× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
US Bangla will make 50 young people pilots
hear-news
player

৫০ তরুণ-তরুণীকে পাইলট বানাবে ইউএস-বাংলা

৫০-তরুণ-তরুণীকে-পাইলট-বানাবে-ইউএস-বাংলা
প্রাথমিকভাবে সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন ৫০ জন। নির্বাচিতদের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের খরচে বিশ্বের খ্যাতনামা ফ্লাইং অ্যাকাডেমিতে পাঠানো হবে। দুই বছর মেয়াদের প্রশিক্ষণ সাফল্যের সঙ্গে করার পর তারা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসে যোগদান করতে পারবেন।

এসএসসি-এইচএসসি উত্তীর্ণ তরুণ-তরুণীদের পাইলট হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে বেসরকারি এয়ারলাইনস ইউএস-বাংলা।

প্রতিষ্ঠানটি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ইউএস-বাংলার খরচে ৫০ তরুণ-তরুণী পাবেন এ সুযোগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব মেধাবী বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞান বিভাগে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানসহ এসএসসি, এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অথবা এ লেভেলে ন্যূনতম দুই বিষয়ে (গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান) গ্রেড-বি পেয়েছেন তারা আবেদনের যোগ্য হবেন।

স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানের স্নাতকরাও আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময় বয়স সর্বোচ্চ ২৫ বছর হতে হবে। উচ্চতা হতে হবে ন্যূনতম ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহযোগিতায় ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রার্থী নির্বাচনি সব প্রক্রিয়া হবে।

প্রাথমিকভাবে সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন ৫০ জন। নির্বাচিতদের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের খরচে বিশ্বের খ্যাতনামা ফ্লাইং অ্যাকাডেমিতে পাঠানো হবে।

দুই বছর মেয়াদের প্রশিক্ষণ সাফল্যের সঙ্গে করার পর তারা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসে যোগদান করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী পাইলটদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে আইকিউ টেস্ট, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষা। কোনো ধরনের তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

অনলাইনে আবেদন করা যাবে usbair.com/career/studentpilot এ ঠিকানায়। আবেদনের শেষ তারিখ ৫ মে।

আরও পড়ুন:
২৬ মার্চ থেকে কলকাতায় দৈনিক ফ্লাইট ইউএস-বাংলার
চেন্নাই ও মালেতে বাড়ছে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট
কক্সবাজারে ইউএস-বাংলার দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত
মালদ্বীপে ডানা মেলল ইউএস-বাংলা
১৯ নভেম্বর মালেতে পাখা মেলছে ইউএস-বাংলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Sumon arrested in jail for leaking recruitment test questions

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার সুমন কারাগারে

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার সুমন কারাগারে
নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার সুমন জমাদ্দারকে রিমান্ড শেষে সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। শুনানি শেষে তাকে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক গ্রেড-১৬’ পদে নিয়োগ পরীক্ষার (নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন) প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার সুমন জমাদ্দারকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

একদিনের রিমান্ড শেষে সোমবার তাকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

অপরদিকে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মহানগর হাকিম আরাফাতুল রাকিব জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

লালবাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন এ তথ্য জানান।

সুমন জমাদ্দারকে শনিবার আদালতে হাজির করে দশদিন রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক শফি উদ্দিন একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিকের ৫১৩টি পদে নিয়োগে শুক্রবার এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১ লাখ ৮৩ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন।

ইডেন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের দুই নম্বর ভবনের ২২৩৭ নম্বর কক্ষে এই পরীক্ষা চলাকালে একজন পরীক্ষার্থী তার কাছে থাকা প্রবেশপত্রের পেছনে লেখা উত্তর দেখে এমসিকিউ প্রশ্নোত্তরের ঘর পূরণ করছিলেন। দায়িত্বরত শিক্ষিকা ওই পরীক্ষার্থীর কাছে থাকা দুটি প্রবেশপত্র যাচাই করে দেখেন একটি প্রবেশপত্রের পেছনে ছোট আকারে উত্তর লেখা। তিনি বিষয়টি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই পরীক্ষার্থী জানান, তিনি পটুয়াখালীর সাইফুল ও টাঙ্গাইলের খোকনসহ অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনের সহায়তায় হোয়াটঅ্যাপের মাধ্যমে তার মোবাইল নম্বরে প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন।

এ ঘটনায় দু’টি প্রবেশপত্র, একটি উত্তরপত্র, একটি প্রশ্নপত্র (ক-সেট) ও একটি মোবাইল ফোনসহ সুমন জমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় পরে লালবাগ থানায় মামলা হয়।

