× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Despite the increase in passengers 14 trains were stopped in Rangpur
hear-news
player

যাত্রী বাড়লেও রংপুরে বন্ধ ১৪ ট্রেন

যাত্রী-বাড়লেও-রংপুরে-বন্ধ-১৪-ট্রেন রংপুরে সবচেয়ে বেশি ট্রেন বন্ধ হয়েছে করোনা মহামারির সময়।
এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রংপুর থেকে রেলে যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬১ জন। এতে টিকিট বিক্রি বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৭১ হাজার ৩৯১ টাকা।

বছর দুয়েক আগেও রংপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কিংবা এই স্টেশন হয়ে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ২৪টি ট্রেন বিপুল পরিমাণ যাত্রী আনা-নেয়া করেছে। কিন্তু দিনে দিনে যাত্রীর সংখ্যা বাড়লেও, বর্তমানে বন্ধ হয়ে গেছে ১৪টি ট্রেন। বাকি ১০টি চললেও সংখ্যা কমে যাওয়ায় কোনো ট্রেনই এখন সময়সূচি মেনে চলছে না। এসব কারণে রংপুর বিভাগে ট্রেনযাত্রীদের ভোগান্তি এখন চরমে।

বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্রেনগুলোর বিষয়ে রংপুর স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার মোস্তাক আহমেদ জানান, জনবল সংকট এবং লোকসানের কারণে করোনার দুই বছরে বন্ধ হয়েছে ৮টি ট্রেন। এর মধ্যে ২০২০ সালের ২৪ মার্চ বন্ধ হয়েছে সেভেন-আপ, এইট-ডাউন, ডেমু-আপ ও ডাউন এবং রমনা লোকাল আপ ও ডাউন। এ ছাড়া চলতি বছর ২ মার্চ বন্ধ হয়েছে কমিউটার ৬৩ ও কমিউটার ৬৪। বাকিগুলো বন্ধ হয়েছে করোনারও আগেই।

জানা গেছে, বন্ধ হওয়া ট্রেনের মধ্যে ‘রংপুর কমিউটার’ চলতো লালমনিরহাট-দিনাজপুর লাইনে, ‘উত্তরবঙ্গ মেইল’ বগুড়া-পঞ্চগড়, ‘লোকাল’ ট্রেনটি কুড়িগ্রাম-দিনাজপুর, ‘পার্বতীপুর কমিউটার’ লালমনিরহাট-দিনাজপুর এবং ‘মিশ্র ট্রেনটি চলতো লালমনিরহাট-দিনাজুর লাইনে। প্রতিটি ট্রেনই যাওয়া-আসার পথে রংপুর স্টেশনে বিরতি দিতো এবং যাত্রী পরিবহন করতো।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এসব ট্রেন বন্ধ থাকায় চাকরি হারিয়েছেন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অন্তত ৫৪ কর্মচারী। আর লোকবলের অভাবে বন্ধ হয়েছে রংপুরের মীরবাগ, অন্নদা নগর, চৌধুরানী, সুন্দরগঞ্জের নলডাঙ্গা, দিনাজপুরের খোলাহাটি সাব রেলওয়ে স্টেশন।

যাত্রী বাড়লেও রংপুরে বন্ধ ১৪ ট্রেন
রংপুর স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে লোকবল সংকট

রংপুর রেলওয়ে স্টেশনে দায়িত্বরত একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে রংপুর স্টেশনেই জনবল সংকট রয়েছে। এর মধ্যে দুইজন সহকারী স্টেশন মাস্টার নেই বহু বছর ধরে। এ ছাড়া স্টেশন সুপার, বুকিং ক্লার্ক, টিকেট কালেক্টর, সিগন্যাল মেইনটেইনার এবং খালাসি পদেও লোকবলের অভাব রয়েছে। তারপরও জোড়াতালি দিয়ে চলছে উত্তরবঙ্গের পুরনো এই স্টেশনটি।

রংপুর রেলস্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারী আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘বিভিন্ন রুটে ট্রেনের যাত্রীদের ভিড় থাকলেও সবচেয়ে বেশি যাত্রী হচ্ছে ঢাকা রুটে। এই রুটে রংপুর এক্সপ্রেস ও কুড়িগ্রাম এক্সেপ্রেস নামে দুটি ট্রেন রংপুর থেকে সরাসরি ঢাকায় যায়।’

