× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Museum in the shape of shoes
hear-news
player
print-icon

জুতার আকৃতিতে জাদুঘর

জুতার-আকৃতিতে-জাদুঘর যুক্তরাষ্ট্রে জুতা জাদুঘর। ছবি: নিউজবাংলা
দালানটির সম্মুখভাগ ছাড়া বাকি পুরোটাই জাদুঘর। প্রতিটি তলাতেই আছে বিশেষভাবে সাজানো কক্ষ। সেসব কক্ষ ঘুরতে ঘুরতেই পাওয়া যাবে অদ্ভুত সুন্দর আর মজার এই দালানসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পেনসিলভেনিয়া রাজ্যের অদ্ভুত সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ বা ভূদৃশ্য দেখতে দেখতে চলেছেন ইয়র্ক কাউন্টির রাস্তা ধরে। হঠাৎই চোখে পড়ল বিশালাকায় এক জুতা। একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছেন আর অবাক হচ্ছেন জুতাটির বিশালতায়।

একদম কাছে গিয়ে আবিষ্কার করলেন, যেনতেন কোনো ভাস্কর্য নয়, এটি জুতার আদলে নির্মিত আস্ত একটি পাঁচতলা বাড়ি। ভেতরে জাদুঘর ও রেস্তোরাঁ। যেখানকার আইসক্রিম আবার সুপরিচিত।

কিন্তু এই আকৃতির দালান নির্মাণের নেপথ্য কারণ কী? কেনইবা পরে জাদুঘরে পরিণত করা হয় জুতা বাড়িটিকে?

‘দ্য হাইন্স সু হাউস’-এ কর্মরত, একাধারে কিউরেটর ও রেস্তোরাঁকর্মীদের তথ্য বলছে, দালানটির সম্মুখভাগ ছাড়া বাকি পুরোটাই জাদুঘর। প্রতিটি তলাতেই আছে বিশেষভাবে সাজানো কক্ষ। সেসব কক্ষ ঘুরতে ঘুরতেই পাওয়া যাবে অদ্ভুত সুন্দর আর মজার এই দালানসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য।

কর্নেল ম্যালন এন হাইন্সের জন্ম ওহাইও রাজ্যের ওল্ড ওয়াশিংটনে। জাত ব্যবসায়ী হাইন্সের ছিল জুতার কারবার। বয়স যখন ৩০, তখন অর্থাৎ সেই ১৯০৫ সালে তিনি চলে আসেন পেনসিলভেনিয়ার ইয়র্কে। খবর পেয়েছিলেন এখানে জুতার ব্যবসায় পসার ভালো হবে। সঙ্গে ছিল ১২৭ ডলারের জুতার চালান।

জুতার আকৃতিতে জাদুঘর

দিনে দিনে তার ব্যবসা এতই বেড়ে যায় যে পেনসিলভেনিয়া ও মেরিল্যান্ডজুড়ে ৪০টির বেশি দোকান খুলে ফেলেন তিনি। নিজে পরিণত হন লাখপতি ব্যবসায়ীতে। আর কর্মসংস্থান হয় বহু মানুষের।

কীভাবে অল্প দিনে এত পরিচিতি পেলেন এবং পরিণত হলেন 'সু উইজার্ড' বা 'জুতার জাদুকরে’?

হাইন্সের মাথায় ছিল বিজ্ঞাপনের আজব আর নাটকীয় সব বুদ্ধি, যার প্রতিফলনই হলো এই সু হাউস। জুতার বিজ্ঞাপনের এর চাইতে অভিনব কৌশল আর কী-ইবা হতে পারে?

