× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Alig leader Lapatta who cut the dam in Haor
hear-news
player
print-icon

হাওরে বাঁধ কেটে দেয়া আ.লীগ নেতা লাপাত্তা

হাওরে-বাঁধ-কেটে-দেয়া-আলীগ-নেতা-লাপাত্তা কেটে দেয়া বাঁধ রক্ষায় গ্রামবাসীর প্রচেষ্টা ও পলাতক আসামি লোকমান হেকিম।
কয়েক কৃষক ও মৎস্যজীবী জানান, লোকমান হেকিম ‘পেটনা বিল’ নামে যে জলমহালটি ভোগদখল করছেন, এটিও আসলে তার নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা নয়। সরকারিভাবে এটি ‘ইসলামপুর মৎস্যজীবী সমিতি’ নামে একটি মৎস্যজীবী সংগঠনের নামে ইজারা দেয়া। কিন্তু ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে লোকমান ও তার সহযোগীরা এটি নিয়ন্ত্রণ করছেন।

নেত্রকোণার খালিয়াজুরী উপজেলায় হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ কেটে দেয়ার মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হেকিমসহ অভিযুক্ত ১৭ জনের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ কারণে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, লোকমানসহ অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছেন। তাদের খোঁজ পেলেই আটক করা হবে।

নেত্রকোণার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী ও খালিয়াজুরী থানার ওসি মজিবুর রহমান আসামিদের আত্মগোপনে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবোর) উপসহকারী প্রকৌশলী ওবায়দুল হক বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হেকিম, রেজাউল কবিরসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় সরকারি সম্পদ ও ফসলের ক্ষতি সাধনের অভিযোগ আনা হয়।

জানা গেছে, মামলার প্রধান অভিযুক্ত লোকমান খালিয়াজুরীর মেন্দিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। আওয়ামী লীগে যোগদানের আগে তিনি প্রথমে যুবদল ও পরে বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও পরাজিত হন। অপর অভিযুক্ত রেজাউল কবির মেন্দিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি লোকমানের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সহযোগী।

পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী ওবায়দুল হক স্থানীয় কৃষকদের বরাতে জানান, সোমবার রাতে লোকমান ও রেজাউল তাদের লোকজন নিয়ে জগন্নাথপুর এলাকার নন্দের পেটনা হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধটির ২০-২৫ ফুট জায়গা কেটে দেন। নন্দের পেটনা এলাকায় ‘পেটনা বিল’ নামে লোকমান হেকিমের একটি জলমহাল আছে। ওই জলমহালে হাওরের পানি ও মাছ ঢোকাতেই রাতের আঁধারে তারা নিজেদের লোকজন দিয়ে বাঁধটি কেটে দেন।

এতে আশপাশের হাওরের বোরো ক্ষেতে পানি ঢুকতে শুরু করে এবং খালিয়াজুরী ও মদন উপজেলার কয়েকটি হাওরের উঠতি বোরো ফসল মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে।

এদিকে বাঁধ কেটে দেয়ার খবরে রাতেই এলাকার কৃষকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে লোকমানকে ধাওয়া করেন। এ সময় লোকমান ঘটনাস্থলে তার মোটরসাইকেল ফেলে রেখে দৌড়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা লোকমানের মোটরসাইকেলটি পানিতে ফেলে দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জগন্নাথপুর গ্রামের কয়েক কৃষক ও মৎস্যজীবী জানান, লোকমান হেকিম ‘পেটনা বিল’ নামে যে জলমহালটি ভোগদখল করছেন এটিও আসলে তার নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা নয়। সরকারিভাবে এটি ‘ইসলামপুর মৎস্যজীবী সমিতি’ নামে একটি মৎস্যজীবী সংগঠনের নামে ইজারা দেয়া। কিন্তু ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে লোকমান ও তার কয়েক সহযোগী এটি নিয়ন্ত্রণ করছেন। আর প্রকৃত মৎস্যজীবীরা (যাদের নামে বন্দোবস্ত) ওই জলমহালে এখন শ্রমিক হিসেবে দিনমজুরি করছেন।

