× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
ACC case against 5 members of North South Board of Trustees
hear-news
player

নর্থ সাউথের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের ৫ জনের নামে দুদকের মামলা

নর্থ-সাউথের-বোর্ড-অফ-ট্রাস্টিজের-৫-জনের-নামে-দুদকের-মামলা বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দীন আহমেদ, সদস্য এম এ কাশেমসহ পাঁচজনের নামে মামলা হয়েছে। ফাইল ছবি
মামলার এজাহারে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে বিক্রেতার নামে টাকা প্রদান করেন আসামিরা।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, চার সদস্য এবং আশালয় হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

কমিশনের উপপরিচালক আরেফ সাদেক বৃহস্পতিবার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘১৯৪৭ সালের ২ নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ৫ মে মামলা রুজু হয়।’

মামলার অনুসন্ধানকারী ও এজাহারকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী।

মামলার আসামিরা হলেন নর্থ সাউথের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দীন আহমেদ, সদস্য এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান এবং আশালয় হাউজিংয়ের আমিন মো. হিলালী।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অর্থাৎ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলো বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড আর্টিকেলস (রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনস) অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় একটি দাতব্য, কল্যাণমুখী, অবাণিজ্যিক ও অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা সরকারের সুপারিশ বা অনুমোদনকে পাশ কাটিয়ে বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের কিছু সদস্যের অনুমোদন বা সম্মতির মাধ্যমে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডেভেলপমেন্টের নামে ৯ হাজার ৯৬.৮৮ ডেসিমেল জমির ক্রয়মূল্য বাবদ ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা অতিরিক্ত অর্থ অপরাধজনকভাবে প্রদান/গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে প্রথমে বিক্রেতার নামে টাকা প্রদান করেন আসামিরা।

পরবর্তী সময়ে বিক্রেতার কাছ থেকে নিজেদের লোকজনের নামে নগদ চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আবার নিজেদের নামে এফডিআর করে রাখেন তারা। সে এফডিআরের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, আসামিরা অবৈধ অপরাধলব্ধ আয়ের অবস্থান গোপনের অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অপরাধ করেন।

তারা অপরাধলব্ধ অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তরের মাধ্যমে হস্তান্তর এবং অবস্থান গোপন করে অর্থ পাচারের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। পাশাপাশি বেআইনি কার্যকলাপ করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে বিশ্ববিদ্যালয় তথা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে নিজেরা অন্যায়ভাবে লাভবান হয়েছেন। তারা বেআইনি কার্যক্রম করার ক্ষেত্রে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে কমিশন বা ঘুষের আদান-প্রদান করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আরও পড়ুন:
কুড়িল ফ্লাইওভারে নিহত নর্থ সাউথের ছাত্রী
নর্থ-সাউথে অনিয়ম: রেহেনা ও বেনজীরকে দুদকে তলব
নর্থ সাউথের বোর্ড অব ট্রাস্টিদের দুর্নীতির তদন্ত দ্রুত শেষের দাবি
নর্থ সাউথের সব নথি চায় দুদক
নর্থ সাউথকে ‘বাঁচানো’র দাবি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Instructions for sale of 10 luxury cars in North South

নর্থ-সাউথের বিলাসবহুল ১০ গাড়ি বিক্রির নির্দেশ

নর্থ-সাউথের বিলাসবহুল ১০ গাড়ি বিক্রির নির্দেশ রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
গাড়িগুলো খোলা দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে ব্যয়ের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ তহবিলে জমা করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে জরুরি ভিত্তিতে জানাতে বলা হয়েছে।

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থে কেনা বিলাসবহুল ১০টি গাড়ি বিক্রি করে সেই টাকা প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ তহবিলে জমা করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব ড. মো. ফরহাদ হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ধারা ৪৪ (১) অনুযায়ী প্রত্যক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সাধারণ তহবিল থাকবে এবং ৪৪ (৭) ধারা অনুযায়ী সাধারণ তহবিলের অর্থ ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় ব্যয় ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যয় করা যাবে না।

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়ন খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয় না করে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ১২টি গাড়ি কেনে। এর মধ্যে ১০টি বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, উল্লিখিত ১০টি বিলাসবহুল গাড়ি খোলা দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে ব্যয়ের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ তহবিলে জমা করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে জরুরি ভিত্তিতে জানানোর অনুরোধ করা হলো।

