× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
The speaker hopes to export more manpower to Malaysia
hear-news
player

মালয়েশিয়ায় আরও জনশক্তি রপ্তানির আশা স্পিকারের

মালয়েশিয়ায়-আরও-জনশক্তি-রপ্তানির-আশা-স্পিকারের বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আরও বেশি জনশক্তি রপ্তানির আশা প্রকাশ করেছেন স্পিকার। ছবি: সংগৃহীত
স্পিকার বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা উপভোগ করছে, কেননা বর্তমানে দেশে কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মালয়েশিয়াসহ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের জনশক্তি দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছে।’

দেশে মোট জনসংখ্যার মধ্যে কর্মক্ষম তরুণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা উপভোগ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

আর তাই মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি জনশক্তি রপ্তানির আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।

জাতীয় সংসদ ভবনে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা সফরে আসা মালয়েশিয়ার সংসদ সদস্য ও গভর্নমেন্টস ব্যাকবেঞ্চার্স ক্লাবের চেয়ারম্যান দাতো স্রি তাজউদ্দিন আব্দুল রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন সংসদ সচিবালয় থেকে দেয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

স্পিকার বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা উপভোগ করছে, কেননা বর্তমানে দেশে কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মালয়েশিয়াসহ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের জনশক্তি দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছে।’

মালয়েশিয়ায় আরও জনশক্তি রপ্তানির আশা স্পিকারের

মালয়েশিয়ার সংসদ সদস্য দাতো স্রি তাজউদ্দিন আব্দুল রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

বাংলাদেশকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে অভিহিত করেন দাতো স্রি তাজউদ্দিন আব্দুল রহমান। তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে উভয় দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

মালয়েশিয়ার পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস, ভ্রাতৃত্ববোধসহ নানা বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে বলেও মনে করেন স্পিকার।

দাতো স্রি তাজউদ্দিন আব্দুল রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও সংসদীয় চর্চা প্রশংসনীয়।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে নারীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসনের বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করেছিলেন বলে তাকে অবহিত করেন শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সংসদে ৫০ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য ছাড়াও ২৩ জন নারী সংসদ সদস্য সরাসরি নির্বাচিত।’

এ সময় ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল মেয়াদে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপারসন এবং তৃতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাওয়ায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর প্রশংসা করেন মালেয়শিয়ার সংসদ সদস্য।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম, মালয়েশিয়ান হাইকমিশনের কাউন্সেলর আমির ফরিদ আবু হাসান এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে কোভিড পরিস্থিতিতে অর্থনীতি গতিশীল: স্পিকার
‘টাকাটা পায়া খুব উপকার হইল’
পরিচয়হীনদের ভোটার তালিকায় আনার তাগিদ স্পিকারের
রোমের পথে স্পিকার
জীবন চলমান, সমস্যা থাকবেই: স্পিকার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Land tax is being waived up to 25 bighas

২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির কর মওকুফ হচ্ছে

২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির কর মওকুফ হচ্ছে নতুন আইন পাস হলে কৃষিজমির পরিমাণ ২৫ বিঘা পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হবে না। ছবি: নিউজবাংলা
জমি ২৫ বিঘার ওপরে থাকলে সব জমির জন্য ট্যাক্স দিতে হবে। তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে জরিমানা করে আদায় করা হবে।’

পরিবারভিত্তিক কৃষিজমির পরিমাণ ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির কর মওকুফের বিধান রেখে ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২২-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আগের একটি অধ্যাদেশকে পরিমার্জন করে নতুন আইন করা হচ্ছে। নতুন আইন পাস হলে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষিজমির পরিমাণ ৮ দশমিক ২৫ একর বা ২৫ বিঘা পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হবে না।

‘তবে জমি ২৫ বিঘার ওপরে থাকলে সব জমির জন্য ট্যাক্স দিতে হবে। তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে জরিমানা করে আদায় করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি করবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ, মন্দির, গির্জা বা সর্বসাধারণের প্রার্থনার স্থানকে ভূমি উন্নয়ন করের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কবরস্থানকে ট্যাক্স দিতে হবে।’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘পারিবারিক কবরস্থানের রেকর্ড ব্যক্তিনামে থাকে। এলাকাবাসী মিলে মসজিদের পাশে যে কবরস্থান করে সেটি মসজিদের নামে হওয়ায় সেটির কর দিতে হবে না।’

