× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
If the family wants the emperor will stay in the hospital for some more time
hear-news
player

পরিবার চাইলে আরও কিছুদিন হাসপাতালে থাকবেন সম্রাট

পরিবার-চাইলে-আরও-কিছুদিন-হাসপাতালে-থাকবেন-সম্রাট ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। ফাইল ছবি
বিএসএমএমইউর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নজরুল ইসলাম বলেন, ‘জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনি সব মামলাতে আপাতত জামিনে রয়েছেন। শরীরের অবস্থা এখন আমরা তার পরিবারের কাছে জানাব। পরিবার চাইলে আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত তাকে অবজারভেশনে রাখা হবে।’

পরিবারের অনুমতি পেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে আরও কিছুদিন হাসপাতালে রাখতে চান চিকিৎসকরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনি সব মামলাতে আপাতত জামিনে রয়েছেন। শরীরের অবস্থা এখন আমরা তার পরিবারের কাছে জানাব। পরিবার চাইলে আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত তাকে অবজারভেশনে রাখা হবে।’

পরিচালক বলেন, ‘তার (সম্রাট) চিকিৎসায় আমরা একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করব। তার শারীরিক অবস্থা পরিবারের কাছে ব্যাখ্যা করব। তার অভিভাবকরা না নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত তিনি এখানেই থাকবেন।

‘এর মধ্যে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে তাকে হয়তো আবারও লম্বা সময়ের জন্য এখানে থাকতে হতে পারে।’

সম্রাটের শরীরের অবস্থা জানতে চাইলে চিকিৎসকরা বলেন, ‘আপাতত আমরা বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিয়েছি। তাকে দেখে বোঝা যাবে না, তিনি কতটা অসুস্থ।

‘সবাই তাকে স্বাভাবিক এবং নরমাল মানুষ হিসেবে দেখবেন, তবে কার্ডিওলজির চোখ দিয়ে যদি দেখা হয়, তাহলে তার শরীরের অবস্থার যেকোনো সময় অবনতি হতে পারে।’

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দেড় বছর ধরে এখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। সম্রাটের হার্টের ৩১ থেকে ৩৩ শতাংশ ফাংশনাল ছিল। তিনি আসামি হলেও আমাদের কাছে একজন রোগী। সেই হিসেবেই আমরা দেখেছি তাকে।

‘ওনার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক নয়। এমনকি বিছানা থেকে টয়লেটে যেতেও কষ্ট হয়। আমরা শঙ্কায় ছিলাম যে আমাদের কোনো অবহেলার কারণে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে কি না।’

কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ রায়হান মাসুম মণ্ডল বলেন, ‘সম্রাটের হার্টের এমন কিছু ক্রিটিক্যাল অবস্থা আছে। যেকোনো সময়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এ ছাড়া আছে ভাল্বের সমস্যা।

‘দূর থেকে অনেকটা সুস্থ মনে হলেও চিকিৎসক হিসেবে দেখলে বোঝা যায়, ওনার দেহে যেন একটা বোমা বাঁধা রয়েছে। রাতের বেলায় হার্টের ঝুঁকির মাত্রা আরও বেড়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘ওনাকে কারাগারে নিতে বিভিন্ন সময়ে জেল কর্তৃপক্ষ কাগজ পাঠিয়েছে। আমরা কখনও বলিনি যে নিতে পারবে না। আমরা কেবল রোগীর অবস্থা জানিয়েছি। বর্তমানে সম্রাটের হার্ট স্বাভাবিক রয়েছে, তবে কিছু জটিলতা এখনও আছে।

‘আমরা পুরো এক মাসের একটা রিপোর্ট তৈরি করব। আমাদের সব ধরনের চিকিৎসার সক্ষমতা আছে। পরিবার চাইলে বাইরেও নিতে পারবে। মেটালিক ভাল্ব কী অবস্থায় আছে, সেটি দেখতে হবে।’

ইলেকট্রিক ভাল্বের যে আধুনিক প্রযুক্তি দরকার, সেটি বিএসএমএমইউতে নেই বলে জানান কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক।

তিনি বলেন, ‘এই প্রযুক্তিতে আমাদের এখনও দুর্বলতা রয়েছে। এতটা সক্ষম নই। আরও এক সপ্তাহ ওনার হাসপাতালে থাকতে হতে পারে। ওনার (সম্রাটের) ভালো চিকিৎসা দরকার।