যে ১০টি গাড়ি বিক্রি করতে হবে

যানবাহনের ধরন ও মডেল হলো- হার্ড জিপ (টয়োটা প্রাডো টি এক্স), মডেল-২০১৫; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০ ), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০ ই), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার অটোবায়োগ্রাফি), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার অটোবায়োগ্রাফি), মডেল-২০১৯, হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার অটোবায়োগ্রাফি), মডেল-২০১৯; হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০ ই), মডেল-২০১৯; কার (স্যালুন) মার্সিডিজ বেঞ্জ, মডেল-২০১৯ এবং হার্ড জিপ (রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০ ই), মডেল-২০১৯।

আরও পড়ুন:
নর্থ-সাউথে অনিয়ম: রেহেনা ও বেনজীরকে দুদকে তলব
‘দুর্নীতি-জঙ্গিবাদের কবল’ থেকে নর্থ সাউথকে রক্ষার দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DU at the centenary gathering of Shahidullah Hall

শহীদুল্লাহ হলের শতবর্ষের মিলনমেলায় মুখরিত ঢাবি

শহীদুল্লাহ হলের শতবর্ষের মিলনমেলায় মুখরিত ঢাবি শনিবার সকালে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান হল প্রাঙ্গণে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘সবাই মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি দর্শন। তিনি সবাইকে নিয়েই আনন্দ উদযাপন করতেন, শুধু কষ্ট ভোগ করতেন নিজে এককভাবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে শতবর্ষের মিলনমেলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শনিবার শতবর্ষের এই মিলনমেলা শুরু হয়।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান হল প্রাঙ্গণে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবি উপাচার্য শতবর্ষের মিলনমেলার আনন্দ ভাগাভাগি করতে হলের সব শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘সবাই মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি দর্শন। তিনি সবাইকে নিয়েই আনন্দ উদযাপন করতেন, শুধু কষ্ট ভোগ করতেন নিজে এককভাবে।

আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা মোকাবিলায় এবং তাদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় নিয়ে আসার জন্য বৃত্তি প্রদানসহ কিছু ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করতে উপাচার্য হল অ্যালামনাইদের প্রতি আহ্বান জানান।

শহীদুল্লাহ হলের শতবর্ষের মিলনমেলায় মুখরিত ঢাবি

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হলের জন্য ওয়েলফেয়ার জাতীয় কিছু গঠনের পদক্ষেপ নিতে পারি। এর জন্য প্রয়োজন ফান্ড৷ ফান্ডের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতাও প্রয়োজন। এই বিষয়গুলোকে সামনে রেখে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আগামী দিনের দেশকে এগিয়ে নিতে কী কী কাজ করতে পারি এবং নতুন প্রজন্মকে কীভাবে উদ্বুদ্ধ করতে পারি, সে বিষয়ে আমাদের চিন্তা থাকতে হবে।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের ইতিহাস অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখানো পথে তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও স্বনির্ভর দেশে পরিণত করেছেন।’

দক্ষ, যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে আগামী দিনে হলের প্রতিটি শিক্ষার্থী দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শহীদ উল্লাহ খন্দকারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও হলের প্রাক্তন প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার, হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন এবং হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বাহাদুর বেপারী উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ঢাবির প্রতিবন্ধী কোটায় যুক্ত হলো স্নায়ু বিকাশগত প্রতিবন্ধিতা
শর্ত ভঙ্গ করে পিএইচডি, ঢাবি শিক্ষককে সতর্কবার্তা
ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা এবারও বিভাগীয় শহরে, শুরু ৩ জুন
জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীকে মারধর: ঢাবি হল থেকে বহিষ্কার ৬
‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 new faculties are being introduced in BUET

নতুন ৩ অনুষদ চালু হচ্ছে বুয়েটে

নতুন ৩ অনুষদ চালু হচ্ছে বুয়েটে বুয়েটে নতুন তিনটি অনুষদ চালুর অনুমোদন দিয়েছে ইউজিসি। ছবি: সংগৃহীত
বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘ইউজিসি গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন তিনটি ফ্যাকাল্টির অনুমোদন দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আরও কিছু অনুষদ ও বিষয় চালুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিষয়টি অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) নতুন তিনটি অনুষদ চালুর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।

