× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Comilla BNP independent candidate?
google_news print-icon

কুমিল্লাতেও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী?

কুমিল্লাতেও-বিএনপির-স্বতন্ত্র-প্রার্থী?
সড়ক সংস্কারের কাজ পরিদর্শনে কুমিল্লা সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। ছবি: নিউজবাংলা
গত দুটি সিটি নির্বাচনে জয়ী বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু প্রয়োজনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি এখনও মেয়র। দিন-রাত নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ছুটছি। দল নির্বাচনে গেলে মনোনয়ন চাইব। দল নির্বাচনে না গেলে সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

বর্তমান সরকারের আমলে আর নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচনে না আসার ঘোষণা থাকায় বিএনপির একাধিক নেতা কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন।

দেশের যে দুটি সিটি করপোরেশনের মেয়র পদটি বিএনপির দখলে আছে তার একটি কুমিল্লা। করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর দুটি নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সহজ জয় পান বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু। এবার তার চোখ হ্যাটট্রিকে।

সেখানে ভোটের তফসিল ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী কে হবেন, এ নিয়ে আলোচনা যেমন আছে, তেমনি বিএনপি কি সাক্কুকে হ্যাটট্রিক করার সুযোগ দিয়ে তার হাতে মার্কা তুলে দেবে কি না- এই প্রশ্নও বড় হয়েছে।

গত ২৫ এপ্রিল কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়। ভোটের তারিখ ঠিক করা হয় ১৫ জুন। যারা প্রার্থী হতে চান তাদেরকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে ১৭ মের মধ্যে। সেই হিসাবে প্রার্থীরা এবার তিন সপ্তাহের মতো সময় পাবেন।

ফেব্রুয়ারির শেষে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের প্রথম পরীক্ষা হবে চট্টগ্রাম বিভাগের এই নগরীতে।

বিএনপি সেখানে প্রার্থী ঘোষণা করবে কি না- এ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দলের অন্তত তিন জন নেতা নানাভাবে ভোটারদের কাছে তাদের আগ্রহের কথা জানাচ্ছেন।

এদের মধ্যে বর্তমান মেয়র সাক্কু এরই মধ্যে আভাস দিয়েছেন, বিএনপি মার্কা না দিলে তিনি স্বতন্ত্র পরিচয়েই প্রার্থী হতে পারেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমি এখনও মেয়র। দিন রাত নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ছুটছি। দল নির্বাচনে গেলে মনোনয়ন চাইব। দল নির্বাচনে না গেলে সবার সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

২০১২ ও ২০১৭ সালের নির্বাচনে সাক্কুকে ভোটে জেতাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মরিয়া চেষ্টা থাকলেও তার সঙ্গে দলের এখন দূরত্বের বিষয়টি স্পষ্ট। তাকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যের পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার বিষয়টি প্রকাশ পায় গত ডিসেম্বরে।

এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো কারণ উল্লেখ না করলেও সাক্কু সে সময় গণমাধ্যমকে জানান, দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ সন্তোষজনক না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে দল থেকে চিঠি পেয়েছিলেন তিনি।

গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে কুমিল্লা বিভাগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়ও অনুপস্থিত ছিলেন সাক্কু।

গত জানুয়ারিতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি কোনো প্রার্থী না দিলেও দলটির নেতা তৈমূর আলম খন্দকার স্বতন্ত্র পরিচয়ে প্রার্থী হন। দলীয় আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হওয়ায় তার সব পদ কেড়ে নেয় দল। তবে ভোটের ময়দানে বিএনপির সব নেতা-কর্মীই তার পাশে ছিলেন। এই ভোটে আসলে দলটির নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া বহু নেতা-কর্মীকে আবার সক্রিয় হতে দেখা যায়।

সাক্কু ছাড়াও ভোটে আগ্রহী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পি। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মাঠ গোছানো রয়েছে। দল নির্বাচনে গেলে মনোনয়ন চাইবো। আশা করি দল অবশ্যই আমাকে মূল্যায়ন করবে।’

