× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
JU student died after falling from the roof of the hall
hear-news
player

হলের ছাদ থেকে পড়ে জাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

হলের-ছাদ-থেকে-পড়ে-জাবি-শিক্ষার্থীর-মৃত্যু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত শিক্ষার্থী অমিত কুমার বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত
ড. সোহেল আহমেদ জানান, মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে শহীদ রফিক-জব্বার হলের পাঁচতলার ছাদে বৃষ্টিতে ভিজতে যান ওই শিক্ষার্থী। সেখান থেকে পা পিছলে পড়ে জ্ঞান হারান। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) হলের ছাদে বৃষ্টিতে ভিজতে গিয়ে পাঁচতলা থেকে পড়ে এক শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ রফিক-জব্বার হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম অমিত কুমার বিশ্বাস। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ৪৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী এবং শহীদ রফিক-জব্বার হলের আবাসিক ছাত্র।

ড. সোহেল আহমেদ জানান, মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে শহীদ রফিক-জব্বার হলের পাঁচতলার ছাদে বৃষ্টিতে ভিজতে যান ওই শিক্ষার্থী। সেখান থেকে পা পিছলে পড়ে জ্ঞান হারান।

পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

আরও পড়ুন:
পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
গোপনে বিয়ের দেড় মাসেই জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য
শঙ্খ নদে দুই শিশুকে হারালেন বাবা
ডুবে যাওয়া বোনকে বাঁচাতে গিয়ে ভাইয়েরও মৃত্যু
কেন্দুয়ায় হামলায় আহত কৃষকের মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Initiative to teach music in primary school

প্রাথমিকে স্কুলেই গান শেখানোর উদ্যোগ

প্রাথমিকে স্কুলেই গান শেখানোর উদ্যোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারিভাবে গান শেখানোর উদ্যোগ নেয়ায় শিক্ষা হবে আনন্দময়। ছবি: নিউজবাংলা
সংগীতের শিক্ষক শুক্লা ধর বলেন, ‘সরকারের এ সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ইতিবাচক। ফলে শিক্ষা হবে আনন্দময়। যার ফল আমরা ভবিষ্যতে ভোগ করব। আর যারা এ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন তাদের জন্যও কর্মক্ষেত্রে তৈরি হবে।’

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারিভাবে গান শেখানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জন্য সারা দেশে আড়াই হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি প্রথমবারের মতো প্রাথমিকে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষকও নিয়োগ দেয়া হচ্ছে সমপরিমাণ।

প্রতি বিষয়ে ২ হাজার ৫৮৩টি সহকারী শিক্ষকের পদ তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।

সংগীত ও শারীরিক শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো প্রস্তাব এরই মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন দিয়েছে। এই মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। জনবলের বিপরীতে বরাদ্দ নিশ্চিত করে সেখান থেকে অনুমোদিত হয়ে এলে তা যাবে সচিব কমিটিতে। সেখান থেকে প্রাথমিকে আবার যখন সিদ্ধান্তটি আসবে, তখন তা পাঠানো হবে অধিদপ্তরে। তারপর আসবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।

সরকার চাইছে, শিশুরা স্কুলে এসে আনন্দের সঙ্গে সময় কাটাবে। পড়াশোনাকে বিশেষ চাপ ভেবে ভীত থাকবে না।

প্রাথমিকে স্কুলেই গান শেখানোর উদ্যোগ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো প্রস্তাব এরই মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সনাতন ধাঁচের শিক্ষা পদ্ধতির বদলে প্রাথমিক থেকেই শিশুরা যেন আনন্দ নিয়ে পড়াশোনা করে, সে জন্য পাঠক্রম থেকে শুরু করে স্কুলের অবকাঠামোও পরিবর্তন করে ফেলতে চাইছে সরকার। এর অংশ হিসেবে শিক্ষায় সংগীত ও শরীরচর্চা যোগ হচ্ছে।

