× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Tentultala Field Investigation demand for illegal detention of mother and son
hear-news
player

তেঁতুলতলা মাঠ: মা-ছেলেকে ‘বেআইনিভাবে’ আটকের তদন্ত দাবি

তেঁতুলতলা-মাঠ-মা-ছেলেকে-বেআইনিভাবে-আটকের-তদন্ত-দাবি সৈয়দা রত্না ও তার ছেলে ঈসা আব্দুল্লাহকে আটকের পর ছেড়ে দেয় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কাউকে গ্রেপ্তার করলে তার নিকটস্থ আত্মীয়-স্বজনকে জানাতে হবে। কলাবাগান থানা কর্তৃক রত্নাকে আটকের পর তার শিশু সন্তানকে আটক করে এবং তার সঙ্গে সারা দিন কাউকে সাক্ষাৎ করতে দেয়া হয়নি, যা অনৈতিক ও বেআইনি।

রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষার আন্দোলন করায় সৈয়দা রত্না ও তার কিশোর ছেলেকে ‘বেআইনিভাবে’ আটকের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়েছে ২৪ বিশিষ্ট নাগরিক ও সংগঠন।

এ বিষয়ে তদন্ত চেয়ে শনিবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) আইন উপদেষ্টা এস এম রেজাউল করিম সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চিঠি দেয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ এপ্রিল কলাবাগান এলাকার তেতুলতলা মাঠ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দা রত্না ও তার ছেলেকে দিনভর থানায় আটকে রাখা হয়। বিক্ষোভের মুখে রোববার দিবাগত রাত প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে কলাবাগান থানা থেকে দুজনকে মুক্তি দেয়া হয়।

কলাবাগান এলাকার একটি খেলার মাঠে থানা ভবন নির্মাণের প্রতিবাদে সোচ্চার ছিলেন ওই এলাকার বাসিন্দা সৈয়দা রত্নাসহ স্থানীয় জনগণ। এই মাঠে কলাবাগান থানার স্থায়ী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় লোকজন শান্তিপূর্ণভাবে এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ওই দিন বেলা ১১টার দিকে ওই নারীকে আটক করে পুলিশ। পরে তার ছেলেকেও ধরে পুলিশ ভ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়। দিনভর মা-ছেলেকে থানা হাজতে আটকে রাখা হয়।

তাদের আটকের খবর পেয়ে বেলা দুইটার দিকে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ থানায় প্রতিবাদ জানায়। সে সময় থানায় দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি এবং কেউ ফোন রিসিভ করেননি বলে মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান।

মাঠটি রক্ষার দাবিতে এলাকাবাসী গত ৪ ফেব্রুয়ারি পান্থপথের কনকর্ড টাওয়ারের সামনে মানববন্ধন করে এবং ‘কলাবাগান এলাকাবাসী’র ব্যানারে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে স্থানীয় শিশু-কিশোর ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে খেলতে যাওয়া কয়েকটি শিশুর কান ধরে ওঠবস করায় পুলিশ। এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।

গত ২৮ এপ্রিল কলাবাগান এলাকার তেঁতুলতলা মাঠে কোনো ভবন স্থাপিত হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সংবিধানে ৩৫(৫) অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী যেকোনো ব্যক্তির প্রতি নিষ্ঠুরতা নিষিদ্ধ। যদি আটককৃত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নাবালক হন, তবে পুলিশ কর্মকর্তাকে শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত বিধান মেনে চলতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী শিশুদের প্রতি সব ধরনের নিষ্ঠুর ও অবমাননাকর শাস্তিকে বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে।

সুতরাং শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী, এভাবে কোনো শিশুকে গ্রেপ্তার ও আটক বেআইনি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কাউকে গ্রেপ্তার করলে তার নিকটস্থ আত্মীয়-স্বজনকে জানাতে হবে। কলাবাগান থানা কর্তৃক রত্নাকে আটকের পর তার শিশু সন্তানকে আটক করে এবং তার সঙ্গে সারা দিন কাউকে সাক্ষাৎ করতে দেয়া হয়নি, যা অনৈতিক ও বেআইনি।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অমান্য করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তেঁতুলতলা মাঠ: মা-ছেলেকে ‘বেআইনিভাবে’ আটকের তদন্ত দাবি
তেঁতুলতলা মাঠে কোনো ভবন স্থাপিত হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে পুলিশ কর্তৃক সৈয়দা রত্না ও তার শিশুকে তুলে আনা, আটক, মুচলেকা নেয়া, হয়রানি করা এবং সারা দিন থানায় দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তাকে পাওয়া না যাওয়াসহ প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