বিএনপি কী করবে না করবে- সেই ভাবনা শিকেয় তুলে রেখে ভোটের প্রস্তুতিতে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নিজামউদ্দিন কায়সার। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দল নির্বাচনে আসবে কি না সেটা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে এই সিটি নির্বাচনে আমি কুমিল্লায় নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পরিস্থিতি অনুধাবন করেই প্রার্থী হওয়ার চিন্তা করেছি।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার তিন বছর পর কুমিল্লা সিটির প্রথম নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী আফজাল খানকে প্রায় ৩৫ হাজার ভোটে হারিয়ে নিজের জনপ্রিয়তার জানান দেন।

২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন বর্জন ও পরের বছর সরকার পতন আন্দোলনে নেমে খালি হাতে ফেরা বিএনপি একে একে সিলেট ছাড়া সবগুলো সিটি করপোরেশন হারিয়ে ফেললেও সাক্কু তার অবস্থান ধরে রাখেন।

২০১৭ সালের নির্বাচনে ব্যবধান কমলেও সেবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমাকে সাক্কু হারান ১১ হাজার ৮৫ ভোটে।

জয়ের আশায় আওয়ামী লীগে বহু প্রার্থী

অর্থাৎ সিটি করপোরেশন হওয়ার পর প্রথম ভোটের তুলনায় দ্বিতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ভোটের ব্যবধান কমাতে পারে ২৪ হাজারের বেশি। তৃতীয় নির্বাচনে এসে ব্যবধান ঘুঁচিয়ে জয়ের আশাও করছে ক্ষমতাসীন দল।

কুমিল্লা শহরের এই ভোটে আওয়ামী লীগের টানা পরাজয়ের পরও ভোট এলে প্রার্থী হতে আগ্রহী নেতার অভাব পড়ে না। এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

এবার রোজায় প্রতিদিনই এখানে সেখানে হচ্ছে ইফতার পার্টি। সেখানে সম্ভাব্য প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন মূলত ভোটের প্রস্তুতি হিসেবে।

দোয়া, মোনাজাত আর ইফতার বিতরণে নিজেদের প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন তারা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন ভোটারদের। সেমাই-চিনি প্যাকেট করে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে ভোটে আগ্রহী নেতাদের নাম ও তাদের ওয়ার্ড নম্বর। কেবল মেয়র পদে আগ্রহীরাই নন, এভাবে মাঠে থাকছেন সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরাও।

নগরীর দেয়ালে লাগানো হচ্ছে নতুন নতুন পোস্টার। তাতে রোজা আর ঈদ শুভেচ্ছার আড়ালেও নিজেদের ছবিটিই ভোটারদের কাছে তুলে ধরছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ও সমর্থন প্রত্যাশী।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক কবিরুল ইসলাম সিকদার, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান মিঠু ও পদে না থাকা সৈয়দ সাফিউল হাসান চিশতী এই নেতাদের মধ্যে অন্যতম।

আরও আছেন কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, মুক্তিযোদ্ধা মেজর মমিন ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব কাজী ফারুক আহাম্মেদ।

গতবার নৌকা নিয়ে লড়াই করা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আঞ্জুম সুলাতানা সীমার তৎপরতা এবার নেই। তিনি অবশ্য সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য। ভোটে দাঁড়াতে হলে তাকে এই পদ ছেড়ে আসতে হবে।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সফিকুল ইসলাম সিকদারও ভোটে আগ্রহী বলে তার সমর্থকরা জানিয়েছেন। তবে তারও প্রকাশ্য তৎপরতা নেই।

নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মেয়র পদে মহানগর আওয়ামী লীগের সভায় আমাকে সবাই সমর্থন দিয়েছেন। আশা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দলের জন্য আমার অবদানকে মূল্যায়ন করবেন। ’

মহানগর আওয়ামী লীগের যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান মিঠু বলেন, তিনি দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে তার চারজন কর্মী দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত হয়েছে। তিনি ২৩টি মামলায় পড়েছেন। ১৩মাস জেল খেটেছেন। অনেক কর্মী সৃষ্টি করেছেন। এসব কিছু বিবেচনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন।