জুতা বাড়ি বানানোর কাজ শুরু হয় ১৯৪৮ সালে। বাড়িটির মোট উচ্চতা ২৫ ফুট। চওড়ায় বাইরে থেকে ৪৮ ফুট আর ভেতরে ১৭। মোট ১৫০০ বর্গফুটের বাড়িটিতে রয়েছে তিনটি ঘর, দুটি বাথরুম, একটি বসার ঘর এবং একটি রান্নাঘর।

১৯৪৯ সালে বাড়িটি নির্মাণ শেষ হওয়ার পরই এটিকে সিনিয়র সিটিজেন বা বয়স্ক দম্পতিদের জন্য ভাড়া দেয়া শুরু করেন হাইন্স।

ভাড়া দেয়া হতো সেখানে মধুচন্দ্রিমা করতে ইচ্ছুক দম্পতিদেরও। থাকত সপ্তাহান্তে একটি দিন বিনা মূল্যে থাকার লোভনীয় অফার। সঙ্গে নিজের জুতার ব্র্যান্ডের প্রচারও হয়ে যেত।

হাইন্স সাহেব কিন্তু কখনই থাকেননি এই বাড়িতে। রাস্তার ওপারেই ছিল তার নিজের বাড়ি। ১৯৬২ সালে তার মৃত্যুর পর বাড়িটি তারই শর্ত মতে দেয়া হয় সেখানকার কর্মচারীদের। একপর্যায়ে তারা বাড়িটি ভাড়া দেন এক দন্ত চিকিৎসককে। পর্যায়ক্রমে জুতা বাড়ি পরিণত হয় আইসক্রিম পারলারে।

এটিকে পাকাপাকিভাবে পরিণত করা হয় আজকের হাইন্স সু হাউসে। এটিকে জাদুঘরে পরিণত করার পেছনে অবদান রয়েছে মেলানি শুমাকের। যিনি এটির মালিক ছিলেন ২০১৫ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত। এটির প্রতিটি ঘর সাজাতে তিনি সেই পঞ্চাশের দশকের আসবাব ব্যবহার করেছেন। সঙ্গে রেখেছেন জুতা তৈরিতে হাইন্সের কারখানায় ও তৎকালীন ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো। সংরক্ষিত আছে ম্যালন হাইন্সের নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র। ভেতরে ঢুকলে চোখে পড়বে তখনকার সময়ে জুতার বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত হাতপাখা আদলের ইশতেহার ও জুতার চালানপত্রও।

জুতার আকৃতিতে জাদুঘর

সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বেশ কিছু তৈজসপত্র যেমন লবণ বা মরিচদানিগুলোর আদলও জুতার আকারেই। আছে সেই আমলের ডাকবাক্সটিও।

সেই আমলের দালান হলে কী হবে, যুক্তরাষ্ট্রের অগ্নিনির্বাপন নীতিমালা অনুযায়ী হাউসের পেছনে এখনও রয়েছে আদ্যিকালের ফায়ার এক্সিটটিও। রাখা আছে হাইন্স সাহেবের কুকুরের ঘরটি। বেড়াগুলোতেও রয়েছে জুতার নকশা।

রাখা আছে ৭৪ বছর আগের বেশ কিছু জুতাও। যেমন, মেয়েদের লোফার ঘরানার একজোড়া জুতা যেটি তখন বিকোত ৪৮ সেন্ট মূল্যে, বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান দরে হয় ৪১ টাকা ৭৬ পয়সা।

হাইন্সের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পেনসিলভেনিয়ার ইয়র্ক কাউন্টির হ্যালেম শহরতলির ওই সড়কটির নাম রাখা হয়েছে ‘সু হাউস রোড’। সড়ক ধরে ঢোকার সময় থেকেই আশপাশে তাকালেই চোখে পড়বে জাদুঘরের প্রভাব। এমনকি সেই চত্বরে দাঁড়িয়ে রবিঠাকুরের জুতা আবিষ্কার কবিতার দুটো লাইন আবৃত্তির ইচ্ছেও জাগতে পারে বটে।

‘নিজের দুটি চরণ ঢাকো, তবে

ধরণী আর ঢাকিতে নাহি হবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Hanging body of Bangladeshi worker in Malaysia

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যাওয়া মনির হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
মান্নান বলেন, ‘আমার ভাই শুক্রবার রাত ১১টার দিকে আমাদের সবার সঙ্গে কথা বলেছে। কোনো সমস্যার কথা বলেনি। আমার ভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।’