আরও পড়ুন:
প্রশ্নফাঁস: উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রূপাসহ রিমান্ডে ১০
প্রশ্নফাঁস চক্রের হোতা সাবেক সেনাসদস্য, জড়িত শিক্ষক-জনপ্রতিনিধি
প্রশ্ন ফাঁস: বুয়েট অধ্যাপকের ব্যাংক হিসাব তলব
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসের নামে প্রতারণা, আটক ৩
প্রশ্নপত্র ফাঁস: মাসে দুই দিন হাজিরার শর্তে জামিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladeshi workers are going to South Korea again

আবার দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছে বাংলাদেশি কর্মী

আবার দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছে বাংলাদেশি কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ায় যাচ্ছে প্রবাসী শ্রমিকদের একটি দল। ছবি: সংগৃহীত
করোনায় দুই বছর বন্ধ থেকে পুনরায় চালু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট এক হাজার ৪৪৭ জন বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়াতে গেছেন। চলতি মাসে বাংলাদেশি কর্মীদের আরও তিনটি ব্যাচ কোরিয়াতে যাবে।

করোনা মহামারির প্রকোপ কমায় ও করোনা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম সারিতে থাকায় আবার বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাসে বিদেশি কর্মী গ্রহণ স্থগিত করেছিল দেশটির সরকার।

সোমবার প্রবাসী শ্রমিকদের একটি দল দক্ষিণ কোরিয়ায় যায়।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং-কুন এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১২৩ জনকে বিদায় জানান। এদের মধ্যে ১০৯ জন নবীন এবং বাকি ১৪ জন আগেও দেশটিতে গেছেন।

পুনরায় চালু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট এক হাজার ৪৪৭ জন বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়াতে গিয়েছেন বলে জানিয়েছে ঢাকার কোরিয় দূতাবাস।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে কোরিয়া এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেমের (ইপিএস) মাধ্যমে এটি ছিল কোরিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমিকদের ১৪ তম ব্যাচ।

ওই বছরের ডিসেম্বরে ১১১ জন, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ১৩০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২০৮ জন, মার্চে ২১৮ জন, এপ্রিলে ৬৫৭ জন এবং মে মাসে ১২৩ জন বাংলাদেশি ইপিএস কর্মী কোরিয়ায় গেছেন।

বিদায় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত লি বাংলাদেশি কর্মীরা তার দেশে তাদের অভীষ্ট লক্ষ্য ও স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে বলে আশা করেন।

ইপিএস কর্মীরা কয়েক দশক ধরে দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণের মধ্যে অংশীদারত্ব আরও গভীর এবং শক্তিশালী হবে।’

চলতি মাসে বাংলাদেশ কর্মীদের আরও তিনটি ব্যাচ কোরিয়াতে যাবে। ২০০৭ সালে দুই দেশের মধ্যে ইপিএস এমওইউ হওয়ার পর থেকে ইপিএস কর্মসূচির আওতায় ২৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ায় পাঠানো হয়েছে।

ইপিএস প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে মাঝারি ও স্বল্প-দক্ষ বিদেশি শ্রমিকদের নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। তবে করোনা মহামারির কারণে দক্ষিণ কোরিয়ান সরকার দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ইপিএস কর্মী নেয়নি।

যেসব দেশ শ্রমিক পাঠায়, তাদের পাশাপাশি নিয়োগকারীদের কাছ থেকে পাওয়া ক্রমাগত অনুরোধ বিবেচনা করে দক্ষিণ কোরিয় সরকার ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে সীমিত পরিসরে এবং পরে পুরোদমে কর্মী নিয়োগ শুরু করে।

আরও পড়ুন:
খুলল কোরিয়ার বন্ধ দুয়ারও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Customs certification will be required for export assistance in agricultural products

কৃষিপণ্যে রপ্তানি সহায়তায় লাগবে কাস্টমসের প্রত্যয়ন

কৃষিপণ্যে রপ্তানি সহায়তায় লাগবে কাস্টমসের প্রত্যয়ন কৃষিপণ্য রপ্তানির জন্য বাছাই করছেন কয়েকজন কর্মী। ফাইল ছবি
কৃষিপণ্য (শাকসবজি ও ফলমূল) ও প্রক্রিয়াজাত (এগ্রোপ্রসেসিং) কৃষিপণ্য রপ্তানি খাতে প্রণোদনা দেয়ার ক্ষেত্রে পণ্য রপ্তানির আগে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সরেজমিন যাচাই করা (ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন) প্রত্যয়নপত্র আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে ভর্তুকি বা প্রণোদনা পেতে হলে এখন থেকে অবশ্যই কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সরেজমিন প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। যারা এই প্রত্যয়নপত্র জমা দেবে না তাদের প্রণোদনা না দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন নিয়োজিত সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়, কৃষিপণ্য (শাকসবজি ও ফলমূল) ও প্রক্রিয়াজাত (এগ্রোপ্রসেসিং) কৃষিপণ্য রপ্তানি খাতে প্রণোদনা দেয়ার ক্ষেত্রে পণ্য রপ্তানির আগে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সরেজমিন যাচাই করা (ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন) প্রত্যয়নপত্র আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

