× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
On the way back the suffering at the ferry terminal was extreme
hear-news
player

ফিরতি যাত্রায় ফেরি ঘাটে ভোগান্তি চরমে

ফিরতি-যাত্রায়-ফেরি-ঘাটে-ভোগান্তি-চরমে শরীয়তপুরের মাঝিরঘাট ফেরিঘাট।
শরীয়তপুরের মাঝিরঘাট ফেরিঘাট দিয়ে দিনে গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর চেয়ে বেশি যানবাহন চলে আসায় ঘাটে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সন্ধ্যার আগে হঠাৎ করে শুরু হয় ঘূর্ণি বাতাস আর বৃষ্টি। এতে সড়কে দাঁড়িয়ে ভিজতে দেখা গেছে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদেরকে।

ঈদ যাত্রায় এবার নদী পারাপারে ফেরিঘাটে ভোগান্তি না থাকলেও শহরমুখি ফিরতি যাত্রায় উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে।

শরীয়তপুরের মাঝিরঘাট ফেরিঘাটে শুক্রবার শহরমুখি মানুষের চাপ বেড়েছে অনেকটাই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে দাঁড়িয়ে থেকেও ফেরিতে ওঠার সিরিয়াল পাচ্ছে না যানবাহনগুলো।

ফেরি স্বল্পতায় অনেকটাই ধীর গতিতে যানবাহন পারাপার করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ যাত্রী ও চালকদের। তার উপর সন্ধ্যার সময় বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিবাতাস আর বৃষ্টি ভোগান্তি বাড়িয়েছে যাত্রীদের। বৃষ্টিতে ভিজে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে মোটরসাইকেলে আসা মানুষ।

বিআইডব্লিউটিসির ঘাট ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে জানান, মাঝিরঘাট ফেরিঘাট দিয়ে পাঁচটি ফেরিতে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে ডাম্প ফেরি রায়পুরা ও রানীগঞ্জের ধারণক্ষমতা ৪০ থেকে ৪৫ টি যানবাহন। মাঝারি সাইজের ফেরি কুমিল্লা ও ফরিদপুরে ধারণক্ষমতা ১৬ থেকে ১৭ টি আর ফেরি কর্ণফুলীর ধারণক্ষমতা ৬ টি যানবাহন।

প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে দিনে গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর চেয়ে বেশি যানবাহন চলে আসায় ঘাটে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আশা করি সারারাত নিরবচ্ছিন্নভাবে পারাপার সম্ভব হলে যানবাহনের চাপ অনেকটা কমে আসবে।’

শুক্রবার বিকেলে মাঝিরঘাট ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ঘাটের সংযোগ সড়ক থেকে পুনর্বাসন কেন্দ্র পর্যন্ত সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। নদী পার হতে আসা প্রায় সবই প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস। সড়কের উপর দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেলের জট ছিল চোখে পড়ার মতো।

সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে ১ নং ঘাটে নোঙ্গর করে ফেরি রায়পুরা। শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে আসা এই ফেরির যানবাহন নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফেরিতে ওঠার প্রতিযোগিতায় নামে যানবাহনগুলো।

এ সময় উল্টো দিক দিয়ে অনেক প্রাইভেট চালককে ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। এতে যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

পরে বিআইডব্লিউটিসি ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের কঠোর হস্তক্ষেপে সারিবদ্ধভাবে ফেরিতে উঠতে থাকে যানবাহনগুলো।

সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে যানবাহন বোঝাই করে শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায় ফেরিটি। শত শত যানবাহন তখনও অপেক্ষা করে ছিল।

সন্ধ্যার আগে হঠাৎ করে শুরু হয় ঘূর্ণি বাতাস আর বৃষ্টি। এতে সড়কে দাঁড়িয়ে ভিজতে দেখা গেছে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদেরকে।

বরিশাল থেকে সপরিবারে ঢাকা যাওয়ার পথে বেলা ২টায় মাঝিরঘাট এসে আটকা পড়েন ফাহমিদা আক্তার। পাঁচ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও ফেরিতে ওঠার সিরিয়াল পায়নি তাদের প্রাইভেটকারটি।

ফাহমিদা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে আমার ছোট শিশু ও শাশুড়ি। কখন ফেরিতে উঠতে পারব, তাও নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছে না। বাইরে তীব্র যানজট শিশুটিকে নিয়ে যে বের হব, তারও উপায় নেই।’