মালয়েশিয়ায় ঘর থেকে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ।

বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল ৭টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মনির হোসেন নামের ২৪ বছর বয়সী ওই যুবকের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল গ্রামে।

তার ভাই মো. মান্নান জানান, মনির পাঁচ বছর আগে শ্রমিক ভিসায় মালয়েশিয়ার ইপোহ শহরের একটি কোম্পানিতে কাজ করতে যান। বাড়িতে তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে আছে।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে মনিরের মালয়েশিয়ার এক বন্ধু তার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে জানান, ফ্যানের সঙ্গে মনিরের গলায় গামছা প্যাঁচানো মরদেহ পাওয়া গেছে।

মান্নান বলেন, ‘আমার ভাই শুক্রবার রাত ১১টার দিকে আমাদের সবার সঙ্গে কথা বলেছে। কোনো সমস্যার কথা বলেনি। আমার ভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।’

কুমিল্লা জনশক্তি রপ্তানি অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখনও আমাদের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়নি। তবে ওই যুবকের মরদেহ দেশে আনতে যা সহযোগিতা প্রয়োজন আমরা তা করব।’

আরও পড়ুন:
ট্যানারির ড্রামে শ্রমিকের মরদেহ
নিজ কার্যালয়ে খাদ্য কর্মকর্তার ঝুলন্ত দেহ
বিয়ের দাবিতে কুয়েত প্রবাসীর বাড়িতে জর্ডান প্রবাসী নারী
কিশোরী শ্রমিককে ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে
৩ হাসপাতালে নিয়েও বাঁচানো গেল না শিশু জুনায়েদকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Millions of Bangladeshis have access to legitimacy in the Maldives

মালদ্বীপে লক্ষাধিক বাংলাদেশির বৈধতার সুযোগ

মালদ্বীপে লক্ষাধিক বাংলাদেশির বৈধতার সুযোগ
এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রয়োজন হলে অফিস সময়ে ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রি (ফোন ১৫০০) (ই-মেইল [email protected]) বা বাংলাদেশ হাইকমিশনে (ফোন ৩৩২০৮৫৯) (Viber ৭৬১৬৬৩৬) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছে দূতাবাস।

মালদ্বীপে বসবাসরত ‘আনডকুমেন্টেড’ বাংলাদেশিদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়েছে দেশটির সরকার।

বাংলাদেশের অনুরোধে প্রায় লক্ষাধিক বাংলাদেশি এই সুযোগ পাবেন। সুযোগটি নেয়ার জন্য আনডকুমেন্টেড বাংলাদেশিদের অনুরোধ করেছে মালের বাংলাদেশ দূতাবাস।

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই অনুরোধ জানায় দূতাবাস।

এতে বলা হয়, ‘মালদ্বীপে বসবাসরত আনডকুমেন্টেড প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রির আওতায় বৈধকরণ প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু রয়েছে।’

‘যাদের বৈধ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট নাই তাদের দ্রুত ভিসা/ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে মালদ্বীপে বৈধভাবে কাজ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। বৈধকরণ প্রক্রিয়ার সুযোগে যদি কেউ বৈধ ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ না করেন, তবে তার বিরুদ্ধে মালদ্বীপের আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানা গেছে।’

দূতাবাস সে কারণে শাস্তি এড়াতে আনডকুমেন্টেড প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জরুরি ভিত্তিতে বৈধকরণ প্রক্রিয়ায় ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করেছে।

বৈধকরণের জন্য যে শ্রমিক যেখানে কাজ করছেন সে মালিককে ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রিতে আবেদন করতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রয়োজন হলে অফিস সময়ে ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রি (ফোন ১৫০০) (ইমেইল [email protected]) বা বাংলাদেশ হাইকমিশনে (ফোন ৩৩২০৮৫৯) (Viber ৭৬১৬৬৩৬) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছে দূতাবাস।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক নিতে চায় মালদ্বীপ
৩ দিনের সফরে ঢাকায় মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট
নাশিদের ওপর হামলা: ‘মূল সন্দেহভাজন’ গ্রেপ্তার
হামলায় আহত নাশিদের অবস্থা সংকটাপন্ন
বোমা হামলায় আহত মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Torture of a young woman in India 7 Bangladeshis with a tickling heart for life

ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: ‘টিকটক’ হৃদয়সহ ৭ বাংলাদেশির যাবজ্জীবন

ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: ‘টিকটক’ হৃদয়সহ ৭ বাংলাদেশির যাবজ্জীবন বাংলাদেশি তরুণীকে নির্যাতনের হোতা রিফাদুল ইসলাম হৃদয় বা ‘টিকটক’ হৃদয়। ফাইল ছবি
শুক্রবার বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত ৫৪ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এই রায় দেন। যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন চাঁন মিয়া, রিফাদুল ইসলাম হৃদয়, আল আমিন হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, বাবু শেখ, মোহাম্মদ ডালিম ও আজিম হোসেন।

এক বছর আগে ভারতে তরুণীকে নৃশংস যৌন নির্যাতনের ঘটনায় সেখানে গ্রেপ্তার বাংলাদেশের রিফাদুল ইসলাম হৃদয় বা ‘টিকটক’ হৃদয়সহ সাত বাংলাদেশিকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে দেশটির এক আদালত। এ ছাড়া আরও চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদের সাজাও দিয়েছে ওই আদালত।

শুক্রবার বেঙ্গালুরুর একটি বিশেষ আদালত এ রায় দেয়।

সে সময় ভারত, বাংলাদেশের প্রধান সব পত্রিকার শিরোনামে উঠে এসেছিল বাংলাদেশি তরুণীকে নির্যাতনের ঘটনাটি। দেশটির কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরুতে ওই তরুণীকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

তখন দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নড়েচড়ে বসে। গ্রেপ্তার করা হয় হৃদয়সহ ১২ জনকে। যার মধ্যে ১১ জনই বাংলাদেশি।

দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সে সময় জানায়, ওই ১১ বাংলাদেশিই ভারতে ঢুকেছে অবৈধভাবে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত ৫৪ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এই রায় দেন। যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন চাঁন মিয়া, রিফাদুল ইসলাম হৃদয়, আল আমিন হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, বাবু শেখ, মোহাম্মদ ডালিম ও আজিম হোসেন।

২০ বছর দণ্ড দেয়া হয়েছে তানিয়া খান নামে এক আসামিকে। আর মোহাম্মদ জামালকে দেয়া হয় পাঁচ বছরের দণ্ড।

ফরেন অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত আরও দুজনকে ৯ মাস করে সাজা দিয়েছে বেঙ্গালুরুর ওই আদালত। এ ছাড়া একজনকে খালাস দিয়েছে বিশেষ ওই আদালত।

সে সময় ব্যাপক আলোচিত ঘটনাটি নিয়ে ভারতের ইউনিয়ন মিনিস্টারও টুইট করেছিলেন।

চক্রটি ওই তরুণীকে নির্যাতনের সময় ভিডিও ধারণ এবং ক্লিপ আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করে। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পরই নর্থ ইস্ট পুলিশ ও বাংলাদেশ পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

অভিযুক্তদের তথ্য পেতে আসাম পুলিশ তাদের ছবিও আপ করে টুইটারে। এরই একপর্যায়ে বেঙ্গালুরুর একটি সেলফোন থেকে ভিডিওটি ছড়ানোর বিষয় নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশকে সতর্ক করা হয় এবং একটি বিশেষ দল কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের শনাক্ত করে। তাদের গ্রেপ্তার করা হয় একটি ভাড়া বাসা থেকে।

তাদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা করে পুলিশ।

আর মামলার পর তাদের বিরুদ্ধে ২৮ দিনে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এরপর শুরু হয় বিচার, যা প্রায় এক বছরের মাথায় এসে রায় দিল দেশটির বিশেষ আদালত।

