× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Expatriate hacked to death in Eid night chat
hear-news
player
print-icon

ঈদরাতের আড্ডায় হামলা, প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যা

ঈদরাতের-আড্ডায়-হামলা-প্রবাসীকে-কুপিয়ে-হত্যা
নিহতের ছেলে বলেন, ‘রাতের দিকে মহিষাবাথান বন্দরে বাবা আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় ৬টি মোটরসাইকেলে প্রায় ১৮ জন লোক এসে বাবার ওপরে হামলা চালায়, তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।’

বগুড়া সদরে বাড়ির উঠানে আড্ডারত প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সদরের বাঘোপাড়া মহিষাবাথান বন্দরে মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ৬৭ বছর বয়সী আব্দুর রাজ্জাক সরকার আমেরিকায় থাকতেন। সেখান থেকে ফিরে তিনি শহরের ইয়াকুবিয়া মোড় এলাকায় থাকছিলেন। বাঘোপাড়া মহিষাবাথানে তার পৈতৃক বাড়ি।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল হক।

রাজ্জাকের ছেলে জুনায়েদ ইবনে রাজ্জাক শোভন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা সবাই আমেরিকায় থাকি। বাবা কয়েক বছর ধরে বগুড়ায় থাকছেন। সেখানে কৃষি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ঈদ করতে তিনি গ্রামে গিয়েছিলেন।

‘রাতের দিকে মহিষাবাথান বন্দরে বাবা আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় ৬টি মোটরসাইকেলে প্রায় ১৮ জন লোক এসে বাবার ওপরে হামলা চালায়, তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।’

পুলিশ পরিদর্শক জাহিদুল হক জানান, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। হামলায় আহত দুইজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে কেন এই হামলা তা জানাতে পারেননি পুলিশ বা নিহতের স্বজনরা।

আরও পড়ুন:
গুলিতে নিহত প্রীতির পরিবারকে ২০ লাখ টাকা অনুদান
‘মাদক নিয়ে বিরোধে’ ছুরিকাঘাতে হত্যা
ব‌রিশালে জ‌মি নি‌য়ে বিরোধে হামলা, পিস্তলসহ আটক ১১
টিলা কাটায় বাধা: হামলায় আহত ওঁরাও সম্প্রদায়ের দুজন
তরুণীর ওপর নৃশংস হামলা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Former director of Chittagong Womens Chamber sentenced to 4 years in prison

চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সাবেক পরিচালকের ৪ বছর কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সাবেক পরিচালকের ৪ বছর কারাদণ্ড চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সাবেক পরিচালক ফাতেমা বেগম।
সাজাপ্রাপ্ত ফাতেমা বেগম বর্তমানে পলাতক আছেন। তিনি নগরের পাঁচলাইশ থানার শুলকবহর আবদুল লতিফ রোডের মৃত জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী।

ব্যবসায়ের অংশীদার করবেন এমন আশ্বাস দিয়ে মোহাম্মদ হোসেন নামে এক যুবকের কাছ থেকে ৫৫ লাখ টাকা নিয়েছিলেন চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সাবেক পরিচালক ফাতেমা বেগম। কিন্তু ২০১৭ সালে টাকা দেয়ার পর দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও কোনো অংশীদারত্ব পাননি ওই যুবক। এমনকি টাকা নেয়ার কথাও অস্বীকার করেন ফাতেমা।

এ ঘটনায় ২০২০ সালে অর্থ আত্মসাৎ ও চেক প্রতারণার দায়ে ফাতেমার বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা করেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ হোসেন। অবশেষে মামলার রায়ে উইম্যান চেম্বারের সাবেক পরিচালক ফাতেমা বেগমকে বিভিন্ন মেয়াদে মোট ৩ বছর ১০ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

সোমবার বিকেলে চট্টগ্রামের যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ ড. আবুল হাসনাতের আদালত এই রায় দেয়।

