× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Three years after the end of the term the volunteer group has a huge full committee
google_news print-icon

মেয়াদ শেষের তিন বছর পর স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাউস ‘পূর্ণাঙ্গ কমিটি’

মেয়াদ-শেষের-তিন-বছর-পর-স্বেচ্ছাসেবক-দলের-ঢাউস-পূর্ণাঙ্গ-কমিটি
পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
এই কমিটি কেবল ঢাউস এমন নয়, আরও কিছু নজিরবিহীন ঘটনাও দেখা গেছে। কমিটিতে সহসভাপতি করা হয়েছে ২৯ জনকে। আর সদস্য করা হয়েছে এমন দুই জনকেও মর্যাদা দেয়া হয়েছে সহসভাপতির। সহ সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে ৩৪ জনকে। আরও ৬ জন সদস্যকে দেয়া হয়েছে একই মর্যাদা। সহ সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে ৬৩ জনকে। আবার একই মর্যাদার সদস্য করা হয়েছে ১৪ জনকে।

সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণার চার বছর পর ‘আংশিক কমিটি’ ঘোষণার আরও দুই বছর পর এবার ৩৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করল বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল।

২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর শফিউল বারী বাবুকে সভাপতি ও আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটির মেয়াদ ছিল তিন বছর।

২০১৯ সালের অক্টোবরের মধ্যে নতুন নেতাদের হাতে কমিটির দায়িত্ব দেয়ার কথা। অথচ এর প্রায় এক বছর পর ২০২০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হয় সংগঠনের ১৮৬ সদস্যের ‘আংশিক’ কমিটি। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এর আগে ২৮ জুলাই মারা যান সভাপতি শফিউল বারী বাবু।

বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার তথ্য জানানো হয়।

এই কমিটি কেবল ঢাউস এমন নয়, আরও কিছু নজিরবিহীন ঘটনাও দেখা গেছে। কমিটিতে সহসভাপতি করা হয়েছে ২৯ জনকে। আর সদস্য করা হয়েছে এমন দুই জনকেও মর্যাদা দেয়া হয়েছে সহসভাপতির।

সহ সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে ৩৪ জনকে। আরও ৬ জন সদস্যকে দেয়া হয়েছে একই মর্যাদা।

সহ সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে ৬৩ জনকে। আবার একই মর্যাদার সদস্য করা হয়েছে ১৪ জনকে।

বাবুর মৃত্যুর পর তার নেতৃত্বে থাকা কমিটির সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান পান স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির দায়িত্ব।

পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহসভাপতি হয়েছেন ২৯ জন। এদের মধ্যে আবার বিভাগভিত্তিক সহসভাপতি করা হয়েছে ১০ জনকে।

বিভাগভিত্তিক বাদে সহসভাপতিরা হলেন: গোলাম সরোয়ার, আসাদুজ্জামান নেসার, আনু মোহাম্মদ শামীম আজাদ, আজহারুল হক মুকুল, এ বি এম পারভেজ রেজা, শাহাবুদ্দিন মুন্না, ইকবাল আনসারী টিপু, চৌধুরী ওয়াহিদুর রহমান চয়ন, সুলতান মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন, মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, ওয়াহিদ ইমতিয়াজ বকুল, আসফ কবির চৌধুরী শ্বাশত, শরিফুল ইসলাম দুলু, জামাল হোসাইন তালুকদার, রফিক হাওলাদার, জামির হোসেন, এমদাদুল হক এমদাদ, আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল এবং এ কে এম আবুল কালাম আজাদ।

বিভাগভিত্তিক সহসভাপতি হয়েছেন: আরিফ হোসেন হাওলাদার (ঢাকা বিভাগ), শওকত আজম খাজা (চট্টগ্রাম বিভাগ), নুসরাত এলাহী রিজভী (রাজশাহী বিভাগ), তৈয়বুর রহমান (খুলনা বিভাগ), ফরহাদ চৌধুরী শামীম (সিলেট বিভাগ), ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ (বরিশাল বিভাগ), রাশেদ উন নবী খান বিপ্লব (রংপুর বিভাগ), শহিদুল আমিন খসরু (ময়মনসিংহ বিভাগ), সাহাবুদ্দিন ফারুক (কুমিল্লা বিভাগ) এবং হাফিজুর রহমান (ফরিদপুর বিভাগ)।

