× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Hana of Ajnaan Party is at home this time
hear-news
player
print-icon

অজ্ঞান পার্টির হানা এবার বসতঘরে

অজ্ঞান-পার্টির-হানা-এবার-বসতঘরে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক‍্যাল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: সংগৃহীত
মার্জিয়া আক্তার বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যায় পঞ্চাশোর্ধ্ব এক নারী এসেছিলেন বাড়িতে। তিনি দাদি কোথায় আছেন তা জানতে চান। আমি ঘর দেখিয়ে বলেছি দাদি ঘুমাচ্ছেন। এরপর ওই নারী দাদির ঘরে যান। পরে বাড়ির অন্যরা দেখতে পান দাদি অচেতন, তার হাতের চুড়ি, কানের দুল ও গলার চেইন নেই।’

ট্রেন-বাসে যাত্রীদের অচেতন করে মূল্যবান মালামাল লুটের ঘটনা অহরহ ঘটে। এবার ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হানা দিয়েছে অজ্ঞান পার্টি। দুই দফায় বাড়িটির তিন নারী সদস্যকে অচেতন করে দুর্বৃত্তরা লুট করেছে স্বর্ণালংকার ও টাকা। অসুস্থদের ভর্তি করা হয়েছে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক‍্যাল কলেজ হাসপাতালে।

স্বজনরা জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ মাতুব্বরের বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার নূরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের মীরাকান্দা গ্রামে। শুক্রবার সন্ধ্যা এবং শনিবার সকালে দুই দফায় তার বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট হয়।

রাশেদ মাতুব্বরের স্ত্রী জেলেখা বেগমকে শুক্রবার সন্ধ্যায় অচেতন করে চারটি সোনার চুড়ি, কানের দুল, গলার চেইনসহ প্রায় চার ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

ঘটনা সম্পর্কে জেলেখা বেগমের নাতনি মার্জিয়া আক্তার বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যায় পঞ্চাশোর্ধ্ব এক নারী এসেছিলেন বাড়িতে। তিনি দাদি কোথায় আছেন তা জানতে চান। আমি ঘর দেখিয়ে বলেছি দাদি ঘুমাচ্ছেন। এরপর ওই নারী দাদির ঘরে যান।

‘পরে বাড়ির অন্যরা দেখতে পান দাদি অচেতন, তার হাতের চুড়ি, কানের দুল ও গলার চেইন নেই।’

স্বজনরা জেলেখা বেগমকে উদ্ধার করে রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাকে ফরিদপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক‍্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এরপর শনিবার সকাল ১০টার দিকে একই বাড়িতে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় রাশেদ মাতুব্বরেরে পুত্রবধূ পিয়া আক্তার ও নাতনি মার্জিয়া আক্তারকে। অন্যরা বাইরে গেলে বাড়িতে এ দুজন ছিলেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রাশেদ মাতুব্বর জানান, বাড়ির আলমারিতে দেড় লাখ টাকা রাখা ছিল জমির দলিল করার জন্য। আলমারি ভেঙে সে টাকা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় কারা জড়িত, সে ব্যাপারে ধারণা দিতে পারেননি তিনি।

ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রতারক চক্রকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
পকেটে পৌনে তিন লাখ টাকা নিয়ে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে
নরসিংদী থেকে ঢাকায় এসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে
কৃষকের গরু কেনার ৯০ হাজার টাকা অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Legal notice than thalassemia option in NID

এনআইডিতে থ্যালাসেমিয়ার অপশন চেয়ে আইনি নোটিশ

এনআইডিতে থ্যালাসেমিয়ার অপশন চেয়ে আইনি নোটিশ দেশে দিনকে দিন বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগী। ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদের সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), স্বাস্থ্য সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও বাংলাদেশ ডেন্টাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বরাবর নোটিশটি পাঠানো হয়।

ব্যক্তির শরীরে প্রাণঘাতি থ্যালাসেমিয়া আছে কিনা তা শনাক্ত করে জাতীয় পরিচয়পত্রে উল্লেখ করতে অপশন চেয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী এ নোটিশ পাঠান।

মন্ত্রিপরিষদের সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), স্বাস্থ্য সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও বাংলাদেশ ডেন্টাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বরাবর নোটিশটি পাঠানো হয়।

নোটিশে এই রোগের ভয়াবহতা থেকে মানুষকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