আরও পড়ুন:
‘টর্চার সেলে নেতাকর্মী পেটান’ ছাত্রলীগ নেতা
ছাত্রকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ছাত্রলীগ নেতার জামিন
নির্যাতনের আসামি প্রকাশ্যে, পুলিশ জানে পলাতক
ছাত্রকে পিটিয়ে মাথা ন্যাড়া করা ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার
কলেজছাত্রকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of Gaffar Chowdhury is being brought to the country

দেশে আনা হচ্ছে গাফ্‌ফার চৌধুরীর মরদেহ

দেশে আনা হচ্ছে গাফ্‌ফার চৌধুরীর মরদেহ আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী। ফাইল ছবি
লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম বলেন, ‘শুক্রবার বাদ জুমা লন্ডনের উকলেন্ড মসজিদে তার জানাযা আয়োজনের চেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শহীদ আলতাব আলী পার্ক শহীদ মিনারে তার মরদেহ রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

বরেণ্য লেখক ও সাংবাদিক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে মরদেহ আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, গাফ্‌ফার চৌধুরীর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে তার স্ত্রীর কবরের পাশে শায়িত করা হবে।

লন্ডনে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী মারা যান। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী শোক জানিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্টজনও শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

গাফ্‌ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে গভীর শোক জানানো হয়েছে জানিয়ে সাঈদা মুনা তাসনিম বলেন, ‘শুক্রবার বাদ জুমা লন্ডনের উকলেন্ড মসজিদে তার জানাযা আয়োজনের চেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পরিবারের অনুমতি সাপেক্ষে শহীদ আলতাব আলী পার্ক শহীদ মিনারে তার মরদেহ রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক জয় বাংলা’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী। বরিশালের উলানিয়ার চৌধুরী বাড়িতে তার জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর।

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী উলানিয়া জুনিয়র মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে হাইস্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫০ সালে ম্যাট্রিক পাস করে ভর্তি হন ঢাকা কলেজে।

১৯৫৩ সালে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৮ সালে বিএ অনার্স পাস করেন। ১৯৪৬ সালে বাবার মৃত্যুর পর তাকে চলে যেতে হয় বরিশাল শহরে। তিনি ভর্তি হন আসমত আলী খান ইনস্টিটিউটে।

সে সময় আর্থিক অনটনের শিকার হয়ে উপার্জনের পথ খুঁজতে থাকেন। ১৯৪৭ সালে তিনি কংগ্রেস নেতা দুর্গা মোহন সেন সম্পাদিত ‘কংগ্রেস হিতৈষী’ পত্রিকায় কাজ শুরু করেন।

বরিশাল শহরে কিছুদিন মার্কসবাদী দল আরএসপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবনেই তার সাহিত্যচর্চা শুরু হয়। ১৯৪৯ সালে ‘সওগাত’ পত্রিকায় আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর প্রথম গল্প ছাপা হয়।

১৯৫০ সালেই গাফ্‌ফার চৌধুরীর কর্মজীবন পরিপূর্ণভাবে শুরু হয়। এ সময়ে তিনি ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে ‘সংবাদ’, ‘সওগাত’, ‘মেঘনা’, ‘চাবুক’, ‘আজাদ’, ‘জনপদ’, ‘বাংলার ডাক’, ‘সাপ্তাহিক জাগরণ’, ‘নতুন দেশ’, ‘পূর্বদেশ’সহ অনেক পত্রিকায় কাজ করেন। প্রবাসে বসেও গাফ্‌ফার চৌধুরী বাংলাদেশের প্রধান পত্রিকাগুলোয় নিয়মিত লিখেছেন। তার লেখা বইগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘নাম না জানা ভোর’, ‘নীল যমুনা’, ‘শেষ রজনীর চাঁদ’, ‘কৃষ্ণপক্ষ’ ও ‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’।

বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, ইউনেসকো পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু পুরস্কার, সংহতি আজীবন সম্মাননা পদক, স্বাধীনতা পদকসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী।