রংপুর রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, রংপুর রেলস্টেশন থেকে পূর্ণ যাত্রী নিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রেন যায়। অনলাইন কিংবা স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে যেন নিমিষেই শেষ হয়ে যায়। অনেক যাত্রী টিকিট না পেয়ে ফিরে যান।

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রংপুর থেকে রেলে যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬১ জন। এতে টিকিট বিক্রি বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৭১ হাজার ৩৯১ টাকা।

এদিকে, ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেন রংপুর এক্সপ্রেস ও কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের বরাদ্দ টিকিট কম থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রংপুরের যাত্রীরা। বিভাগীয় নগরী হিসেবে রংপুরের জন্য যে টিকিট বরাদ্দ তা নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে এই অঞ্চলের মানুষের। দ্রুত ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনসহ বিদ্যমান ট্রেনের কোচ বাড়ানো এবং বন্ধ ট্রেন চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।

নগরীর সাতমাথা এলাকার বাসিন্দা কলেজ শিক্ষক আহমেদ কবীর রাজু বলেন, ‘রংপুরবাসী দীর্ঘদিন ধরে রংপুরে দিবাকালীন ট্রেনের দাবি জানিয়ে এলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। আসন্ন ঈদে বাড়ি ও কর্মস্থলে ফেরা নিয়ে বাড়তি চাপে পড়তে যাচ্ছে এই অঞ্চলের মানুষেরা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলে দুইদিন ধরে কমলাপুর স্টেশনে গিয়েও টিকেট পায়নি। ঢাকাগামী দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের মধ্যে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ও রংপুর এক্সপ্রেসের বরাদ্দ টিকিট অল্প থাকায় রংপুরের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এটা দূর হওয়া দরকার।’

স্টেশন এলাকার বাসিন্দা মোস্তফা সরওয়ার বলেন, ‘রংপুরে ট্রেনের যাত্রীদের সংখ্যা বাড়লেও কমেছে ট্রেনের সংখ্যা। কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার কারণে রেলের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সরকারকে রেলের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। রংপুর বিভাগীয় শহর সিটি করপোরেশন হওয়ার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গমনেচ্ছুদের সংখ্যা বেড়েছে। এর পরিসংখ্যান তৈরি করে রংপুরে ট্রেন বরাদ্দ করতে হবে।’

যাত্রী বাড়লেও রংপুরে বন্ধ ১৪ ট্রেন
ঢাকাগামী আন্ত:নগর ট্রেনে বরাদ্দ টিকিট কম থাকার অভিযোগ রংপুরের বাসিন্দাদের

রংপুর মেডিক্যাল পর্বগেট এলাকার বাসিন্দা গোলাম রহমান বলেন, ‘আমি নিয়মিত ঢাকা যাতায়াত করি। টিকিট কখনো পাই কখনো পাই না। ট্রেনের টিকিট পেতে ব্যর্থ হলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাসে যাই। আমি মনে করি, ট্রেন বাড়ানো দরকার।’

নগরীর কামালকাচনা (গুঞ্জনমোড়) এলাকার বাসিন্দা সাবিয়া হাসান বলেন, ‘আমি মাসে কমপক্ষে তিনবার ঢাকায় যাই। প্রতিবারই ট্রেনে যাই। ট্রেনে যাওয়াটাই নিরাপদ মনে করি। কিন্তু কখনো সময় মতো যেতে পারিনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সকাল ৮টার ট্রেন, বেলা ১১টা পার হয়ে গেছে তবু আসেনি। এটা হয়রানি। ট্রেন সময় মতো চললে আমাদের এত হয়রানি হয় না।’

রংপুর বিভাগ উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদের আহ্বায়ক ওয়াদুদ আলী বলেন, ‘বহু আন্দোলন করে রংপুর থেকে ঢাকাগামী রংপুর-এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালুর ব্যবস্থা করেছি আমরা। যাত্রীরও অনেক চাপ বেড়েছে। কিন্তু ট্রেন বাড়েনি বরং কমেছে। এ ছাড়াও আমরা রংপুর-ঢাকা দিবাকালীন, রংপুর-চট্রগ্রাম, রংপুর-সিলেট, রংপুর-রাজশাহী দিবা ও রাত্রীকালীন আন্তনগর ট্রেন চালুর দাবি করে আসছি।’

