× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Eid shopping at night
hear-news
player

রাতে ঈদের কেনাকাটা

রাতে-ঈদের-কেনাকাটা
ঈদের বাকি আর সপ্তাহখানেক। ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মার্কেট মুখর হয়ে উঠছে। দিনে অসহনীয় গরম আর যানজট। তাই গরম আর ভিড় এড়িয়ে স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটার জন্য অনেকে বেছে নিয়েছেন রাতের বেলা।

আসিফ হোসেন ব্যাংকে চাকরি করেন। বিকেলে অফিস শেষে সন্ধ্যায় এসেছেন কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে। গুণগত পণ্যের খোঁজে এক শপিং মল থেকে যাচ্ছেন আরেক শপিং মলে।

সদ্য বিবাহিত আসিফের শপিংয়ে সঙ্গী তার স্ত্রী। আসিফ বললেন, এবারের ঈদটা তার জন্য স্পেশাল। কারণ বিয়ের পর এটাই তার প্রথম ঈদ। তাই কেনাকাটা করতে হচ্ছে যাচাই বাছাই করে। রাত ১২টায় এ প্রতিবেদককে জানান, কেনাকাটা শেষ করতে লাগবে আর ঘণ্টাখানেক।

ঈদের বাকি আর সপ্তাহখানেক। ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মার্কেট মুখর হয়ে উঠছে। দাবদাহে পুড়ছে সারা দেশ। দিনে প্রচণ্ড খরতাপে অতিষ্ট জনজীবন। তাই গরম আর ভিড় এড়িয়ে স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটার জন্য অনেকে বেছে নিয়েছেন রাতের বেলা।

নানান পোশাকের নিত্যনতুন কালেকশনের পসরা সাজিয়েছে কুমিল্লা নগরীর বিপণিবিতানগুলো। ফুটপাতেও বিকিকিনি চলছে বেশ।

নগরীর চকবাজার থেকে নিজের ও শাশুড়ির জন্য দুটি শাড়ি কিনেছেন কলেজ শিক্ষিক হাসিনা জান্নাত। তিনি বলেন, ‘রোজা রেখে দিনের বেলা কেনাকাটা করা সম্ভব না। রাতের বেলা এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরে কাপড়ের গুণগত মান দেখে কেনা যায়। তাই রাতেই আসা।’

নগরীর রেইসকোর্স ইষ্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজার গ্যালারি ২১ এর স্বত্বাধিকারী বাপন জানান, তার দোকানে তরুণীদের সব রকমের পোশাক তুলেছেন। দিনভর বিক্রি হয়। তবে ইফতারের পর থেকে বিকিকিনি অনেক বেড়ে যায়। চার জন বিক্রয়কর্মী নিয়ে বিকিকিনি সামলাতে হিমশিম খেতে হয় তাকে।

গ্যালারি ২১ এ ভারতীয় থ্রী পিস কিনতে আসা মাহবুবা কামাল রুজি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঈদে নতুন কালেকশনগুলো অনলাইনে দেখে এসেছি। রঙ ও কাজ মিলিয়ে দেখে কিনতে একটু সময় লাগে। তাই ইফতারের পর এসেছি। দিনে রোজা রেখে রোদের মধ্য একটা শপিং মল থেকে আরেকটাতে যেতে অনেক কষ্ট হয়। এছাড়াও যানজটের বাড়তি যন্ত্রণা থাকে।’

রাতে ঈদের কেনাকাটা

নগরীর কান্দিরপাড় সাত্তারখান শপিং কমপ্লেক্সের জুতো দোকানী জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘আর দুই একদিন পরে রাতজুড়েই বিকিকিনি চলবে। এখন দোকান বন্ধ করতে করতে ২টা বেজে যায়।’

ইস্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজার দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘শপিং মলের ভেতরে যেন ক্রেতারা নিজেদের পছন্দ মতো কেনাকাটা করতে পারেন, সে জন্য সকল রকম ব্যবস্থা করা রয়েছে। সবচেয়ে বেশি গুরত্ব দেয়া হয়েছে নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়টি।’