শরীয়তপুরের নড়িয়া থেকে মোটরসাইকেলে আসা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘ফেরিতে মোটর সাইকেলের পাশাপাশি অন্যান্য যানবাহন পারাপার করায় ফেরিতে ওঠার সিরিয়াল পাইনি। পরবর্তী ফেরির জন্য অপেক্ষা করছি। কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টিতে আমার সঙ্গে থাকা ব্যাগ, জামাকাপড় সব ভিজে গেছে। এখন ভেজা অবস্থায় ঢাকা যেতে হবে।’

মাঝিরঘাট ব্যবহার করে ফেরির পাশাপাশি ২০ টি লঞ্চ ও ৭৯ টি স্পিডবোটে যাত্রী পারাপার করা হয। ঈদে লম্বা ছুটির শেষ সময়ে এসে ফেরিঘাটের পাশাপাশি লঞ্চ ও স্পিডবোটে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ রয়েছে।

শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি লঞ্চেই ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি যাত্রী পরিবহন করছে।

আরও পড়ুন:
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় বেড়েছে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ
ঝড়ের কবলে ক্ষতিগ্রস্ত ফেরি ৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার
চাপ কমল শিমুলিয়ায়
জট নেই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায়
ফেরিঘাটের জ্যামে নষ্ট হচ্ছে কাঁচামাল, কষ্টে যাত্রীরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Rape while committing robbery

ডাকাতি করতে গিয়ে ‘ধর্ষণ’

ডাকাতি করতে গিয়ে ‘ধর্ষণ’ প্রতীকী ছবি
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. জাবেদ মাসুদ বলেন, ‘ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে কাউকে এখনও গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। শিগগিরই এ ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা যাবে।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে বাসায় ডাকাতি করতে গিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

১৬ মে ভোররাতের এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই নির্যাতনের শিকার কিশোরীর মামা টঙ্গী পূর্ব থানায় ডাকাতি ও ধর্ষণের মামলা করেছেন।

১৭ বছর বয়সী ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ে। সে মামার পরিবারের সঙ্গে থাকে।

মামলার এজাহারে স্কুলছাত্রীর মামা জানান, ভোররাত ৩টার দিকে ছয়-সাতজন ডাকাত ঘরে ঢুকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে পেছন থেকে হাত বেঁধে ফেলে তাকে। এ সময় তার স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে ছুরি দেখিয়ে জিম্মি করে ফেলা হয়।

এতে বলা হয়, এরপর ডাকাত দল তার মায়ের ঘরে গিয়ে মুখে কাপড় দিয়ে পেছন দিক থেকে হাত বেঁধে ফেলে এবং ভাগনির মুখে কাপড় দিয়ে চিৎকার করতে নিষেধ করে। পরে ডাকাতরা ঘরের আলমারি থেকে ২৫ হাজার টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। চলে যাওয়ার আগে তিন ডাকাত ভাগনিকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং তার নানিকে শহীদ মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

মামলার এজাহারে স্কুলছাত্রীর মামা উল্লেখ করেন, ডাকাত দলের সদস্যদের হাতে পিস্তল, চাকু, শাবল, লোহার রড ও কাটার ছিল। ডাকাত সদস্যদের বয়স আনুমানিক ১৮-৪৫ বছর।

এদিকে একই রাতে পাশের আরেকটি বাড়িতে ডাকাতি করে ওই ডাকাত দল। তারা ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে ৭০ হাজার টাকা ও এক ভরি স্বর্ণ লুট করে। এ ছাড়া বুধবার রাত ২টার দিকে টঙ্গী বাজার মুন্সিপাড়া রোডের মোল্লাবাড়িতে আরেকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তাদের ফ্ল্যাটে কাউকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার দিন পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত করে চলে যাওয়ার পর ওই দিন রাতেই বাসায় তালা লাগিয়ে ঢাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যায় ভুক্তভোগী পরিবার।

মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে তিনটি ডাকাতির ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক মাসে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, কিশোর গ্যাং ও হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ বেড়েছে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ মাসুদ বলেন, ‘ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে কাউকে এখনও গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। শিগগিরই এ ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘বুধবার রাতে টঙ্গী বাজারে আরও একটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির বলেন, ‘চলতি বছর মেট্রোপলিটন এলাকায় আটটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত তিন মাসেই ছয়টি ডাকাতি হয়েছে। ছয়টি ডাকাতির ঘটনাই ইতোমধ্যে শনাক্ত হয়েছে। পুলিশ প্রত্যেকটি ঘটনাকেই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।’