সাজাপ্রাপ্ত ফাতেমা বেগম বর্তমানে পলাতক আছেন। তিনি নগরের পাঁচলাইশ থানার শুলকবহর আবদুল লতিফ রোডের মৃত জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাফর ইকবাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অর্থ আত্মসাৎ ও চেক প্রতারণার ৬টি মামলায় আদালত বিভিন্ন মেয়াদে আসামি চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সাবেক পরিচালক ফাতেমা বেগমকে মোট ৩ বছর ১০ মাস সাজা দিয়েছেন। পাশাপাশি ৫৫ লাখ টাকা ফেরত দেয়ার নির্দেশসহ তাকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ব্যাংক কর্মকর্তার ৩০ বছরের কারাদণ্ড
১৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার
অর্থ আত্মসাৎ: সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক কারাগারে
১০ লাখ টাকা আত্মসাতে বিআইডব্লিউটিএ কর্মচারীর কারাদণ্ড
পক্ষে রায় এনে দেয়ার নামে ‘অর্থ আত্মসাৎ’, আদালতে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attempted murder case at UNO Summons to testify of investigating officer

ইউএনওকে হত্যাচেষ্টা মামলা: তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নিতে সমন

ইউএনওকে হত্যাচেষ্টা মামলা: তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নিতে সমন
আদালত পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান বলেন, জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম (আমলি আদালত-৭) আদালতের বিচারক আগামী ৩০ মে এই মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য সমন জারি করেছেন। একই দিনে এই মামলার অভিযোগপত্র দেয়া কর্মকর্তাকেও আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়েছে।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের সাবেক ইউএনও এবং তার বাবাকে হত্যাচেষ্টা মামলার দুই তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে সমন জারি করেছে আদালত।

দিনাজপুর আদালত পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান নিউজবাংলাকে সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম (আমলি আদালত-৭) আদালতের বিচারক আগামী ৩০ মে এই মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য সমন জারি করেছেন। একই দিনে এই মামলার অভিযোগপত্র দেয়া কর্মকর্তাকেও আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়েছে। এই দুজনের সাক্ষ্য শেষ হলে এই মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হবে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, এই মামলার ৬১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৫৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘোড়াঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল ইসলাম, অভিযোগপত্র জমা দেয়া তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন ডিবি পুলিশ পরিদর্শক জাফর ইমামের সাক্ষ্য গ্রহণ হলেই মামলার সাক্ষ্যপর্ব শেষ হবে। পরে রায়ের তারিখ ঠিক করবেন বিচারক।

২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাতে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহেদা খানম ও তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর হামলা হয়। সরকারি বাসভবনে ঢুকে তাদের হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পালিয়ে যায় উপজেলা পরিষদের তখনকার মালি রবিউল ইসলাম।

এ ঘটনায় ওয়াহেদা খানমের ভাই পুলিশ পরিদর্শক ফরিদ উদ্দীন শেখ বাদী হয়ে পরের দিন ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেন। পরে ওই মামলাটি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই মামলায় মালি রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার একমাত্র আসামি রবিউল কারাগারে আছেন।

আরও পড়ুন:
ইউএনওর গাড়িতে পিষ্ট সাংবাদিক
কৃষককে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
২০০ টাকা নিয়ে বাকবিতণ্ডা, চা দোকানির গলায় পোচ
ধর্ষণের অভিযোগে ইউএনওকে প্রত্যাহার
কপালে টিপ, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ শিক্ষকের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 arrested for snatching bank money

ব্যাংকের টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে আটক ৩

ব্যাংকের টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে আটক ৩ ব্যাংকের টাকা ছিনতাই চেষ্টার দায়ে আটক তিনজন।
জয়পুরহাট থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, আটক তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ১৩ লাখ টাকা আদালতের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংক নিয়ে যেতে পারবে।

জয়পুরহাটে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখা ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের সময় ধারালো অস্ত্রসহ ৩ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ। জয়পুরহাট সদর উপজেলার চান্দা ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জয়পুরহাট থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান এ তথ্য জানিয়েছেন।