ইতিহাস গবেষক আহসানুল কবির বলেন, ‘নির্বাচনে শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান্ধব প্রার্থী চাই। যিনি কুমিল্লা নগরীকে আগামী ১০০ বছরের উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারেন।’

সচেতন নাগরিক কমিটি কুমিল্লার সাবেক সভাপতি বদুরুল হুদা জেনু বলেন, ‘মানুষ একটি সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ চায়। তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চায়। নাগরিকের এ দাবি নির্বাচন কমিশন কতটুকু পূরণ করতে পারে তা এখন দেখার বিষয়।’

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোসলেহ উদ্দিন আহমদে বলেন, ‘নগরীর যানজট জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি নগরীর প্রতিটি মানুষের। নগরীর পুরাতন গোমতীকে সাজানো গেলে নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতো। আগামী নির্বাচনে এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি প্রত্যাশা করছি।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Jamaat Amir gave 10 kg of mangoes to all members of Parliament

১০ কেজি হারে সংসদের সবাইকে আম উপহার দিলেন জামায়াত আমির

১০ কেজি হারে সংসদের সবাইকে আম উপহার দিলেন জামায়াত আমির ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী, সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ উপহার পাঠিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান।

সংসদ সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেকের জন্য ১০ কেজি ওজনের একটি করে সুদৃশ্য উপহার প্যাকেট পাঠানো হয়েছে। স্পিকার থেকে শুরু করে সংসদের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছেও এই উপহারগুলো সফলভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) সকাল থেকেই সংসদ ভবনের করিডোরগুলোতে এই ১০ কেজির প্যাকেটে কী আছে, তা নিয়ে তীব্র কৌতূহল দেখা দেয়। পরবর্তীতে সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে জানা যায়, বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পাঠানো এই সুদৃশ্য প্যাকেটে ছিল মূলত চলতি মৌসুমের প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সুস্বাদু আম।

অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা সংসদের প্রতিটি দপ্তরে গিয়ে এই উপহার পৌঁছে দেন।

বিরোধীদলীয় নেতার দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা জানান, এই উপহার বিতরণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও অনন্য দিক ছিল এর সমবণ্টন নীতি, যার ফলে সংসদের কোনো স্তরের মানুষই এই তালিকা থেকে বাদ যাননি।

সাধারণত দেখা যায় ভিআইপি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাই বিভিন্ন ধরনের উপহার পেয়ে থাকেন, কিন্তু ড. শফিকুর রহমানের এই বিশেষ উপহার তালিকায় সংসদের ঝাড়ুদার, পিয়ন, লিফটম্যান ও গাড়িচালকরাও সমভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

আকস্মিক এই উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে সংসদ সচিবালয়ের একজন সাধারণ অফিস সহায়ক বলেন যে, তাঁরা ছোট চাকরি করার কারণে বড় বড় নেতাদের উপহার বা সুযোগ-সুবিধা কেবল দূর থেকেই দেখে অভ্যস্ত। আজ বিরোধীদলীয় নেতা নিজে তাঁদের মতো সাধারণ কর্মচারীদের কথা মনে করে ১০ কেজির এই উপহার পাঠিয়েছেন, যা তাঁদের জন্য অত্যন্ত বড় সম্মানের ও আনন্দের বিষয়।

বাংলাদেশের চেনা ও ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সরকারি ও বিরোধীদলের সম্পর্কের বরফ যেখানে সহজে গলতে চায় না এবং দলগুলোর মধ্যে তীব্র দূরত্ব বজায় থাকে, সেখানে জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমানের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সরকারি দলের অনেক সংসদ সদস্যও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সুস্থ ধারা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP party MP wanted to ban Jamaat politics in Parliament

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপি দলীয় এমপি

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপি দলীয় এমপি ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।

সোমবার (২২ জুন) সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যকালে জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যে দলটি ১৯৭১ সালে এদেশের মহান স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল এবং বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরোধিতা করেছিল, তারা এই স্বাধীন দেশে রাজনীতি করতে পারে না।