পাশাপাশি কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে খেলতে যাওয়া শিশুদের কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনারও তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন, অ্যাডভোকেট জেড আই খান, ড. হামিদা হোসেন, অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, শিরীন হক, খুশি কবীর, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মোবাশ্বের হোসেন, রাশেদা কে চৌধুরী, শামসুল হুদা, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান

আরও স্বাক্ষর করেন, অধ্যাপক ফেরদৌস আজিম, ড. শহিদুল আলম, রেহনুমা আহমেদ, সারা হোসেন, জাকির হোসেন, ড. পারভীন হাসান, ডা. মালেকা বানু, ড. সামিনা লুৎফা, মির্জা তাসলিমা সুলতানা, আলমগীর কবীর, আরিফ নূর, রুনু আলী, জামসেদ আনোয়ার তপন।

আরও পড়ুন:
তেঁতুলতলায় ফিরেছে প্রাণ
মাঠ ফিরে পেয়ে রত্না বললেন ‘লাভ ইউ বুবু’
আপাতত থানা নয় তেঁতুলতলায়
খেলার জায়গা দরকার, থানাও প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তেঁতুলতলা নিয়ে আন্দোলন বড় হচ্ছে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
There is no way for BNP without elections Nanak

নির্বাচন ছাড়া বিএনপির সামনে পথ নেই: নানক

নির্বাচন ছাড়া বিএনপির সামনে পথ নেই: নানক শুক্রবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিএনপি অহেতুক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। বিএনপির কর্মকাণ্ড মানুষ ভুলে নাই। তাদের নেতা নাই। নেতৃত্বশূন্য দল বিএনপি। তাই এখন পানি ঘোলা করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে। কোনো লাভ হবে না, বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে।’

নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া বিএনপির সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।

শুক্রবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির সামনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক সমাবেশে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সমাবেশের আয়োজন করে মহিলা আওয়ামী লীগ।

নির্বাচন ছাড়া বিএনপির সব পথ বন্ধ উল্লেখ করে নানক বলেন, ‘গত রমজান থেকেই বিএনপির প্রার্থীরা তাদের এলাকায় নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা আসলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। এ ছাড়া তাদের কোনো পথ খোলা নেই। এখন হয়তো পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছেন।’

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিএনপি অহেতুক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। বিএনপির কর্মকাণ্ড মানুষ ভুলে নাই। তাদের নেতা নাই। নেতৃত্বশূন্য দল বিএনপি। তাই এখন পানি ঘোলা করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে। কোনো লাভ হবে না, বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে।’

মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে সমাবেশের সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম। এ সময় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকিসহ মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
দুই-এক মাসের মধ্যে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ: সিইসি
নির্বাচন নিয়ে ফন্দিফিকির করে বিএনপি: হানিফ
নিউ মার্কেটে সংঘর্ষ: বিএনপি নেতা মকবুলের জামিন নাকচ
বিএনপি ক্ষমতালোভী ফ্যাসিবাদী: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Peoples Commission has no legal basis Home Minister

গণকমিশনের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গণকমিশনের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুক্রবার দুপুরে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ২৭তম বার্ষিক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘গণকমিশনের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। তারা একটি বই প্রকাশ করেছে ২ হাজার দিন সন্ত্রাস নামে। বইয়ের ভেতরে কী লিখেছে, তা আমি জানি না। এগুলো আমাদের দেখতে হবে।’

দেশের এক হাজার মাদ্রাসা ও শতাধিক ইসলামি বক্তার বিভিন্ন তথ্য দিয়ে ‘ধর্ম ব্যবসায়ীদের’ দুর্নীতির তদন্তের আহ্বান জানানো গণকমিশনের আইনি ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুক্রবার দুপুরে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ২৭তম বার্ষিক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘গণকমিশনের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। তারা একটি বই প্রকাশ করেছে ২ হাজার দিন সন্ত্রাস নামে। বইয়ের ভেতরে কী লিখেছে, তা আমি জানি না। এগুলো আমাদের দেখতে হবে।

