× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Testimony against Mamunul in the fourth phase of the rape case
hear-news
player
print-icon

ধর্ষণ মামলায় মামুনুলের বিরুদ্ধে চতুর্থ দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ

ধর্ষণ-মামলায়-মামুনুলের-বিরুদ্ধে-চতুর্থ-দফায়-সাক্ষ্যগ্রহণ সাক্ষ্য শেষে দুপুরে মামুনুলকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ছবি নিউজবাংলা
আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ধর্ষণ মামলায় চতুর্থ দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য কাশিমপুর কারাগার থেকে মামুনুলকে আদালতে আনা হয়। সাক্ষ্য শেষে দুপুরে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

ধর্ষণ মামলায় হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে চতুর্থ দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

সাবেক এ হেফাজত নেতাকে সোমবার বেলা ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে তোলা হলে সাক্ষ্য দেন দুজন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রকিব উদ্দিন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চতুর্থ দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য কাশিমপুর কারাগার থেকে মামুনুলকে আদালতে আনা হয়। সাক্ষ্য শেষে দুপুরে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

পিপি রকিব উদ্দিন বলেন, ‘মামুনুলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁওয়ের স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম সাগর ও নাজমুল হাসান শান্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন। ঘটনার দিন তারা যা দেখেছেন, আদালতকে তা জানিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাক্ষীরা আদালতকে জানিয়েছেন, তারা ফেসবুকে লাইভ দেখে রয়েল রিসোর্টে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন মামুনুল হকের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশে ছিলেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। তখন মামুনুল হক পুলিশের কাছে মামলার বাদীকে (ঝর্ণা) স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। তবে ঝর্ণা জানান, তিনি তার (মামুনুল) স্ত্রী নন। তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছেন মামুনুল।’

এ আইনজীবী বলেন, ‘মামলার ৪৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এ নিয়ে ৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তবে আজ আদালতে মামলার আরেক সাক্ষী সোহাগ রনি হাজির হওয়ার কথা থাকলেও তিনি হাজির হননি। পরবর্তী সাক্ষ্য শুনানির দিন আদালত নির্ধারণ করবে।’

এদিকে মামুনুলের আইনজীবী ওমর ফারুক নয়ন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই সাক্ষীর মধ্যে শফিকুল ইসলাম সাগর মুগড়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ও নাজমুল হাসান শান্ত ছাত্রলীগ নেতা। অথচ তারা আদালতে বলেছেন দুজনই ব্যবসায়ী।

‘তারা আদালতে মামুনুলের বিরুদ্ধে সাজানো সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামুনুলকে ফাঁসানোর জন্য অসামঞ্জস্য সাক্ষ্য দিয়েছেন।’

২০২১ সালের গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়্যাল রিসোর্টে জান্নাত আরা ঝর্ণা নামের এক নারীসহ স্থানীয়দের হাতে আটক হন মামুনুল হক। শুরুতে তিনি ঝর্ণাকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করলেও পরে জানা যায়, ওই নারীর সঙ্গে তার বিয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।

পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে মামুনুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।

৩০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় মামুনুলের নামে ধর্ষণ মামলা করেন ঝর্ণা। এতে তিনি অভিযোগ করেন, মামুনুল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুই বছর ধরে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন। বিয়ে করবেন বলে আর করেননি।

এই মামলার আগে ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে মামুনুলকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি দল। এরপর সহিংসতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা হয়। ঝর্ণার মামলার পর তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

গত ৩ নভেম্বর ধর্ষণ মামলায় মামুনুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
মামুনুলকাণ্ডে তছনছ রিসোর্টটি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি এক বছরেও
মামুনুলের নাশকতা মামলা: তৃতীয়বারও সাক্ষী আনতে ব্যর্থ রাষ্ট্রপক্ষ
ধর্ষণ মামলায় মামুনুলের বিরুদ্ধে ৩ জনের সাক্ষ্য
ঢাকার আদালতে জামিন মেলেনি মামুনুলের
মামুনুলকে দেখে স্লোগান দিয়ে ২ অনুসারী ধরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Arguments against 8 people including Sabrina were delayed

সাবরিনাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপন পেছাল

সাবরিনাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপন পেছাল ডা. সাবরিনা চৌধুরী। ফাইল ছবি
সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ঠিক করেছে আদালত।

করোনাভাইরাসের ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আট জনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ঠিক করেছে আদালত।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হক এ দিন ধার্য করেন।

মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বুধবার দিন ঠিক ছিল। কিন্তু বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ৮ জুন নতুন দিন ঠিক করেন।

গত ১১ মে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এরপর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ২৫ মে দিন ঠিক করেন।

যুক্তি উপস্থাপন শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ঠিক করা হবে।

২০ এপ্রিল ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে সাক্ষ্য দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভুইয়া। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন। আদালত আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১১ মে দিন ঠিক করেন। মামলাটিতে ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন বিভিন্ন সময় সাক্ষ্য দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয়। এর বেশিরভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এ অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয় এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনা ও আরিফসহ আট জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী।

চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা।

চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে প্রতারণার মূল হোতা হিসেবে দেখানো হয়। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতিতে তাদের সাহায্য করেছে।

একই বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান।

আরও পড়ুন:
সাবরিনা দম্পতির মামলা: পিছিয়েছে সাক্ষ্য গ্রহণ
রহস্যকে গুরুত্ব দিয়ে ‘সাবরিনা’র ট্রেলার
নারীকে কেন্দ্র করে সম্ভাবনার গল্প বলবে ‘সাবরিনা’
সাবরিনার মামলার বিচার শেষের পথে
ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটসহ ২ জনের সাক্ষ্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Intercontinental engineers body

ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রকৌশলীর মরদেহ

ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রকৌশলীর মরদেহ ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল। ছবি: ফেসবুক
ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খবর পাই হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একজনের মরদেহ পড়ে রয়েছে। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।’

রাজধানীর রমনার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে সুব্রত সাহা নামে এক প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রমনা পুলিশের ধারণা, ওই প্রকৌশলী হোটেলের ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছেন। নিহতের বাড়ি চাঁদপুর সদরে।

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খবর পাই হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একজনের মরদেহ পড়ে রয়েছে। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।’

তিনি জানান, হোটেলের দ্বিতীয়তলার ছাদে পড়ে ছিল মরদেহ। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহে কাজ করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ক্রাইম সিন ইউনিট। মরদেহের সুরতহাল শেষে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘সুব্রত সাহা নামে নিহত ওই প্রকৌশলী হোটেলেই চাকরি করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, টপ ফ্লোর থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে অন্যান্য কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
কক্সবাজার সৈকতে দুই যুবকের মরদেহ
উত্তরায় তরুণীর মরদেহ উদ্ধার
স্ত্রী-দুই সন্তান হত্যা, পুলিশ হেফাজতে স্বামী-প্রতিবেশী
নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর নদীতে যুবকের মরদেহ
নদীতে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Deputy Inspector General of Factory arrested with bribe money

‘ঘুষের’ টাকাসহ কলকারখানার উপমহাপরিদর্শক আটক

‘ঘুষের’ টাকাসহ কলকারখানার উপমহাপরিদর্শক আটক
সমন্বিত জেলা দুদকের উপপরিচালক আহসানুল কবির পলাশ বলেন, ‘ভুক্তভগি রাসেল এ বিষয়ে ২৩ মে দিনাজপুর সমন্বিত জেলা দুদক কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। বুধবার তিনি ৮০ হাজার ঘুষের টাকাসহ কাগজপত্র মোস্তাফিজুরকে দেন। দুপুরে অভিযান চালিয়ে টাকাসহ আমরা তাকে আটক করি। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

দিনাজপুর কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘুষের ৮০ হাজার টাকাসহ আটক করা হয়েছে।

শহরের বালুয়াডাঙ্গার অফিসে বুধবার বিকেল ৪টার পর অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া সমন্বিত জেলা দুদকের উপপরিচালক আহসানুল কবির পলাশ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘চিরিরবন্দর উপজেলার আমবাড়ীতে অবস্থিত ইশান এগ্রো অ্যান্ড ফুডের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মো. রাশেদুজ্জামান রাসেল গত ২৫ এপ্রিল দিনাজপুর কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে লাইসেন্স নবায়ন করতে যান। তখন উপমহাপরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান লাইসেন্স নবায়নের জন্য তার কাছে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। রাসেলকে ২৭ এপ্রিল টাকা ও কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন তিনি।

‘এ সময়ের মধ্যে টাকা না দেয়ায় রাসেলকে ফোন করে উপমহাপরিদর্শক জানান, কারখানার কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ ও ম্যানেজার আশরাফুলের নামে মামলা প্রক্রিয়াধীন। মামলা থেকে রেহাই পেতে হলে ২৩ মে টাকাসহ অফিসে আসতে হবে। এদিন সকালে কাগজপত্র নিয়ে গেলে রাসেলের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজুর।’

