× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Hummer Eid joy has flown in Kalbaishakhi
google_news print-icon

‘কালবৈশাখীতে হামার ঈদ আনন্দ উড়ে গেছে’

কালবৈশাখীতে-হামার-ঈদ-আনন্দ-উড়ে-গেছে
রবিউল ইসলাম বলেন, ‘হঠাৎ দমকা হাওয়ায় সব লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। বেশির ভাগ মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। আমাদের ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে। আমাদের সাহায্য করেন।’

‘কালবৈশাখীর ঝড়ে হামার ঈদ আনন্দ উড়ে চলি গেছে। হামরা এলা অসহায়। থাকার ঘর ভাঙি গেছে। ঘরের ভেতর পানি পড়ে সব খাবার নষ্ট হইয়ি গেছে। হামার আর কিছুই থাকলনি,’ বলেন দিনমজুর রুস্তম আলী।

ঠাকুরগাঁওয়ে শুক্রবার মধ্যরাতের ঘণ্টাব্যাপী কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের একজন তিনি।

বলেন, ‘টিনের খবর নাই। কোনদিকে উড়ে চলে গেছে জানি না। হামাক সাহায্য করেন।’

‘কালবৈশাখীতে হামার ঈদ আনন্দ উড়ে গেছে’

রুস্তমের মতো ক্ষতিগ্রস্ত ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের আকচা মুন্সিপাড়া গ্রামের রহমান আলী, মোহম্মদ আলী, মানিক ইসলাম, শরীফ হোসেন, দুলাল হোসেন, তোফাজ্জল ইসলামসহ অনেকে।

কারো ঘরের চাল উড়ে গেছে, কারো ঘরের মধ্যে গাছ উপড়ে ভেঙে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্ন ফসল।

সদরের আখানগর ইউনিয়নের রবিউল ইসলাম বলেন, ‘হঠাৎ দমকা হাওয়ায় সব লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। বেশির ভাগ মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। আমাদের ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে। আমাদের সাহায্য করেন।’

কৃষক হাসেম আলী জানান, তার তিন বিঘা ভুট্টার ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জেলা বন অধিদপ্তরের সহকারী কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, ‘একটু সময় লাগবে পুরো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানাতে৷ আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি।’

জেলা প্রশাসক মাহাবুব রহমান জানান, উপজেলা পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা করা হচ্ছে। সরকারের তরফ থেকে যতদূর সম্ভব সহযোগিতা করা হবে।

আরও পড়ুন:
ঠাকুরগাঁওয়ে ঝড়ে উপড়েছে গাছ, উড়ে গেছে ঘরের চাল
পীরগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ৩ গ্রাম
কালবৈশাখীতে বিসিক শিল্প পার্কে ২০ শ্রমিক আহত
খুলনায় বৃষ্টিতে স্বস্তি
কালবৈশাখী ঝড়ে মিন্টো রোডে পড়ল গাছ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In Jhalkathi Remals influence begins with reluctance to go to shelters

ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা

ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা ঝালকাঠিতে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছে সাধারণ মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয়ের জন্য জেলায় ৮২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৬২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে না চাইলে জোর করে নেয়া হবে। এমনটাই নির্দেশ দেয়া হয়েছে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।’

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রোমাল’- এমন খবরেও আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি কেউ। শনিবার রাত ৮টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে না গিয়ে মানুষজন নিজ নিজ ঘরেই অবস্থান করছিল।

বিগত কয়েকবার ৭ থেকে ১০ নম্বর সংকেত জারি হলেও শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণঝড় আঘাত হানেনি উপকূলীয় এই জনপদে। এবারও আঘাত হানবে না- এমনটা ধারণা করে নদী-তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষেরা আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। ভিটেবাড়ি ও গবাদিপশু ছেড়ে যাবেন না বলে নিজ নিজ ঘরেই অবস্থান করছেন এই অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ।

শনিবার দিনভর আবহাওয়া ভালো থাকলেও সন্ধা ৭টা থেকে ঝালকাঠিতে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। সঙ্গে থেমে থেমে ঘূর্ণি বাতাস। বৃষ্টি শুরুর পরই ছুটোছুটি করে গন্তব্যে ফিরছে শহরের মানুষ।

জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয়ের জন্য জেলায় ৮২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৬২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে না চাইলে জোর করে নেয়া হবে। এমনটাই নির্দেশ দেয়া হয়েছে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।’

ঝালকাঠির পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল বলেন, ‘আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়া মানুষদের বসতঘরের মালামাল যাতে লুণ্ঠিত না হয়, সেদিকে পুলিশ কড়া নজর রাখবে।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি
বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র
বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ
উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Presentation of Urban Development Plan in Coxs Bazar