আরও পড়ুন:
‘বাঙালির হৃদয়ে চির অম্লান গাফ্‌ফার চৌধুরী’
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর প্রয়াণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UAE president to be remembered in history PM

আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী

আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। ছবি: সংগৃহীত
দেশটির প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে শুক্রবার রাতে আবুধাবির যুবরাজ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার শেখ মোহামেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের কাছে শোকবার্তা পাঠান প্রধানমন্ত্রী।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও আবুধাবির শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে বাংলাদেশের ‘বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী’ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, গতিশীল নেতৃত্ব, বিচক্ষণতা ও আত্মনিবেদনের মধ্য দিয়ে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন তিনি।

দেশটির প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে শুক্রবার রাতে আবুধাবির যুবরাজ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার শেখ মোহামেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের কাছে শোকবার্তা পাঠান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে শোক ও দুঃখের এই সংকটময় মুহূর্তে আপনাদের মহামান্যের প্রতি এবং আপনার মাধ্যমে রাজপরিবারের শোকাহত সদস্যদের এবং আমিরাতি ভাই-বোনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’

শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক, আবুধাবির একজন মহান শাসক এবং মুসলিম উম্মাহর একজন দূরদর্শী নেতা ছিলেন বলে শোকবার্তায় উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘তার গতিশীল নেতৃত্ব, বিচক্ষণতা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় উন্নয়ন এবং ইসলামিক অগ্রগতির প্রতি তার আত্মনিবেদন তাকে ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখবে।’

দেশটির প্রয়াত প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশের ‘বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষী’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশেষ করে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের একজন অভিভাবক ছিলেন।’

বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে তার বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘আমরা তার চির শান্তির জন্য প্রার্থনায় হাত মিলিয়েছি যে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে জান্নাতে সর্বোচ্চ স্থান দান করবেন। আমরা শোকাহত রাজপরিবারের সদস্যদের এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার জন্য সাহস ও শক্তিদানে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি।’

আরও পড়ুন:
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করছে আমিরাত
জাহাজে বিস্ফোরণ, কাঁপল আমিরাতের শহর
নিষেধাজ্ঞার আগে দুবাইয়ে বিমানের জোড়া ফ্লাইট
বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ সংযুক্ত আরব আমিরাত
নাগরিকত্বের দুয়ার খুলছে আমিরাত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If you give 500 in Benapole 5 minutes or hours after hours

বেনাপোলে ৫০০ দিলে ৫ মিনিটে, নয়তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা

বেনাপোলে ৫০০ দিলে ৫ মিনিটে, নয়তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেনাপোল বন্দরে যাত্রী পারাপার বেড়েছে।
বাংলাদেশ অংশ পাড়ি দিয়ে ভারতের অংশে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনেও হয়রানিতে পড়ছেন বাংলাদেশি যাত্রীরা। ওই ইমিগ্রেশনে বর্তমানে ৪০টি ডেস্ক থাকলেও অফিসার আছেন মাত্র ৩ জন। ওই অফিসাররা আড়াই হাজার যাত্রীর ইমিগ্রেশন সিল মারতে সময় নিচ্ছেন ১৬/১৭ ঘণ্টা।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরাপারে করোনা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে দুই দেশই। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর থেকেই যশোরের বেনাপোল বন্দরে ভারতে গমণেচ্ছুক মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তাদের কেউ বেড়াতে যাচ্ছেন, কেউ চিকিৎসক দেখাতে আবার কেউ যাচ্ছেন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে।

তবে, এমন ভিড় থেকে সুবিধা আদায় করতে বন্দরটিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেছে একটি অসাধু চক্র। টাকার বিনিময়ে তারা কারও কাজ পাঁচ মিনিটে করে দিচ্ছে, আবার কেউ টাকা না দিলে তাকে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, করোনার আগে আন্তর্জাতিক এই চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে আড়াই হাজার যাত্রী ভারতে যেতেন। ২০২০ সালে মার্চ মাসে মহামারি তীব্র আকার ধারণ করলে দুই পারের চেকপোস্ট বন্ধ হয়ে যায়।