‘যেহেতু এখনও আইনি বাধা উঠে গেছে, তাই চাইলে স্বজনরা বাইরে চিকিৎসা করাতে নিতে পারেন। আগামী সোমবার আরও একটি বোর্ড সভা বসবে। সেখানেই আমাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

আরও পড়ুন:
সম্রাট অসুস্থ, চার্জ শুনানি পেছাল
সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ, জামিন শুনানি ৩১ মার্চ
অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে সম্রাট
দুদকের মামলায় সম্রাটের জামিন আবেদন
পরোয়ানার পরও আদালতে আনা হয়নি সম্রাটকে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two BCL leaders arrested in mayors case

মেয়রের মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের ২ নেতা

মেয়রের মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের ২ নেতা উচ্ছ্বাস আলম ও ফাইনুল ইসলাম শাওন। ছবি: সংগৃহীত
মামলায় বলা হয়, পৌরসভার অস্থায়ী কার্যালয়ে ২৬ এপ্রিল হাট-বাজার, টার্মিনাল ইজারা বিষয়ে সভা চলছিল। তখন সেখানে উপস্থিত হন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিলয় রায় বাঁধনসহ ৮-১০ জন। তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির পাশাপাশি মেয়রকে হত্যার হুমকি দেন।

নড়াইল পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরার করা চাঁদাবাজির মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে উচ্ছ্বাস আলম ও ফাইনুল ইসলাম শাওন নামে ছাত্রলীগের দুজন সাবেক নেতাকে।

নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সিলেট থেকে বুধবার দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম।’

স্থানীয়রা জানান, নড়াইল পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি উচ্ছ্বাস আলম। তার বাড়ি নড়াইল পৌর শহরের ভওয়াখালী গ্রামে। আরেক নেতা ফাইনুল ইসলাম শাওনের বাড়িও একই এলাকায়। তারা বর্তমানে ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে আছেন কি না, তা জানা যায়নি।

একটি চাঁদাবাজির মামলার আসামি হিসেবে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। মামলাটির বাদী নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা।

মামলাসূত্রে জানা গেছে, নড়াইল শহরের পুরাতন বাস টার্মিনালে পৌরসভার অস্থায়ী কার্যালয়। সেখানে গত ২৬ এপ্রিল হাট-বাজার, টার্মিনাল ইজারা বিষয়ে সভা চলছিল। বেলা দেড়টার দিকে সেখানে উপস্থিত হন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিলয় রায় বাঁধনসহ ৮-১০ জন। তারা মেয়রের কার্যালয়ে ঢুকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন।

একপর্যায়ে তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির পাশাপাশি মেয়রকে হত্যার হুমকি দেন।

চাঁদা দাবির এ ঘটনায় মামলার পাশাপাশি পৌর পরিষদ জরুরি সভা করে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায়।

পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করছে না বলে অভিযোগ তুলে পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়। আসামি গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হয়।

অন্যদিকে মেয়র আঞ্জুমান আরাকে দুর্নীতিগ্রস্ত দাবি করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বের করেন স্থানীয় ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের একাংশ। তারা মেয়রের অপসারণ দাবি করেন।

উত্তপ্ত এ রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে পুলিশ বুধবার রাতে সিলেট থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় বলেন, ‘পৌর মেয়রের করা চাঁদাবাজির মামলায় এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত কবীর জানান, আসামিরা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আছে।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক পরিচয়ে ‘চাঁদাবাজি’, ৪ জন কারাগারে
চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরে মেলায় চাঁদাবাজি!
ওসি-এসআইয়ের নামে চাঁদাবাজির মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Imam stole the mobile of Kamalapur station manager

কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজারের মোবাইল চুরিতে ইমাম

কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজারের মোবাইল চুরিতে ইমাম কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজারের মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার আজিজ মোহাম্মদ। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানায়, বিদেশে থাকাকালীন গাড়ি চুরির মামলায় তিন বছর সাজা খেটেছেন আজিজ। দেশে এসে মাদ্রাসায় চাকরি করতে গিয়ে মোবাইল চুরি করে সেটিও হারান। পরে মাদকাসক্ত হয়ে মোবাইল চুরির সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে সংবাদ সম্মেলনের সময় স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ারের মোবাইল ফোন এক ইমাম চুরি করেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার ২৫ দিন পর এটি উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগ। চুরির অভিযোগে সেই ইমামকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ইমামের নাম আজিজ মোহাম্মদ। তিনি একসময় প্রবাসে মসজিদে ইমামতি করতেন।

