× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Princess of Denmark in Dhaka
hear-news
player

ডেনমার্কের রাজকুমারী ঢাকায়

ডেনমার্কের-রাজকুমারী-ঢাকায় বিমানবন্দরে ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসনকে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা
রাজকুমারী ম্যারি মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশা দেখতে কক্সবাজার সফর করবেন; শুনবেন তাদের ওপর কীভাবে মিয়ানমার জান্তা সরকার নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়েছিল। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঠিক কী ধরনের প্রভাব বাংলাদেশের ওপরে পড়ছে, তা দেখতে সাতক্ষীরা পরিদর্শনে যাবেন তিনি।

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুঃখ-দুর্দশা এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত দেখতে তিন দিনের সফরে এসেছেন ডেনমার্কের রাজকুমারী।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে এসে পৌঁছান ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন।

বাংলাদেশে তাকে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

এ সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

পররাষ্ট্র সূত্র জানায়, মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশা দেখতে ম্যারি কক্সবাজার সফর করবেন; শুনবেন তাদের ওপর কীভাবে মিয়ানমার জান্তা সরকার নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়েছিল। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঠিক কী ধরনের প্রভাব বাংলাদেশের ওপরে পড়ছে, তা দেখতে সাতক্ষীরা পরিদর্শনে যাবেন তিনি।

সেখান থেকে সুন্দরবন ভ্রমণে যাওয়ার ইচ্ছাও রয়েছে ডেনমার্কের রাজকুমারীর।

ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসনের সুন্দরবন ভ্রমণটি মূলত তার অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করবে। জলবায়ুর পরিবর্তন সেখানে কী ধরনের সংকট তৈরি করেছে এবং সেখানকার বাসিন্দাদের জীবনযাত্রাকে কতটা প্রভাবিত করেছে, তা প্রত্যক্ষ করবেন তিনি।

সফরসূচি

সফরের প্রথম দিন সোমবার বেলা ১১টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে সূচি শুরু হচ্ছে ডেনমার্কের রাজকুমারীর। বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন ম্যারি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষ করেই কক্সবাজারের উদ্দেশে উড়াল দেয়ার কথা রয়েছে তার। সেখানে মঙ্গলবার সকালে ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিলের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। পরে সড়কপথে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাবেন রাজকুমারী। ক্যাম্প ৫-এ চারা রোপণ করে মাটি ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ ও ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিলের পরিবেশ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন তিনি।

পরে কয়েকজন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। কথা বলার কথা রয়েছে স্থানীয়দের সঙ্গেও।

কক্সবাজার থেকে বুধবার সকালে সাতক্ষীরা যাবেন রাজকুমারী। জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সঙ্গে দেখা করতে সাতক্ষীরা পৌঁছে কুলতী গ্রামে যাবেন তিনি।

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ওই এলাকার জনপদ এবং সাইক্লোন শেল্টার ও বেড়িবাঁধ ঘুরে দেখবেন তিনি। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গেও কথা বলবেন ম্যারি এলিজাবেথ। ওই দিন রাতেই তুরস্কের ইস্তাম্বুলের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন রাজকুমারী।

আরও পড়ুন:
রাজকুমারী যাবেন সুন্দরবন, সাধারণের প্রবেশ নিষেধ
যে কারণে সাতক্ষীরা যাচ্ছেন ডেনমার্কের রাজকুমারী
রোহিঙ্গা ও জলবায়ুর অভিঘাত দেখতে আসছেন ডেনিশ রাজকুমারী
উচ্চতম বালুর প্রাসাদে করোনার পৃথিবী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Indian Rupee Five point drop in 10 days

ভারতীয় রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন

ভারতীয় রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন
আন্তব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে বৃহস্পতিবার শুরুতে ডলার পিছু রুপির দাম ছিল ৭৭ রুপি ৭২ পয়সা। এক পর্যায়ে দাম আরো কমে ডলার পিছু দাঁড়ায় ৭৭ রুপি ৭৬ পয়সা। পরে তা হয় ৭৭ রুপি ৭৩ পয়সা।

ভারতীয় মুদ্রা রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। বৃহস্পতিবার ডলারের বিপরীতে রুপির বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৭৭ রুপি ৭৩ পয়সা।