ওই কৃষক ও মৎস্যজীবীরা দাবি করেন, লোকমান সরকারি দলের এক জনপ্রতিনিধির পিএসের স্নেহধন্য। ওই পিএসই বিএনপি থেকে আসা লোকমানকে সরকারি দলের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করেন। বড় পদ পাইয়ে দেন। এ কারণে তিনি ধরাকে সরাজ্ঞান করছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার আর অসৌজন্যমূলক আচরণের জন্য এলাকায় দিন দিন জনপ্রিয়তা হারান এই নেতা। এ কারণেই গত ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়েও শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন।

তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বাঁধ কাটার পরও লোকমানসহ অন্যরা এলাকায়ই ছিলেন। কিন্তু তখন পুলিশ তাদের ধরেনি। প্রশাসনও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়নি। মামলার খবর পেয়েই তারা আত্মগোপনে চলে গেছেন।’

খালিয়াজুরী থানার ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, ‘মামলায় অভিযুক্ত কেউই এখন এলাকায় নেই। আমরা তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। পাশাপাশি মামলাটিরও তদন্ত শুরু করেছি।’

নেত্রকোণার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সীও সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আসামি দেখামাত্রই গ্রেপ্তার করা হবে।’

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নেত্রকোণা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী এম এল সৈকত জানান, পাউবো, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় কৃষকদের চেষ্টায় বুধবার সকালের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ফসলরক্ষা বাঁধটি সম্পূর্ণভাবে মেরামত করা সম্ভব হয়েছে। বাঁশ, মাটি, বালু, জিও ব্যাগ, চাটাই ও খড় দিয়ে বাঁধটি মেরামত করা হয়।

খালিয়াজুরী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন বলেন, ‘বাঁধটি রক্ষার ফলে খালিয়াজুরী ও মদনের বিভিন্ন হাওরের প্রায় ২৫০ হেক্টর জমির বোরো ধান রক্ষা পেয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বাঁধ কাটায় আ.লীগ নেতাসহ ১৭ জনের নামে মামলা
ধানের ক্ষয়ক্ষতির ‘তথ্য গোপন করছে প্রশাসন’
জলমহালে মাছ ঢোকাতে বাঁধ কাটলেন আ.লীগ নেতা
মধ্যরাতে তলিয়ে গেল সুনামগঞ্জের হালির হাওর
কিশোরগঞ্জের হাওরে স্বস্তি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Dehydration and diarrhea are on the rise

পানি কমছে, বাড়ছে ডায়রিয়া ও চর্ম রোগ

পানি কমছে, বাড়ছে ডায়রিয়া ও চর্ম রোগ
সিলেটের সিভিল সার্জন এস এম শাহরিয়ার  বলেন, ‘বন্যার কারণে পানিবাহিত রোগ বেড়েছে। আমাদের হিসেবে এ পর্যন্ত জেলায় প্রায় সাড়ে ৪ শ লোক ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। পাশাপাশি চর্ম রোগে ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন আরও কয়েকজন। গোয়ানঘাট উপজেলায় রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে।’
সালেক মিয়ার পায়ে ঘা হয়ে গেছে। তাতে খুব চুলকানি হয়। সালেকের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার মোল্লারগাও ইউনিয়নে। ৫/৬ দিন পানিতে তলিয়ে ছিল তার বাড়ি। তবু বাড়ি ছেড়ে যাননি। পানিতে থাকতে থাকতেই পায়ে ঘা হয়ে গেছে তার।
সালেক বলেন, ‘কেবল আমার নয়, আমাদের বাড়ির আরও কয়েকজনের এমন হয়েছে বাচ্চাদের হাতে পায়ে ফোঁড়া উঠেছে। তাতে চুলকানি লেগেই থাকে।’
নগরের ছড়ার পাড় এলাকার একটি বস্তিতে থাকেন সুনাফর আলী। ৪ সদস্যের তার পরিবারের সবার ডায়রিয়া।
সুনাফর আলী বলেন, ‘এই কদিনে পচা পানির মধ্যে ছিলাম। খাবার পানিও পাইনি। এখন পানি নামলেও বাসার সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েছে।’
সিলেটে কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। তবে বাড়তে শুরু করেছে পানিবাহিত রোগ। বেশিরভাগাই ডায়রিয়া ও চর্ম রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। পানি আরও কমলে রোগবালাই আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে জেলা সিভিল সার্জন অফিস। তবে আক্রান্ত বেশিরভাগই এখন পর্যন্ত বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ এখনও তেমন বাড়েনি।
আক্রান্তরা বাসায় চিকিৎসা নেয়ায় রোগীর সঠিক তথ্যও নেই সংশ্লিষ্টদের কাছে। নগরের অনেকে আক্রান্ত হলেও সিটি করপোরেশনের কাছে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বন্যা পরবর্তী রোগের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে জেলায় ১৪০টি মেডিক্যাল টিম গঠন করেছে সিভিল সার্জন অফিস। আর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নগরে গঠন করা হয়েছে আরও ৩ টি মেডিক্যাল টিম।
সিলেটের সিভিল সার্জন এস এম শাহরিয়ার বলেন, ‘বন্যার কারণে পানিবাহিত রোগ বেড়েছে। আমাদের হিসেবে এ পর্যন্ত জেলায় প্রায় সাড়ে ৪ শ লোক ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। পাশাপাশি চর্ম রোগে ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন আরও কয়েকজন। গোয়ানঘাট উপজেলায় রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে।