এখন সীমিত পরিসরে কিছু স্কুলে ছবি আঁকার যে চর্চা রয়েছে, সেটি সব স্কুলে শুরু করা, পাশাপাশি আলাদা শিক্ষক নিয়োগের চিন্তা করা হচ্ছে।

বগুড়ার বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রাথমিক থেকেই সংগীত শেখানোর ব্যবস্থা আছে। এই দায়িত্বে আছেন শুক্লা ধর। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই বিষয়ে যখন আমরা ক্লাস নেই, তারা বেশ উপভোগ করে। যেসব পরিবার সংগীতচর্চায় আগ্রহী, সেসব পরিবার স্কুলের বাইরেও বিষয়টি এগিয়ে নেয়।’

শুক্লা পড়াশোনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগে। তার মতো যারা এই বিষয়ে পড়াশোনা করেন, তাদের পক্ষে পেশা হিসেবে সংগীতকে বেছে নেয়াটা কঠিন হয়ে যায় এই কারণে যে খুব বেশি প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়ে নিয়োগ দেয়া হয় না।

প্রাথমিকে বিষয়টি চালু হলে সংগীতে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

শুক্লা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকারের এ সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ইতিবাচক। ফলে শিক্ষা হবে আনন্দময়। যার ফল আমরা ভবিষ্যতে ভোগ করব। আর যারা এ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন তাদের জন্যও কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের শিক্ষাকে আনন্দময় করার দাবি করে আসছি। সংগীত ও শারীরিক শিক্ষায় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হলে আমাদের দাবি কিছুটা হলেও বাস্তবায়ন হবে। বর্তমানে প্রাথমিকে অঙ্কন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ বিষয়টি আরও জোরদার করা উচিত।’

শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বেশি নজর দেয়া উচিত প্রাথমিক শিক্ষায়। এই ধরনের উদ্যোগ এই শিক্ষার মান বাড়াবে।’

ব্যাপক চাকরির সুযোগ

প্রাথমিক ও জনশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে ৫ হাজার ১৬৬টি পদ তৈরি করার প্রস্তাব দিলেও এই বিষয়টি যদি স্কুলে স্কুলে চালু হয়, তাহলে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মোচন হতে পারে।

সবশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। সব স্কুলে একজন করে সংগীত ও শরীরচর্চার শিক্ষক যদি নিয়োগ দেয়া যায়, তাহলেও নতুন চাকরির সুযোগ হবে ১ লাখ ৩১ হাজার ১৩২টি।

আবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই বিষয়ে শিক্ষক থাকলে বেসরকারি স্কুল-কলেজও একই চর্চায় যাবে। সে ক্ষেত্রে আরও নতুন চাকরি তৈরি হবে, দেশে সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়বে।

সারা দেশে কর্মরত সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকের সংখ্যা ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮০ জন।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে কম নিয়োগ দেয়া হলেও আশা করছি পরে প্রতিটি স্কুলেই এই নিয়োগ দেয়া হবে।’

তিনি শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদও দেন। বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর করা ড. কুদরত-ই-খোদা শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টে শিক্ষায় বাজেটের ৬ থেকে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও আমরা এটি করতে পারলাম না। কেবল ২ শতাংশের ভেতরে ঘুরপাক খাচ্ছে।’

প্রাথমিকে স্কুলেই গান শেখানোর উদ্যোগ

কবে আসতে পারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪)-এর আওতায় সংগীত ও শরীরচর্চা বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদ সৃষ্টিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় ২০২০ সালে।

সেই প্রস্তাব নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এই মন্ত্রণালয় সময় নিয়েছে দুই বছর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মণীষ চাকমা ধারণা দিতে পারেননি কবে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করে তারা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাপাতে পারবেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এখন এ পদগুলোর বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি নিয়ে সচিব কমিটি পাঠানো হবে। সেখানে অনুমোদন মিললে এই দুই বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।’

শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় এই স্থরিবতা নিয়ে হতাশ। তিনি বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত নিতে কেন দুই বছর লাগবে? এখন তা আবার অন্য মন্ত্রণালয় ও কমিটিতে যাবে। এত দীর্ঘসূত্রতা কেন?’