রংপুর রেলের ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেন্ডেন্ট শংকর গাঙ্গুলী বলেন, ‘করোনাকালে বন্ধ হওয়া ট্রেনগুলো ইঞ্জিন সংকট এবং লোকামাস্টারের (চালক) অভাবে চালু করা যাচ্ছে না। নতুন ট্রেন সংযোজন করা অথবা বিদ্যমান ট্রেনের কোচ সংখ্যা বাড়ানো দরকার। আমি বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত আছেন এবং দ্রুত এ সমস্যা নিরসনের চেষ্টা চলছে।’

এসব বিষয়ে জানতে ফোন করা হয় বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (লালমনিরহাট) শাহ সুফী নুর মোহাম্মদকে। তিনি বিরক্ত হয়ে দায়সারা ভাবে নিউজবাংলাকে বলেন, ঈদের পরে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারবো। হয়তো ঈদের পরে এসব ট্রেন চালু হবে।’

এ নিয়ে রংপুর সদর আসনের সাংসদ সা’দ এরশাদকে কয়েক দফায় ফোন করা হলেও তার ব্যবহৃত নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:
অ্যাপে ট্রেনের টিকিট পেতে ভোগান্তি
‘শুক্রবার থেকে টিকিটের লাইনে’
এনআইডির মাধ্যমে দেয়ায় ট্রেনের টিকিটে ধীরগতি
টিকিটের জন্য অপেক্ষা অন্তহীন
ফুলবাড়িয়া রেল কাউন্টার সরব ৫৪ বছর পর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Accurate Voter List Prerequisite for Transparent Election Election Commissioner

নির্ভুল ভোটার তালিকা স্বচ্ছ নির্বাচনের পূর্বশর্ত: নির্বাচন কমিশনার

নির্ভুল ভোটার তালিকা স্বচ্ছ নির্বাচনের পূর্বশর্ত: নির্বাচন কমিশনার খুলনা জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি অডিটোরিয়ামে শুক্রবার দুপুরে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব খান (অব.)। ছবি: নিউজবাংলা
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনসহ যেকোনো নাগরিক সেবায় জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যক। তাই সঠিকভাবে তথ্য নিতে হবে।’

বর্তমান নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সঠিকভাবে নির্বাচন পরিচালনায় বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব খান (অব.)। তিনি বলেছেন, ‘একটি নির্ভুল ভোটার তালিকা অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পূর্বশর্ত।’

খুলনা জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি অডিটোরিয়ামে শুক্রবার দুপুরে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনসহ যেকোনো নাগরিক সেবায় জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যক। তাই সঠিকভাবে তথ্য নিতে হবে।’

তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সঠিকভাবে তথ্য নিতে প্রমাণক হিসেবে পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন অথবা এসএসসি সনদের সাহায্যে ব্যক্তির নামের বানান ও আনুষঙ্গিক তথ্য যাচাই করা যেতে পারে।’

ইভিএমকে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ইভিএমের ব্যবহার যেকোনো পর্যায়ে দলমত নির্বিশেষে সব দলের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে।’

খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মাসুদুর রহমান ভূঞা, রেঞ্জ ডিআইজি ড. মহিদ উদ্দিন, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কার তাজুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান।

আরও পড়ুন:
দাওয়াতপত্রে নাম নেই, নির্বাচন কমিশনারের অসন্তোষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Grandfather and grandson died after being cut by a train in Kamarkhand

কামারখন্দে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল দাদা-নাতির

কামারখন্দে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল দাদা-নাতির প্রতীকী ছবি
স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, কামারখন্দ উপজেলার দশসিকা গ্রামে এক আত্মীয়র কুলখানিতে যাওয়ার জন্য নাতি জুনায়েদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুল মান্নান। ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন পারাপার হচ্ছিলেন তারা। এ সময় ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তি ও তার নাতি নিহত হয়েছেন।

ঢাকা-ঈশ্বরদী রেল সড়কের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ৭৩ বছরের আব্দুল মান্নান ও তার ৮ বছরের নাতি জুনায়েদ হোসেন। তাদের বাড়ি উপজেলার কাজীপুরা গ্রামে।

সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ এসব তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, কামারখন্দ উপজেলার দশসিকা গ্রামে এক আত্মীয়র কুলখানিতে যাওয়ার জন্য নাতি জুনায়েদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুল মান্নান। ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন পারাপার হচ্ছিলেন তারা। এ সময় ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতদের স্বজনরা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে তরুণের মৃত্যু
পুকুরে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু
নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
ছুরিকাঘাতের দেড় মাস পর স্কুলছাত্রের মৃত্যু 
‘সাপের কামড়ে’ কৃষকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Biker killed in bus collision

বাসের ধাক্কায় বাইকচালকের মৃত্যু

বাসের ধাক্কায় বাইকচালকের মৃত্যু
ওসি জানান, সকালে পটিয়ায় কক্সবাজারমুখি লেনের পেছন থেকে একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান জয়নাল।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে মোটরসাইকেলে থাকা আরেকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পটিয়ার ছিলাশাহ মার্কেট এলাকায় শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জয়নাল আবেদীনের বাড়ি হাটহাজারীর পশ্চিম দেওয়ান নগর এলাকায়। একই এলাকায় থাকেন আহত মো. নাঈমও।

পটিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন নিউজবাংলাকে এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকালে পটিয়ায় কক্সবাজারমুখি লেনের পেছন থেকে একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান জয়নাল। আহত নাঈমকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, বাইকচালক সামনের একটি বাসকে ওভারটেক করার চেষ্টা করছিল। সে সময় পেছন থেকে আরেক বাস বাইককে ধাক্কা দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার
আলমসাধুর ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত
মজুরির ধান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ২ শ্রমিক নিহত
বাসচাপায় কলেজছাত্র নিহত, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
বাসের ধাক্কায় স্কুটারচালক নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Long ghat under 2 ghats in Daulatdia

২ ঘাট পানির নিচে, দৌলতদিয়ায় দীর্ঘ জট

২ ঘাট পানির নিচে, দৌলতদিয়ায় দীর্ঘ জট হঠাৎ নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে দৌলতদিয়ার দুটি ও পাটুরিয়ার একটি ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। ছবি: নিউজবাংলা
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শিহাব উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হঠাৎ নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দৌলতদিয়ার দুটি ও পাটুরিয়ার একটি ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। এতে এ নৌপথের দৌলতদিয়া প্রান্তে যানজট তৈরি হয়েছে। বন্ধ ঘাট দুটি চালু হলে যানবাহনের সিরিয়াল কমে যাবে।’

পদ্মা নদীতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধির ফলে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়ার ৪ ও ৫ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন পানিতে তলিয়ে গেছে। অপরদিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার একটি ঘাটের পন্টুনও পানিতে ডুবেছে। এতে এসব ঘাট দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এতে যানবাহন পারাপারে ধীরগতি হওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে মহাসড়কে। দেখা দিয়েছে দীর্ঘ যানজট।

শুক্রবার সকালে দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। এতে প্রতিটি যানবাহনকে ফেরি পার হতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ৬-৭ ঘণ্টা। দীর্ঘ সময় ফেরি পারের অপেক্ষায় থেকে যাত্রী ও গাড়িচালকদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

দর্শনা থেকে ছেড়ে আসা দর্শনা ডিলাক্স (ডিডি) পরিবহনের চালক মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের গাড়িটি মধ্যরাতে এসে সিরিয়ালে আটকা পড়েছে। পরে জানতে পারি পন্টুনে পানি ওঠায় দুটি ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। ৭ ঘণ্টা সিরিয়ালে আটকে থেকে ফেরিতে উঠেছি।’

ফেরির অপেক্ষায় থাকা ট্রাকচালক হামিদ মিয়া বলেন, ‘খুলনা থেকে ছেড়ে এসে গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুর ঘাট এলাকায় আসছি। এখনও ফেরি পার হতে পারিনি। রাতে বৃষ্টি ও বাতাসের মধ্যে এই ট্রাকেই কাটাইতে হইছে। আমাদের কষ্ট-ভোগান্তির শেষ নাই।’