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণ মামলায় বাসচালক গ্রেপ্তার
এক যুগ পর শিশু ধর্ষণের রায়ে ৩ বছরের কারাদণ্ড
গ্রামপুলিশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accurate Voter List Prerequisite for Transparent Election Election Commissioner

নির্ভুল ভোটার তালিকা স্বচ্ছ নির্বাচনের পূর্বশর্ত: নির্বাচন কমিশনার

নির্ভুল ভোটার তালিকা স্বচ্ছ নির্বাচনের পূর্বশর্ত: নির্বাচন কমিশনার খুলনা জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি অডিটোরিয়ামে শুক্রবার দুপুরে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব খান (অব.)। ছবি: নিউজবাংলা
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনসহ যেকোনো নাগরিক সেবায় জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যক। তাই সঠিকভাবে তথ্য নিতে হবে।’

বর্তমান নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সঠিকভাবে নির্বাচন পরিচালনায় বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব খান (অব.)। তিনি বলেছেন, ‘একটি নির্ভুল ভোটার তালিকা অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পূর্বশর্ত।’

খুলনা জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি অডিটোরিয়ামে শুক্রবার দুপুরে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনসহ যেকোনো নাগরিক সেবায় জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যক। তাই সঠিকভাবে তথ্য নিতে হবে।’

তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সঠিকভাবে তথ্য নিতে প্রমাণক হিসেবে পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন অথবা এসএসসি সনদের সাহায্যে ব্যক্তির নামের বানান ও আনুষঙ্গিক তথ্য যাচাই করা যেতে পারে।’

ইভিএমকে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ইভিএমের ব্যবহার যেকোনো পর্যায়ে দলমত নির্বিশেষে সব দলের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে।’

খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মাসুদুর রহমান ভূঞা, রেঞ্জ ডিআইজি ড. মহিদ উদ্দিন, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কার তাজুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান।

আরও পড়ুন:
দাওয়াতপত্রে নাম নেই, নির্বাচন কমিশনারের অসন্তোষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Biker killed in bus collision

বাসের ধাক্কায় বাইকচালকের মৃত্যু

বাসের ধাক্কায় বাইকচালকের মৃত্যু
ওসি জানান, সকালে পটিয়ায় কক্সবাজারমুখী লেনের পেছন থেকে একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান জয়নাল।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলে থাকা আরেকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পটিয়ার ছিলাশাহ মার্কেট এলাকায় শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জয়নাল আবেদীনের বাড়ি হাটহাজারীর পশ্চিম দেওয়াননগর এলাকায়। একই এলাকায় থাকেন আহত মো. নাঈমও।

পটিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন নিউজবাংলাকে এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকালে পটিয়ায় কক্সবাজারমুখী লেনের পেছন থেকে একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান জয়নাল। আহত নাঈমকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, বাইকচালক সামনের একটি বাসকে ওভারটেক করার চেষ্টা করছিলেন। সে সময় পেছন থেকে আরেক বাস বাইককে ধাক্কা দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
ছাগলের দড়িতে ছিটকে যাওয়া বাইক আরোহীর মৃত্যু
ট্রাকের ধাক্কায় এক বন্ধু নিহত, আরেকজন হাসপাতালে
ট্রাকচাপায় বাইকের ৩ আরোহী নিহত
‘এই শোক আমি সইব কী করে’
মোটরসাইকেল-প্রাইভেট কারে বাসের ধাক্কা, নিহত ৯

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police rewarded that SI

পুরস্কার পেলেন ডাকাতি থেকে বাসযাত্রীদের বাঁচানো সেই এসআই

পুরস্কার পেলেন ডাকাতি থেকে বাসযাত্রীদের বাঁচানো সেই এসআই
এসআই হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি (অ্যাডমিন) আমিনুর ইসলাম তার কার্যালয়ে আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সাহসিকতার পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন, যা আমার কাছে ১০ কোটি টাকার সমান। এ জন্য স্যারের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

ঢাকার সাভারে চলন্ত বাসে ডাকাতদের কবল থেকে যাত্রীদের বাঁচানো ট্রাফিক পুলিশের সেই এসআইকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দিয়েছে পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশ পদকের জন্য তার সুপারিশও করা হয়েছে।