একজনের নামে ৬০ বিঘার বেশি কৃষিজমি থাকলে সরকার তা নিয়ে নেবে বলে আগের যে অধ্যাদেশ ছিল, সেটি পরিমার্জন করে নতুন আইন করা হবে বলেও জানান সচিব। বলেন, ‘৬০ বিঘার বেশি কৃষিজমি একজনের নামে রাখা না গেলে রপ্তানিমূলক কৃষিপণ্য বা অন্য কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প হয়, তবে সে ক্ষেত্রে ৬০ বিঘার বেশি জমি রাখা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘পল্লি এলাকায় বাস্তুভিটা হিসেবে ব্যবহারের জন্য কোনো খাস জমি পাওয়া গেলে সরকার ভূমিহীন, মুক্তিযোদ্ধা বা তার পরিবার, ভূমিহীন কৃষক ও তাদের পরিবারকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে লিজ দেবে। তবে কাউকে ৫ শতাংশের বেশি লিজ দেয়া যাবে না।’

এই আইন পাস হলে পাঁচ বছরের চুক্তি করে জমি বর্গা দিতে হবে। বর্গাদার মারা গেলে তার ওয়ারিশদারের ওপর বর্গার চুক্তি বর্তাবে।

এই আইনের আদেশ লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হবে হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Emphasis on remittances is increasing in the next budget of the government

রেমিট্যান্সে জোর সরকারের, আগামী বাজেটে বাড়ছে প্রণোদনা

রেমিট্যান্সে জোর সরকারের, আগামী বাজেটে বাড়ছে প্রণোদনা পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: নিউজবাংলা
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে প্রণোদনা বাড়ানোর ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। আমরা এবার এই প্রণোদনা আড়াই শতাংশ থেকে বাড়িয়ে তিন শতাংশ করব।’

নতুন বাজেটে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ৩ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। প্রতিবন্ধীদের ভাতা ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সব ধরনের ভাতাভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

৯ জুন ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে প্রস্তাব করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ মুস্তফা কামাল। এটি দেশের ৫১তম, আওয়ামী লীগ সরকারের ২২তম এবং বর্তমান অর্থমন্ত্রীর তৃতীয় বাজেট।

নিউজবাংলাকে বৃহস্পতিবার নিজ বাসভবনে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে নতুন বাজেট নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, ‘নতুন বাজেটের আকারসহ অন্যান্য বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলবেন। আমার এ বিষয়ে বলা ঠিক হবে না। তবে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে প্রণোদনা বাড়ানোর ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। আমরা এবার এই প্রণোদনা আড়াই শতাংশ থেকে বাড়িয়ে তিন শতাংশ করব।

‘একই সঙ্গে বয়স্ক, বিধবা ভাতা বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধীসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বিভিন্ন ভাতার আওতা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে। দেশের বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠী যাতে এসব ভাতা পান তার ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।’

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রতিবন্ধীদের ভাতা ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার অনুরোধ করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী তাতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী অবশ্যই এটি বিবেচনা করবেন বলে আশা করছি।’

২০১৯-২০ অর্থবছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। ২০২১ সাল পর্যন্ত ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়া হয়। ওই সময় পর্যন্ত প্রবাসীরা ১০০ টাকা দেশে পাঠালে ২ টাকা প্রণোদনা পেতেন।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে প্রণোদনা বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হয়। প্রবাসীরা এখন ১০০ টাকা দেশে পাঠালে আড়াই টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন।

নতুন বাজেটে প্রণোদনা বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করা হলে আগামী ১ জুলাই থেকে ১০০ টাকা দেশে পাঠালে ৩ টাকা প্রণোদনা পাওয়া যাবে।

রেমিট্যান্সে জোর সরকারের, আগামী বাজেটে বাড়ছে প্রণোদনা

সরকারের প্রণোদনার পাশাপাশি প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত প্রণোদনা দেয়ার জন্য নতুন বাজেটে আহ্বান জানানো হবে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