পুলিশ জানায়, বিদেশে থাকাকালীন গাড়ি চুরির মামলায় তিন বছর সাজা খেটেছেন তিনি। দেশে এসে মাদ্রাসায় চাকরি করতে গিয়ে মোবাইল চুরি করে সেই চাকরিও হারান। পরে মাদকাসক্ত হয়ে মোবাইল চুরির সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

আজিজের সঙ্গে মোবাইল চোর চক্রের আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন রনি হাওলাদার ও মো. জাকির হোসেন।

গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. মশিউর রহমান জানান, গত ২৩ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ারের অফিসে ঈদুল ফিতরের অগ্রিম টিকিট বিক্রি সংক্রান্ত প্রেস কনফারেন্সের সময় দুটি মোবাইল ফোন, একটি ওয়ালেটের ভেতর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং নগদ ৪৫ হাজার টাকা চুরি হয়। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত করতে থাকে।

ঘটনার ২৫ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার চোরাই মোবাইলসহ আজিজ মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মশিউর রহমান বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে আজিজ স্বীকার করেছেন, তিনি সংবাদ সম্মেলন চলাকালে স্টেশন ম্যানেজারের ফোন এবং ওয়ালেট চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যান।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজিজ একজন কোরআনে হাফেজ। তিনি দীর্ঘ ৩৩ বছর সৌদি আরবের বিভিন্ন মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সৌদি আরবে ইমামের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি গাড়িচালকের কাজও করতেন তিনি। ড্রাইভিং করতে গিয়ে তার গাড়ি চুরির নেশা হয়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি গাড়িও চুরি করতেন তিনি। ২০১৫ সালে গাড়ি চুরির মামলায় সৌদি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন আজিজ। গাড়ি চুরির মামলায় তিন বছর সাজা হয় তার।

‘সাজা ভোগ করে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে এসে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান নেন। সেখানে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন। কিছুদিন পরে মাদ্রাসায় মোবাইল চুরি করে ধরা পড়লে চাকরি চলে যায় তার। এর পর থেকে আজিজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। ঢাকা শহরে এসে বিভিন্ন মেসে থেকে মোবাইল চুরি শুরু করেন।’

তিনি তিন বছর ধরে রাজধানীর কমলাপুর স্টেশন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিএসসি চত্বর, নগর ভবন, গুলিস্তান, ধানমন্ডি লেক, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতি সপ্তাহে ৮ থেকে ১০টি করে মোবাইল চুরি করতেন। এরপর চোরাই মোবাইলগুলো গ্রেপ্তার রনি ও জাকিরের কাছে বিক্রি করতেন বলে জানায় পুলিশ।

আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর কমলাপুর স্টেশন থানায় মামলা আছে বলেও জানান এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
এনআইডির মাধ্যমে দেয়ায় ট্রেনের টিকিটে ধীরগতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Madrasa student arrested in rape case

বলাৎকারের মামলায় মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

বলাৎকারের মামলায় মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
মামলার বরাতে ওসি জানান, রবিউল ছেলেটিকে কয়েকবার বলাৎকার করেছেন। সবশেষ গত ৯ এপ্রিল এ ঘটনা ঘটে।। এরপর ছেলেটি ভয়ে মাদ্রাসায় যেতে চাইতো না।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দৌলতপুর উপজেলার দাঁড়েরপাড়া কওমী এতিমখানা ও মাদ্রাসা থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দৌলতপুর থানার ওসি জাবীদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামির নাম রবিউল ইসলাম। তার বাড়ি রাজশাহী জেলায়। তিনি ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষক।

ওসি জাবীদ হাসান বলেন, ‘বুধবার মধ্যরাতে মাদ্রাসাটির চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রের বাবা বলাৎকারের মামলা করেন। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক রবিউলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে দৌলতপুর আমলী আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

মামলার বরাতে ওসি জানান, রবিউল ছেলেটিকে কয়েকবার বলাৎকার করেছেন। সবশেষ গত ৯ এপ্রিল এ ঘটনা ঘটে।। এরপর ছেলেটি ভয়ে মাদ্রাসায় যেতে চাইতো না। গত বুধবার সে বলাৎকারের কথা বাবাকে জানায়। এরপরই মামলা করেন তার বাবা।

আরও পড়ুন:
বলাৎকারের মামলায় মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টা, মাদ্রাসাশিক্ষক আটক
ভ্যানচালককে ‘বলাৎকার’: কারাগারে এসআই স্বপন
ভ্যানচালককে ‘বলাৎকার’: এসআই স্বপন গ্রেপ্তার
পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বৃদ্ধকে বলাৎকারের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
They used to solve questions in the test center on digital devices