ঘাট বন্ধ হওয়ায় ভোগান্তির কথা জানালেন আরেক ট্রাকচালক আকবর হোসেন। বলেন, ‘এই নদী পার হতে গেলে আমাদের সারা বছরই ভোগান্তি পোহাতে হয়। শুনি এখানে সাতটি ঘাট, এখন তো তিনটি ঘাট চলতেছে। ঘাট আরও বাড়াইলে কী হয়?’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডাব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, দৌলতদিয়ায় সাতটি ঘাটের মধ্যে চারটি চালু ছিল। হঠাৎ পদ্মা ও যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোর থেকে ৪ ও ৫ নম্বর ঘাটের পন্টুনের ওপর পানি উঠতে থাকে। এ ঘাট দুটি বন্ধ করে দেয়ায় চালু আছে আর দুটি। এদিকে সকাল ১০টার পর বন্ধ থাকা ৬ নম্বর ঘাটটি চালু করা হয়।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের পদ্মার গেজ পাঠক সালমা খাতুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মার পানি গোয়ালন্দ পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ৫ দশমিক ৯৮ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হয়েছে; যা বিপৎসীমার ২ দশমিক ৬৭ সেন্টিমিটার নিচে ছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘পাহাড়ি বৃষ্টির ফলে উজানে পানি বেড়ে সিলেটসহ কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। উজানের পানির প্রভাবে পদ্মার পানি গত দুই দিনে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। উজানের পানি পদ্মাসহ কয়েকটি নদী হয়ে সমুদ্রে নামার ফলে এ পানি বৃদ্ধি।’

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শিহাব উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হঠাৎ নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দৌলতদিয়ার দুটি ও পাটুরিয়ার একটি ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। এতে এ নৌপথের দৌলতদিয়া প্রান্তে যানজট তৈরি হয়েছে।

এই নৌরুটে বর্তমানে ১৮টি ফেরি চলাচল করছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘দৌলতদিয়ার ঘাট দুটি দ্রুত সংস্কার করে যানবাহন পারাপারের উপযোগী করা হবে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ৬ নম্বর ফেরিঘাটটি চালু করা হয়েছে। বন্ধ ঘাট দুটি চালু হলে যানবাহনের সিরিয়াল কমে যাবে।’

আরও পড়ুন:
কালবৈশাখীতে ভাঙল দৌলতদিয়া ঘাটের সংযোগ সেতু
ভোগান্তির নাম লঞ্চ টার্মিনালের সংযোগ সেতু
নাব্য সংকট, দৌলতদিয়ায় যানজটে ভোগান্তি
পদ্মায় ফেরি চলাচল বিঘ্নিত, দৌলতদিয়ায় মানুষের ভোগান্তি
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dialogue with BNP in a month or two CEC

দুই-এক মাসের মধ্যে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ: সিইসি

দুই-এক মাসের মধ্যে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ: সিইসি শুক্রবার সকালে সাভার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বক্তব্য দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা অচিরেই বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সংলাপে বা আলোচনায় বসার আহ্বান করব। তবে কবে তা ঠিক করে বলতে পারছি না। হয়তো দুই-এক মাসের মধ্যে এটা হতে পারে।’

বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে শিগগিরই সংলাপে আহ্বান জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

শুক্রবার সকালে সাভার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ঢাকা জেলার সিনিয়র নির্বাচন অফিসের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় সিইসি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অনেকগুলো কাজ আমাদের করতে হবে। আজকে ভোটার তালিকা প্রণয়নের উদ্বোধন করা হয়েছে। আমরা সংলাপ করেছি। আলোচনা করে আমরা কমিশনাররা পরে সিদ্ধান্ত নেব। তারা বিভিন্ন জায়গায় আছেন। আমরা পরে সিদ্ধান্ত নেব কীভাবে আমরা রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান করব। তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করব।

‘আমরা অচিরেই বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সংলাপে বা আলোচনায় বসার আহ্বান করব। তবে কবে তা ঠিক করে বলতে পারছি না। হয়তো দুই-এক মাসের মধ্যে এটা হতে পারে,’ যোগ করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনের সচিব হুমায়ন কবীর খোন্দকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনে আসতে কাউকে বাধ্য করা সম্ভব না: সিইসি
আস্থার সংকট কাটিয়ে নির্বাচন করতে চাই: সিইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bus driver arrested in child rape case