পানি কমছে, বাড়ছে ডায়রিয়া ও চর্ম রোগ

‘পানিবাহিত রোগ যাতে না ছড়াতে পারে এজন্য আমাদের মেডিক্যাল টিম ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায়ও কাজ করছে। তবে বন্যা পরবর্তী পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়।’
কোন উপজেলায় কতটি মেডিক্যাল টিম কাজ করবে তাও পরিষ্কার করেছেন এই প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘সিলেট সদরে ১০টি, দক্ষিণ সুরমায় ৮টি, বিশ্বনাথে ১১টি, ওসমানীনগরে ৯টি, বালাগঞ্জে ৭টি, ফেঞ্চুগঞ্জে ১০টি, গোলাপগঞ্জে ১৬টি, বিয়ানীবাজারে ১৬টি, জকিগঞ্জে ১০টি, কানাইঘাটে ১২টি, গোয়াইনঘাটে ১০টি, জৈন্তাপুরে ১১টি এবং কোম্পানীগঞ্জে ৭টি মেডিকেল টিম থাকছে। এর বাইরে জেলা সদরে ৩টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে।’
‘এসব দলে চিকিৎসক ছাড়াও নার্সসহ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট অনেকেই আছেন। প্লাবিত এলাকার সবখানেই যেন স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রতিটি মেডিক্যাল টিমকে নির্দেশনা দেয়া আছে।’
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) আবুল কালাম আজাদ, ‘পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে পানিবাহিত রোগ বৃদ্ধির শঙ্কা থাকে। তবে এজন্য আমাদের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে।’


পানি কমছে, বাড়ছে ডায়রিয়া ও চর্ম রোগ

তিনি বলেন, ‘ডায়রিয়ায় আক্রান্তদের জন্য নগরের শাহী ঈদগাহ এলাকায় সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে, একইসঙ্গে নগরের রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সিলেট সিটি করপোরেশনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’
পচা ও দুর্গন্ধ যুক্ত পানি কারণে চর্মরোগ ও ডায়রিয়া বেশি ছড়াতে পারে জানিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে তিনটি মেডিক্যাল টিম মাঠে আছে, প্রয়োজনে আরও গঠন করা হবে। এ ছাড়া নগরে পানি বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে।’
সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নিউজবাংলা বলেন, ‘পানি পুরো নেমে যাওয়ার পর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা শাখার দল গঠন করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে মশা-মাছি ও কীটপতঙ্গ নিধনের জন্য ওষুধ ছিটানো এবং ময়লা দুর্গন্ধ দূর করতে ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সিলেটের নতুন দুর্ভোগ পানির দুর্গন্ধ
পানি নেমে যাচ্ছে সিলেট নগরের
সুনামগঞ্জে কমছে পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ
কুশিয়ারায় জলে বন্দি ১৫০ পরিবার
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সিলেটের ৫৮২ কিলোমিটার সড়ক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Brick khoya on school grounds This time the headmaster is in jail

স্কুলমাঠে ইটের খোয়া: এবার কারাগারে প্রধান শিক্ষক

স্কুলমাঠে ইটের খোয়া: এবার কারাগারে প্রধান শিক্ষক
গত ২৪ মার্চ ওই স্কুলের ছাত্র অভিভাবক মো. সিরাজুল ইসলাম গোপালগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলাটি করেছিলেন।

