× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
The lyricist KG Mustafa passed away
hear-news
player

চলে গেলেন গীতিকার কে জি মোস্তাফা

চলে-গেলেন-গীতিকার-কে-জি-মোস্তাফা কে জি মুস্তাফা
কে জি মুস্তাফার মেয়ের জামাই মকবুল হোসাইন জানান, সোমবার বাদ জোহর প্রেসক্লাবে কে জি মোস্তাফার জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আজিমপুরে তাকে দাফন করা হবে।

প্রখ্যাত গীতিকার ও সাংবাদিক কে জি মোস্তাফা মারা গেছেন। রোববার রাত ৮টায় রাজধানীর আজিমপুরে নিজ বাসায় মারা গেছেন তিনি। মৃত্যুর সময় তার ৮৪ বছর হয়েছিল।

কে জি মোস্তাফার মৃত্যুর বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে তার মেয়ের জামাই মকবুল হোসাইন বলেন, ‘বার্ধক্যজনিত কারণেই তিনি মারা গেছেন।’

মকবুল জানান, সোমবার বাদ জোহর প্রেসক্লাবে কে জি মোস্তাফার জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আজিমপুরে তাকে দাফন করা হবে।

কেজি মোস্তাফা অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা। বাংলা সিনেমার কালজয়ী ও তুমুল জনপ্রিয় দুই গান ‘তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো, চাঁদ বুঝি তা জানে’ এবং ‘আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন’ এর গীতিকার তিনি।

প্রথম গানটি প্রখ্যাত নির্মাতা এহতেশাম হায়দার চৌধুরীর পরিচালিত ‘রাজধানীর বুকে’ এবং দ্বিতীয় গানটি অশোক ঘোষ পরিচালিত ‘নাচের পুতুল’ সিনেমায় ব্যবহার করা হয়েছে। দুটি গানেরই সুর করেছেন রবিন ঘোষ। প্রথম গানটি গেয়েছেন তালাত মাহমুদ এবং দ্বিতীয়টি মাহমুদুন্নবী।

১৯৩৭ সালের ১ জুলাই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জন্ম কে জি মোস্তাফার। ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

দৈনিক ইত্তেহাদে ১৯৫৮ সালে শিক্ষানবীস হিসেবে সাংবাদিকতায় যোগ দেন তিনি। ১৯৭৬ সালে তিনি বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারভুক্ত হন এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সহকারি সম্পাদক পদে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে সিনিয়র সম্পাদক (যুগ্ম সচিব পদমর্যাদা) হিসেবে অবসর নেন।

এ সবের বাইরে অনেক সিনেমাতে সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। এ ছাড়াও বেশকিছু কাব্যগ্রন্থ, ছড়ার বই, গানের বই ও গদ্যগ্রন্থ রয়েছে তার।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Artist Asifs biography Akbar Fifty Not Out published

শিল্পী আসিফের জীবনীগ্রন্থ ‘আকবর ফিফটি নট আউট’ প্রকাশ

শিল্পী আসিফের জীবনীগ্রন্থ ‘আকবর ফিফটি নট আউট’ প্রকাশ ‘আকবর ফিফটি নট আউট’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আসিফ। ছবি: নিউজবাংলা
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বইটি নিয়ে আসিফ বলেন, ‘যারা সত্য পছন্দ করে তাদের ভালো লাগবে। যারা লুকিয়ে দেখতে পছন্দ করে এবং গোপনে কাজ করে তাদের সমস্যা।’

প্রকাশ পেয়েছে দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের জীবনীগ্রন্থ ‘আকবর ফিফটি নট আউট’। রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে শনিবার সন্ধ্যায় বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বইটি নিয়ে আসিফ বলেন, ‘যারা সত্য পছন্দ করে তাদের ভালো লাগবে। যারা লুকিয়ে দেখতে পছন্দ করে এবং গোপনে কাজ করে তাদের সমস্যা।’

ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটপাগল আসিফ নিজের জীবনীগ্রন্থের নামকরণেও রেখেছেন ক্রিকেট সম্পৃক্ততা।

অনুষ্ঠানে আসিফের কথা থেকেই জানা গেল, বইটিতে তার জীবনের নানা না বলা ঘটনাপ্রবাহ উঠে এসেছে।

আসিফের সংগীতজীবনের যাত্রা যাদের সঙ্গে শুরু, তাদের নিয়েই বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী, আলম আরা মিনু, রবি চৌধুরী, গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ, সুরকার ও সংগীত পরিচালক ইথুন বাবু, মুহিন, কাজী শুভসহ অনেকে।

