× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Millions of rupees were embezzled in Chuadanga through fake recruitment
hear-news
player

ভুয়া নিয়োগে চুয়াডাঙ্গায় কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ

ভুয়া-নিয়োগে-চুয়াডাঙ্গায়-কয়েক-কোটি-টাকা-আত্মসাৎ চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের কার্যালয়।
২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার গোল্ডেন সার্ভিস লিমিটেড কোম্পানি থেকে একটি চিঠি আসে চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে। কোম্পানিটির আস্থা প্রকল্পের পরিচালক জাহিদ হাসান স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসাপেক্ষে করোনার সময় স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে জনবল নিয়োগ দেবে তারা।

চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগে ভুয়া জনবল নিয়োগ দিয়ে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক সিভিল সার্জন ও তার অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।

করোনার সময় চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে জেলার সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিকে জনবল নিয়োগ দেয় গোল্ডেন সার্ভিস লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

অভিযোগ উঠেছে, কোম্পানিটির আস্থা প্রকল্পের আওতায় চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন কাযার্লয়ের মাধ্যমে সে সময় নিয়োগ পান ১৮৪ জন নারী-পুরুষ। তাদের কাছ থেকে মাথাপিছু দেড় থেকে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয়া হয়েছে। বিনিময়ে প্রতি মাসে নির্ধারিত বেতন বেঁধে দিয়ে নিয়োগপত্র দেয়া হলে মাসের পর মাস ধরে কাজ করে এক মাসেরও বেতন পাননি নিয়োগপ্রাপ্তরা।

জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে এখন তাদের বলা হচ্ছে, আস্থা প্রকল্পের কোনো অস্তিত্ব নেই। তাই তাদের চাকরিরও কোনো বৈধতা নেই। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে তাদের ইতোমধ্যেই কর্মস্থল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

এ অবস্থায় বেতন না পেয়ে প্রতারণার শিকার নারী-পুরুষরা আন্দোলন শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বুধবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গায় পৌঁছান সেই কমিটির সদস্যরা। তদন্ত কমিটির প্রধান খুলনা বিভাগের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. মনজুরুল মুরশিদসহ অন্য দুজন হলেন যশোরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক ও খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এম এম জাহাতাব হোসেন। তারা সদর হাসপাতালের মিলনায়তনে আস্থা প্রকল্পের আওতায় স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মী এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের একটি ফরম দেয়া হয়েছে। সেখানে নিয়োগ, কাজে যোগদান, টাকা লেনদেন ও জড়িতদের সম্পর্কে তথ্য দিতে বলা হয়েছে।

এ সময় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাৎ হাসান, সাবেক সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আতাউর রহমানসহ সিভিল সার্জন অফিসের অন্য কর্মকর্তারা এবং দামুড়হুদা, আলমডাঙ্গা ও জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. মনজুরুল মুরশিদ বলেন, ‘বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের লিখিত অভিযোগ ঢাকায় পাঠানো হবে এবং তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার গোল্ডেন সার্ভিস লিমিটেড কোম্পানি থেকে একটি চিঠি আসে চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে। কোম্পানিটির আস্থা প্রকল্পের পরিচালক জাহিদ হাসান স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসাপেক্ষে করোনার সময় স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে জনবল নিয়োগ দেবে তারা। এ জন্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছ থেকে জনবলের চাহিদাপত্র আহ্বান করা হয়। সেই চিঠির বিপরীতে শূন্যপদের তথ্য তুলে ধরেন তখনকার সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান। সে তথ্যের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গায় ১৮৪ জনকে বেতনভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়। আর জামানতের নামে তাদের কাছ থেকে দেড় থেকে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।

বলা হচ্ছে, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সাবেক সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসানের ইন্ধনে তার অফিসের দেলোয়ার হোসেন, রোকেয়া খাতুন, নুর আলম, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সচালক শ্রী দানেশ, উথলী গ্রামের জহুরুল ইসলাম, মনোহরপুর গ্রামের সাগর হোসেন, তেলটুপি গ্রামের মোহাম্মদ খায়রুলসহ অন্যরা মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন। পরে নিয়োগপ্রাপ্তদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ জেলার চারটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিকে ভাগ করে যোগদান করতে চিঠি দেন সিভিল সার্জন।