ডলারের বিপরীতে রুপির দরপতনের কারণে বাংলাদেশের মতোই ভারতের পুঁজিবাজারেও চলছে অস্থিরতা। দেশটির পুঁজিবাজারে গত ১০টি ট্রেডিং সেশনে এ নিয়ে পাঁচ দফা দরপতন হয়েছে রুপির।

বুধবার মুদ্রা মান ১৮ পয়সা কমে ৭৭ রুপি ৬২ পয়সায় বন্ধ হয়েছিল। ভারতে মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক মন্দার জন্য এদিন রুপির দাম কমে যায়। রাশিয়া গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর পর থেকে রুপির দাম পড়তে থাকে।

আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে বৃহস্পতিবার শুরুতে ডলার পিছু রুপির দাম ছিল ৭৭ রুপি ৭২ পয়সা। এক পর্যায়ে দাম আরো কমে ডলার পিছু দাঁড়ায় ৭৭ রুপি ৭৬ পয়সা। পরে তা হয় ৭৭ রুপি ৭৩ পয়সা।

রুপির দরপতনের প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারেও।

বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে সেনসেক্স ১,৪১৬.৩০ পয়েন্ট বা ২.৬১ শতাংশ কমে ৫২,৭৯২.২৩ তে শেষ হয়েছে। যেখানে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে নিফটি ৪৩০.৯০ পয়েন্ট বা ২.৬৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৫,৮০৯.৪০।

বুধবার পুঁজিবাজারে মূল বিক্রেতা ছিল বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। এদিন তারা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুসারে তারা ১ হাজার ২৫৪.৬৪ কোটি রুপির শেয়ার বিক্রি করে।

আরও পড়ুন:
ভারতের নিষেধাজ্ঞা: বিশ্ববাজারে বাড়ল গমের দাম
দিল্লিতে ৫০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা
মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের
রাজস্থানের তাপমাত্রা ৪৮ পেরোল, দিল্লিতে সতর্কতা
দিল্লিতে চার তলা ভবনে আগুন, ২৭ মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Comments about me are not factual Mahfuz Anam

আমার বিষয়ে করা মন্তব্য তথ্যভিত্তিক নয়: মাহফুজ আনাম

আমার বিষয়ে করা মন্তব্য তথ্যভিত্তিক নয়: মাহফুজ আনাম মাহফুজ আনাম ও পদ্মা সেতু
পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনূস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাহফুজ আনাম। তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টমেন্টে যায়। হিলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। বিশ্বব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মিস্টার জোয়েলিক তার শেষ কর্মদিবসে কোনো বোর্ডসভায় না, পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়।’

পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করতে কোনো ধরনের চেষ্টার কথা নাকচ করেছেন ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম। তিনি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে নিয়ে যে বক্তব্য রেখেছেন, সেটি তথ্যভিত্তিক নয়।

সরকারপ্রধান এ বিষয়ে অভিযোগ আনার পরদিন বৃহস্পতিবার ডেইলি স্টারের বাংলা ভার্সনে ‘মাহফুজ আনামের ব্যাখ্যা’ নামে তার বক্তব্য ছাপা হয়।

ডেইলি স্টার সম্পাদক বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, আমি এ ধরনের উদ্দেশ্য নিয়ে কখনো যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাইনি, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাইনি, কখনও হিলারি ক্লিনটনকে কোনো ই-মেইল পাঠাইনি, ওয়াশিংটনে বা বিশ্বের অন্য কোনো জায়গায় বা শহরে পদ্মা সেতুর অর্থায়নের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কোনো বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠক বা যোগাযোগ করিনি।

‘বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, আমার বিষয়ে করা মন্তব্য তথ্যভিত্তিক নয়।’

যা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৯৮১ সালের ১৭ এপ্রিল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের স্মরণে বুধবার আওয়ামী লীগ আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেখানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে অন্য অনেক বিষয়ের পাশাপাশি পদ্মা সেতু প্রসঙ্গ নিয়ে নানা বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে বিশ্বব্যাংক যেন সরে যায়, সে জন্য ড. ইউনূস, ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক নানা সক্রিয় চেষ্টা চালিয়েছেন।

পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ার শুরু থেকেই তুমুল আলোচনা হচ্ছে। প্রথমে সেতুর অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ যোগাযোগ করে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে। পাশাপাশি আইডিবি, এডিবি ও জাইকারও কিছু সহযোগিতা থাকার কথা ছিল।

তবে সেতুর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির চেষ্টার অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক নানা বক্তব্য দেয়ার পর ২০১৩ সালে এই সেতু প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ায়।