এ তথ্য নিজেই নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন সাভার ট্রাফিক পুলিশের সেই উপপরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি (অ্যাডমিন) আমিনুর ইসলাম তার কার্যালয়ে আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সাহসিকতার পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন, যা আমার কাছে ১০ কোটি টাকার সমান। এ জন্য স্যারের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি আইজিপি স্যার ও ঢাকা জেলার সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমে আমার সংবাদ আসার পর অনেকেই প্রশংসা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধন্যবাদ জানিয়ে আমার ছবি পোস্ট করেছেন অনেকে। সবাই এসব পোস্টের নিচে আমার ভালো কাজের প্রশংসা করেছেন। আসলে এই প্রশংসা বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর।’

গত ১৬ মে রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাভার পরিবহনের একটি বাস ডাকাতদের কবলে পড়ে। সে সময় দায়িত্বে থাকা এসআই হেলাল উদ্দিন সন্দেহের জেরে বাস থামিয়ে তাতে ওঠেন। অস্ত্রধারী এক ডাকাতকে তিনি ধরে ফেলেন। তার সঙ্গে ওই ডাকাতের ধস্তাধস্তির সুযোগে অন্য দুই ডাকাত পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা এসআইয়ের কাছ থেকে ডাকাতকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটুনি দেয়। আহত অবস্থায় আটক ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পরদিন আশুলিয়া থানায় পুলিশ হত্যা ও দস্যুতার চেষ্টার মামলা করে।

আরও পড়ুন:
পুরস্কারের টাকা নিয়ে পুষ্টিহীন শিশুদের পাশে ফিফা রেফারি তৈয়ব
ডিআইজি হলেন ৩২ পুলিশ কর্মকর্তা
মমতাকে সম্মাননার প্রতিবাদে বাংলা আকাদেমির পুরস্কার ফেরত-ইস্তফা
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন ৮৫ খেলোয়াড়-সংগঠক
আসামি ধরতে গিয়ে লাঠিপেটা-কামড়ে পুলিশ আহত, কারাগারে ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no independent journalism in the speech about the editor Fakhrul

সম্পাদককে নিয়ে বক্তব্যে স্বাধীন সাংবাদিকতা থাকে না: ফখরুল

সম্পাদককে নিয়ে বক্তব্যে স্বাধীন সাংবাদিকতা থাকে না: ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে একটি আয়োজনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ফখরুল। ছবি: নিউজবাংলা
‘যখন একজন সম্পাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী বিষোদ্গার করেন, তখন স্বাধীন সাংবাদিকতা থাকে না। তিনি যখন একজন বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদকে কটূক্তি করেন, তখন সেটা বাংলাদেশ সরকার সম্পর্কে একটা খারাপ ধারণা সৃষ্টি করে। এমনকি যে অর্থনীতিবিদেরা মেগা প্রজেক্ট নিয়ে বিভিন্ন কথা বলেছেন, বর্তমানে অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে যে অশনিসংকেতের কথা বলেছেন, তাদেরও তিনি গালি দিতে ছাড়েননি।’

পদ্মা সেতু ঠেকাতে দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামকে জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতা থাকে না বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহম্মদ ইউনূসকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্বে খারাপ ধারণা তৈরি হয় বলেও মনে করেন তিনি।

শুক্রবার ঠাকুরগাঁওয়ে একটি আয়োজনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ফখরুল।

গত বুধবার পদ্মা সেতু নিয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ড. ইউনূস, মাহফুজ আনাম ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন। বলেছেন, যারা পদ্মা সেতুর বিরোধিতা করেছেন, তাদের সেতুতে নিয়ে গিয়ে টুস করে ফেলে দেয়া উচিত।

পরদিন ফখরুল এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি অভিযোগ করেন, তাদের নেত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই ধরনের বক্তব্যকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে তিনি সরকারপ্রধানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।

এর পরদিনও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে কথা বলেন ফখরুল। বলেন, ‘যখন একজন সম্পাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী বিষোদ্গার করেন, তখন স্বাধীন সাংবাদিকতা থাকে না। তিনি যখন একজন বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদকে কটূক্তি করেন, তখন সেটা বাংলাদেশ সরকার সম্পর্কে একটা খারাপ ধারণা সৃষ্টি করে।