ডিজিটাল ডিভাইসে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রশ্নের সমাধান দিতেন তারা

ডিজিটাল ডিভাইসে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রশ্নের সমাধান দিতেন তারা সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার চারজন। ছবি: সংগৃহীত
গ্রেপ্তাররা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, প্রথমে তারা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি নিয়োগ পরীক্ষা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে ওই নিয়োগ পরীক্ষা নেয়ার স্থান ও পরীক্ষার গার্ড সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এ সময় চক্রের অন্য সদস্যরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সরকারি-বেসরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের খুঁজে বের করে ১০-১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় পাস ও চাকরি পাইয়ে দেয়ার নিশ্চয়তার কথা বলে তাদের প্রলোভন দেখান।

ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে সংযুক্ত থেকে প্রশ্ন জেনে সঠিক উত্তর বলে দেয়া হতো। তা শুনে শুনে উত্তর লিখে দিয়ে আসতেন। আর এজন্য নির্দিষ্ট অর্থের চুক্তি হতো পরীক্ষার্থীর সঙ্গে।

দেশের বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে এমন ডিজিটাল জালিয়াতি করে আসছিল একটি চক্র। অবশেষে চক্রের মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কারওয়ানবাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গ্রেপ্তারেরা হলেন- চক্রের মূলহোতা মো. ইকবাল হোসেন ও তার তিন সহযোগী রমিজ মৃধা, মো. নজরুল ইসলাম ও মো. মোদাচ্ছের হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী ২০ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা রয়েছে। এজন্য প্রতারক চক্রগুলো তাদের তৎপরতা বাড়ায়। র‍্যাবও এ বিষয়ে নজরদারি বাড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতি চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

তিনি জানান, তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু ডিজিটাল ডিভাইস ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।

খন্দকার আল মঈন জানান, গ্রেপ্তাররা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, প্রথমে তারা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি নিয়োগ পরীক্ষা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে ওই নিয়োগ পরীক্ষা নেয়ার স্থান ও পরীক্ষার গার্ড সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এ সময় চক্রের অন্য সদস্যরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সরকারি-বেসরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের খুঁজে বের করে ১০-১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় পাস ও চাকরি পাইয়ে দেয়ার নিশ্চয়তার কথা বলে তাদের প্রলোভন দেখান। আগ্রহী পরীক্ষার্থীদের ডিজিটাল ডিভাইসগুলো দিয়ে এর ব্যবহারবিধি প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রাথমিকভাবে এক-দুই লাখ টাকা জামানত হিসেবে নেন। অবশিষ্ট টাকা চাকরি পাওয়ার পর পরিশোধ করা হবে বলে চুক্তি করা হয়। এভাবে তারা গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।

গ্রেপ্তারদের সম্পর্কে র‍্যাব জানায়, প্রতারক চক্রটির মূলহোতা ইকবাল হোসেন ২০০৮ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তিনি নিজ এলাকায় শিক্ষকতা করার সময় ২০১৫ সালে একই এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আলতাফ হোসেনের সঙ্গে পরিচয় হয়। তার কাছ থেকে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণের নিশ্চয়তা দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি রপ্ত করেন। পরে করোনা মহামারির সময় আলতাফ মারা গেলে ইকবাল প্রতারক চক্রটি পরিচালনা শুরু করেন। তার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা ও বেশ কয়েকটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে।

গ্রেপ্তার রমিজ এই প্রতারক চক্রের অন্যতম সহযোগী এবং একটি হত্যা মামলার পলাতক আসামি। গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকাকালে ২০২০ সালে ইকবালের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে ইকবাল বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় সহযোগিতা করার কথা বলে তাকে এই চক্রের সদস্য করে নেন।

গ্রেপ্তার রমিজ র‌্যাবকে আরও জানান, যখন কোনো সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা হতো তারা তখন পরীক্ষার্থীদের তাদের ডিজিটাল ডিভাইসগুলো দিতেন। পরে পরীক্ষার সময় তারা বাইরে অবস্থান নিয়ে রমিজের পরিচিত কিছু মেধাবী ছাত্রের মাধ্যমে দ্রুত উত্তরপত্র তৈরি করে পরীক্ষার হলে ওই সব ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হতো।

