× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Fakhrul to the Prime Minister for taking away the right to vote
hear-news
player
print-icon

অপরাধ গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া: প্রধানমন্ত্রীকে ফখরুল

অপরাধ-গণতন্ত্র-ধ্বংস-ভোটাধিকার-কেড়ে-নেয়া-প্রধানমন্ত্রীকে-ফখরুল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে আমাদের অপরাধটা কী? ওনাদের অপরাধ হচ্ছে সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ। এ দেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, এই দেশে তারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, এই দেশকে তারা দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের যে লক্ষ্যগুলো ছিল সেই লক্ষ্যগুলোকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে তারা আজকে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।’

আওয়ামী লীগ সরকারকে কেন হটাতে হবে, অপরাধটা কী- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন মন্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বিবেচনায় ‘তিনটি অপরাধের কথা’ উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ওনাদের অপরাধ গণতন্ত্রকে ধবংস করা। তারা ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, দেশকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে।’

বৃহস্পতিবার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বিএনপি নেতা।

আগের দিন কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সতর্ক করে বলেন, সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র চলছে।

তিনি বলেন, ‘এই সরকারকে হটাতে হবে। কোন সরকার? আওয়ামী লীগ সরকার। এখানে বিএনপি-জামায়াত জোট, তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন আমাদের মান্না সাহেব এবং ড. কামাল হোসেনসহ তাদের এক গ্রুপ। তাদের সঙ্গে আবার যুক্ত কমিউনিস্ট পার্টি এবং আমাদের বাম দল, বাসদ-টাসদ কারা কারা… তারা সবাই নাকি এক হয়ে আন্দোলন করে আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাবে। আমার প্রশ্ন, অপরাধটা কী আওয়ামী লীগের?’

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হতে যাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। বলেন, ‘আমার প্রশ্ন, এটা কি তাদের ভালো লাগেনি? সে জন্য তারা এই সরকারকে হটাতে চায়?’

জবাবে ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে আমাদের অপরাধটা কী? ওনাদের অপরাধ হচ্ছে সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ।

‘এ দেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, এই দেশে তারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, এই দেশকে তারা দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের যে লক্ষ্যগুলো ছিল, সেই লক্ষ্যগুলোকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে তারা আজকে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।’

অপরাধ গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া: প্রধানমন্ত্রীকে ফখরুল
বৃহস্পতিবার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে প্রমাণিত হয় যে তারা দেশ পরিচালনা করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছেন, ব্যর্থ হয়েছেন দেশকে একটা সুষ্ঠু জায়গায় নিয়ে আসতে এবং সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে।

‘এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে আজকে আওয়ামী লীগের অবৈধ সরকার যারা জোর করে ক্ষমতা দখল করে আছে। তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এ দেশ থেকে গণতন্ত্র হরণ করেছে, ছাত্রদের যে ন্যূনতম অধিকারগুলো রয়েছে… ন্যূনতম খরচের ব্যয়ে শিক্ষালাভ করা, সেই অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।

‘একই সঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি চরম দুর্যোগের দিকে গেছে এবং ভয়াবহ এক দুর্নীতির করাল গ্রাসে এ দেশকে তারা পতিত করেছে।’

এসব ‘কারণে’ অবিলম্বে এই সরকারের পদত্যাগ করা উচিত বলেও মনে করেন ফখরুল। বলেন, ‘নিরপেক্ষ সরকারের তত্ত্বাবধায়নে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ও সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষ পার্লামেন্ট তৈরি করা- এটাই এখন সবচেয়ে বড় দাবি এবং আন্দোলন।’

দেশে কোনো সরকার নেই

নিউ মার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে নির্লিপ্ততার অভিযোগও আনেন ফখরুল। বলেন, ‘এই সংঘর্ষের (নিউ মার্কেট এলাকায়) ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে আসলে দেশে কোনো সরকার নেই।

‘এই সরকার একটা সম্পূর্ণ ব্যর্থ সরকারে পরিণত হয়েছে এবং তারা এই রাষ্ট্রকেও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তাদের চোখের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সংঘর্ষ হয়েছে দুটি পক্ষের মধ্যে। সেটাকে তারা (সরকার) বন্ধ করার জন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