এর ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘নভেম্বরে কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবল কেন্দ্র করে কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অর্থনীতি চাঙা হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণেও ফুরফুরে মেজাজে আছে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অর্থনীতি। আমাদের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী এসব দেশে কাজ করেন। গত এক বছরে কয়েক লাখ লোক নতুন করে সেখানে গেছেন। সব মিলিয়ে আগামী দিনগুলোতে আমাদের রেমিট্যান্স আরও বাড়বে বলে আমি মনে করি।’

মান্নান বলেন, ‘যে যাই বলুক না কেন বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আর এতে অবদান রেখেছে তিনটি খাত- কৃষি, শিল্প ও রেমিট্যান্স। করোনা অতিমারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) রপ্তানি আয়ে ৩৬ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রেমিট্যান্স কমলেও কয়েক মাস ধরে বাড়ছে। রোজার ঈদের আগে এপ্রিল মাসে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সামনে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখেও রেমিট্যান্স বাড়বে।

‘আমদানি বাড়ার পরও আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারে অবস্থান করছে। এই রিজার্ভ দিয়ে ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। এরপরও যারা বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তুলনা করেন, তারা বিজ্ঞানসম্মত কথা বলছেন না।’

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘করোনার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ছে। যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। তবে গতকাল (বুধবার) কিছুটা স্বস্তির তথ্য দিয়েছে আমাদের পরিসংখ্যান ব্যুরো। বিবিএস বলেছে, এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে।’

‘বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমরা এখন মূল্যস্ফীতি সহনীয় রাখাটাকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। নতুন বাজেটে এই বিষয়টিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায় গরিব মানুষকে সহায়তার পাশাপাশি কৃষির উৎপাদন বাড়াতে সার, সেচ, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হবে।’

বিবিএসের হিসাবে এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ। আগের মাস মার্চে এই হার ছিল ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজারের উত্তাপ বিবিএসের তথ্যে প্রতিফলিত হচ্ছে না; বাস্তবে মূল্যস্ফীতি এর চেয়ে অনেক বেশি।

এ বিষয়ে এম এ মান্নান বলেন, ‘বিবিএস সারা দেশ থেকে যে তথ্য সংগ্রহ করে তার ভিত্তিতেই মূল্যস্ফীতির হিসাব করে থাকে। এখানে অন্য কোনো কিছু ভাবার কারণ নেই। তবে এ কথা ঠিক যে বিবিএস ২০০৫-০৬ অর্থবছরকে ভিত্তি বছর ধরে মূল্যস্ফীতির হিসাব করে। ভিত্তি বছরটা অনেক পুরোনো। আমরা খুব শিগগিরই এই ভিত্তি বছর পরিবর্তন করব।’

নতুন অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত ধরা হবে-এ প্রশ্নের উত্তরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, বাজেটের আকার, জিডিপি প্রবৃদ্ধিসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে অর্থমন্ত্রী ভাবছেন; আমি আমার মন্ত্রণালয়ের অধীন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) কথা বলতে পারি। গত মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (এনইসি) সভায় আড়াই লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। নতুন এডিপিতে মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

‘চলতি অর্থবছরের ৯ মাসের (জুলাই-মার্চ) হিসাবে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। ১২ মাসের পুরো হিসাব পাওয়া গেলে সেটা হয়তো সাড়ে ৭ শতাংশ হতে পারে; ৮ শতাংশে গিয়েও পৌঁছাতে পারে। বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপট এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারা বিবেচনায় রেখেই অর্থমন্ত্রী নতুন বাজেটের জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করবেন।’

আরও পড়ুন:
ঈদের আগে রেমিট্যান্সে স্রোত
১৩ দিনেই ৮ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
ঈদ সামনে রেখে রেমিট্যান্সে ঢল
৮ মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স মার্চে
রোজা সামনে রেখে বাড়ছে রেমিট্যান্স

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Indonesia lifts ban on palm oil exports

পাম তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ইন্দোনেশিয়া

পাম তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ পাম তেল উৎপাদক দেশ। অভ্যন্তরীণ বাজারে রান্নার তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে গত ২৮ এপ্রিল অপরিশোধিত পাম তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেয় দেশটি।

