× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Bhomra land port in the trap of 7 days holiday on Eid
hear-news
player
print-icon

ঈদে ৮ দিনের ছুটির ফাঁদে ভোমরা স্থলবন্দর

ঈদে-৮-দিনের-ছুটির-ফাঁদে-ভোমরা-স্থলবন্দর আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে ভোমরা স্থল বন্দরে। ছবি: নিউজবাংলা
ভোমরা শুল্ক বিভাগের সহকারী কমিশনার আমীর মামুন বলেন, ‘০৫ মে বৃহস্পতিবার সরকারি আদেশে অফিস খোলা থাকবে। তবে জেনেছি, ওই দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।’

ঈদ উপলক্ষে টানা ৮ দিনের ছুটির ফাঁদে পড়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর।

সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই বন্দরটিতে।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, ঈদ উপলক্ষে আগামী শুক্রবার থেকে সপ্তাহের পুরো ৮দিনই বন্ধ থাকবে বন্দরের কার্যক্রম।

তিনি আরও জানান, ০৫ মে সরকারি ছুটি। তবে শ্রমিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিনও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ৭ মে শনিবার থেকে বন্দরের কার্যক্রম আবারও যথারীতি শুরু হবে।

ভোমরা শুল্ক বিভাগের সহকারী কমিশনার আমীর মামুন বলেন, ‘০৫ মে বৃহস্পতিবার সরকারি আদেশে অফিস খোলা থাকবে। তবে জেনেছি, ওই দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।’

আরও পড়ুন:
ট্রেন ছাড়ল দেরিতে, গরমে ভোগান্তি চরমে
সেহেরি খেয়েই ট্রেন ধরতে এসেছেন তারা
পদ্মা সেতুর নিচ দিয়ে রাতে চলছে ফেরি
বাড়ি ফেরার ‘শেষচেষ্টা’ কমলাপুরে
সহজ নয়, আসলে কঠিন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Cab wants the consumer rights department to control the market

বাজার নিয়ন্ত্রণে ‘ভোক্তা অধিকার বিভাগ’ চায় ক্যাব

বাজার নিয়ন্ত্রণে ‘ভোক্তা অধিকার বিভাগ’ চায় ক্যাব সোমবার ‘অতিমুনাফা ও প্রতারণার শিকার ভোক্তারা: আইন মানার তোয়াক্কাই নেই’ শীর্ষক অনলাইন সেমিনারের আয়োজন করে ক্যাব। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ক্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম সামসুল আলম বলেন, ‘দেশে এমন কোনো খাত নেই যেখানে অসাধু ব্যবসায়ীরা মাথাচাড়া দেয়নি। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ছাড়া আর কোথাও ভোক্তাদের যাওয়ার জায়গা নেই। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে অধিদপ্তরই যথেষ্ট নয়, বিভাগ চাই।’

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার সহনীয় রাখতে অসাধু ব্যবসায়ীদের ফৌজদারি আইনের আওতায় শাস্তি চায় কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বালাদেশ-ক্যাব। বেসরকারি এই সংগঠন মনে করে, ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে ভোক্তা অধিদপ্তর যথেষ্ট নয়; এজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ভোক্তা অধিকার বিভাগ’ জরুরি।

সোমবার ‘অতিমুনাফা ও প্রতারণার শিকার ভোক্তারা: আইন মানার তোয়াক্কাই নেই’ শীর্ষক এক অনলাইন সেমিনারে বক্তারা এমন বক্তব্য তুলে ধরেন।

ওয়েবিনারে ক্যাবের নেতারা বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার সহনীয় রাখতে উচ্চ পর্যায়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হলেও বেপরোয়া কিছু ব্যবসায়ীর কারণে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। চাল-ডাল থেকে শুরু করে ভোগপণ্যের বাজারে কিছু ব্যবসায়ী নিম্ন মানের পণ্য বাড়তি দামে বিক্রি করছেন। তাদের অপতৎপরতা বন্ধ করা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় এসব ব্যবসায়ীকে ঠেকাতে কেবল জরিমানা নয়, আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।’

ওয়েবিনারটি পরিচালনা করেন ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন।

মূল প্রবন্ধে নাজের হোসাইন বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা ঠেকাতে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও সিটি করপোরেশনের বাজারে অভিযান পরিচালনা করছে। অপরাধের জন্য সতর্ক করার পাশাপাশি জরিমানাও আদায় করা হচ্ছে। তারপরও অপতৎপরতা বন্ধ হচ্ছে না।’

সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রমের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অসাধু ব্যবসায়ীদের ভিত এতটাই শক্তিশালী যে সরকারি প্রশাসন যন্ত্র মনে হয় তাদের কাছে অসহায়। এরা টাকার জোরে সরকারি আমলা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিভিন্ন মিডিয়াকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেন।’

ব্যবসায় অসাধু প্রক্রিয়ায় কোটিপতির সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আগে একই কায়দায় গুঁড়োদুধে ময়দা মিশ্রিত করার হোতাসহ চিনি, সয়াবিন, চাল কেলেঙ্কারির হোতাদের কোনো শাস্তি হয়নি। তারা বরাবরই পর্দার আড়ালে থেকে রেহাই পেয়ে যায়।’

‘ব্যবসায় এমন প্রতারণা ফৌজদারি অপরাধও বটে। তবে আইন দিয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সব সময় সম্ভব না-ও হতে পারে। এজন্য প্রয়োজন অতিমুনাফালোভী, প্রতারক, মজুতকারী ও অসাধু ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে বয়কট করা। তাহলে ব্যবসা-বাণিজ্যে জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত হতে পারে।’

ক্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম সামসুল আলম বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ছাড়া আর কোথাও ভোক্তাদের যাওয়ার জায়গা নেই। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের জন্য কেবল ভোক্তা অধিদপ্তরই যথেষ্ট নয়, বিভাগ চাই।

‘দেশে এমন কোনো খাত নেই যেখানে অসাধু ব্যবসায়ীরা মাথাচাড়া দেয়নি। আমরা ভোক্তারা অনেকটা বন্দি হয়ে গেছি। এই বন্দিদশা থেকে মুক্তি দিতে দেশের আইন, সরকারি প্রতিষ্ঠান কেউ-ই সফল নয়।’

‘দেশে অসাধু ব্যবসায়ীর সংখ্যা কম। কিন্তু সৎ ব্যবসায়ীরা এই অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারছেন না। তারা অসাধু ব্যবসায়ীদের দ্বারা নির্যাতিত, নিপীড়িত হচ্ছেন।’

ভোক্তাদের প্রতি অনুরোধ রেখে তিনি বলেন, ‘আপনারা জেলায় জেলায় অন্তত একটা করে ঘটনা চিহ্নিত করুন। যাতে এসব ঘটনাকে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা আইনের আওতায় ফৌজদারি আইনে মামলা করা যায়। ভোক্তা অধিদপ্তরের হয়তো এখনও মামলা করার অধিকার নেই। তবে আইন করা হচ্ছে। ক্যাক একমাত্র সংগঠন, যাকে মামলা করার অধিকার দেয়া হয়েছে। ভোক্তা স্বার্থবিরোধী এসব ঘটনায় আমরা প্রয়োজনে প্রমাণসহ আদালতে যাব।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামের ই-ক্যাব সদস্যদের সঙ্গে দ্য চেঞ্জমেকার্সের মতবিনিময়
রপ্তানি বাড়াতে পণ্যে বৈচিত্র্য ‌আনা জরুরি
ডিক্যাব লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধুর ছবি
বাড়ছে শিক্ষার সঙ্গে কাজের ধরনে পার্থক্য
‘আধুনিক ঢাকা গড়তে এগুতে হবে তরুণদের’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Effective taxation will reduce tobacco use

‘কার্যকর করারোপে তামাকের ব্যবহার কমবে’

‘কার্যকর করারোপে তামাকের ব্যবহার কমবে’ সোমবার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে তামাক পণ্যে কার্যকর করারোপ বিষয়ক প্রাক-বাজেট আলোচনার আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আলোচনায় বক্তারা বলেন, তামাক পণ্যের দাম বাড়লে বর্তমানে তামাক ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১৩ লাখ এই পণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে। পাশাপাশি ৯ লাখ তরুণকে তামাক ব্যবহার থেকে বিরত রাখা যাবে। প্রায় সাড়ে ৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ও সাড়ে ৪ লাখ তরুণের অকাল মৃত্যু রোধ করা যাবে। উপরন্তু বছরে সরকার ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে।