‘তারা কাদের নামে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির দায় দিয়েছেন এগুলো আমরা কেউই কোনো তদন্ত করিনি। সুতরাং এ বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না। তারা দিয়েছেন। আমরা না দেখে বলতে পারব না। দেখে বলতে হবে।’

গণকমিশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে হেফাজত আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে। তারা আন্দোলনে নামলে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইন কেউ হাতে নিলে আমাদের যা করণীয়, সেটাই করব। এটা স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি।

‘আমরা একটি কথা জোর দিয়ে বলতে চাই, যে অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই, সে অভিযোগ আমরা আমলে নিই না।’

প্রেক্ষাপট

গত ১১ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লার কাছে শ্বেতপত্র ও সন্দেহভাজন শতাধিক ব্যক্তির তালিকা হস্তান্তর করে ‘বাংলাদেশে মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন’।

কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সদস্যসচিব ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল এ তালিকা হস্তান্তর করে।

গণকমিশনের তালিকায় সন্দেহভাজন হিসেবে ১১৬ জনের নাম রয়েছে। শ্বেতপত্র ও তালিকাটি একই সঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনেও দেয়া হয়েছে।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এবং জাতীয় সংসদের আদিবাসী ও সংখ্যালঘুবিষয়ক ককাসের যৌথ উদ্যোগে গঠন করা হয় গণকমিশন।

এর আগে ‘বাংলাদেশে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ২০০০ দিন’ শীর্ষক শ্বেতপত্রটির মোড়ক উন্মোচন করা হয় ১২ মার্চ।

আরও পড়ুন:
আ.লীগের নেতৃত্বে থাকলে বাংলাদেশ এগিয়ে চলবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
হরতালে ভাঙচুর হলে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কারও হুংকারে দেশ স্বাধীন হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৬ মার্চ সকালে আমিনবাজার সড়কে সাধারণ যানবাহন বন্ধ
খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Passengers arrested at the airport with 1258 grams of gold

বিমানবন্দরে ১২৫৮ গ্রাম স্বর্ণসহ যাত্রী গ্রেপ্তার

বিমানবন্দরে ১২৫৮ গ্রাম স্বর্ণসহ যাত্রী গ্রেপ্তার সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসা এক যাত্রীর লাগেজ থেকে ৮টি, প্যান্টের পকেট থেকে ২টি স্বর্ণের বারসহ ১.২৫৮ কিলোগ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। ছবি: নিউজবাংলা
এয়ারপোর্ট কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাত্রী ওমর ফারুক গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তার লাগেজ স্ক্যান করা হয় এবং তাকেও আর্চওয়ে দিয়ে পার করানো হয়। স্ক্যানের সময় ফারুকের লাগেজ ও প্যান্টের পকেটের ভেতর স্বর্ণের ইমেজ পাওয়া যায়।’

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে আসা এক যাত্রীকে ১.২৫৮ কিলোগ্রাম স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার করেছে কাস্টম হাউসের ঢাকার প্রিভেন্টিভ টিম।

গ্রেপ্তার যাত্রীর নাম ওমর ফারুক। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার সময় এয়ার এরাবিয়ার জি-৯৫১৮ ফ্লাইটে বিমানবন্দরে নামার পর লাগেজ স্ক্যানের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এয়ারপোর্ট কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাত্রী ওমর ফারুক গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তার লাগেজ স্ক্যান করা হয় এবং তাকেও আর্চওয়ে দিয়ে পার করানো হয়। স্ক্যানের সময় ফারুকের লাগেজ ও প্যান্টের পকেটের ভেতর স্বর্ণের ইমেজ পাওয়া যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরে কাস্টম ব্যাগেজ কাউন্টারে ফারুকের লাগেজ খুলে ৮টি, প্যান্টের পকেট থেকে ২টি স্বর্ণের বারসহ ৯৮ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। যার ওজন ১.২৫৮ কেজি এবং বাজারমূল্য প্রায় ৯৩ লাখ টাকা।’

এ ঘটনায় ফৌজদারি মামলাসহ ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে কাস্টম আইনে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দরের টয়লেটে ৪৬টি স্বর্ণের বার
বিমানের ভেতর কাপড়ে লুকানো ছিল ১০ কেজি স্বর্ণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police arrested at Nagar Bhaban