ইন্দোনেশিয়া পাম তেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। ২৩ মে থেকে আগের মতোই দেশটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাম তেল রপ্তানি করবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো তার দেশ থেকে পাম তেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ পাম তেল উৎপাদক দেশ। অভ্যন্তরীণ বাজারে রান্নার তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে গত ২৮ এপ্রিল অপরিশোধিত পাম তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেয় দেশটি।

সেসময় দেশটি জানায়, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, কম উৎপাদন এবং করোনা মহামারির কারণে সৃষ্ট শ্রমিক সংকটে ইন্দোনেশিয়াতেই তেল সংকট দেখা দিয়েছে।

এই সংকট মোকাবিলায় গত ২২ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন।

নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর বিশ্বের শীর্ষ পাম তেল রপ্তানিকারক দেশটি ২৮ এপ্রিল থেকে অপরিশোধিত পাম তেলের চালান বন্ধ করে দেয়।

পাম তেলের চালান বন্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী উদ্ভিজ্জ তেলের বাজার বড় রকমের ধাক্কা খায়। এর প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের তেলের বাজারেও।

চলতি মাসের শুরুতে সয়াবিন তেলের দাম এক লাফে বাড়ানো হয় লিটারে ৩৮ টাকা। নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ১৯৮ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮০ টাকা লিটার আর এক লিটার পাম তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৭২ টাকা।

এক বছর আগেও বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার ছিল ১৩৪ টাকা করে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি তা নির্ধারণ করা হয় ১৬৮ টাকা। ব্যবসায়ীরা মার্চ থেকে লিটারে আরও ১২ টাকা বাড়িয়ে ১৮০ টাকা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সরকার রাজি না হয়ে ভোজ্যতেল উৎপাদন ও বিক্রির ওপর থেকে ভ্যাট পুরোপুরি আর আমদানিতে ৫ শতাংশ রেখে বাকি সব ভ্যাট প্রত্যাহার করে নেয়। পরে গত ২০ মার্চ লিটারে ৮ টাকা কমিয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ঠিক করা হয় ১৬০ টাকা।

প্রতি লিটার রান্নার তেলের দাম ১৪ হাজার রুপিয়ায় (ইন্দোনেশিয়ান মুদ্রা) নামিয়ে আনার লক্ষ্যে রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ইন্দোনেশিয়ার সরকার। তেলের দাম এখনও সেই লক্ষ্যমাত্রায় নেমে না আসলেও পাম তেল শিল্পের শ্রমিকদের কথা বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

দেশটির প্রেসিডেন্ট বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘পাম তেল শিল্পের সঙ্গে যুক্ত দেশের ১ কোটি ৭০ লাখ শ্রমিকের কথা ভেবে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

দেশটিতে রান্নার তেলের সরবরাহ এখন অভ্যন্তরীণ বাজারে যা প্রয়োজন তার চেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এপ্রিল মাসে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার আগে দেশে রান্নার তেলের গড় দাম ছিল ১৯ হাজার ৮০০ রুপিয়া প্রতি লিটার। নিষেধাজ্ঞার পরে গড় দাম প্রায় ১৭ হাজার ২০০ থেকে ১৭ হাজার ৬০০ রুপিয়া প্রতি লিটারে নেমে এসেছে।’

আরও পড়ুন:
দাম চড়া সব পণ্যের, নজর শুধু তেলে
দুই জেলায় ১০ হাজার ৩৬৪ লিটার সয়াবিন জব্দ
সরিষা তেলের দামও আকাশমুখী
মজুত ২ হাজার লিটার তেল জব্দ, জরিমানা
অবৈধ মজুত: আরও ৪৭ হাজার লিটার সয়াবিন জব্দ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Prime Minister directed an emergency meeting to take up the economy

অর্থনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অর্থনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে বসে মন্ত্রিসভা। ছবি: পিআইডি
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘একসঙ্গে বসে পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী করা যায় তা ঠিক করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী দু-তিনদিনের মধ্যে বসে বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’

করোনাভাইরাস মহামারির অভিঘাত ও ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে যে চাপ তৈরি করেছে তা মোকাবিলায় অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংককে একসঙ্গে বসে করণীয় ঠিক করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রিসভা বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে বসে মন্ত্রিসভা। সভায় দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘একসঙ্গে বসে পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী করা যায় তা ঠিক করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী দু-তিনদিনের মধ্যে বসে বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’

বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ে ডিটেইল আলোচনা হয়েছে। কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স মিনিস্ট্রিকে কতগুলো ইন্সট্র্যাকশন দেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত এবং কম্প্রিহেনসিভ ব্যবস্থা নিয়ে সবার কাছে তুলে ধরার জন্য।

‘বিশেষ করে কীভাবে আমরা এই যে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে বা সাপ্লাই কমে যাচ্ছে, এই জিনিসগুলো কিভাবে হ্যান্ডেল করতে পারব। কোন জায়গায় রেস্ট্রিকশন দিলে ভালো হবে বা ওপেন করলে ভালো হবে। এগুলো দু-তিন দিনের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে তুলে ধরতে হবে। প্লাস ডলারের যে ক্রাইসিস হচ্ছে এটা কিভাবে সলভ করা যায় এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বসে দু-তিনদিনের মধ্যে প্রেসের সামনে বসার জন্য।’

আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে বলেও জানান তিনি।

আমদানিতে ব্যাপক কাট-ছাঁটের ইঙ্গিত
আমদানি করা পণ্যে ট্যাক্স আরোপের বিষয়ে ব্যাপক কাট-ছাঁটের ইঙ্গিত দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, ‘তাদের বলা হয়েছে, এই সিনারিওতে আমাদের কী করণীয়, যেমন মনে করেন আপনি একটি সাজেশন দিলেন ফল আনার মধ্যে ট্যাক্স বাড়িয়ে দেন যাতে ফল বেশি না আসে। এখন বৈশাখ মাস, এখন তো আমার আম-জাম-কাঁঠাল পর্যাপ্ত থাকবে। এরকম একটি সাজেশন আপনি দিলেন এটা বিবেচনা করে লজিক্যাল কিনা সেটা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া।

‘৮ বা ৯ হাজার কোটি টাকার ফল আসে বছরে। ৯ হাজার কোটি টাকা ইজ মোর দ্যান ওয়ান বিলিয়ন ডলার। এখন ট্যাক্স যদি সাময়িকভাবে বাড়ানো হয় বা অন্য যে ফ্যান্সি আইটেমগুলো আছে সেগুলোতে ট্যাক্স বাড়ান, এই বিষয়গুলো আলোচনা করে দুই-তিনদিনের মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে।’

উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে গঠনমূলক আলোচনা করতে গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, ‘আপনাদের কাছেও আমাদের একটি আবেদন যে, গঠনমূলক জিনিসগুলো আলোচনা করতে হবে। এই যে কোভিড রিকভার করা যাচ্ছিল কিন্তু ইউরোপের যে যুদ্ধটা এটা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ইকোনোমিক ক্রাইসিস শুধু না সাপ্লাইয়েরও একটি ক্রাইসিস হচ্ছে। কারণ রাশান দেশগুলো হলো ফুড এবং এনার্জি সাপ্লাইয়ে সারপ্লাস।

‘এখন এখান থেকে যদি না বের হতে পারে ফুড এবং এনার্জি তাহলে সারা পৃথিবীই কিন্তু ভুগছে। কালই দেখলাম নাইন পারসেন্ট ইনফ্লেশন হয়েছে গ্রেট ব্রিটেনে। আমেরিকাতে এইট পারসেন্টের বেশি। আমরা তো ওয়ার্ল্ডের বাইরে না। সেক্ষেত্রে আমাদেরও হয়তো কিছু কিছু ক্ষেত্রে আরও রেশনাল বিহেভ করতে হবে সেজন্য আমরা মিডিয়াকে অনুরোধ করব এটাই একটু পজিটিভ ওয়েতে প্রচার করার জন্য। আমরা সবাই যেন একটু সাশ্রয়ী থাকি বা রেশনাল থাকি।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন গৌতম ঘোষ
প্রধানমন্ত্রী ও পরিবারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার ব্যাপারে হুঁশিয়ারি
উন্নতি দেখতে গ্রাম ঘুরে আসুন, সমালোচকদের প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গ্রন্থাগারের ভিত্তি স্থাপন
বুদ্ধের আদর্শে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ায় ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Indian Rupee Five point drop in 10 days