দুদক কর্মকর্তা বলেন, ‘এ ঘটনায় এদিন রাসেল দিনাজপুর সমন্বিত জেলা দুদক কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। বুধবার তিনি ৮০ হাজার ঘুষের টাকাসহ কাগজপত্র মোস্তাফিজুরকে দেন। দুপুরে অভিযান চালিয়ে টাকাসহ আমরা তাকে আটক করি। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
সুন্দরবনের অভয়াশ্রমে মাছ ধরায় ৭ জেলে আটক
ট্রাকচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহতের ঘটনায় চালক আটক
মানব পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্য আটক
ট্রাকচাপায় অটোরিকশার চালক নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Old man sentenced to 10 years in drug case

মাদক মামলায় বৃদ্ধের ১০ বছরের কারাদণ্ড

মাদক মামলায় বৃদ্ধের ১০ বছরের কারাদণ্ড
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জসিম উদ্দিন জানান, আদালত ইয়াবা রাখার দায়ে আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং গাঁজা রাখার দায়ে এক বছর দণ্ডাদেশ দিয়েছে।

লক্ষ্মীপুরে মাদক মামলায় এক আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এছাড়া গাঁজা রাখার দায়ে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে, এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ দণ্ডাদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জসিম উদ্দিন নিউজবাংলাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিত ৬৯ বছরের আবদুল গণির বাড়ি জেলার কমলনগর উপজেলার দক্ষিণ চর মার্টিন গ্রামে।

পিপি জানান, ২০১৮ সালের ২ আগস্ট বিকেলে কমলনগরের চর মার্টিন গ্রামের শাহ আলম ভান্ডারী এলাকা থেকে ১৪৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আবদুল গণিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওইদিন কমলনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিমেষ মন্ডল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর জামিনে বের হয়ে আসামি পালিয়ে যান আসামি।

একই বছরের ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কমলনগর থানার পিএসআই মোশাররফ হোসেন আসামি গণিকে অভিযুক্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ইয়াবা রাখার দায়ে আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং গাঁজা রাখার দায়ে এক বছর দণ্ডাদেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাসচাপায় নিহত: চালকের ৯ বছরের কারাদণ্ড
স্কুলছাত্র হত্যায় ১৭ কিশোরের কারাদণ্ড
ধর্ষণচেষ্টায় ৫ বছরের কারাদণ্ড
বিএনপির সাবেক এমপি জ্যোতির ৭ বছরের কারাদণ্ড
অস্ত্র মামলায় এক জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Extramarital affair Wife stabbed and injured

‘বিয়েবহির্ভূত’ সম্পর্ক: স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম

‘বিয়েবহির্ভূত’ সম্পর্ক: স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম
আহত লিজা আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী মাদকাসক্তও। বিভিন্ন সময়ে লোকজন নিয়ে এসে বাসায় মাদকের আসর বসায়। এতে বাধা দিলে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন করছে। তবে আমার বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকিয়ে তাকে কিছুই বলতে পারিনি।’

মাদারীপুরের চৌরাস্তা এলাকায় বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।

মাদারীপুর পৌরসভার চৌরাস্তা এলাকায় বুধবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত লিজা আক্তারকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

লিজা পৌরসভার সৈদারবালী এলাকার আ. হক মাতুব্বরের মেয়ে। অভিযুক্ত আজমীর ঘরামীর পাঁচখোলা ইউনিয়নের জাফরাবাদ এলাকার মান্নান ঘরামীর ছেলে। ঘটনার পর থেকে পলাতক তিনি।

ওই নারীর বরাতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা জানান, সাত বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় লিজা ও আজমীর। তাদের সংসারে পাঁচ ও চার বছরের দুটি শিশুসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর সামান্য ব্যাপার নিয়ে মাঝেমধ্যেই লিজাকে মারধর করতেন আজমীর।

পরবর্তী সময়ে লিজা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ঘোষেরহাট এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আজমীরের বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক আছে। এ নিয়ে তাদের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। সেই ঝামেলার সূত্র ধরে বুধবার সকালে আজমীর লিজাকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত লিজা আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার স্বামী মাদকাসক্তও। বিভিন্ন সময়ে লোকজন নিয়ে এসে বাসায় মাদকের আসর বসায়। এতে বাধা দিলে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন করেছে। তবে আমার বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকিয়ে তাকে কিছুই বলতে পারিনি।