আটক ছিনতাইকারীদের মধ্যে ৪০ বছরের জামিউল ইসলাম জেলা শহরের আমতলী এলাকার মৃত মজিবর রহমানের ছেলে, ৩১ বছর বয়সী শামসুজ্জোহা ধানমন্ডি এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং ৩৪ বছরের সুমন হাজি মাদ্রাসা রোড এলাকার মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে।

ওসি আলমগীর জাহান জানান, গত রোববার ইসলামী ব্যাংকের জেলা শাখা থেকে কয়েক লাখ টাকা তুলে জামালগঞ্জের মাহা ট্রেডিং কর্পোরেশনের এজেন্ট ব্যাংকে নেয়া হবে এ কথা এজেন্টের গাড়িচালক সুমন জানতেন। ওই টাকা লুট করতে ছিনতাইকারীদের সঙ্গে পরিকল্পনা করেন তিনি।

রোববার এজেন্ট শাখার ম্যানেজার আবুল হোসেন তার সহকারীকে নিয়ে ব্যাংক থেকে ১৩ লাখ টাকা তুলে মোটরসাইকেলে চড়ে চান্দা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে দুটি মোটরসাইকেলে আসা ৬ জন ধারালো ছুরি দেখিয়ে তাদের পথরোধ করে। একপর্যায়ে চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে টাকাগুলো ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে তারা।

এ সময় ভুক্তভোগীরা চিৎকার শুরু করলে পথচারী ও আশপাশের মানুষ দৌড়ে এসে দুজনকে আটকের পর মারধর করে পুলিশে খবর দেয়।

পুলিশ ওই দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পর আরও একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। ওই তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ১৩ লাখ টাকা আদালতের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংক নিয়ে যেতে পারবে বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
পল্টনে বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাত
এসএ পরিবহনের হেলপারকে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাত
রাজধানীতে চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারী চক্রের ৫৩ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীতে ছিনতাইকারী-অজ্ঞান পার্টির ২৭ সদস্য গ্রেপ্তার
খুন করে অটো ছিনতাই, বিক্রি ৯ হাজারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rape case in boyfriends name after suicide threat

আত্মহত্যার হুমকির পর প্রেমিকের নামে ধর্ষণের মামলা

আত্মহত্যার হুমকির পর প্রেমিকের নামে ধর্ষণের মামলা
মামলার বরাত দিয়ে পরিদর্শক জহিরুল জানান, দেলোয়ারের সঙ্গে বাদীর প্রেমের সম্পর্ক চলছে ১৩ বছর ধরে। বিয়ের আশ্বাস দেয়ায় তার সঙ্গে বাদীর একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। হঠাৎ বাদী জানতে পারেন আগামী বৃহস্পতিবার পারিবারের পছন্দে দেলোয়ার অন্য কাউকে বিয়ে করছেন।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিয়ের দাবিতে এক যুবকের বাড়িতে অবস্থান নেয়া তরুণী ওই যুবকের নামে ধর্ষণের মামলা করেছেন।

ঈশ্বরগঞ্জ থানায় সোমবার দুপুরে তিনি ওই মামলা করেন বলে জানান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না।

এর আগে শনিবার রাত ৮টা থেকে উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের চরআলগী গ্রামে দেলোয়ার হোসেন নামে ওই যুবকের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন ওই তরুণী। দেলোয়ার তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দেন। তবে বাড়িতে নেই দেলোয়ার।

মামলার বরাত দিয়ে পরিদর্শক জহিরুল জানান, দেলোয়ারের সঙ্গে বাদীর প্রেমের সম্পর্ক চলছে ১৩ বছর ধরে। বিয়ের আশ্বাস দেয়ায় তার সঙ্গে বাদীর একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। হঠাৎ বাদী জানতে পারেন আগামী বৃহস্পতিবার পারিবারের পছন্দে দেলোয়ার অন্য কাউকে বিয়ে করছেন।

এ কারণে তিনি বিয়ের দাবিতে দেলোয়ারের বাড়িতে অবস্থান নেন।

সোমবার সন্ধ্যায় মেয়ের বড় ভাই নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার পরামর্শে বোন অনশন ভেঙেছে। তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবে বলে জানিয়েছে। এখন সে ধর্ষণ মামলা করে আইনের আশ্রয় নিয়েছে।’