সাম্প্রতিক অভিযোগটি হলো, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বান্ধাবাড়ি জেবিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠটি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এক ঠিকাদারের কাছে ভাড়া দিয়ে নানা ধরনের নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়েছে। আর সেই টাকা গ্রহণ করেছেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি।

এবার সেই প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে স্কুলের অর্থ আত্মসাতের আরেকটি মামলায় বুধবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গত ২৪ মার্চ ওই স্কুলের ছাত্র অভিভাবক মো. সিরাজুল ইসলাম গোপালগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেছিলেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৯ সালের ১৩ জুন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ ও সভাপতি হান্নান মোল্লা ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই বিদ্যালয়ের জনতা ব্যাংক, কোটালীপাড়া শাখার সঞ্চয়ী হিসাব থেকে চেকের মাধ্যমে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন।

অর্থ আত্মসাতের সেই মামলাটিতে জামিনে ছিলেন বান্ধাবাড়ী জেবিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ আব্দুর রশিদ ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হান্নান মোল্লা। বুধবার তারা আদালতে হাজিরা দিতে গেলে কোটালীপাড়া আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অনুশ্রী রায় তাদের জামিন বাতিল করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে ওই স্কুলের মাঠ অবৈধভাবে ভাড়া দেয়ার সত্যতা যাচাই করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদাউস ওয়াহিদ জানান, বিষয়টি তদন্ত করে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন:
স্কুলের পরিত্যক্ত ঘর ধসে ৪ শিশু আহত
প্রবেশ পথে বেড়া, বন্ধ হওয়ার পথে স্কুল
পা দিয়ে লেখে সে, কৃত্রিম হাত পেলে কমত কষ্ট
রোজায় স্কুল-কলেজে ক্লাস কমল ছয় দিন
‘স্কুলের বেঞ্চ কেটে’ চায়ের দোকানের লাকড়ি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Residents of Namal area on the road of Municipal Councilor occupying the field

মাঠ দখল পৌর কাউন্সিলরের, রাস্তায় নামল এলাকাবাসী

মাঠ দখল পৌর কাউন্সিলরের, রাস্তায় নামল এলাকাবাসী
পৌর মেয়র আলহাজ মাহমুদ আলম লিটন বলেন, ‘এলাকাবাসীর একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পৌর কাউন্সিলর মাজেদুর রহমানের বিরুদ্ধে খেলার মাঠ দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ মাঠটিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী চড়ক মেলারও আয়োজন করা হতো। মাঠটি দখলমুক্ত করতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

বুধবার দুপুরে মাঠ দখলের প্রতিবাদ জানিয়ে ফুলবাড়ী পৌর এলাকার চাঁদপাড়া গ্রাম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শতাধিক শিশু-কিশোরসহ স্থানীয় অনেক নারী-পুরুষ।

মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন করেন প্রতিবাদকারীরা। মানববন্ধন শেষে খেলার মাঠ রক্ষার দাবি জানিয়ে ইউএনও এর কাছে গণস্বাক্ষর করা একটি লিখিত অভিযোগ দেন তারা।

মাঠ দখল পৌর কাউন্সিলরের, রাস্তায় নামল এলাকাবাসী

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, উপজেলার চাঁদপাড়া এলাকায় ছোট যমুনা নদীর তীরসংলগ্ন সুজাপুর মৌজার ১৮১৫ দাগের সম্পত্তিটি সরকারি এবং এসএ খতিয়ানে তা জনসাধারণের স্বার্থে ব্যবহারের জন্য উম্মুক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জায়গাটিকে বছরের পর বছর ধরে খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার করছে স্থানীয়রা। এ ছাড়া হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলাও অনুষ্ঠিত হয় এই মাঠে। কিন্তু ওই এলাকার পৌর কাউন্সিলর মাজেদুর প্রভাব খাটিয়ে নিজের সম্পত্তি দাবি করে মাঠটি দখল করে নিয়েছেন।

এর আগে মাঠটি উদ্ধারে চাঁদপাড়া এলাকাবাসী পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। তাই বাধ্য হয়ে মাঠ উদ্ধারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভে নেমেছেন তারা।

