× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
US requests no more Rohingyas in Bhasanchar
hear-news
player

ভাসানচরে আর রোহিঙ্গা নয়, অনুরোধ যুক্তরাষ্ট্রের

ভাসানচরে-আর-রোহিঙ্গা-নয়-অনুরোধ-যুক্তরাষ্ট্রের কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীর ভাসানচরে চলতি বছর ৩১ মার্চ পৌঁছেছে আরও ১ হাজার ৫৩৫ রোহিঙ্গা। ফাইল ছবি
বৈঠকের শেষে দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভাসানচরে এই মুহূর্তে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা আছে। সেখানে আমাদের ক্যাপাসিটি হলো ১ লাখ। আমরা সেখানে আরও রোহিঙ্গা নেয়ার জন্য চেষ্টা করছি। কিন্তু সে ব্যাপারে ইউএস-এইড বলছে, এখনও এখানে বেশি মানুষ নেয়ার পরিবেশ তৈরি হয়নি। পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে।’

ভাসানচরে এই মুহূর্তে নতুন করে কোনো রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর না করতে সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতামূলক সংস্থা ইউএস-এইড।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমানের সঙ্গে সংস্থাটির ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইজোবেল কোলম্যান এই অনুরোধ জানান।

বৈঠকের শেষে দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভাসানচরে এই মুহূর্তে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা আছে। সেখানে আমাদের ক্যাপাসিটি হলো ১ লাখ। আমরা সেখানে আরও রোহিঙ্গা নেয়ার জন্য চেষ্টা করছি।

‘কিন্তু সে ব্যাপারে ইউএস-এইড বলছে, এখনও এখানে বেশি মানুষ নেয়ার পরিবেশ তৈরি হয়নি। পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে। খাবার পানি, স্যালাইনিটির সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সলভ করতে হবে। তাদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা তাদের বলেছি, তাদের মতামত আমরা অবশ্যই অনার করব।’

পাশাপাশি ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেও সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি। ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যখন বলেছি, ইতিমধ্যে সেখানে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা মোবিলাইজ করা হয়েছে, তখন তিনি (ইজোবেল কোলম্যান) বলেছেন এখানে যে পরিবেশ যে সুযোগ-সুবিধা এটা আরও বাড়াতে হবে।

ভাসানচরে আর রোহিঙ্গা নয়, অনুরোধ যুক্তরাষ্ট্রের

সচিবালয়ে ইউএস-এইডের ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইজোবেল কোলম্যানের সঙ্গে বৈঠক শেষে কথা বলেন দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা

‘যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ তাদের লাইভলিহুডে গুরুত্ব দিতে বলেছেন। এবং বলেছেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে যাতে মিয়ানমারে এই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকরা নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে ফিরে যেতে পারে এ ব্যাপারে তিনি তার সরকারের সঙ্গে কাজ করবেন।’

তিনি বলেন, ‘তারা বলেছেন, ভাসানচরে যে হাসপাতাল রয়েছে সেখানে অপারেশনের ব্যবস্থা করতে। তারা বলছেন, অপারেশনের মতো রোগী হলে তাদের ট্রান্সফার করতে হয়। এখন সেখানে একটি হাসপাতাল আছে, সেখানে বিশেষজ্ঞ আছেন, সব রকমের ওষুধ আছে, এটাকে আমরা প্রাইমারি হেলথ কেয়ার বলতে পারি।

‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ব্যবস্থাপনায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি ভাসানচরের বিষয়ে কয়েকটি অবজার্ভেশন দিয়েছেন সেটা হলো, জরুরি রোগী হলে ভাসানচর থেকে চট্টগ্রাম অথবা নোয়াখালী পাঠাতে হয়। এ জন্য তিনি সেখানে একটি উন্নতমানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের সাজেশন দিয়েছেন।’

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভাসানচরে এখনও জাতিসংঘের এজেন্সিগুলো কার্যক্রম শুরু করেনি। এ ব্যাপারে আমি ইউএস-এইডের সহযোগিতা চেয়েছি যাতে দ্রুত সেখানে ইউএনএইচসিআর, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম কার্যক্রম শুরু করে। তিনি বলেছেন কথাটা তাদের বলবেন এবং সেখানে যে অতিরিক্ত অর্থসহায়তা লাগবে সেটাও তিনি বলেছেন।

‘তারা বলছেন, পৃথিবীতে প্রায় ৫০ লাখ শরণার্থী আছে, এর সঙ্গে ইউক্রেনের প্রায় ৭০ লাখ শরণার্থী যোগ হয়েছে। তারা এদের নিয়ে কাজ করছে। অন্যান্য শরণার্থী শিবিরে যেভাবে কাজ করছে, এখানেও সেভাবে কাজ করবে। দ্রুত তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে তারা চাপ তৈরি করবে।’

