লাসরুম, ফিল্ডওয়ার্ক/শিক্ষা সফর, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, খেলাধুলা ও শিক্ষাবৃত্তিসহ ১০ খাত অগ্রাধিকার পেয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকাশনা খাতে ৫২ লাখ, ফিল্ড ওয়ার্ক/শিক্ষা সফর খাতে ৮০ লাখ, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাবদ ৫২ লাখ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি খাতে ২০২১-২২ বছরে ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে এক কোটি টাকা করা হয়েছে। বইপত্র খাতে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬০ লাখ টাকা। গত বাজেটে বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরির জন্য বইপত্র খাতে বরাদ্দ ছিল ১৫ হাজার টাকা। এবার তা বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের বই ক্রয় বাবদ ৩৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের অটোমেশন বাবদ ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ: রাবি ছাত্র কারাগারে
শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ, রাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার
রাবিতে প্রথম বর্ষ ভর্তির আবেদন এক দিনেই ৪২ হাজার
রাবিতে ছাত্রদলকে পিটিয়ে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রলীগ
‘পারিবারিক নিয়ম চর্চায়’ রাবির ছাত্রী হলে প্রবেশের নতুন সময়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
While trying to save one person two lives were electrocuted

একজনকে বাঁচাতে গিয়ে ঝরল ২ প্রাণ

একজনকে বাঁচাতে গিয়ে ঝরল ২ প্রাণ প্রতীকী ছবি
দুপুরের গোসল শেষে কাপড় শুকাতে গিয়ে পাশে ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক আউট লাইনের তারে হাত লাগলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন শামীম। তাকে ছাড়াতে যান ঘেরের বাসায় থাকা কর্মচারী আলম গাজী। শামীমের গায়ে হাত দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।

ভেজা কাপড় শুকাতে দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই ঘের কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সাতক্ষীরা সদরের মোফাজ্জল হোসেনের ঘেরের বাসায় মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ৩৫ বছরের শামীম বয়স, তিনি আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের বৈকরঝটি গ্রামের বাসিন্দা। ২৫ বছরের আলম গাজী, তিনি আশাশুনি সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের গোসল শেষে কাপড় শুকাতে গিয়ে পাশে ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক আউট লাইনের তারে হাত লাগলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন শামীম। তাকে ছাড়াতে যান ঘেরের বাসায় থাকা কর্মচারী আলম গাজী। শামীমের গায়ে হাত দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।

ঘেরের বাসায় থাকা অন্য একজন কর্মচারী স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিউজ বাংলাকে নিশ্চিত করে জানান, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন:
মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
সাইনবোর্ড সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ মৃত্যু
বাড়িতে জলাবদ্ধতা, বিদ্যুতায়িত হয়ে দুজনের মৃত্যু
একজনকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুজনের মৃত্যু
দোকানের আগুন নেভাতে গিয়ে প্রাণ গেল চালকের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10 years after the murder of Taiz 3 people were sentenced to life imprisonment

তাইজ হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন

তাইজ হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন
দণ্ডিতরা হলেন, অহিদ মিয়া, মোবারক হোসেন ও মজনু মিয়া। তারা ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী ও সাখুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিন জনের মধ্যে মোবারক পলাতক রয়েছেন।

১০ বছর পর ময়মনসিংহের ত্রিশালের তাইজ উদ্দিন হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন, অহিদ মিয়া, মোবারক হোসেন ও মজনু মিয়া। তারা ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী ও সাখুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিন জনের মধ্যে মোবারক পলাতক রয়েছেন।

নিউজবাংলাকে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি মো. কবির উদ্দিন ভূইয়া।

তিনি জানান, ২০১২ সালের ১১ আগস্ট ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী নদীরপাড় এলাকা থেকে তাইজ উদ্দিন নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে তাইজের বাবা নূরুল ইসলাম ত্রিশাল থানায় হত্যা মামলা করেন।