মাঠ দখল পৌর কাউন্সিলরের, রাস্তায় নামল এলাকাবাসী

মানববন্ধনে অংশ নেয়া স্থানীয় সুমন, লুৎফর, মৃদুলসহ এলাকাবাসী জানান, তারা অনেক বছর ধরে ওই মাঠটিতে খেলাধুলা করে আসছেন। এ ছাড়া তাদের আর কোনো মাঠ নেই। ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাজেদুর হঠাৎ করেই মাঠটি দখলে নিয়ে খেলার পরিবেশ নষ্ট করেছেন। তাই খেলার মাঠটি উদ্ধারে তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান।

এদিকে পৌর কাউন্সিলর মাজেদুর রহমান বলেন, ‘দখল নেয়া জায়গাটি আমার বাপ-দাদার পৈতৃক সম্পত্তি; যার দাগ নম্বর ১৮১৬। আমি কারও জায়গা দখল করিনি। এলাকাবাসীর দাবি করা জমিটি ১৮১৫ দাগের। সেই অনুযায়ী তাদের জমি আলাদা।’

এ বিষয়ে পৌর মেয়র আলহাজ মাহমুদ আলম লিটন বলেন, ‘এলাকাবাসীর একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

অভিযোগ পেয়েছেন উল্লেখ করে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও।

আরও পড়ুন:
আপাতত থানা নয় তেঁতুলতলায়
খেলার জায়গা দরকার, থানাও প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তেঁতুলতলা নিয়ে আন্দোলন বড় হচ্ছে
প্রতিবাদ করা সাংবিধানিক অধিকার
স্টেডিয়ামে আর বসবে না বাঁশের হাট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mango unloading festival has started in Naogaon

নওগাঁয় শুরু হয়েছে আম নামানোর ‘উৎসব’

নওগাঁয় শুরু হয়েছে আম নামানোর ‘উৎসব’ গুটিজাতের আম নামানো শুরু হয়েছে নওগাঁয়। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান বলেন, ‘বুধবার সকাল থেকে চাষিরা গুটি আম নামাতে শুরু করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জেলায় আম নামানোর উৎসব শুরু হলো। তবে উন্নত জাতের আমগুলো নামানোর জন্য আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করলে ভালো হবে।’

নওগাঁয় চলতি মৌসুমে গুটিজাতের আম নামানো শুরু হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে বুধবার জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো আম কেনাবেচার ‘উৎসব’।

বাজারে নিরাপদ ও পরিপক্ব আম সরবরাহ নিশ্চিতে আগে থেকেই এই সূচি ঠিক করেছিল জেলা প্রশাসন ও জেলা কৃষি বিভাগ।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় জাতভেদে আম নামানোর সম্ভাব্য তারিখ জানানো হয়। সভায় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ছাড়াও আমচাষি, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ওই সভায় গুটিজাতের আম নামানোর তারিখ ঠিক করা হয় ২৫ মে।

এ ছাড়া গোপালভোগ ৩০ মে ও ক্ষীরসাপাত বা হিমসাগর ৫ জুন, নাগ ফজলি ৮ জুন, ল্যাংড়া ও হাঁড়িভাঙ্গা ১২ জুন, ফজলি আম ২২ জুন ও আম্রপালি ২৫ জুন থেকে নামানো যাবে। সর্বশেষ ১০ জুলাই থেকে নামানো যাবে আশ্বিনা, বারী-৪ ও গৌরমতি জাতের আম।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ শামছুল ওয়াদুদ বলেন, ‘বাগানমালিক, ব্যবসায়ী, জেলা প্রশাসন সবার সঙ্গে আলোচনা করে আম সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। তারিখ অনুযায়ী আম সংগ্রহ করতে জেলাজুড়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। পরিপক্ব ও ক্ষতিকারক কেমিক্যালমুক্ত আম খাওয়াতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার সকাল থেকে চাষিরা গুটি আম নামাতে শুরু করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জেলায় আম নামানোর উৎসব শুরু হলো।’

উন্নত জাতের আমগুলো নামানোর জন্য আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করলে ভালো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে নির্ধারিত সময়ের আগে যদি কোনো বাগানের আম পেকে যায়, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়ে চাষিরা আম পাড়তে পারবেন।’



নওগাঁয় শুরু হয়েছে আম নামানোর ‘উৎসব’

তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশে নওগাঁর আমের খুব সুনাম রয়েছে। এ জন্য কয়েক বছর থেকে আম পাড়ার তারিখ নির্ধারণ করে দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া আম পাকানো, সংরক্ষণ বা বাজারজাতে কেমিক্যালের ব্যবহার ঠেকাতে নজরদারি রয়েছে।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৯ হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। হেক্টরপ্রতি ফলন ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ৫০ টন। আশা করা হচ্ছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৩৫ টন আম উৎপাদন হবে। যার বিক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮৪২ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এর মধ্যে বিদেশে আম রপ্তানির জন্য কয়েকজন আমচাষিকে প্রশিক্ষণ ও নিরাপদ আম প্রস্তুতের পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ। তাদের বাগান থেকেই আম ইংল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, দুবাই, কাতার, সুইডেন ও ওমানে রপ্তানি করা হবে।

আরও পড়ুন:
ফজলি নিয়ে রাজশাহী-চাঁপাই লড়াই
নওগাঁর আমের ১৯০০ কোটি টাকার বাণিজ্যের আশা
কবে আসছে আমিরের ‘লাল সিং চাড্ডা’র ট্রেলার
আ.লীগের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান আমুর
ঝড়ের দিনে আম কুড়ানো

মন্তব্য

বাংলাদেশ
EC has called Comilla candidates in Dhaka to show EVM

ইভিএম দেখাতে কুমিল্লার প্রার্থীদের ঢাকায় ডেকেছে ইসি

ইভিএম দেখাতে কুমিল্লার প্রার্থীদের ঢাকায় ডেকেছে ইসি কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীদের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন যাচাই করে দেখার জন্য আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ছবি: সংগৃহীত
প্রার্থীদের জন্য ইভিএম কাস্টমাইজেশন কার্যক্রম আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে করা হবে। প্রার্থী অথবা তার মনোনীত কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতে পারবেন। যারা আসতে চান, তাদের ২৬ মে বিকেল ৪টার মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কাছে বা প্রতিনিধির নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীদের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন যাচাই করে দেখার জন্য আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাদের রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আসতে হবে। সেখানেই ইভিএম কাস্টমাইজেশন করে দেখানো হবে।

কুমিল্লা সিটি ভোটের রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান।

আগামী ১৫ জুন কুমিল্লায় ভোট পুরোপুরি ইভিএমে নেয়া হবে। এই যন্ত্র ব্যবহারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীর আপত্তি না থাকলেও স্বতন্ত্র পরিচয়ে দাঁড়ানো বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা ব্যালটে ভোট নেয়ার দাবি করছেন। তাদের দাবি, ইভিএমে কারচুপি করা যায়।

এই পরিস্থিতিতে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেয়র, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর এবং সাধারণ আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য ইভিএম কাস্টমাইজেশন কার্যক্রম আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে করা হবে। সেখানে কাস্টমাইজেশন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অথবা তার মনোনীত কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতে পারবেন।

যারা এখানে আসতে চান, তাদের ২৬ মে বিকেল ৪টার মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কাছে বা প্রতিনিধির নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ মের মধ্যে আবেদন না করলে ধরে নেয়া হবে যে ওই প্রার্থী ইভিএম কাস্টমাইজেশন প্রক্রিয়া দেখতে আগ্রহী নন।
২৬ মে নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। প্রতীক বরাদ্দ হবে ২৭ মে।

দুটি পৌরসভাকে একীভূত করে ২০১১ সালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়। পরের বছর হয় প্রথম নির্বাচন হয়। এরপর ২০১৭ সালে এসে এ সিটিতে বেশ কয়েকটি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করে আয়তন বাড়ানো হয় প্রায় তিন গুণ। এতে দেখা দেয় সীমানা জটিলতা। বর্তমানে এই সিটিতে ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ড রয়েছে।

দুটি নির্বাচনেই কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে। দুটি ভোটেই জয় পেয়েছেন বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু। তার দল এবার ভোট বর্জন করায় গত দুবারের মেয়র এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের প্রচারে নেমেছেন।

আওয়ামী লীগ এখানে পরপর তিনটি নির্বাচনে নতুন মুখ দিয়ে জয়ের চেষ্টায় আছে। প্রথম নির্বাচনে কুমিল্লা আওয়ামী লীগের ডাকসাইটে নেতা আফজল খানকে দিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পরের বার তার মেয়ে আঞ্জুম সুলতানা সীমাও পেরে ওঠেননি।

এবার নৌকা প্রতীক দেয়া হয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাতকে।