ভাসানচরে জাতিসংঘের এজেন্সিগুলো যেন দ্রুত কার্যক্রম শুরু করতে পারে এ জন্য খুব শিগগিরই তাদের ফান্ড দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
উন্নয়ন মেগা প্রকল্পে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক অঞ্চল: প্রধানমন্ত্রী
অস্ত্র-গুলিসহ ‘রোহিঙ্গা ডাকাত দলের প্রধান’ আটক
রোহিঙ্গা ইস্যুতে অপপ্রচারে জাতিসংঘের সংস্থা: সরকার
ক্যাম্প থেকে পালানোর চেষ্টা, ২০৩ রোহিঙ্গা আটক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Not everywhere in Coxs Bazar PM

কক্সবাজারে যেখানে-সেখানে স্থাপনা নয়: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে যেখানে-সেখানে স্থাপনা নয়: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠে বুধবার সকালে কক্সবাজার নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত বহুতল অফিস ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিএমও
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটা মাস্টারপ্ল্যান করার নির্দেশ দিয়েছি, পুরো কক্সবাজারটাকে ঘিরে। এর উন্নয়নটা যেন অপরিকল্পিতভাবে না হয়ে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী হয়। সে জন্য কক্সবাজারবাসীর কাছে আমার একটা অনুরোধ থাকবে যেখানে-সেখানে, যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে কোনো স্থাপনা আপনারা করবেন না। ইতোমধ্যে আমরা কক্সবাজারে কিন্তু অনেক প্রকল্প নিয়েছি।’

কক্সবাজারকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে জেলার সার্বিক উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই যেখানে-সেখানে অপরিকল্পিতভাবে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দেশের সবচেয়ে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন সম্মেলন কেন্দ্রটিও কক্সবাজারে নির্মাণ করার ঘোষণা দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

বাংলাদেশকে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতু উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারের বিমানবন্দরটি হবে আন্তর্জাতিক আকাশপথের রিফুয়েলিং সেন্টার।’

কক্সবাজারের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠে বুধবার সকালে কক্সবাজার নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত বহুতল অফিস ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন সরকারপ্রধান।

কক্সবাজারকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা ‘একান্তভাবে অপরিহার্য’ উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘সে জন্য কক্সবাজারবাসীর কাছে আমার একটা অনুরোধ থাকবে যেখানে-সেখানে, যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে কোনো স্থাপনা আপনারা করবেন না। ইতোমধ্যে আমরা কক্সবাজারে কিন্তু অনেক প্রকল্প নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘একটা মাস্টারপ্ল্যান করার নির্দেশ দিয়েছি, পুরো কক্সবাজারটাকে ঘিরে। এর উন্নয়নটা যেন অপরিকল্পিতভাবে না হয়ে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী হয়।

‘এই যে আমাদের বিশাল সমুদ্রসীমা রয়েছে, এতে পর্যটন ক্ষেত্রকে আরও প্রসারিত করা, আমাদের দেশীয় পর্যটকদের যেমন সুযোগ সৃষ্টি করা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করা- সেই উদ্যোগটা আমরা নিতে যাচ্ছি।’

কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক রিফুয়েলিং সেন্টার

বিমান চলাচলের আন্তর্জাতিক আকাশপথটি কক্সবাজারের ওপর দিয়ে গেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার কাজ চলমান রয়েছে। কক্সবাজারে হবে আন্তর্জাতিক আকাশপথে রিফুয়েলিংয়ের একটা জায়গা। যার ফলে এখানে অনেক কাজ হবে।’

সিলেট থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি বিমান চালু হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমি নির্দেশ দিয়েছি, আমাদের অন্যান্য অঞ্চল যেমন- বরিশাল, রাজশাহী, সৈয়দপুর- এ রকম যতগুলো বিমানবন্দর আছে, সব বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারে সরাসরি বিমান চলাচল করে, তার ব্যবস্থাটাও আমরা করে দেব ভবিষ্যতে। যাতে আমাদের পর্যটনও বাড়বে, সব বাড়বে।’

দৃষ্টিনন্দন সম্মেলন কেন্দ্র

ঢাকায় নয়, দেশের সবচেয়ে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন সম্মেলন কেন্দ্র বা কনভেনশন সেন্টারটি কক্সবাজারে তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছেন টানা তিন মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সব থেকে ভালো কনভেনশন সেন্টার, উন্নতমানের কনভেনশন সেন্টার এই কক্সবাজারে করা হবে। অন্য কোথাও না, রাজধানীতে না।

‘আমি চাই কক্সবাজারে হবে এটা, যাতে পর্যটকদেরও আকর্ষণ করবে আর আমাদের যেকোনো সেমিনার, যা কিছু আমরা করি, সেখানে আমরা করব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের যে ভৌগোলিক অবস্থান এই অবস্থানটা হচ্ছে প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের মধ্যে একটি সেতুবন্ধ রচনা করবার মতো জায়গা। এ জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলতেন, বাংলাদেশটাকে তিনি প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন।