বৃহস্পতিবার নতুন অনুষদ চালুর অনুমতি দিয়ে বুয়েট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়।

চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া নতুন তিনটি অনুষদ হলো— ফ্যাকল্টি অফ পোস্ট গ্রাজুয়েশন স্টাডিস, ফ্যাকাল্টি অফ কেমিক্যাল অ্যান্ড ম্যাটারিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স।

এ ছাড়া রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নামে আরেকটি ইনস্টিটিউটের অনুমোদনও দেয়া হয়েছে।

বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইউজিসি গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন তিনটি ফ্যাকাল্টির অনুমোদন দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।

‘বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আরও কিছু অনুষদ ও বিষয় চালুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিষয়টি অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
কিউএসের বিষয়ভিত্তিক র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় অগ্রগতি বুয়েটের
বুয়েটে ভর্তির প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা ৪ জুন
বুয়েট শিক্ষার্থী উদ্ধার, গিয়েছিলেন তাবলিগে
বুয়েটের হলে ২২ শিক্ষার্থীর করোনা
করোনায় বন্ধ বুয়েটে সশরীরে ক্লাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If you are a student of RU in the practice of family rules it is a new time to enter

‘পারিবারিক নিয়ম চর্চায়’ রাবির ছাত্রী হলে প্রবেশের নতুন সময়

‘পারিবারিক নিয়ম চর্চায়’ রাবির ছাত্রী হলে প্রবেশের নতুন সময়
শিক্ষার্থীরা বলছেন, ছাত্র-ছাত্রীদের হলে প্রবেশের সময় নিয়ে বৈষম্য থাকা উচিত নয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ-উপাচার্য জানিয়েছেন, পারিবারিক শৃঙ্খলার চর্চা ক্যাম্পাসে বজায় রাখতে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্রীদের আবাসিক হলে রাতে প্রবেশের নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেছে কর্তৃপক্ষ। রাত ৯টা থেকে কমিয়ে সেটি করা হয়েছে রাত সাড়ে ৮টা।

হল প্রাধ্যক্ষরা মিটিং করে গত ৯ মে এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে ছাত্রীদের হলে প্রবেশ করতে হবে। এর আগে এই সময়সীমা ছিল সন্ধ্যা ৭টা, যা নিয়ে ছাত্রীদের আন্দোলনের পর তা রাত ৯টা করা হয়েছিল।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ছাত্রদের হলে প্রবেশের কোনো সময়সীমা নেই।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন শিক্ষার্থীদের অনেকেই। তারা বলছেন, ছাত্র-ছাত্রীদের হলে প্রবেশের সময় নিয়ে এমন বৈষম্য থাকা উচিত নয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ-উপাচার্য জানিয়েছেন, পারিবারিক শৃঙ্খলার চর্চা ক্যাম্পাসে বজায় রাখতে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের ছাত্রীরা সান্ধ্য আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করে। সে সময়ে ছাত্রীদের হলে প্রবেশের সময়সীমা ছিল সন্ধ্যা ৭টা। আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সান্ধ্য আইন ‘শিথিল’ করে হলে প্রবেশের শেষ সময় করা হয় রাত ৯টা।

কোনো ছাত্রীর কাজ থাকলে নির্ধারিত সময়ের পরেও হলে প্রবেশ করতে পারবে- এমনটাও জানিয়েছিল রাবি কর্তৃপক্ষ।

তবে গত ৯ মে এই সময়সীমা আধাঘণ্টা কমিয়ে দিয়েছে সব হলের প্রাধ্যক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

‘পারিবারিক নিয়ম চর্চায়’ রাবির ছাত্রী হলে প্রবেশের নতুন সময়

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী কঙ্গনা সরকার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো মুক্তচর্চার জায়গায় এমন কোনো ধরনের আইন থাকা উচিত নয়। কারণ এখানে ছেলে-মেয়েদের সমান অধিকার থাকা উচিত। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের কাজ করা উচিত। সেটি না করে তারা বরং ছাত্রীদের ওপর অন্যায় নিয়ম আরোপ করছে। এসব আইন জেলখানার কয়েদিদের আইনের মতো।’