‘উপরন্তু তাদের কর্মকর্তারা বিভিন্নভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন যে তারা কোনো পক্ষেই ছিলেন না, নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছেন। নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে তারা এই সংঘর্ষকে আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেয়ায় সহযোগিতা করেছেন।

‘ওই ঘটনায় যে দুজন মারা গেছেন, এই মৃত্যুর জন্য এই হত্যার জন্য তারাই দায়ী।’

আরও পড়ুন:
ষড়যন্ত্র কেন, মানুষ আপনাদের পতন চায়, প্রধানমন্ত্রীকে রিজভী
নড়াইলে বিএনপির দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি
মেয়াদ শেষের তিন বছর পর স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাউস ‘পূর্ণাঙ্গ কমিটি’
বিএনপির বক্তব্যে জার্মান দূতের অসন্তোষ
বিএনপি ক্ষমতালোভী ফ্যাসিবাদী: কাদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
I will not say anything about EVM right now CEC

ইভিএম নিয়ে এখনই কিছু বলব না: সিইসি

ইভিএম নিয়ে এখনই কিছু বলব না: সিইসি বুধবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইভিএম বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি: নিউজবাংলা
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘পলিটিক্যাল পার্টিগুলো রাজনীতির মাঠে বলছে যে এটা মন্দ মেশিন, ভালো মেশিন না। আমরা লিখিতভাবে জানতে চাইব তারা কী কী সমস্যা পাচ্ছে। তাদেরকে বিষয়গুলো লিখিতভাবে জানাতে বলব। আমরা যেন সিস্টেমেটিক্যালি অ্যাড্রেস করার সুযোগ পাই।’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) দেখার পর এটিকে চমৎকার যন্ত্র বলে উল্লেখ করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘মেশিনের ভালো-খারাপ নিয়ে কিছু বলব না, এ ব্যাপারে মন্তব্য ও সিদ্ধান্ত জানতে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।’

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইভিএম বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সিইসি এ কথা বলেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও ইভিএম প্রকল্প এই সভার আয়োজন করে।

সিইসি বলেন, ‘বিরোধী দল থেকে যে মতামত এসেছে তা আমরা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিইনি। আমরা কারও মতামতকেই উপেক্ষা করিনি। আমরা বেশকিছু মিটিং করেছি। আজও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বসেছি। প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে বসেছি।

‘এই মেশিনের (ইভিএম) ব্যাপারে প্রযুক্তিবিদদের বক্তব্যের পর এখনই কোনো কিছু বলতে চাচ্ছি না। শুধু বলতে চাচ্ছি, এই মেশিনের বিষয়ে আরও কয়েকটি মিটিং করব। পলিটিক্যাল পার্টিকে ডাকা হবে।’

একজন টেকনিক্যাল ব্যক্তি মেশিন নিয়ে মূল্যায়ন করতে পারেন উল্লেখ করে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা সেই পার্সপেকটিভ থেকে টেকনিক্যাল পার্সনদের ডেকেছি। পলিটিক্যাল পার্টিগুলোকেও আমরা অনুরোধ করব তাদের যে টেকনিক্যাল টিম আছে কিংবা যদি থাকে তাদের দিয়ে এটি যাচাই করার জন্য।’

সিইসি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে প্রযুক্তিবিদরা বলেছেন যে ম্যানিপুলেশন করার সুযোগ নেই। আমার কিন্তু আস্থা রাখতে হবে ওইসব মানুষের ওপর, যারা এই জিনিসগুলো বোঝেন, যারা প্রোডাক্টগুলো তৈরি করেছেন। প্রযুক্তিবিদরা আশ্বস্ত হয়েছেন। আমরা আরও কয়েকটি বড় মিটিং করব।

‘পলিটিক্যাল পার্টিগুলো রাজনীতির মাঠে বলছে যে এটা মন্দ মেশিন, ভালো মেশিন না। আমরা লিখিতভাবে জানতে চাইব তারা কী কী সমস্যা পাচ্ছে। তাদেরকে বিষয়গুলো লিখিতভাবে জানাতে বলব। আমরা যেন সিস্টেমেটিক্যালি অ্যাড্রেস করার সুযোগ পাই।