শুরু থেকেই সরকার এই অভিযোগকে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে আসছিল। দাতারা সেতু থেকে সরে যাওয়ার পর অভিযোগ করা হয়, সংস্থাটির এই সিদ্ধান্তের পেছনে ড. ইউনূসের হাত আছে।

গ্রামীণ ব্যাংক আইন অনুযায়ী ৬০ বছর বয়স হলেই তিনি এমডি পদের জন্য অযোগ্য হন। ইউনূসের বয়স ৭১ হওয়ার পর তাকে অপসারণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, সে সময় তাকে এই পদে বহাল রাখতে নানা চাপ দেয়া হয়েছিল। সরকার রাজি না হওয়ায় পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বাতিল করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী সেদিন বলেন, ‘পদ্মা সেতুর অর্থ বন্ধ করাল ড. ইউনূস। কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম, গ্রামীণ ব্যাংকের উপদেষ্টা হতে, ইমেরিটাস উপদেষ্টা হিসেবে থাকার জন্য, আরও উচ্চ মানের। কিন্তু সেখানে সে থাকবে না। তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না।

‘কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনূস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাহফুজ আনাম। তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টমেন্টে যায়। হিলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। বিশ্বব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মিস্টার জোয়েলিক তার শেষ কর্মদিবসে কোনো বোর্ডসভায় না, পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়।’

প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ নিয়ে সেদিন মাহফুজ আনামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কথা বলতে চাই না’।

বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগ কানাডার আদালতে নাকচ

পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগ নিয়ে সেতুর নির্মাণকাজে অনিশ্চয়তা দেখা দেয় শুরুতেই।

উড়ো খবরের সূত্রে দাতা সংস্থাটি সে সময় জানতে পেরেছিল, কানাডীয় কোম্পানি এস এম সি লাভালিন এই কাজ পেতে ঘুষ দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল।

বিশ্বব্যাংক সে সময় বাংলাদেশের যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করার দাবি করেছিল। কিন্তু তার বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন তা করতে রাজি হয়নি।

বিশ্বব্যাংক এ ঘটনায় একটি মামলা করে কানাডার একটি আদালতে। সেই মামলা বাংলাদেশের জন্য শাপেবর হয়েছে।

বাংলাদেশের ভাবমূর্তি রক্ষার আদেশ কানাডা থেকে আসার পর আর কেউ প্রশ্ন তোলার সুযোগই পায়নি।

রায়টি দেয়া হয় ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে। তবে গণমাধ্যমে রায় প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ছিল এক মাস। আর ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে বিষয়টি নিয়ে জানাজানি হয়।

রায়ে অন্টারিও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ইয়ান নরডেইমার বলেন, বিশ্বব্যাংক যেসব তথ্য দিয়েছে সেগুলো ‘অনুমানভিত্তিক, গালগল্প ও গুজবের বেশি কিছু নয়।’

আরও পড়ুন:
আগামী বছরের জুনের মধ্যে পদ্মা সেতুতে ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী সময় দিলেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন
জুনে উদ্বোধন মাথায় রেখেই পদ্মা সেতুর কাজ
ঈদ বিনোদনে পদ্মা সেতু
পদ্মা সেতু জুনেই চালু: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1900 deaths per day in the country due to non communicable diseases

অসংক্রামক রোগে দেশে দিনে ১৯০০ মৃত্যু

অসংক্রামক রোগে দেশে দিনে ১৯০০ মৃত্যু বৃহস্পতিবার বনানীতে হোটেল শেরাটন আয়োজিত এক সায়েন্টিফিক সেমিনারে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘অসংক্রামক রোগ একবার দেখা দিলে আজীবন চিকিৎসা নিতে হয়। কিন্তু এটা ব্যয়বহুল। এই রোগে আক্রান্তের হার বৃদ্ধিতে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে হাসপাতালের সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায়ও।’

বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে বছরে ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ (৭ লাখ) মৃত্যুই অসংক্রামক রোগে ঘটে থাকে। সে হিসাবে দেশে দিনে গড়ে এক হাজার ৯০০ মানুষ অসংক্রামক রোগে মারা যায়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটন আয়োজিত এক সায়েন্টিফিক সেমিনারে এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে অসংক্রামক রোগে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি হারে বাড়ছে। আগে এই রোগের প্রবণতা বয়স্ক মানুষের মধ্যে দেখা যেত। এখন তরুণরাও আক্রান্ত হচ্ছে। মানুষের জীবনাচার পরিবর্তন এর অন্যতম কারণ।