‘আকবর ফিফটি নটআউট’ বইটির অনুলেখক সোহেল অটল। এটি প্রকাশ করেছে সাহস প্রকাশনী।

আরও পড়ুন:
লাইভে ভক্তদের প্রশ্নের জবাব দেবেন আসিফ
শিল্পী আসিফের বিচার স্থগিত
আমি থাকব তোমার প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে: জন্মদিনে আসিফকে স্ত্রী
জানা-অজানা-বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে আসিফের বায়োগ্রাফি
শফিক তুহিনের মামলায় শিল্পী আসিফের বিচার শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Srilekhas sting with Mamtas book of poems

মমতার কবিতার বই নিয়ে শ্রীলেখার খোঁচা

মমতার কবিতার বই নিয়ে শ্রীলেখার খোঁচা ছবি: নিউজবাংলা কোলাজ।
বইয়ের দামের স্ক্রিনশট দুটিতে দেখা যাচ্ছে, রবীন্দ্রনাথের গীতবিতানের দাম ৭২৯ টাকা আর মমতার কবিতা বিতানের দাম এক হাজার ১৩০ টাকা।

‘নিরলস সাহিত্য সাধনা’র জন্য সম্প্রতি বাংলা আকাদেমি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর থেকেই ক্ষোভ, বিদ্রূপ, সমালোচনার ঝড় বইছে। সমালোচকদের মধ্যে অন্যতম একজন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

কদিন আগে খোঁচা দিয়ে মমতার দুটি কবিতা আবৃত্তি করে ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। এবার মমতার ‘কবিতাবিতান’ এবং রবীন্দ্রনাথের ‘গীতবিতান’-এর মূল্যের ফারাক নিয়ে খোঁচা দিলেন অভিনেত্রী।

শনিবার ফেসবুক পেজে দুটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন শ্রীলেখা। তাতে দেখা যাচ্ছে, অনলাইনে বই বিক্রির একটি সাইটে রবীন্দ্রনাথের ‘গীতবিতান’-এর চেয়েও বেশি দাম মমতার ‘কবিতাবিতান’-এর।

বইয়ের দামের স্ক্রিনশট দুটিতে দেখা যাচ্ছে, রবীন্দ্রনাথের গীতবিতানের দাম ৭২৯ টাকা আর মমতার কবিতা বিতানের দাম এক হাজার ১৩০ টাকা।

স্ক্রিনশট দুটি সংগৃহীত উল্লেখ করে ক্যাপশনে শ্রীলেখা লেখেন, ‘উড়িয়া গেল কেমনে? আমার মনোবিতান থেকে কে যেন হাম্বা ডাকিতেছে, যাই দেখিয়া আসি ঝোপাং হইবার পূর্বে।’

গত সোমবার রবীন্দ্রজয়ন্তীতে মমতাকে বাংলা আকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গ ভিত্তিক একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে কোনো কাব্যগ্রন্থের জন্য নয়, তার ‘নিরলস সাহিত্য সাধনা’র জন্য মমতাকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে, কিন্তু বিষয়টি নিয়ে জোর সমালোচনা চলছে। শুধু সমালোচনাই নয়, এর প্রতিবাদ জানিয়ে কেউ ফেরত দিয়েছেন নিজেদের পুরস্কার, আবার কেউ আকাদেমি থেকেই ইস্তফা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
ভবানীপুরের জয়ে মমতাকে অভিনন্দন বিজেপিবিরোধীদের
বিশাল জয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকছেন মমতা
দ্বিতীয় রাউন্ড ভোট গণনা শেষে এগিয়ে মমতা
বাংলাকে ভাগ করতে চাইলে খেলা হবে: বিজেপিকে মমতা
টিকা নেয়ার প্রশংসাপত্রে মোদির নয় মমতার ছবি থাকবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mamata resigns in protest of Bangla Academy honors