কক্সবাজারে আর্বান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান উপস্থাপন

কক্সবাজারে আর্বান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান উপস্থাপন
যুক্তরাজ্যের রিসার্স অ্যান্ড ইনোভেশন গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ রিসার্স ফান্ডের অর্থায়নে গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করা হয়।

সম্প্রসারিত কক্সবাজারের পরিকল্পিত নগরায়নের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির হ্রাস বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের অভিজাত এক আবাসিক হোটেলের সম্মেলন কক্ষে ‘টুমরোস সিটিজ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনটির গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ‘মাল্টি-হ্যাজার্ড রেসিলিয়েন্ট অ্যান্ড ইকুইটেবল ফিউচার সিটিজ’ শীর্ষক সেমিনারে রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত কমোডর মোহাম্মদ নুরুল আবছার।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মাহমুদুর রহমান হাবিব, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান, এনএসইটি-নেপালের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. রমেশ গুরাগাইন, চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বশির জিসান।

সেমিনারে স্টক হোল্ডারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অন্তত ৭০ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।

আয়োজকরা সেমিনারে ২০৫০ সালের জন্য কক্সবাজারের জালিয়াপালং ইউনিয়নের দুর্যোগ প্রতিরোধী ও সকলের জন্য সুবিধাসম্পন্ন গবেষণালব্দ একটি সম্ভাব্য আর্বান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান উপস্থাপন করেন।

যুক্তরাজ্যের রিসার্স অ্যান্ড ইনোভেশন গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ রিসার্স ফান্ডের অর্থায়নে গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করা হয়। গবেষণাকর্মটি চুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিম যৌথভাবে সম্পন্ন করেছে। আর এতে সর্বাত্মক সহায়তা করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, গবেষণা প্রকল্পটিতে এলাকাবাসীর চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন দুর্যোগের জন্য পলিসির সমন্বয়ে ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিধ্বসসহ নানা দুর্যোগের জন্য জালিয়াপালংয়ের ঝুঁকির পাশাপাশি সম্ভাব্য আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি নিরুপণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Heavy rain has started in Teknaf
নিম্নচাপের প্রভাব

টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি

টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি নিম্নচাপের প্রভাবে কক্সবাজারের টেকনাফ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ধেয়ে আসার শঙ্কার মাঝেও শনিবার সকাল থেকে কক্সবাজারের পরিবেশ-প্রকৃতিতে এর আলামত দেখা যায়নি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে প্রকৃতির রূপ। টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপে তীব্র গতির বাতাস বইছে। শুরু হয়েছে অঝোর ধারার বৃষ্টি। উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি শনিবার রাতেই ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এ রূপ নিতে পারে। এর আগেই শনিবার বিকেলে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ধেয়ে আসার শঙ্কার মাঝেও শনিবার সকাল থেকে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের পরিবেশ-প্রকৃতিতে এর আলামত দেখা যায়নি। অন্যান্য দিনের মতোই ছিল শান্ত। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে এখানকার প্রকৃতির রূপ।

গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে উপকূলের দিকে এগুতে থাকায় কক্সবাজারের টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় তীব্র গতির বাতাস বইছে। একইসঙ্গে ঝরছে অঝোর ধারার বৃষ্টি। উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর।

শনিবার বিকেল ৪টা থেকে টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে বাতাসের গতি।

শনিবার সকাল থেকে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন এলাকায় কিছুটা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়। মেরিন ড্রাইভ এলাকায় প্রচণ্ড গতির বাতাস থাকলেও বৃষ্টি খুব একটা ছিল না। বিকেল ৪টার দিকে মেরিন ড্রাইভ এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়।

টেকনাফেও বাতাস থাকলেও বৃষ্টি ছিল কম। দুপুর ১টার পর থেকে বৃষ্টির তীব্রতা যেমন বেড়ে যায় সে সঙ্গে বাড়ে বাতাসের গতিবেগও।

টেকনাফ সৈকত সংলগ্ন সব দোকান পাট বন্ধ হয়ে গেছে। খোলা জায়গায় অনেক স্থানে গরু বাঁধা থাকলেও মানুষজনের উপস্থিতি দেখা যায়নি। টেকনাফ সড়কের চেকপোস্টগুলো ফাঁকা দেখা গেছে। স্থানীয় পরিবহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