‘সুইজারল্যান্ড শান্তির দেশ, সেই সঙ্গে ইউরোপের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত যেতে হলে সুইজারল্যান্ড হয়েই যেতে হয়। তার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে এভাবেই গড়ে তুলবেন।’

সুনীল অর্থনীতি

সমুদ্রসীমায় নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন এই সমুদ্রসম্পদ আমাদের ব্যবহার করে আমাদের অর্থনীতিতে যাতে অবদান রাখতে পারে, সেই ব্যবস্থাটা আমরা করতে চাই। তাই আমরা ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি গ্রহণ করেছি। এর ভিত্তিতে উন্নয়নকে আমরা আরও ত্বরান্বিত করতে চাই।’

মহেশখালীতে গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ নানা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটিকে ডিজিটাল আইল্যান্ড হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে মহেশখালীর উন্নয়নটা যখন দেখবেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে, সবাই বিস্মিত হবেন যে এ রকম উন্নয়ন করা যায়।’

টেকনাফের জন্যও বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং টেকনাফের সমুদ্রসৈকত যাতে আন্তর্জাতিক মানের হয় তারও ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি।’

সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেখানে সি অ্যাকোরিয়াম যাতে হয়, তার ব্যবস্থা আমরা নেব। যদিও এটা খুব ব্যয়বহুল এবং অ্যাকোরিয়াম চালানোর মতো দক্ষ লোকের অভাব আছে আমাদের দেশে। কাজেই সেটা আমাদের দেখতে হবে, তৈরি করতে হবে।’

অবকাঠামো উন্নয়ন

কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের এখন দোহাজারি থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। চমৎকার একটা রেল স্টেশন, খুব আকর্ষণীয় একটা রেল স্টেশন নির্মাণ হয়েছে। এর কাজ খুব দ্রুত শেষ হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম যেমন মহাসড়ক তৈরি করে দিয়েছি, আবার কক্সবাজার পর্যন্ত রাস্তার কাজও চলছে।’

উন্নয়নের সঙ্গে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় করার অনুমোদন আমরা দিয়েছি। এখানে একটি মেডিক্যাল কলেজ করা হয়েছে, একটি হাসপাতালও করা হবে। স্টেডিয়ামগুলোকে আরও উন্নতমানের করব, যাতে আন্তর্জাতিক মানের খেলা হয়।’

খুরুশকুলে একটি আধুনিক শুঁটকির হাট করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যেটি দৃষ্টিনন্দন হবে। আর সেখানে যারা মৎস্যজীবী যারা মাছ ধরবেন, শুঁটকি করবেন তারা বাজারজাত করতে পারবেন।’

লবণ উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের চাহিদা মিটিয়ে শীতপ্রধান দেশগুলোতে রপ্তানির সুযোগ তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কক্সবাজারের লবণচাষিদের নানা সুযোগ-সুবিধা দেয়ারও নির্দেশনা দেন তিনি। কোরাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন রক্ষা ও নিরাপত্তায় বিশেষ দৃষ্টি দেয়ারও তাগিদ দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ঝাউবন

ঝড়-জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূল ও সমুদ্রসৈকত রক্ষায় ঝাউবন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এই সমুদ্রসৈকতে আমার অনুরোধ থাকবে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ছাড়াও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আছেন, আমাদের যুবসমাজ আছে, সামনে আষাঢ় মাস, আষাঢ় মাসে আমরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিই।

‘এই সমুদ্রসৈকত পুরোটা যদি আমরা ঝাউগাছ দিয়ে ঘিরে দিতে পারি তাহলে যেকোনো ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।’

৮০ মাইল বা ১২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে ঝাউবন করা খুব কঠিন কাজ হবে না বলেও মনে করেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিবেশটা রক্ষা করতে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে পরিবেশ যেন রক্ষা পায় সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।’

করোনাভাইরাসের উপকার

করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতিতে ধস নামলেও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উপকার হয়েছে বলে মনে করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসে আমাদের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে এটা ঠিক। একটা উপকার আমরা পেয়েছি। যেহেতু কোনো পর্যটক সেখানে যেতে পারেনি, কক্সবাজারে হারিয়ে যাওয়া লাল কাঁকড়া সেগুলো যেমন ফিরে এসেছে, কিছুদিন ডলফিনও দেখা গেছে।

‘আমাদের কাছিমগুলোর প্রজননক্ষেত্রের জন্য যে পাড়গুলো ছিল, সেগুলোও হারিয়ে যাচ্ছিল। যখন সেখানে কেউ যাচ্ছিল না, খবর পেলাম, কিছু ছবিও দেখলাম লাল কাঁকড়াগুলো আবার ফিরে এসেছে।’

করোনাকালীন অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমার অনুরোধ থাকবে, কোথাও এক ইঞ্চি জমি পড়ে থাকবে না। যেখানে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, তা দিয়েই যা কিছু পারেন উৎপাদন করবেন।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mouchak is the new online education platform in the country