মমতাকে সম্মাননার প্রতিবাদে বাংলা আকাদেমির পুরস্কার ফেরত-ইস্তফা

মমতাকে সম্মাননার প্রতিবাদে বাংলা আকাদেমির পুরস্কার ফেরত-ইস্তফা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘উনি (মমতা) একজন মান্যগণ্য মানুষ। উনি আমাদের সবার ভোটে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তার কাছ থেকে পরিপক্ব সিদ্ধান্ত আশা করি। বইয়ের তো একটা স্ট্যান্ডার্ড (মান) থাকতে হবে। পুরস্কার দিলেই উনি নিয়ে নেবেন কেন।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা আকাদেমি সাহিত্য পুরস্কার পাওয়ায় ক্ষোভ, বিদ্রূপ, সমালোচনার ঝড় বইছে। শুধু তাই নয়, এর প্রতিবাদে কেউ ফেরত দিয়েছেন নিজেদের পুরস্কার, আবার কেউ আকাদেমি থেকেই ইস্তফা দিয়েছেন।

২০১৯ সালে পাওয়া অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছেন লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়।

পাশাপাশি আকাদেমির উপদেষ্টা পরিষদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন লেখক ও সম্পাদক অনাদিরঞ্জন বিশ্বাস।

পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার এ খবর জানিয়েছে।

রত্না বলছেন, যেভাবে বাংলা আকাদেমি এই পুরস্কার ঘোষণা করেছে তার প্রতিবাদ দরকার। তিনি বলেন, ‘উনি (মমতা) একজন মান্যগণ্য মানুষ। উনি আমাদের সবার ভোটে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তার কাছ থেকে পরিপক্ব সিদ্ধান্ত আশা করি। বইয়ের তো একটা স্ট্যান্ডার্ড (মান) থাকতে হবে। পুরস্কার দিলেই উনি নিয়ে নেবেন কেন।’

এদিকে এক বিবৃতিতে অনাদিরঞ্জন জানিয়েছেন, কলকাতায় রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন কবিতাকে যেভাবে অসম্মান করা হয়েছে, তাতে তিনি ‘বিরক্ত’। সেই কারণেই ইস্তফা দিয়েছেন।

সোমবার বিকেলে পঁচিশে বৈশাখ উদ্‌যাপনের সরকারি মঞ্চ থেকে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ও বাংলা আকাদেমির সভাপতি ব্রাত্য বসু একটি বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকদের মতামত নিয়ে এই পুরস্কার এ বছর দেয়া হবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রতি তিন বছর অন্তর ওই পুরস্কার দেয়া হবে বলেও জানিয়েছিলেন ব্রাত্য।

মঞ্চে সেই সময় মমতা থাকলেও তার হয়ে ওই পুরস্কার নিতে দেখা যায় বাংলা আকাদেমির সভাপতি ব্রাত্যকেই। এরপর বিভিন্ন মহলে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে মমতার এই পুরস্কার প্রাপ্তির ঘটনা।

আরও পড়ুন:
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন ৮৫ খেলোয়াড়-সংগঠক
‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ গ্রহণ করলেন আতিউর রহমান
করোনাকালে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি অস্বাভাবিক নয়: প্রধানমন্ত্রী
অর্জন প্রধানমন্ত্রীর, উদযাপন করবে বিদ্যুৎ বিভাগ: প্রতিমন্ত্রী
শতভাগ বিদ্যুতায়ন: ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Poets philosophy must be used Speaker

কবিগুরুর দর্শন কাজে লাগাতে হবে: স্পিকার

কবিগুরুর দর্শন কাজে লাগাতে হবে: স্পিকার কুঠিবাড়িতে রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনের জাতীয় অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
স্পিকার বলেন, ‘কবিগুরুর সত্য ও সুন্দরের দর্শন কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে। কুঠিবাড়ির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর উন্নয়নে আরও কাজ করতে হবে। সরকারের কাছে আমার এমনই প্রত্যাশা।’

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কবিগুরুর সত্য ও সুন্দরের দর্শন কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

কুষ্টিয়ায় রোববার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মজয়ন্তীর জাতীয় অনুষ্ঠানে তিনি নতুন প্রজন্মের প্রতি এ আহ্বান জানান।

স্পিকার বলেন, ‘বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত কুঠিবাড়ির ঐতিহ্য ও গৌরব বিরল। এটা আমাদের গর্ব। কুঠিবাড়ি সম্পর্কে যেন দেশ-বিদেশের মানুষ জানতে পারেন, গবেষণা করতে পারেন।

‘কবিগুরুর সত্য ও সুন্দরের দর্শন কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে। কুঠিবাড়ির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর উন্নয়নে আরও কাজ করতে হবে। সরকারের কাছে আমার এমনই প্রত্যাশা।’

কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

এর আগে জাতীয় সংসদের স্পিকার কুঠিবাড়ির ঐতিহাসিক বকুলতলায় একটি বকুলগাছের চারা রোপণ করেন।