‘তামাক ব্যবহারে শুধু স্বাস্থ্যগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, অনেক ধরনের সামাজিক সম্ভাবনারও ক্ষতি হচ্ছে। ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে তামাকের সহজলভ্যতা কমাতে হবে। এজন্য কার্যকর করারোপের বিকল্প নেই। তাহলে তামাক পণ্যের দাম বাড়বে, সহজলভ্যতা কমবে, ব্যবহারও কমবে।’

সোমবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন সমুন্নয়ের আয়োজনে ‘তামাক পণ্যে কার্যকর করারোপ বিষয়ক প্রাক-বাজেট আলোচনায়’ বক্তারা এমন অভিমত ব্যক্ত করেন।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, শামীমা আক্তার খানম ও হাবিবা রহমান খান বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক ছিলেন বারডেমের দন্ত্য চিকিৎসা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী ও সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

আলোচনা অনুষ্ঠানে স্তর ভেদে ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম ৩৯ থেকে বাড়িয়ে ৫০ টাকা, ৬৩ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা, ১০২ থেকে বাড়িয়ে ১২০ টাকা এবং সর্বোচ্চ স্তরে ১৩৫ থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়। একইসঙ্গে এই মূল্যের ‍ওপর যথাক্রমে ৩২.৫০ টাকা, ৪৮.৭৫ টাকা, ৭৮ টাকা এবং ৯৭.৫০ টাকা শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। বিড়ি ও ধোঁয়াবিহীন তামাক পণ্যের দামও বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, তামাক পণ্যের দাম বাড়লে বর্তমানে তামাক ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১৩ লাখ এই পণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে। পাশাপাশি ৯ লাখ তরুণকে তামাক ব্যবহার থেকে বিরত রাখা যাবে। প্রায় সাড়ে ৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ও সাড়ে ৪ লাখ তরুণের অকাল মৃত্যু রোধ করা যাবে। উপরন্তু বছরে সরকার ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে।

আয়োজক সংস্থা উন্নয়ন সমুন্নয়ের সভাপতি ড. আতিউর রহমান ভিডিও বক্তব্যে বলেন, ‘তামাক পণ্য ব্যবহারে স্বাস্থ্য নষ্ট হচ্ছে। অর্থের অপচয় হচ্ছে। এজন্য তামাক পণ্যে আরো বেশি কর আরোপ করতে হবে। তাহলে একদিকে রাজস্ব বাড়বে, অন্যদিকে স্বাস্থ্যের ক্ষতি এড়ানো যাবে।’

র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘কর হার বাড়ায় সিগারেটের ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। কর আরও বাড়ানোর মাধ্যমে ব্যবহার আরও কমিয়ে আনা যাবে। সরকারের আয়ও বাড়বে।’

অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, ‘মাদকাসক্তদের ৯৮ শতাংশের নেশার জগতে প্রবেশ ঘটে তামাক দিয়ে। তবে আমরা সিগারেটের দিকে যেভাবে নজর দিচ্ছি সেভাবে জর্দা, খৈনি ও গুলের দিকে নজর দেয়া হচ্ছে না।

‘গবেষণায় দেখা গেছে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মহিলাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার হচ্ছে। তাই পরিবারের সদস্যদের তামাকের আসক্তি কমাতে ভূমিকা রাখতে হবে। ইদানীং ই-সিগারেট ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটিও সমান ক্ষতিকর। এটিকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সব মিলিয়ে কর বৃদ্ধিই তামাক নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।’

বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, তামাক কোম্পানি থেকে যে কর পাওয়া যায় তার চেয়ে বেশি স্বাস্থ্য খাতে সরকারের ক্ষতি হয়। তাই তামাককে আরও করের আওতায় আনতে হবে। লাভ বেশি হওয়ায় চাষীরা তামাকের দিকে ঝুঁকছে। তাদের বিকল্প লাভজনক ফসল দিতে হবে।’

শামীমা আক্তার খানম বলেন, ‘গুলশান ও ধানমণ্ডির প্রতিটি রেস্টুরেন্টে স্মোকিং জোন করায় তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এসব জোনে প্রবেশ করলে কোনো মানুষ দেখা যায় না। শুধু ধোঁয়া আর ধোঁয়া। এতে তরুণ-যুবকরা তামাকে আসক্ত হচ্ছে।’

মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘তামাকের কর বৃদ্ধির পাশাপাশি এর উৎপাদন বন্ধের দিকেও নজর দিতে হবে। এই খাতে নতুন বিনিয়োগের পথও বন্ধ করতে হবে। কারণ অনেক কোম্পানিই এ খাতে বিনিয়োগের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।’

