× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
This time the mother and the newborn were taken from the grave
hear-news
player

এবার কবর থেকে তোলা হলো প্রসূতি ও নবজাতককে

এবার-কবর-থেকে-তোলা-হলো-প্রসূতি-ও-নবজাতককে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলণের পর প্রসূতি ও নবজাতকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া।
বারহাট্টা থানার ওসি লুৎফুল হক বলেন, ‘মামলার প্রেক্ষিতে ওই প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর কারণ জানতে গত শনিবার লাশ তোলার জন্য আদালতে আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।’

নেত্রকোণার বারহাট্টায় হাতুড়ে চিকিৎসকের অস্ত্রোপচারে মারা যাওয়া প্রসূতি ও নবজাতকের ময়নাতদন্তের জন্য তাদের মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে রোববার দুপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সানজিদা চৌধুরীর উপস্থিতিতে মরদেহ দুটি তোলা হয়।

বারহাট্টা উপজেলার সহকারী কমিশনার সানজিদা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বারহাট্টা সার্কেল) সাইদুর রহমান, বারহাট্টা থানার ওসি লুৎফুল হক, সিংধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসিম তালুকারও উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা চৌধুরী জানান, আদালতের নির্দেশে মা-সন্তানের মরদেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বারহাট্টা থানার ওসি লুৎফুল হক বলেন, ‘মামলার প্রেক্ষিতে ওই প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর কারণ জানতে গত শনিবার লাশ তোলার জন্য আদালতে আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

অভিযোগ আছে, গত বুধবার দুপুরে চন্দ্রপুর গ্রামে আবুল কাশেম নামে এক হাতুড়ে চিকিৎসকের ভুল অস্ত্রোপচারে প্রসূতি শরীফা আক্তার ও নবজাতকের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া শরীফার স্বামী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় চিকিৎসক আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করে গত শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মারা যাওয়া শীরফা আক্তার চন্দ্রপুর গ্রামের হাইছ উদ্দিনের মেয়ে এবং সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলার নামাগাঁও গ্রামের মহসিন মিয়ার স্ত্রী।

আর অভিযুক্ত চিকিৎসক আবুল কাশেম বারহাট্টার জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা।

আরও পড়ুন:
প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ, সাড়ে ৩ লাখে মীমাংসা
টিউমার রেখে প্রসূতির পেট সেলাই, তদন্ত কমিটি গঠন
ওসির গাড়িতে হাসপাতালে প্রসূতি
প্রসূতির মৃত্যু, স্বজনদের হাসপাতাল ভাঙচুর
ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু: চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
27 firearms under the ground of the building under construction

নির্মাণাধীন ভবনের মাটির নিচে ২৭ আগ্নেয়াস্ত্র

নির্মাণাধীন ভবনের মাটির নিচে ২৭ আগ্নেয়াস্ত্র
এসপি বলেন, ‘অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছিল।’

ঠাকুরগাঁও শহরের আশ্রমপাড়ার একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে ২৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মো. হানিফ নামে এক ব্যক্তির ওই ভবন থেকে মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে সেগুলো উদ্ধার করা হয় বলে ঘটনাস্থল থেকে জানান জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ভবনের নির্মাণকাজের সময় শ্রমিকরা মাটি খুঁড়লে অস্ত্র দেখতে পান। তারাই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে ২৭টি আগ্নেয়াস্ত্র পায়। আরও অস্ত্র আছে কি না তা বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

এসপি বলেন, ‘ভবনের মালিককে খবর দেয়া হয়েছে। তিনি পঞ্চগড়ে থাকায় আসতে দেরি হচ্ছে। আমরা তার জন্য অপেক্ষা করছি।

‘অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছিল।’

নির্মাণাধীন ভবনের মাটির নিচে ২৭ আগ্নেয়াস্ত্র

শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বহু বছরের পুরোনো ভবন ভেঙে সেখানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। নাজির হাওলাদার নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ছিল সেটি। তার উত্তরসূরিদের কাছ থেকে পুরোনো ভবন কিনে সেখানে নতুন করে বাড়ি বানাচ্ছেন হানিফ।