‘এমনকি যে অর্থনীতিবিদেরা মেগা প্রজেক্ট নিয়ে বিভিন্ন কথা বলেছেন, বর্তমানে অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে যে অশনিসংকেতের কথা বলেছেন, তাদেরও তিনি গালি দিতে ছাড়েননি।’

ফখরুল বলেন, ‘একজন রাষ্ট্রের চিফ এক্সিকিউটিভ যে যেভাবেই আসুক, উনি যখন বলেন যে বিরোধীদলীয় নেত্রীকে পদ্মা সেতুতে নিয়ে টুস করে ফেলে দাও, এটা অমিনাস একটা ভয়ংকর কথা। আমরা গতকাল এ বিষয়ে নিন্দা করেছি। আজও করছি।

‘আমরা বারবার অনুরোধ করছি। দেশের যে পরিবেশ খারাপের দিকে যাচ্ছে, এটা আরও খারাপ না করে এখানে কমপক্ষে একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করুন এবং পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচনের একটা পরিবেশ তৈরি করুন। এ ছাড়া বাংলাদেশের যে রাজনৈতিক সংকট, সে সংকট থেকে উত্তরণের কোনো পথ থাকবে না।’

প্রধানমন্ত্রী যা বলেছিলেন

বুধবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগের দলীয় এক আলোচনায় শেখ হাসিনা জানান, পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে বিশ্বব্যাংক যেন সরে যায়, সে জন্য ড. ইউনূস, ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক নানা সক্রিয় চেষ্টা চালিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, এই সেতু ভেঙে পড়ে যাবে- এই ধরনের বক্তব্য রাখায় খালেদা জিয়ার প্রতিও ক্ষোভ জানান শেখ হাসিনা।

নানা বক্তব্য উল্লেখ করে তিনি পদ্মা সেতুবিরোধীদের সেতুতে নিয়ে চোবানোর কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার উক্তি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বলেছে, স্প্যানগুলো যে বসাচ্ছে, সেটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেয়া। পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, তাতে চড়া যাবে না, চড়লে সেটা ভেঙে যাবে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসররা। তাদের কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেয়া উচিত।’

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধের মিশনে মাহফুজ আনামও: প্রধানমন্ত্রী

ড. ইউনূসের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যিনি (ড. ইউনূস) এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো টাকা বন্ধ করেছেন, তাকেও আবার পদ্মা নদীতে নিয়ে দুটি চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেয়া উচিত, মরে যাতে না যায়। পদ্মা নদীতে দুটি চুবনি দিয়ে সেতুতে উঠিয়া নেয়া উচিত। তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়।’

পদ্মা সেতু থেকে বিশ্বব্যাংকের সরে যাওয়ার পেছনে ড. ইউনূস ছাড়াও ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘পদ্মা সেতুর অর্থ বন্ধ করাল ড. ইউনূস। কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম, গ্রামীণ ব্যাংকের উপদেষ্টা হতে, ইমেরিটাস উপদেষ্টা হিসেবে থাকার জন্য, আরও উচ্চ মানের। কিন্তু সেখানে সে থাকবে না। তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না।

‘কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনূস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাহফুজ আনাম। তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টমেন্টে যায়। হিলারির কাছে ইমেইল পাঠায়। বিশ্বব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মিস্টার জোয়েলিক তার শেষ কর্মদিবসে কোনো বোর্ডসভায় না, পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়।’

পর দিন মাহফুজ আনাম তার পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টারে এক ব্যাখ্যায় বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, আমি এ ধরনের উদ্দেশ্য নিয়ে কখনও যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাইনি, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাইনি, কখনও হিলারি ক্লিনটনকে কোনো ই-মেইল পাঠাইনি, ওয়াশিংটনে বা বিশ্বের অন্য কোনো জায়গায় বা শহরে পদ্মা সেতুর অর্থায়নের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কোনো বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠক বা যোগাযোগ করিনি।

‘বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, আমার বিষয়ে করা মন্তব্য তথ্যভিত্তিক নয়।’

‘কাদেরের বক্তব্যে গুরুত্ব দিই না’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দেন না বলেও জানান মির্জা ফখরুল। বলেন, ‘তার (কাদের) কথা আমরা বেশি গুরুত্ব দিই না। কারণ কোনো সিদ্ধান্ত তিনি করেন না। সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা।’