সার্কুলার জারির তারিখ থেকে জাহাজীকরণ পণ্যের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি খাতে রপ্তানি প্রণোদনা প্রদান সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে বলে সার্কুলারে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধ চান কৃষিমন্ত্রী
প্রযুক্তি, ভালো জাত আর দামে কৃষিতে সুদিন
কৃষিপণ্য রপ্তানিতে লক্ষ্য ২ বিলিয়ন ডলার
রপ্তানিতে নতুন আশা কৃষিপণ্য
কৃষি পণ্য বেচাকেনার জন্য সদাই অ্যাপ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The highest interest rate for financial institutions is 11 percent

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ সুদহার ১১ শতাংশ

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ সুদহার ১১ শতাংশ
২০২০ সালের এপ্রিলে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ব্যাংক ঋণে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ আর আমানতে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ সুদহার ঠিক করে দেয়া হয়। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদহার বেঁধে দেয়া হয়নি। এসব প্রতিষ্ঠানে আমানত ও ঋণের সুদহার তুলনামূলক বেশি থাকে সব সময়ই। এই বিবেচনায় আমানতের ক্ষেত্রে এক শতাংশ, আর ঋণের ক্ষেত্রে দুই শতাংশ বাড়তি সুদের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।

ব্যাংকের পাশাপাশি এবার ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানত ও ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এসব প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১১ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে পারবে। আর আমানতের বিপরীতে সুদ দেয়া যাবে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ।

এই সিদ্ধান্ত আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার আগের আমানতের ক্ষেত্রে সুদের হার ওই আমানতের বর্তমান মেয়াদ পূর্তির পর নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়।

২০২০ সালের এপ্রিলে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ব্যাংক ঋণে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ আর আমানতে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ সুদহার ঠিক করে দেয়া হয়। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদহার বেঁধে দেয়া হয়নি।

এসব প্রতিষ্ঠানে আমানত ও ঋণের সুদহার তুলনামূলক বেশি থাকে সব সময়ই। এই বিবেচনায় আমানতের ক্ষেত্রে এক শতাংশ, আর ঋণের ক্ষেত্রে দুই শতাংশ বাড়তি সুদের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।

ব্যাংকগুলো চলতিসহ সব ধরনের আমানত নিতে পারে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছয় মাসের কম মেয়াদি কোনো আমানত নিতে পারে না। আবার আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনেকে আমানত রাখতে চান না। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে অনেক বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা বের করে নেয়ার তথ্যও ফাঁস হয়েছে।

কোনো কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান আগের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। এতে সাধারণ আমানতকারীদের পাশাপাশি ব্যাংকগুলোও এখন এসব প্রতিষ্ঠানে আগের মতো টাকা রাখতে চাইছে না।

আমানত টানতে অনেক প্রতিষ্ঠান ৮ থেকে ১২ শতাংশ সুদ দিতে চাইছে। আর ঋণ দিচ্ছে ১৮ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত সুদে।

এ অবস্থায় গত ২৭ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ ও আমানতে সুদহারের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদ সমন্বয় করতে হবে

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফ্রেব্রুয়ারি শেষে ২৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতে গড় সুদ ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ঋণে ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

এর মধ্যে আমানতে ৭ শতাংশ ও ঋণে ১১ শতাংশের ওপর গড় সুদ রয়েছে: ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড আমানতে সুদ ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ, ঋণে ১৫ দশমিক ১৪ শতাংশ।

উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড আমানতে সুদ ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানির আমানতে সুদ ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ, ঋণে ১২ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

আভিভা ফাইন্যান্সের আমানতে সুদ ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ, ঋণে ১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

লঙ্কা বাংলার আমানতে সুদ ৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ। প্রাহম ফাইন্যান্সের আমানতে সুদ ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।

বে-লিজিংয়ের আমানতে সুদ ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ, ঋণে ১১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানির (বিআইএফসি) আমানতে সুদ দিচ্ছে ৮ দশমিক ২৮ শতাংশ।