আরও পড়ুন:
পরিত্যক্ত ঘরে বালিশে অস্ত্র-গাঁজা
অস্ত্র ব্যবসায় নতুন শক্তি ভারত
পিস্তল-গুলিসহ ২ যুবক আটক
রাশিয়ায় জীবাণু অস্ত্রের হামলা পাখির মাধ্যমে!
এত অবৈধ অস্ত্রের চাহিদা কোথায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The youth alliance wants justice for Salams murder

সালাম হত্যার বিচার চায় যুবজোট

সালাম হত্যার বিচার চায় যুবজোট কুষ্টিয়ার পৌর বিজয় উল্লাস চত্বরে জেলা যুবজোট আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে দলটির নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা বাজারে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দৌলতপুর উপজেলা যুবজোটের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবকে কুপিয়ে জখম করা হয়। রাত ১টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সহযোগী সংগঠন যুবজোট নেতা মাহাবুব খান সালাম হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন দলটির নেতা-কর্মীরা।

কুষ্টিয়া পৌর বিজয় উল্লাস চত্বরে মঙ্গলবার দুপুরে জেলা যুবজোট আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবি জানান তারা। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন নেতা-কর্মীরা।

কুষ্টিয়া জেলা যুবজোট সভাপতি মাহবুব হাসানের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপন, কুষ্টিয়া জেলা জাসদ সভাপতি গোলাম মহসিনসহ অন্যান্যরা।

জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপন বলেন, ‘যুবজোট নেতা সালামকে যারা হত্যা করেছে তারা চিহ্নিত সন্ত্রাসী। সবাই তাদের চেনে। পুলিশও তাদের চেনে। তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নেন। সালাম ছিল সত্যবাদী, ন্যায়পরায়ণ নেতা। সব সময় অপরাধের প্রতিবাদ করায় তাকে ভয় পেয়ে প্রতিপক্ষ মনে করে হত্যা করেছে।’

আব্দুল আলীম স্বপন হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘একটি হত্যার সঠিক বিচার না পেলে ১০টি হত্যার জন্ম দেয়। আইনের প্রতি জাসদের নেতা-কর্মীদের শ্রদ্ধা রয়েছে। আসামিদের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে রক্ষার চেষ্টা করলে জাসদ তা মেনে নেবে না। যুবজোট নেতা সালাম হত্যার মধ্যে দিয়ে প্রমাণ করে গেছে জাসদ কোনও কাপুরুষের দল নয়।

এসময় বিচার না পেলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

উপজেলার আল্লারদর্গা বাজারে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দৌলতপুর উপজেলা যুবজোটের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবকে কুপিয়ে জখম করা হয়। রাত ১টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আলাউদ্দিন খান ওরফে এনামুল হক শুক্রবার মামলা করেন। ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের ২২ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮ থেকে ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর শুক্রবার অভিযান চালিয়ে উপজেলার আল্লারদর্গা ও সোনাইকুন্ডি থেকে সোহান, নজিবুল ও মেহেদী নামে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সাবেক এমপি রেজাউল হক চৌধুরীর ছোট ভাই দৌলতপুর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও হোগলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম চৌধুরী, দৌলতপুর যুবলীগের সভাপতি বুলবুল আহমেদ টোকেন চৌধুরী, দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আসাদুজ্জামান লোটন চৌধুরীসহ একই পরিবারের ৬ জন।

আরও পড়ুন:
বাইকে ধাক্কা নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে খুন
বাড়ির সামনে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
প্রতিপক্ষের কোপে আহত যুবলীগকর্মীর মৃত্যু
খেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব, কুপিয়ে কৃষক হত্যা
প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে আটক ১

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two convicts sentenced to 5 years in Yaba case