ভারতীয় রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন

ভারতীয় রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন
আন্তব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে বৃহস্পতিবার শুরুতে ডলার পিছু রুপির দাম ছিল ৭৭ রুপি ৭২ পয়সা। এক পর্যায়ে দাম আরো কমে ডলার পিছু দাঁড়ায় ৭৭ রুপি ৭৬ পয়সা। পরে তা হয় ৭৭ রুপি ৭৩ পয়সা।

ভারতীয় মুদ্রা রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। বৃহস্পতিবার ডলারের বিপরীতে রুপির বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৭৭ রুপি ৭৩ পয়সা।

ডলারের বিপরীতে রুপির দরপতনের কারণে বাংলাদেশের মতোই ভারতের পুঁজিবাজারেও চলছে অস্থিরতা। দেশটির পুঁজিবাজারে গত ১০টি ট্রেডিং সেশনে এ নিয়ে পাঁচ দফা দরপতন হয়েছে রুপির।

বুধবার মুদ্রা মান ১৮ পয়সা কমে ৭৭ রুপি ৬২ পয়সায় বন্ধ হয়েছিল। ভারতে মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক মন্দার জন্য এদিন রুপির দাম কমে যায়। রাশিয়া গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর পর থেকে রুপির দাম পড়তে থাকে।

আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে বৃহস্পতিবার শুরুতে ডলার পিছু রুপির দাম ছিল ৭৭ রুপি ৭২ পয়সা। এক পর্যায়ে দাম আরো কমে ডলার পিছু দাঁড়ায় ৭৭ রুপি ৭৬ পয়সা। পরে তা হয় ৭৭ রুপি ৭৩ পয়সা।

রুপির দরপতনের প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারেও।

বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে সেনসেক্স ১,৪১৬.৩০ পয়েন্ট বা ২.৬১ শতাংশ কমে ৫২,৭৯২.২৩ তে শেষ হয়েছে। যেখানে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে নিফটি ৪৩০.৯০ পয়েন্ট বা ২.৬৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৫,৮০৯.৪০।

বুধবার পুঁজিবাজারে মূল বিক্রেতা ছিল বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। এদিন তারা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুসারে তারা ১ হাজার ২৫৪.৬৪ কোটি রুপির শেয়ার বিক্রি করে।

আরও পড়ুন:
ভারতের নিষেধাজ্ঞা: বিশ্ববাজারে বাড়ল গমের দাম
দিল্লিতে ৫০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা
মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের
রাজস্থানের তাপমাত্রা ৪৮ পেরোল, দিল্লিতে সতর্কতা
দিল্লিতে চার তলা ভবনে আগুন, ২৭ মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The World Bank will successfully provide one billion dollars to deal with Corona

করোনা মোকাবিলায় সাফল্যে বিশ্বব্যাংক দেবে এক বিলিয়ন ডলার

করোনা মোকাবিলায় সাফল্যে বিশ্বব্যাংক দেবে এক বিলিয়ন ডলার ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
‘ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে রিসেন্টলি বাংলাদেশের বিষয়ে একটি রিভিউ হয়েছে। এখানে খুবই ভালো রেসপন্স এবং দে আর ভেরি হ্যাপি। এ জন্য তারা বাংলাদেশকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার, এটা ৯৪৫ মিলিয়ন ডলার তারা অ্যালোকেট করেছে। তারা বাংলাদেশের কোভিড কার্যক্রমের জন্য খুবই সন্তুষ্ট। বিশেষ করে ভ্যাকসিন কার্যক্রমের জন্য: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

সফলভাবে করোনা মোকাবিলা করায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের জন্য বিশ্বব্যাংক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে বসে মন্ত্রিসভা।

সভার বিস্তারিত তুলে ধরে সচিব বলেন, ‘কোভিড নিয়ে কিছুটা আলোচনা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে রিসেন্টলি বাংলাদেশের বিষয়ে একটি রিভিউ হয়েছে। এখানে খুবই ভালো রেসপন্স এবং দে আর ভেরি হ্যাপি। এ জন্য তারা বাংলাদেশকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার, এটা ৯৪৫ মিলিয়ন ডলার তারা অ্যালোকেট করেছে।