আলোচক অধ্যাপক ড. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘তামাক ব্যবহারে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম রয়েছে। ১৫ শতাংশের বেশি মানুষ তামাক পণ্য ব্যবহার করছে।’

আরও পড়ুন:
দেশীয় মালিকানাধীন তামাকশিল্প রক্ষায় মানববন্ধন
ই-সিগারেট নিষিদ্ধসহ তামাকপণ্য নিয়ে এক গুচ্ছ দাবি
তামাক করনীতি প্রণয়নের দাবি
‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন জরুরি’
নারীর যথাযথ কাজের সুযোগ আজও হয়নি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Employees case Rafa Grameen Telecom for Rs 400 crore

কর্মীদের মামলা: ৪০০ কোটিতে রফা গ্রামীণ টেলিকমের

কর্মীদের মামলা: ৪০০ কোটিতে রফা গ্রামীণ টেলিকমের
আদেশে আদালত বলে, ‘বাস্তবতার প্রেক্ষিতে দেখা যায়, উভয়পক্ষ বন্ধুত্বপূর্ণভাবে আদালতের বাইরে সমস্যাটি সমাধান করে ফেলেছে। এ অবস্থায় এটি মামলা হিসেবে ধরে রাখার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। সুতরাং মামলাটি ডিসমিস করা হলো।’

চাকরিচ্যূত ১৭৬ কর্মীকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা পরিশোধের পর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্যোক্তা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আদালতের বাইরে বসেই দুই পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছায়। এরপর তারা আদালতে বিষয়টি জানালে আদালত মামলাটি প্রত্যাহার ঘোষণা করে।

সোমবার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক কোম্পানি বেঞ্চ মামলা প্রত্যাহারের আদেশ দেয়।

আদেশে আদালত বলে, ‘বাস্তবতার প্রেক্ষিতে দেখা যায়, উভয়পক্ষ বন্ধুত্বপূর্ণভাবে আদালতের বাইরে সমস্যাটি সমাধান করে ফেলেছে। এ অবস্থায় এটি মামলা হিসেবে ধরে রাখার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। সুতরাং মামলাটি ডিসমিস করা হলো।’

আদালতের প্রত্যাহারের আবেদন করেন ১৭৬ জনের পক্ষে আইনজীবী ইউসুফ আলী। আর গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।

আদেশের পরে গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষের আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গ্রামীণ টেলিকমের কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের সঙ্গে গ্রামীণ টেলিকমের দীর্ঘমেয়াদি একটা বিরোধ ছিল। এই বিরোধের প্রেক্ষিতে গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম মামলা করেন তারা। সবশেষ তারা গ্রামীণ টেলিকম অবসায়ন চেয়ে কোম্পানি কোর্টে একটা মামলা করে।

‘পরে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের মধ্যে কোর্টের বাইরে একটা সেটেলমন্টে হয়েছে। ফলে তাদের দাবি করা টাকার একটা অংশ তাদের দেয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আজকে তারা সব মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।’

টাকার পরিমাণ কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।’

গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ চলে আসছিল।

একপর্যায়ে শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-২১৯৪) সিবিএর সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশে প্রতিষ্ঠানটির ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করে গ্রামীণ টেলিকম। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে তারা হাইকোর্টে আবেদন করেন। এ ছাড়া কোম্পানি আইনে একাধিক মামলা করে।

এ ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন ২৮ কর্মী। পরে আরও অনেকেই যুক্ত হন সেখানে। ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে ড. ইউনূসকে তলবও করেছিল হাইকোর্ট। শেষপর্যন্ত গ্রামীণ টেলিকমের অবসায়ন চেয়ে ১৭৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী কোম্পানি কোর্টে আবেদনও করেন।

সব শেষ দুইপক্ষই কোর্টের বাইরে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়। আর প্রতিষ্ঠানটি ৪০০ কোটি টাকা দিতে রাজি হওয়ায় মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়।

বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করায় ২০১৬ সালে প্রথম মামলা করেন গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ১৪ কর্মী। পরে বকেয়া পাওনা চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ৯৩টি মামলা করেন তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীরা।

ঢাকার শ্রম আদালতে সব মিলে ১০৭টি মামলা করা হয় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ১৪ কর্মী আরও ১৪টি মামলা করেন পাওনা টাকার জন্য।