প্রথম যে কমিটি ঘোষণা করা হয়, তাতে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয় আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েলকে। তিনিই আছেন পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে।

যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন মোট ২১ জনকে। এরা হলেন: সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাদরেজ জামান, কাদের হালিমী, ইলিম মোহাম্মদ নাজমুল আলম, আকতারুজ্জামান বাচ্চু, মোস্তাফিজুর রহমান মনির, আরিফুর রহমান আরিফ, আজগর হায়াত লিমন, মোখলেছুর রহমান, তকদির হোসেন স্বপন, আশ্রাফ উদ্দিন রুবেল, আব্দুল কুদ্দুস, তারিক আহম্মেদ তারেক, মাহাবুব রশিদ মাহবুব, এস এম জাহাঙ্গীর, আহসান হাবিব প্রান্ত, জাকারিয়া আল মামুন, সিরাজুস সালেকিন লিমন, সাইদ উদ্দিন সুমন, সওগাতুল ইসলাম সগীর ও ডি জেড এম হাসান বিন সোহাগ।

কমিটিতে সহ সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে মোট ৩৪ জনকে। এরা হলেন: মহিউদ্দিন মনির, জুলফিকার হোসেন জনি, ফজলুল কবির জুয়েল, সালাউদ্দিন শাহীন, মোকসেদ আলম, রাসেল মাহমুদ, মহিউদ্দিন লোবান, এম জি মাসুম রাসেল, মাহমুদুল বারী, ফরহাদ উদ্দিন, কাজী ইফতেখারুজ্জামান শিমুল, সফিউদ্দিন সেন্টু, রেজাউর রহমান বাবু, মফিদুল ইসলাম, ওয়াহিদুর রহমান বানী, শহীদুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান বাচ্চু, সরদার মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, সাইদুর রহমান মামুন, আবু জাফর বাদল, যোনাইদ উল্লাহ শোয়েব, আকরাম হোসেন, সেকান্দার আলী ব্যাপারী, সৈয়দ শহিদুল ইসলাম, সরোয়ার হোসেন ভূইয়া রুবেল, ইমরান হোসেন ভূইয়া, সালমা সুলতানা সোমা, জাবেদ জাহাঙ্গীর মুকুল, এ বি এম মুকুল, ইমরুল কায়েস প্রেম, জেড আই কামাল, ফয়সাল আহমেদ খাঁন, এইচ এম জাফর আলি, হাজী নূরুল আলম মোল্লা।

সাংগঠনিক সম্পাদক করা ইয়াসিন আলীকে।

সহ সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে ৬৩ জনকে। এদের মধ্যে বিভাগওয়ারি আছেন একজন করে। বাকি ৫৩ জন হলেন: বাহারুল ইসলাম, বারেক ইকবাল, সারোয়ার হোসেন সারু, আকরামুজ্জামান টোকন, বাবুল সারেং, ইফতেখার সেলিম অগ্নি, বেলাল হোসেন, বেলাল উদ্দিন আহম্মেদ, জসিম উদ্দিন, মোকসেদুর রহমান আবির, বশির উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান খোকন, রাশেদুল ইসলাম রিয়াজ, ফরিদ মিয়া আরমান, আশ্রাফ উদ্দিন জনি, রবিউল ইসলাম পলাশ, রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম মিজান, এইচ এন আশিকুর রহমান, সালেহ আহাম্মদ কাঞ্চন, মাহমুদুল হাসান খোকন, সাজেদুর রহমান পপ্পু, হাসিবুর রহমান মুন্না, একরামুল হক হেলাল, মাহবুবুর রহমান পিন্টু, এইচ এম রাশেদ খান, নাসিমা আক্তার সিমু, মাহাবুবুল হক হেলাল, ফয়েজ আহমেদ সাকিল, সাইফুল সিকদার, ইকবাল হোসেন বাদল, আল ইসলাম ব্যাপারী, মহসিন চৌধুরী রানা, মাসুম ভূইয়া, বদিউল আলম বিপু, রবিউল ইসলাম, খোরশেদ আলম পাটোয়ারী, আনিসুর রহমান, উজ্জ্বল হোসেন, ইকবাল কবির চাকলাদার, আতিকুর রহমান, নাসির উদ্দিন, শাহাবুদ্দিন সিকদার ডালিম, মো: মামুন, রফিকুল ইসলাম, জাকারিয়া লিটন, আরিফ মেহেদি, মোর্শেদ আলম, নূরে আলম জাবেদ, মজিবুর রহমান, আবু সাঈদ ও আলমগীর হোসেন শাহীন।