তিনি সংসদের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, ফ্যাসিস্টদের মতো জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিও বাংলাদেশে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হোক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণার তীব্র সমালোচনা করে রফিকুল ইসলাম জামাল আরও বলেন, শুধু নামের পরে ইসলাম থাকলেই প্রকৃত ইসলাম হয় না। যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন এবং গত নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত দেওয়ার মতো কথা বলেছেন, তাদের কর্মকাণ্ড সবাই দেখেছে।

নির্বাচনী প্রচারণার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিড়ির সুখটানের মধ্য দিয়েও সকল পাপ মওকুফ হওয়া যাবে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। এভাবে ইসলামের নামে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য নিয়ে যারা রাজনীতি করছে, তারা মূলত স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফয়জুল হক মন্তব্য করেছিলেন যে বিড়িতে সুখটানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারেন, যে কারণে পরবর্তীতে জামায়াত তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছিল।

একই অধিবেশনে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ পবিত্র মসজিদ ও মাদ্রাসায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানান।

তিনি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর এবং সেখানে মানুষ কেবল নামাজ ও কোরআন শরিফ পড়বে, কিন্তু একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল মসজিদে গিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

তিনি দেশের কোনো মসজিদ বা মাদ্রাসায় যেন রাজনৈতিক মিটিং করা না যায়, সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে রেজা আহমেদ আরও বলেন, অন্য সব রাজনৈতিক দল যেভাবে প্রকাশ্যে মাঠে, স্কুলে বা কোনো হলরুমে কর্মীসভা ও জনসভা করে, তাদেরও ঠিক সেই ব্যবস্থা করতে হবে এবং পবিত্র মসজিদে বসে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা তারা করতে পারবে না।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nationwide NCP protest call to demand justice for Awami Leagues genocide

আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী এনসিপির বিক্ষোভের ডাক

আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী এনসিপির বিক্ষোভের ডাক ছবি: সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের শাসনমলে সংঘটিত সকল গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগামী ২৩ জুন মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় একযোগে দেশের সকল জেলা ও মহানগর পর্যায়ে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। সোমবার (২২ জুন) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দীনা স্বাক্ষরিত এক জরুরি নির্দেশনার মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাতে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড, গুম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চালানো গণহত্যার দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করাই এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য। সংগঠনের সকল জেলা ও মহানগর কমিটিকে নিজ নিজ এলাকায় নির্ধারিত সময়ে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি সফল করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এনসিপি নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, গত দেড় দশকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথের আন্দোলন থেকে পিছু হটবেন না।

দলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে যে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রশ্নে তারা কোনো ধরনের আপস করবে না। জনগণের ন্যায্য দাবি আদায় এবং বিগত সরকারের দুঃশাসনের শিকার ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে থেকে তাদের অতীত অপকর্মের বিচারের দাবি জোরালো করাই এই বিক্ষোভের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 party alliance including Jamaat is taking to the streets on the day of the founding anniversary of banned activities

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে নামছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে নামছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট ছবি: সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় জোটের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে একটি বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। সোমবার মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটির এক বৈঠক শেষে এই কর্মসূচির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে গণমাধ্যম।

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গণহত্যার বিচার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা, গত সরকারের আমলে হওয়া গুম ও খুনের বিচার নিশ্চিত করা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তবে জোটের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো জানিয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যাতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে কোনো ঝটিকা মিছিল বা শোডাউন করতে না পারে, তা ‘ঠেকাতে’ এবং রাজপথ নিজেদের দখলে রাখতেই মূলত এই কৌশলগত কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় বিজয়নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং আগামী ৪ জুলাই সারাদেশের জেলা শহরগুলোতে মিছিল ও সমাবেশ পালন করবে জোটটি। হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে এই বিচার শেষ করে দোষীদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।” আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে কর্মসূচি পালন প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, এটি একটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং কোনো নিষিদ্ধ দলের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করার দায়িত্ব সরকারের।

অন্যদিকে, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সমালোচনা করে অবিলম্বে দুর্নীতির অবসানের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষায় আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের বিশেষ কর্মসূচি পালন করবে এই ১১ দলীয় জোট। এই কর্মসূচির চূড়ান্ত রূপরেখা আগামী ২৫ জুন বৈঠকের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Before the election my wife took a loan from Islami Bank to buy a flat Dr Shafiqul Islam Masood