দেশে নতুন অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম ‘মৌচাক’

দেশে নতুন অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম ‘মৌচাক’ মৌচাক অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্মের যাত্রায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
প্ল্যাটফর্মটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। মৌচাক শিক্ষকদের জন্য ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করবে। যেখানে আপনিই হবেন আপনার ক্লাসের একমাত্র নিয়ন্ত্রক। দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের শিক্ষকের ক্লাস করতে পারবে ঘরে বসেই।

অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগিয়ে শিক্ষাব্যবস্থায় সুবিধা নিশ্চিতের অঙ্গীকারে যাত্রা শুরু করেছে অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম ‘মৌচাক’।

মৌচাক এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা দেশের সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুই মিনিটেই সংযোগ স্থাপন করতে দেবে। শিক্ষকরা দুই মিনিট সময় পেলেই দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে এই প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে পারবেন।

‘আপনার সাফল্যে আমরা আর হাজারও শিক্ষার্থীর অনুপ্রেরণায় আপনি’- এই স্লোগানের মাধ্যমে মঙ্গলবার শুরু হয় ‘মৌচাক’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা।

প্ল্যাটফর্মটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। মৌচাক শিক্ষকদের জন্য ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করবে। যেখানে আপনিই হবেন আপনার ক্লাসের একমাত্র নিয়ন্ত্রক। দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের শিক্ষকের ক্লাস করতে পারবে ঘরে বসেই।

মৌচাকে রয়েছে আনলিমিটেড লাইভ ক্লাস ও পরীক্ষা, ক্লাস রেকর্ডের সুবিধা, ৩০ হাজারের বেশি প্রশ্ন ব্যাংক, আধুনিক পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ, নোটিশ বোর্ডসহ আরও অনেক কিছু।

এখানে শিক্ষকরা পরীক্ষার উত্তরপত্র পাবেন পিডিএফ ফরম্যাটে এবং নম্বর ও গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিতে পারবেন।

মৌচাকে নিজের পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী কোর্স সাজানোর সুযোগ রয়েছে। মৌচাক নিয়ে এসেছে অনেক মডেল টেস্ট এবং কুইজের মতো সব ধরনের প্রশ্নের সমাহার। অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের জন্য থাকছে ই-মেইল এবং মেসেজের ব্যবহার।

মৌচাকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আওলাদ হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক ও শিক্ষার্থী কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই সরাসরি ক্লাসের মতো করেই পর্যাপ্ত জ্ঞান আদান-প্রদানের সুযোগ পাবেন এমন একটি ওয়ান স্টপ সল্যুশনের ব্যবস্থার লক্ষ্য নিয়েই মৌচাকের যাত্রা শুরু হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক কারণে স্কুল কিংবা কোচিংয়ে পছন্দের শিক্ষকের ক্লাস করতে পারে না। এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছে মৌচাক।’

আরও পড়ুন:
মসজিদে মৌচাক, মধু বেচে চলে খরচ
মৌচাকে ঢিল, হুলে আহত অন্তত ২০
মৌচাক কাটা হয় কীভাবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The female staff of the movie coffeeshop will get leave during the period

চালচিত্র কফিশপের নারী কর্মী পাবেন পিরিয়ডের সময় ছুটি

চালচিত্র কফিশপের নারী কর্মী পাবেন পিরিয়ডের সময় ছুটি চালচিত্র নামের এই কফিশপে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে নারীদের জন্য পিরিয়ডের সময় ছুটির কথা জানানো হয়েছে। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
চালচিত্র নামের এই কফিশপটি রাজধানীর লালবাগ কেল্লার পাশে চালু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ১ জুন। ছোটখাটো উদ্যোগ, তবে সম্পূর্ণ ভিন্ন আমেজের এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিস্তর পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই উদ্যোক্তার।  

পিরিয়ড বা মাসিকের সময় প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যান নারীরা। নানান শারীরিক জটিলতার মাঝেও অনেকে মুখ বুজে সামলান কর্মস্থলের দায়িত্ব।

বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পিরিয়ডের সময় তীব্র ব্যথায় ভোগা নারীদের সর্বোচ্চ তিন দিন কাজ থেকে ছুটি দেয়ার প্রস্তাব মঙ্গলবার অনুমোদন পেয়েছে স্পেনে। এ ছাড়া জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়ার মতো এশিয়ার কয়েকটি দেশ ও জাম্বিয়ায় নারীর ঋতুস্রাবকালীন ছুটির অনুমোদন আছে।

তবে বাংলাদেশে নারীর ঋতুস্রাব এখনও নানান গোপনীয়তার বেড়াজালে বাঁধা। মাসিকের কারণে নারীর বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টিও ব্যাপকভাবে উপেক্ষিত।