২০২০ সালে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ না দিয়ে গ্রামীণ টেলিকম ৯৯ জনকে চাকরিচ্যুতি করে। এটি নিয়েও পরে আদালত পর্যন্ত গড়ান চাকরিচূত কর্মীরা।

আরও পড়ুন:
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম পরিদর্শকের মামলা স্থগিত
আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন ড. ইউনূস
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা
আদালত অবমাননা: ক্ষমা চাইলেন ড. ইউনূস
আদালত অবমাননার অভিযোগে ইউনূসকে তলব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Gift of Islami Bank for Hajj pilgrims

হজযাত্রীদের জন্য ইসলামী ব্যাংকের উপহার                                   

হজযাত্রীদের জন্য ইসলামী ব্যাংকের উপহার                                   
ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান সোমবার আশকোনাস্থ হজ অফিসে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলামের কাছে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

ইসলামী ব্যাংক হজ ক্যাম্পে হজযাত্রীদের ব্যবহারের জন্য উপহারসামগ্রী প্রদান করেছে।

ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ওমর ফারুক খান সোমবার আশকোনাস্থ হজ অফিসে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলামের কাছে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান ভুঁইয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম এবং হাজি ক্যাম্প শাখার প্রধান সাইফুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
এক্সচেঞ্জ হাউসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের ইফতার
ইসলামী ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইফতার মাহফিল
ইসলামী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সভা
ইসলামী ব্যাংক রামপুরা শাখা স্থানান্তর
ইসলামী ব্যাংক খুলনা জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং সম্মেলন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
War must be stopped to stop recession PM of world leaders

মন্দা ঠেকাতে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী

মন্দা ঠেকাতে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের ৭৮তম বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
পারস্পরিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর অংশ হিসেবে আঞ্চলিক আর্থিক সহযোগিতা জোরদার করাসহ পাঁচটি প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

বৈশ্বিক মন্দা পরিস্থিতিতে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে রক্ষায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ করা এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পারস্পরিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে ‘সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প’ মনে করেন সরকারপ্রধান। এর অংশ হিসেবে আঞ্চলিক আর্থিক সহযোগিতা জোরদার করাসহ পাঁচটি প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসকেপ) ৭৮তম বার্ষিক সম্মেলনে সোমবার এক ভিডিওবার্তায় প্রধানমন্ত্রী এসব প্রস্তাব দেন।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে হাইব্রিড পদ্ধতিতে হচ্ছে অধিবেশনটি। এবারের প্রতিপাদ্য ‘এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন অভিন্ন লক্ষ্য।’ ২৩ মে শুরু হওয়া এ অধিবেশন চলবে ২৭ মে পর্যন্ত।

ভিডিওবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্ব যখন কোভিড-১৯ মহামারির অভিঘাত থেকে পুনরুদ্ধারে লড়াই করছে, তখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় বড় আঘাত হিসেবে হাজির হয়। এই যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। এই যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় যৌথ পদক্ষেপ প্রয়োজন।’

‘সাউথ-সাউথ নেটওয়ার্ক ফর পাবলিক সার্ভিস ইনোভেশন’ প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞদের এসডিজিসহ বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা শেয়ারে ভূমিকা রেখেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক সহযোগিতাকে পারস্পরিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প হিসেবে দেখি আমরা। সার্ক, বিমসটেক, বিবিআইএন, বিসিআইএম-ইসি এবং ত্রিপক্ষীয় হাইওয়ের মতো বিভিন্ন আঞ্চলিক উদ্যোগের সঙ্গে আছে বাংলাদেশ।

‘জাতিসংঘ এসকেপের ক্রস-বর্ডার পেপারলেস ট্রেড, এশিয়া-প্যাসিফিক ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ নেটওয়ার্কিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো উদ্যোগে বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে যুক্ত।’

এশিয়ান হাইওয়ে এবং ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়েসহ এ রকম অন্যান্য উদ্যোগেও এসকেপকে বাংলাদেশ সমর্থন দিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

পাঁচ প্রস্তাব

আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরিতে পাঁচটি প্রস্তাব দেন সরকারপ্রধান।

১. জ্ঞান এবং উদ্ভাবন সহযোগিতাকে এগিয়ে নিতে কর্মমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ।

২. উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পথে থাকা দেশগুলোকে আরও বাস্তবসম্মত উপায়ে আন্তর্জাতিক সহায়তার ব্যবস্থা করা।