থানার ওসি পীরজাদা শেখ মোহাম্মদ মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ‘মামলার পর তরুণীর ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামির বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করতে চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
‘নিষিদ্ধ প্রেম’ এক দশক পর শেষ হলো মৃত্যুতে
জোর করে বিয়ে গড়াল তরুণ-তরুণীর বিষ পানে
স্ত্রী-সন্তান রেখে ছাত্রীকে নিয়ে পালালেন শিক্ষক
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেয়া তরুণী কারাগারে
বিয়ের দাবিতে অবস্থান, তরুণীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The fire at Thamal Square Pharma lasted for 6 hours

৭ ঘণ্টা পুড়িয়ে থামল স্কয়ার ফার্মার আগুন

৭ ঘণ্টা পুড়িয়ে থামল স্কয়ার ফার্মার আগুন
ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক (ঢাকা বিভাগ) দিনমনি শর্মা জানান, সোমবার সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের সাত ঘণ্টার চেষ্টায় গাজীপুরের স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক (ঢাকা বিভাগ) দিনমনি শর্মা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সোমবার সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে কারখানার লার্জ ভলিউম প্যারেন্টাল ইউনিটে আগুন লাগে।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, প্রথমে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ও মির্জাপুরের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

আগুন বাড়তে থাকলে কালিয়াকৈর থেকে আরও একটি, মির্জাপুর থেকে একটি, টাঙ্গাইলের সখিপুর থেকে দুটি, সাভার ইপিজেড থেকে দুটি, জয়দেবপুরের দুটি ও ফায়ার সার্ভিসের হেডকোয়ার্টার থেকে দুটি ইউনিট এসে যোগ দেয়।

স্টেশন মাস্টার বলেন, ‘কারখানার নিচতলা, দ্বিতীয় তলা, তৃতীয় তলাসহ প্রতিটি ফ্লোরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যে ভবনটিতে আগুন লাগে সেখানে ওষুধ তৈরির নানা কেমিক্যাল ও দাহ্য পদার্থ রয়েছে। যে কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়।’

এ ঘটনার তথ্য ও ছবি সংগ্রহে কারখানা এলাকায় সংবাদকর্মীদের বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

চ্যানেল-২৪-এর গাজীপুর প্রতিনিধি রফিক খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগুন লাগার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। তবে কারখানার গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি। পাশের সিমেন্ট কারখানা থেকে অনেক কষ্টে ফুটজ ও ছবি সংগ্রহ করছি।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে কারখানার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কেউ কথা বলতে চাননি।

আরও পড়ুন:
৭ ঘণ্টা ধরে পুড়ছে স্কয়ার ফার্মা
কালিয়াকৈরে আগুনে পুড়ছে স্কয়ার ফার্মা
১ ঘণ্টা পুড়িয়ে থামল পোলট্রি ফিডের দোকানের আগুন
পোল্ট্রি ফিডের দোকানে আগুন
গ্যাসের লিকেজের আগুনে দগ্ধ আনোয়ারের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Khulna Shipyard is building two high capacity tugboats

উচ্চক্ষমতার দুটি টাগবোট বানাচ্ছে খুলনা শিপইয়ার্ড

উচ্চক্ষমতার দুটি টাগবোট বানাচ্ছে খুলনা শিপইয়ার্ড খুলনা শিপইয়ার্ডে সোমবার দুপুরে দুইটি টাগবোটের ক্লাসিফিকেশন সনদপত্র হস্তান্তর করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
খুলনা শিপইয়ার্ডে সোমবার দুপুরে দুটি টাগবোটের কিল লেয়িং উদ্বোধন করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল।

পায়রা বন্দরের জন্য উচ্চক্ষমতার দুটি টাগবোট নির্মাণ করছে খুলনা শিপইয়ার্ড।

৭০ টন বোলার্ড পুলবিশিষ্ট দুটি টাগবোট তৈরি করা হবে। নির্মাণ শেষ হলে এ দুটি হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বোলার্ড পুল ক্ষমতার টাগবোট।