এমন প্রেক্ষাপটে ব্যতিক্রমী ঘোষণা এসেছে চালু হতে যাওয়া একটি কফিশপের উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে। কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞাপনে তারা বলছেন, নারী কর্মীদের পিরিয়ডের সময় থাকবে সবেতন ছুটি।

চালচিত্র নামের এই কফিশপটি রাজধানীর লালবাগ কেল্লার পাশে চালু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ১ জুন। ছোটখাটো উদ্যোগ, তবে সম্পূর্ণ ভিন্ন আমেজের এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিস্তর পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই উদ্যোক্তার।

চালচিত্র কফিশপে পার্টটাইম ওয়েটার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে ফেসবুকে। তাতে বলা হয়েছে, নারী ওয়েটার হলে তাকে মাসে দুই দিন বৈতনিক মেনস্ট্রুয়াল লিভ দেয়া হবে।

চালচিত্রের অন্যতম স্বত্বাধিকারী নোশিন আঞ্জুমের সঙ্গে কথা বলেছে নিউজবাংলা। নোশিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই বর্ষের ছাত্র রিয়াদ হোসেনের সঙ্গে মিলে তিনি চালু করতে যাচ্ছেন কফিশপটি।

চালচিত্র কফিশপের নারী কর্মী পাবেন পিরিয়ডের সময় ছুটি
চালচিত্র কফিশপের উদ্যোক্তা নোশিন আঞ্জুম (বাঁয়ে) ও রিয়াদ হোসেন

নোশিন নিউজবাংলাকে জানান, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি তার প্রতিষ্ঠানের নারী কর্মীদের জন্য এই সুবিধা চালু করতে চান। এতে তার পুরুষ ব্যবসায়িক পার্টনারও সায় দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন বিজনেসের প্ল্যান করছিলাম, তখন থেকেই বিষয়টা (নারী কর্মীদের পিরিয়ডের সময় ছুটি) ইন্ট্রোডিউস করার ইচ্ছা ছিল। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং আমার ফ্রেন্ড বা রিলেটিভদের মধ্যে যারা জব করছেন তাদের সমস্যা দেখেই বিষয়টি মাথায় এসেছে।

‘পিরিয়ডের সময় মানুষ অনেক স্ট্রেসড থাকে। হরমোনাল অনেক ধরনের সমস্যার মধ্যে দিয়ে যায়। এ সময় যেখানে তার একটু এক্সট্রা কেয়ার দরকার, সেখানে তাকে অন্য দিনের মতোই কাজে যেতে হয়, কাজ করতে হয়। প্রথমত ইমোশনের জায়গা থেকে, দ্বিতীয়ত আমরা আমাদের ওয়ার্কপ্লেস এমন করতে চেয়েছি যেখানে একজন নারীকে এ রকম ফিজিক্যাল স্ট্রেস নিয়ে কাজ করতে হবে না।’

স্প্যানিশ গাইনোকোলজি অ্যান্ড অবস্টেট্রিক্স সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, পিরিয়ডের সময় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী গুরুতর ব্যথায় ভোগেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় ডিসমেনোরিয়া। পিরিয়ড শুরু হওয়ার আগে থেকেই ব্যথায় ভোগা নারীদের বিবেচনায় নিলে সংখ্যা আরও অনেক বেশি। ডিসমেনোরিয়ার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র পেটে ব্যথা, মাথাব্যথা, ডায়রিয়া ও জ্বর।

নোশিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি একজন পিরিয়ডের সময় সুস্থ ফিল না করেন তাহলে আমি যে আউটপুটটা চাই, দিন শেষে সেটা পাব না। আর একজন ওয়েটারকে সরাসরি কাস্টমারদের সঙ্গে ডিল করতে হয়। তিনি যদি ফিজিক্যালি-মেন্টালি ভালো ফিল না করেন তাহলে নরম্যালি বিহেভ করতে পারবে না। তাহলে আমি যে আউটকাম চাই তা নেগেটিভ হয়ে যাওয়ার চান্স আছে।

‘এর চেয়ে আমি তাকে একটা লিভ দিলাম। তিনি সুস্থ হয়ে পরদিন এলেন। এতে দুজনেরই সুবিধা হবে। এটা কিন্তু অন্য যে সিক লিভ আছে তার মধ্যে পড়বে না।’

এই ছুটির কারণে উদ্যোক্তা হিসেবে কোনো ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন না নোশিন। বরং তিনি মনে করছেন, এই ছুটির বিনিময়ে যা তারা পাবেন তার অর্থমূল্য নির্ধারণ করা যায় না।

তিনি বলেন, ‘যখন কোনো পার্টটাইম ওয়েটার পিরিয়ডের কারণে ছুটিতে থাকবেন, তখন তাকে তার কাজ নিয়ে ভাবতে হবে না। সে সময় অন্য কোনো ওয়েটার ওভারটাইম করতে পারবেন বা কাউকে পাওয়া না গেলে আমি বা আমার পার্টনার রিয়াদ কাজগুলো করব।’