এদিকে কুমিল্লার মনোহরপুর দর্জি পাড়ায় চলছে কাঁচি দিয়ে কাপড় কাটা, মাপ নেয়ার কাজ। পালা করে কাজ করেন কারিগররা। রাতভর সজাগ থেকে ভোরে ঘুমাতে যান তারা। এ সময় আরেক দল শুরু করেন খদ্দরের অর্ডার করা পোশাকের সেলাইয়ের কাজ।

তানিয়া টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গত দুই বছর করোনার কারণে মানুষ তাদের পছন্দের পোশাক কিনতেও পারেনি, বানাতেও পারেনি। এ বছর যেহেতু করোনার সংক্রমণ নেই, তাই তৈরি পোষাকের চাহিদা বেড়েছে।’

কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খোকন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুরো জেলায় দোকানিরা নির্বিঘ্নে বেচাকেনা করছেন। বিশেষ করে গভীর রাত পর্যন্ত নগরীর শপিং মল ও ফুটপাতে মানুষ কেনাকাটায় ব্যস্ত। আমরা নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে সবকিছু মনিটরিং করছি।’

এদিকে ভোক্তারা যেন কোনও পণ্য কিনে প্রতারিত না হন, সে জন্য নিয়মিত তদারকি অভিযান পরিচালনা করছেন কুমিল্লা ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুল ইসলাম। নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিভিন্ন অভিযোগে আমরা প্রতিদিনই কোনো না কোনো প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করছি। আমরা ক্রেতার লিখিত ও মৌখিক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের নিয়মিত তদারকি চলছে। ঈদ পর্যন্ত বিশেষ তদারকি চলবে।’

ঈদে নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ‘মধ্যরাত কেন, দিনরাত সমান তালে নগরীতে টহল দিচ্ছে পুলিশ। রয়েছে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। অন্যান্য থানাগুলোতেও নিরাপত্তার বিষয়টি জোরদার করা আছে।’

রাতে ঈদের কেনাকাটা

এদিকে ঝালকাঠিতেও দিনের চাইতে রাতে মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে বেশি। বিশেষ করে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। ক্রেতারা বলছেন, দিনের বেলায় কর্মক্ষেত্রে থাকা, ভ্যাপসা গরম এবং রমজানে ভিড় এড়াতে রাতে কেনাকাটা করতেই স্বাচ্ছন্দ্য তাদের।

বিপণিবিতানগুলোর ভেতরে পোশাকের সমাহার আর বাইরে ঝলমলে রঙিন বাতি; যা নজর কাড়ছে ক্রেতা সাধারণের। নানান পোশাকের নিত্য নতুন কালেকশন নিয়ে পসরা সাজিয়েছে ফ্যাশন হাউজগুলো। ফুটপাতেও বিকিকিনি চলছে বেশ। মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকার বিপণিবিতান ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

জামা কিনতে আসা মো. তৌহিদুল বলেন, ‘পরিবার নিয়ে রাতে বের হয়েছি। গত ৪ দিনের খড়তাপে ঘরে থাকাই কষ্টকর। রোজা রেখে দিনে কষ্ট হয়ে যায়।’

আরেক ক্রেতা বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘দিনে এতোটাই গরম থাকে স্ত্রী ও ছোট বাচ্চা নিয়ে বের হওয়া সম্ভব না। তাই পোনাবালিয়া গ্রাম থেকে রাতে কেনাকাটা করতে আসছি।’

পৌর শহরের কাঠপট্টি এলাকা থেকে আসা সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘দিনে গরম বেশি, তাই সবাই এখন রাতে আসে বিপণিবিতানে। তাতে রাতে মার্কেটে যে গ্যাদারিং হয়, এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েও আমরা চিন্তিত।’

জারা কসমেটিকসের মালিক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘কসমেটিকস কেনাবেচা এখনো বাড়েনি, সবাই জামা-কাপড় ও জুতা কেনাকাটা শেষ করে কসমেটিকস কিনবে। তার ওপর প্রচণ্ড গরম। গরমে আশানুরূপ বেচাকেনা এখনো শুরু হয়নি।’

সুহা কসমেটিকস এবং লাবনী ষ্টোরের মালিক সিরাজ ও রুবেল জানালেন একই কথা। তাদের আশানুরূপ বেচাকেনা এখনো শুরু হয়নি। তাপদাহ থাকায় কেনাকাটা করতে মানুষ দিনে কম বের হয়, আর রাতে কাষ্টমার থাকে ৪ ঘণ্টা।

পাদুকা দোকানি লিটন বলেন, ‘বৃষ্টি হলে আবহাওয়া ঠান্ডা থাকত। এতে দিনে মানুষ বাড়ত, বেচাকেনাও কিছুটা ভালো হত।’

রাতে ঈদের কেনাকাটা

ঈদ বাজারে জেলার মার্কেটগুলোতে আস্তে আস্তে ভিড় বাড়ছে। বিক্রেতারা কেউ কেউ বলছেন, আশানুরূপ বেচাকেনা হচ্ছে না; আবার কেউ কেউ সাড়া পাচ্ছেন ভালোই।

কুমারপট্টি এলাকার হাজী জয়নাল কমপ্লেক্সের শরীফ বস্ত্র বিতানের প্রোপাইটর মো. শামিম শরীফ বলেন, ‘সাধারণ কাষ্টমারের ক্রয় ক্ষমতার দিক বিবেচনা করে দোকানে মালামাল তুলেছি, ৫০০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকার মধ্যে ছেলে-মেয়েদের পোশাক তুলেছি। বেচাকেনায় বেশ ভালোই সাড়া পাচ্ছি।’

কুমার পট্টির পোশাকের দোকান ‘রঙ’ এর মালিক মো. রাকিব হোসেন বলেন, ‘গত দুই দিন বিক্রি বেড়েছে। তবে কাষ্টমারদের একটা অংশ অনলাইনে শপিং করছেন। আমাদের দোকানে এসেও অনলাইনের মতো পণ্য চাচ্ছেন।’

কসমেটিকস ব্যাবসায়ীরা জানান, ক্রেতারা আগে পোষাক ও পদুকা কিনবে তারপর কসমেটিকস। তাই পোশাক ও পাদুকার দোকানে কিছুটা ভিড় থাকলেও তাদের দোকানগুলোতে তুলনামূলক বিক্রি কম।

জারা কসমেটিক্স এর মালিক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘সবাই এখন জামা-কাপড় ও জুতা কিনছে। এগুলো শেষ করে কসমেটিকস কিনবে। আমাদের আশানুরূপ বেচাকেনা এখনো শুরু হয়নি।’

আরও পড়ুন:
ঈদের বাজারেও ‘কাঁচা বাদাম’, ‘পুষ্পা’
ঈদবাজারে বৈশাখী কেনাকাটায় ভাটা
জমজমাট ঈদবাজার: নিম্নবিত্তের ভরসা ফুটপাত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two killed in truck microbus collision

ট্রাক-মাইক্রোর সংঘর্ষে চালকসহ নিহত ২

ট্রাক-মাইক্রোর সংঘর্ষে চালকসহ নিহত ২ ট্রাক ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা
বনপাড়া হাইওয়ে থানার এস আই ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘মরদেহ দুটি বনপাড়া হাইওয়ে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।’

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে মাইক্রোচালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।

উপজেলার কয়েন বাজার এলাকায় মঙ্গলবার রাত দুইটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গহরপাড়া গ্রামের আলী আল মাহবুব ও চালক একই উপজেলার তালতলা পশুরহাট এলাকার মনিরুজ্জামান।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এস আই) ফিরোজ হোসেন।

স্থানীয়দের বরাতে জানান, রাতে কয়েন বাজার এলাকায় চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজশাহীগামী মাইক্রোবাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাাস্থলেই মাইক্রোচালক মনিরুজ্জামান ও যাত্রী মাহবুব মারা যান।

মাইক্রোর অপর যাত্রীকে উদ্ধার করে বনপাড়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। মাইক্রোবাসটি রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসের উদ্দেশ্য যাচ্ছিল।

এস আই ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘মরদেহ দুটি বনপাড়া হাইওয়ে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।’

আরও পড়ুন:
বাসচাপায় শিশু নিহত
সিরাজগঞ্জে সড়কে দুই প্রাণহানি
হানিফ ফ্লাইওভারে বাসচাপায় প্রাণ গেল যুবকের
দুই পরিবারের সংঘর্ষে নিহত ১
বরকলে গুলিতে একজন নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
He died trying to stop the fight

মারামারি থামাতে গিয়ে মারা গেলেন নিজেই

মারামারি থামাতে গিয়ে মারা গেলেন নিজেই দুলাল হোসেন দুলু। ছবি: নিউজবাংলা
জীবননগর থানার ওসি আব্দুল খালেক বলেন, ‘ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সকাল ১০টায় তাকে দাফন করা হবে বলে জেনেছি।’ 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মারামারি থামাতে গিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার নতুনপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

৫৫ বছর বয়সী দুলাল হোসেন দুলুর বাড়ি একই গ্রামে।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, বিজিবির কাছে হাজিরা দেয়া নিয়ে রাতে নতুনপাড়া গ্রামের মোংলা হোসেনের সঙ্গে বাদশাহ আলী ও রাজা মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় পাশের চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন দুলাল হোসেন।

মারামারি থামাতে তিনি সেখানে এগিয়ে গেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথেই তিনি মারা যান।

ওসি আরও জানান, দুলাল হোসেন হৃদরোগে ভুগছিলেন বলে তার পরিবার জানিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোক করার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগেও তিনি একবার স্ট্রোক করেছিলেন।

ওসি আব্দুল খালেক বলেন, ‘ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সকাল ১০টায় তাকে দাফন করা হবে বলে জেনেছি।’

আরও পড়ুন:
সৌন্দর্য বাড়ানোর সার্জারিতে প্রাণ গেল অভিনেত্রীর
ট্যানারির ড্রামে শ্রমিকের মরদেহ
পাগলা নদীতে ডুবল কিশোর
ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
বড় বোনকে খুঁজতে বেরিয়ে ছোট দুজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Siblings drowned while picking mangoes

আম কুড়াতে বেরিয়ে ডুবে মৃত্যু ভাই-বোনের

আম কুড়াতে বেরিয়ে ডুবে মৃত্যু ভাই-বোনের
গাবতলী মডেল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার বিকেলে হালকা ঝোড়ো বাতাস শুরু হলে মিরাজ ও আয়শা বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও শিশু দুটি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাদের খুঁজতে বের হয়। একপর্যায়ে আমগাছের পাশের পুকুরে তাদের ভাসমান মরদেহ পাওয়া যায়।

বগুড়ার গাবতলীতে আম কুড়াতে বেরিয়ে দুই শিশুর পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। তারা দুজন চাচাতো ভাইবোন।

উপজেলার দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের তারাবাইশা গ্রামে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলো তারাবাইশা গ্রামের মো. মিরাজ ও আয়েশা সিদ্দিকা। দুজনেরই বয়স পাঁচ বছর।

গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেলে হালকা ঝোড়ো বাতাস শুরু হলে মিরাজ ও আয়শা বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও শিশু দুটি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাদের খুঁজতে বের হয়। একপর্যায়ে আমগাছের পাশের পুকুরে তাদের ভাসমান মরদেহ পাওয়া যায়।

ওসি বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা করেছে পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
বড় বোনকে খুঁজতে বেরিয়ে ছোট দুজনের মৃত্যু
মায়ের সঙ্গে গোসলে গিয়ে ডুবে ছেলের মৃত্যু
কর্ণফুলীতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১
৩ হাসপাতালে নিয়েও বাঁচানো গেল না শিশু জুনায়েদকে
ভারতে খাদ্যের অভাব ২ বছরের কম বয়সী ৮৯% শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 school children arrested for killing classmate

সহপাঠী খুনে আটক ৪ স্কুলছাত্র

সহপাঠী খুনে আটক ৪ স্কুলছাত্র স্কুলছাত্র হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক চার সহপাঠী। ছবি: নিউজবাংলা
ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম জানান, নিহত ধ্রুবর সঙ্গে তার ক্লাসের কয়েকজন সহপাঠীর বিরোধ ছিল। রাতে ধ্রুব এই এলাকায় গেলে তার পাঁচ থেকে সাতজন সহপাঠী স্কুলের সামনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে অন্ধকার স্থানে পেয়ে তারা ধ্রবকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে সহপাঠীরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ফতুল্লার ইসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত স্কুলছাত্রের নাম ধ্রুব চন্দ সাহা। তার বয়স ১৫ বছর।

সে ওই এলাকার মাদব চন্দ্রের ছেলে। ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ত সে।

আটক স্কুলছাত্ররা হলো ইয়াসিন, পিয়াস, অজয় দাস ও মো. নিপন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম জানান, নিহত ধ্রুবর সঙ্গে তার ক্লাসের কয়েকজন সহপাঠীর বিরোধ ছিল। রাতে ধ্রুব এই এলাকায় গেলে তার পাঁচ থেকে সাতজন সহপাঠী স্কুলের সামনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে অন্ধকার স্থানে পেয়ে তারা ধ্রবকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।

ধ্রুব চিৎকার করলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে ফেলে পালিয়ে যায় সহপাঠীরা। পরে লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, স্থানীয় লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ধ্রুবকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত ১০টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।

নিহত ধ্রুবর বাবা মাধব চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমার ছেলে রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বাসার সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে তলপেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শ্যালককে ‘কুপিয়ে হত্যা’, দুলাভাই গ্রেপ্তার
‘চাচাতো ভাইয়ের’ ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
‘ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে’ বৃদ্ধ নিহত
পল্টনে বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাত
ছাত্রলীগ নেতা খুনের ঘটনায় মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Brahmanbaria fox meat is publicly distributed

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস ভাগবাটোয়ারা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস ভাগবাটোয়ারা প্রতীকী ছবি
উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ছতুরা শরীফ গ্রামের একটি বেগুনক্ষেত থেকে দুটি শিয়াল ধরা হয়। ওই সময় কসবা উপজেলার ভাদুইর গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আসলাম ও ফোরকান ওই গ্রামের কিছু লোকজন নিয়ে তন্তরবাজার এলাকায় একটি শিয়াল জবাই করেন।এরপর সেই মাংস ভাগবাটোয়ারা ও বিক্রি করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি ও ভাগবাটোয়ারা হয়েছে।

উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তন্তর বাজার এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ইউনিয়নের ছতুরা শরীফ গ্রামের কয়েকটি পরিবারের লোকজন শিয়ালের মাংস ভাগবাটোয়ারা করে।

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ও ধরখার ফাঁড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই শিয়ালের মাংস নিয়ে পালিয়ে যান লোকজন।

এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে না পারলেও দড়িতে বাঁধা জীবিত একটি শিয়াল উদ্ধার করে জঙ্গলে মুক্ত করা হয়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ছতুরা শরীফ গ্রামের একটি বেগুনক্ষেত থেকে দুটি শিয়াল ধরা হয়। ওই সময় কসবা উপজেলার ভাদুইর গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আসলাম ও ফোরকান ওই গ্রামের কিছু লোকজন নিয়ে তন্তরবাজার এলাকায় একটি শিয়াল জবাই করেন।

এরপর সেই মাংস ভাগবাটোয়ারা ও বিক্রি করা হয়।

শিয়ালের মাংস কেনা এক ক্রেতা বলেন, ‘বাত, ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এসব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংস অব্যর্থ ওষুধ। এই কথা বিশ্বাস করে অনেকেই শিয়ালের মাংস কিনে নেন।’

আরও পড়ুন:
শিয়ালের আক্রমণ, বনরক্ষীসহ ৯ জন হাসপাতালে
শিয়ালের আক্রমণে আহত ৩০,  গ্রামবাসীর পাহারা
শিয়ালের বিরুদ্ধে বিধানসভায় অভিযোগ
শিয়ালের আক্রমণে শিশুসহ আহত ৫
ইসির বিরুদ্ধে ৪২ নাগরিকের চিঠি ‘অনিয়ম ঠেকাতে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The head teacher pulled the students veil

ছাত্রীর ওড়না ধরে টানাটানি প্রধান শিক্ষকের!