খবর নিয়ে জানা গেছে, সেন্টমার্টিনেও বাতাসের গতিবেগ বেড়েছে, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আতঙ্কের মধ্যে আছেন দ্বীপে অবস্থানরত মানুষ।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ‘দ্বীপে সাগর উত্তাল রয়েছে। সকাল থেকে আকাশে মেঘ থাকলেও বৃষ্টি ছিল না। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাতাস শুরু হয়েছে। এ ছাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে সাগরের পানির উচ্চতা বেড়েছে। তবে আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।’

টেকনাফ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ সাফকাত আলী বলেন, ‘মেডিক্যাল টিমসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া সাগর-নাফ নদের কারণে আমরা সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপকে গুরুত্ব দিচ্ছি বেশি।’

শনিবার আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-৭) বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। দুপুর ১২টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি এখন গভীর নিম্নচাপ
নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছের এলাকায় সাগর উত্তাল
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত
লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে
সাগরে গভীর নিম্নচাপ: ৩ নম্বর সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The temperature in Chuadanga rises to 41 7 degrees and the discomfort is increasing

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি চুয়াডাঙ্গায় তীব্র গরমে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তাঘাটে লোকজনের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ছে। ছবি: নিউজবাংলা
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, টানা পাঁচ দিন ধরে এ জেলায় মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ বিকেল তিনটায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৪২ শতাংশ।

তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়া চুয়াডাঙ্গায় আগের দিনের তুলনায় শনিবার তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় বেলা তিনটার দিকে এ তাপমাত্রা রেকর্ড করে।

চুয়াডাঙ্গায় টানা ৫ দিন মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে।

জেলায় তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ে বাড়ছে অস্বস্তি। জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদে পুড়ে কাজ করতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষকে।

দেশের কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে সেখানে মৃদু তাপপ্রবাহ বা দাবদাহ বইছে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তীব্র দাবদাহ ধরা হয়। অন্যদিকে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে বলা হয় অতি তীব্র দাবদাহ।

চুয়াডাঙ্গায় শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলায় তীব্র গরমে দিনমজুর, ভ্যান ও রিকশাচালকরা কাজ করতে না পেরে অলস সময় পার করছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তাঘাটে লোকজনের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ছে।

দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ডের ভ্যানচালক আবদুর রহিম বলেন, ‘কয়েক দিন থেকি যে তাপ পড়চি, তাতে একেবারে টিকা যাচ্চি না। গাছের ছায়ায় গিয়িও শান্তি নেই। ভ্যাপসা গরমে গা ভিজি যাচ্চি। কারেন্টও থাকচি না। তাই বাড়ি গিয়িও শান্তি নেই।’

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, টানা পাঁচ দিন ধরে এ জেলায় মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ বিকেল তিনটায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৪২ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
সব বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ
সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রূপ নিল নিম্নচাপে, বন্দরে এক নম্বর সংকেত
সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নিল বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপটি
দেশজুড়ে বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা
উপকূলে রোববার আঘাত হানতে পারে ‘রেমাল’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
359 shelters ready for rain in Bagerhat

বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র

বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র বাগেরহাটে মাছ ধরার ট্রলারগুলো উপকূলের ছোট ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক খালিদ হোসেন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় বাগেরহাটে ৩৫৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে ও তিন হাজার ৫০৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৬৪৩ টন চাল ও পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’

উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

নদী তীরবর্তী এ এলাকায় শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টিপাত, তবে সকাল থেকে আকাশ কখনো রোদ আবার কখনো মেঘাচ্ছন্ন ছিল।

এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে শনিবার ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়া হয়েছে ‘রেমাল’

এদিকে নদীতে থাকা মাছ ধরার ট্রলারগুলো উপকূলের ছোট ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে চালানো হচ্ছে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা। এরই মধ্যে রেমাল মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক খালিদ হোসেন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় বাগেরহাটে ৩৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ও তিন হাজার ৫০৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৬৪৩ টন চাল ও পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

‘জেলার ৯টি উপজেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিলের পাশাপাশি উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ এলাকায় গুলো নজরদারিতে রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মিগজাউমের প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’: ভারি বৃষ্টিতে চেন্নাইয়ে পাঁচজনের মৃত্যু
উত্তরপশ্চিমে সরেছে মিগজাউম, বন্দরে ২ নম্বর সংকেত
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ কোন বন্দর থেকে কত দূরে
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ নিয়ে কী জানা গেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB arrests 5 workers in Naogaon stops bus movement in protest