ইয়াবার মামলায় ২ আসামিকে ৫ বছরের সাজা

ইয়াবার মামলায় ২ আসামিকে ৫ বছরের সাজা
২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি নগরের কোতোয়ালি থানাধীন স্টেশন রোডের ঢাকা হোটেল থেকে ৬৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক হয়েছিলেন শফি ও আবছার।

২০১৩ সালে ৬৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় চট্টগ্রামে দুই আসামিকে ৫ বছরের সাজা দিয়েছে আদালত। সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি ৩৫ বছরের মোহাম্মদ শফি ও ৩৩ বছরের আবছার উদ্দিন জামিনে আছেন। তাদের দুইজনের বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফের কুতুবুনিয়া এলাকায়।

মঙ্গলবার দুপুরে চতুর্থ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঞার আদালত এ রায় দেয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ বিষয়টি নিশ্চিত করে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোতোয়ালি থানায় মাদক মামলায় পলাতক দুই আসামিকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে।

তবে রায় ঘোষণার সময় আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন আসামিরা।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি নগরের কোতোয়ালি থানাধীন স্টেশন রোডের ঢাকা হোটেল থেকে ৬৯৫ পিস ইয়াবাসহ শফি ও আবছারকে আটক করা হয়। পরে কোতোয়ালি থানায় তাদের বিরুদ্ধে মাদক মামলাটি করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
বদলি কারাভোগ: আসল সোহাগ রিমান্ডে
বদলি কারাভোগ: আসল-নকল দু’জনই জেলে
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
৬ মাসের সাজার ভয়ে ১২ বছর পলাতক
অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The boat sank in the storm Another body was found

ঝড়ে নৌকাডুবি: মিলল আরেক মরদেহ

ঝড়ে নৌকাডুবি: মিলল আরেক মরদেহ
জালালাবাদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ওবায়দুল্লাহ ইসহাকের বরাত দিয়ে ওসি জানান, বন্যায় সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রোববার রাতে নৌকায় করে খারইল বিলের ওপর দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আছকন্দর, রেজাখসহ কয়েকজন। ঝড়ের কবলে পড়ে বিলের মাঝামাঝি জায়গায় নৌকাটি ডুবে যায়।

সিলেট সদরে ঝড়ের কবলে পড়ে বিলে ডু্বে যাওয়া নৌকার আরেক আরোহীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

জালালাবাদ থানার লালপুর গ্রামের লোকজন মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে মরদেহ দেখে জানালে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে।

মৃত ব্যক্তির নাম রেজাখ আলী, তার বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার রায়েরগাঁও গ্রামে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান।

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় নৌকা ডুবে নিখোঁজ আছকন্দর আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আছকন্দরের বাড়ি একই উপজেলার পুটামারা গ্রামে।

জালালাবাদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ওবায়দুল্লাহ ইসহাকের বরাত দিয়ে ওসি জানান, বন্যায় সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রোববার রাতে নৌকায় করে খারইল বিলের ওপর দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আছকন্দর, রেজাখসহ কয়েকজন। ঝড়ের কবলে পড়ে বিলের মাঝামাঝি জায়গায় নৌকাটি ডুবে যায়। অন্যরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নিখোঁজ হন ওই দুজন।

আরও পড়ুন:
ঝড়ের কবলে নৌকা ডুবে মৃত্যু, নিখোঁজ ১
লিবিয়া উপকূলে ৫০০ বাংলাদেশি আটক
তিতাসে নৌকাডুবির ৮ ঘণ্টা পর মিলল মরদেহ
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে কমপক্ষে ১০০ জনের মৃত্যু
ল‌ঞ্চের ধাক্কায় নৌকা ডু‌বি, নি‌খোঁজ জে‌লে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Rohingyas burnt to death in gas cylinder explosion

গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ দুই রোহিঙ্গার মৃত্যু

গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ দুই রোহিঙ্গার মৃত্যু
গেল ১২মে কুতুপালং ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন রোহিঙ্গা বাবা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার দুপুরে তারা মারা যান।