গত মাসে করোনার সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ টুরিস্ট ভিসা চালু করায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার ব্যাপক হারে বেড়েছে। বর্তমানে এই চেকপোস্ট দিয়ে আগের মতোই যাত্রী চলাচল শুরু হয়েছে।

গত এক সপ্তাহে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ১৫ হাজার ৩০০ জন যাত্রী ভারতে গেছেন। আর ভারত থেকে এসেছেন ৭ হাজার ২৫৭ জন। ঈদের লম্বা ছুটি থাকায় ভারতে যাওয়া বাংলাদেশিদের ভিড় বেড়েছে বলেও জানিয়েছেন এক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা।

এমন ভিড়ে যাত্রীরা নানাভাবে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। একজন পাসপোর্টধারী যাত্রীকে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে পৌঁছাতে বাংলাদেশ অংশে অন্তত ৮টি স্থানে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।

এভাবে সোনালী ব্যাংক শুরু করে ইমিগ্রেশন চেক আউট গেট অর্থাৎ নো ম্যান্স ল্যান্ড পর্যন্ত একজন যাত্রীকে পৌঁছাতে অন্তত ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় লাগছে।

তবে মাথা পিছু ৫০০ টাকা দিলে সেই স্থানে মাত্র ৫ মিনিটেই পৌঁছানো যাচ্ছে। আর এসব কাজ করছেন বন্দরে কর্মরত আনসার, লেবার ও কয়েকজন নারী ক্লিনার। যাত্রীরা যখন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে বিরক্ত হয়ে উঠছেন, লেবার ও নারী ক্লিনাররা তখন কিছু যাত্রীর কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নিয়ে আনসার সদস্যদের কাছে দিচ্ছেন। আনসাররা তখন গেট খুলে টাকা দেয়া যাত্রীদের ইমিগ্রেশনের ভেতরে ঢুকিয়ে নিচ্ছেন।

এদিকে ভারতগামী যাত্রীদের নো ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় গিয়েও ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদ বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ মিনিটি পর পর ৭/৮ জন যাত্রী ভারতে ঢুকে ইমিগ্রেশনের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রবেশ করছেন। সেখানকার স্বাস্থ্য বিভাগ প্রত্যেক যাত্রীকে করোনার পিসিআর টেস্ট করছে। এতে সময় লাগে আরও ৪০ মিনিটি।

এরপর ভারতের অংশে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনেও হয়রানিতে পড়ছেন বাংলাদেশি যাত্রীরা। ওই ইমিগ্রেশনে বর্তমানে ৪০টি ডেস্ক থাকলেও অফিসার আছেন মাত্র ৩ জন। ওই অফিসাররা আড়াই হাজার যাত্রীর ইমিগ্রেশন সিল মারতে সময় নিচ্ছেন ১৬/১৭ ঘণ্টা।

এ অবস্থায় রোদ, বৃষ্টি আর ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ট হয়ে উঠছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে, ছোট বাচ্চা ও রোগীদের নিয়ে মহা বিপাকে পড়ছেন তারা।

বেনাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজু আহম্মেদ বলেন, ‘আমাদের ইমিগ্রেশনে যাত্রী আসলে তেমন সময় লাগছে না। ওপারে স্বাস্থ্য বিভাগে অনেক সময় লাগায় বাংলাদেশী যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন।’

আরও পড়ুন:
বেনাপোল বন্দরে জায়গা সংকট, হাজারও ট্রাকের অপেক্ষা
বেনাপোলে পুড়ল ভারতের ৫ ট্রাক
বেনাপোলে বোমা বিস্ফোরণ: পৌর কাউন্সিলরকে রিমান্ডে চায় পুলিশ
বেনাপোল বন্দরে বোমা বিস্ফোরণ, জড়িতদের বিচার দাবি
বেনাপোল বন্দরে পণ্য লোডিং-আনলোডিং শুরু

মন্তব্য

p
উপরে