আলোচনা সভা শেষে রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা পাঠ ও নাটক মঞ্চায়ন হয়।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কুঠিবাড়িতে গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নিরিবিলি পরিবেশ এবং জমিদারি দেখাশোনার জন্য বারবার কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়িতে এসেছেন কবিগুরু। প্রত্যন্ত শিলাইদহে কেটেছে কবির জীবনের অনেকটা সময়।

আরও পড়ুন:
রাজনীতি ও রবীন্দ্রনাথ 
আমার রবীন্দ্রনাথ
‘…তোমামাঝে অসীমের চিরবিস্ময়’
বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুই কাচারিবাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন
রবীন্দ্রনাথ: জীবনের পরতে পরতে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 day event on Rabindranaths birth anniversary at Kuthibari

রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী: কুঠিবাড়িতে ৩ দিনের আয়োজন

রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী: কুঠিবাড়িতে ৩ দিনের আয়োজন কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়িতে রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনের জাতীয় অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিদিন আলোচনা ছাড়াও থাকছে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি, গান ও নাটক প্রদর্শন। অনুষ্ঠানের জন্য কুঠিবাড়ির মূল চত্বরে বিশাল মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। আর কুঠিবাড়ির বাইরে বড় মাঠে বসেছে গ্রামীণ মেলা। মেলাও চলবে তিন দিন।

কুষ্টিয়ায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুরু হচ্ছে তিন দিনের জাতীয় অনুষ্ঠান। থাকছে গ্রামীণ মেলারও আয়োজন।

কবির স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে রোববার দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হচ্ছে এ আয়োজন।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে তিন দিনের এ বর্ণিল অনুষ্ঠানমালা চলবে।

প্রতিদিন আলোচনা ছাড়াও থাকছে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি, গান ও নাটক প্রদর্শন। অনুষ্ঠানের জন্য কুঠিবাড়ির মূল চত্বরের ভেতর বিশাল মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে।

এ অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। আর কুঠিবাড়ির বাইরে বিশাল মাঠে বসেছে গ্রামীণ মেলা। এটিও চলবে তিন দিন।

আয়োজন নিয়ে তরুণ রবীন্দ্র গবেষক রেফুল করিম বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সালে প্রথম কুষ্টিয়ার শিলাইদহে ছায়াশীতল নিরিবিলি এ কুঠিবাড়িতে আসেন। জমিদারি পরিচালনার উদ্দেশ্যে আসলেও রবীন্দ্রনাথ পুরোটা সময় মগ্ন ছিলেন সাহিত্য রচনায়। তিনি গীতাঞ্জলির অধিকাংশ কাব্য এখানে বসে রচনা করেছেন।

‘আর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতও রচনা করেন এ কুঠিবাড়িতেই। পদ্মাপারের এই শিলাইদহ গ্রামের চিত্র ধরেই তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের পট এঁকেছিলেন।’

রেফুল আরও বলেন, ‘এই এলাকার প্রজারা রবীন্দ্রনাথকে খুব ভালোবাসতেন। এই কুঠিবাড়িকে তারা ঠাকুরবাড়ি হিসেবে শ্রদ্ধা করতেন। কুঠিবাড়িতে তিনি হিন্দু-মুসলিম সবাইকে এক কাতারে বসিয়েছেন। কৃষকদের জন্য ক্ষুদ্রঋণের ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।

‘তাই রবীন্দ্রনাথের জন্মদিনে প্রতি বছর শিলাইদহে মানুষের ঢল নামে। প্রাণের মানুষ, মনের মানুষ রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন যা আছে, কুঠিবাড়ির ভেতর ঘুরে ঘুরে দেখেন দর্শনার্থীরা। এত বছর পরও সাহিত্য ও দর্শনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সমান প্রাসঙ্গিক।’

করোনায় গত দুই বছর কোনো অনুষ্ঠান না হওয়ায় এবার রবীন্দ্রপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যেতে পারে কুঠিবাড়িতে।

আরও পড়ুন:
বিশ্বকবির ১৬১তম জন্মবার্ষিকী
রবীন্দ্রনাথের কাচারিবাড়িতে বর্ণিল সজ্জা
তুমি রবে নীরবে
রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ দিবসেও নীরব কাচারিবাড়ি
কবিগুরুর প্রয়াণ দিবসে ছায়ানটের আয়োজন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
181st Birth Anniversary of the World Poet