কিন্তু নিয়ম মেনে মাসের পর মাস কাজ করেও নিয়োগপত্রে উল্লেখিত কোনো সুবিধাই পাননি ভুক্তভোগীরা। এসব নিয়ে অভিযোগ জানালে আশ্বাস দিয়ে ঘোরাতে থাকেন সিভিল সার্জন ডা. মারুফ হাসান। এরই মধ্যে তিনি বদলিও হয়ে যান।

জীবননগর পৌর শহরের শাপলাকলিপাড়ার রেজাউল হোসেনের স্ত্রী মালা খাতুন বলেন, ‘আমি চাকরির জন্য আমার স্বামীর মোটরসাইকেল বিক্রি করে ও ব্র্যাক থেকে ঋণ নিয়ে ২ লাখ দিই উথলী গ্রামের জহুরুল ইসলামের কাছে। স্বপ্ন ছিল, টাকার বিনিময়ে হলেও চাকরিটি নিয়ে সংসারে সচ্ছলতা আনব। কিন্তু তা আর হয়নি। জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়া পদে চাকরি নিয়ে ছয় মাস ডিউটি করে এখন পর্যন্ত এক টাকাও বেতন পাইনি। জামানতের ২ লাখ টাকা ফেরত পাব কি না তাও জানি না।’

জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়া পদেই চাকরির জন্য মনোহরপুর গ্রামের সাগর হোসেনের কাছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন উথলী গ্রামের আয়ুব আলীর স্ত্রী ফাতেমা খাতুন। নিয়োগপত্র পেয়ে তিনিও টানা ছয় মাস হাসপাতালে ডিউটি করছেন। কিন্তু কোনো বেতন পাননি। শুধু মালা কিংবা ফাতেমা নন, এমন অবস্থা নিয়োগপ্রাপ্ত সবারই।

এ অবস্থায় অভিযোগ উঠেছে, বেনামি এনজিও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার কাজে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন তৎকালীন সিভিল সার্জন ডা. মারুফ হাসান ও তার আশপাশের লোকজন।

গোল্ডেন সার্ভিস লিমিটেড কোম্পানির আওতায় আস্থা প্রকল্পের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গার বর্তমান সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাৎ হাসান। তিনি বলেন, ‘গোল্ডেন সার্ভিস লিমিটেড কোম্পানির যে ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে তা ভুয়া। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত কারও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে চাকরি করার বৈধতা নেই। তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।’

এদিকে যাচাই-বাছাই না করেই ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা স্বীকার করেছেন তৎকালীন সিভিল সার্জন ও মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ এস এম মারুফ হাসান। তবে চাকরিতে টাকা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
প্রতারণার মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার
বিয়ের নামে টাকা হাতিয়ে নিতেন তারা
ভ্রূণ হত্যা: এআইজি মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল
আমেরিকায় ভিসার লটারি ভুয়া, তিনজন কারাগারে
টাকা নিয়ে নিখোঁজ ‘মানব উন্নয়ন’ সেক্রেটারি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
He died trying to stop the fight

মারামারি থামাতে গিয়ে মারা গেলেন নিজেই

মারামারি থামাতে গিয়ে মারা গেলেন নিজেই দুলাল হোসেন দুলু। ছবি: নিউজবাংলা
জীবননগর থানার ওসি আব্দুল খালেক বলেন, ‘ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সকাল ১০টায় তাকে দাফন করা হবে বলে জেনেছি।’ 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মারামারি থামাতে গিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার নতুনপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

৫৫ বছর বয়সী দুলাল হোসেন দুলুর বাড়ি একই গ্রামে।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, বিজিবির কাছে হাজিরা দেয়া নিয়ে রাতে নতুনপাড়া গ্রামের মোংলা হোসেনের সঙ্গে বাদশাহ আলী ও রাজা মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় পাশের চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন দুলাল হোসেন।

মারামারি থামাতে তিনি সেখানে এগিয়ে গেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথেই তিনি মারা যান।

ওসি আরও জানান, দুলাল হোসেন হৃদরোগে ভুগছিলেন বলে তার পরিবার জানিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোক করার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগেও তিনি একবার স্ট্রোক করেছিলেন।