বিভাগওয়ারী সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন শরিফ ফেরদৌস (ঢাকা বিভাগ), বেলায়েত হোসেন বুলু (চট্টগ্রাম বিভাগ), জাকির হোসেন রিমন (রাজশাহী বিভাগ), জি এম গালিব ইমতিয়াজ নাহিদ (খুলনা বিভাগ), স্বাগত কিশোর দাস (সিলেট বিভাগ), আমিনুল ইসলাম লিপন (বরিশাল বিভাগ), নুরুজ্জামান নুরু (রংপুর বিভাগ), রফিকুল ইসলাম শামীম (ময়মনসিংহ বিভাগ), নিজাম উদ্দিন কায়সার (কুমিল্লা বিভাগ) ও রুহুল আমিন মুন্সি (ফরিদপুর বিভাগ)।

কমিটির প্রচার সম্পাদক করা হয়েছে আনিসুর রহমান সুজনকে আর সহ প্রচার সম্পাদক হয়েছেন গোলাম মোর্শেদ রাসেল।

দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে। সহ দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে নাজমুল হাসান ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে।

প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন হুমায়ুন কবির। সহ প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন গাজী সুলতান জুয়েল ও মনিরুজ্জামান মনির।

কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন কামরুজ্জামান জাপান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জাহিদুল কবির।

আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ইলতুতমিস সওদাগর, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মমিনুল ইসলাম, দেলোয়ার জাহান রুমী ও গাজী মাসকুরুল আলম চৌধূরী সৌরভ।

সাহিত্য সম্পাদক নিয়াজ হয়েছেন মাখদুম মাসুম বিল্লাহ। সহ সাহিত্য সম্পাদক হয়েছেন হারুনুর রশিদ হারুন।

ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ইউসুফ হোসেন পাটোয়ারী, সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ।

প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সালাউদ্দিন মোল্লা।

সহ প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন তুহিন।

তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মনিরুল ইসলাম। সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন রাজিবুল ইসলাম।

স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আলাউদ্দিন জুয়েল। সহ স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মোখলেসুর রহমান।

শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহীনুর নার্গিস। সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহিনুল ওয়াহিদ বাবু ও কামাল হাসান জুয়েল।

সমাজকল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন আব্দুল হান্নান মিয়া। সহ সমাজকল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন মাঈন উদ্দিন ইমন।

যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মঞ্জুর মোর্শেদ পলাশ। সহ যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসেন জুয়েল।

মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন তানভির আলম রিমন। সহ মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আকিল মাহামুদ বাবু।

স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মাসুদুর রহমান মাসুদ। সহ স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সামসুজ্জামান সামসু।

বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন কাজী রহিম। সহ বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মেহেদী হাসান মিঠু।

আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন নাসির উদ্দিন শাহীন (যুক্তরাজ্য)। অমি ফেরদৌস (অস্ট্রেলিয়া), সেলিম হোসেন (ইউরোপ), মাকসুদুল হক চৌধুরী (আমেরিকা), আসলাম ফকির লিটন (ফিনল্যান্ড), হাবিবুর রহমান রতন (মালয়েশিয়া), এরশাদ আহমেদ (মধ্যপ্রাচ্য) ও আসাদ মুরাদ তালুকদার (আমেরিকা)।

সহ আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সাইফুল ইসলাম জুয়েল (সাউথ আফ্রিকা)।

তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আতিকুল ইসলাম রিপন। সহ তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহাকুল ইসলাম সবুজ।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আমিনুল ইসলাম তালুকদার মোহসিন। সহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক শাহ আলম তপু।

শিল্প বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মোজ্জাম্মেল হক মৃধা।সহ শিল্প বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন এ এ এম শফি মাহমুদ জুয়েল।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্যোগ বার্তা প্রচার বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহজালাল। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মুর্তজা বশির আপেল। সহ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন গাজী শহিদুজ্জামান মিন্টু।