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাত রীতা বলেন, ‘একই ক্যাম্পাসে ছেলে-মেয়ে সবার সমান অধিকার থাকা উচিত। এমন একমুখী আইন আমি সমর্থন করি না।

‘এর আগে আন্দোলনের ফলে সময় রাত ৯টা পর্যন্ত ছিল। এখন হুট করে আবার সেটি কমিয়ে সাড়ে ৮টা কেন করা হলো? এর মানে হলো যে প্রশাসন চাইলে যেকোনো ধরনের নিয়ম তারা পরিবর্তন করতে পারে। এসব হয়রানিমূলক কোনো নিয়ম থাকা উচিত নয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক আতাউর রহমান রাজু বলেন, ‘আবাসিক হলের সময়সীমার বিষয়ে আসলে ছাত্রীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে একটি সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। তবে হলে প্রবেশের সময়সীমা আরও বাড়ানো দরকার।’

তবে নতুন বিজ্ঞপ্তিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, ভুলে তা নোটিশ আকারে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রীদের আবাসিক হল প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক ও তাপসী রাবেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ ফেরদৌসী মহল।

‘পারিবারিক নিয়ম চর্চায়’ রাবির ছাত্রী হলে প্রবেশের নতুন সময়
হলে প্রবেশের সান্ধ্য আইন বাতিলের দাবিতে ২০২১ সালের নভেম্বরে আন্দোলন করেন ছাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘মূলত ওটা কোনো বিজ্ঞপ্তি নয়। এর আগে আমরা মেয়েদের ৬টি হলের প্রাধ্যক্ষরা বসেছিলাম যে ছুটির পর এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যায় কি না। এ নিয়ে আমরা ছুটির পর হলের মেয়েদের সঙ্গেও কথা বলব এমনটাই বলা হয়েছিল প্রভোস্টদের। কিন্তু ভুলক্রমে এক হলের প্রভোস্ট নোটিশ আকারে দিয়ে দিয়েছেন।

‘আগামীতে সব হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে একটি কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য সুলতান-উল-ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সান্ধ্য আইন হিসেবে ওইভাবে মানুষের ওপর চাপায়ে দিতে চাই না আমরা। প্রত্যেকটা ছেলে-মেয়ের নিরাপত্তার বিষয়টা সবার আগে। এখন হাজার ব্যবস্থাও যদি আমরা করি তার মধ্যেও অনেক কিছুই ঘটতে পারে।

‘ছেলে-মেয়ের বাবা-মাও যেমন করে চায় যে একটা সময় পর্যন্ত বাইরে থেকে তারা লেখাপড়ায় ব্যস্ত হোক। আমরাও স্বাভাবিক অর্থে সেইটাই চাচ্ছি। সাধারণত সাড়ে আটটার ভেতরে আমরা আমাদের বাইরের কাজগুলো শেষ করি। লাইব্রেরি বন্ধ হয়ে যায়, সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। তখন আমরা যদি পড়ার টেবিলে ফিরতে পারি এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

‘তাই বলে আমরা তাদের শৃঙ্খলিত করব এমনটা না। স্বাধীনতার যুগে কাউকে শৃঙ্খলিত করা কেউই পছন্দ করবে না। আমরা চাই নিয়মের ভেতরেই জীবনটা গড়ে নিতে।’

ছেলেদের হলে প্রবেশের নির্ধারিত সময় নাই, অথচ মেয়েদের সময়সীমা কেন নির্ধারণ করা হলো?

‘পারিবারিক নিয়ম চর্চায়’ রাবির ছাত্রী হলে প্রবেশের নতুন সময়

এ প্রশ্নে উপ-উপাচার্য বলেন, ‘এটি এখন স্বাভাবিক প্রশ্ন, সবাই করতে পারে। কিন্তু এর পরিপ্রেক্ষিতটাও আমি একটু ভাবতে অনুরোধ করব। বাবা-মায়ের চাইতে তো দুনিয়াতে প্রিয় মানুষ কেউ নেই। একটা বাবা-মাকেও যদি ভাবতে বলি তারা কী বলবেন সেটাও ভাবতে হবে। তারা আমাদের কাছে ছেলে-মেয়েদের পাঠিয়ে যে উদ্বিগ্ন থাকেন, আল্লাহ না করুক ছেলে-মেয়েদের যদি একটু কিছু হয় ওই বিষয়টা তো আমরা কোনোভাবেই এক শ ভাগ নিশ্চিত করতে পারি না।