নোশিন জানান, নানা সীমাবদ্ধতার কারণে আপাতত তারা অন্য পদের কর্মীদের জন্যও এই ছুটি চালু করতে পারছেন না। তবে ভবিষ্যতে সার্বক্ষণিক নারী কর্মীদের জন্যও এই ছুটি চালুর ইচ্ছা আছে।

নোশিন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যত সিভি এসেছে তাতে নারী-পুরুষের রেশিও ৪০-৬০। তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী। এর আগে আমরা যখন বারিস্তা বা ফুলটাইম ওয়েটারের জন্য সিভি চেয়েছি, তখন একজন নারীরও সিভি আসেনি।

‘আমার কাছে মনে হয় এবার অনেক মেয়ে এই পিরিয়ডের সময় ছুটির কারণেই অ্যাপ্লাই করেছেন। হয়তো পেমেন্ট কম, কিন্তু মাসের একটা নির্দিষ্ট সময় পেইড লিভ পাওয়া যাবে। এটা ভেবেই তারা সিভি পাঠিয়েছেন।’

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এই দুই শিক্ষার্থীই চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহী। তাই তারা কফিশপটি সাজাচ্ছেন সিনেমাটিক থিমে। শপ চালুর কিছুদিনের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে একটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর ব্যবস্থা থাকবে সেখানে।

নোশিন বলেন, ‘যেসব উদীয়মান নির্মাতা আর্থিক সমস্যার কারণে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর জায়গা পান না, তাদের আমরা একটি প্ল্যাটফর্ম দিতে চাই। সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিন উদীয়মান নির্মাতাদের চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে। এর জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে সামান্য কিছু ফি নেয়া হতে পারে, যার পুরোটাই দেয়া হবে ওই নির্মাতাকে।’

আরও পড়ুন:
ভারতে তিন নারীর একজন সহিংসতার শিকার
নারী আইপিএলে যাচ্ছেন সালমা
মাদকে ঝোঁক বাড়ছে নারীর, বেশি ঝুঁকি সচ্ছল পরিবারে
নারী ডেটে ডাকলে যৌনতার সম্ভাবনা বেশি
ময়মনসিংহ থেকে রোনালডোর দেশে যাচ্ছেন তিন নারী ফুটবলার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
As a result of Alim 650 students will get scholarships

আলিমের ফলে বৃত্তি পাবেন ৭৫০ শিক্ষার্থী

আলিমের ফলে বৃত্তি পাবেন ৭৫০ শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ১৫০ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি ও ৬০০ শিক্ষার্থীকে সাধারণ বৃত্তি দেয়া হবে। ফাইল ছবি
অফিস আদেশে বলা হয়, ‘২০২১ সালের আলিম পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত ১৫০ শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে ৭৫০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ১ হাজার ৮০০ টাকা দেয়া হবে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬০০ শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে ৩৫০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ৭৫০ টাকা দেয়া হবে। আলিম পরবর্তী কোর্সের মেয়াদ অনুযায়ী তিন, চার বা পাঁচ বছর এ বৃত্তি সুবিধা পাবেন শিক্ষার্থীরা।’

আলিম পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ৭৫০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে সরকার। এর মধ্যে ১৫০ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি ও ৬০০ শিক্ষার্থীকে সাধারণ বৃত্তি দেয়া হবে।

রোববার রাতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামানের সই করা আলিমের বৃত্তির ফল তৈরি সংক্রান্ত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে আরও বলা হয়, ‘২০২১ সালের আলিম পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত ১৫০ শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে ৭৫০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ১ হাজার ৮০০ টাকা দেয়া হবে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬০০ শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে ৩৫০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ৭৫০ টাকা দেয়া হবে। আলিম-পরবর্তী কোর্সের মেয়াদ অনুযায়ী তিন, চার বা পাঁচ বছর এ বৃত্তি সুবিধা পাবেন শিক্ষার্থীরা।’

জানা যায়, বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের টাকা জিটুপি পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। বৃত্তির গেজেট প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলে হিসাব নম্বর ভর্তীকৃত প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে হবে।

এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি। এতে পাসের হার ৯৫.২৬ শতাংশ। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ শিক্ষার্থী।

সাধারণত প্রতি বছর এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হলেও করোনা মহামারির কারণে এই পাবলিক পরীক্ষা ২০২১ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার। পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয় ৩০ ডিসেম্বর।

আরও পড়ুন:
টাকা নিয়ে দিলেন না চাকরি, স্বজনদের নিয়োগের চেষ্টা
কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
36 mothers received the Ratnagarbha award

৩৮ মা পেলেন রত্নগর্ভা পুরস্কার

৩৮ মা পেলেন রত্নগর্ভা পুরস্কার রোববার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে রত্নগর্ভা মা-২০২১ এর পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ‘এই দিনে সব মায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। মায়ের কথা মনে করলেই চোখে পানি চলে আসে, কেন আসে আমি তা জানি না। এখানে আপনাদের মা আছে, আমার মা নেই। নারীদের অগ্রযাত্রায় কাজ করে যাচ্ছেন আরেক মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগে স্কুল-কলেজে ছেলেরা প্রথম হতো, এখন মেয়েরা হচ্ছে। মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, নারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।’