এ জন্য প্রত্যেক নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্রে থ্যালাসেমিয়া রোগ আছে কি না মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী অপশন যুক্ত করার দাবি করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, একজন থ্যালাসেমিয়া বাহক যদি আরেকজন থ্যালাসেমিয়া বাহককে বিয়ে করেন, তাহলে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়া রোগী হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তবে একজন সুস্থ মানুষ আরেকজন থ্যালাসেমিয়া বাহককে বিয়ে করতে পারবে, কারণ তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়া রোগী হওয়ার আশঙ্কা ততটা থাকে না।

এ কারণে জাতীয় পরিচয়পত্রে থ্যালাসেমিয়া রোগ আছে কিনা এ ধরনের অপশন যুক্ত থাকলে তা দেখে সহজেই দুইজন থ্যালাসেমিয়া বাহতের বিয়ে থেকে ঠেকানো সম্ভব।

এ জন্যে বিয়ের আগেই বর এবং কনের রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রত্যেককে জানতে হবে তারা থ্যালাসেমিয়া বাহক কিনা। দুজন থ্যালাসেমিয়া বাহকের মধ্যে বিয়ে বন্ধ করা গেলেই থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশ পাওয়ার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন নোটিশকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী।

আরও পড়ুন:
বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া, অপ্রতুল চিকিৎসা ব্যবস্থা
দুই সন্তানের থ্যালাসেমিয়া, সাহায্যপ্রার্থী বাবা
করোনায় মৃত স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণের নোটিশ
অনলাইনে ভারতীয় চিকিৎসকের বিজ্ঞাপন বন্ধে আইনি নোটিশ
থ্যালাসেমিয়া রোগীদের পাশে আবুল হোসেন সোশ্যাল ফাউন্ডেশন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If the complaint is not settled within 7 days action will be taken against the courier

৭ দিনে অভিযোগ নিষ্পত্তি না হলে কুরিয়ারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

৭ দিনে অভিযোগ নিষ্পত্তি না হলে কুরিয়ারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা মতবিনিময় সভায় কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
ভোক্তার ডিজি বলেন, ‘কুরিয়ারে পণ্য হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শন করা হয় না। প্রতিশ্রুত সময়ে পণ্য পায় না ভোক্তা। এক্ষেত্রে নানান যুক্তি দেয়া হয়।’

‘নাস্তা’র চাহিদা দিয়ে সকাল ৮টায় খাবার অর্ডার করি। দেড় ঘণ্টা পর সাড়ে ১০টায় জানানো হয়, অনেক চাপ এখন খাবার সরবরাহ করা সম্ভব না।’

পণ্য সরবরাহে নিজের এমন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান।

বুধবার বিকেলে ভোক্তা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে কুরিয়ার সার্ভিস পরিচালনাকারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় তিনি এমন কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, অভিযোগ আছে, পণ্য সরবরাহে বেশি অর্থ নেয়া হয়। সহনীয় চার্জ ধার্য করতে হবে। সভায় কুরিয়ার সার্ভিসের সেবার মানের দিকটি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

এ সময় কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের সভাপতি হাফিজুর রহমান পুলক ছাড়াও বেশ কয়েকটি কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক সফিকুজ্জামান বলেন, ‘কোনো কুরিয়ার সার্ভিসের সেবা নিয়ে অসন্তুষ্টি থাকলে তা ভোক্তা আগে সেই কুরিয়ারে অভিযোগ জানাতে হবে। সাত দিনের মধ্যে যদি প্রতিকার না মেলে তখন ভোক্তা আমাদের কাছে অভিযোগ করলে খতিয়ে দেখা হবে। প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কুরিয়ার সেবা নিয়ে অভিযোগ আগের চেয়ে এখন কিছুটা কমেছে জানিয়ে ভোক্তার ডিজি বলেন, ‘কুরিয়ারে পণ্য হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শন করা হয় না। প্রতিশ্রুত সময়ে পণ্য পায় না ভোক্তা। এক্ষেত্রে নানান যুক্তি দেয়া হয়।’

হাফিজুর রহমান পুলক বলেন, ‘সামনে আম-কাঠাল আসবে। কিন্তু যানজটের কারণে প্রতিশ্রুত সময়ে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ফলে পণ্য নষ্ট হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে দায় কার?’