‘ছেলে-মেয়েরা কে কোথায় যাচ্ছে সেটা তো বলতে পারি না। আমরা বাবা-মায়েদের কথা ভেবে, অনেক বাবা-মায়ের সঙ্গে আমাদের কথাও হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও কথা হয়েছে।’

জরুরি পরিস্থিতি বা প্রয়োজনে সময়সীমার বিষয়টা বিবেচনা করা হবে জানিয়ে উপ-উপাচার্য সুলতান বলেন, ‘কারও জরুরি প্রয়োজন হলে কেউ এতটা অমানবিক হবে না যে জরুরি বিষয়টা বুঝবে না। সেদিকটাও অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে। এটি শৃঙ্খলিত করা নয়। পারিবারিকভাবেও আমরা যেমন নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে থাকি এখানেও সেটা।’

এটাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন নয়, পারিবারিক নিয়ম বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এমন নিয়ম চলে আসছে। এটি তো আইন নয়, এটি পারিবারিক নিয়ম। নানা দিক বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চলছে। এটা পারিবারিক নিয়ম-কানুনের মতো করেই চালু ছিল, যখন আমরা ৭৮ সালে ছাত্র ছিলাম, তখনও।’

তবে এই পারিবারিক নিয়ম কেবল ছাত্রীদের জন্যই কেন? জানতে চাইলে তিনি জানান, মেয়েদের নিয়েই অভিভাবকরা বেশি চিন্তিত থাকেন। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ও ছাত্রীদের হলে ফেরার সময় নিয়ে ‘পারিবারিক নিয়মটি’ জারি করেছে।

আরও পড়ুন:
রাবিতে এ বছর ‘সেকেন্ড টাইম’ ভর্তির সুযোগ
দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে তারাবি পড়ানোর আহ্বান
রাবিতে প্রক্টরের সামনে ছাত্রীকে পরিবহন কর্মচারীর ধাক্কা
রাবির ১৭ হলে ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ছাত্রলীগের দখলদারত্বের বদলে রাবিতে হল সংসদ চালুর দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Classmates demand investigation into mysterious death of JOB student

অঙ্কনের রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্ত দাবি সহপাঠীদের

অঙ্কনের রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্ত দাবি সহপাঠীদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অঙ্কন বিশ্বাসের রহস্যজনক মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও নীরবতা পালন করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
অঙ্কন বিশ্বাসের সহপাঠীরা জানান, আগামীকাল ১২ মে তার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের দাবিতে মানববন্ধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের সব শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া বিভাগের চলমান পরীক্ষা পিছিয়ে নেয়া হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ইংরেজি বিভাগে মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারে (১২ তম ব্যাচ) অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী অঙ্কন বিশ্বাসের রহস্যজনক মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও নীরবতা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

পাশাপাশি তার মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সহপাঠীরা।

ইংরেজি বিভাগে অধ্যয়নরত সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এসব কর্মসূচির আয়োজন করেন।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অঙ্কনের ফ্রেমবাঁধা ছবির চারপাশে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তার সহপাঠী ও বন্ধুরা।

ওই সময় শিক্ষার্থী আবু রায়হান বলেন, ‘আমাদের সহপাঠী অঙ্কন বিশ্বাসের রহস্যজনক এমন মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না। এই মৃত্যুর পেছনে কী আছে তা বের করতে হবে। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি আমরা। ওপারে যেন ভালো থাকে অঙ্কন।’

ইংরেজি বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী সামিরা ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিভাগের একজন নক্ষত্রকে হারিয়েছি। এর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার। তা না হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।’

অঙ্কন বিশ্বাসের সহপাঠীরা জানান, আগামীকাল ১২ মে তার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের দাবিতে মানববন্ধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের সব শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া বিভাগের চলমান পরীক্ষা পিছিয়ে নেয়া হয়েছে।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে অঙ্কন বিশ্বাসের মৃত্যু হয়। এর আগে ২৪ এপ্রিল রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে এ ছাত্রীকে মুমূর্ষু অবস্থায় রেখে পালিয়ে যান তার স্বামী।