৩. জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার দেশগুলোর জন্য পর্যাপ্ত তহবিল এবং প্রযুক্তি বরাদ্দে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করা।

৪. আঞ্চলিক সংকট ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা অর্জনে আঞ্চলিক আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।

৫. চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কর্মসংস্থান তৈরি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাত ও তথ্যপ্রযুক্তির সেবা সম্প্রসারণ করা।

এ সময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের ১১ লাখ নাগরিককে আশ্রয় দিচ্ছে বাংলাদেশ। এই মানবিক সংকট মারাত্মক নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করেছে।

‘আমরা এই বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপদ, টেকসই এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা এবং সমর্থন আশা করছি।’

২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার প্রসঙ্গটিও ওঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে।

তিনি বলেন, ‘এটি হচ্ছে গত ১৩ বছর ধরে আমাদের পরিকল্পিত উন্নয়নযাত্রার বৈশ্বিক স্বীকৃতি। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে আমাদের সরকার।’

কোভিড-১৯ মহামারি সারা বিশ্বের বেশির ভাগ দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলেও মন্তব্য করেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহামারি মোকাবিলায় আমরা জীবন ও জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছি।

‘আমাদের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রেখেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে যখন জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামমাত্র, তখন আমরা প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পেরেছি। আমরা ২০২১-২২ সালে ৭ শতাংশের বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি আশা করছি।’

ইতোমধ্যে দেশের বেশির ভাগ মানুষকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) চেয়ার হিসেবে, জ্বালানি সক্ষমতা অর্জনে ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’র খসড়া তৈরি করেছে বাংলাদেশ।”

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক মন্দা ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাব
অর্থনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
কক্সবাজারে যেখানে-সেখানে স্থাপনা নয়: প্রধানমন্ত্রী
পত্রিকার সংবাদে না ঘাবড়ে, দেশের উন্নয়নে কাজ করুন: প্রধানমন্ত্রী
অর্বাচীনের মতো সমালোচনা গ্রহণযোগ্য নয়: শেখ হাসিনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mary Stopes Pharma in Dhanmondi

ধানমন্ডিতে মেরী স্টোপস ফার্মা

ধানমন্ডিতে মেরী স্টোপস ফার্মা
মেরী স্টোপস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিশওয়ার ইমদাদ পশ্চিম ধানমন্ডিতে অবস্থিত মেরী স্টোপস প্রিমিয়াম হাসপালে এর  উদ্বোধন করেন।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে মেরী স্টোপস ফার্মার উদ্বোধন করা হয়েছে।

মেরী স্টোপস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিশওয়ার ইমদাদ রোববার বাড়ি ৩২০, রোড-৮/এ, পশ্চিম ধানমন্ডিতে অবস্থিত মেরী স্টোপস প্রিমিয়াম হাসপালে এর উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফার্মেসিটি চালু হওয়ার ফলে এই এলাকার মানুষ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মানসম্পন্ন ঔষধ ও পুষ্টি খাদ্য সামগ্রী কিনতে পারবেন বলে প্রতিষ্ঠানটির বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

মেরী স্টোপস বাংলাদেশে গত তিন দশক ধরে নারীর স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে আসছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ২৮টি জেলায় ৪০টি ক্লিনিকের মাধ্যমে এই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে; এর মধ্যে ৭টি মেটারনিটি হাসপাতাল।

সেবা গ্রহীতারা যাতে সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষিত মানসম্মত ঔষধ পেতে পারেন সেলক্ষ্যে ২ এপ্রিল মিরপুর, গাজীপুর এবং সিলেটে একইসঙ্গে ৩ টি মডেল মেডিসিন শপ (ফার্মেসি) খোলা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ধানমন্ডিতে মেরী স্টোপস ফার্মা চালু করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মেরী স্টোপস বাংলাদেশ মেরী স্টোপস ইন্টারন্যাশনাল এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের ৩৭টি দেশে মেরী স্টোপসের ক্লিনিক এবং অন্যান্য কার্যক্রম রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh Banks dollar sales exceeded Rs 550 crore

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার বিক্রি ৫৫০ কোটি ডলার ছাড়াল

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার বিক্রি ৫৫০ কোটি ডলার ছাড়াল
গত এক সপ্তাহ ধরে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি হলেও ব্যাংকগুলো এর চেয়ে ৮-১০ টাকা বেশি দরে নগদ ডলার বিক্রি করছে। এই ব্যবধান কমাতে বৃহস্পতিবার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চারটি তদন্ত দল মাঠে নেমেছে। তারপরও ব্যাংকগুলো ডলারের দর কমায়নি।