‘দেশে প্রতিবছর ১০ লাখ মানুষ স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করে। এর মধ্যে ৭ লাখই মারা যায় অসংক্রামক রোগে। সে হিসাবে প্রতিদিন মারা যায় ১৯০০ মানুষ।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অসংক্রামক রোগ একবার দেখা দিলে আজীবন চিকিৎসা নিতে হয়। কিন্তু এটা ব্যয়বহুল। এই রোগে আক্রান্তের হার বৃদ্ধিতে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে হাসপাতালের সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায়ও।

‘আমরা ভালো ও উন্নত চিকিৎসা দিতে গেলে গবেষণা দরকার। গবেষণা থাকলে সঠিক দিকনির্দেশনা আসে। তাতে করে নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ সহজ হয়।

‘আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সংক্রামক রোগব্যাধি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরই মাঝে অসংক্রামক রোগ বেড়ে গেছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে মানসিক সমস্যা বেড়েছে। এর প্রভাবে আত্মহত্যা বাড়ছে।

এমন বাস্তবতায় আজ (বৃহস্পতিবার) মানসিক স্বাস্থ্য পলিসি কেবিনেট নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’

সেমিনারে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন-অগ্রগতি নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। বলেন, ‘দেশে ৩৮টি মেডিক্যাল কলেজ ও পাঁচটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ এগিয়ে গেছে। একইসঙ্গে সমস্যাও বেড়েছে। ভালো স্বাস্থ্য সেবার জন্য প্রয়োজন অবকাঠামো, ওষুধ ও স্বাস্থ্যকর্মী। স্বাস্থ্য খাত সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত ছিল। আমারা টিবি, কলেরা, ডায়রিয়া নিয়ে কাজ করেছে। এসব এখন নিয়ন্ত্রণে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক রোবেদ আমিন। বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. মো. শরফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আহমেদুল কবীরসহ অন্যরা।

আরও পড়ুন:
কোনো জাদুমন্ত্রে করোনা নিয়ন্ত্রণ হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৪০ হাজার কোটি নয়, টিকার ব্যয় এর অর্ধেক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ভারতের করোনার প্রভাব দেশে পড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সব রোগের টিকা দেশে উৎপাদন হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে সরকার পতনের অবস্থা হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The name of the bridge is Padma Bridge

সেতুর নাম ‘পদ্মা সেতু’ই

সেতুর নাম ‘পদ্মা সেতু’ই নদীর নামেই হতে পারে পদ্মা সেতু। ছবি: নিউজবাংলা
পদ্মা সেতু, পদ্মা সেতুই হবে। প্রধানমন্ত্রী হয়তো আগামী পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে যেকোনো সময় ক্লিয়ার করবেন: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

জুনের শেষ সপ্তাহে পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। এই সেতু কার নামে হবে, এমন প্রশ্নে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন সেতুর নাম নদীর নামেই হতে পারে।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রিসভা বৈঠক-পরবর্তী ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বসে মন্ত্রিসভা বৈঠক। এতে নির্ধারিত বিষয়ের বাইরেও নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রিসভা সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘পদ্মা সেতু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমার মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নিজেই ক্লিয়ার করবেন আগামী পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে জিনিসটা। পদ্মা সেতু জুন শেষে উদ্বোধন হচ্ছে, এটা তো উনি বলেই দিয়েছেন। আমরাও রেডি আছি।’

এক দশক ধরে দেশের দক্ষিণের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এই সেতুর জন্য। এটি দেশের সবচেয়ে বড় সেতু- বিষয়টি কেবল এমন নয়, এর সঙ্গে জড়িয়েছে রাজনৈতিক, আন্তর্জাতিক বহু ঘটনাপ্রবাহ। যে কারণে সেতুটি নিয়ে আলোচনা আরও বেশি। এর প্রতিটি স্প্যান বসানো সংবাদ হয়ে এসেছে। গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি, প্রতিটি বাধাবিঘ্ন গণমাধ্যমে সংবাদ শিরোনাম হয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে তুলেছে তোলপাড়।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে সেতুর সর্বশেষ স্প্যানটি বসানোর পরই জানানে হয় চলতি বছরের জুনে যান চলাচল শুরু করা হবে। তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেন, ডিসেম্বরের শেষে সেতুর কাজ শেষ হবে।