গ্রেপ্তার নজরুল ১৯৯৪ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তরে অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরিতে যোগ দেন। নজরুল এবং রমিজের বাড়ি পাশাপাশি। চাকরিসূত্রে দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে নজরুলের। এ সুযোগে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষকে চাকরি দেয়ার কথা বলে চাকরিপ্রার্থীদের ইকবাল ও রমিজের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিতেন বলে জানায় র‌্যাব।

নজরুল র‌্যাবকে জানায়, বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার সময়, স্থান ও পরীক্ষার গার্ডকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব ছিল তার।

গ্রেপ্তার মোদাচ্ছের মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার সমাজসেবা কার্যালয় থেকে সমাজসেবা কর্মী হিসেবে ২০১৯ সালে অবসর নেন। তিনি ইকবালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন।

তিনি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেয়ার কথা বলে চাকরিপ্রার্থীদের খুঁজে বের করতেন। পরে ইকবাল ও রমিজের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ করিয়ে দিতেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
নিয়োগ পরীক্ষায় ‘ডিভাইস সরবরাহ’: ছাত্রলীগ নেতার নামে মামলা
নিয়োগ পরীক্ষায় ‘ডিভাইস সরবরাহ’, আটক ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার
লালমনিরহাটে প্রাথমিকের পরীক্ষা নিয়ে ‘নাটকীয়তা’
প্রাথমিকে নিয়োগের ভুয়া প্রশ্নপত্র: আটক ১৩
প্রশ্ন ফাঁসের তথ্য গুজব: প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Money laundering case Barkat Rubel allegations hearing on June 22

অর্থ পাচার মামলা: বরকত-রুবেলের অভিযোগ গঠনের শুনানি ২২ জুন

অর্থ পাচার মামলা: বরকত-রুবেলের অভিযোগ গঠনের শুনানি ২২ জুন ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেল। ছবি: সংগৃহীত
তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এদিন মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি হয়। শেষ না হওয়ায় আগামী ১২ জুন নতুন দিন ধার্য করা হয় অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য।

২ হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় ফরিদপুর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১২ জুন দিন ধার্য করেছে আদালত।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার এ দিন ধার্য করেন।

তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এদিন মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি হয়। শেষ না হওয়ায় আগামী ১২ জুন নতুন দিন ধার্য করা হয় অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য।

এর আগে গত ৭ মার্চ আসামিদের নির্দোষ দাবি করে আইনজীবী শাহিনুর রহমান অব্যাহতির আবেদন করেন। এরপর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। তবে তা শেষ না হওয়ায় অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আদালত দিন ধার্য করে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন ফরিদপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, আসিকুর রহমান ফারহান, খন্দোকার মোহতেসাম হোসেন বাবর, এ এইচ এম ফুয়াদ, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেভিড, মুহাম্মদ আলি মিনার ও তারিকুল ইসলাম ওরফে নাসিম।

২০২১ সালের ৩ মার্চ বরকত, রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) উত্তম কুমার বিশ্বাস। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

২০২০ সালের ২৬ জুন সিআইডির পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে অর্থ পাচারের অভিযোগে ঢাকার কাফরুল থানায় বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ২ হাজার কোটি টাকা উপার্জন ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হন বরকত ও রুবেল। এ ছাড়া তারা মাদক কারবার ও ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এসি ও নন-এসিসহ ২৩টি বাস, ডাম্প ট্রাক, বোল্ডার ও পাজেরো গাড়ির মালিক হয়েছেন দুই ভাই।

অভিযোগে আরও বলা হয়, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন বরকত-রুবেল। রাজবাড়ীতে ১৯৯৪ সালে এক আইনজীবী হত্যা মামলারও আসামি ছিলেন তারা।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৮ জুন মিরাজ আল মাহমুদ তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বরকত ও রুবেল অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।

আরও পড়ুন:
প্ল্যাকার্ড নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করবেন মাদক মামলার আসামি
খাদ্যে ভেজালসহ নানা অনিয়ম রোধে ডিএনসিসির অভিযান
শেবাচিম হাসপাতাল থেকে আটক ২ দালাল, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড
চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে
আদালতের হাজতখানা থেকে আসামি চম্পট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The report of the murder of the heroine Shimu is 26 June

অভিনেত্রী শিমু হত্যার প্রতিবেদন ২৬ জুন

অভিনেত্রী শিমু হত্যার প্রতিবেদন ২৬ জুন চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু। ফাইল ছবি
মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল এদিন। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য আদালত নতুন এ দিন ধার্য করে।