মুদ্রাবাজার স্বাভাবিক রাখতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করেই চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সব মিলিয়ে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের সাড়ে ১০ মাসে (২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ১৯ মে পর্যন্ত) ৫৫০ কোটি (৫.৫০ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিপরীতে বাজার থেকে ৪৮ হাজার ১২৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা) বেশি তুলে নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এত ডলার বাজারে ছাড়া হয়নি। এরপরও বাজারের অস্থিরতা কাটছে না। বেড়েই চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দর। দুর্বল হচ্ছে টাকা।

গত এক সপ্তাহ ধরে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি হলেও ব্যাংকগুলো এর চেয়ে ৮-১০ টাকা বেশি দরে নগদ ডলার বিক্রি করছে। এই ব্যবধান কমাতে বৃহস্পতিবার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চারটি তদন্ত দল মাঠে নেমেছে। তারা ব্যাংকগুলো পরিদর্শন করেছে। তারপরও ব্যাংকগুলো ডলারের দর কমায়নি।

ব্যাংকগুলোর ওয়েবসাইটে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক রোববার ৯২ টাকা ৪৫ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছে। জনতা ব্যাংক করেছে ৯৩ টাকা ৯০ পয়সায়। অগ্রণী ব্যাংক বিক্রি করেছে ৯৩ টাকা ৫০ পয়সা দরে। আর বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক বিক্রি করেছে ৯৭ টাকায়। প্রইম ব্যাংক ৯৭ টাকা ৯৫ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছে।

অস্থির বাজারে ১৭ মে খোলাবাজারে ডলারের দর ১০০ টাকা ছাড়িয়ে ১০৪ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। ১৮ মে ১০০ টাকার বেশি দরে কার্ব মাকেটে ডলার বিক্রি হয়। ১৯ মে অবশ্য ডলারের দর ১০০ টাকার নিচে নেমে এসে ৯৬ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৯৬ টাকায় ৩০ পয়সায় বিক্রি হয়।

তবে চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার খোলাবাজারে ডলারের দর ফের বেড়েছে; ৯৮ টাকা থেকে ৯৯ টাকায়র মধ্যে ডলার বিক্রি হয়েছে।

আমদানি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা বাড়ায় বাজারে ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা। আমদানির লাগাম টেনে ধরা ছাড়া ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তারা।

ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে দামে ডলার কেনে বা বিক্রি করে, তাকে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার বলে। এ হিসাবে আন্তঃব্যাংক রেটের চেয়ে ৮ থেকে ১০ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে ব্যাংকগুলো। অথচ এই ব্যবধান বা পার্থক্য এক-দেড় টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।

খোলাবাজারের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো হাত নেই। তবে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার বিক্রি করলে বাংলাদেশ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে থাকে। কেননা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আন্তঃব্যাংক দরে ডলার কিনে সেই ডলার বিক্রি করে থাকে ব্যাংকগুলো।

এর আগে দেখা গেছে, ব্যাংকগুলোর বিক্রি করা ডলারের দর আর আন্তঃব্যাংক বা ব্যাংক রেটের মধ্যে বেশি ব্যবধান হলে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই পার্থক্যের একটা সীমা নির্ধারণ করে দিত; সেটা এক থেকে দুই টাকার মধ্যে থাকত। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলো আন্তঃব্যাংক রেটের চেয়ে অনেক বেশি দামে ডলার বিক্রি করলেও এতোদিন কোনো হস্তক্ষেপ করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সে কারণেই এতোদিন ইচ্ছামতো যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দাম বাড়িয়ে চলেছে ব্যাংকগুলো; কমছে টাকার মান। এ পরিস্থিতিতে আমদানি খরচ বেড়েই যাচ্ছে; বাড়ছে পণ্যের দাম। তবে রপ্তানিকারক ও প্রবাসীরা লাভবান হচ্ছেন।

করোনা মহামারির কারণে গত ২০২০-২১ অর্থবছর জুড়ে আমদানি বেশ কমে গিয়েছিল। কিন্তু প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে উল্লম্ফন দেখা যায়। সে কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে যায়। সে পরিস্থিতিতে ডলারের দর ধরে রাখতে গত অর্থবছরে রেকর্ড প্রায় ৮ বিলিয়ন (৮০০ কোটি) ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তারই ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়েও ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনা হয়।