‘আমাদের হয়তো লিমিটেশন আছে। কিন্তু চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকবে না। আমরা যথেষ্ট চেষ্টা করব, যেন সবার আস্থা অর্জন করতে পারি। ইভিএম ভালো না খারাপ তা নিয়ে এখনই কিছু বলব না। আপনাদের আর একটু অপেক্ষা করতে হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে আমরা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমারা ইভিএমে ৩০০ আসনে ভোট করব, না ১০০ আসনে করব, নাকি মোটেই করব না; ইভিএম পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে যথাসময়ে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

ইভিএম প্রদর্শন শেষে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটা মেশিন খুলে দেখেছি। অত্যন্ত চমৎকার একটা মেশিন। আমার মনে হয় পৃথিবীর কম দেশেই এই মূল্যবান জিনিসটা আছে। অত্যন্ত সহজভাবে এটা চালানো সম্ভব।

‘রাজনৈতিক দলগুলোকে অনুরোধ করব, আপনারা এই নতুন মেশিনটা ব্যবহার করুন। তাতে আপনাদেরই লাভ হবে। অন্য যেকোনো মেশিন থেকে এটা আধুনিক। এটি এমনভাবে করা যে ম্যানিপুলেট করার সুযোগ নেই।’

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এম কায়কোবাদ বলেন, ‘কোনো মেশিনকে শতভাগ বিশ্বাস করা যাবে না। তবে এখানে ইভিএমের প্রতিটি অংশ এমনভাবে কাস্টমাইজড করা হয়েছে যে একজন ইচ্ছে করলেই পরিবর্তন করতে পারবে না। আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা যথেষ্ট দক্ষ এবং তাদেরকে আমরা বিশ্বাস করতে পারি।

এই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতদের যে কনফিডেন্স ও প্রাউড কমিটমেন্ট সেটা আমি নিশ্চিত হয়েছি। এটা খুবই ভালো একটি মেশিন তৈরি করা হয়েছে। আশা করি এটা ডিসপ্লে করা হবে এবং যে কেউ টেস্ট করতে পারবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানোর বিধান নির্বাচন কমিশনে রয়েছে এবং আশা করি তারা সেটা করবে।’

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব খান (অব.), বেগম রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মতিন সাদ আবদুল্লাহ, ড. মো. মাহফুজুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) পরিচালক মেজর জেনারেল সুলতানুজ্জামান মো. সালেহ উদ্দিন, সেনা কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনে আসতে কাউকে বাধ্য করা সম্ভব না: সিইসি
আস্থার সংকট কাটিয়ে নির্বাচন করতে চাই: সিইসি
নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে কিছু বলবে না ইসি
প্রভুর মতো আচরণ নয়: কর্মকর্তাদের সিইসি
আমাদের হারানোর কিছু নাই: সিইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs allegations about Padma Bridge are of a perverted mind Quader

পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপির অভিযোগ বিকৃত মস্তিষ্কের: কাদের

পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপির অভিযোগ বিকৃত মস্তিষ্কের: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছিলেন যে পদ্মা সেতু হবে না; এ সরকার কখনো তা করতে পারবে না। বাস্তবতা হলো, পদ্মা সেতু হয়ে গেছে; শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। তাই বিএনপি ও তার দোসরদের বুকে বড় জ্বালা।’

পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপি নেতাদের বিভিন্ন অভিযোগ তাদের বিকৃত মস্তিষ্কের উদ্ভট আবিষ্কার বলে মন্তব্য করেছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় বিএনপি ও তার দোসরদের বুক জ্বালা করে।

বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য নবায়ন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে ঢাকার নিজ বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ মন্তব্য করেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছিলেন যে পদ্মা সেতু হবে না; এ সরকার কখনো তা করতে পারবে না। বাস্তবতা হলো, পদ্মা সেতু হয়ে গেছে; এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। তাই বিএনপি ও তার দোসরদের বুকে বড় জ্বালা। অথচ পদ্মার দুই পাড়সহ সারা দেশে জনগণের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।’

আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি দেশের জনগণকে কী দেখাবে- এমন প্রশ্ন তোলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘তাদের দেখানোর কিছু নেই। বিএনপির শাসনামলে হাওয়া ভবনের দুর্নীতি, তারেক রহমানের দুর্নীতি আর তাদের নেত্রীর এতিমের টাকা আত্মসাতের দুর্নীতি ছাড়া জনগণকে দেখানোর মতো আর কিছু নেই।’

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভালো আচরণ করে মানুষকে খুশি করতে হবে। তা না হলে শেখ হাসিনার এতো সাফল্য, অর্জন ও উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাবে।

‘চট্টগ্রামে দলের কোন্দল আর দেখতে চাই না। দ্রুত চট্টগ্রাম মহানগর এবং উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন করতে হবে। দল থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিয়ে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে।’

২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে চট্টগ্রামসহ সারাদেশের নেতাকর্মীদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বন জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বেগম ওয়াসিকা আয়েশা খানম, উপ-প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

এর আগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কবির সমাধিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে দলের সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী চেতনার ধারক ও বাহক ছিলেন। তার গান আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

‘বাংলাদেশে আজও সাম্প্রদায়িকতার শাখা-প্রশাখা আছে। বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ উৎপাটন করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু হওয়ায় বিএনপি নেতাদের বুকে বিষজ্বালা: কাদের
বৈশ্বিক প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, কিছু করার নাই: কাদের
‘শেখ হাসিনা জাতিকে আর কত দেবেন’
পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার নামে না হওয়া অন্যায়: সেতুমন্ত্রী
টাকা তো পাচার করেছেন তারেক রহমান: ওবায়দুল কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong Metropolitan Awami League Council 1 October

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ১ অক্টোবর 

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ১ অক্টোবর 
হানিফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মূল শক্তি জনগণ। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে হবে। এজন্য দলের সঙ্গে মুনাফেকি করবে না, পদ-বাণিজ্য করবে না-এমন যোগ্য লোককে মাঠ থেকে খুঁজে নিয়ে আসতে হবে। সুবিধাভোগী ও তেলবাজরা সবসময় আশেপাশে ঘুরবে। তাদের দিয়ে সংগঠনের কোনো উপকার হয় না।’
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান অনুষ্ঠানে বুধবার দুপুরে এ ঘোষণা দেন তিনি। নগরের কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, ‘নগর আওয়ামী লীগের সব ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরের আগেই সম্পন্ন হবে। আর ১ অক্টোবরের কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে মহানগর আওয়ামী লীগ নতুন আঙ্গিকে আসবে।’
সংগঠনকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মূল শক্তি জনগণ। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে হবে। এজন্য দলের সঙ্গে মুনাফেকি করবে না, পদ-বাণিজ্য করবে না-এমন যোগ্য লোককে মাঠ থেকে খুঁজে নিয়ে আসতে হবে। সুবিধাভোগী ও তেলবাজরা সবসময় আশেপাশে ঘুরবে। তাদের দিয়ে সংগঠনের কোনো উপকার হয় না।’
আওয়ামী লীগের এ কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশকে দরিদ্র দেশ থেকে উন্নয়ন রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন আওয়ামী লীগ। দেশের সব উন্নয়নের সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে আগামী ৩১ সালে মধ্যে আয়ের রাষ্ট্রে পরিণত হবে।’
বিএনপি প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করছে উল্লেখ করে মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, ‘তারা দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে অশান্ত পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। বিএনপি দেশের উন্নয়ন চায় না। তারা বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসসবে দেখতে চায়। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার শক্তি বিএনপি-জামায়াত অপশক্তির নেই। সরকারের বিরুদ্ধে তাই প্রতিদিন প্রেসক্লাবে বিএনপি মিথ্যাচার করে যাচ্ছে।’
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান, কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বেগম ফরিদুন্নাহার লাইলী, কেন্দ্রীয় উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is afraid to come to the polls Information Minister

বিএনপি নির্বাচনে আসতে ভয় পায়: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি নির্বাচনে আসতে ভয় পায়: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন, সিটি নির্বাচন কোথাও অংশ নিতে চায় না। কারণ তারা জানে, নির্বাচনে এলে তাদের ভরাডুবি হবে। আমি চাই, বিএনপি ভীতি কাটিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।’