নির্যাতিত নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আনোয়ার হোসেন। সহ নির্যাতিত নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আতিকুর রহমান আতিক।

ত্রাণ ও পূণর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সাফায়াত হোসেন রিপন। সহ ত্রাণ ও পূণর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন এইচ এম মাসুদ।

কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ফয়েজ উল্লাহ ফয়েজ। সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মো: ইলিয়াস।

আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন গোলাম জিলানী টিপু। সহ আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন হারূনুর রশিদ।

অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মুশফিকুর রহমান লেলিন। সহ অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আরজ আলী শান্ত।

সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মির্জা ইয়াছিন। সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন এইচ এম ওয়াহিদুজ্জামান রাজন।

সমবায় সম্পাদক হয়েছেন মোশারফ হোসেন মশু। সহ সমবায় সম্পাদক হয়েছেন এম আর গণি মোস্তফা।

নাট্য বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন এস এম সোলায়মান সোহেল। সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মহিরুল ইসলাম টিপু।

মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহিনুর সাগর।সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সুমি চৌধুরী।

শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মজিবুল্লাহ মজিব। সহ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন হারুনুর রশিদ হারুন।

পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মাজেদুল হক। সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মাহাবুবুল ইসলাম মিল্টন।

ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মারুফ আহমেদ সিদ্দিকি। সহ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মফিজুল ইসলাম টুকু।

প্রশিক্ষণ ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আবু সাঈদ। সহ প্রশিক্ষণ ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ইসতিয়াক আহমেদ মানিক।

পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আসাদুজ্জামান আসাদ। সহ পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মুক্তার হোসেন।

কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন এম জেড আই জহির। সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জসিম উদ্দিন সরকার।

তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ফরিদ হোসেন। সহ তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন হারুনুর রশিদ হিরন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সাহাবুদ্দিন সাবু। সহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন নূর আমিন লালন।

মৎসজীবী বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন দাউদুল ইসলাম মিশন। সহ মৎসজীবী বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মোমিনুর রহমান মালিতা।

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মাসুম বিল্লাহ। সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আব্দুল মান্নান।

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন গোলাম কিবরিয়া শিপু। সহ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মোস্তফা সারোয়ার সোহান।

প্রবাসীকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন নোমান হাসনাত। সহ প্রবাসীকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন রায়হান আহমেদ রাহি।

গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মিজানুর রহমান লিমন। সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আবু ফয়সাল জেহাদ।

সম্মানিত সদস্য হয়েছেন বীথিকা বিনতে হোসাইন।

বাকি ১০১ জন হয়েছেন সদস্য। এদের মধ্যে সহ সভাপতি পদমর্যাদার আছেন এস এম জিলানী ও ফকরুল ইসলাম রবিন।

যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদার সদস্য আছেন নজরূল ইসলাম, গাজী রেজওয়ান উল হোসেন রিয়াজ, হারুনুর রশিদ হারুন।

সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদার সদস্য আছেন সাইদুল ইসলাম, সাদ মোর্শেদ পাপ্পা সিকদার, আব্দুল কাদের ঝিলন, আজিজুর রহমান মুসাব্বির, আবদুর রহমান বাবুল ও ইদ্রিস মিয়াজী মোহন।

সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদমর্যাদার সদস্য হয়েছেন তালুকদার অমিত হাসান হাফিজ, বাহার মিয়া, তরিকুল ইসলাম ঝলক, আনোয়ার সাদাত সায়েম, নাসির উদ্দিন, আবুল কাউসার আশা, আনোয়ার হোসেন রাজেশ, নাজমুল হাসান অভি, শাহাদাত হোসেন শাহীন, মাহাবুবুর রহমান, নূরুল আলম, শাহরিয়ার শামস কেনেডি, আব্দুল্লাহ আল কায়েস, সিদ্দিক মোল্লা।