বিশ্বকবির ১৬১তম জন্মবার্ষিকী

বিশ্বকবির ১৬১তম জন্মবার্ষিকী ১৬১ বছর আগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিশ্বকবি। ছবি: সংগৃহীত
তিনি জন্মেছিলেন ১৬১ বছর আগে। কিন্তু তিনি এমনি শাশ্বত অনুভূতির রচনা করে গেছেন, যা একশ পঞ্চাশ বছর পরও প্রাসঙ্গিক।

ঈদের আমেজটা যেন কাটেনি এখনও। বাড়িতে থাকা অনেকেই ফিরতে শুরু করেছেন কর্মস্থলে। যারা ফিরছেন, তারা রেখে আসছেন ঈদের দিনের পবিত্র প্রার্থনার শুরু, পরিবার, স্বজন, বন্ধুদের স্মৃতি।

একালের এমন দৃশ্য কোনোভাবেই তো দেখার কথা না রবি ঠাকুরের। তিনি জন্মেছিলেন ১৬১ বছর আগে। কিন্তু তিনি এমনি শাশ্বত অনুভূতির রচনা করে গেছেন, যা একশ পঞ্চাশ বছর পরও প্রাসঙ্গিক।

তাই হোক ঈদ, পূজা, বড়দিন বা বুদ্ধপূর্ণিমা; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চিরন্তন তার লেখায়-

'কামনা করি একান্তে

হউক বরষিত নিখিল বিশ্বে সুখ শান্তি

পাপতাপ হিংসা শোক পাসরে সকল লোক,

সকল প্রাণী পায় কূল

সেইসব তব তাপিতশরণ অভয়চরণপ্রান্তে'

দেশপ্রেমের গানে রবীন্দ্রনাথ ছাড়া ভাবা যায় কি না, সেটা একটা উদাহরণ দিলেই বোঝা যাবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসে যে গানগুলো বেশি শোনা যায়, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য 'ও আমার দেশের মাটি', 'বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল পূণ্য হউক', 'আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি', 'যে তোমায় ছারে ছারুক'সহ আরও অসংখ্য গানের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

‘সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে।

সার্থক জনম, মা গো তোমায় ভালোবেসে।'

কবিতাটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেশপ্রেমেরই প্রকাশ। আর দেশপ্রেমের ব্যাপারে রবীন্দ্রনাথ ছাড়া যে চলবেই না, তা প্রমাণ হয় বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে।

'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটির চেয়ে এত সুন্দর করে বাংলাকে আর কেই বা ফুটিয়ে তুলেছে।

তারুণ্যে বা প্রেরণায় এখনও রবীন্দ্রনাথ। কীভাবে? এখনও তরুণসহ য কারও উদ্দীপ্ত হওয়ার বাণী 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।'

কিছুদিন আগে বাংলা নতুন সনের বরণ অনুষ্ঠানে ছায়ানট ব্যবহার করেছে কবিগুরুর বাণী। 'নব আনন্দে জাগো আজি নব রবি কিরণে/শুভ্র সুন্দর প্রীতি-উজ্জ্বল নির্মল জীবনে' গানের মাধ্যমে শুভ্র, সুন্দর, নির্মল জীবনের প্রত্যাশা করা হয়ে আসছে, চলছে এখনও।

আর ভলোবাসায় জেনে, না জেনে বিশ্বকবিকে আক্রে আছে বাঙালি। তার লেখা কবিতা-গানেই বঙালির প্রেম-বিরহ, পরিনতি।

কবিগুরু নিজেও যেন সব যুগের প্রেমের প্রতিনিধি-

'জানি আমি তোমায় পাবো নিরন্তন

লোক লোকান্তরে যুগ যুগান্তর

তুমি আর আমি, মাঝে কেহ নাই

কোনো বাঁধা নাই ভুবনে।

নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে

রয়েছ নয়নে নয়নে।'

তাই বলা যায় বাঙালির সকল অনুভূতির আশ্রয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিরল এ প্রতিভা জন্মেছিলেন ১৮৬১ সালে ২৫- এ বৈশাখে। রোববার তার ১৬১ তম জন্মদিন।

তিনি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান।

আরও পড়ুন:
রবীন্দ্রনাথের কাচারিবাড়িতে বর্ণিল সজ্জা
তুমি রবে নীরবে
রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ দিবসেও নীরব কাচারিবাড়ি

মন্তব্য

উপরে