ভোক্তার ডিজি বলেন, ‘আম যদি পচে যায় সে ক্ষেত্রে যেখান থেকে পাঠানো হবে, সেখান থেকেই যাচাই করতে হবে। ঢাকায় পৌঁছাতে পচে যাবে কিনা সেটা দেখতে হবে।’

অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ১৬০ জন হলেও ৭৮ জন লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করছে। বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।

ইকুরিয়ারের সিইও বিপ্লব ঘোষ রাহুল বলেন, ‘ঢাকার বাইরে ক্রেতারা ডেলিভারির ক্ষেত্রে খুব সমস্যায় ফেলে। বলেন, আজ না কাল আসেন। কিছু কাস্টমার প্রতারকও। এতে কুরিয়ার কোম্পানির ডেলিভারিতে ভোগান্তি হয়। ঢাকার বাইরে ১০ দিনের ডেলিভারি দেয়ার নিয়ম আছে।’

সভায় ই-কমার্স পলিসিতে কুরিয়ার কোম্পানিকে বিমার আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু এখনো কোনো বিমা কোম্পানি নেই যারা কুরিয়ারকে সহযোগিতা করবে।

এসএ পরিবহন কুরিয়ারের জেনারেল ম্যানেজার মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, ‘আম-লিচুর সময়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ডেলিভারি দিতে চাই। কিন্তু চাপাইনবাবগঞ্জ, খাগড়াছড়ি এলাকায় রেটের বিষয় নিয়ে ভোক্তা আইনের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। দেয়ালে সেবার রেট টানানো থেকে অব্যাহতি চাই।’

তিনি বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত অহেতুক জরিমানা করে ভোক্তা অধিদপ্তরের নামে। এখানে আপিলের সুযোগ নেই। বেসরকারি সার্ভিস ভালো হওয়ার কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় অচল হয়ে গেছে।’

এ জন্য অহেতুক জেল জরিমানা না করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোক্তা অধিদপ্তরের আইনের অপপ্রয়োগ বন্ধ হোক।’

কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভোক্তা অভিযোগ করলে জরিমানার ২৫ শতাংশ পান অভিযোগকারী। এ জন্য অনেকে এখন এটা পেশা হিসেবে নিয়েছে। বলা হয়, লাইসেন্স নিতে লাখ লাখ টাকা লাগে। অনেকের এই ফি দেয়ার সামথ্য নেই। পোস্ট অফিসের সার্ভিস চার্জ, কুরিয়ার থেকে বেশি।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘কুরিয়ার সেবা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। সমস্যা চিহ্নিত করে সেটা সমাধানে কাজ করতে হবে। একটা অভিযোগ সেল গঠন করা যেতে পারে।’

জানান, যেসব চার্জ নেয়া হয়, তা যৌক্তিক হতে হবে।

ভোক্তার ডিজি জানান, প্রায় অভিযোগ আসে কুরিয়ারে নিষিদ্ধ পণ্য আনা নেয়া করা হয়। কর্তৃপক্ষের উচিত যেখান থেকে পাঠানো হচ্ছে, ভালোভাবে সেখানে যাচাই করা।

কুরিয়ার সেবাকে একটা কাঠামো দাঁড় করানোর আশ্বাস দিয়ে বলা হয়, এখন ক্যাশ অন ডেলিভারি সেবা চালু হয়েছে। ই-কমার্স একটা বিজনেস আইডি নিয়ে ব্যবসা করছে। একটা অ্যাপ শিগগিরই চালু হবে যার মাধ্যমে কাস্টমার এখানে অভিযোগ করতে পারবে।

আরও পড়ুন:
ই-কমার্স: আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার নির্দেশ
ই-কমার্স খাতকে এগিয়ে নিতে নতুন উদ্যোগ ‘দ্য চেঞ্জ মেকারস’
ই-কমার্স: পুলিশকে তালিকা দেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ইভ্যালি গ্রাহকের মামলা: তাহসান-মিথিলা-ফারিয়াকে অব্যাহতি
গেটওয়ের টাকা ফেরতে গড়িমসি, এপ্রিলেই আইনি ব্যবস্থা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arguments against 8 people including Sabrina were delayed

সাবরিনাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপন পেছাল

সাবরিনাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপন পেছাল ডা. সাবরিনা চৌধুরী। ফাইল ছবি
সাবরিনাসহ আটজনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ঠিক করেছে আদালত।

করোনাভাইরাসের ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ঠিক করেছে আদালত।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হক এই দিন ধার্য করেন।

মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বুধবার দিন ঠিক ছিল। কিন্তু বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ৮ জুন নতুন দিন ঠিক করেন।

গত ১১ মে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এরপর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ২৫ মে দিন ঠিক করেন।

যুক্তি উপস্থাপন শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ঠিক করা হবে।

২০ এপ্রিল ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে সাক্ষ্য দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভুইয়া। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করে। আদালত আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১১ মে দিন ঠিক করে। মামলাটিতে ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন বিভিন্ন সময় সাক্ষ্য দেন।

মামলাসূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয়। এর বেশির ভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এ অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয় এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী।

চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা।

চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে প্রতারণার মূলহোতা হিসেবে দেখানো হয়। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতিতে তাদের সাহায্য করেছে।

একই বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান।

আরও পড়ুন:
ডা. সাবরিনার জামিন কেন নয়: হাইকোর্ট
সাবরিনা দম্পতির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ পিছিয়েছে
ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে আরও দুজনের সাক্ষ্য
সাবরিনার বিরুদ্ধে সাক্ষী হাজিরে ব্যর্থ ওসিকে শোকজ
সাবরিনা-আরিফুলের মামলায় সাক্ষ্য পিছিয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Intercontinental engineers body

ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রকৌশলীর মরদেহ

ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রকৌশলীর মরদেহ ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল। ছবি: ফেসবুক
ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খবর পাই হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একজনের মরদেহ পড়ে রয়েছে। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।’

রাজধানীর রমনার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে সুব্রত সাহা নামে এক প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রমনা পুলিশের ধারণা, ওই প্রকৌশলী হোটেলের ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছেন। নিহতের বাড়ি চাঁদপুর সদরে।

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খবর পাই হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একজনের মরদেহ পড়ে রয়েছে। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।’

তিনি জানান, হোটেলের দ্বিতীয়তলার ছাদে পড়ে ছিল মরদেহ। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহে কাজ করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ক্রাইম সিন ইউনিট। মরদেহের সুরতহাল শেষে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘সুব্রত সাহা নামে নিহত ওই প্রকৌশলী হোটেলেই চাকরি করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, টপ ফ্লোর থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে অন্যান্য কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
কক্সবাজার সৈকতে দুই যুবকের মরদেহ
উত্তরায় তরুণীর মরদেহ উদ্ধার
স্ত্রী-দুই সন্তান হত্যা, পুলিশ হেফাজতে স্বামী-প্রতিবেশী
নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর নদীতে যুবকের মরদেহ
নদীতে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Deputy Inspector General of Factory arrested with bribe money

‘ঘুষের’ টাকাসহ কলকারখানার উপমহাপরিদর্শক আটক

‘ঘুষের’ টাকাসহ কলকারখানার উপমহাপরিদর্শক আটক শহরের বালুয়াডাঙ্গার অফিসে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে দুদক। ছবি: নিউজবাংলা
সমন্বিত জেলা দুদকের উপপরিচালক আহসানুল কবির পলাশ বলেন, ‘ভুক্তভগি রাসেল এ বিষয়ে ২৩ মে দিনাজপুর সমন্বিত জেলা দুদক কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। বুধবার তিনি ৮০ হাজার ঘুষের টাকাসহ কাগজপত্র মোস্তাফিজুরকে দেন। দুপুরে অভিযান চালিয়ে টাকাসহ আমরা তাকে আটক করি। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

দিনাজপুর কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘুষের ৮০ হাজার টাকাসহ আটক করা হয়েছে।

শহরের বালুয়াডাঙ্গার অফিসে বুধবার বিকেল ৪টার পর অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া সমন্বিত জেলা দুদকের উপপরিচালক আহসানুল কবির পলাশ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘চিরিরবন্দর উপজেলার আমবাড়ীতে অবস্থিত ইশান এগ্রো অ্যান্ড ফুডের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মো. রাশেদুজ্জামান রাসেল গত ২৫ এপ্রিল দিনাজপুর কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে লাইসেন্স নবায়ন করতে যান। তখন উপমহাপরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান লাইসেন্স নবায়নের জন্য তার কাছে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। রাসেলকে ২৭ এপ্রিল টাকা ও কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন তিনি।

‘এ সময়ের মধ্যে টাকা না দেয়ায় রাসেলকে ফোন করে উপমহাপরিদর্শক জানান, কারখানার কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ ও ম্যানেজার আশরাফুলের নামে মামলা প্রক্রিয়াধীন। মামলা থেকে রেহাই পেতে হলে ২৩ মে টাকাসহ অফিসে আসতে হবে। এদিন সকালে কাগজপত্র নিয়ে গেলে রাসেলের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজুর।’

দুদক কর্মকর্তা বলেন, ‘এ ঘটনায় এদিন রাসেল দিনাজপুর সমন্বিত জেলা দুদক কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। বুধবার তিনি ৮০ হাজার ঘুষের টাকাসহ কাগজপত্র মোস্তাফিজুরকে দেন। দুপুরে অভিযান চালিয়ে টাকাসহ আমরা তাকে আটক করি। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
সুন্দরবনের অভয়াশ্রমে মাছ ধরায় ৭ জেলে আটক
ট্রাকচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহতের ঘটনায় চালক আটক
মানব পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্য আটক
ট্রাকচাপায় অটোরিকশার চালক নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Old man sentenced to 10 years in drug case

