× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
33000 homeless people received Eid gifts from the Prime Minister
hear-news
player
print-icon

প্রধানমন্ত্রীর ‘ঈদ উপহার’ পেলেন ৩৩ হাজার গৃহহীন

প্রধানমন্ত্রীর-ঈদ-উপহার-পেলেন-৩৩-হাজার-গৃহহীন মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবাররের মধ্যে জমিসহ ঘর প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
ঘর দেয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি না পৃথিবীর কোনও দেশে এ রকম উদ্যোগ নিয়েছে কি না, কিন্তু আমরা জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক। আমি শুধু তার কন্যাই না, আমি তার আদর্শে বিশ্বাস করি। কাজেই আমার কাছে ক্ষমতাটা হচ্ছে জনগণের সেবা দেয়া। জনগণের জন্য কাজ করা। আর আমি আজকে যেটাই করে যাচ্ছি, বাংলাদেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, ভূমিহীন থাকবে না। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

ঈদ উপহার হিসেবে ৩২ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে দুই শতক জমিসহ ঘর তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকারপ্রধান বলেছেন, তিনি শুধু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা নন; আদর্শের সৈনিকও। তাই ক্ষমতা মানে জনগণের সেবা দেয়া।

সব বাধা, বিপত্তি অতিক্রম করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান ছিল বঙ্গবন্ধুকন্যার কণ্ঠে।

গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মঙ্গলবার সকালে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবাররের মধ্যে জমিসহ ঘর প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এই আয়োজনে আরও যুক্ত ছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গৃহ নির্মাণ স্থল হিসেবে ফরিদপুরের নগরকান্দা, বরগুনা সদর, চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও সিরাজগঞ্জের সদর প্রান্ত।

ঐক্যবদ্ধভাবে করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় দেশের সাফল্যকে দৃষ্টান্ত মনে করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘আমরা যেভাবে একযোগে কাজ করেছি, ঠিক একইভাবে কাজ করতে হবে দেশের উন্নয়নের জন্য। অনেক বাধা আসবে। বাংলাদেশ এভাবে এগিয়ে যাক, বাংলাদেশ উন্নত হোক—যারা স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করতে চেয়েছিল, সেই ধরনের লোকগুলো তো আছে, তারা কখনও চাইবে না, কিন্তু সব বাধা অতিক্রম করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

‘ইনশাআল্লাহ, আমরা তা যাব। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলব।’

সারা দেশে জরিপ করে আট লাখের বেশি ছিন্নমূল মানুষ পাওয়া গেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তাদের প্রত্যেককে বাড়ি তৈরি করে দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি না পৃথিবীর কোনও দেশে এ রকম উদ্যোগ নিয়েছে কি না, কিন্তু আমরা জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক। আমি শুধু তার কন্যাই না, আমি তার আদর্শে বিশ্বাস করি।

‘কাজেই আমার কাছে ক্ষমতাটা হচ্ছে জনগণের সেবা দেয়া। জনগণের জন্য কাজ করা। আর আমি আজকে যেটাই করে যাচ্ছি, বাংলাদেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, ভূমিহীন থাকবে না। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘আমার সব থেকে ভালো লাগে যখন দেখি, মানুষ ঘর পাওয়ার পর তার মুখের হাসিটি। জাতির পিতা তো দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছেন।’

কুষ্ঠ রোগী, জেলে, বেদে, ট্রান্সজেন্ডার, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, চা শ্রমিকদের পুনর্বাসনেও সরকারের নেয়া পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে অবহেলিত মানুষগুলোকে খুঁজে বের করে তাদের পুনর্বাসনের কাজ আমরা করে যাচ্ছি। এটা আমি মনে করি, আমাদের অর্থাৎ আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতা-কর্মীর দায়িত্ব—জাতির পিতার এই আদর্শটা মাথায় রেখে কাজ করে যাওয়া।’

বেদখল হওয়া অনেক খাস জমি উদ্ধার করায় উপজেলা, জেলা প্রশাসন ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘যার ফলে এখন আমরা শুধু খাস জমির খোঁজ করছি না; আমরা নিজেরাও জমি কিনে, যারা এ রকম ছিন্নমূল মানুষ তাদের নামে জমি কিনে আমরা তাদের ঘর তৈরি করে দিচ্ছি বিনা মূল্যে।’