অ্যাডভোকেট কবির বলেন, ওই মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দশ হাজার টাকা করে অর্থ দণ্ড দেয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিচারকের নির্দেশে অহিদ মিয়া ও মজনু মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
কৃষক হত্যায় যাবজ্জীবন
স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
গৃহবধূ হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন, সতিন খালাস
ছিনতাই মামলায় তিন আসামির বিভিন্ন মেয়াদে সাজা
শ্রমিক হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The people of Chandpur do not sleep at night when the power plant is closed

বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্র, রাতে ঘুম নেই চাঁদপুরবাসীর

বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্র, রাতে ঘুম নেই চাঁদপুরবাসীর ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
গ্যাসের সমস্যা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এমন অবস্থা থাকবে বলে জানান চাঁদপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান।

বেড়েছে গরম। এর মধ্যেই দফায় দফায় লোডশেডিং। এ অবস্থায় রাতের বেলায় ঘুমানোই কঠিন হয়ে পড়েছে চাঁদপুরবাসীর। চাঁদপুর শহর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে এমন পরিস্থিতির কথা জানা গেছে।

গত কয়েক দিনের লোডশেডিংয়ে চাঁদপুরের জনজীবন অতিষ্ঠ হওয়া ছাড়াও ব্যাহত হচ্ছে অফিস, ব্যাংক-বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে শিক্ষার্থীদের।

চাঁদপুর শহরের মাদ্রসা রোড এলাকার শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার ও মাহিম বলেন, ‘দুদিন ধরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাচ্ছে। এতে আমরা পড়াশোনা করতে পারছি না। প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরেও বসে থাকা যাচ্ছে না। বিশেষ করে, রাতে লোডশেডিং বেশি হওয়ায় ঘুমানোই যাচ্ছে না। আমরা এই সমস্যার নিরসন চাই।’

শহরের নাজির পাড়া এলাকার ব্যবসায়ী মামুন তালুকদার বলেন, ‘একবার বিদ্যুৎ গেলে ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেও আসে না। কিন্তু আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বিদ্যুৎ ছাড়া চালানো সম্ভব না। লোকজন এসে ফিরে যাচ্ছে।’

মামুন জানান, লোডশেডিংয়ে বাসা বাড়িতে বয়স্ক ও ছোট শিশুদেরই বেশি সমস্যা হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে তাদেরকে ঘরে আটকে রাখা কষ্ট হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, চাঁদপুর শহরে অবস্থিত ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ থাকাই এই অঞ্চলে লোডশেডিং বাড়ার অন্যতম কারণ। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে এটি। যদিও ডাকাতিয়ার অপর প্রান্তে ইচলী এলাকার ‘চাঁদপুর পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড’ নামে একটি প্রাইভেট বিদ্যুৎকেন্দ্রে অল্প পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। তবে তা সীমিত।

পর্যবেক্ষণ বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদ্যুৎ সংকট এত প্রকট ছিল না চাঁদপুরে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চাহিদার ৬০-৭০ ভাগ সরবরাহ পেলেও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি পাচ্ছে অর্ধেকের মতো। তাই গত তিন দিন ধরে বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়া লক্ষ্য করা গেলেও সহসা এই সমস্যা থেকে উত্তরণের কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ।

চাঁদপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘উৎপাদন সমস্যার কারণে সারা দেশেই বিদ্যুৎ সল্পতা আছে। চাঁদপুরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন এলাকায় প্রতিদিন দিনের বেলায় ১৮ মেগাওয়াট ও রাতে ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কম পাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে লোডশেডিং হচ্ছে। বর্তমানে দিনে ১২ মেগাওয়াট আর রাতে ১৪ মেগাওয়াট দেয়া হচ্ছে।’

গ্যাসের সমস্যা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এমন অবস্থা থাকবে বলে জানান মিজানুর রহমান।