ওসি আব্দুল খালেক বলেন, ‘ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সকাল ১০টায় তাকে দাফন করা হবে বলে জেনেছি।’

আরও পড়ুন:
সৌন্দর্য বাড়ানোর সার্জারিতে প্রাণ গেল অভিনেত্রীর
ট্যানারির ড্রামে শ্রমিকের মরদেহ
পাগলা নদীতে ডুবল কিশোর
ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
বড় বোনকে খুঁজতে বেরিয়ে ছোট দুজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Siblings drowned while picking mangoes

আম কুড়াতে বেরিয়ে ডুবে মৃত্যু ভাই-বোনের

আম কুড়াতে বেরিয়ে ডুবে মৃত্যু ভাই-বোনের
গাবতলী মডেল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার বিকেলে হালকা ঝোড়ো বাতাস শুরু হলে মিরাজ ও আয়শা বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও শিশু দুটি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাদের খুঁজতে বের হয়। একপর্যায়ে আমগাছের পাশের পুকুরে তাদের ভাসমান মরদেহ পাওয়া যায়।

বগুড়ার গাবতলীতে আম কুড়াতে বেরিয়ে দুই শিশুর পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। তারা দুজন চাচাতো ভাইবোন।

উপজেলার দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের তারাবাইশা গ্রামে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলো তারাবাইশা গ্রামের মো. মিরাজ ও আয়েশা সিদ্দিকা। দুজনেরই বয়স পাঁচ বছর।

গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেলে হালকা ঝোড়ো বাতাস শুরু হলে মিরাজ ও আয়শা বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও শিশু দুটি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাদের খুঁজতে বের হয়। একপর্যায়ে আমগাছের পাশের পুকুরে তাদের ভাসমান মরদেহ পাওয়া যায়।

ওসি বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা করেছে পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
বড় বোনকে খুঁজতে বেরিয়ে ছোট দুজনের মৃত্যু
মায়ের সঙ্গে গোসলে গিয়ে ডুবে ছেলের মৃত্যু
কর্ণফুলীতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১
৩ হাসপাতালে নিয়েও বাঁচানো গেল না শিশু জুনায়েদকে
ভারতে খাদ্যের অভাব ২ বছরের কম বয়সী ৮৯% শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 school children arrested for killing classmate

সহপাঠী খুনে আটক ৪ স্কুলছাত্র

সহপাঠী খুনে আটক ৪ স্কুলছাত্র স্কুলছাত্র হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক চার সহপাঠী। ছবি: নিউজবাংলা
ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম জানান, নিহত ধ্রুবর সঙ্গে তার ক্লাসের কয়েকজন সহপাঠীর বিরোধ ছিল। রাতে ধ্রুব এই এলাকায় গেলে তার পাঁচ থেকে সাতজন সহপাঠী স্কুলের সামনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে অন্ধকার স্থানে পেয়ে তারা ধ্রবকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে সহপাঠীরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ফতুল্লার ইসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত স্কুলছাত্রের নাম ধ্রুব চন্দ সাহা। তার বয়স ১৫ বছর।

সে ওই এলাকার মাদব চন্দ্রের ছেলে। ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ত সে।

আটক স্কুলছাত্ররা হলো ইয়াসিন, পিয়াস, অজয় দাস ও মো. নিপন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম জানান, নিহত ধ্রুবর সঙ্গে তার ক্লাসের কয়েকজন সহপাঠীর বিরোধ ছিল। রাতে ধ্রুব এই এলাকায় গেলে তার পাঁচ থেকে সাতজন সহপাঠী স্কুলের সামনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে অন্ধকার স্থানে পেয়ে তারা ধ্রবকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।

ধ্রুব চিৎকার করলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে ফেলে পালিয়ে যায় সহপাঠীরা। পরে লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, স্থানীয় লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ধ্রুবকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত ১০টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।

নিহত ধ্রুবর বাবা মাধব চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমার ছেলে রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বাসার সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে তলপেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শ্যালককে ‘কুপিয়ে হত্যা’, দুলাভাই গ্রেপ্তার
‘চাচাতো ভাইয়ের’ ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
‘ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে’ বৃদ্ধ নিহত
পল্টনে বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাত
ছাত্রলীগ নেতা খুনের ঘটনায় মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Brahmanbaria fox meat is publicly distributed