ইউনিয়ন ক্যাপিটালে আমানতে সুদ ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ, ঋণে ১৩ দশমিক ১৭ শতাংশ।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেসের আমানতে সুদ ৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, ঋণে ১৩ দশমিক ৫২ শতাংশ।

ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের আমানতে সুদ ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ, ঋণে ১৩ দশমিক ১৬ শতাংশ।

প্রিমিয়ার লিজিংয়ের আমানতে সুদ ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ, ঋণে ১২ দশমিক ০৯ শতাংশ।

ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের আমানতে সুদ ৯ দশমিক ২০ শতাংশ, ঋণে ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

ফার্স্ট ফাইন্যান্সের আমানতে গড় সুদ দিচ্ছে ৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। মাইডাসের আমানতে সুদ ৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের আমানতে সুদ ৭ দশমিক ৮২ শতাংশ, ঋণে ১২ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

আইআইডিএফসির আমানতে সুদ ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। ফাস ফাইন্যান্স আমানতে ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ সুদ দিচ্ছে।

ন্যাশনাল ফাইন্যান্স আমানতে সুদ ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, ঋণে ১২ দশমিক ০৩ শতাংশ।

হজ ফাইন্যান্স আমানতে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ সুদ দিচ্ছে।

মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের আমানতে সুদ ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ঋণে ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ।

সিভিসি ফাইন্যান্সের আমানতে সুদ ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, ঋণে ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

লঙ্কান এলিয়েন্সের ঋণে সুদ নিচ্ছে ১১ দশমিক ০২ শতাংশ।

স্ট্র্যাটেজিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের আমানতে সুদ ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও সুদহার বেঁধে দেয়ার সিদ্ধান্ত
উচ্চবিত্তের আমানত বাড়ছে, কমছে ‘ছোট’দের
মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, কমছে আমানতের সুদ
মূল্যস্ফীতির অনেক নিচে আমানতের সুদ হার
আমানতে মূল্যস্ফীতির বেশি সুদহার নিয়ে তীব্র আপত্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The World Bank is providing a budget of কোটি 250 million

২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও অব্যাহত ছিল পোশাকশিল্পে কাজ, দেয়া হয়েছে বড় অঙ্কের প্রণোদনা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বিশ্বব্যাংকের এই ঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ৩০ বছর সময় পাবে। এই ঋণের সুদের হার হবে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ, সঙ্গে সার্ভিস চার্জ থাকবে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ। ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড পাবে বাংলাদেশ। এ সময় ঋণের কোনো কিস্তি শোধ করতে হবে না। বাকি ২৫ বছরের মধ্যে ঋণ শোধ করতে হবে।

বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দেবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বাজারদরে দেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় সোয়া ২ হাজার কোটি টাকা।

বিশ্বব্যাংকের এ বাজেট সহায়তা করোনা থেকে উত্তরণের জন্য নেয়া যেকোনো খাতে ব্যয় করতে পারবে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে সোমবার সংস্থাটির সঙ্গে একটি ঋণচুক্তি সই করেছে সরকার। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ আনিস চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ইআরডিতে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

ইআরডি বলছে, করোনার বিরূপ প্রভাব থেকে কার্যকরভাবে উত্তরণে সরকার অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প, কৃষি খাত ও রপ্তানিমুখী শিল্পে প্রণোদনা দেয়াসহ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি করেছে। বিশ্বব্যাংকের বাজেট সহায়তার এই ঋণ সরকার করোনার পুনরুদ্ধারে নেয়া কর্মসূচিতে ব্যয় করবে।

‘বাংলাদেশ ফাস্ট রিকভারি অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট (ডিপিসি১)’ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) থেকে এই ঋণ পাবে বাংলাদেশ।

শুধু তা-ই নয়, ডিপিসি সিরিজের আওতায় দুই বছরে বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরে (২০২১-২২) ২৫ কোটি ডলার এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৫ কোটি ডলার। বিশ্বব্যাংকের ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিটে দুটি মূল বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। একটি হচ্ছে সরকারের রাজস্ব ও আর্থিক খাত, অন্যটি হচ্ছে সহনশীল অর্থনীতির জন্য জীবন ও জীবিকা।

কোভিড-১৯-পরবর্তী অর্থনৈতিক উত্তরণ এবং উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখতে এই ঋণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক। এর মাধ্যমে করোনা-পরবর্তী পুনরুদ্ধারের জন্য একটি আর্থিক উদ্দীপনা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে সহায়তা করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা বাড়াবে।