আরও পড়ুন:
প্রচণ্ড লোডশেডিং হচ্ছে, এটা ভয়াবহ: ফখরুল
এত লোডশেডিং কেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কেবল অপারেটরের মৃত্যু
বিদ্যুৎ আসার অপেক্ষা আর যাওয়ার আতঙ্ক রাজশাহীতে
চাহিদার অর্ধেক সরবরাহে বারবার বিদ্যুৎ যাচ্ছে বগুড়ায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The party workers got the support of the Prime Minister in the first step

দলদলির শ্রমিকরা প্রথম ধাপেই পেলেন প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

দলদলির শ্রমিকরা প্রথম ধাপেই পেলেন প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারের মধ্যে সহায়তার টাকা বিতরণ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সিলেটে ৫ কোটি টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। এ টাকা থেকেই প্রথম ধাপে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ হাজার পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দলদলি চা বাগানের ৯ পরিবারকে সহায়তা দেয়া হলো।

ঢলে ভেঙে যাওয়া ঘর মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের বরাদ্দে অর্থ প্রথম ধাপেই পেয়েছে সিলেটের দলদলি চা বাগানের ৯ পরিবার।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে ১০ হাজার টাকা করে বিতরণ করেন।

১৮ জুন ঢলে ঘর ভেঙে যায় দলদলি চা বাগানের ২০টি শ্রমিক পরিবারের। তবে অর্থাভাবে এতদিন ঘরগুলোও সংস্কার করতে পারেননি শ্রমিকরা।

এই বাগানের শ্রমিকদের দুর্দশা নিয়ে নিউজবাংলায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর বদলে যায় চিত্র।

সরকারি সহায়তারও আগে ক্ষতিগ্রস্ত ২০ পরিবারকে ‘দুর্যোগপীড়িতদের পাশে লেখক-শিল্পী- সাংবাদিক-প্রকাশক’-এর ব্যানারে ঘর তৈরির টিন দেয়া হয়। তাদেরকে খাবার দিয়েছে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন।

মঙ্গলবার অর্থ বিতরণের সময় জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সিলেটে ৫ কোটি টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। এ টাকা থেকেই প্রথম ধাপে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ হাজার পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দলদলি চা বাগানের ৯ পরিবারকে সহায়তা দেয়া হলো।

তিনি বলেন, চা শ্রমিকরা এমনিতেই মানবেতর জীবন যাপন করেন। তাই প্রথম ধাপে তাদের সহায়তা দেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে পুনর্বাসন করা হবে।

১৮ জুন পাহাড়ি ঢল ও টিলা ধসে পরিবারগুলোর ঘর ধ্বংস হয়ে যায়।

আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও ২৫ হাজারের বেশি মানুষ

১৫ জুন থেকে সিলেটে বন্যা শুরু হয়। মঙ্গলবার ২০ দিন পার হয়েছে। এখনও অনেক জায়গা থেকে নামেনি পানি। এ কারণে আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়তে পারেনি অনেক মানুষ।

সিলেটের জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সিলেটে এখনও বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে ২৫ হাজার ৫৭৯ জন আশ্রিত আছেন। জেলায় ৩১৭টি আশ্রয় কেন্দ্র চালু রয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, এবারের বন্যায় জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৩টি, ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। বানের পানিতে ক্ষতি হয়েছে ৪০ হাজার ঘরবাড়ির।

এ পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৬১২ টন চাল, ২০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার এবং প্রায় আড়াই কোটি টাকা বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিদুর্গতদের সহায়তা 
৮৫০ কোটি টাকা বাজেটসহায়তা দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
৩৩ কোটি ইউরো সহায়তা দেবে ফ্রান্স
প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে জাপানের ৩৯ কোটি টাকা অনুদান
করোনা: আরও আড়াই কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Adolescent pornography viral threat 7 years in prison

কিশোরীর অশ্লীল ছবি ভাইরালের হুমকি, ৮ বছর জেল-জরিমানা

কিশোরীর অশ্লীল  ছবি ভাইরালের হুমকি, ৮ বছর জেল-জরিমানা
রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, সাজা একটার পর একটা কার্যকর হবে। জরিমানার অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে ওই কিশোরী পাবে। মামলার আসামি পলাতক আছেন। তার অনুপস্থিতিতেই রায় দেয়া হয়েছে।