বিএনপি একটি ‘পচনশীল দল’– ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের বিষয়ে ফখরুল বলেন, ‘একুশ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিল আওয়ামী লীগ। সুতরাং ক্ষমতার বাইরে থাকলে পচনশীল হয় না। আমরা উচ্চগামী, ঊর্ধ্বগামী দল। আমরা যে ঊর্ধ্বগামী দল সেটা প্রমাণ করার জন্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন দরকার। আর কিচ্ছু দরকার নেই আমাদের।’

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের অর্থ খালেদার মৃত্যু কামনা নয়: কাদের

বিএনপি নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না বলে ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্যের জবাব জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ‘দেখা যাক। এমন যদি তারা করে তখন দেখা যাবে কে ঠেকাতে পারে আর কে পারে না।’

আরও পড়ুন:
আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে: মির্জা ফখরুল
বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপ দিয়ে ফখরুল শ্রীলঙ্কায়: কাদের
মনগড়া, আষাঢ়ে গল্পে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা: কাদের
পদত্যাগ করবেন ব্যর্থতা ও দুর্নীতির কারণে: কাদেরকে ফখরুল
আল জাজিরার সাংবাদিক হত্যায় ফখরুলের নিন্দা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no way for BNP without elections Nanak

নির্বাচন ছাড়া বিএনপির সামনে পথ নেই: নানক

নির্বাচন ছাড়া বিএনপির সামনে পথ নেই: নানক শুক্রবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিএনপি অহেতুক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। বিএনপির কর্মকাণ্ড মানুষ ভুলে নাই। তাদের নেতা নাই। নেতৃত্বশূন্য দল বিএনপি। তাই এখন পানি ঘোলা করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে। কোনো লাভ হবে না, বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে।’

নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া বিএনপির সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।

শুক্রবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির সামনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক সমাবেশে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সমাবেশের আয়োজন করে মহিলা আওয়ামী লীগ।

নির্বাচন ছাড়া বিএনপির সব পথ বন্ধ উল্লেখ করে নানক বলেন, ‘গত রমজান থেকেই বিএনপির প্রার্থীরা তাদের এলাকায় নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা আসলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। এ ছাড়া তাদের কোনো পথ খোলা নেই। এখন হয়তো পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছেন।’

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিএনপি অহেতুক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। বিএনপির কর্মকাণ্ড মানুষ ভুলে নাই। তাদের নেতা নাই। নেতৃত্বশূন্য দল বিএনপি। তাই এখন পানি ঘোলা করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে। কোনো লাভ হবে না, বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে।’

মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে সমাবেশের সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম। এ সময় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকিসহ মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
দুই-এক মাসের মধ্যে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ: সিইসি
নির্বাচন নিয়ে ফন্দিফিকির করে বিএনপি: হানিফ
নিউ মার্কেটে সংঘর্ষ: বিএনপি নেতা মকবুলের জামিন নাকচ
বিএনপি ক্ষমতালোভী ফ্যাসিবাদী: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Grandfather and grandson died after being cut by a train in Kamarkhand

কামারখন্দে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল দাদা-নাতির

কামারখন্দে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল দাদা-নাতির প্রতীকী ছবি
স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, কামারখন্দ উপজেলার দশসিকা গ্রামে এক আত্মীয়র কুলখানিতে যাওয়ার জন্য নাতি জুনায়েদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুল মান্নান। ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন পারাপার হচ্ছিলেন তারা। এ সময় ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তি ও তার নাতি নিহত হয়েছেন।

ঢাকা-ঈশ্বরদী রেল সড়কের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ৭৩ বছরের আব্দুল মান্নান ও তার ৮ বছরের নাতি জুনায়েদ হোসেন। তাদের বাড়ি উপজেলার কাজীপুরা গ্রামে।

সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ এসব তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, কামারখন্দ উপজেলার দশসিকা গ্রামে এক আত্মীয়র কুলখানিতে যাওয়ার জন্য নাতি জুনায়েদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুল মান্নান। ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন পারাপার হচ্ছিলেন তারা। এ সময় ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতদের স্বজনরা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে তরুণের মৃত্যু
পুকুরে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু
নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
ছুরিকাঘাতের দেড় মাস পর স্কুলছাত্রের মৃত্যু 
‘সাপের কামড়ে’ কৃষকের মৃত্যু

মন্তব্য

উপরে