× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Father was beaten to death for not bringing his wife
hear-news
player

‘বউ এনে না দেয়ায়’ বাবাকে পিটিয়ে হত্যা

বউ-এনে-না-দেয়ায়-বাবাকে-পিটিয়ে-হত্যা প্রতীকী ছবি
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘সুরুজ আলীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার বিল্লালকে শনিবার আদালতে তোলা হবে।’

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় নিহতের ছেলে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার গোশাইপুর ইউনিয়নের চাউলিয়া বাজার এলাকা থেকে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার বিকেলে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাতে বিল্লালকে আসামি করে শ্রীবরদী থানায় মামলা করেন নিহত সুরুজ আলীর ছোট ছেলে আব্দুল কুদ্দুছ।

শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস নিউজবাংলাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামির জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি জানান, বিল্লালের সঙ্গে একই উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়নের চাউলিয়ার খলিলুর রহমানের মেয়ে খালেদা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুই সন্তান রয়েছে। বিল্লাল প্রায়ই তার বাবার সঙ্গে জমিজমা নিয়ে ঝগড়া করতেন। স্ত্রীর সঙ্গেও নানা বিষয় নিয়ে কলহ লেগেই থাকত তার। এর জেরে মাস ছয়েক আগে বাবার বাড়িতে চলে যান স্ত্রী খালেদা বেগম।

এরপর খালেদাকে বিল্লাল একাধিকবার আনতে গেলেও তিনি আসেননি। এ অবস্থায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রায়ই বাবা সুরুজ আলীকে চাপ দেন বিল্লাল। শুক্রবার দুপুরেও খালেদাকে ফিরিয়ে আনা নিয়ে বাবার সঙ্গে ঝগড়া করেন তিনি।

এর জেরে বিকেলে সুরুজ বাজারে যাওয়ার জন্য বের হলে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন বিল্লাল। এতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরপরই পালিয়ে যান তিনি। পরে রাতেই বিল্লালকে আসামি করে মামলা করা হয়।

ওসি বিপ্লব কুমার বলেন, ‘সুরুজ আলীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার বিল্লালকে শনিবার আদালতে তোলা হবে।’

আরও পড়ুন:
প্রেমে বাধা দেয়ায় কীটনাশক পানে প্রেমিক-প্রেমিকার আত্মহত্যা
ছেলেকে ‘শ্বাসরোধে হত্যা’, নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা
‘দুপুরের খাবার না পেয়ে সৎমাকে হত্যা’
তাসকিয়া হত্যায় রিমনের স্বীকারোক্তি
শিশু তাসকিয়া হত্যা: রিমান্ডে ৪ আসামি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A large number of illegal mobiles were seized in the capital

রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মোবাইলসহ আটক ৬

রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মোবাইলসহ আটক ৬ রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মোবাইল জব্দ করে বিটিআরসি। ছবি: বিটিআরসি
আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনবিহীন মোবাইলের ব্যবসা করে আসছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১, (সংশোধিত-২০১০) অনুযায়ী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানীর মিরপুর-২ এলাকার মিরপুর শপিং কমপ্লেক্সের সাতটি দোকান থেকে অনুমোদনবিহীন ২১৩টি মোবাইলসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এনফোর্সমেন্ট অ্যান্ড ইন্সপেকশন টিম ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‍্যারে যৌথ অভিযানে এসব জব্দ করা হয়।

অভিযানে মোবাইল ল্যাব থেকে ৩৪টি, মোবাইল অ্যান্ড গেজেট থেকে ৩১টি, টেক ফ্যাক্টরি থেকে ৯টি, গ্যাজেট ভিলা-৬৩৯ থেকে ৩৩টি, গ্যাজেট ভিলা-৬৬২ থেকে ৩১টি, গ্যাজেট ভিলা-৬৭১ থেকে ৩৩টি এবং কোরাস থেকে ৪২টি বিভিন্ন মডেলের হ্যান্ডসেট জব্দ করা হয়।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি জানায়, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনবিহীন মোবাইলের ব্যবসা করে আসছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১, (সংশোধিত-২০১০) অনুযায়ী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন:
মোবাইল ফোন বন্ধ হচ্ছে না
মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবায় করপোরেট কর বাড়ছে না
স্নাপড্রাগন প্রসেসর এবার ওয়ালটনের গেমিং স্মার্টফোনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Crimes against humanity The verdict of five people of Habiganj any day

মানবতাবিরোধী অপরাধ: হবিগঞ্জের পাঁচজনের রায় যেকোনো দিন

মানবতাবিরোধী অপরাধ: হবিগঞ্জের পাঁচজনের রায় যেকোনো দিন
প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন বলেন, ‘এ আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। আমরা প্রসিকিউশন থেকে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করছি তাদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।’