এক কিশোরীর এডিট করা অশ্লীল ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল করে দেয়ার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করার মামলায় রাজশাহীর আদালত এক ব্যক্তিকে আট বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও আট লাখ টাকা জরিমানা করেছে।

রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান আলাদা দুটি ধারায় মঙ্গলবার দুপুরে আসামিকে এ দণ্ড দেন।

দণ্ডিত শাকিল মন্ডল চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দা। ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। ১৬ বছর বয়সী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা।

এজাহারে বলা হয়, আসামি শাকিল মন্ডল ওই কিশোরীর ছবি সংগ্রহ করে এডিট করেন। পরে অশ্লীল ছবি শাকিল তার ফেইক ফেসবুক আইডি থেকে ওই কিশোরীর ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে পাঠান। কিশোরীর বাবাকে ফোন করে শাকিল ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে এসব ছবি নেটে ছেড়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দেন।

আইনজীবী ইসমত আরা জানান, মামলার পর পুলিশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। এরপর বিচার শুরু হয়। আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আদালত একটি ধারায় আসামিকে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার এ অর্থ অনাদায়ে আরও ছয়মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

অন্য আরেকটি ধারায় আসামিকে ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার এই অর্থ অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে আসামিকে।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, সাজা একটার পর একটা কার্যকর হবে। জরিমানার অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে ওই কিশোরী পাবে। মামলার আসামি পলাতক আছেন। তার অনুপস্থিতিতেই রায় দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কারাগারেই মরতে হবে বাবার হত্যাকারীকে
৫ জেএমবি সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা
ইয়াবার মামলায় ২ আসামিকে ৫ বছরের সাজা
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলায় ৮ বছরের কারাদণ্ড  
সাবেক শুল্ক কর্মকর্তার ৮ বছর সাজা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Life imprisonment for killing farmers

কৃষক হত্যায় যাবজ্জীবন

কৃষক হত্যায় যাবজ্জীবন
মামলার এজাহারে বলা হয়, টুঙ্গিপাড়ার বালাডাঙ্গা গ্রামের কৃষক শেখ নুরুল ইসলাম খানের সঙ্গে হান্নান শেখের বিরোধ চলছিল। ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাতে জমি থেকে বাড়ি ফেরার পথে হান্নান ও তার লোকজন নুরুলকে কুপিয়ে পালিয়ে যান।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে কৃষক হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত দায়রা জজ আব্বাসের উদ্দিনের আদালত মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেয়।

দণ্ডিত আব্দুল হান্নান শেখের বাড়ি টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাঁচকাহনিয়া গ্রামে।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী আইনজীবী শহিদুজ্জামান খান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, টুঙ্গিপাড়ার বালাডাঙ্গা গ্রামের কৃষক শেখ নুরুল ইসলাম খানের সঙ্গে হান্নান শেখের বিরোধ চলছিল। ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাতে জমি থেকে বাড়ি ফেরার পথে হান্নান ও তার লোকজন নুরুলকে কুপিয়ে পালিয়ে যান।

স্থানীয়রা তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ ডিসেম্বর নুরুলের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে যান নুরুলের স্ত্রী আফরোজা নাহার রানু। থানা মামলা না নিলে ২০১২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ছয়জনের নামে আদালতে মামলা করেন। পুলিশ হান্নান ও তার স্ত্রী মহুরোন নেছাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

আইনজীবী শহিদুজ্জামান বলেন, ‘আদালত হান্নানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে। তার স্ত্রীকে খালাস দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ী হত্যায় দুজনের যাবজ্জীবন
হেরোইন বহনের দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন
ব্যবসায়ী হত্যায় ভায়রার আমৃত্যু কারাদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দা‌য়ে ২ জ‌নের যাবজ্জীবন
২২৫ গ্রাম হেরোইন বহনের দায়ে ২ যুবকের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

p
উপরে