প্রাথমিক শিক্ষাকে ঢেলে সাজাতে যত সিদ্ধান্ত

প্রাথমিকে শতভাগ ভর্তির লক্ষ্য অর্জনের পর সরকার এখন শিক্ষার গুণগত মানে নজর দিয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সরকারিভাবে। এটি বাস্তবায়ন হলে প্রাথমিকে পরীক্ষার সংখ্যা কমবে। বাড়বে শ্রেণিকক্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়ন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবির পরিকল্পনা হলো নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাথমিকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হবে না। পুরো মূল্যায়ন হবে বিদ্যালয়ে ধারাবাহিকভাবে শিখন কার্যক্রমের মাধ্যমে।

চতুর্থ থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সামাজিকবিজ্ঞান ও বিজ্ঞানে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন হবে ৪০ শতাংশ। আর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্পকলা বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে নিয়োগ: প্রয়োজনীয় কাগজ জমা ২৩ মে পর্যন্ত
গাড়ি ফেরত দিলেন সেই প্রকৌশলী
জুলাইয়ের মধ্যে প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রতিমন্ত্রী
শ্রীহীন প্রাথমিকে মধ্যবিত্তকে ফেরানোর উদ্যোগ
ছুটি শেষে প্রাথমিকে ক্লাস চলবে যেভাবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
It is important to give priority to education in the budget DU Vice Chancellor

বাজেটে শিক্ষা খাতে প্রাধান্য দেয়া গুরুত্বপূর্ণ: ঢাবি উপাচার্য

বাজেটে শিক্ষা খাতে প্রাধান্য দেয়া গুরুত্বপূর্ণ: ঢাবি উপাচার্য ঢাবির অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত প্রাক বাজেট সংলাপে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতিসহ সব উন্নয়নকে টেকসই করতে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ ও সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে করোনা মহামারি পরিস্থিতিতেও দেশের অর্থনীতি ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা অব্যাহত ছিল।’

করোনা মহামারি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ঢাবির অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত প্রাক বাজেট সংলাপে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন উপাচার্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি ‘বাজেট ২০২২-২৩: অতিমারি থেকে সমৃদ্ধির পথে অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে।

উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতিসহ সব উন্নয়নকে টেকসই করতে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ ও সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে করোনা মহামারি পরিস্থিতিতেও দেশের অর্থনীতি ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা অব্যাহত ছিল।’

দেশের এই উন্নয়নের ধারা আরও এগিয়ে নিতে সঠিকভাবে অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সুশাসনের অভাবগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলো নিরসনে কাজ করার জন্য উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সংলাপে সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

মূল প্রবন্ধে জাতীয় বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

তারা বলেন, বিদ্যমান ও উদীয়মান চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবিলা করে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে। টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, ন্যায়পরায়ণতা, দূরদর্শিতা এবং সামাজিক শুদ্ধাচার নিশ্চিত করতে হবে।

করোনার প্রভাবে শিক্ষার ক্ষতি নিরূপণ এবং কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়নে যথাযথ অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে স্বাধীন শিক্ষা ঘাটতি মোকাবিলায় কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়।

ঢাবির ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে প্রাক বাজেট সংলাপে অন্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ চার শিক্ষার্থীর
মোশতাক ইস্যুতে অধ্যাপক রহমতুল্লাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সব পদ থেকে রহমতুল্লাহর অব্যাহতি চায় ছাত্রলীগ
খন্দকার মোশতাককে নিয়ে বক্তব্য: ক্ষমা চাইলেন ঢাবি শিক্ষক
ঢাবির সভায় খোন্দকার মোশতাককে নিয়ে হুলুস্থুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Various initiatives of DPS STS School for students