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মাওলানা শফি উদ্দিনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবে ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনারের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামসহ তিন সদস্যদের ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য সিএভি (অপেক্ষমান) করেন।

আদালত রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আব্দুস সাত্তার পালোয়ান, গাজী তামিম।

প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন বলেন, ‘এ আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। আমরা প্রসিকিউশন থেকে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করছি তাদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী গাজী তামিম বলেন, ‘প্রসিকিউশন পক্ষ আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা আশা করি তারা খালাস পাবেন।’

২০১৮ সালের ২১ মার্চ এ মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করে তদন্ত সংস্থা। পরে তারা প্রসিকিউটর বরাবর প্রতিবেদন জমা দেয়।

প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে রায়ের জন্য মামলাটি সিএভি রাখে ট্রাইব্যুনাল।

শফি উদ্দিন মাওলানা ছাড়াও তাজুল ইসলাম, জাহেদ মিয়া, ছালেক মিয়া ও সাব্বির আহমেদ মামলাটির আসামি।

আসামিদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মানবতাবিরোধী অপরাধ: সুনামগঞ্জের ১১ জনের বিচার শুরুর নির্দেশ
বিচার শেষে রায়ের অপেক্ষা
জামায়াত নেতার মৃত্যুদণ্ড: সাতক্ষীরায় আনন্দ মিছিল
জামায়াত নেতা খালেকসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ফাঁসির রায়ের ৭ বছর পর কায়সারের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Money launderers have no exemption High Court

অর্থ পাচারকারীদের ছাড় নেই: হাইকোর্ট

অর্থ পাচারকারীদের ছাড় নেই: হাইকোর্ট অর্থ পাচারকারীদের কোনো ছাড় নেই বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। ফাইল ছবি
আদালত বলে, ‘আমাদের আদেশের কারণেই আজ পি কে হালদার সারা বিশ্বের মানুষের কাছে অর্থ পাচারের অভিযোগে ভিন্নভাবে আলোচিত। এটা ভাবার সুযোগ নেই যে, অন্য দেশে গেলে আমরা তার বিরুদ্ধে আদেশ দিতে পারব না।’

অর্থ পাচারকারীদের কোনো ছাড় নেই বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। অর্থ পাচারকারীরা পৃথিবীর কোনো দেশে গিয়েই শান্তি পাবে না বলেও উল্লেখ করেছে আদালত।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ মন্তব্য করে।

অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আদালতের অবস্থান কঠোর উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেছে, ‘আমরা আদেশ দিলে পৃথিবীর কোনো দেশে গিয়েই অর্থ পাচারকারীরা শান্তি পাবে না।’

আদালত বলে, ‘আমাদের আদেশের কারণেই আজ পি কে হালদার সারা বিশ্বের মানুষের কাছে অর্থ পাচারের অভিযোগে ভিন্নভাবে আলোচিত। এটা ভাবার সুযোগ নেই যে অন্য দেশে গেলে আমরা তার বিরুদ্ধে আদেশ দিতে পারব না। শুধু অর্থ পাচারকারীর অবস্থানটা চিহ্নিত করে দিলেই আমরা তার বিরুদ্ধে আদেশ দিতে পারি। দেশের অর্থ পাচারকারীর বিষয়ে কোনো ছাড় নেই।’

পরে আদালত প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার ও দেশে ফিরিয়ে আনা সংক্রান্ত জারি করা রুল শুনানির জন্য আগামী ১২ জুন দিন ঠিক করে দিয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অগ্রগতির তথ্য জানাতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন মানিক।

গত শনিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি সোমবার আদালতের নজরে আনেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল। পরে আদালত মঙ্গলবার তালিকায় আসবে বলে জানিয়ে দেয়।

পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার ও দেশে ফিরিয়ে আনতে ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট। ওই রুল শুনানির অপেক্ষায় ছিল।

পি কে হালদারকে নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে।

এর আগে দেশে আসার ঘোষণা দিয়ে পি কে হালদার ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের মাধ্যমে হাইকোর্টে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট পি কে হালদার দেশে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। এ আদেশের পর অসুস্থতার অজুহাতে দেশে ফিরবেন না বলে জানান তিনি।

সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ নিয়ে বিদেশে পলাতক ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পি কে হালদার।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রিলায়েন্স ফিন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকা অবস্থায় আত্মীয়স্বজনকে দিয়ে ৩৯টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন পি কে হালদার। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে থাকা ৮৩ জনের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে কৌশলে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি ও তার সহযোগীরা।

এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকেই ১৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
পি কে হালদারকে ফেরাতে প্রক্রিয়া শুরু দুদকের
‘অভিযোগ ভিত্তিহীন, দেশে ফিরতে চাই’
পি কে হালদারের অর্থ পাচার সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সহায়তায়: মোশাররফ
পি কে হালদারকে দেশে আনা যাবে কবে
পি কে হালদারকে দেশে আনা নিয়ে রুলের শুনানি আজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two were sentenced to death in the murder case while four were sentenced to life imprisonment