অভিনয়শিল্পী রাইমা ইসলাম শিমু হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৬ জুন দিন ঠিক করেছে আদালত।

ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ইয়াসমিনের আদালত বৃহস্পতিবার নতুন এ দিন ধার্য করেন।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল এদিন। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য আদালত নতুন এই দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২০ জানুয়ারি ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও নোবেলের বাল্যবন্ধু এস এম ফরহাদকে রিমান্ড চলাকালীন হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। ওই সময় আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালতে আসামি নোবেল এবং ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিশকাত শুকরানার আদালতে আসামি ফরহাদ জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

এর আগে ১৮ জানুয়ারি আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন ওই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) চুন্নু মিয়া। শুনানি শেষে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগম তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ওইদিন কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নোবেল ও তার বাল্যবন্ধুর বিরুদ্ধে মামলা করেন শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ। মামলায় বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

গত ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে অজ্ঞাত হিসেবে চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে পরিচয় মিলছিল না। পরে ওইদিন রাতে তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নাম-পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআইয়ের ঢাকা জেলা ইউনিটের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম জানান, কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে শিমুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

অজ্ঞাত হিসেবে মরদেহ উদ্ধারের পর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টার জন্য পিবিআইকে খবর দেয়া হলে পিবিআইয়ের কর্মকর্তারা মরদেহের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেন। ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়ার পর তার নাম-পরিচয়, বয়স ও বাসার ঠিকানা শনাক্ত করে পিবিআই।

চিত্রনায়িকা শিমুর মরদেহ রাখা হয় রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড) মর্গে। সেখানে যাওয়ার পরই শিমুর স্বামী নোবেল ও তার বাল্যবন্ধু ফরহাদকে আটক করে র‌্যাব।

ওই সময় তাদের কাছ থেকে একটি রক্তমাখা প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। পরে তাদের পুলিশে হস্তান্তর করে র‌্যাব।

স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর কলাবাগান এলাকার বাসায় থাকতেন শিমু। গত ১৬ জানুয়ারি সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি আর ফেরেননি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় রাতেই কলাবাগান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন ১৭ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে শিমুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
অভিনেত্রী শিমু হত্যা: পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ
হত্যাকারীদের ফাঁসি চান অভিনেত্রী শিমুর বাবা
শিমুর সঙ্গে ২ বছরেও কথা হয়নি: জায়েদ
নিখোঁজের আগের ঘটনা জানালেন শিমুর বোন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Extortionist BCL leader arrested for defaming Home Minister

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, ছাত্রলীগ নেতা আটক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, ছাত্রলীগ নেতা আটক আটক ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। ছবি: সংগৃহীত
র‌্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে কিছু লোক চাঁদাবাজি করে আসছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-৩ এর একটি দল বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে মাদারটেক সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা সাঈদীকে আটক করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতা ও তাকে র‌্যাবের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টায় সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনটির আরেক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। র‌্যাবের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব প্রথমে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহসম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ গ্রেপ্তার করা হয়, মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের আহাম্মেদকে।

দেলোয়ার ও জোবায়েরের বিরুদ্ধে সবুজবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে।

র‌্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে কিছু লোক চাঁদাবাজি করে আসছে।

সত্যতা পেয়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-৩ এর একটি দল বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে মাদারটেক সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা সাঈদীকে আটক করে।

তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুটি রাউন্ড গুলি ও ৫৭৮টি ইয়াবা উদ্ধারের কথাও জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বীকার করেছেন সাঈদী।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি সহযোগীদের নিয়ে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিলেন- এমন কথাও উল্লেখ আছে বিজ্ঞপ্তিতে।

র‌্যাব জানায়, সাঈদীকে নিয়ে ফেরার পথে ছাত্রলীগ নেতা জোবায়ের আহাম্মেদের নেতৃত্বে দেড় শ থেকে দুইশ জন মিলে তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টায় হামলা করে। তখন র‍্যাব জোবায়কে সবুজবাগের উত্তর মাদারটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় র‍্যাবের দুইজন সদস্য আহত হন বলেও জানানো হয়েছে। তাদেরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
সুন্দরবনের অভয়াশ্রমে মাছ ধরায় ৭ জেলে আটক
ট্রাকচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহতের ঘটনায় চালক আটক
মানব পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্য আটক
ট্রাকচাপায় অটোরিকশার চালক নিহত
সুন্দরবনে ‘বিষ দিয়ে’ মাছ শিকার, আটক ১২

মন্তব্য

উপরে