ছাত্রীর ওড়না ধরে টানাটানি প্রধান শিক্ষকের! অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালী।
আশাশুনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগটি আমি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। আর এ অভিযোগ তুলেছেন ওই স্কুলেরই দশম শ্রেণির এক ছাত্রী।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে আশাশুনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই স্কুলছাত্রী।

ভুক্তভোগী জানান, কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর কাছে তিনি প্রাইভেট পড়তেন। সেই সুযোগে প্রথমে ফোন নম্বর নিয়ে পরে তার সঙ্গে ফেসবুকে যুক্ত হন প্রধান শিক্ষক।

এর পর থেকে প্রায়ই ভুক্তভোগীকে ফোন করে লেখাপড়ার খোঁজখবর নিতেন দুখীরাম। একপর্যায়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে উত্তেজক মেসেজ দিতে থাকেন তিনি। এমনকি মেসেজে ও ভিডিও কলে শরীরের গোপন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ছবি দেখতে চাইতেন তিনি।

ওই স্কুলছাত্রী বলেন, ‘যখন আমি একা থাকতাম তখন স্যার আমার ওড়না ধরে টানাটানি করতেন। আমি এগুলো সহ্য করতে পারতাম না। ভয়ে প্রথমে কাউকে কিছু জানাইনি। পরে সহপাঠীদের জানালে তারা এর প্রতিবাদ করতে বলে।’

এ বিষয়ে ওই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক দুখীরাম দুই বছর আগে বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। ছাত্রীর সঙ্গে এই ঘটনা শুনে আমরা সবাই হতভম্ব। ফেসবুকে গোপনে তিনি কখন কী করেছেন তা আমরা জানি না। আমরা স্যারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি ফেসবুক হ্যাক করে কেউ এমনটি করেছেন বলে দাবি করেন।’

এদিকে প্রধান শিক্ষকের পাঠানো মেসেজগুলোর স্ক্রিনশট শিক্ষার্থীসহ এলাকার বিভিন্ন মানুষের মোবাইলে ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগটি আমি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি যাচাই-বাছাই ও তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ
অধ্যক্ষের ‘কলকাঠিতে’ ১৮ মাস বেতন নেই ৭ শিক্ষকের
ইনডেক্সধারী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি না হতে পারার অভিযোগ
৪৭১ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ
নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস সরবরাহের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MBBS claims first aid training

নিয়েছেন প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ, দাবি এমবিবিএস

নিয়েছেন প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ, দাবি এমবিবিএস ভুয়া চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
বাগেরহাট জেলার সহকারী কমিশনার রোহান সরকার বলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ নিয়েই তিনি নিজেকে এমবিবিএস পাস দাবি করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি সাইনবোর্ডে যে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখেছেন সেটিও ভুয়া।’

বাগেরহাটের কচুয়ায় এম এম মনির নামের এক ভুয়া চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্ট এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে ওই চিকিৎসকের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রোহান সরকার এই দণ্ডাদেশ দেন।

ওই সময় চিকিৎসকের চেম্বার সিলগালা করে দেয়া হয়।

বাগেরহাট জেলার সহকারী কমিশনার রোহান সরকার বলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ নিয়েই তিনি নিজেকে এমবিবিএস পাস দাবি করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি সাইনবোর্ডে যে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখেছেন সেটিও ভুয়া।

‘তার অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লাখ টাকা জরিমানা ও তার চেম্বরটি বন্ধ করে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। তিনি কখনও চিকিৎসা সেবা দেবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
বাটায় আবার স্টিকারের কারসাজিতে বাড়তি দাম
তিন সেমাই কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা
অনিয়মের দায়ে ৩ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
বেশি দামে তরমুজ ও খেজুর বিক্রির দায়ে জরিমানা
প্রাইস ট্যাগ বদলে ফের জরিমানা গুনল বাটা

মন্তব্য

উপরে