নওগাঁয় র‌্যাবের হাতে ৫ শ্রমিক আটক, প্রতিবাদে বন্ধ বাস চলাচল

নওগাঁয় র‌্যাবের হাতে ৫ শ্রমিক আটক, প্রতিবাদে বন্ধ বাস চলাচল নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে দুপুর ১২টা থেকে শ্রমিকরা জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে সব বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা দিয়ে প্রতিবাদ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
নওগাঁ জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এস এম মতিউজ্জামান মতি জানান, সকাল ১১টার দিকে র‌্যাব কোনো কারণ ছাড়াই পাঁচজন সদস্যকে আটক করে নিয়ে যায়। এর পর শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন।

নওগাঁ শহরের বাইপাস চেকপোস্ট থেকে মোটর মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের পাঁচজন সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব

শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের বাইপাস থেকে তাদের আটক করা হয়। এরপর দুপুর ১২টা থেকে নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিকরা জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে সকল বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা দিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন।

রাস্তার মাঝখানে বাস দিয়ে ব্যারিকেড দিয়েছেন শ্রমিকরা। ফলে কোনো ধরনের যানবাহন যেতে পারছে না।

এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন জনসাধারণ। তারা বাসে করে গন্তব্যে যেতে পারছেন না, তবে অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় বাড়তি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের। রাজশাহীর যাত্রীবাহী বাস নওগাঁয় থাকায় তারা যাত্রী নিয়ে ফিরে যাচ্ছে।

নওগাঁ জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এস এম মতিউজ্জামান মতি বলেন, ‘শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দুরে নওগাঁ-রাজশাহী আঞ্চলিক মহাসড়কের শহরের বাইপাস চেকপোস্ট রয়েছে। যেখানে মোটর মালিকের নেতৃবৃন্দ শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা থাকে।’

সকাল ১১টার দিকে র‌্যাব কোনো কারণ ছাড়াই পাঁচজন সদস্যকে আটক করে নিয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি। এর পর শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন।

এ বিষয়ে র‌্যাবের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক বলেন, ‘কেন বাস চলাচল বন্ধ করা হয়েছে, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যাটির সুহারা হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
বনানীর আগে বাসে যাত্রী তুললেই মামলা: ডিএমপি কমিশনার
অবৈধ অভিবাসী ইস্যুতে ইতালির ‘নিরাপদ’ তালিকায় বাংলাদেশ
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আটক, প্রায় ২৩ লাখ টাকা জব্দ
ভয়ঙ্কর প্রতারক চক্রের ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ফাঁদ, অবশেষে ধরা
তাপজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে জাতীয় নির্দেশিকা আসছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two sisters died after drowning in a pond in Jeevannagar

জীবননগরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

জীবননগরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর পর প্রতিবেশী ও স্বজনরা ভিড় জমান বাড়িতে। ছবি: নিউজবাংলা
শিশু দুটি দাদা কাশেম মণ্ডল বলেন, ‘খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে নিজাম খাঁর পুকুর পাড়ে ওদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখে পুকুরে নেমে ওদের খুঁজতে থাকি। তখন আমার হাতে ওদের মরদেহ উঠে আসে।’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পানিতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শাখারিয়া গ্রামে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মৃত শিশুরা হলো- একই গ্রামের মসজিদ পাড়ার আশরাফুল হকের মেয়ে ছয় বছর বয়সী উম্মে তাবাসসুম ও রাজু আহাম্মেদের পাঁচ বছরের মেয়ে রিতু খাতুন। তারা দুজন সম্পর্কে চাচাতো বোন।

মৃত শিশুদের দাদা কাশেম মণ্ডল বলেন, ‘বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে বসে তখন তাবাসসুম ও রিতু খাবার খেতে খেতে আমার কাছে এসে কিছুক্ষণ বসে। খাবার খাওয়া শেষ করে একজন বসে থাকে আর একজন শুয়ে থাকে। একটু পর ওরা বাড়ি চলে যায়।

‘আধ ঘণ্টা পর থেকে ওদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে নিজাম খাঁর পুকুর পাড়ে ওদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখে পুকুরে নেমে ওদের খুঁজতে থাকি। তখন আমার হাতে ওদের মরদেহ উঠে আসে।’

সীমান্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইশাবুল ইসলাম মিল্টন বলেন, ‘খেলার সময় পুকুরে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। শিশু দুটির মরদেহ বাড়িতে রয়েছে।’

জীবননগর থানার ওসি এস এম জাবীদ হাসান বলেন, ‘থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাদারীপুরে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু
মহানন্দায় গোসলে নেমে শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
কুড়িগ্রামে পুকুরের পানিতে খেলতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই শিশুর

মন্তব্য

p
উপরে