নির্বাচনের আগে আমার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ফ্ল্যাট কেনার জন্যে: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

নির্বাচনের আগে আমার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ফ্ল্যাট কেনার জন্যে: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার (১৬ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকার বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের আগে বিনা জামানতে আপনার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন, আসলেই কি বিষয়টা এমন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ ঋণ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। অত্যন্ত নিয়ম মেনেই তিনি এই হোম লোন নিয়েছেন জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, একটা ব্যাংক থেকে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, তার এই দুই কোটি টাকার লোন নেওয়াটা তো আলোচনার মধ্যে আসার বিষয়ই না।

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এদিকে নির্বাচনের আগে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার স্ত্রীর নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, জামায়াতের নেতারা নিজের নামে নয় বরং আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু বান্ধব বা দলের সাধারণ কর্মীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে। এজন্য তাদেরকে ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপী দেখানোর কোন সুযোগ নেই। আবার তাদের ক্ষমতা দেখেন, বিনা জামানতে তারা কোটি কোটি টাকা ঋণ পায়, কিন্তু আমি আপনি কি পাবো?

মাসুদ দাবি করেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nation must prepare for another revolution Jamaat Amir warns

আরেকটি বিপ্লবের জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নিতে হবে: জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি

আরেকটি বিপ্লবের জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নিতে হবে: জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও দলীয় প্রভাবমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে রাজপথে আন্দোলনের আগ্নেয়গিরি তৈরি করা হবে এবং আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে ১১ দলের বৃহৎ বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশবাসীর প্রতি এই আহ্বান জানান।

জামায়াত আমির তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত নির্বাচনে চুরি, ডাকাতি ও নানা রকম ইঞ্জিনিয়ারিং করে তাদের নিশ্চিত ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এত বড় অন্যায়ের পরও দেশে যাতে কোনো ধরনের গৃহযুদ্ধ বা চরম বিশৃঙ্খলা শুরু না হয়, মূলত সেই বৃহত্তর স্বার্থে তাঁরা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই সনদ যদি দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হয়, তবে এবার আর সংসদে নয়, বরং রাজপথেই চূড়ান্ত ফয়সালার ব্যবস্থা করা হবে।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিভাগীয় সমাবেশে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক এবং এনসিপির নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রমুখ।

সমাবেশে উপস্থিত দলের শীর্ষ নেতারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেন এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dr Yunus never called me a mastermind Mahfuz Alam

ড. ইউনূস আমাকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড বলেননি: মাহফুজ আলম

ড. ইউনূস আমাকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড বলেননি: মাহফুজ আলম ছবি: সংগৃহীত

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমাকে কখনোই ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেননি। এমনটাই দাবি করেছেন, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

সম্প্রতি একটি অনলাইন টকশোতে অংশ নিয়ে এই বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে যেয়ে মাহফুজ আলম বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁকে নিয়ে দুটি কথা বলেছেন, কিন্তু তাঁর বক্তব্যের কোথাও ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটি ব্যবহার করেননি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মাস্টারমাইন্ড শব্দটি সাধারণত একটি নেতিবাচক বা কুখ্যাত অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

নিজের বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূস মূলত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দিতে ‘ব্রেইনস বিহাইন্ড’ বা নেপথ্যের চিন্তাকারী শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেছিলেন।

পশ্চিমা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনায় এ ধরনের শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং ইতিবাচক হলেও বাংলাদেশে এটিকে ভিন্নভাবে এবং ভুল অর্থে উপস্থাপন করা হয়েছে।

একই সাথে তিনি তাঁর দাবি প্রসঙ্গে বলেন, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমও এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। পরিশেষে মাহফুজ আলম আক্ষেপ প্রকাশ করে দাবি করেন, তাঁকে ঘিরে তৈরি করা সমস্ত ব্যাখ্যা বা ন্যারেটিভগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিন্নভাবে ফ্রেম বা সাজানো হয়েছে, যার সাথে প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া বাস্তব বক্তব্যের কোনো মিল নেই।

মন্তব্য

p
উপরে