সোমবার দুপুরে খুলনা শিপইয়ার্ডে দুটি টাগবোটের কিল লেয়িং উদ্বোধন করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল।

তিনি বলেন, পায়রা বন্দরের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। অচিরেই এটি দেশের আমদানি-রপ্তানির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে যাচ্ছে। এই বন্দরকে কেন্দ্র করে প্রচুর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসছে।

পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, জাহাজ নির্মাণে খুলনা শিপইয়ার্ডের ঐতিহ্য রয়েছে। ভবিষ্যতেও পায়রা বন্দর ও খুলনা শিপইয়ার্ড পারস্পরিক উন্নয়নে এক সঙ্গে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এম সামছুল আজিজ। উপস্থিত ছিলেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) কমডোর এম মামুনুর রশীদসহ শিপইয়ার্ডের কর্মকর্তারা।

খুলনা শিপইয়ার্ড সূত্রে জানা যায়, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির টাগ বোট দুটিতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন হবে। এটা আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় যাতায়াতে সক্ষম।

বোট দুটি বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াবে। এ ছাড়া পায়রা বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বন্দরে পরিণত করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mystery surrounding the death of the newlyweds

নবদম্পতির মৃত্যু ঘিরে রহস্য

নবদম্পতির মৃত্যু ঘিরে রহস্য
সেতু আক্তারের বাবা তারা মিয়া বলেন, ‘তারা স্বামী-স্ত্রী সুখেই ছিল। প্রায় দিনই মোবাইলে কথা বলতাম। গত রাত ১২টার দিকেও মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছি।’

তিন মাস আগেই বিয়ে হয়েছিল। নববধূর হাতে মেহেদির রং এখনও শুকায়নি। এর মধ্যেই বিষপান করে একসঙ্গে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী-স্ত্রী! কিন্তু এ ঘটনাটিকে রহস্যজনক বলছে তাদের স্বজন ও পরিচিতরা। কারণ মাত্র তিন মাসেই সুখী দম্পতি হিসেবে সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন তারা।

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ভাটি দাপুনিয়া এলাকায় রোববার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নবদম্পতির এমন মৃত্যুকে রহস্যজনক বলছে পুলিশও।

নিহত দম্পতির মধ্যে ২২ বছর বয়সী স্বামী রনি মিয়া ভাটি দাপুনিয়া এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে। রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন তিনি। আর ১৯ বছর বয়সী স্ত্রী সেতু আক্তার নগরীর বলাশপুর কসাইপাড়া এলাকার তারা মিয়ার মেয়ে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক ফারুক হোসেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, তিন মাস আগে রনি ও সেতুর বিয়ে হয়। তাদের মধ্যে মধুর সম্পর্ক ছিল। রোববার মধ্যরাতে নিজ বাড়িতে বিষ পান করেন তারা।

বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ওই নবদম্পতিকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর ৪টার দিকে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

সেতু আক্তারের বাবা তারা মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তারা স্বামী-স্ত্রী সুখেই ছিল। প্রায় দিনই মোবাইলে কথা বলতাম। গত রাত ১২টার দিকেও মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছি। তখন তারা ভালোই ছিল। কথা বলার আধঘণ্টা পর শুনি মেয়ে অসুস্থ। পরে হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারি মেয়ে আর জামাই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে।’

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে না। কীভাবে কী হলো বুঝতে পারছি না।’

দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ছুটে গেছি। এরা এভাবে মারা যাবে কল্পনাও করিনি। মৃত্যুটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। কারণ দুইজনের সুখের সংসার ছিল।’

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যু রহস্যজনক। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: অপেক্ষা সিআইডির প্রতিবেদনের
কুষ্টিয়ায় নিজ বাড়িতে নারীর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য
মানুষের জিন রহস্যের শতভাগ উন্মোচন
‘এতিম বলায়’ বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা
হারিছ চৌধুরীর রহস্যময়তা ও কিছু প্রশ্ন

মন্তব্য

p
উপরে