তার এই বক্তব্যে দেখা দেয় বিভ্রান্তি। তবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পরে একাধিকবার নিশ্চিত করে বলেন, জুনেই যান চলাচল শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী ওই মাসে যেদিন সময় দেবেন, সেদিনই যান চলাচল শুরু হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আশা করি জুনের শেষ সপ্তাহের আগেই ব্রিজ রেডি হয়ে যাবে। উদ্বোধনের তারিখটা এখনও নির্ধারিত হয়নি। ডেটটা ধরে রাখেন জুনের শেষের দিকের কোনো একদিন যেদিন উনি (প্রধানমন্ত্রী) কমফোর্ট ফিল করবেন। অনেক জিনিস দেখতে হয়, সেগুলো দেখে আমরা আশা করি শেষ সপ্তাহের আগেই আমরা ব্রিজ রেডি করে দিতে পারব।’

সেতুর নামকরণ প্রসঙ্গ

পদ্মা সেতু হওয়ার পর এটি কার নামে হবে, সেটি নিয়েও তুমুল আলোচনা চলছে। পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক এই সেতু থেকে সরে যাওয়ার পর অর্থায়ন জটিলতায় সেতুটি আদৌ হবে কি না, এ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেন নিজ অর্থে সেতু করার।

তার এই সিদ্ধান্তের পর দেশবরেণ্য অর্থনীতিবিদরা বলেছিলেন, এত বড় প্রকল্প নিজে নিজে করার মতো আর্থিক সামর্থ্য বাংলাদেশের হয়নি। এতে রিজার্ভ চাপে পড়বে, অন্য উন্নয়ন প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হবে।

বিশ্বব্যাংক এই অভিযোগ তোলার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে আসছিলেন। বিশ্বব্যাংক সে সময়ের যাতায়াতমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করার দাবি জানানোর পর আবুল হোসেনকে দেশপ্রেমিক আখ্যা দেন শেখ হাসিনা।

বিশ্বব্যাংক সে সময় কানাডার একটি আদালতে পদ্মা সেতু নিয়ে মামলা করে। সে দেশের কোম্পানি এসএমসি লাভালিন এই দুর্নীতি চেষ্টায় জড়িত ছিল- এমন অভিযোগে করা মামলাটি ২০১৭ সালে উড়িয়ে দেয় অন্টারিওর একটি আদালত। বিচারক বিশ্বব্যাংকের অভিযোগকে ‘গালগপ্প’ বলেও উড়িয়ে দেন।

শেখ হাসিনার অমনীয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তার নামে এই সেতু করার চেষ্টা করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে শেখ হাসিনা এতে রাজি হচ্ছেন না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘পদ্মা সেতু, পদ্মা সেতুই হবে। প্রধানমন্ত্রী হয়তো আগামী পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে যেকোনো সময় ক্লিয়ার করবেন।’

টোল নির্ধারণ কোন নীতিতে

সেতু উদ্বোধনের আগের মাসে পারাপারে যে টোল ঠিক করা হয়েছে, তা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন, টোল বেশি ধরা হয়েছে।

সেতু পারাপারে মোটরসাইকেলকে ১০০, প্রাইভেট কার ৭৫০ ও বড় বাসকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

সেতুর টোল নির্ধারণের বিষয়টিও স্পষ্ট করে সচিব বলেন, ‘যখনই যেখানে ব্রিজ করে স্ট্যান্ডার্ড হলো ফেরির ১ দশমিক ৫ গুণ ধরা হয়। সেটা ধরেই করা হয়েছে। এর পরও সরকার যদি মনে করে এটা বেশি হয়েছে...।

‘অনেকে পদ্মা সেতুকে বঙ্গবন্ধু সেতুর সঙ্গে তুলনা করেন। বঙ্গবন্ধু সেতু হলো পাঁচ কিলোমিটার, আর পদ্মা সেতু হলো ৯ দশমিক ৮৬ কিলোমিটার। প্রায় দ্বিগুণ।’

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর টাকা সেতু কর্তৃপক্ষকে ১ শতাংশ হার সুদে সরকারকে ফেরত দিতে হবে। সুতরাং সেতু কর্তৃপক্ষকে ওই জায়গা থেকে টাকা উপার্জন করতে হবে। পৃথিবীর কোথাও এই ধরনের স্থাপনার ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় পয়সা না দিয়ে যাওয়ার কোনো সিস্টেম নেই।’