বিশ্বব্যাংকের এই ঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ৩০ বছর সময় পাবে। এই ঋণের সুদের হার হবে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ, সঙ্গে সার্ভিস চার্জ থাকবে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ। ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড পাবে বাংলাদেশ। এ সময় ঋণের কোনো কিস্তি শোধ করতে হবে না। বাকি ২৫ বছরের মধ্যে ঋণ শোধ করতে হবে।

আরও পড়ুন:
সড়ক নিরাপত্তায় ৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগে আগ্রহী বিশ্বব্যাংক
বাংলাদেশের জুনায়েদ এমআইজিএর ভাইস প্রেসিডেন্ট
বিশ্বব্যাংকের সর্ববৃহৎ ঋণ অনুমোদন, পাবে বাংলাদেশও
উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে ১৬০০ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
20 young writers received PEN Bangladesh Literary Award

‘পেন বাংলাদেশ’ সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ২০ তরুণ লেখক

‘পেন বাংলাদেশ’ সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ২০ তরুণ লেখক ‘পেন বাংলাদেশ’ সাহিত্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ২০ তরুণ লেখক পেলেন পুরস্কার। ছবি: সংগৃহীত
অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন বলেন, ‘শুধু লেখক কেন, সবারই কথা বলার স্বাধীনতা থাকা উচিত। ক্ষমতা আজীবন গলা টিপে ধরেছে, আগামীতেও ধরবে। তবু এর মধ্যে বলার চেষ্টার মানসিকতা রাখা জরুরি। সে কাজটাই প্রতিবছর আমাদের পেন বাংলাদেশ মনে করিয়ে দেয়। বিশ্বে এমন অনেক লেখক এখনও কারাবন্দি, আমরা তাদের মুক্তি চাই।’

অনূর্ধ্ব-৩৫ সাহিত্য প্রতিযোগিতা-২০২০-এ অংশগ্রহণকারী দেশের প্রায় ৩০০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ২০ জন তরুণ লেখককে পুরস্কৃত করেছে ‘পেন বাংলাদেশ’।

কারাবন্দি লেখক দিবস উপলক্ষে শনিবার ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

এ সাহিত্য প্রতিযোগিতার আয়োজক প্রতিষ্ঠান পেন বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গল্পের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন মনিরা মিতু, আরাফাত শাহীন, নবনীতা প্রামাণিক, আবদুল্লাহ্ আল মাসুম, মৌপিয়া তাজরিন, ওয়াহিদ মোস্তফা, যাহিদ সুবহান, রোমেল রহমান, সুলতান মাহমুদ ও মুহাম্মদ মাসুদ।

কবিতার জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন রনি বর্মণ, ইনজামুল হক, শুভ্র সাকীফ, অনুভব আহমেদ, জসিম উদ্দিন বিজয়, তামান্না পারভেজ, রফিকুজ্জামান রণি, জেলি খাতুন ও অহ নওরোজ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গল্প লেখার শুরুর দিক নিয়ে নিজের শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি লেখক হব। শিক্ষক ও মা-বাবার সহযোগিতায় আমি সাহিত্যিক হয়েছি। আমি সাহিত্যিক হব তা ভেবে কখনো গল্প লিখিনি। পড়াশোনা-জীবনে সিলেট এমসি কলেজে চাকরি পাই। তবে সে চাকরি বাদ দিই। তারপর বাংলা একাডেমিতে চাকরির জন্য গেলাম এবং লেখালেখির অভ্যাস থাকায় সেখানে চাকরি হলো। এভাবে সাহিত্য আমাদের দিককে প্রসারিত করতে থাকে।’

কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন বলেন, ‘শুধু লেখক কেন, সবারই কথা বলার স্বাধীনতা থাকা উচিত। ক্ষমতা আজীবন গলা টিপে ধরেছে, আগামীতেও ধরবে। তবু এর মধ্যে বলার চেষ্টার মানসিকতা রাখা জরুরি। সে কাজটাই প্রতিবছর আমাদের পেন বাংলাদেশ মনে করিয়ে দেয়। বিশ্বে এমন অনেক লেখক এখনও কারাবন্দি, আমরা তাদের মুক্তি চাই।’

পেন বাংলাদেশ হচ্ছে ‘পেন ইন্টারন্যাশনাল’-এর ১৪৮টি কেন্দ্রসমূহের একটি শাখা। এটি বাংলাদেশের কবি, সাহিত্যিক, প্রকাশক, সম্পাদক, অনুবাদক, সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদদের একটি দ্বিভাষিক সংগঠন, যা বাংলাদেশে সাহিত্যের প্রচার-প্রসার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার্থে কাজ করে।

মন্তব্য

উপরে