‘তারা বাংলাদেশের কোভিড কার্যক্রমের জন্য খুবই সন্তুষ্ট। বিশেষ করে ভ্যাকসিন কার্যক্রমের জন্য।’

সচিব বলেন, ‘আমরা তো নিজেরাই প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন বা অন্যান্য সহায়তা সরকার দিয়েছে। এর বাইরেও প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার কোটি টাকার টিকা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ডিস্ট্রিবিউট করেছি। এত বড় একটি জনগোষ্ঠীকে যে ভ্যাক্সিনেটেড করা গিয়েছে এটা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড খুব অ্যাপ্রিসিয়েটেড হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই টাকা বিশ্বব্যাংক ঋণ হিসেবে দেবে। আমাদের নেক্সট ইয়ারের প্রোগ্রাম ক্যারি আউট করার জন্য এই ডলার অ্যালোকেট করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের যে এক্সপেরিয়েন্সটা সেটা সারা পৃথিবীতে প্রচার করতে চায়। যেহেতু আমাদের প্রাইমারি হেলথ সিস্টেম খুব স্ট্রং, ইপিআই কার্যক্রম… জাপানেও একটি বড় পত্রিকায় এটা নিয়ে বড় করে রিপোর্টিং হয়েছে। তারাও রিকমেন্ড করেছে, বাংলাদেশের মডেলটা নিয়ে অন্য জায়গাগুলোতে ব্যবহার করা যায়।’

সচিব বলেন, ‘ইনিশিয়ালি অনেকের মধ্যে একটা আনসার্টেইনিটি ছিল। এ জন্য বাংলাদেশ সরকার যখন অ্যাস্ট্রেজেনেকার জন্য পে করে, তখন অনেকেই এটা নেগেটিভভাবে নিয়েছে। তখনও কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যাস্ট্রেজেনেকাকে অনুমোদন দেয়নি। তখন বাংলাদেশ কিন্তু চুক্তি করে ফেলেছে।

‘এবং কোভ্যাক্স থেকে আমরা ব্যাপক একটি সহায়তা পেয়েছি। এটা মোর দেন ২০ হাজার কোটি টাকা। এগুলো কিন্তু আমরা বিনা পয়সায় দিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
উত্তর কোরিয়ায় করোনায় ৪২ মৃত্যু, শনাক্ত ছাড়াল ৮ লাখ
বগুড়ায় করোনার বুস্টার ডোজের সংকট
করোনা আক্রান্ত ২২ জন, মৃত্যু নেই
করোনায় মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত কমে ১৮
বাড়ছে করোনা, দেড় মাস পর সংক্রমণ ছাড়াল ৫০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rupali Banks 100 success in distributing agricultural incentives

কৃষি প্রণোদনা বিতরণে রূপালী ব্যাংকের শতভাগ সফলতা

কৃষি প্রণোদনা বিতরণে রূপালী ব্যাংকের শতভাগ সফলতা
রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদের হাতে বুধবার প্রশংসাপত্র তুলে দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। ওই সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান ও রূপালী ব্যাংকের কৃষি, পল্লী ঋণ ও মাইক্রোক্রেডিট বিভাগের জিএম গোলাম মরতুজা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিখাতে চলতি মূলধন সরবরাহের উদ্দেশ্যে গঠিত পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনামূলক পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের ঋণ বিতরণে শতভাগ সাফল্য দেখিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ব রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।

স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যাংকটিকে প্রশংসাপত্র দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদের হাতে বুধবার প্রশংসাপত্র তুলে দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

ওই সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান ও রূপালী ব্যাংকের কৃষি, পল্লী ঋণ ও মাইক্রোক্রেডিট বিভাগের জিএম গোলাম মরতুজা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল এবং খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি খাতে চলতি মূলধন সরবরাহের উদ্দেশ্যে পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনামূলক বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়।

এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক রূপালী ব্যাংকের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ ৬ হাজার ১৯৯ জন কৃষকের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশিত হর্টিকালচার, মৎস্য, পোলট্রি, ডেইরি ও প্রাণিসম্পদ সব কয়টি খাতেই ঋণ দিয়েছে রূপালী ব্যাংক।

আরও পড়ুন:
উল্লম্ফনের মধ্যে রূপালী ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণার তারিখ

মন্তব্য

উপরে