মাদক মামলায় বৃদ্ধের ১০ বছরের কারাদণ্ড

মাদক মামলায় বৃদ্ধের ১০ বছরের কারাদণ্ড
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জসিম উদ্দিন জানান, আদালত ইয়াবা রাখার দায়ে আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং গাঁজা রাখার দায়ে এক বছর দণ্ডাদেশ দিয়েছে।

লক্ষ্মীপুরে মাদক মামলায় এক আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এছাড়া গাঁজা রাখার দায়ে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে, এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ দণ্ডাদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জসিম উদ্দিন নিউজবাংলাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিত ৬৯ বছরের আবদুল গণির বাড়ি জেলার কমলনগর উপজেলার দক্ষিণ চর মার্টিন গ্রামে।

পিপি জানান, ২০১৮ সালের ২ আগস্ট বিকেলে কমলনগরের চর মার্টিন গ্রামের শাহ আলম ভান্ডারী এলাকা থেকে ১৪৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আবদুল গণিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওইদিন কমলনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিমেষ মন্ডল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর জামিনে বের হয়ে আসামি পালিয়ে যান আসামি।

একই বছরের ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কমলনগর থানার পিএসআই মোশাররফ হোসেন আসামি গণিকে অভিযুক্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ইয়াবা রাখার দায়ে আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং গাঁজা রাখার দায়ে এক বছর দণ্ডাদেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাসচাপায় নিহত: চালকের ৯ বছরের কারাদণ্ড
স্কুলছাত্র হত্যায় ১৭ কিশোরের কারাদণ্ড
ধর্ষণচেষ্টায় ৫ বছরের কারাদণ্ড
বিএনপির সাবেক এমপি জ্যোতির ৭ বছরের কারাদণ্ড
অস্ত্র মামলায় এক জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Extramarital affair Wife stabbed and injured

‘বিয়েবহির্ভূত’ সম্পর্ক: স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম

‘বিয়েবহির্ভূত’ সম্পর্ক: স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম
আহত লিজা আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী মাদকাসক্তও। বিভিন্ন সময়ে লোকজন নিয়ে এসে বাসায় মাদকের আসর বসায়। এতে বাধা দিলে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন করছে। তবে আমার বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকিয়ে তাকে কিছুই বলতে পারিনি।’

মাদারীপুরের চৌরাস্তা এলাকায় বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।

মাদারীপুর পৌরসভার চৌরাস্তা এলাকায় বুধবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত লিজা আক্তারকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

লিজা পৌরসভার সৈদারবালী এলাকার আ. হক মাতুব্বরের মেয়ে। অভিযুক্ত আজমীর ঘরামীর পাঁচখোলা ইউনিয়নের জাফরাবাদ এলাকার মান্নান ঘরামীর ছেলে। ঘটনার পর থেকে পলাতক তিনি।

ওই নারীর বরাতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা জানান, সাত বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় লিজা ও আজমীর। তাদের সংসারে পাঁচ ও চার বছরের দুটি শিশুসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর সামান্য ব্যাপার নিয়ে মাঝেমধ্যেই লিজাকে মারধর করতেন আজমীর।

পরবর্তী সময়ে লিজা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ঘোষেরহাট এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আজমীরের বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক আছে। এ নিয়ে তাদের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। সেই ঝামেলার সূত্র ধরে বুধবার সকালে আজমীর লিজাকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত লিজা আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার স্বামী মাদকাসক্তও। বিভিন্ন সময়ে লোকজন নিয়ে এসে বাসায় মাদকের আসর বসায়। এতে বাধা দিলে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন করেছে। তবে আমার বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকিয়ে তাকে কিছুই বলতে পারিনি।

‘আবার সামান্য ব্যাপার নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতি দিয়ে মাথার অনেক জায়গায় আঘাত করে। আমি এর বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আজমীর ঘরামীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এসএমএস করে পরিচয় জানানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা আরও বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি জানার পর থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জমি নিয়ে বিরোধে চাচাকে কুপিয়ে জখম
শার্শায় সংবাদকর্মী ও বাবাকে কুপিয়ে জখম
সাবেক শাশুড়িকে কুপিয়ে জখম
মাংসে চর্বি, কসাইকে ‘কোপালেন’ প্রভাষক
ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

মন্তব্য

p
উপরে