বাকিদের মধ্যে সবাই সাধারণ সদস্য। এরা হলেন: আবু হানিফ, হুমায়ুন কবির শিপন, শহিদুর রহমান বাবলু, হোসেন হায়দার (জাপান), জিয়াউল হক মিশন (আমেরিকা), আবুল হোসেন (ইউ কে), নাহিদুল ইসলাম জুয়েল, মাসুদুর রহমান খাদেম, সদস্য আলি হোসেন, দেওয়ান জাকির হোসেন লোবান, শরিফ হোসেন, নূরুল আলম সিদ্দিকী, আবু সাঈদ, মহিউদ্দিন মৃধা, ইফতেখার আলম ফারুক, এজাজুল হক মিরাজ, জহিরুল ইসলাম জহির, তুহিন শাহ, শৈবাল হোসেন, এ কিউ এম বদরুদ্দোজা শওকত, কবির হোসেন, আশ্রাফুর রহমান হিরণ, আব্দুল আলিম, জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়া, নুরুল হক, রাশেদুল কবির রাসেল, শিহাব আহমেদ, আবু সালেহ, মঞ্জুর হোসেন মোল্লা, মির্জা মহসিন, শামীম হোসেন, ইসহাক আহমেদ চৌধূরী মামনুল, ওয়াহেদ উল্লাহ, হেলাল উদ্দিন, শফিকুল ইসলাম বাদল, মোস্তাফিজুর রহমান এলবার্ট, মনিরুজ্জামান মুন্না, তোফায়েল আহমেদ, তৌহিদুল ইসলাম টিটু, ফয়সাল মাহমুদ তালুকদার, ওমর ফারুখ, আলমগীর হোসেন, হানিফ তপন, ইলিয়াস হোসেন আরজু, সাইদুজ্জামান লাল্টু, ফয়সাল আহমেদ পলাশ, কে এম রফিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মজুমদার, সৈয়দ সাজ্জাদ মোর্শেদ সোহান, আমির খাঁন, নূরে আলম দুলাল

৩২৭. সদস্য লুৎফর রহমান খাঁন, মাসুদুর রহমান, আরিফুর রহমান তুষার, অলিউর রহমান রিয়াজ, এমদাদুল হক মোল্লা, খাঁন রাজিব হোসেন রাজু, সোহরাব হোসেন, ইমামুল ইসলাম ইমাম, তরিকুল ইসলাম তারেক, নাদিম হোসেন, রিপন মিয়া, সালাউদ্দিন কাদের, আলমগীর হোসেন, এম নাহিদ হাসান, মনিরুজ্জামান মনির, বি এম বাদল ব্যাপারী, আব্দুল মালেক, ন্সী আলম তিথি, সরোয়ার হোসেন, নাজমুল হাসান খাঁন রাহাত, সদস্য রফিকুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন মারুফ, দেওয়ান মো. সাইফুল আজম বাবু, সদস্য আওলাদ হোসেন ও আনোয়ার হোসেন পিকু।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Jamaat Amir gave 10 kg of mangoes to all members of Parliament

১০ কেজি হারে সংসদের সবাইকে আম উপহার দিলেন জামায়াত আমির

১০ কেজি হারে সংসদের সবাইকে আম উপহার দিলেন জামায়াত আমির ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী, সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ উপহার পাঠিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান।

সংসদ সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেকের জন্য ১০ কেজি ওজনের একটি করে সুদৃশ্য উপহার প্যাকেট পাঠানো হয়েছে। স্পিকার থেকে শুরু করে সংসদের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছেও এই উপহারগুলো সফলভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) সকাল থেকেই সংসদ ভবনের করিডোরগুলোতে এই ১০ কেজির প্যাকেটে কী আছে, তা নিয়ে তীব্র কৌতূহল দেখা দেয়। পরবর্তীতে সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে জানা যায়, বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পাঠানো এই সুদৃশ্য প্যাকেটে ছিল মূলত চলতি মৌসুমের প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সুস্বাদু আম।

অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা সংসদের প্রতিটি দপ্তরে গিয়ে এই উপহার পৌঁছে দেন।

বিরোধীদলীয় নেতার দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা জানান, এই উপহার বিতরণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও অনন্য দিক ছিল এর সমবণ্টন নীতি, যার ফলে সংসদের কোনো স্তরের মানুষই এই তালিকা থেকে বাদ যাননি।

সাধারণত দেখা যায় ভিআইপি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাই বিভিন্ন ধরনের উপহার পেয়ে থাকেন, কিন্তু ড. শফিকুর রহমানের এই বিশেষ উপহার তালিকায় সংসদের ঝাড়ুদার, পিয়ন, লিফটম্যান ও গাড়িচালকরাও সমভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