বিএনপিকে নির্বাচন ভীতি পেয়ে বসেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহ্‌মুদ।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন, সিটি নির্বাচন কোথাও অংশ নিতে চায় না। কারণ তারা জানে, নির্বাচনে এলে তাদের ভরাডুবি হবে। আমি চাই বিএনপি ভীতি কাটিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।’

কুমিল্লায় বুধবার এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সময়ের সঙ্গে কুমিল্লায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে দাবি করে আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কুমিল্লায় এখন উঁচু দালানকোঠা তৈরি হয়েছে। সড়ক প্রশস্ত হয়েছে। এগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ।’

জেলা প্রশাসন ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় কুমিল্লায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘নজরুলের সঙ্গে কুমিল্লার নিবিড় সম্পর্ক ছিল। তিনি এখানে তার স্ত্রী নার্গিসকে নিয়ে কবিতা লেখেন।’

এর আগে বেলা ১১টায় বেলুন উড়িয়ে তিন দিনব্যাপী নজরুল জন্মজয়ন্তীর উদ্বোধন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন (রিমি), কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ও খিলখিল কাজী। স্বাগত বক্তব্য দেন সংস্কৃতি সচিব মো. আবুল মনসুর।

এ ছাড়া স্মারক বক্তব্য দেন নজরুল গবেষক অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জানান কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। আলোচনার পর অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
নির্বাচন ছাড়া বিএনপির সামনে পথ নেই: নানক
দুই-এক মাসের মধ্যে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ: সিইসি
পদ্মায় চুবনি: আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ফখরুলের
ওবায়দুল কাদের সাহেব মিথ্যার মহারাজা: রিজভী
এ্যানির বক্তব্যের ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেবে লক্ষ্মীপুর আ. লীগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People will judge one day Rizvi

জনগণ একদিন বিচার করবে: রিজভী

জনগণ একদিন বিচার করবে: রিজভী নয়াপল্টনে বুধবার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মানববন্ধনে রুহুল কবির জিরভী। ছবি: নিউজবাংলা
রিজভী বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বারবার গণতন্ত্র উদ্ধারকারী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে নোংরা কথা বলেছেন, হত্যার হুমকি দিয়েছেন। আপনি যে অপরাধ করেছেন, এর বিচার একদিন বাংলার জনগণ করবে।’

পদ্মা সেতু সংক্রান্ত ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। তিনি বলেছেন, জনগণ একদিন এর বিচার করবে।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বুধবার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের এক মানববন্ধনে এ কথা বলেন রিজভী।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনি ছাত্রলীগকে দখলবাজ বানিয়েছেন, চাঁদাবাজ বানিয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বারবার গণতন্ত্র উদ্ধারকারী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে নোংরা কথা বলেছেন, হত্যার হুমকি দিয়েছেন। আপনি যে অপরাধ করেছেন, এর বিচার একদিন বাংলার জনগণ করবে।

রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনি আপনার বক্তব্য বিশ্লেষণ করলেই বুঝতে পারবেন, আপনার অপরাধ কী? আপনি হত্যার হুমকি দেন খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেবেন। এইটা জঘন্য হত্যার হুমকি।

‘ইলিয়াস আলী কই? চৌধুরী আলম কই? সাইফুল ইসলাম হিরু কই? এসব গুমের অপরাধ। ছাত্রনেতা জনিকে ক্রসফায়ার দেয়া হয়েছে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘গুণ্ডাদেরও একটা নৈতিকতা থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা যেভাবে ছাত্রীদের ওপর হামলা করেছে তা কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসীদের কাজ। ছাত্রলীগ মেয়েদের লাঞ্ছিত করে। ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে।’

সামনে বাংলাদেশ বিএনপির ব্যাপক আন্দোলন আসছে জানিয়ে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আগামী দিনে বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যাপক আন্দোলন কর্মসূচি আসছে। এই জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। সেই আন্দোলনে অবশ্যই জাতীয়তাবাদী মহিলা দল সম্মুখ সারিতে উপস্থিত থাকবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’