ছোট্ট একটি শব্দ মা, অথচ কী বিশাল তার দায়িত্ব। মমতা, আশ্রয়, নিরাপত্তা, নিশ্চয়তা ও নির্ভরতা সবই রয়েছে এই একটি শব্দের মাঝে। এই মা-ই কঠোর পরিশ্রম এবং নিজের স্বপ্নের মাঝেই সুশিক্ষা দিয়ে সন্তানকে গড়ে তোলেন। এতে সন্তানরা দেশে-বিদেশে হয় আলোকিত। আন্তর্জাতিক মা দিবস উপলক্ষে এ বছর এমন ৩৮ সফল মাকে ‘রত্নগর্ভা মা’ অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে রত্নগর্ভা মা-২০২১-এর পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আজাদ প্রোডাক্টস প্রাইভেট লিমিটেড এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ‘এই দিনে সব মায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। মায়ের কথা মনে করলেই চোখে পানি চলে আসে, কেন আসে আমি তা জানি না। এখানে আপনাদের মা আছে, আমার মা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘নারীদের অগ্রযাত্রায় কাজ করে যাচ্ছেন আরেক মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগে স্কুল-কলেজে ছেলেরা প্রথম হতো, এখন মেয়েরা হচ্ছে। মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, নারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।’

৩৮ মা পেলেন রত্নগর্ভা পুরস্কার

৩৮ জনের মধ্যে ১৩ জনকে বিশেষ ও ২৫ জনকে সাধারণ ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

বিশেষ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাওয়া রত্নগর্ভা ১৩ মা হলেন হামিদা বেগম, মাহমুদা বেগম, জাহানারা বেগম, সফুরা খাতুন, মাহমুদা খাতুন, মাইমুনা আক্তার খাতুন, মাজেদা বেগম, আশা বড়ুয়া, খালেদা খানম, মাফিয়া বেগম, জাহানারা হোসেন, নাজিমা বেগম ও জান্নাতুল ফেরদৌসী।

সাধারণ ক্যাটাগরিতে এবার পুরস্কার পেয়েছেন ২৫ মা। তারা হলেন আমেনা বেগম, লতিফা খানম, পুনুয়ারা বেগম, মর্জিনা সাখাওয়াত, সামসুন নাহার, আয়েশা খাতুন, রোকশানা আহম্মেদ, নাফিসা বেগম, ফারমিদা সাত্তার, সেলিমা খাতুন, রেহানা শফিক, অ্যাডভোকেট হাজেরা পারভীন, সুরাইয়া খানম, মাফিয়া আখতার, খোশনূর, পারুল বেগম, নাজমা আনিস, ফরিদা ইয়াসমিন, রওশনয়ারা বেগম, ওয়াজিফা খাতুন, সিদ্দিকা বেগম, শাতিল আবেদা, ফয়জুন্নেছা বেগম, মমতাজ খানম ও মমতাজ বেগম। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী মুস্তফা মনোয়ারকে মাই ড্যাড ওয়ান্ডারফুল সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করেন রত্নগর্ভা মা সামসুন নাহারের মেয়ে নাঈনা তাবাসসুম, সফুরা খাতুনের মেয়ে উম্মে মুসলিমা, মাইমুনা আক্তার খাতুনের ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মো. এনায়েতুর রহমান, রওশন আরা বেগমের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান, ২০১৮ সালে রত্নগর্ভা পুরস্কারপ্রাপ্ত ড. পারভীন হাকিম আনোয়ারসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, চিত্রশিল্পী মুস্তফা মনোয়ার, ঢাকা ক্লাবের সভাপতি খন্দকার মশিউজ্জামান ও আজাদ প্রোডাক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

আরও পড়ুন:
‘আম্মা...পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর শব্দ’
রিয়ালকে ‘গার্ড অফ অনার’ দেবে না আতলেতিকো
মা দিবসের শুরু কবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tanorer light young energy young ball

তানোরের আলো ‘তরুণ শক্তি তরুণ বল’

তানোরের আলো ‘তরুণ শক্তি তরুণ বল’
‘আমরা পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে আলোকিত করার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু দেখলাম এটি সময়সাপেক্ষ। এ জন্য আমরা যারা সদস্য আছি, নিজেদের বাড়ি থেকেই বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে আমরা রাস্তার পাশে লাইট জ্বালিয়েছি। এখানকার রাস্তায় ১৭টি বাতি ঝোলানো হয়েছে। এর পেছনে প্রায় ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।’ 

রাজশাহীর তানোরের গ্রামে গ্রামে মাদকের বিস্তার যেমন ঘটেছে, তেমনি যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে উদ্যোগী তরুণদের চেষ্টাও আছে।