এই সেতু নির্মাণে সেতু বিভাগকে মোট ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে অর্থ বিভাগ। ১ শতাংশ সুদহারে ৩৫ বছরের মধ্যে সেটি পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ।

সেতুর নির্মাণ ব্যয় তুলতে ধারণার চেয়ে কম সময় লাগবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। বলেন, ‘ফিজিবিলিটি স্টাডিতে ছিল যে ২৪-২৫ বছরের মধ্যে পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় উঠে আসবে। এখন মনে হচ্ছে ১৬-১৭ বছরের মধ্যেই টাকাটা উঠে আসবে।

‘ওই পাড়ের যেসব কাজকর্ম এবং যেগুলো আছে, সেগুলো ফিজিবিলিটি স্টাডিতে আসেনি। মোংলা পোর্ট যে এত স্ট্রং হবে, পায়রা বন্দর হবে, এত শিল্পায়ন হবে- এগুলো কিন্তু আসেনি।’

তিনি বলেন, ‘ধারণা ছিল পদ্মা সেতু ১ দশমিক ৩ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি আনবে। এটা ২-এর কাছাকাছি চলে যাবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী সময় দিলেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন
জুনে উদ্বোধন মাথায় রেখেই পদ্মা সেতুর কাজ
ঈদ বিনোদনে পদ্মা সেতু
পদ্মা সেতু জুনেই চালু: কাদের
পদ্মা সেতুর নিচ দিয়ে রাতে চলছে ফেরি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Land acquisition only after setting up of hat bazaar

ব্যক্তি উদ্যোগে হাট-বাজার বসলেই জমি অধিগ্রহণ

ব্যক্তি উদ্যোগে হাট-বাজার বসলেই জমি অধিগ্রহণ অধিগ্রহণের বিধান রেখে আনা হাট-বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) আইন-২০২২ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা আগে ১৯৫৯-এর একটা অর্ডিন্যান্স ছিল। সেটিকে যুগোপযোগী করে আইনের খসড়া বানানো হয়েছে। এতে প্রায় ২৬টি ধারা রয়েছে। এই আইনের বিধান না মেনে কোথাও হাট-বাজার বসানো যাবে না। কেউ ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্থায়ী হাট-বাজার বসালে ওই জমি খাস হিসেবে গণ্য করে নিয়ে নেবে সরকার।’

ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোথাও স্থায়ী হাট-বাজার বসানো হলে তা অধিগ্রহণের বিধান রেখে আনা হাট-বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) আইন-২০২২ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা আগে ১৯৫৯-এর একটা অর্ডিন্যান্স ছিল। সেটিকে যুগোপযোগী করে আইনের খসড়া বানানো হয়েছে। এতে প্রায় ২৬টি ধারা রয়েছে। এই আইনের বিধান না মেনে কোথাও হাট-বাজার বসানো যাবে না। হাট-বাজার বসানো হলে ওই জমি খাস হিসেবে গণ্য করে নিয়ে নেবে সরকার।

‘আমি যদি আমার বাড়িতে কোনো হাট-বাজার বসাই, এটা মোহন মিয়ার একটি মামলা ছিল সরকারের সঙ্গে। উনি তখন কোর্টে গিয়ে এটা ব্যক্তিগত হাট-বাজার উল্লেখ করে মামলায় জিতে গেলেন। এটা বিখ্যাত একটি মামলা। পরবর্তীতে সরকার ডেফিনেশন পরিবর্তন করে বলল- যেখানেই কেউ হাট-বাজার বসাবে সেটা খাস জমি হয়ে যাবে। এখনও সরকারের পারমিশন ছাড়া কোনো হাট-বাজার বসানো যাবে না। এখানেও আগের ডেফিনেশন স্ট্যান্ড করবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক অনুমতি দেবেন।’

ব্যক্তি উদ্যোগে হাট-বাজার বসলেই জমি অধিগ্রহণ
মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘হাট-বাজারের কোনো জমি স্থায়ী বন্দোবস্ত করা যাবে না। তবে এ সংক্রান্ত বিধিমালা অনুসরণ করে জেলা প্রশাসক অস্থায়ীভাবে একজনের বিপরীতে সর্বোচ্চ আধা শতক জায়গা দিতে পারবে। এর বেশি একজনকে দেয়া যাবে না।