দুই দলেই আছে কোন্দল। সাক্কুর বিরোধিতা করে মাঠে আছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার। অন্যদিকে প্রয়াত আফজল খানের ছেলে মাসুদ পারভেজ খান ইমরান নৌকা না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় মেয়র পদে ভোটযুদ্ধে ৬ প্রার্থী
দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা নিজাম উদ্দিনের
কুমিল্লায় রিফাত-সাক্কুর মনোনয়ন বৈধ
কুমিল্লা সিটি নির্বাচন: মেয়র পদে ৬ জনের মনোনয়নপত্র জমা
১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা ঠুকলেন রিফাত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Driver killed in bus truck collision

বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে চালক নিহত

বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে চালক নিহত সংঘর্ষে দুমড়ে-মুচড়ে যায় ট্রাকটি। ছবি নিউজবাংলা

নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে এক চালক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের নুরে আলম ফিলিং স্টেশনের কাছে বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ৬০ বছর বয়সী বারিক সরদারের বাড়ি পাবনার বাহিরচর গ্রামে। তাৎক্ষণিক আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি বাস রাজশাহী থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের নুরে আলম ফিলিং স্টেশনের কাছে এলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়।

এতে ট্রাকের চালক বারিকসহ অন্তত ১১ জন আহত হন। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে বারিকের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঘণ্টাব্যাপী যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ করেনি।’

আরও পড়ুন:
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
70 loads of gold looted in the name of DB

ডিবি পরিচয়ে ৮০ ভরি সোনা লুট

ডিবি পরিচয়ে ৮০ ভরি সোনা লুট
ওই সোনা সত্য নারায়ণ জুয়েলার্সের মালিক দেব রাজের বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা তানভীর। দেব রাজ জানান, আটক রাজিব কর্মকার ও তিনি সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই। তার দোকানে বসতেন রাজিব। তবে অপরাধমূলক নানা কাজ করায় তাকে বের করে দেয়া হয়।

কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে দোকান থেকে সোনা লুটের অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ৮৮ ভরি ৫ আনা সোনা।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার সাহাপাড়া এলাকার রাজিব কর্মকার মিঠু ও নোয়াখালী জেলার উত্তর হাজিপুর গ্রামের তপু কর্মকার।

পুলিশ কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ জানান, নোয়াখালী থেকে গলিত সোনা নিয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে ঢাকার দিকে রওনা দেন নোয়াখালীর নরোত্তম পুর গ্রামের অভিজিৎ কুড়ি নামে এক ব্যক্তি। পথে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অভিজিৎ কুড়িকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সোনা ছিনিয়ে নিয়ে তাকে হাত-পা বেঁধে দাউদকান্দির পুটিয়া এলাকায় ফেলে রেখে যায়। পুলিশ সেখান থেকে অভিজিৎকে উদ্ধার করে।

অভিজিতের দেয়া তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবারই অভিযান চালিয়ে দাউদকান্দির সাহাপাড়া থেকে রাজিব কর্মকার ও চাঁদপুরের উত্তর মতলবের বাগান বাড়ি থেকে তপু কর্মকারকে আটক করা হয়। তপুর কাছে পাওয়া যায় লুট করা সোনা।

ওই সোনা সত্য নারায়ণ জুয়েলার্সের মালিক দেব রাজের বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা তানভীর।

দেব রাজ জানান, আটক রাজিব কর্মকার ও তিনি সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই। তার দোকানে বসতেন রাজিব। তবে অপরাধমূলক নানা কাজ করায় তাকে বের করে দেয়া হয়। এ কারণে ক্ষোভে তার সোনা লুট করেন বলে ধারণা দেবের।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দাউদাকান্দি সার্কেল) ফয়েজ ইকবাল জানান, লুটের ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের নামে মামলা দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
সোনালী ব্যাংকের ৯ কর্মকর্তার ১৭ বছরের জেল
আঙুলে আংটি, সোনাক্ষীর বিয়ের গুঞ্জন
‘হলমার্ক কেলেঙ্কারি সোনালী ব্যাংককে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে’
১ গ্রামের স্বর্ণের বার বাজারে আনলেন সাকিব
বাবার জয়ে উচ্ছ্বসিত সোনাক্ষী

মন্তব্য

p
উপরে