শিশু ধর্ষণ মামলায় বাসচালক গ্রেপ্তার

শিশু ধর্ষণ মামলায় বাসচালক গ্রেপ্তার
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পরিবারের সঙ্গে শিশুটি যে বাসায় ভাড়া থাকত তার পাশের কক্ষে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন মনসুর। গত ১৭ মে শিশুটি নিজ ঘরে বসে পড়ছিল। এ সময় মনসুর তাকে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকারে তার মা এলে মনসুর পালিয়ে যান।

ময়মনসিংহে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক বাসচালককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

৫০ বছর বয়সী গ্রেপ্তার আব্দুল মনসুর নগরীর চরকালীবাড়ী পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার দুপুরে দপ্তরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর আখের মুহম্মদ জয় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে শেরপুর সদর উপজেলার সুবর্ণচর ঘুঘুরাকান্দি এলাকা থেকে মনসুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পরিবারের সঙ্গে শিশুটি যে বাসায় ভাড়া থাকত তার পাশের কক্ষে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন মনসুর। গত ১৭ মে শিশুটি নিজ ঘরে বসে পড়ছিল। এ সময় মনসুর তাকে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকারে তার মা এলে মনসুর পালিয়ে যান।

র‌্যাবের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর আখের মুহম্মদ জয় বলেন, ‘এ ঘটনায় শিশুর বাবা পরদিন কোতোয়ালি মডেল থানায় মনসুরকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর থেকেই পলাতক মনসুর। তাকে গ্রেপ্তার করতে বিভিন্ন জায়গায় নিয়মিত অভিযান চালাই।

‘বৃহস্পতিবার দুপুরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনসুর ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police rewarded that SI

পুরস্কার পেলেন ডাকাতি থেকে বাসযাত্রীদের বাঁচানো সেই এসআই

পুরস্কার পেলেন ডাকাতি থেকে বাসযাত্রীদের বাঁচানো সেই এসআই
এসআই হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি (অ্যাডমিন) আমিনুর ইসলাম তার কার্যালয়ে আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সাহসিকতার পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন, যা আমার কাছে ১০ কোটি টাকার সমান। এ জন্য স্যারের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

ঢাকার সাভারে চলন্ত বাসে ডাকাতদের কবল থেকে যাত্রীদের বাঁচানো ট্রাফিক পুলিশের সেই এসআইকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দিয়েছে পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশ পদকের জন্য তার সুপারিশও করা হয়েছে।

এ তথ্য নিজেই নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন সাভার ট্রাফিক পুলিশের সেই উপপরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি (অ্যাডমিন) আমিনুর ইসলাম তার কার্যালয়ে আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সাহসিকতার পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন, যা আমার কাছে ১০ কোটি টাকার সমান। এ জন্য স্যারের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি আইজিপি স্যার ও ঢাকা জেলার সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমে আমার সংবাদ আসার পর অনেকেই প্রশংসা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধন্যবাদ জানিয়ে আমার ছবি পোস্ট করেছেন অনেকে। সবাই এসব পোস্টের নিচে আমার ভালো কাজের প্রশংসা করেছেন। আসলে এই প্রশংসা বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর।’

গত ১৬ মে রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাভার পরিবহনের একটি বাস ডাকাতদের কবলে পড়ে। সে সময় দায়িত্বে থাকা এসআই হেলাল উদ্দিন সন্দেহের জেরে বাস থামিয়ে তাতে ওঠেন। অস্ত্রধারী এক ডাকাতকে তিনি ধরে ফেলেন। তার সঙ্গে ওই ডাকাতের ধস্তাধস্তির সুযোগে অন্য দুই ডাকাত পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা এসআইয়ের কাছ থেকে ডাকাতকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটুনি দেয়। আহত অবস্থায় আটক ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পরদিন আশুলিয়া থানায় পুলিশ হত্যা ও দস্যুতার চেষ্টার মামলা করে।

আরও পড়ুন:
পুরস্কারের টাকা নিয়ে পুষ্টিহীন শিশুদের পাশে ফিফা রেফারি তৈয়ব
ডিআইজি হলেন ৩২ পুলিশ কর্মকর্তা
মমতাকে সম্মাননার প্রতিবাদে বাংলা আকাদেমির পুরস্কার ফেরত-ইস্তফা
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন ৮৫ খেলোয়াড়-সংগঠক
আসামি ধরতে গিয়ে লাঠিপেটা-কামড়ে পুলিশ আহত, কারাগারে ৩

মন্তব্য

উপরে