‘সরকার গেজেট দিয়ে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইনের অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৯২ ধারা অনুসারে খাস ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত তারিখ থেকে যে কোনো হাট ও বাজার দখল করতে পারবে।’

সচিব বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালাতে বলা হয়েছে। বছরে যদি একদিন হাট-বাজার বসে সেটা অন্য কথা। কিন্তু স্থায়ীভাবে হাট-বাজার বসলে সরকার ওই জমি নিয়ে নেবে।

‘ডেফিনেশনটা হলো- হাট ও বাজার অর্থ যে স্থানে জনসাধারণ দৈনিক অথবা সপ্তাহের নির্দিষ্ট কোনো দিন কৃষিপণ্য, ফলমূল, হাঁস-মুরগি, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ ও দুগ্ধ জাতীয় পণ্য বা অন্য কোনো পণ্য বা শিল্পজাত পণ্য ও দ্রব্যাদি ক্রয়-বিক্রয় হয়। সেই স্থানে ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য স্থাপিত দোকানও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।’

আরও পড়ুন:
মন্ত্রিসভার ৬৬৬ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন
আনসারের অপরাধের বিচারে দুই আদালত
জাতীয় স্লোগান হচ্ছে ‘জয় বাংলা’
টিটির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ বাড়ছে
মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কমেছে ১৯ শতাংশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The day of inauguration of Padma bridge was not final

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন চূড়ান্ত হয়নি

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন চূড়ান্ত হয়নি জুনের শেষ সপ্তাহের আগেই প্রস্তুত হবে পদ্মা সেতু। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, জুনের শেষ সপ্তাহের আগেই সেতুটি প্রস্তুত হয়ে যাবে। পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করা হয়েছে ফেরির দেড় গুণ।

জুনে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের কথা থাকলেও দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তবে জুনের শেষ সপ্তাহের আগেই সেতুটি প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রিসভা বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ওই সময় তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করা হয়েছে ফেরি খরচের দেড় গুণ হিসাবে।’

সেতুর নামকরণ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সেতুর নাম পদ্মা সেতুই হবে। নামকরণ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।’

জুনে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের কথা থাকলেও দিন-ক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তবে জুনের শেষ সপ্তাহের আগেই সেতুটি প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রিসভা বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ওই সময় তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করা হয়েছে ফেরির দেড় গুণ।’

আগামী জুন মাসের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ করার লক্ষ্য ধরে সব কিছু এগিয়ে চলছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রকল্পের শুরু থেকেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ধরে সেতুর কাজ এগিয়েছে। প্রতিটি অংশের কাজ শেষ করার সুনির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করা আছে। সে হিসাবে জুন শেষ হওয়ার আগেই শেষ হবে পদ্মা সেতুর মূল কাজ। সেতুটি যান চলাচলের জন্য উপযুক্ত হবে। তবে সেতু কবে উদ্বোধন হবে তা ঠিক হবে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। সবুজ সংকেত পেলে যেকোনো দিন খুলে দেয়া হবে এ সেতু।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পদ্মা সেতুতে শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। সব কিছুই পরিকল্পনা মতো এগোচ্ছে। আগামী জুনকে ঘিরে আমাদের সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে, সব কাজও হচ্ছে।’

আগে থেকেই সরকারের ঘোষণা রয়েছে, আগামী জুনে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে বহুল প্রতীক্ষিত এ সেতু। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের মূল সেতু ছাড়াও ৩ দশমিক ৬৮ কিলোমিটারের ভায়াডাক্ট বা সংযোগ সেতু মিলিয়ে পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার।

গত ২৮ মার্চ সেতুর সর্বশেষ অবস্থা ও কাজের অগ্রগতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খোন্দকার আনোয়ারুল ইসলামসহ সেতু বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন। পরে ৩০ মার্চ এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আগামী ৩০ জুন পদ্মা সেতু চালু হবে।

আরও পড়ুন:
জুনে উদ্বোধন মাথায় রেখেই পদ্মা সেতুর কাজ
ঈদ বিনোদনে পদ্মা সেতু
পদ্মা সেতু জুনেই চালু: কাদের
পদ্মা সেতুর নিচ দিয়ে রাতে চলছে ফেরি
পদ্মা সেতুতে টোল তুলবে চায়না মেজর ও কেইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The ACC sent another letter to Interpol asking for the return of PK Haldar