মহিলা দলের সহসভাপতি ইয়াসমিন আরা হকের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, ঢাকা মহানগর মহিলা দলের নায়াবে ইউসুফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ‘অ্যাটেম্পট টু মার্ডার’: রিজভী
ওবায়দুল কাদের সাহেব মিথ্যার মহারাজা: রিজভী
নিত্যপণ্যের দাম আলোর গতিতে দৌড়াচ্ছে: রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Instructions to assist teachers in updating the voter list

ভোটার তালিকা হালনাগাদে শিক্ষকদের সহায়তার নির্দেশ

ভোটার তালিকা হালনাগাদে শিক্ষকদের সহায়তার নির্দেশ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে শিক্ষক-কর্মচারীদের সহায়তা করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরীর সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ১৬ মে‘র স্মারকপত্রে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ২০২২ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সার্বিক সহযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে নির্দেশনা দিতে অনুরোধ করা হল।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ভোটার তালিকা হালনাগাদে সরকারি, বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের সহায়তা করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরীর সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আদেশে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ১৬ মে‘র স্মারকপত্রে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ২০২২ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সার্বিক সহযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে নির্দেশনা দিতে অনুরোধ করা হল।

জানা গেছে, ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম তাদের এবং বিগত ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যারা বাদ পড়েছেন নিবন্ধনের জন্য তাদেরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ১৪০টি উপজেলা বা থানার তথ্যসংগ্রহ করা হবে। অবশিষ্ট উপজেলা বা থানার সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার বা জেলা নির্বাচন অফিসাররা স্থানীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধন কার্যক্রমের সময়সূচি নির্ধারণ করবেন।

আরও পড়ুন:
৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা শুরু
প্রাথমিকে নিয়োগ: প্রয়োজনীয় কাগজ জমা ২৩ মে পর্যন্ত
জুলাইয়ের মধ্যে প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রতিমন্ত্রী
নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস সরবরাহের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আটক
হৃদয় মণ্ডলের ধর্ম অবমাননার প্রমাণ মেলেনি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Students will hold a protest rally

বিক্ষোভ সমাবেশ করবে ছাত্রদল

বিক্ষোভ সমাবেশ করবে ছাত্রদল সংঘর্ষের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলায় ছাত্রদলের নারী নেত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৮০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনেকের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটাপন্ন।

ছাত্রলীগের হামলায় নেতাকর্মী জখমের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদল ২৬ মে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়) বিক্ষোভ সমাবেশ করবে। পরদিন সংগঠনটি একই কর্মসূচি পালন করবে জেলা ও মহানগরে।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার রাতে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন।

বিক্ষোভ সমাবেশ করবে ছাত্রদল
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ছবি: নিউজবাংলা

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলায় ছাত্রদলের নারী নেত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৮০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনেকের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটাপন্ন। ক্যাম্পাসে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনের সময় হকিস্টিক, রড, রামদা, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

তিনি বলেন, ‘হামলায় ছাত্রদলের নেত্রী মানসুরা আলম, রেহেনা আক্তার শিরীন, শানজিদা ইয়াসমিন তুলি, সৈয়দা সুমাইয়া পারভীন, তন্বী মল্লিক রেহাই পাননি। তাদেরকে সড়কে ফেলে পেটানো হয়েছে। দুজন ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে শহীদুল্লাহ হলের ড্রেনে ফেলে নির্যাতন করা হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে আহত নেতাকর্মী ও চিকিৎসকদের হয়রানি করছে ছাত্রলীগের কর্মীরা।’

সংবাদ সম্মেলনে আহত নেতাকর্মীদের তালিকা তুলে ধরেন ছাত্রদলের নেতারা। এ তালিকায় কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র সহ সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আফসার মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক আকতারুজ্জামান আক্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহবায়ক আকতার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক খোরশেদ আলম সোহেলসহ বিভিন্ন স্তরের নেতারা রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
রামদা হাতে সেই তরুণ ছাত্রলীগ নেতা ডিটু
ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের মশাল মিছিল
ছাত্রদলের ওপর ‘সন্ত্রাসী হামলার’ বিচার চায় সাদা দল
ছাত্রদল নেতাকর্মীকে পেটানোদের গ্রেপ্তার চান ফখরুল

মন্তব্য

p
উপরে