নগর ভবনে পুলিশ আটক

নগর ভবনে পুলিশ আটক ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন। ছবি: সংগৃহীত
দরপত্র জমা দিতে গিয়ে এএসআই কামরুল বিতর্কে জড়ান। অপ্রীতিকর ঘটনার পর তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিএমপি কমিশনারকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি বিভাগ।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে দরপত্র জমা দেয়ার সময় আটক করা হয়েছে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই)। তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তরের পাশাপাশি অভিযোগ দেয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে।

অভিযুক্ত পুলিশের নাম কামরুল হাসান। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আটক করা হয়।

নগর ভবনের কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার ডিএসসিসির মালিকানাধীন ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২, ব্লক-এ, ব্লক-বি, ব্লক-সি এর বেইজমেন্টগুলোতে কার পার্কিংয়ের দরপত্র দাখিলের তারিখ ছিল।

এএসআই কামরুল এ সময় দরপত্র জমা দিতে যান। উপস্থিত অন্যদের সঙ্গে তার ঝামেলা হয়। অপ্রীতিকর ঘটনার পর তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিএমপি সদর দপ্তরে চিঠি দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি বিভাগ। কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে ‘টেন্ডার ফেলে’ আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অভিযোগ করা হয়েছে।

শাহবাগ থানার এসআই দীপক বালা নিউজবাংলাকে বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে দুপুরের পরে আমাদের কাছে কামরুলক হাসানকে হস্তান্তর করা হয়। সিনিয়র স্যাররা বিষয়টি দেখছেন। তদন্তের পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে শুনেছি।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে বিষয়ে আমি জানি না।

আরও পড়ুন:
একটি দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান থাকলে সেটি ঢাকা দক্ষিণ: মেয়র

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalists want discounts to save newspapers

সংবাদপত্র বাঁচাতে করে ছাড় চান সাংবাদিকরা

সংবাদপত্র বাঁচাতে করে ছাড় চান সাংবাদিকরা ছবি: সংগৃহীত
আলোচনায় সংবাদপত্রশিল্পে বিজ্ঞাপনের বকেয়া বিল পরিশোধ, করপোরেট কর ও অগ্রিম কর কমানো, আমদানি করা নিউজপ্রিন্টের মূল্য সংযোজন কর–ভ্যাট কমানো, যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ ও বরাদ্দ বাড়ানোর পরামর্শ দেন সাংবাদিকরা।

সংবাদপত্রশিল্প অত্যন্ত খারাপ সময় পার করছে। সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে এই শিল্পে একটা বেদনাদায়ক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

সংবাদপত্রশিল্পকে বাঁচাতে হলে কর ছাড়ের সুবিধা দিতে হবে। তা না হলে এ শিল্প বাচঁবে না।

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

আলোচনায় সংবাদপত্রশিল্পে বিজ্ঞাপনের বকেয়া বিল পরিশোধ, করপোরেট কর ও অগ্রিম কর কমানো, আমদানি করা নিউজপ্রিন্টের মূল্য সংযোজন কর–ভ্যাট কমানো, যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ ও বরাদ্দ বাড়ানোর পরামর্শ দেন সাংবাদিকরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আবদুর রউফ তালুকদার।

চ্যানেল আইয়ের পরিচালক (বার্তা) শাইখ সিরাজ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আসন্ন বাজেটে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি সারের সঙ্গে খাদ্যপণ্যে ব্যাপক ভর্তুকি দেয়ার প্রস্তাব করেন।

যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা রোধে বাজেটে পৃথক বরাদ্দের প্রস্তাব করেন সমকাল ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন।

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নাইমুল ইসলাম খান বলেন, ‘সংবাদশিল্প অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় কঠিন সময় পার করছে।’ সংবাদপত্রশিল্পে পঞ্জিভূত বকেয়া বিজ্ঞাপনের বিলের টাকা দ্রুত ছাড়ের দাবি জানান তিনি।

সংবাদপত্রশিল্পের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য করপোরেট করহার ১০ শতাংশ, অগ্রিম আয়কর ২ শতাংশ ও আমদানি করা নিউজপ্রিন্টের মূল্য সংযোজন কর কমানোর দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, ‘সংবাদশিল্প গভীর সংকটের দিকে যাচ্ছে। কর ছাড় না দিলে এই শিল্প বাঁচবে না।’

বিদ্যুতের দাম সহনীয় মাত্রায় কমানোর প্রস্তাব করেন ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস পত্রিকার সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ।

আরও পড়ুন:
‘প্রতিদিনের বাংলাদেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি
অনুমোদন পেল আরও ৮৫ সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট
বাতিলের তালিকায় ২১০ পত্রিকা
ভূতুড়ে পত্রিকার কী দরকার: তথ্যমন্ত্রী
১০ দৈনিক পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young man died after falling from the roof while flying a kite

ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে তরুণের মৃত্যু

ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে তরুণের মৃত্যু প্রতীকী ছবি
কাওছারের প্রতিবেশী আনিসুর রহমান বলেন, ‘বিকেলের দিকে বাসার ছাদে ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে অসাবধানতাবশত চারতলার ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।’

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার তল্লা এলাকার একটি চারতলার বাসার ছাদে ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে নিচে পড়ে তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

ওই তরুণের নাম মো. কাওছার। তার বয়স ২০ বছর।

তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা সদরের ইসলামপুর গ্রামে। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা তল্লা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত পৌনে আটটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

কাওছারের প্রতিবেশী আনিসুর রহমান বলেন, ‘বিকেলের দিকে বাসার ছাদে ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে অসাবধানতাবশত চারতলার ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে‌। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
প্রাণ নিয়ে থামল চট্টগ্রাম ইপিজেডের পাশের এলাকার আগুন
আগুনে পুড়ছে চট্টগ্রাম ইপিজেডের পাশের এলাকা
শিশু হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
মারামারি থামাতে গিয়ে মারা গেলেন নিজেই
আম কুড়াতে বেরিয়ে ডুবে মৃত্যু ভাই-বোনের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Land tax is being waived up to 25 bighas

২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির কর মওকুফ হচ্ছে

২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির কর মওকুফ হচ্ছে নতুন আইন পাস হলে কৃষিজমির পরিমাণ ২৫ বিঘা পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হবে না। ছবি: নিউজবাংলা
জমি ২৫ বিঘার ওপরে থাকলে সব জমির জন্য ট্যাক্স দিতে হবে। তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে জরিমানা করে আদায় করা হবে।’

পরিবারভিত্তিক কৃষিজমির পরিমাণ ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির কর মওকুফের বিধান রেখে ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২২-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আগের একটি অধ্যাদেশকে পরিমার্জন করে নতুন আইন করা হচ্ছে। নতুন আইন পাস হলে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষিজমির পরিমাণ ৮ দশমিক ২৫ একর বা ২৫ বিঘা পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হবে না।

‘তবে জমি ২৫ বিঘার ওপরে থাকলে সব জমির জন্য ট্যাক্স দিতে হবে। তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে জরিমানা করে আদায় করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি করবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ, মন্দির, গির্জা বা সর্বসাধারণের প্রার্থনার স্থানকে ভূমি উন্নয়ন করের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কবরস্থানকে ট্যাক্স দিতে হবে।’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘পারিবারিক কবরস্থানের রেকর্ড ব্যক্তিনামে থাকে। এলাকাবাসী মিলে মসজিদের পাশে যে কবরস্থান করে সেটি মসজিদের নামে হওয়ায় সেটির কর দিতে হবে না।’

একজনের নামে ৬০ বিঘার বেশি কৃষিজমি থাকলে সরকার তা নিয়ে নেবে বলে আগের যে অধ্যাদেশ ছিল, সেটি পরিমার্জন করে নতুন আইন করা হবে বলেও জানান সচিব। বলেন, ‘৬০ বিঘার বেশি কৃষিজমি একজনের নামে রাখা না গেলে রপ্তানিমূলক কৃষিপণ্য বা অন্য কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প হয়, তবে সে ক্ষেত্রে ৬০ বিঘার বেশি জমি রাখা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘পল্লি এলাকায় বাস্তুভিটা হিসেবে ব্যবহারের জন্য কোনো খাস জমি পাওয়া গেলে সরকার ভূমিহীন, মুক্তিযোদ্ধা বা তার পরিবার, ভূমিহীন কৃষক ও তাদের পরিবারকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে লিজ দেবে। তবে কাউকে ৫ শতাংশের বেশি লিজ দেয়া যাবে না।’

এই আইন পাস হলে পাঁচ বছরের চুক্তি করে জমি বর্গা দিতে হবে। বর্গাদার মারা গেলে তার ওয়ারিশদারের ওপর বর্গার চুক্তি বর্তাবে।

এই আইনের আদেশ লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হবে হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মন্তব্য

উপরে