× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The Prime Ministers Homecoming Day discussion meeting is on Monday
google_news print-icon

প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভা সোমবার

প্রধানমন্ত্রীর-স্বদেশ-প্রত্যাবর্তন-দিবসের-আলোচনা-সভা-সোমবার
১৯৮১ সালের ১৭ মে ঢাকায় নেমে আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান (ডানে), আমির হোসেন আমু ও অন্যদের সঙ্গে শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক দিন আগেই আলোচনা সভা করবে দলটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটি।

আগামীকাল সোমবার বেলা ১১টায় জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এ ছাড়া কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, সাংবাদিক ও প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আবু জাফর ওয়াজেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ডক্টর আব্দুস সামাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেবেন।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। সে সময় ছোট বোন শেখ রেহানাসহ জার্মানিতে ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কারণেই বেঁচে যান তারা।

নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বিকেলে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরে পৌঁছান। তার আগে বিদেশে থাকা অবস্থাতেই আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনর আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক সভাপতিত্ব করবেন। সভা সঞ্চালনা করবেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং এ সংক্রান্ত উপকমিটির সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন।

তিনি দলটির নেতাকর্মী এবং বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্যদের যথাসময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
চলছে প্রস্তুতি, সোমবার পলাশ আ. লীগের সম্মেলন
ঝড়ের গতিতে উত্থান, উল্কার বেগে পতন
৩ উপজেলা, ৬ পৌরসভা, ১৩৬ ইউপিতে আ.লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত
সম্মেলনের মধ্যেই আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
শ্রীলঙ্কার দৃষ্টান্ত ও কিছু পুরোনো ছবি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Unwillingness to tackle the quota movement politically Who

কোটা আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ইচ্ছা নেই: কাদের

কোটা আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ইচ্ছা নেই: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার একটি অরাজনৈতিক আন্দোলনকে কেন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে? কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই বলে রোববার জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এক বিবৃতিতে এ কথা জানান কাদের, যেটিতে স্বাক্ষর ছিল আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে বিএনপিসহ ‘একটি চিহ্নিত মহলের’ ষড়যন্ত্র ও অপকৌশলের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার জন্য সাধারণ শিক্ষার্থী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলন একটি অরাজনৈতিক আন্দোলন। অথচ বিএনপি ও তার দোসররা এই আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। কোটাবিরোধী আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপি নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে উসকানি দিচ্ছেন।

‘সরকার একটি অরাজনৈতিক আন্দোলনকে কেন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে? কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’

তিনি বলেন, ‘ইতোপূর্বে বিএনপি ও তার দোসরদের সব আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা শিক্ষার্থীদের এই কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করছে এবং এটাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

কাদের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছি। সরকারি চাকরিতে কোটার বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এখানে সরকারের কিছু করার নেই। তাই কারও উসকানিতে পড়ে সরকারবিরোধী বক্তব্য না দিয়ে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

‘চূড়ান্ত শুনানিতে আদালত সব পক্ষের বক্তব্য এবং যুক্তি-তর্ক আমলে নিয়ে চূড়ান্ত রায় প্রদান করবেন। আমরা আশা করি অচিরেই এই বিষয়টির সমাধান হবে।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর
বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা কোটা আন্দোলনকারীদের
শিক্ষকদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে: কাদের
কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The demands of the teachers will be raised with the Prime Minister Who

শিক্ষকদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে: কাদের

শিক্ষকদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে: কাদের শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ে শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয় আগামী বছর থেকে চালু হবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষকরা কর্মবিরতির বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে আলোচনার পর কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন। আশা করি সমাধান আসবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুপার গ্রেড ও স্কেল প্রদান নিয়ে আলোচনা হবে এবং তাদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে।

শিক্ষকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয় আগামী বছর থেকে চালু হবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষকরা কর্মবিরতির বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে আলোচনার পর কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন। আশা করি সমাধান আসবে।’

শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

অপরদিকে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতারা জানিয়েছে, সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর কর্মবিরতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি ছিল। প্রধানমন্ত্রী সংসদে যে তথ্যটি দিয়েছিলেন, ২০২৪ সালে স্কিমটি শুরু হবে..., এটা ভুল ছিল। পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ১ জুলাই ২০২৫ থেকে।