শিক্ষার্থীদের জন্য ডিপিএস এসটিএস স্কুলের বিভিন্ন উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের জন্য ডিপিএস এসটিএস স্কুলের বিভিন্ন উদ্যোগ
ডিপিএস এসটিএস স্কুলের প্রিন্সিপাল ড. শিবানন্দ সিএস বলেন, ‘এ ধরনের প্রোগ্রামসহ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা-সুযোগ দেয়ার জন্য ভিন্ন ধরনের উদ্যোগের সহযোগী হতে পেরে আমরা বেশ আনন্দিত। আগামী দিনগুলোতে এ ধরনের আরও উদ্যোগের সহযোগী হতে আমরা সচেষ্ট রয়েছি, যা দেশের তরুণদের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।’

শিক্ষা কার্যক্রমকে উপভোগ্য ও ফলপ্রসূ করতে ঢাকার ডিপিএস এসটিএস স্কুল কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। স্কুলটি ক্যামব্রিজ ও ব্রিটিশ কাউন্সিল অ্যাফিলিয়েটেড বোর্ড এক্সাম ভেন্যু হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

একইসঙ্গে এটি আইইএলটিএস এক্সামিনেশন রেজিস্ট্রেশন সেন্টার, স্কলাস্টিক অ্যাপটিটিউড টেস্ট (স্যাট) এক্সাম ভেন্যু, ক্যামব্রিজ টিচার্স ট্রেনিং ভেন্যু ও ক্যামব্রিজ পিডিকিউ সেন্টার হিসেবেও বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি স্কুলটি ডিউক অব এডিনবার্গ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডের সহযোগী হিসেবেও রয়েছে।

বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করা আইইএলটিএস ট্রেনিং মডিউল সরবরাহকারী কিছু সংখ্যক আন্তর্জাতিক স্কুলগুলোর মধ্যে ডিপিএস এসটিএস স্কুল ঢাকা অন্যতম। স্কুলটি অনুমোদিত আইইএলটিএস পরীক্ষার নিবন্ধন কেন্দ্র এবং ডিপিএস এসটিএস স্কুলের শিক্ষার্থীসহ অন্যদের জন্যও আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের কোর্স প্রস্তাব করে।

স্কুলটি কলেজ বোর্ডের অধীনে স্যাট পরীক্ষার জন্য টেস্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সেন্টার; যারা স্যাট পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করা সব ধরনের সুবিধাসহ পরীক্ষার ভেন্যু সুবিধা দিয়ে থাকে। ডিপিএসের কেন্দ্র নম্বর ৭৪১০১।

ডিপিএস এসটিএস স্কুল ডিউক অফ এডিনবার্গ ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রামের সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রোগ্রামটি ক্যামব্রিজের সুপারিশ করা (https://www.cambridgeinternational.org/why-choose-us/duke-of-edinburghs-international-award/)। ৮ থেকে ১২ গ্রেডের শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। যার ফলে অনেক শিক্ষার্থী এই অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের বিভিন্ন স্তরে অংশগ্রহণ করেছেন। ডিউক অব এডিনবার্গ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশে অংশগ্রহণকারীরা ব্রোঞ্জ, সিলভার ও গোল্ড ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন সনদ গ্রহণ করেছেন।

ডিপিএস এসটিএস স্কুল ঢাকার দুটি ক্যাম্পাসই ডিপিএস স্কুল থেকে এ পরীক্ষায় অংশ নেয়া সব পরীক্ষার্থীদের জন্য ক্যামব্রিজ ও ব্রিটিশ কাউন্সিল অ্যাফিলিয়েটেড বোর্ড পরীক্ষার ভেন্যু হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

একইসঙ্গে গত বছর এটি অন্যান্য স্কুল থেকে যারা আইজিসিএসই, ‘ও’, ‘এএস’ এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে তাদের ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ডিপিএস এর কেন্দ্র কোড হলো বিডি১১৭।