‘আবার সামান্য ব্যাপার নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতি দিয়ে মাথার অনেক জায়গায় আঘাত করে। আমি এর বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আজমীর ঘরামীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এসএমএস করে পরিচয় জানানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা আরও বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি জানার পর থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জমি নিয়ে বিরোধে চাচাকে কুপিয়ে জখম
শার্শায় সংবাদকর্মী ও বাবাকে কুপিয়ে জখম
সাবেক শাশুড়িকে কুপিয়ে জখম
মাংসে চর্বি, কসাইকে ‘কোপালেন’ প্রভাষক
ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Seizure of expired drugs

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ, জরিমানা

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ, জরিমানা মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগঞ্জের নুশিন ফার্মেসিতে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ছবি: নিউজবাংলা
রংপুর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আফসানা পারভীন বলেন, ‘মালিক নুরুল হোসেন তার ফার্মেসিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করেন- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা পদাগঞ্জের নুশিন ফার্মেসিতে অভিযান চালাই। এসময় ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ইঞ্জেকশন, ইন্সুলিন-ডায়াসুলিন এবং অ্যান্টিবায়োটিক বিভিন্ন ওষুধ জব্দ করা হয়।’

রংপুরের মিঠাপুকুরে ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মালিককে ফার্মেসি দুইদিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

উপজেলার পদাগঞ্জে বুধবার বেলা ৩টার দিকে অভিযান চালায় রংপুর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আফসানা পারভীন নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মালিক নুরুল হোসেন তার ফার্মেসিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করেন- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা পদাগঞ্জের নুশিন ফার্মেসিতে অভিযান চালাই। এসময় ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ইঞ্জেকশন, ইন্সুলিন-ডায়াসুলিন এবং অ্যান্টিবায়োটিক বিভিন্ন ওষুধ জব্দ করা হয়।’

এর দায়ে নুরুলকে সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে নিশ্চিত করে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘দুই দিনের মধ্যে তিনি ওষুধ সরিয়ে ফেলবেন বলে আন্ডারটেকিং দিয়েছেন।’

ফার্মেসির মালিক নুরুর ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার অজান্তে এটা হয়েছে। আমি দুই দিনের সময় নিয়েছি। এর মধ্যে সব সরিয়ে ফেলব।’

আরও পড়ুন:
ফের জরিমানা গুনল বাটা
এক বাটি লালশাক ১০০ টাকা
বাটায় আবার স্টিকারের কারসাজিতে বাড়তি দাম
তিন সেমাই কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা
অনিয়মের দায়ে ৩ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
7 youths in jail in pornography case

পর্নোগ্রাফি মামলায় কারাগারে ৮ যুবক

পর্নোগ্রাফি মামলায় কারাগারে ৮ যুবক
র‍্যাব-৫ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার হাপানিয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সদর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নওগাঁয় পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার ৮ যুবককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন নওগাঁর আমলী আদালত-১ এর অতিরিক্ত জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম বুলবুল ইমতিয়াজ।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন, সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রামে সাঈদ আলী, আবাদপুর গ্রামের লিটন আলী, একডালা গ্রামের নাসির উদ্দিন, একই গ্রামের রুস্তম আলী, বাচারি গ্রামের রনি হোসেন, কুতুবপুর গ্রামের সুমন আলী, মহাদেবপুর উপজেলার সুলতান হোসেন ও গোয়ানবাড়ী গ্রামের নাজমুল হক।

র‍্যাব-৫ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার হাপানিয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সদর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আটকের সময় আসামিদের কাছ থেকে মনিটর, সিপিইউ, হার্ড ডিস্কসহ বিভিন্ন কম্পিউটার সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, দীর্ঘদিন ধরেই দোকানের কম্পিউটারে পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ ও টাকার বিনিময়ে সরবরাহ করে আসছিলেন তারা।

আরও পড়ুন:
তরুণীর ধর্ষণ মামলায় কারাগারে প্রেমিক
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
শিকলে বেঁধে টাকা আদায়: কারাগারে দুই ভাই
মাদ্রাসাশিক্ষক নিহতের ঘটনায় ভাগনে কারাগারে
যুবদল-ছাত্রদলের ১৫ নেতাকর্মী কারাগারে

মন্তব্য

p
উপরে