‘শিক্ষকদের সুপার গ্রেড প্রদানের বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আমরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা ও লিখিত দাবিনামা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করব। পরবর্তী সিদ্ধান্ত আমরা আলাপ-আলোচনা করে নেব।’

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সবাই যুক্ত হবেন ২০২৫ সালের ১ জুলাই। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৩ জন শিক্ষক নেতা এসেছিলেন। তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝি মিটেছে। অচিরেই সমস্যার সমাধান হবে।

শিক্ষকদের কর্মবিরতি কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা সাংগঠনিকভাবে ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন৷ তবে শিক্ষকদের সব দাবি চট করে মানা যাবে না। সরকারেরও যুক্তি আছে। তাদের দাবি যুক্তিসংগত হলে বিবেচনা করা হবে।’

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের তিন দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। ফেডারেশনে আলোচনা করে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলব।’

শিক্ষকদের চলমান কর্মবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেডারেশনের সঙ্গে কথা বলে, শিক্ষক সমিতির সঙ্গে কথা বলে ও সভা করে আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’

আরও পড়ুন:
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে আপাতত চুপ শিক্ষক ফেডারেশন
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: কাদের
কোটার আন্দোলনকে সরকারবিরোধী রূপ দেয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Do not mislead young students External Affairs Minister

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার বগুড়ায় আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সরকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েই কোটা বাতিল করেছিল, আদালত সেটি পুনর্বহাল করেছিল। সুতরাং কোটার সমাধান আদালতের মাধ্যমেই হতে হবে। বিষয়টি যারা বোঝেন না বা বুঝেও বুঝতে চান না এবং যাদেরকে বিএনপিসহ অন্যরা ইন্ধন দিচ্ছে তাদেরকে বলব, কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সরকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েই কোটা বাতিল করেছিল, আদালত সেটি পুনর্বহাল করেছিল। সুতরাং কোটার সমাধান আদালতের মাধ্যমেই হতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি যারা বোঝেন না বা বুঝেও বুঝতে চান না এবং যাদেরকে বিএনপিসহ অন্যরা ইন্ধন দিচ্ছে তাদেরকে বলবো, কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

শনিবার সন্ধ্যায় বগুড়া শহরে পৌর এডওয়ার্ড পার্কের শহীদ টিটু মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্লাটিনাম রজতজয়ন্তী উদযাপন ও বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতৃবৃন্দের সংবর্ধনা ও প্রয়াতদের মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।

সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বিশদ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘কোটা সরকার পুনর্বহাল করেনি। সরকার বরং শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে কোটা বাতিল করেছিল। বাতিলের পর কোটাহীনভাবে সরকারি ও অন্যান্য চাকরিতে নিয়োগ হচ্ছে।

‘হাইকোর্ট রায় দিয়েছে কোটা পুনর্বহালের জন্য। সুপ্রিম কোর্ট সেটি স্থগিত করেছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে বা বিচারাধীন বিষয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। তাহলে আদালত অবমাননা হবে।

‘এসব বুঝেও যারা জনভোগান্তি ঘটাচ্ছেন তাদের উদ্দেশে বলব- জনগণের ভোগান্তি যাতে না ঘটে, সেজন্য সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। আশা করবো শিক্ষার্থীরা সুপ্রিম কোর্টের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।’

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবর রহমান মজনু এমপির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু এমপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এমপি প্রধান বক্তা এবং সাহাদারা মান্নান এমপি ও ডা. মোস্তফা আলম নান্নু এমপি বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে ভারতের আপত্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সৌদি গমনেচ্ছুদের প্রতারণা থেকে রক্ষায় যৌথ টাস্কফোর্স কাজ করবে
বিদেশের কারাগারে বন্দি ১১ হাজার ৪৫০ বাংলাদেশি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সৌদির সঙ্গে অফশোর ব্যাংকিং সুবিধা নিয়ে আলোচনা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
অপশক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আ.লীগ সবসময় চক্ষুশূল হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina returned from China empty handed Rizvi