ডিপিএস এসটিএস স্কুল ঢাকা ক্যামব্রিজ প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট কোয়ালিফিকেশন (পিডিকিউ) সেন্টার থেকে অনুমোদিত; যারা ক্যামব্রিজ সার্টিফিকেট ইন টিচিং অ্যান্ড লার্নিংয়ের (সিআইসিটিঅ্যান্ডএল) জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামটি গত বছরের অক্টোবরে ডিপিএস স্কুল ঢাকার সিনিয়র সেকশনে শুরু হয়।

৮২ শতাংশ ডিসটিংশন গ্রেড ও শতভাগ পাশ নিয়ে এ প্রোগ্রামের প্রথম ব্যাচের কার্যক্রম শেষ হয়। স্কুলটির ইন-হাউজ ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর ও ইন্সট্রাক্টররা এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন; যেখানে ডিপিএস ও অন্যান্য ক্যামব্রিজ স্কুলের শিক্ষকরা অংশ নেন।

স্কুলটি ক্যামব্রিজ টিচার্স ট্রেনিং ভেন্যু হিসেবেও বিবেচিত। যেখানে স্কুল ক্যাম্পাসে ক্যামব্রিজ বিষয় ও মডিউল ভিত্তিক টিচার্স ট্রেনিং পরিচালনা করে থাকে।

ডিপিএস এসটিএস স্কুলের প্রিন্সিপাল ড. শিবানন্দ সিএস বলেন, ‘এ ধরনের প্রোগ্রামসহ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা-সুযোগ দেয়ার জন্য ভিন্ন ধরনের উদ্যোগের সহযোগী হতে পেরে আমরা বেশ আনন্দিত। আগামী দিনগুলোতে এ ধরনের আরও উদ্যোগের সহযোগী হতে আমরা সচেষ্ট রয়েছি, যা দেশের তরুণদের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।’

আরও পড়ুন:
ঢাকা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান তপন কুমার
‘রাতের খাবার খেয়ে’ অসুস্থ বিকেএসপির ১৫ শিক্ষার্থী
শিক্ষা প্রশাসনের ৫ পদ ফাঁকা আর কতকাল
গাড়ি ফেরত দিলেন সেই প্রকৌশলী
অঙ্কন ‘হত্যাকারীদের’ সর্বোচ্চ শাস্তি চান শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Instructions for sale of 10 luxury cars in North South

নর্থ-সাউথের বিলাসবহুল ১০ গাড়ি বিক্রির নির্দেশ

নর্থ-সাউথের বিলাসবহুল ১০ গাড়ি বিক্রির নির্দেশ রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
গাড়িগুলো খোলা দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে ব্যয়ের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ তহবিলে জমা করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে জরুরি ভিত্তিতে জানাতে বলা হয়েছে।

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থে কেনা বিলাসবহুল ১০টি গাড়ি বিক্রি করে সেই টাকা প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ তহবিলে জমা করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব ড. মো. ফরহাদ হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ধারা ৪৪ (১) অনুযায়ী প্রত্যক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সাধারণ তহবিল থাকবে এবং ৪৪ (৭) ধারা অনুযায়ী সাধারণ তহবিলের অর্থ ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় ব্যয় ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যয় করা যাবে না।

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়ন খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয় না করে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ১২টি গাড়ি কেনে। এর মধ্যে ১০টি বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, উল্লিখিত ১০টি বিলাসবহুল গাড়ি খোলা দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে ব্যয়ের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ তহবিলে জমা করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে জরুরি ভিত্তিতে জানানোর অনুরোধ করা হলো।

যে ১০টি গাড়ি বিক্রি করতে হবে

যানবাহনের ধরন ও মডেল হলো- হার্ড জিপ (টয়োটা প্রাডো টি এক্স), মডেল-২০১৫; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০ ), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০ ই), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার অটোবায়োগ্রাফি), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার অটোবায়োগ্রাফি), মডেল-২০১৯, হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার অটোবায়োগ্রাফি), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০ ই), মডেল-২০১৯; কার (স্যালুন) মার্সিডিজ বেঞ্জ, মডেল-২০১৯ এবং হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০ ই), মডেল-২০১৯।