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস ভাগবাটোয়ারা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস ভাগবাটোয়ারা প্রতীকী ছবি
উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ছতুরা শরীফ গ্রামের একটি বেগুনক্ষেত থেকে দুটি শিয়াল ধরা হয়। ওই সময় কসবা উপজেলার ভাদুইর গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আসলাম ও ফোরকান ওই গ্রামের কিছু লোকজন নিয়ে তন্তরবাজার এলাকায় একটি শিয়াল জবাই করেন।এরপর সেই মাংস ভাগবাটোয়ারা ও বিক্রি করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি ও ভাগবাটোয়ারা হয়েছে।

উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তন্তর বাজার এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ইউনিয়নের ছতুরা শরীফ গ্রামের কয়েকটি পরিবারের লোকজন শিয়ালের মাংস ভাগবাটোয়ারা করে।

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ও ধরখার ফাঁড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই শিয়ালের মাংস নিয়ে পালিয়ে যান লোকজন।

এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে না পারলেও দড়িতে বাঁধা জীবিত একটি শিয়াল উদ্ধার করে জঙ্গলে মুক্ত করা হয়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ছতুরা শরীফ গ্রামের একটি বেগুনক্ষেত থেকে দুটি শিয়াল ধরা হয়। ওই সময় কসবা উপজেলার ভাদুইর গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আসলাম ও ফোরকান ওই গ্রামের কিছু লোকজন নিয়ে তন্তরবাজার এলাকায় একটি শিয়াল জবাই করেন।

এরপর সেই মাংস ভাগবাটোয়ারা ও বিক্রি করা হয়।

শিয়ালের মাংস কেনা এক ক্রেতা বলেন, ‘বাত, ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এসব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংস অব্যর্থ ওষুধ। এই কথা বিশ্বাস করে অনেকেই শিয়ালের মাংস কিনে নেন।’

আরও পড়ুন:
শিয়ালের আক্রমণ, বনরক্ষীসহ ৯ জন হাসপাতালে
শিয়ালের আক্রমণে আহত ৩০,  গ্রামবাসীর পাহারা
শিয়ালের বিরুদ্ধে বিধানসভায় অভিযোগ
শিয়ালের আক্রমণে শিশুসহ আহত ৫
ইসির বিরুদ্ধে ৪২ নাগরিকের চিঠি ‘অনিয়ম ঠেকাতে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The head teacher pulled the students veil

ছাত্রীর ওড়না ধরে টানাটানি প্রধান শিক্ষকের!

ছাত্রীর ওড়না ধরে টানাটানি প্রধান শিক্ষকের! অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালী।
আশাশুনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগটি আমি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। আর এ অভিযোগ তুলেছেন ওই স্কুলেরই দশম শ্রেণির এক ছাত্রী।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে আশাশুনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই স্কুলছাত্রী।

ভুক্তভোগী জানান, কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর কাছে তিনি প্রাইভেট পড়তেন। সেই সুযোগে প্রথমে ফোন নম্বর নিয়ে পরে তার সঙ্গে ফেসবুকে যুক্ত হন প্রধান শিক্ষক।

এর পর থেকে প্রায়ই ভুক্তভোগীকে ফোন করে লেখাপড়ার খোঁজখবর নিতেন দুখীরাম। একপর্যায়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে উত্তেজক মেসেজ দিতে থাকেন তিনি। এমনকি মেসেজে ও ভিডিও কলে শরীরের গোপন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ছবি দেখতে চাইতেন তিনি।

ওই স্কুলছাত্রী বলেন, ‘যখন আমি একা থাকতাম তখন স্যার আমার ওড়না ধরে টানাটানি করতেন। আমি এগুলো সহ্য করতে পারতাম না। ভয়ে প্রথমে কাউকে কিছু জানাইনি। পরে সহপাঠীদের জানালে তারা এর প্রতিবাদ করতে বলে।’

এ বিষয়ে ওই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক দুখীরাম দুই বছর আগে বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। ছাত্রীর সঙ্গে এই ঘটনা শুনে আমরা সবাই হতভম্ব। ফেসবুকে গোপনে তিনি কখন কী করেছেন তা আমরা জানি না। আমরা স্যারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি ফেসবুক হ্যাক করে কেউ এমনটি করেছেন বলে দাবি করেন।’