হত্যার দায়ে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

হত্যার দায়ে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী রঞ্জন বসাক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী বুলবুল আহমেদ গোলাপ ও আহসান হাবীব উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

মানিকগঞ্জের ঘিওরে প্রাইভেটকার চালক জাহাঙ্গীর আলম হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী রঞ্জন বসাক নিউজবাংলাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত জাহাঙ্গীর আলম ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ঘোষেবের এলাকার মুকলেসুর রহমানের ছেলে।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন, ওমর হোসেন সাইফুল, আরিফুজ্জামান সজীব; যাবজ্জীবন পেয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফরহাদ হোসেন, মোহাম্মদ আলী সীমান্ত ও আজিম খান। এর মধ্যে সাইফুল, সজীব, সীমান্ত পলাতক। আসামিদের সবার বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কুসন্ডা এলাকায় চালক জাহাঙ্গীর আলমকে শ্বাসরোধে হত্যা করে প্রাইভেটকার নিয়ে পালিয়ে যান আসামিরা। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিন রাতেই ঘিওর থানার এসআই লুৎফর রহমান অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। গ্রেপ্তার করা হয় ছয় আসামিকে। ২০১২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযগপত্র দেয়া হয়।

১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী রঞ্জন বসাক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী বুলবুল আহমেদ গোলাপ ও আহসান হাবীব উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
পারিবারিক বিরোধে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
বাবাকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, পরে মুক্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wife and partner sentenced to death for killing husband

স্বামীকে হত্যার দায়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড

স্বামীকে হত্যার দায়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড
এজাহারে বলা হয়, উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মুক্তি খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামের মনিরুল হকের বিয়ে হয় ২০১৯ সালে। এই বিয়ের আগে মুক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সাইদুলের। মুক্তি বিয়ের পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্বামীকে হত্যায় এক নারী ও তার সঙ্গীর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রায়ে শাস্তি পাওয়া দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা নাজির মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান রানা বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়ারা হলেন উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মুক্তি খাতুন ও বাড়াবিল গ্রামের সাইদুল ইসলাম।

এজাহারে বলা হয়, উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মুক্তি খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামের মনিরুল হকের বিয়ে হয় ২০১৯ সালে। এই বিয়ের আগে মুক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সাইদুলের। মুক্তি বিয়ের পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

বিয়ের দুই মাস পর মনিরুলকে নিয়ে মুক্তি শক্তিপুর গ্রামে দাদা হোসেন আলীর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ঘুমানোর আগে তিনি তার স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। পরে মুক্তি ও তার সঙ্গী মিলে মনিরুলকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

এ ঘটনার পরদিন ৪ জুন নিহতের বাবা জেলহক প্রামানিক শাহজাদপুর থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
পারিবারিক বিরোধে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
বাবাকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, পরে মুক্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ED wants PK Haldar remanded for another 10 days

পি কে হালদারকে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে

 পি কে হালদারকে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে গ্রেপ্তার পি কে হালদার। ছবি: সংগৃহীত
গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আর্থিক জালিয়াতি সংঘটনে ‘বহুমুখী প্রতিভার’ পরিচয় দেয়া পি কে হালদারসহ ছয়জনকে। এরপর তিন দিনের জন্য রিমান্ডে নেয়া হয় তাদের।

হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ মাথায় নিয়ে ভারতে গ্রেপ্তার প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারকে আরও ১০ দিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে পেয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের সিবিআই আদালতে পি কে হালদারসহ ছয়জনকে হাজির করা হয়। সেখানে গ্রেপ্তার পাঁচ পুরুষকে ১০ দিন করে রিমান্ডে চাইলে আদালত কিছুটা সময় নিয়ে হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আর্থিক জালিয়াতি সংঘটনে ‘বহুমুখী প্রতিভার’ পরিচয় দেয়া পি কে হালদারসহ ছয়জনকে। এরপরই তিন দিনের জন্য রিমান্ডে নেয়া হয় তাদের।

গ্রেপ্তারের সময় পি কে হালদারের কাছ থেকে ভারতের নাগরিকত্ব, আধার কার্ডসহ বেশ কিছু নথি জব্দ করে ইডি।

নানা কৌশলে নামে-বেনামে একের পর এক কোম্পানি খুলে, প্রভাব খাটিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধসিয়ে দিয়েছেন পি কে হালদার।

ঋণের নামে টাকা লোপাট, নামে-বেনামে পুঁজিবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনার অভিযোগ রয়েছে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক এই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে।