পি কে হালদারকে ফেরত চেয়ে ইন্টারপোলে আবার চিঠি দুদকের

পি কে হালদারকে ফেরত চেয়ে ইন্টারপোলে আবার চিঠি দুদকের ভারতে ইডির হাতে গ্রেপ্তার হন পি কে হালদার। ফাইল ছবি
ইন্টারপোলের ঢাকার ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর মাধ্যমে বুধবার সংস্থাটির ভারতীয় অংশের কাছে চিঠি পাঠায় দুদক। এর আগে ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা করে ইন্টারপোলকে চিঠি দিয়েছিল দুদক।

হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ভারতে গ্রেপ্তার প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারকে ফেরত চেয়ে আবার আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ইন্টারপোলের ঢাকার ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) মাধ্যমে বুধবার সংস্থাটির ভারতীয় অংশের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়।

এর আগে ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা করে ইন্টারপোলকে চিঠি দিয়েছিল দুদক। সে সময় হালদারের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করেছিল পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থাটি।

আরেক মামলা

৪৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পি কে হালদারসহ ১২ জনকে আসামি করে আরেকটি মামলা করেছে দুদক।

অন্য আসামিরা হলেন শিব প্রসাদ ব্যানার্জি, পাপিয়া ব্যানার্জি, সিদ্দিকুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, এম এ হাফিজ, অরুণ কুমার কুণ্ডু, অঞ্জন কুমার রায়, মোস্তাইন বিল্লাহ, উজ্জল কুমার নন্দী, সত্য গোপাল পোদ্দার ও রাসেল শাহরিয়ার।

দুদকের সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াত বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এর আগে কমিশন মামলাটি অনুমোদন দেয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট থেকে ৪৪ কোটি টাকা তুলে আত্মসাৎ ও পাচার করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হন।

হালদারকে দেশে আনতে কমিটি

পি কে হালদারকে ভারত থেকে দেশে আনতে বুধবার কমিটি করে দুদক। ওই কমিটিতে রয়েছেন দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও গুলশান আনোয়ার।

কমিটি ভারতে গ্রেপ্তার পি কে হালদারকে দ্রুত দেশে ফেরানোর আইনগত বাধা দূরীকরণে কাজ করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। আপাতত দুই সদস্যের কমিটি করা হলেও প্রয়োজনে সদস্য পাঁচজন পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছে দুদক সূত্র।

কী বলছেন মন্ত্রীরা

পি কে হালদারকে দ্রুত দেশে ফেরত আনতে চায় সরকার। মঙ্গলবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘মূল অপরাধ যেহেতু বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছে, সেহেতু ভারতে বিচারের আগেই পি কে হালদারকে ঢাকা ফেরত চাইবে।

‘আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে তাকে ফিরিয়ে আনা। যে মুহূর্তে তাকে ফিরিয়ে আনা হবে, তখন থেকে তার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। পি কে হালদারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে, সেই অভিযোগের বিচার করে তার পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনা খুব কঠিন, তবে মানি লন্ডারিং আইন যেহেতু বিশ্বের সব জায়গায় কঠোরভাবে মানা হচ্ছে, তাই টাকা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আমরা আশাবাদী।’

একই দিনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দোরাইস্বামী।

তিনি জানান, দুদকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হন পি কে হালদার।

গ্রেপ্তার ও রিমান্ড

গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পি কে হালদারসহ ছয়জনকে। এরপরই তিন দিনের জন্য রিমান্ডে নেয়া হয় তাদের।

গ্রেপ্তারের সময় পি কে হালদারের কাছ থেকে ভারতের নাগরিকত্ব, আধার কার্ডসহ বেশ কিছু নথি জব্দ করে অর্থসংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থা ইডি।

মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের সিবিআই আদালতে পি কে হালদারসহ ছয়জনকে হাজির করা হয়। সেখানে গ্রেপ্তার পাঁচ পুরুষকে ১০ দিন করে রিমান্ডে চাইলে আদালত কিছুটা সময় নিয়ে হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
পি কে হালদারকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে রুল শুনানি ১২ জুন
পি কে হালদার আরও ১০ দিনের রিমান্ডে
বন্দরে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৩৮ মিনিট আগে দেশ ছাড়েন পি কে
পি কে হালদারকে ফেরানো নিয়ে রুলের শুনানি ১২ জুন
পি কে হালদারকে আজ আদালতে তোলা হচ্ছে

মন্তব্য

উপরে