এই কাজে দ্রুত অর্থ ছাড় করায় অর্থ মন্ত্রণালয় এবং এ লক্ষ্যে গঠিত তহবিলে অনুদান দেয়ায় ব্যবসায়ী, ব্যাংকারসহ সমাজের বিত্তবানদের ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘বাকি যেগুলো আছে, আস্তে আস্তে আমরা সেই ঘরগুলো তৈরি করে সব মানুষ যেন মানুষের মতো বাঁচতে পারে, সুন্দরভাবে জীবেন পেতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই কাজটিই আমরা করব, যাতে করে এই বাংলাদেশ ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ হিসেবেই বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলতে পারে।’

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নিজের জীবনের লক্ষ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একদিকে যেমন বাংলাদেশকে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলছি, সমস্ত ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছি, পাশাপাশি আমাদের যে সমস্ত মানুষগুলো একেবারে ছিন্নমূল, যাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই, যারা কখনও স্বপ্নও দেখতে পারে না, তারা একবেলা এক মুঠো খাবার জোটাতে পারে না, সেই মানুষগুলোর ভাগ্য পরিবর্তন করা, সেটাই হচ্ছে আমাদের সরকারের সব থেকে বড় লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন আমরা করে যাচ্ছি।’

বাংলাদেশে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘এটাকে ধরে রেখে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার দিকে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। যে জাতি বুকের রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে, সেই জাতি কখনও পিছিয়ে থাকতে পারে না।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পিছিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মনে করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘তাদের সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে আজকে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছি। এটাই সব থেকে বড় পাওয়া।

‘আমি জানি, আমার বাবার আত্মা নিশ্চয়ই শান্তি পাবে যখন দেখবে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। আপনারা শুধু দোয়া করবেন।’

আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে চলবেন। দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। এটাই হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।

‘একটা মানুষকে যদি একটু আশ্রয় দেয়া যায়, আর তার মুখে যদি হাসি ফোটানো যায়, এর থেকে বড় পাওয়া একজন রাজনীতিবিদের জীবনে আর কী হতে পারে।’

আরও পড়ুন:
‘প্রধানমন্ত্রীর ঘর পাব, অনেক খুশি লাগতাছে’
জুনে নয়, পদ্মা সেতু চালু বছরের শেষে
আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণে বিজিবির ‘বাধা’
টাকা নিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়ি বরাদ্দের অভিযোগ
মাস্ক না পরায় আ.লীগ নেতাদের শেখ হাসিনার ভর্ৎসনা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
I want an integrated master plan for power and energy State Minister

বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে চাই সমন্বিত মহাপরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে চাই সমন্বিত মহাপরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী সমন্বিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা নিয়ে বুধবার মন্ত্রণালয়ে জাইকার স্টাডি টিমের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। ছবি: সংগৃহীত
জাইকার স্টাডি টিমের সঙ্গে আলোচনায় নসরুল হামিদ বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনায় দক্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জ্বালানিসম্পদের চাহিদা ও সরবরাহের সর্বোত্তম সমন্বয় থাকতে হবে। আগামীর সম্ভাব্য সমস্যা এবং তার সমাধান থাকাও জরুরি।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির টেকসই অবকাঠামো বিনির্মাণে দরকার সমন্বিত মহাপরিকল্পনা। জ্বালানির একাধিক বিকল্প উৎস থাকা দরকার। ফুয়েল মিক্সে প্রচলিত জ্বালানির সঙ্গে আগামীর সম্ভাব্য জ্বালানির প্রতিফলন থাকাও বাঞ্ছনীয়।

বুধবার জাইকার স্টাডি টিমের সঙ্গে আলোচনাকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এসব কথা বলেন। সমন্বিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনার সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনায় দক্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জ্বালানিসম্পদের চাহিদা ও সরবরাহের সর্বোত্তম সমন্বয় থাকতে হবে। একই সঙ্গে আগামীর সম্ভাব্য সমস্যা এবং তার সমাধান থাকা জরুরি।

‘ফুয়েল মিক্সে প্রচলিত জ্বালানির সঙ্গে আগামীর সম্ভাব্য জ্বালানির প্রতিফলন থাকা বাঞ্ছনীয়। বিদ্যুৎ বা গ্যাস ব্যবহারের অপরচুনিটি কস্ট ‌এবং কৃষি বা শিল্পে ব্যবহারের প্যাটার্নও এখানে থাকতে পারে।’

দ্য ইনস্টিটিউট অফ এনার্জি ইকনোমিকস, জাপান (আইইইজে) প্রণীতব্য মহাপরিকল্পনার স্টাডি টিমের প্রধান ইচিরো কুতানি সার্বিক অগ্রগতি বিষয়ে আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের অক্টোবর নাগাদ মহাপরিকল্পনার খসড়া হবে। নভেম্বর নাগাদ অংশীজনদের সঙ্গে সভা করে তা চূড়ান্ত করা হবে।’

চাহিদার পূর্বাভাস, চাহিদা ও সরবরাহের সমন্বয়, রেফারেন্স দৃশ্যকল্প, নেট-শূন্য দৃশ্যকল্প, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দৃশ্যকল্প, জ্বালানি সংরক্ষণ, সাশ্রয়ী নবায়ণযোগ্য জ্বালনি, জ্বালানির বৈচিত্র্যকরণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, ‘যানবাহন বা ট্রেন বিদ্যুতে চলাচল এবং গ্রিন হাইড্রোজেন নিয়েও মহাপরিকল্পনায় সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা থাকতে হবে। ইন্ডাকশন কুকার বা সোলার সেচপাম্প নিয়েও কাজ করা যেতে পারে। ক্লিন এনার্জি পোর্টফোলিও উত্তরোত্তর বাড়ানোর প্রতিকল্প যেন থাকে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘সাশ্রয়ী মূল্যে আমরা গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ করতে চাই। জ্বালানির একাধিক বিকল্প উৎস থাকা বাঞ্ছনীয়। বৈচিত্র্যময় জ্বালানি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে বিদ্যুৎ-জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিয়েও আমরা কাজ করছি।

‘বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল এবং টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন গবেষণা ও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি জাইকার সঙ্গে কাজ করলে আরও বাস্তবসম্মত ফল পাওয়া যাবে।’

আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে জাইকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তোশিয়ুকি কোবাইয়াশ ও জাইকা বাংলাদেশের প্রতিনিধি তারো কাৎসোরাই উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
তিন বছরে আরও ১৪০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The newly appointed Director General took charge of the fire service

ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্ব নিলেন নবনিযুক্ত মহাপরিচালক

ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্ব নিলেন নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের দায়িত্ব নেয়ার সময় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিনসহ অন্যরা। ছবি: সংগৃহীত
নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইন উদ্দিন তার বক্তব্যে বিদায়ী মহাপরিচালকের কাজের প্রশংসা করেন এবং তার দেখানো পথ ধরে ফায়ার সার্ভিসকে আরও এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব নিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন। তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইনের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

বুধবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মহাপরিচালককে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন। মহাপরিচালক হিসেবে নির্ধারিত সময়কাল দায়িত্ব পালন শেষে তিনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন করলেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে এ উপলক্ষ্যে ‘বিদায় সংবর্ধনা ও বরণ অনুষ্ঠান’-এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদায়ী ও নবনিযুক্ত মহাপরিচালকরাসহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সবস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিদায়ী মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন তার গত ৩ বছরের বেশি সময়ের কর্মজীবনের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তিনি তার সাধ্যমতো ফায়ার সার্ভিসকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছেন। নবনিযুক্ত মহাপরিচালক সেই ধারা অব্যাহত রেখে উন্নয়ন প্রক্রিয়া আরও বেগবান করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাজ্জাদ হোসাইন দায়িত্ব পালনের সময় তাকে সহযোগিতা করায় সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইন উদ্দিন তার বক্তব্যে বিদায়ী মহাপরিচালকের কাজের প্রশংসা করেন এবং তার দেখানো পথ ধরে ফায়ার সার্ভিসকে আরও এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি তার সময়ে মন্ত্রণালয়সহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সবস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতা চান।

মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক মো. শাহজাহান শিকদারের সঞ্চালনায় বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠানটি পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেজাউল করিমের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে শেষ হয়।

এরপর বিদায়ী মহাপরিচালক নবনিযুক্ত মহাপরিচালককে তার অফিস কক্ষে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে মহাপরিচালকের অফিসিয়াল চেয়ারে বসিয়ে দেন।

দায়িত্ব গ্রহণ ও হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিদায়ী মহাপরিচালক সবার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন। এরপর তাকে বহনকারী সুসজ্জিত গাড়িটিতে বাঁধা রশি ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারী তাকে অধিদপ্তরের সদর দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দেন।

আরও পড়ুন:
বৈদ্যুতিক তারে জড়াল কবুতর, প্রাণ বাঁচাল ফায়ার সার্ভিস
আম গাছে উঠে অজ্ঞান যুবক, নামাল ফায়ার সার্ভিস
পদোন্নতি পেয়ে উপপরিচালক হলেন ফায়ার সার্ভিসের ৯ কর্মকর্তা
মালয়েশিয়ার পুরস্কার পেলেন ফায়ার সার্ভিসের ডিজি
ফায়ার সার্ভিসে সহকারী পরিচালক হলেন ১৩ কর্মকর্তা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The family of Hadisur who was killed in Ukraine is getting 5 lakh dollars

ইউক্রেনে নিহত হাদিসুরের পরিবার পাচ্ছে ৫ লাখ ডলার

ইউক্রেনে নিহত হাদিসুরের পরিবার পাচ্ছে ৫ লাখ ডলার বিএসসি টাওয়ারে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের ৩১২তম বৈঠকে অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা
একই সঙ্গে নিহতের ভাইকে বিএসসিতে চাকরি দেয়ার ব‍্যবস্থা করা হয়েছে। ১ জুন থেকে চাকরিতে যোগ দেবেন তিনি।

ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ‘এমভি বাংলার সমৃদ্ধি’ জাহাজে নিহত নৌ প্রকৌশলী হাদিসুর রহমানের পরিবার ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাচ্ছে ৫ লাখ ডলার (প্রায় ৫ কোটি টাকা)।

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) এ অর্থের ব‍্যবস্থা করেছে বলে বুধবার ঢাকায় বিএসসি টাওয়ারে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের ৩১২তম বৈঠকে জানানো হয়।

হাদিসুর ছাড়াও ওই জাহাজের অন‍্য সদস‍্যরা পাবেন সাত মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ। একই সঙ্গে নিহতের ভাইকে বিএসসিতে চাকরি দেয়ার ব‍্যবস্থা করা হয়েছে। ১ জুন থেকে চাকরিতে যোগ দেবেন তিনি।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী এবং বিএসসি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম‍্যান খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিএসসির বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় অন্যদের মধ‍্যে পরিচালনা পর্ষদের সদস‍্য নৌপরিবহন সচিব মোস্তফা কামাল, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর এম শাহজাহান মিনা, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. আবদুর রহমান, বিএসসির ব‍্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এস এম মনিরুজ্জান, অর্থ বিভাগের যুগ্ম পরিচালক নাসিমা পারভীন, ড. পীযূষ দত্ত ও মো. ইউসুফ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে নিহত হাদিসুরের আত্মার মাগফিরাত কামনাসহ তার শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়।

এ বছরের ২ মার্চ ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ‘এমভি বাংলার সমৃদ্ধি’ জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওইদিন প্রাণ হারান এতে থাকা জাহাজটির থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমান।

আরও পড়ুন:
প্রতিশ্রুতির ১০ সপ্তাহেও ক্ষতিপূরণ পায়নি হাদিসুরের পরিবার
এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে ক্ষতিপূরণ পাবে হাদিসুরের পরিবার
বাড়িতে পৌঁছেছে হাদিসুরের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I will not say anything about EVM right now CEC

ইভিএম নিয়ে এখনই কিছু বলব না: সিইসি

ইভিএম নিয়ে এখনই কিছু বলব না: সিইসি বুধবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইভিএম বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি: নিউজবাংলা
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘পলিটিক্যাল পার্টিগুলো রাজনীতির মাঠে বলছে যে এটা মন্দ মেশিন, ভালো মেশিন না। আমরা লিখিতভাবে জানতে চাইব তারা কী কী সমস্যা পাচ্ছে। তাদেরকে বিষয়গুলো লিখিতভাবে জানাতে বলব। আমরা যেন সিস্টেমেটিক্যালি অ্যাড্রেস করার সুযোগ পাই।’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) দেখার পর এটিকে চমৎকার যন্ত্র বলে উল্লেখ করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘মেশিনের ভালো-খারাপ নিয়ে কিছু বলব না, এ ব্যাপারে মন্তব্য ও সিদ্ধান্ত জানতে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।’

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইভিএম বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সিইসি এ কথা বলেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও ইভিএম প্রকল্প এই সভার আয়োজন করে।

সিইসি বলেন, ‘বিরোধী দল থেকে যে মতামত এসেছে তা আমরা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিইনি। আমরা কারও মতামতকেই উপেক্ষা করিনি। আমরা বেশকিছু মিটিং করেছি। আজও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বসেছি। প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে বসেছি।

‘এই মেশিনের (ইভিএম) ব্যাপারে প্রযুক্তিবিদদের বক্তব্যের পর এখনই কোনো কিছু বলতে চাচ্ছি না। শুধু বলতে চাচ্ছি, এই মেশিনের বিষয়ে আরও কয়েকটি মিটিং করব। পলিটিক্যাল পার্টিকে ডাকা হবে।’

একজন টেকনিক্যাল ব্যক্তি মেশিন নিয়ে মূল্যায়ন করতে পারেন উল্লেখ করে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা সেই পার্সপেকটিভ থেকে টেকনিক্যাল পার্সনদের ডেকেছি। পলিটিক্যাল পার্টিগুলোকেও আমরা অনুরোধ করব তাদের যে টেকনিক্যাল টিম আছে কিংবা যদি থাকে তাদের দিয়ে এটি যাচাই করার জন্য।’

সিইসি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে প্রযুক্তিবিদরা বলেছেন যে ম্যানিপুলেশন করার সুযোগ নেই। আমার কিন্তু আস্থা রাখতে হবে ওইসব মানুষের ওপর, যারা এই জিনিসগুলো বোঝেন, যারা প্রোডাক্টগুলো তৈরি করেছেন। প্রযুক্তিবিদরা আশ্বস্ত হয়েছেন। আমরা আরও কয়েকটি বড় মিটিং করব।

‘পলিটিক্যাল পার্টিগুলো রাজনীতির মাঠে বলছে যে এটা মন্দ মেশিন, ভালো মেশিন না। আমরা লিখিতভাবে জানতে চাইব তারা কী কী সমস্যা পাচ্ছে। তাদেরকে বিষয়গুলো লিখিতভাবে জানাতে বলব। আমরা যেন সিস্টেমেটিক্যালি অ্যাড্রেস করার সুযোগ পাই।

‘আমাদের হয়তো লিমিটেশন আছে। কিন্তু চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকবে না। আমরা যথেষ্ট চেষ্টা করব, যেন সবার আস্থা অর্জন করতে পারি। ইভিএম ভালো না খারাপ তা নিয়ে এখনই কিছু বলব না। আপনাদের আর একটু অপেক্ষা করতে হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে আমরা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমারা ইভিএমে ৩০০ আসনে ভোট করব, না ১০০ আসনে করব, নাকি মোটেই করব না; ইভিএম পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে যথাসময়ে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

ইভিএম প্রদর্শন শেষে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটা মেশিন খুলে দেখেছি। অত্যন্ত চমৎকার একটা মেশিন। আমার মনে হয় পৃথিবীর কম দেশেই এই মূল্যবান জিনিসটা আছে। অত্যন্ত সহজভাবে এটা চালানো সম্ভব।

‘রাজনৈতিক দলগুলোকে অনুরোধ করব, আপনারা এই নতুন মেশিনটা ব্যবহার করুন। তাতে আপনাদেরই লাভ হবে। অন্য যেকোনো মেশিন থেকে এটা আধুনিক। এটি এমনভাবে করা যে ম্যানিপুলেট করার সুযোগ নেই।’

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এম কায়কোবাদ বলেন, ‘কোনো মেশিনকে শতভাগ বিশ্বাস করা যাবে না। তবে এখানে ইভিএমের প্রতিটি অংশ এমনভাবে কাস্টমাইজড করা হয়েছে যে একজন ইচ্ছে করলেই পরিবর্তন করতে পারবে না। আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা যথেষ্ট দক্ষ এবং তাদেরকে আমরা বিশ্বাস করতে পারি।

এই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতদের যে কনফিডেন্স ও প্রাউড কমিটমেন্ট সেটা আমি নিশ্চিত হয়েছি। এটা খুবই ভালো একটি মেশিন তৈরি করা হয়েছে। আশা করি এটা ডিসপ্লে করা হবে এবং যে কেউ টেস্ট করতে পারবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানোর বিধান নির্বাচন কমিশনে রয়েছে এবং আশা করি তারা সেটা করবে।’

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব খান (অব.), বেগম রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মতিন সাদ আবদুল্লাহ, ড. মো. মাহফুজুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) পরিচালক মেজর জেনারেল সুলতানুজ্জামান মো. সালেহ উদ্দিন, সেনা কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনে আসতে কাউকে বাধ্য করা সম্ভব না: সিইসি
আস্থার সংকট কাটিয়ে নির্বাচন করতে চাই: সিইসি
নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে কিছু বলবে না ইসি
প্রভুর মতো আচরণ নয়: কর্মকর্তাদের সিইসি
আমাদের হারানোর কিছু নাই: সিইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
EVM fraud is impossible Zafar Iqbal

ইভিএমে কারচুপি অসম্ভব: জাফর ইকবাল

ইভিএমে কারচুপি অসম্ভব: জাফর ইকবাল রাজধানীর আগারগাওঁয়ে নির্বাচন ভবনে মুহম্মদ জাফর ইকবাল। ছবি: নিউজবাংলা
‘যারা ইভিএমের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাদেরকে অনুরোধ করব, তারা যেন সমস্যাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে লিখে আমাদেরকে জানান। আমরা তাদেরকে ইভিএম সম্পর্কে ডিটেইলস জানাতে বা দেখাতে রাজি আছি।’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করে কারচুপি করা অসম্ভব বলে নিজের মূল্যায়নের কথা জানিয়েছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

ইভিএম মেনে নিলে এর বিরোধীদেরই লাভ হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বলেছেন, তার এই মূল্যায়ন কেউ বিশ্বাস করবে কি না সেটা রাজনৈতিক ব্যাপার।

বুধবার রাজধানীর আগারগাওঁয়ে নির্বাচন ভবনে ইভিএম বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ইভিএম অপারেট শুরুর আগে ভেতরে কী আছে দেখে নেয়া সম্ভব জানিয়ে জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমি খবরের কাগজে দেখেছি রাজনৈতিক দলগুলি নতুন করে কমিশন তৈরিসহ নানা দাবি করছে। আমি রাজনৈতিক দলগুলোকে বলব, আপনাদের মত অনুযায়ী যদি নতুন কমিশন তৈরি করতে পারেন, তারপরও তাদেরকে অনুরোধ করব. আপনারা এই নতুন মেশিনটা ব্যবহার করেন, তাতে আপনাদেরই লাভ হবে।’

২০০৯ সালের পর থেকেই বাংলাদেশে ভোট গ্রহণে ইভিএম চালু করার চেষ্টা চলছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এই যন্ত্র নিয়ে বেশ আগ্রহী হলেও রাজনীতিতে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও সমমনারা এই যন্ত্রের বিরোধিতা করছে। তাদের অভিযোগ, এই যন্ত্র দিয়ে দূর থেকে ভোট নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

তবে নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে ১০০ আসনে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তা চলছে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন কমিশনার মো. আলমগীর।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্য দলীয় একটি নিজস্ব আলোচনায় বলেছেন, আগামী নির্বাচনে তিন শ আসনেই ইভিএমে ভোট হবে। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল মঙ্গলবারও বলেছেন, ভোট কীভাবে হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত এখনও নেননি তারা।

ইভিএম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ধারাবাহিকভাবে আরও বৈঠক করা হবে বলেও সেদিন জানান সিইসি, যার অংশ হিসেবে এই আলোচনা হয়। ইভিএম পরীক্ষায় বিশেষজ্ঞদের ডাকার কথাও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, খুলে দেখান সার্কিটগুলো। ভেতরে আইসিগুলো যেভাবে বসানো আছে, সেখানে ভেতরে ঢুকে ম্যানুপুলেট করা ভার্চুয়ালি অসম্ভব।’

জাফর ইকবাল বলেন, ‘কেউ বিশ্বাস করবে কি না সেটা তার ব্যাপার, সেটা রাজনৈতিক ব্যাপার। আমি টেকনিক্যাল জিনিসটা বলছি। টেকনিক্যাল পয়েন্ট থেকে এর ভেতরে ম্যানুপুলেট করার সম্ভাবনা নেই।

‘যারা ইভিএমের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাদেরকে অনুরোধ করব, তারা যেন সমস্যাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে লিখে আমাদেরকে জানান। আমরা তাদেরকে ইভিএম সম্পর্কে ডিটেইলস জানাতে বা দেখাতে রাজি আছি।’

এই শিক্ষাবিদ আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের আন্ডার গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ইভিএম তৈরি করে। ইভিএম তৈরি করে তারা বিদেশ থেকে বিভিন্ন পুরস্কার নিয়ে এসেছে। ইভিএম মেশিন নিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে কনভিন্সড হয়েছি। অত্যান্ত চমৎকার একটি মেশিন।’

আরও পড়ুন:
ইভিএম বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি
বিশেষজ্ঞ দল নিয়ে ইভিএম পরীক্ষার উদ্যোগ
১০০ আসনে ইভিএমে ভোটের চিন্তা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs allegations about Padma Bridge are of a perverted mind Quader

পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপির অভিযোগ বিকৃত মস্তিষ্কের: কাদের

পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপির অভিযোগ বিকৃত মস্তিষ্কের: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছিলেন যে পদ্মা সেতু হবে না; এ সরকার কখনো তা করতে পারবে না। বাস্তবতা হলো, পদ্মা সেতু হয়ে গেছে; শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। তাই বিএনপি ও তার দোসরদের বুকে বড় জ্বালা।’

পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপি নেতাদের বিভিন্ন অভিযোগ তাদের বিকৃত মস্তিষ্কের উদ্ভট আবিষ্কার বলে মন্তব্য করেছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় বিএনপি ও তার দোসরদের বুক জ্বালা করে।

বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য নবায়ন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে ঢাকার নিজ বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ মন্তব্য করেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছিলেন যে পদ্মা সেতু হবে না; এ সরকার কখনো তা করতে পারবে না। বাস্তবতা হলো, পদ্মা সেতু হয়ে গেছে; এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। তাই বিএনপি ও তার দোসরদের বুকে বড় জ্বালা। অথচ পদ্মার দুই পাড়সহ সারা দেশে জনগণের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।’

আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি দেশের জনগণকে কী দেখাবে- এমন প্রশ্ন তোলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘তাদের দেখানোর কিছু নেই। বিএনপির শাসনামলে হাওয়া ভবনের দুর্নীতি, তারেক রহমানের দুর্নীতি আর তাদের নেত্রীর এতিমের টাকা আত্মসাতের দুর্নীতি ছাড়া জনগণকে দেখানোর মতো আর কিছু নেই।’

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভালো আচরণ করে মানুষকে খুশি করতে হবে। তা না হলে শেখ হাসিনার এতো সাফল্য, অর্জন ও উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাবে।

‘চট্টগ্রামে দলের কোন্দল আর দেখতে চাই না। দ্রুত চট্টগ্রাম মহানগর এবং উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন করতে হবে। দল থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিয়ে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে।’

২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে চট্টগ্রামসহ সারাদেশের নেতাকর্মীদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বন জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বেগম ওয়াসিকা আয়েশা খানম, উপ-প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

এর আগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কবির সমাধিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে দলের সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী চেতনার ধারক ও বাহক ছিলেন। তার গান আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

‘বাংলাদেশে আজও সাম্প্রদায়িকতার শাখা-প্রশাখা আছে। বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ উৎপাটন করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু হওয়ায় বিএনপি নেতাদের বুকে বিষজ্বালা: কাদের
বৈশ্বিক প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, কিছু করার নাই: কাদের
‘শেখ হাসিনা জাতিকে আর কত দেবেন’
পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার নামে না হওয়া অন্যায়: সেতুমন্ত্রী
টাকা তো পাচার করেছেন তারেক রহমান: ওবায়দুল কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
This time most of the pilgrims are in Dhaka

এবার হজযাত্রী সবচেয়ে বেশি ঢাকায়

এবার হজযাত্রী সবচেয়ে বেশি ঢাকায় ফাইল ছবি
নিবন্ধন করেছেন মোট ৫৪ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যেতে নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা ২ হাজার ৮৪৯ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫১ হাজার ৮৫১ জন

এ বছর হজে যেতে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন হয়েছে ঢাকা জেলা থেকে। আর পার্বত্য জেলা বান্দারবান থেকে হয়েছে সবচেয়ে কম নিবন্ধন। বান্দরাবানের ৩৬ জন আর ঢাকা জেলা থেকে ১১ হাজার ১৬ জন হজে যাবেন।

২৩ মে পর্যন্ত নিবন্ধিত যাত্রীদের তালিকা থেকে এ তথ্য জানা যায়। ওই দিন পর্যন্ত মোট নিবন্ধন করেছেন মোট ৫৪ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যেতে নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা ২ হাজার ৮৪৯ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫১ হাজার ৮৫১ জন

বান্দারবান ছাড়াও এবার একশ’র নিচে হজযাত্রীর নিবন্ধন হয়েছে আরও তিন জেলায়। এর মধ্যে বরগুনায় ৯৭, খাগড়াছড়িতে ৬১ এবং রাঙামাটিতে ৪১ জন নিবন্ধন করেছেন।