এদিকে প্রধান শিক্ষকের পাঠানো মেসেজগুলোর স্ক্রিনশট শিক্ষার্থীসহ এলাকার বিভিন্ন মানুষের মোবাইলে ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগটি আমি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি যাচাই-বাছাই ও তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ
অধ্যক্ষের ‘কলকাঠিতে’ ১৮ মাস বেতন নেই ৭ শিক্ষকের
ইনডেক্সধারী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি না হতে পারার অভিযোগ
৪৭১ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ
নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস সরবরাহের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MBBS claims first aid training

নিয়েছেন প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ, দাবি এমবিবিএস

নিয়েছেন প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ, দাবি এমবিবিএস ভুয়া চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
বাগেরহাট জেলার সহকারী কমিশনার রোহান সরকার বলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ নিয়েই তিনি নিজেকে এমবিবিএস পাস দাবি করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি সাইনবোর্ডে যে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখেছেন সেটিও ভুয়া।’

বাগেরহাটের কচুয়ায় এম এম মনির নামের এক ভুয়া চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্ট এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে ওই চিকিৎসকের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রোহান সরকার এই দণ্ডাদেশ দেন।

ওই সময় চিকিৎসকের চেম্বার সিলগালা করে দেয়া হয়।

বাগেরহাট জেলার সহকারী কমিশনার রোহান সরকার বলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ নিয়েই তিনি নিজেকে এমবিবিএস পাস দাবি করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি সাইনবোর্ডে যে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখেছেন সেটিও ভুয়া।

‘তার অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লাখ টাকা জরিমানা ও তার চেম্বরটি বন্ধ করে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। তিনি কখনও চিকিৎসা সেবা দেবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
বাটায় আবার স্টিকারের কারসাজিতে বাড়তি দাম
তিন সেমাই কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা
অনিয়মের দায়ে ৩ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
বেশি দামে তরমুজ ও খেজুর বিক্রির দায়ে জরিমানা
প্রাইস ট্যাগ বদলে ফের জরিমানা গুনল বাটা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The BCL leader who went live during the exam is loud again

পরীক্ষার হলে লাইভ করা সেই ছাত্রলীগ নেতা আবারও সরব

পরীক্ষার হলে লাইভ করা সেই ছাত্রলীগ নেতা আবারও সরব মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন সুমন (লাল বৃত্ত)। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন,দলের এক নেতা বলেন, ‘ছাত্রলীগকে কলঙ্কিত করা নেতা দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়া লজ্জাকর। দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন নেতা দরকার নাই।’

পরীক্ষা চলাকালে ফেসবুকে লাইভে এসে দেশব্যাপী সমালোচিত ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন সুমনকে দলীয় অনুষ্ঠানে দেখা গেছে।

ওই ঘটনার পর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মিছিলে দেখা যায় তাকে।

শহরের ভূষণ স্কুল রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিকেলে কালীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার। সুমন এমপির ৭ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের বক্তব্য নিজের ফেসবুকে লাইভ দেন।

এরপর একটি মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে স্লোগান দিতেও দেখা যায় সুমনকে। ভিডিওতে দেখা যায় কালো রঙের পাঞ্জাবি পরে আছেন সুমন।

ছাত্রলীগের সমালোচিত এই নেতা আবারও দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতাকর্মীরা।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল দুপুরে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। এ সময় পরীক্ষার হলে বসেই ৯ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের একটি লাইভ করেন সুমন। পরে তার এই লাইভটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।

এরপর এ ঘটনা তদন্তে ৯ এপ্রিল ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চিফ ইন্সট্রাক্টর সোহরাব হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। একই রাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

দলের এক নেতা বলেন, ‘ছাত্রলীগকে কলঙ্কিত করা নেতা দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়া লজ্জাকর। দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন নেতা দরকার নাই।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ
ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে উত্তেজনা
ছাত্রলীগের সেই তুখোড় নেতারা এখন যেমন
কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের ৫ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
পিস্তল হাতে ভাইরাল সেই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

উপরে