শেখ হাসিনা চীন থেকে শূন্য হাতে ফিরেছেন: রিজভী

শেখ হাসিনা চীন থেকে শূন্য হাতে ফিরেছেন: রিজভী
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘শেখ হাসিনা চীনের কাছে ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলেন। আর আশ্বাস পেয়েছেন এক বিলিয়ন ইয়েনের। ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়ে খালি ঝুড়ি নিয়ে ফেরত এসেছেন তিনি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ বিক্রি করার মহাজন বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ভারতকে নিরাপদ করতে বাংলাদেশকে অনিরাপদ করেছেন। বাংলাদেশকে ভারতের নয়া উপনিবেশ বানানোর চেষ্টা করছেন তিনি।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে ভাসানী ভবনে শনিবার ওলামা দলের পরিচিতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘১৯৫ জন সফরসঙ্গী নিয়ে চীনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি শূন্য হাতে দেশে ফিরেছেন।

‘শেখ হাসিনা চীনের কাছে ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলেন। আর আশ্বাস পেয়েছেন এক বিলিয়ন ইয়েনের। ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়ে খালি ঝুড়ি নিয়ে ফেরত এসেছেন তিনি।’

সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী বলেন, ‘দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, কর্তৃত্ববাদী শাসন-শোষণের ফলে দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে।’

ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল হোসেনের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, এটিএম আবদুল বারী ড্যানী, মাওলানা আলমগীর হোসেন, ক্বারী গোলাম মোস্তফা, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম ও মাওলানা মাসুম বিল্লাহ।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের অবস্থান ‘জাতীয় তামাশা’: রিজভী
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় রোববার সারা দেশে বিএনপির দোয়া মাহফিল
বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের রেল যোগাযোগ পরিকল্পনায় উদ্বেগ বিএনপির
বাংলাদেশ কার স্বার্থ রক্ষা করছে- মিয়ানমার ইস্যুতে প্রশ্ন রিজভীর
আজিজ-বেনজীরের মতো অনেক রূপকথার কাহিনী আছে: রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quota activists claim unconstitutional who

কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের

কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটা কুচক্রী মহল কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধানবিরোধী বলে শনিবার মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধান ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির বিরোধী। কোটা নিয়ে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে কাদের এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটা কুচক্রী মহল কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে।

‘গেল কয়েকটি বছরে কোটা না থাকায় নারীদের অংশগ্রহণ হতাশাজনক। পিছিয়ে পড়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও।’

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কোটার পরিসংখ্যান তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে কোটায় নিয়োগ সবচেয়ে কম। ভারতে ৬০ শতাংশ, পাকিস্তানে ৯২.৫ শতাংশ, নেপালে ৪৫ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৫০ শতাংশ চাকরিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে ৬০ শতাংশ কোটা চালু রয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনের আগে পেনশন নিয়ে আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি আকতারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ১৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি আলোচনায় অংশ নেন।

এ নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘পেনশন স্কিম ২০২৪ না ২০২৫, এ নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল। তা দূর হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২০২৫ সালের পহেলা জুলাই থেকে সবার জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম।’

শিক্ষকদের অন্যান্য দাবি নিয়ে কাদের বলেন, ‘আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে অচিরেই সমাধান হবে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quader meeting with the protesting teacher leaders

আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের

আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের বৈঠকে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতা ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বেলা ১১টা থেকে ওই বৈঠক শুরু হয়।

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম প্রত্যাহারসহ তিন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে শনিবার বৈঠকে বসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বেলা ১১টা থেকে ওই বৈঠক শুরু হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও নীল দলের সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সামাদ বলেন, ‘উনার (ওবায়দুল কাদের) সাথে যে বৈঠক হবে, সেটা বেশ কিছু দিন ধরেই বোঝা যাচ্ছিল। অবশেষে আজকে উনি আমাদের সাথে বৈঠকে বসেছেন। শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষক ফেডারেশন সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্তরা সেখানে গিয়েছেন।’

বৈঠকে শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. আখতারুল ইসলাম, মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক শফিউল আলম ভূইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে একবার শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও কাদেরের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির ব্যস্ততার কথা জানিয়ে সেটি বাতিল করা হয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান কাদেরের
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ জাবি শিক্ষার্থীদের 
খুলনায় সড়ক রেলপথ অবরোধ কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের
সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরও ‘রাজপথে থাকবেন’ কোটাবিরোধীরা
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালে হাইকোর্টের রায়ে স্থিতাবস্থা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Demands of agitators about quota are not correct Salim Mahmud

কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ

কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। ফাইল ছবি
সেলিম মাহমুদ বলেন, ‘তারা বলছে, সরকারি চাকুরিতে কোটায় অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীরা মেধার চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে এবং এর ফলে মেধা ক্যাটাগরির প্রার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিষয়টি আদৌ সত্য নয়। ৩৩তম, ৩৫তম এবং ৩৬তম—এই তিনটি বিসিএস পরীক্ষায় গড়ে প্রায় ৭২ শতাংশ প্রার্থীকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ।

সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

সেলিম মাহমুদ বলেন, ‘তারা বলছে, সরকারি চাকুরিতে কোটায় অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীরা মেধার চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে এবং এর ফলে মেধা ক্যাটাগরির প্রার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিষয়টি আদৌ সত্য নয়। ৩৩তম, ৩৫তম এবং ৩৬তম—এই তিনটি বিসিএস পরীক্ষায় গড়ে প্রায় ৭২ শতাংশ প্রার্থীকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

‘সেখানে গড়ে মাত্র ২৮ শতাংশ প্রার্থী কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছে। বিগত পাঁচটি বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের সংখ্যা পাঁচ শতাংশের নিচে ছিল। সর্বশেষ সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শূন্য পদগুলোতে মেধা তালিকা থেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে দেশের কোটা ব্যবস্থাপনার প্রকৃত চিত্র উঠে আসেনি। তারা কিছু সস্তা চিন্তার ও লোকদেখানো বিষয় উপস্থাপন করছে।‌ তারা এমনভাবে উপস্থাপন করছে‌ যেন কেবল কোটার অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীদেরই নিয়োগ দেয়া হচ্ছে অথবা সিংহভাগ নিয়োগ কোটা থেকেই দেয়া হচ্ছে। ‌

‘বিষয়টি সম্পূর্ণ উল্টো। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই (কোটা চালু অবস্থায়) সরকারি চাকুরিতে সবচেয়ে কম প্রার্থীদের কোটা থেকে নিয়োগ দেয়া হয় (২৮%)।’

আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘বর্তমানে ভারতে সরকারি চাকুরিতে ৬০% কোটার ভিত্তিতে ও ৪০% মেধার ভিত্তিতে, পাকিস্তানে ৯২.৫% কোটা ও মাত্র ৭.৫% মেধার ভিত্তিতে, নেপালে ৪৫% কোটা ও ৫৫% মেধার ভিত্তিতে, শ্রীলঙ্কায় ৫০% কোটা ও ৫০% মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কার বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভর্তির ক্ষেত্রে ৬০% জেলা কোটা বিদ্যমান রয়েছে। ‌

‘কোটায় অন্তর্ভুক্ত আর মেধাবী এ দুটো বিষয় যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে, তাতে মনে হয় কোটার মাধ্যমে চাকরি প্রার্থীরা মেধাবী নয়। তারা অবশ্যই মেধাবী। কারণ একই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা পাস করে সংবিধানের আলোকে প্রণীত সরকারি নীতি অনুযায়ী অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘আধুনিক গণতান্ত্রিক উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই সরকারি চাকুরিতে কোটা ব্যবস্থার প্রচলন রয়েছে। এর কারণ হচ্ছে উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রায় সকল দেশই দীর্ঘসময় ধরে উপনিবেশ ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে তারা শোষণ আর নিপীড়নের কবলে ছিল। ফলে স্বাধীনতা লাভের পরও এ সকল দেশে উপযুক্ত জাতি গঠন প্রক্রিয়া, উন্নয়ন, সুযোগের সমতা ও সুষম বণ্টন এবং জনগণের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি অর্জিত হয়নি।

‘‌এ কারণে রাষ্ট্রের সকল অঞ্চল, সম্প্রদায় ও শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতে সরকারি চাকুরিতে ন্যায্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের সুযোগ পায়, সে বিষয়টি লক্ষ রেখে রাষ্ট্রীয় নীতি প্রণীত হয়। এটিই প্রকৃত অর্থে কোটা ব্যবস্থা।’ ‌

আরও পড়ুন:
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে