× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
New rides with special discounts to attract visitors to the park
hear-news
player

প্রস্তুত হচ্ছে ঝিনাইদহের বিনোদন কেন্দ্রগুলো

প্রস্তুত-হচ্ছে-ঝিনাইদহের-বিনোদন-কেন্দ্রগুলো-- দর্শনার্থীদের বিনোদনের খোরাক যোগাতে নানা প্রস্তুতি নিচ্ছে ঝিনাইদহের বিনোদন কেন্দ্রগুলো। ছবি: নিউজবাংলা
কয়েক মাসে দারুণ দর্শনার্থী খড়ায় ছিল ঝিনাইদহের বিনোদন কেন্দ্রগুলো। ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে তাই জোর চেষ্টা চালাচ্ছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। দর্শনার্থী আকর্ষণে নতুন নতুন রাইড স্থাপনের পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে নতুন স্পটও। বিশেষ ছাড় তো থাকছেই।  

ঈদ ঘিরে প্রস্তুত হচ্ছে ঝিনাইদহের বিনোদন কেন্দ্রগুলো। চলছে ধোয়ামোছা আর নতুন নতুন রাইড স্থাপন। রাখা হচ্ছে বিশেষ ছাড়ের অফার। লম্বা ছুটিতে করোনার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।

ঝিনাইদহ শহরের জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্ক অ্যান্ড পিকনিক স্পটটি কয়েক মাসে দারুণ দর্শনার্থী খড়ায় ছিল গরম আর পবিত্র রমজানের কারণে। এতে আয়ের চেয়ে ব্যয় হয়েছে বেশি। ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে তাই জোর চেষ্টা চালাচ্ছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। দর্শনার্থী আকর্ষণে নতুন নতুন রাইড স্থাপনের পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে নতুন স্পটও।

প্রস্তুত হচ্ছে ঝিনাইদহের বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পার্কের স্বত্বাধিকারী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘জোহান পার্কে নতুন করে সংযোগ করছি স্পিডবোট। রোলার কোস্টার চালু করেছি। দর্শনার্থীদের বিনোদন দিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

তামান্না ওয়ার্ল্ড ফ্যামেলি পার্কের ম্যানেজার রুহুল আমিন বলেন, ‘দর্শক টানতে আমরা নতুন স্পট তৈরি করেছি। বিশেষ ছাড়ের অফার তো থাকছেই।’

প্রস্তুত হচ্ছে ঝিনাইদহের বিনোদন কেন্দ্রগুলো

এ বিষয়ে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘শহরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তায় জেলা পুলিশ তৎপর। বিশৃঙ্খলা কঠোর হাতে দমন করা হবে।’

আরও পড়ুন:
হাইটেক সিটিতে সিসিটিভিসহ নিরাপত্তা সরঞ্জাম উৎপাদনে কারখানা
১১ জেব্রার মৃত্যুতে মামলা
উৎপাদনে যাওয়ার অপেক্ষায় ওষুধ শিল্প পার্ক
সাফারি পার্কে এবার আফ্রিকান লেমুরের মৃত্যু
ঘাসে অতিরিক্ত নাইট্রেটের প্রভাবে গাজীপুরে জেব্রার মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Paddy is being wasted in the land due to labor crisis

শ্রমিক সংকটে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে ধান

শ্রমিক সংকটে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে ধান জমিতে পড়ে থাকা ধান সংগ্রহ করছেন এরুল গ্রামের জয়নব ও আলো। ছবি নিউজবাংলা
কাহালু উপজেলার এরুল গ্রামের মোহাম্মদ ইনছান বলেন, ‘পানিতে জমে থাকা ধান কাটার সময় বিঘায় প্রায় ৪ মণ ধান নষ্ট হয়। আবার পানিতে পচে বিঘায় আরও ৪ থেকে ৫ মণ নষ্ট। এদিকে পানিতে ডুবে থাকায় এসব ধানের গাছ গজিয়ে গেছে। এতে খুব একটা সমস্যা হবে না। তবে কড়া রোদ না পেলে ধানের মান ভালো থাকবে না। বোরো আবাদে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে শ্রমিক সংকট। কারণ এত আগে আমাদের বগুড়ায় ধান কাটার শ্রমিকরা আসেন না। এ ছাড়া হাওর অঞ্চলে ধান কাটার কারণে বেশির ভাগ শ্রমিক সেখানে গিয়েছিল। হারভেস্টার মেশিনও ওই এলাকার দিকে ছিল। ফলে আমরা চাইলেও ধান কাটতে পারিনি।’

সকালের রোদ দেখে রাস্তার ধারে ধান ও খড় শুকানোর কাজ করছিলেন বগুড়ার শাজাহানপুরের বয়রাদীঘি এলাকার শামিম আহমেদ। বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া ধান কাটার পর সপ্তাহখানেক ধরে এভাবেই চলছে তার।

কাজের ফাঁকে জানালেন, আবাদের দুই বিঘা জমির ধান বৃষ্টি আর ঝড়ো বাতাসে হেলে পড়েছিল। এতে তিন ভাগ ধানের এক ভাগ মাঠেই ফেলে আসতে হয়েছে তাকে।

শামিমের মতো এমন দশা বগুড়ার কয়েকটি উপজেলার অনেক কৃষকের। কালবৈশাখী ঝড়ে হেলে পড়া বোরো ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে। সময়মতো চাহিদা অনুযায়ী ধান কাটার শ্রমিক না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক।

কৃষকরা জানান, বৃষ্টিতে জমিতে প্রতি বিঘায় অন্তত ৮ মণ ধান নষ্ট হয়েছে। শঙ্কা, এবার বোরো ধানে তাদের লোকসান হতে পারে। খরচের টাকা তুলতে পারবেন কি না, সেই চিন্তার ভাঁজ তাদের কপালে।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরও উৎপাদনের ঘাটতির কথা বলছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এখনও মাঠে বোরো ধান রয়েছে। সব ধান কাটা শেষ হলে সঠিক ক্ষতির হিসাব বের করা যাবে।

শ্রমিক সংকটে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে ধান

শাজাহানপুরের কৃষক শামিম আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঈদের আগে ঝড়ে জমির ধান মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। সে সময় শ্রমিক পাওয়া যায়নি। পরে প্রতি বিঘায় ৬ হাজার টাকা খরচ করে ধান কাটি।’

আরেক কৃষক শামিম বলেন, ‘ধান ঘরে তোলার আগেই বিঘাপ্রতি ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে। যে ধান পেয়েছি, তা বেচলেও খরচ উঠবে না। আবার পানিতে ভেজা এই ধান ঘরেও রাখা যাবে না। এখন রোদ পেলে শুকিয়ে বিক্রি করা যাবে।’

বোরো চাষের এ খরচ নিয়ে বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর বিঘাপ্রতি জমিতে বোরো ধানে খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি খরচ ধান কাটার মজুরিতে। প্রতি বিঘায় শ্রমিকেরা নিচ্ছেন ৬ হাজার টাকা করে। তবে যে জমিতে পানি জমেনি সেখানে মজুরি কম। এর পরের খরচ সার ও কীটনাশকে, অন্তত ৫ হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়। এ ছাড়া জমি হাল দেয়া, নিড়ানি, ধান মাড়াই ও পরিবহনে আরও ৪ হাজার টাকা খরচ কৃষকের।

শ্রমিক সংকটে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে ধান

ধান চাষে ব্যয়ের হিসাব দেয়া একজন কৃষক কাহালু উপজেলার এরুল গ্রামের মোহাম্মদ ইনছান। তিনি ৩০ বিঘা জমি পত্তন কৃষিকাজ করেন। মূলত তার আবাদকৃত জমি থেকে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ধানের বীজ সরবরাহ করা হয়।

ইনছান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পানিতে জমে থাকা ধান কাটার সময় বিঘায় প্রায় ৪ মণ ধান নষ্ট হয়। আবার পানিতে পচে বিঘায় আরও ৪ থেকে ৫ মণ নষ্ট। এদিকে পানিতে ডুবে থাকায় এসব ধানের গাছ গজিয়ে গেছে। এতে খুব একটা সমস্যা হবে না। তবে কড়া রোদ না পেলে ধানের মান ভালো থাকবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বোরো আবাদে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে শ্রমিক সংকট। কারণ এত আগে আমাদের বগুড়ায় ধান কাটার শ্রমিকরা আসেন না। এ ছাড়া হাওর অঞ্চলে ধান কাটার কারণে বেশির ভাগ শ্রমিক সেখানে গিয়েছিল। হারভেস্টার মেশিনও ওই এলাকার দিকে ছিল। ফলে আমরা চাইলেও ধান কাটতে পারিনি।’

মামুন সরকার নামে শাজাহানপুরের আরেক কৃষক জানান, বাজারে ধান প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ থেকে ১ হাজার টাকায়। কিন্তু ভেজা ধান নিতে চাচ্ছে না কেউ। এ জন্য ধান শুকানোর ব্যবস্থা করছেন তিনি।

শাজাহানপুর উপজেলার জোড়া এলাকার এক জমিতে গিয়ে কথা হয় শ্রমিক শহিদুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি নাটোরের জামতলী গ্রাম থেকে বগুড়া এসেছেন ধান কাটতে।

তিনি জানান, চৈত্র-বৈশাখ মাস পর্যন্ত নিজের জেলায় ধান কাটার কাজ করেন। এরপর বগুড়ায় আসেন। এবার নাটোরেই প্রতি বিঘায় ৭ থেকে শুরু করে সাড়ে ৫ হাজার টাকা মজুরি নিয়েছেন তারা। পানি জমে থাকার ওপর এই টাকার হিসাব হয়। বগুড়ার শাজাহানপুরে এক বিঘা ধান কাটায় চুক্তি করেছেন সাড়ে ৫ হাজার টাকা।

আরেক মাঠে গিয়ে কথা বললে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রতি বছর বগুড়ায় আসা হয় তার। এবার ঈদের জন্য একটু দেরি হয়েছে।

শ্রমিক সংকটে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে ধান

জেলা কৃষি দপ্তর জানায়, বগুড়ায় এবার ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৮ লাখ ৭ হাজার ৬২৩ মেট্রিক টন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এর আগে ২৯ এপ্রিল রাতে কালবৈশাখী ঝড়ে বগুড়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ওই সময় জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছিল, কালবৈশাখীতে বগুড়ায় ১৪ হাজার ৮৩৫ হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরে গত ১৩ মে জেলায় আরেকটি ঝড়ে বোরো ধানে আরও ক্ষয়ক্ষতি হয়।

জেলার বোরো ধানের মোট ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বগুড়ার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. এনামুল হক। তিনি জানান, মাঠের ৬০ ভাগ বোরো ধান কাটা হয়েছে। যে ধান পরে চাষ করা হয়েছিল, সেগুলোই শুধু জমিতে আছে। মাঠপর্যায়ে জরিপের কাজ চলছে। এতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

এনামুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঝড়-বৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতি হিসাবের পাশাপাশি কৃষকের তালিকা করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ বেশি হলে কৃষককে সহযোগিতা করার প্রস্তাব পাঠানো হবে মন্ত্রণালয়ে।’

আরও পড়ুন:
৭২ ঘণ্টার বৃষ্টিতে ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তা
চলনবিলে এক মণ ধানের দামে এক শ্রমিকের মজুরি
পানিতে তলিয়ে নষ্ট হচ্ছে পাকা ধান, কৃষকের হাহাকার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 arrested for killing the driver and snatching the easybike

ইজিবাইক ছিনতাই করতে হত্যা করা হয় চালককে: পুলিশ

ইজিবাইক ছিনতাই করতে হত্যা করা হয় চালককে: পুলিশ ইজিবাইক চালক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা। ছবি: নিউজবাংলা
নাটোর এসপি লিটন কুমার সাহা বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। বিকেলে আসামিদের আদালতে তোলা হবে।’

নাটোরের লালপুরে চালককে শ্বাসরোধে হত্যার পর ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারা হলেন, লালপুরের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সজিব হোসেন, রবিউল ইসলাম, সদর উপজেলার কাফুরিয়া এলাকার মেহেদী হাসান ও দস্তানাবাদ গ্রামের সাগর আলী।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের বড় হরিশপুর এলাকার পুলিশ লাইনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বড়াইগ্রামের মহিষভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা খোরশেদ আলম মিলন ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। সেদিন রাতে মিলন বাড়ি না ফেরায় ও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ থাকায় স্বজনরা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে।

পরে মিলনের পরিবার বিষয়টি বড়াইগ্রাম থানার পুলিশকে অবহিত করে। পর দিন সন্ধ্যায় পাশের লালপুর উপজেলার ঘাটচিলান এলাকায় সড়কের পাশে আখের ক্ষেত থেকে মিলনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ সুপার আরও জানান, এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা ফখরুল ইসলাম লালপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। এরপর ঘটনার অনুসন্ধানে নামে জেলা পুলিশের ৬টি টিম।

পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার রাতভর অভিযান চালিয়ে সজিব, মেহেদী, রবিউল ও সাগরকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা মিলনকে হত্যার কথা স্বীকার করে। তারা জানান, ১৪ মে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বনপাড়া বাজার থেকে লালপুরের ঘাটচিলানে যাওয়ার কথা বলে তারা মিলনের নতুন ইজিবাইকটি ২৫০ টাকায় ভাড়া করে।

ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে কৌশলে ইজিবাইকটি ভাড়া করেন সজিব, মেহেদী, রবিউল ও আরেকজন। ঘাটচিলান এলাকায় পৌঁছালে তারা চালক মিলনকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ আখক্ষেতে ফেলে চলে যায়। পরে ইজিবাইকটি মেহেদীর বাড়িতে রেখে আসে।

এসপি লিটন কুমার সাহা বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। বিকেলে আসামিদের আদালতে তোলা হবে।’

আরও পড়ুন:
ইজিবাইক ‘ছিনিয়ে নিতে’ চালককে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wife and partner sentenced to death for killing husband

স্বামীকে হত্যার দায়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড

স্বামীকে হত্যার দায়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড
এজাহারে বলা হয়, উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মুক্তি খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামের মনিরুল হকের বিয়ে হয় ২০১৯ সালে। এই বিয়ের আগে মুক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সাইদুলের। মুক্তি বিয়ের পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্বামীকে হত্যায় এক নারী ও তার সঙ্গীর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রায়ে শাস্তি পাওয়া দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা নাজির মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান রানা বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়ারা হলেন উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মুক্তি খাতুন ও বাড়াবিল গ্রামের সাইদুল ইসলাম।

এজাহারে বলা হয়, উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মুক্তি খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামের মনিরুল হকের বিয়ে হয় ২০১৯ সালে। এই বিয়ের আগে মুক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সাইদুলের। মুক্তি বিয়ের পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

বিয়ের দুই মাস পর মনিরুলকে নিয়ে মুক্তি শক্তিপুর গ্রামে দাদা হোসেন আলীর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ঘুমানোর আগে তিনি তার স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। পরে মুক্তি ও তার সঙ্গী মিলে মনিরুলকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

এ ঘটনার পরদিন ৪ জুন নিহতের বাবা জেলহক প্রামানিক শাহজাদপুর থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
পারিবারিক বিরোধে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
বাবাকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, পরে মুক্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth arrested with weapons in Satkhira

সাতক্ষীরায় অস্ত্রসহ যুবক আটক

সাতক্ষীরায় অস্ত্রসহ যুবক আটক
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম কবীর বলেন, ‘অস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক করে রেখেছে খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ গিয়ে জানতে পারে, ওই ব্যক্তিকে বিজিবি নিয়ে গেছে। আটক যুবক সম্পর্কে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।’

সাতক্ষীরার সদরে একটি এসএলআর জাতীয় অস্ত্রসহ এক যুবককে আটকের পর বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

উপজেলার আলীপুর ঢালীপাড়ার সামছুর রহমানের রাইস মিলের পাশ থেকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক যুবক স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, তার নাম রানা হোসেন। তিনি একই উপজেলার নারায়ণজোল গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, আটক যুবকের বয়স আনুমানিক ২২/২৩ বছর।

আলীপুর ইউপি সদস্য আশরাফুল ইসলাম লাকি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রানা নামের ওই ব্যক্তি খানপুর মোড় দিয়ে ঢালীপাড়ায় ঢোকার সময় সামছুরের রাইস মিলের সামনে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সন্দেহ হয়। এসময় তার কোমরে প্যাঁচানো গামছার মধ্যে একটি অস্ত্র দেখতে পেয়ে তাকে দাঁড়াতে বললে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন।

‘পরে স্থানীয়রা ধরলে তার কাছে রাইফেলের মতো অস্ত্রটি পাওয়া যায়। এসময় তাকে মারধর করে আটকে রাখা হয়। পরে খবর পেয়ে বাঁকাল চেক পোস্টের বিজিবি সদস্যরা অস্ত্রসহ ওই ব্যক্তিকে আটক করে বিজিবির ৩৩ ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যায়।’

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আটকের পর রানা জানিয়েছে, তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা এলাকার বাসিন্দা বর্তমানে ভোমরা এলাকায় বসবাস করা আজহারুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও জুলফিকার রায়হান (এলাকা অজ্ঞাত) নামের তিন ব্যক্তি মঙ্গলবার ভোরে অস্ত্রটি তার কাছে দিয়েছে। সেটি সাতক্ষীরা শহরের বাইপাস সড়ক সংলগ্ন একটি মৎস্য ঘেরে পৌঁছে দেয়ার কথা। বিনিময়ে তাকে এক হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ম্যাগজিন ও একটি গামছা পাওয়া গেছে।’

ওসি গোলাম কবীর বলেন, ‘অস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক করে রেখেছে খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ গিয়ে জানতে পারে, ওই ব্যক্তিকে বিজিবি নিয়ে গেছে। আটক যুবক সম্পর্কে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।’

বিজিবির ৩৩ ব্যাটালিয়নের লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল মাহমুদ বলেন, ‘ঘটনা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

আরও পড়ুন:
ট্রাকচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহতের ঘটনায় চালক আটক
মানব পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্য আটক
ট্রাকচাপায় অটোরিকশার চালক নিহত
সুন্দরবনে ‘বিষ দিয়ে’ মাছ শিকার, আটক ১২
খোলপেটুয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনে আটক ৬

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fear of floods over water crisis in Sunamganj

সুনামগঞ্জে পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার আশঙ্কা

সুনামগঞ্জে পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার আশঙ্কা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জের অনেক বাড়িঘর ও রাস্তা পানিতে ডুবে গেছে। ছবি: নিউজবাংলা
সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘উজানে প্রচুর বৃষ্টির ফলে জেলার নদনদীতে পানি বাড়ছে। পানি আজ বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সুনামগঞ্জ ও মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।’

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা নদীসহ সকল শাখা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে প্লাবিত হয়েছে জেলার নিম্নাঞ্চল। এরই মধ্যে বন্যার সতর্কতা জারি করেছে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

সুনামগঞ্জ পাউবো জানিয়েছে, ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় সুনামগঞ্জের সুরমা, পাটলাই, আপারবুলাই, কামারখালিসহ সব কটি শাখা নদী ও হাওরের পানি বেড়ে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পাউবো জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা ৭ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার অতিক্রম করেছে। বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে তাহিরপুর, দোয়ারাবাজার ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। একইভাবে প্লাবিত হয়েছে ছাতক উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে গেছে। একই সঙ্গে পানিতে ডুবে গেছে অনেক সড়ক।

সুনামগঞ্জে পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার আশঙ্কা

আরও জানা যায়, সম্প্রতি জেলায় ১৫টিরও বেশি হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে পানি ঢোকায় তড়িঘড়ি করে ধান কেটে নেয়া কৃষকরা নতুন বিপদের সম্মুখীন। বৃষ্টির কারণে ধান শুকাতে না পারায় চারা গজিয়ে গেছে এসব ধানে। চারপাশে পানি থইথই করায় রাস্তাগুলোতেই ধান ও বাদাম শুকানোর চেষ্টা করছেন কৃষকরা।

জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আসামে বন্যা পরিস্থিতি এবং মেঘালয় ও চেরাপুঞ্জিতে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে বন্যার ঝুঁকি রয়েছে।

সুনামগঞ্জের আরপিন নগর এলাকার বাসিন্দা ফিরোজ আলী বলেন, ‘পানি বেড়ে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় আসবাবপত্রের ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছে স্থানীয়রা।’

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বসতভিটা হারানো ছাত্তার আলী বলেন, ‘পাহাড়ি ঢল আমার সব নিয়ে গেছে। কাজ করে অল্প অল্প টাকা জমিয়ে অনেক কষ্টে একটি ঘর করেছিলাম, সেটিও বানে ভেসে গেল। এখন আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’

সুনামগঞ্জে পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার আশঙ্কা

সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুব আলম জানিয়েছেন, গত দুই দিনে নদনদীগুলোতে পানির চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জের গজারিয়া নদীর রাবার ড্যামের পাম্পহাউস নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত জেলার নিম্নাঞ্চলে ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘ উজানে প্রচুর বৃষ্টির ফলে জেলার নদনদীতে পানি বাড়ছে। পানি আজ বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সুনামগঞ্জ ও মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়ায় বন্যায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা
৩ ঘণ্টার বৃষ্টিতে বন্যা, ৯৪ মৃত্যু ব্রাজিলে
মালয়েশিয়ায় বন্যায় নিখোঁজ ১০, বাস্তুচ্যুত অন্তত ২১ হাজার
বন্যার ক্ষতিতে সহায়তা গেল ৪ জেলায়
গঙ্গাচড়ায় এক দিনের বন্যা: পানি কমলেও বেড়েছে দুর্ভোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two killed in autorickshaw collision

বাসচাপায় অটোরিকশার ২ জন নিহত

বাসচাপায় অটোরিকশার ২ জন নিহত
ওসি ডালিম আহমেদ জানান, সিএনজি অটোরিকশায় করে বাহুবল যাচ্ছিলেন নুরেয়া বেগম। পথমধ্যে রোকনপুর বাজারে ঢাকাগামী এম আর পরিবহনের একটি বাস পেছন দিক থেকে অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বাস চাপায় সিএনজি অটোরিকশার চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রোকনপুর বাজারে মঙ্গলবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন অটোরিকশা চালক রোকনপুর গ্রামের শাহ জহুর আলীর ছেলে শাহ আরশ আলী ও অটোরিকশার যাত্রী ওই গ্রামের মৃত গোলাপ আলীর স্ত্রী নুরেয়া বেগম।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ডালিম আহমেদ জানান, সিএনজি অটোরিকশায় করে বাহুবল যাচ্ছিলেন নুরেয়া বেগম। পথমধ্যে রোকনপুর বাজারে ঢাকাগামী এম আর পরিবহনের একটি বাস পেছন দিক থেকে অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়।

ঘটনাস্থলেই সিএনজি চালক শাহ আরশ আলী ও সিলেট নেয়ার পথে নুরেয়া বেগমের মৃত্যু হয়।

এ সময় স্থানীয় লোকজন মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শেরপুর হাইওয়ে থানা, নবীগঞ্জ থানা ও গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

আরও পড়ুন:
স্ত্রী-সন্তানের পর চলে গেলেন বাবুলও
সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত
তুরাগে ট্রাকচাপায় নারী নিহত, ছেলে আহত
ট্রাকচাপায় আহত ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু
সিগন্যালবিহীন রেলগেটে ট্রেন-ইজিবাইক সংঘর্ষ, নিহত ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Madrasa teacher arrested for sexually harassing student

ছাত্রকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

ছাত্রকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
মামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার রাত ১০টার দিকে রব্বানি তার মাদ্রাসার এক ছাত্রকে যৌন হয়রানি করেন। ওই ছাত্র চিৎকার করলে রব্বানি তাকে নানা রকম ভয়ভীতি দেখান। সোমবার সকালে শিশুটি বাড়ি ফিরে তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ছাত্রকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

হাতীবান্ধা উত্তর পারুলিয়া এলাকার বটতলা হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে সোমবার রাত ১০টার দিকে গোলাম রব্বানিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি উত্তর পারুলিয়া গ্রামে।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার রাত ১০টার দিকে রব্বানি তার মাদ্রাসার এক ছাত্রকে যৌন হয়রানি করেন। ওই ছাত্র চিৎকার করলে রব্বানি তাকে নানা রকম ভয়ভীতি দেখান। সোমবার সকালে শিশুটি বাড়ি ফিরে তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়।

এরপর সোমবার বিকেলে তার বড় ভাই রব্বানির নামে হাতীবান্ধা থানায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেন।

ওসি বলেন, ‘আমরা শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়ে ওই শিক্ষককে আটক করি। আটকের পর তার নামে করা অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ এ মাসেই
টিকাকেন্দ্রে স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানি, আটক ১
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ
অধ্যক্ষের ‘কলকাঠিতে’ ১৮ মাস বেতন নেই ৭ শিক্ষকের
ইনডেক্সধারী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি না হতে পারার অভিযোগ

মন্তব্য

উপরে