আরও পড়ুন:
নর্থ-সাউথে অনিয়ম: রেহেনা ও বেনজীরকে দুদকে তলব
‘দুর্নীতি-জঙ্গিবাদের কবল’ থেকে নর্থ সাউথকে রক্ষার দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A call to engage students with creative and practical learning

সৃজনশীল ও বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান

সৃজনশীল ও বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান ফাইল ছবি
শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘তত্ত্বীয় জ্ঞানের চেয়ে ব্যহারিক শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক শিক্ষার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে শিক্ষকদের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

রাজধানীর সরকারি টিচার ট্রেনিং কলেজে বঙ্গবন্ধু ‘সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ’-এর জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘তত্ত্বীয় জ্ঞানের চেয়ে ব্যহারিক শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক শিক্ষার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে হবে।’

মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের সঙ্গে কাজ করার মানসিকতাই তৈরি হয়নি। আমরা তত্ত্বীয় জ্ঞানের ওপর এত বেশি জোর দিচ্ছি যে, বাস্তবে কোনও কাজ করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা নিরুৎসাহিত হয়ে যাচ্ছে। তারা মনে করছে কৃষি কাজসহ কায়িক পরিশ্রমের কাজ হচ্ছে অশিক্ষিত লোকের কাজ। যেহেতু সে শিক্ষিত হয়ে গেছে সেহেতু সে এসব কাজ করবে না।

‘কিন্তু শিক্ষার্থীরা লদ্ধ জ্ঞানকে ব্যবহার করার মাধ্যমে উদ্ভাবন করতে পারে। তাই শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ থাকলো, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ব্যবহারে উপযুক্ত করতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের উন্মুক্ত ও বিজ্ঞানমনস্ক করার আহ্বান জানিয়ে উপমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কূপমণ্ডুকতা, জড়তা, অতিমাত্রায় প্রতিক্রিয়াশীলতার মধ্যে ডুবে থাকে এবং কুসংস্কার, ধর্মীয় অপব্যখ্যা, নারী-পুরুষের মধ্যে অসমতার প্রতি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ চলে যায় সৃজনশীল চর্চার অভাবে।

‘সে কারণে শিক্ষকদের আমি অনুরোধ করব, জাতির পিতা যে দক্ষতা নির্ভর জনগোষ্ঠী করতে চেয়েছিলেন, শিক্ষার্থীদের সেই বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দক্ষতা নির্ভর জনগোষ্ঠী গেড়ে তুলতে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

আরও পড়ুন:
শুধু স্লোগান নয়, অনলাইনে সোচ্চার হোন
হেফাজত ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল: নওফেল
৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ খুলতে প্রস্তুতি চলছে: নওফেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Degrees reveal first year results

ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ

ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ
রেজিস্ট্রেশন ও কলেজওয়ারী ফলাফল www.nu.ac.bd/results ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। এ ফলাফল সম্পর্কে কোনো পরীক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কারও আপত্তি/অভিযোগ থাকলে ফলাফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে লিখিতভাবে জানাতে হবে। এরপর আর কোনো আপত্তি/ অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হবে না। 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

পরীক্ষায় এক লাখ ৭১ হাজার ১৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৬০৭ জন। গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯ শতাংশ।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আতাউর রহমান এ তথ্য জানান।

রেজিস্ট্রেশন ও কলেজওয়ারী ফলাফল www.nu.ac.bd/results ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। এ ফলাফল সম্পর্কে কোনো পরীক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কারও আপত্তি/অভিযোগ থাকলে ফলাফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে লিখিতভাবে জানাতে হবে। এরপর আর কোনো আপত্তি/ অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হবে না।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষা শুরু হয় গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর আর শেষ হয় চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে করোনা মহামারির কারণে কয়েক দফায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় গত ২১ জানুয়ারি। এ দফায় শিক্ষাঙ্গনে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকে এক মাস।