পি কে হালদার ২০০৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইআইডিএফসিতে উপব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালক ছিলেন। ২০০৯ সালে তিনি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি হয়ে যান। এরপর ২০১৫ সালের জুলাইয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকে এমডি পদে যোগ দেন।

আরও পড়ুন:
বন্দরে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৩৮ মিনিট আগে দেশ ছাড়েন পি কে
পি কে হালদারকে ফেরানো নিয়ে রুলের শুনানি ১২ জুন
পি কে হালদারকে আজ আদালতে তোলা হচ্ছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
PK left the country 36 minutes before the ban arrived at the port

বন্দরে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৩৮ মিনিট আগে দেশ ছাড়েন পি কে

বন্দরে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৩৮ মিনিট আগে দেশ ছাড়েন পি কে ভারতে গ্রেপ্তার পি কে হালদার। ছবি: সংগৃহীত
কর্মকর্তারা বলেছেন, বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর মাত্র ৩৮ মিনিট আগে, অর্থাৎ ৩টা ৫৯ মিনিটে বেনোপল বন্দর দিয়ে দালালের মাধ্যম পি কে হালদার ভারতে পৌঁছে যান।

হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ মাথায় নিয়ে আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার বেনাপোল বন্দর দিয়ে যখন দেশ ছেড়ে ভারতের মাটিতে পা রাখেন; তার কিছু সময় পরই তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার নোটিস পৌঁছায় সে বন্দরে।

পি কে হালদারকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে।

গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পি কে হালদারসহ ছয়জনকে। এরপরই তিনদিনের জন্য রিমান্ডে নেয়া হয় তাদের। মঙ্গলবার এ আসামিদের আবার আদালতে উপস্থিত করা হয়েছে।

ইডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পি কে হালদার তাদের জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর তিনিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় বাংলাদেশ সরকার। সেই নিষেধাজ্ঞা দেশের সব বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, সমুন্দ্রবন্দর ও অভিববাসন কেন্দ্রে পৌছায় ২৩ অক্টোবর বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটি।

কর্মকর্তারা বলেছেন, বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর মাত্র ৩৮ মিনিট আগে, অর্থাৎ ৩টা ৫৯ মিনিটে বেনোপল বন্দর দিয়ে দালালের মাধ্যম পি কে হালদার ভারতে পৌঁছে যান।

সীমান্ত পেরিয়ে পি কে হালদার উত্তর পরগনার অশোকনগরে চলে যান এবং সেখানে তার সহযাগী সুকুমার মৃধার কাছে আশ্রয় নেন বলে জানান ইডি কর্মকর্তারা।

সূত্র জানিয়েছে, ২০১৯ সালে বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতির পর ভারতে পালিয়ে গিয়ে শিবশঙ্কর হালদার নামে পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, পাসপোর্ট গ্রহণ করেন পি কে হালদার। তাকে সাহায্য করেন অশোকনগরের সুকুমার মৃধা।

ইডির তদন্তকারীরা বলছেন, সুকুমারের সঙ্গে পি কের দীর্ঘদিনের পরিচয়। বাংলাদেশ থেকে জালিয়াতি করে পাওয়া টাকা পশ্চিমবঙ্গে নিতে মাছ ব্যবসার আড়ালে পি কে হালদারকে সাহায্য করতেন এই তিনি।

আর্থিক জালিয়াতি সংঘটনে ‘বহুমুখী প্রতিভার’ পরিচয় দিয়েছেন পি কে হালদার। নানা কৌশলে নামে-বেনামে একের পর এক কোম্পানি খুলে, প্রভাব খাটিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধসিয়ে দিয়েছেন তিনি।

ঋণের নামে টাকা লোপাট, নামে-বেনামে পুঁজিবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনার অভিযোগ রয়েছে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে নিজের আত্মীয়, বন্ধু, সাবেক সহকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে পর্ষদে বসিয়ে অন্তত চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখল করেন।

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দীঘিরজান গ্রামে পি কে হালদারের জন্ম। বাবা প্রয়াত প্রণনেন্দু হালদার ও মা লীলাবতী হালদার। তার মা ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। দুই ভাইয়ের মধ্যে পি কে হালদার বড়। ছোট ভাইয়ের নাম প্রীতিশ কুমার হালদার। দুই ভাই-ই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে ব্যবসায় প্রশাসন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

পি কে হালদার ২০০৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইআইডিএফসিতে উপব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালক ছিলেন। ২০০৯ সালে তিনি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি হয়ে যান। এরপর ২০১৫ সালের জুলাইয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকে এমডি পদে যোগ দেন।

আরও পড়ুন:
পি কে হালদারকে ফেরানো নিয়ে রুলের শুনানি ১২ জুন
পি কে হালদারকে আজ আদালতে তোলা হচ্ছে
পি কে হালদারকে কবে ফিরিয়ে আনা যাবে

মন্তব্য

উপরে