ঢাকা ছাড়া এবার হাজারের উপরে হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন আরও ১৪ জেলায়। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৩ হাজার ৬০৮, কুমিল্লায় ২ হাজার ২০৭, দিনাজপুরে ১ হাজার ৩০৭, গাজীপুরে ১ হাজার ৩১৯, জামালপুরে ১ হাজার ১০২, ময়মনসিংহে ১ হাজার ৪০৪, নওগাঁয় ১ হাজার ৫৩৩, নারায়ণগঞ্জে ১ হাজার ২৬৫, পাবনায় ১ হাজার ৩৭২, রাজশাহীতে ১ হাজার ৮৮২, রংপুরে ১ হাজার ১৩৫, সিরাজগঞ্জে ১ হাজার ৬২১, বগুড়ায় ২ হাজার ২৬৩, এবং টাঙ্গাইল থেকে নিবন্ধন করেছেন ১ হাজার ৩৪৫ জন।

এ ছাড়াও এ বছর বাগেরহাটে ২০২, বরিশালে ৫৬৫, ভোলায় ৩১৭, ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় ৭১৩, চাঁদপুরে ৭১৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬১৬, চুয়াডাঙ্গায় ৩১০, কক্সবাজারে ৩৪৯, ফরিদপুরে ৪৮১, ফেনীতে ৬৭৫, গাইবান্ধায় ৮১৩, গোপালগঞ্জ ২৪৮, হবিগঞ্জে ৩১৬, যশোরে ৭৯৪, ঝালকাঠিতে ১২৩, ঝিনাইদহে ৪০৯, জয়পুরহাটে ৬৬৬, খুলনায় ৭৫১, কিশোরগঞ্জে ৬২৪, কুড়িগ্রামে ৬৭৪, কুষ্টিয়ায় ৫১৯, লক্ষ্মীপুরে ৪১৪, লালমনিরহাটে ২৫৯, মাদারীপুর ৩৯৬, মাগুরায় ১৯৮, মানিকগঞ্জে ৩৭০, মৌলভিবাজারে ১২৫, মেহেরপুরে ১৫৭, মুন্সিগঞ্জে ৩৪৯, নড়াইলে ১৬৪, নরসিংদীতে ৬৮৬, নাটোরে ৮৬১, নেত্রকোনায় ৪৩৮, নীলফামারীতে ২৮৭, নোয়াখালিতে ৯৪২, পঞ্চগড়ে ২৮৯, পটুয়াখালিতে ৩৬৪, পিরোজপুরে ১৪৯, রাজবাড়ীতে ১৯৮, সাতক্ষীরায় ৫৬৭, শরীয়তপুরে ৩১২, শেরপুরে ৬৬৫, সুনামগঞ্জে ১৪৬, সিলেটে ৪৮৩ এবং ঠাকুরগাঁও থেকে নিবন্ধন করেছেন ৩৮৭।

প্রথমে ৩১ মে থেকে হজ ফ্লাইট শুরুর কথা থাকলেও সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি শেষ না হওয়া ঢাকা থেকে হজের প্রথম ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে আগামী ৫ জুন থেকে। হজ যাত্রীদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে মঙ্গলবার।

স্বাভাবিক সময়ে প্রতি বছর সারা বিশ্বের ২০ থেকে ২৫ লাখ মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেয়ে থাকেন। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে গত দুই বছর সৌদি আরবের বাইরের কেউ হজ করার সুযোগ পাননি। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সৌদি সরকার এবার সারা বিশ্বের ১০ লাখ মানুষকে হজ পালনের অনুমতি দিচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৫৭ হাজার মুসল্লি হজব্রত পালনে সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার মুসল্লি। বাকিরা যাবেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজটি হলো ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা। সর্বনিম্নটি ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকার।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে জনপ্রতি ন্যূনতম খরচ ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা নির্ধারণ করেছে হজ এজেন্সিস অফ বাংলাদেশ (হাব)।

এবার হজ হতে পারে ৮ জুলাই (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫৭ হাজার হজযাত্রীর অর্ধেক বহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাকি অর্ধেক করবে সৌদি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস ও ফ্লাই নাস।


রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান এ বছর ৭৫টি ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে ৩১ হাজার যাত্রী বহন করবে। যাত্রী পরিবহনে গত বছরগুলোর মতোই বহরে থাকা বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন:
হজ ফ্লাইট ৫ জুন থেকেই, প্রস্তুত বিমান
৫ জুন হজ ফ্লাইট শুরু করতে চিঠি
দুই বছর পর রং চড়ছে আশকোনার হজক্যাম্পে

মন্তব্য

p
উপরে