২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে।

গত ২ মার্চ শুরু হয় প্রাথমিকে সশরীরে ক্লাস। টানা দুই বছর বন্ধের পর গত ১৫ মার্চ প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয়।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রথম দফায় প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনের দুয়ার।

আরও পড়ুন:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ভর্তি আবেদন শুরু ২২ মে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ
‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট শূন্যে নামিয়ে আনা হবে’
ডিগ্রি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মাস্টার্স প্রথম পর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Recruitment to primary How to get admission

প্রাথমিকে নিয়োগ: প্রবেশপত্র মিলবে যেভাবে

প্রাথমিকে নিয়োগ: প্রবেশপত্র মিলবে যেভাবে
পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রার্থীদের অবশ্যই প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি এবং নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশনা এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং প্রবেশপত্রে পাওয়া যাবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে ২০ মে। এ জন্য প্রবেশপত্র সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তি থেকে রোববার এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, আবেদনকারীর নিজ নিজ জেলায় ২০ মে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার্থীরা admit.dpe.gov.bd- ওয়েবসাইটে Username এবং Password দিয়ে অথবা এসএসসির রোল, বোর্ড ও পাসের সাল দিয়ে লগ ইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রার্থীদের অবশ্যই প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি এবং নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশা এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং প্রবেশপত্রে পাওয়া যাবে।

দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা যেখানে

দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহী, খুলনা, ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা হবে। অন্য ২২ জেলায় পরীক্ষা হবে নির্ধারিত উপজেলায়।

সেসব উপজেলার মধ্যে রয়েছে নওঁগা জেলার সদর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, রানীনগর, পোরশা, সাপাহার উপজেলা; নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া, বড়াইগ্রাম, গুরুদাসপুর, লালপুর; সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, সদর ও তাড়াশ উপজেলা; কুষ্টিয়া জেলার খোকসা, সদর ও মিরপুর; ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ড, সদর, কালিগঞ্জ; যশোর জেলার অভয়নগর, চৌগাছা, সদর, বাঘারপাড়া; সাতক্ষীরা জেলার সদর, দেবহাটা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ; বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট, মোংলা, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা; জামালপুর জেলার সদর, মাদারগঞ্জ, মেলান্দহ; ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা, সদর, নান্দাইল, ফুলপুর, তারাকান্দা, ত্রিশাল উপজেলা; নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি, মদন, মোহনগঞ্জ, সদর, পূর্বধলা উপজেলা; কিশোরগঞ্জ জেলার সদর, কুলিয়ারচর, মিঠামইন, নিকলী, পাকুন্দিয়া, তাড়াইল; টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর, মির্জাপুর, নাগরপুর, সফিপুর, বাসাইল উপজেলা; রাজবাড়ী জেলার কালুখালী, গোয়ালন্দ; কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার, হোমনা, লাকসাম, লালমাই, সদর দক্ষিণ, মনোহরগঞ্জ, মুরাদনগর, নাঙ্গলকোট, তিতাস উপজেলা; নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ, চাটখিল, কোম্পানীগঞ্জ, হাতিয়া উপজেলা; পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর, নেছারাবাদ, সদর; পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, সদর, রাঙ্গাবালি, দুমকি উপজেলা; সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার, জগন্নাথপুর, জামালগঞ্জ, শাল্লা, সদর, তাহিরপুর উপজেলা; হবিগঞ্জ জেলার সদর, লাখাই, মাধবপুর, নবীগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা; কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী, রাজারহাট, রাজীবপুর, রৌমারী, উলিপুর উপজেলা; গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা।

এর আগে গত ২২ এপ্রিল সরকারি শিক্ষক পদের প্রথম ধাপের পরীক্ষা হয়। যার ফল প্রকাশ হয়েছে ১২ মে। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষার জন্য পাস ৪১ হাজার
জুলাইয়ের মধ্যে প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রতিমন্ত্রী
শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ এ মাসেই

মন্তব্য

উপরে