উপজেলার বাকুশপুর গ্রামের কিছু যুবক-তরুণ চেষ্টা করছেন তাদের এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখতে। এর পাশাপাশি গ্রামের উন্নয়নে যা যা করা যায়, সবকিছুই করতে চান এই যুবকরা।

গ্রামের রাস্তায় আলোর ব্যবস্থা করেছেন তারা নিজ উদ্যোগে। অনেক পৌর এলাকার রাস্তাঘাটও যখন অন্ধকারে নিমজ্জিত, তখন অজপাড়া গ্রাম হিসেবে পরিচিত বাকুশপুরের রাস্তা থাকে আলোকিত।

উদ্যোক্তাদের মধ্যে কয়েকজন রয়েছেন দেশের বাইরে, আবার বেশ কয়েকজন রয়েছেন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মরত। নিজেদের টাকা আর উদ্যোগে তারা এগিয়ে নিতে চান নিজেদের গ্রামটিকে।

রাজশাহী শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার আর তানোর সদর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরের গ্রাম বাকুশপুর। এই গ্রামের দুই ভাই মামুনুর রশিদ ও পলাশ আহমেদ থাকেন কাতারে। কর্মসূত্রে ঢাকায় থাকেন ফয়সাল আহমেদ ও তার ভাই মবিয়া হোসেন স্বপন। মূলত এই চার যুবকের উদ্যোগেই স্থানীয় তরুণদের একত্রিত করা হয়।

তাদের উদ্যোগে হাত বাড়ান খুলনায় একটি ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত মাহাজুর রহমান। তিন বছর আগে তারা ‘তরুণ শক্তি তরুণ বল’ বা টিএসটিবি নামে একটি সামাজিক সংগঠন গড়ে তোলেন।

অলাভজনক ও অরাজনৈতিক এ সংগঠনটি এরই মধ্যে এলাকার উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে। গত মার্চে তারা এলাকার রাস্তার ধারে নিজেরা খুঁটি পুঁতে লাইট ঝুলিয়ে আলোকায়নের কাজ করে এলাকায় বিশেষভাবে আলোচিত হন।

তানোরের আলো ‘তরুণ শক্তি তরুণ বল’

এ সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মাহাজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এলাকার যুব সমাজের উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই আমাদের সংগঠনের যাত্রা শুরু। এখন এর সদস্যসংখ্যা প্রায় অর্ধশত। সবাই এই গ্রামের বাসিন্দা। আমাদের কোনো কমিটি নেই। এখানকার ৮-১০ জন যুবকই মূলত এটি দেখাশোনা করেন।

‘আমাদের উদ্যোগের সুফল পাচ্ছি। এখানকার যুবকরা মাদকে জড়াচ্ছে না। আমরা এলাকার রাস্তা আলোকায়নের কাজ করেছি। পুরো রাস্তায় বাঁশের খুঁটি দিয়ে এলইডি লাইট ঝুলিয়েছি।

‘আমরা পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে আলোকিত করার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু দেখলাম এটি সময়সাপেক্ষ। এ জন্য আমরা যারা সদস্য আছি, নিজেদের বাড়ি থেকেই বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে আমরা রাস্তার পাশে লাইট জ্বালিয়েছি।’

তিনি জানান, এখানকার রাস্তায় ১৭টি বাতি ঝোলানো হয়েছে। এর পেছনে প্রায় ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

বৃক্ষরোপণেও জোর দেয়ার কথা জানান মাহাজুর। জানান, এখন থেকে এলাকায় কোনো শিশু জন্ম নিলে ওই পরিবারকে তিনটি গাছের চারা উপহার দেব; একটি বনজ, একটি ফলদ এবং একটি ঔষধি গাছের চারা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল উদ্দেশ্য গ্রামের উন্নয়ন। আমাদের উদ্যোগে এলাকার মানুষ খুশি। এই উদ্যোগকে সবাই স্বাগত জানাচ্ছেন। এতে আমাদের উৎসাহও বাড়ছে।’

তরুণদের এই উদ্যোগের প্রশংসাও ঝরছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ইসমাইল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এলাকার এসব ছেলে খুব ভালো কাজ করছে। আমি তাদের কাজকে সমর্থন করি। তারা এলাকার যুবক-তরুণদের সুস্থ চিন্তাধারায় রাখার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া আলোকায়নের কাজটিও তাদের প্রসংশিত হচ্ছে।’

চান্দুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজিবর রহমান জানান, এই তরুণরা বছরখানেক আগে তার সঙ্গে দেখা করে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার কথা জানিয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘এসব যুবক-তরুণ এলাকার উন্নয়নে এগিয়ে আসছে, এটি অবশ্যই আমাদের সবার জন্যই ভালো খবর।’

আরও পড়ুন:
ইউরোপে বাংলাদেশকে তুলে ধরছে মেহেদীর ন্যাচারক্রাফট

মন্তব্য

উপরে