তারা হলেন ৫৯ বছরের নুরুল আলম ও তার ছেলে ১২ বছরের আনোয়ার কামাল।

বিকেলে বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার ১৪ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাঈমুল হক।

তিনি জানান, গেল ১২মে কুতুপালং ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। তার স্ত্রী চুলায় রান্না বসাতে গেলে চুলার পাইপে আগুন ধরে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। তাতে ঘরে ও আশপাশে থাকা ছয়জন দগ্ধ হন।

তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৬ রোহিঙ্গা দগ্ধ
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই নারী দগ্ধ
স্টিলমিলে বিস্ফোরণ, ৩ শ্রমিক আশঙ্কাজনক
কিউবার হোটেলে বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ২২
করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিস্ফোরণ, তিন চীনাসহ নিহত ৪

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Body in one jute field and head in another

এক পাটক্ষেতে দেহ, আরেকটিতে মাথা

এক পাটক্ষেতে দেহ, আরেকটিতে মাথা
ওসি জানান, সকালে কৃষকরা পাটক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে বস্তায় মরদেহটি দেখে পুলিশকে জানান। পুলিশ গিয়ে দেখে, মরদেহটির মাথা নেই। খোঁজাখুঁজি করে পাশের আরেক পাটক্ষেতে পাওয়া যায় মাথা। 

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পাটক্ষেত থেকে এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের হাসামদিয়া গ্রামের পাটক্ষেত থেকে মঙ্গলবার দুপুরে মরদেহটি একটি বস্তায় পাওয়া যায়।

বোয়ালমারী থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকালে কৃষকরা পাটক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে বস্তায় মরদেহটি দেখে পুলিশকে জানান। পুলিশ গিয়ে দেখে, মরদেহটির মাথা নেই। খোঁজাখুঁজি করে পাশের আরেক পাটক্ষেতে পাওয়া যায় মাথা।

তিনি আরও জানান, মরদেহটি নারীর বলে নিশ্চিত হওয়া গেলেও তার পরিচয় জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ৮ থেকে ১০ দিন আগে তাকে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাগেরহাটে মাদ্রাসাছাত্র ও বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ফাঁকা বাড়িতে সাংবাদিকের মায়ের মরদেহ
গৃহবধূকে ‘শ্বাসরোধে হত্যা’
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার
ভুট্টাক্ষেতে কিশোরীর মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two were sentenced to death in the murder case while four were sentenced to life imprisonment

হত্যার দায়ে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

হত্যার দায়ে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী রঞ্জন বসাক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী বুলবুল আহমেদ গোলাপ ও আহসান হাবীব উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

মানিকগঞ্জের ঘিওরে প্রাইভেটকার চালক জাহাঙ্গীর আলম হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী রঞ্জন বসাক নিউজবাংলাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত জাহাঙ্গীর আলম ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ঘোষেবের এলাকার মুকলেসুর রহমানের ছেলে।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন, ওমর হোসেন সাইফুল, আরিফুজ্জামান সজীব; যাবজ্জীবন পেয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফরহাদ হোসেন, মোহাম্মদ আলী সীমান্ত ও আজিম খান। এর মধ্যে সাইফুল, সজীব, সীমান্ত পলাতক। আসামিদের সবার বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কুসন্ডা এলাকায় চালক জাহাঙ্গীর আলমকে শ্বাসরোধে হত্যা করে প্রাইভেটকার নিয়ে পালিয়ে যান আসামিরা। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিন রাতেই ঘিওর থানার এসআই লুৎফর রহমান অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। গ্রেপ্তার করা হয় ছয় আসামিকে। ২০১২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযগপত্র দেয়া হয়।

১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী রঞ্জন বসাক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী বুলবুল আহমেদ গোলাপ ও আহসান হাবীব উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
পারিবারিক বিরোধে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
বাবাকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, পরে মুক্তি

মন্তব্য

উপরে