আগস্ট মাস থেকে দেখা যায় উল্টো চিত্র। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে আমদানি। রপ্তানি বাড়লেও কমতে থাকে রেমিট্যান্স। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভও কমতে থাকে। বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায়; বাড়তে থাকে দাম। বাজার স্থিতিশীল রাখতে আগস্ট থেকে ডলার বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি হয়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই একই জায়গায় ‘স্থির’ছিল ডলারের দর। এরপর থেকেই বাড়তে থাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার দর।

হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, এই ৯ মাসে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার বিপরীতে ডলারের দর বেড়েছে ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ।

সরকারের পদক্ষেপে আমদানি কমবে

অর্থনীতির গবেষক বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জ্যেষ্ঠ গবেষক মঞ্জুর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, চাহিদা বাড়ায় রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে ঠিক কাজটিই করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।

বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ হস্তক্ষেপকে সময়োপযোগী একটা পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন এই অর্থনীতিবিদ।

তিনি বলেন, ‘আমদানি বাড়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। স্বাভাবিক নিয়মেই বেড়েছে দর। কিন্তু এখন আমদানির লাগাম টেনে ধরতে হবে; যে করেই হোক আমদানি কমাতে হবে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটা ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতি প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য সব পণ্য আমদানিতে এলসি মার্জিন ৭৫ শতাংশ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকারদের বিদেশ সফর বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। আমি মনে করি, এসব পদক্ষেপের ফলে আমদানির লাগাম কিছুটা কমবে।

‘তবে আরেকটি বিষয় খুব তীক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। পণ্য আমদানির আড়ালে বিদেশে টাকা পাচার হচ্ছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখতে হবে।’

অর্থনীতির আরেক বিশ্লেষক গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ও ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সত্যিই ডলারের বাজারে চরম অস্থিরতা চলছে। এটা কোথায় গিয়ে শেষ হবে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে প্রচুর ডলার বিক্রি করেও বাজার স্বাভাবিক রাখতে পারছে না। আমার মনে হয়, এভাবে হস্তক্ষেপ করে বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে না।

‘কেননা সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ব্যাপক তফাত। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় আমদানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু রেমিট্যান্স না বেড়ে উল্টো কমেছে। রপ্তানি বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু তা আমদানির চেয়ে অনেক কম।

‘এখন কথা হচ্ছে, কতদিন এই অস্থিরতা চলবে। আমার পরামর্শ হচ্ছে, অনেক হয়েছে, আর নয়। যে করেই হোক আমদানি কমাতেই হবে। এ ছাড়া এখন আর অন্য কোনো পথ খোলা নেই। আর যদি এটা করা না যায়, তাহলে রিজার্ভের ওপর চাপ আরও বাড়বে।’

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা আহসান মনসুর বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, রিজার্ভ থেকে বাজারে ডলার ছেড়ে হস্তক্ষেপ করে পার্মানেন্ট কোনো সল্যুশন (স্থায়ী সমাধান) হবে না। বাজারকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হলে এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতটা একটু গুটিয়ে ফেলতে হবে; হস্তক্ষেপ তুলে নিতে হবে। বাজারকে বাজারের মতো চলতে দিতে হবে; বাজারকে তার গতিতেই যেতে দিতে হবে।

‘সেক্ষেত্রে যদি ইন্টারব্যাংক রেট (আন্তঃব্যাংক রেট) ৮৮ টাকাও হয়, তাও যেতে দিতে হবে। তাহলে ব্যাংকগুলো ও কার্ব মার্কেটের সঙ্গে ব্যাংক রেটে ডলারের যে পার্থক্য তা কমে আসবে। ধীরে ধীরে বাজার স্থিতিশীল-স্বাভাবিক হয়ে আসবে। আমি মনে করি, সেটাই হবে একটা স্থায়ী সমাধান।’

আরও পড়ুন:
ডলার সংকটে বেসামাল অর্থনীতি
খোলা বাজারে ডলারের সেঞ্চুরি
ডলারের পাগলা ঘোড়ার দাপটে টাকার রেকর্ড দরপতন
রিজার্ভ থেকে রেকর্ড ডলার ছেড়েও অস্থির বাজার
আরও দুর্বল হলো টাকা

মন্তব্য

p
উপরে