ঘটনার দিন সকালে শাকিলের (স্বামী) বাসায় যান অঙ্কন। সেখানে একপর্যায়ে জ্ঞান হারান তিনি।

পরে শাকিল ও তার ছোট ভাই হিমেল অঙ্কনকে আজগর আলী হাসপাতালে নিয়ে যান। তখন শাকিল কখনো ভাই, কখনো বন্ধুর পরিচয়ে ভর্তি করাতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভর্তি করাতে অস্বীকৃতি জানায়।

পরে হাসপাতাল থেকে অঙ্কনের বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু আব্দুল মুকিত চৌধুরী সানীকে এনে অঙ্কনকে ভর্তি করানো হয়। পরে রোগীর অবস্থা অবনতি হলে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবির পরিচর্যার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অব্যাহতি পেলেন জাবির ‘বিতর্কিত’ সেই শিক্ষক
জবি শিক্ষিকার মৃত্যুতে ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া
দুস্থদের হাতে জবি অ্যালামনাইয়ের ঈদ উপহার
জবিতে চৈত্রসংক্রান্তি উদযাপন
গবেষণায় একে অপরকে সহযোগিতা করবে ঢাবি-জবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Application for JAB admission test starts on 18th May

জাবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৮ মে

জাবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৮ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
এবারের ভর্তি পরীক্ষা ১০ ইউনিটের পরিবর্তে আলাদা ৫টি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এই ৫ ইউনিটের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকটি অনুষদ ও ইনস্টিটিউট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) স্নাতক (২০২০-২১) প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১৮ মে, চলবে ১৬ জুন পর্যন্ত। তবে এবার বাড়ানো হয়েছে আবেদন ফি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মো. আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ৩১ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট।

এবারের ভর্তি পরীক্ষা ১০ ইউনিটের পরিবর্তে আলাদা ৫টি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এই ৫ ইউনিটের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকটি অনুষদ ও ইনস্টিটিউট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এবার ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজিকে গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের আওতায় ‘এ’ ইউনিট, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদ নিয়ে ‘বি’ ইউনিট, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, চারুকলা বিভাগ, বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটসহ কলা ও মানবিক অনুষদভুক্ত বিভাগগুলো নিয়ে ‘সি’ ইউনিট, জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগগুলো নিয়ে ‘ডি’ ইউনিট এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ও ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ে ‘ই’ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।

ভর্তির আবেদন করা যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে

বেড়েছে আবেদন ফি

এবার প্রথম বর্ষ (স্নাতক) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফি বিগত বছর থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ১০ ইউনিট থেকে কমিয়ে ৫ ইউনিট করায় ফি এবার বাড়ানো হয়েছে।

গত বছর ভর্তি পরীক্ষায় এ, বি, সি এবং ই ইউনিটের ভর্তি ফরমের মূল্য ছিল ৬০০ টাকা, যা এবার ৯০০ টাকা করা হয়েছে। তবে ডি ইউনিটে ৬০০ টাকা ধরা হয়েছে, যা গত বছরও একই ছিল।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ইউনিট কমিয়ে এনেছি, তাই ফরমের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এবার কলা অনুষদের তিনটি ইউনিটকে একসঙ্গে করা হয়েছে, যেখানে এই তিন ইউনিটে আগে খরচ হত ১ হাজার ৪০০ টাকা; ইউনিট একটি করাতে সেখানে খরচ হবে ৯০০ টাকা।’

ডি ইউনিট ছাড়া বাকি চারটি ইউনিটেই আগের তুলনায় টাকা কমানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
নীরবে বাসভবন ছাড়লেন বিদায়ী উপাচার্য ফারজানা ইসলাম
নতুন ভিসি পেল জাহাঙ্গীরনগর
বিজ্ঞানশিক্ষক হৃদয় মণ্ডলের মুক্তি চেয়ে জাবিতে মানববন্ধন
সেহরিতে জাবি হলে ‘পচা ভাত’
রমজানে জাবিতে ক্লাস-বাসের সূচিতে পরিবর্তন

মন্তব্য

উপরে