আকস্মিক এই উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে সংসদ সচিবালয়ের একজন সাধারণ অফিস সহায়ক বলেন যে, তাঁরা ছোট চাকরি করার কারণে বড় বড় নেতাদের উপহার বা সুযোগ-সুবিধা কেবল দূর থেকেই দেখে অভ্যস্ত। আজ বিরোধীদলীয় নেতা নিজে তাঁদের মতো সাধারণ কর্মচারীদের কথা মনে করে ১০ কেজির এই উপহার পাঠিয়েছেন, যা তাঁদের জন্য অত্যন্ত বড় সম্মানের ও আনন্দের বিষয়।

বাংলাদেশের চেনা ও ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সরকারি ও বিরোধীদলের সম্পর্কের বরফ যেখানে সহজে গলতে চায় না এবং দলগুলোর মধ্যে তীব্র দূরত্ব বজায় থাকে, সেখানে জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমানের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সরকারি দলের অনেক সংসদ সদস্যও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সুস্থ ধারা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP party MP wanted to ban Jamaat politics in Parliament

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপি দলীয় এমপি

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপি দলীয় এমপি ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।

সোমবার (২২ জুন) সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যকালে জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যে দলটি ১৯৭১ সালে এদেশের মহান স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল এবং বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরোধিতা করেছিল, তারা এই স্বাধীন দেশে রাজনীতি করতে পারে না।

তিনি সংসদের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, ফ্যাসিস্টদের মতো জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিও বাংলাদেশে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হোক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণার তীব্র সমালোচনা করে রফিকুল ইসলাম জামাল আরও বলেন, শুধু নামের পরে ইসলাম থাকলেই প্রকৃত ইসলাম হয় না। যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন এবং গত নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত দেওয়ার মতো কথা বলেছেন, তাদের কর্মকাণ্ড সবাই দেখেছে।

নির্বাচনী প্রচারণার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিড়ির সুখটানের মধ্য দিয়েও সকল পাপ মওকুফ হওয়া যাবে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। এভাবে ইসলামের নামে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য নিয়ে যারা রাজনীতি করছে, তারা মূলত স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফয়জুল হক মন্তব্য করেছিলেন যে বিড়িতে সুখটানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারেন, যে কারণে পরবর্তীতে জামায়াত তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছিল।

একই অধিবেশনে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ পবিত্র মসজিদ ও মাদ্রাসায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানান।

তিনি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর এবং সেখানে মানুষ কেবল নামাজ ও কোরআন শরিফ পড়বে, কিন্তু একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল মসজিদে গিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

তিনি দেশের কোনো মসজিদ বা মাদ্রাসায় যেন রাজনৈতিক মিটিং করা না যায়, সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে রেজা আহমেদ আরও বলেন, অন্য সব রাজনৈতিক দল যেভাবে প্রকাশ্যে মাঠে, স্কুলে বা কোনো হলরুমে কর্মীসভা ও জনসভা করে, তাদেরও ঠিক সেই ব্যবস্থা করতে হবে এবং পবিত্র মসজিদে বসে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা তারা করতে পারবে না।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nationwide NCP protest call to demand justice for Awami Leagues genocide

আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী এনসিপির বিক্ষোভের ডাক

আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী এনসিপির বিক্ষোভের ডাক ছবি: সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের শাসনমলে সংঘটিত সকল গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগামী ২৩ জুন মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় একযোগে দেশের সকল জেলা ও মহানগর পর্যায়ে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। সোমবার (২২ জুন) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দীনা স্বাক্ষরিত এক জরুরি নির্দেশনার মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাতে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড, গুম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চালানো গণহত্যার দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করাই এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য। সংগঠনের সকল জেলা ও মহানগর কমিটিকে নিজ নিজ এলাকায় নির্ধারিত সময়ে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি সফল করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এনসিপি নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, গত দেড় দশকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথের আন্দোলন থেকে পিছু হটবেন না।

দলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে যে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রশ্নে তারা কোনো ধরনের আপস করবে না। জনগণের ন্যায্য দাবি আদায় এবং বিগত সরকারের দুঃশাসনের শিকার ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে থেকে তাদের অতীত অপকর্মের বিচারের দাবি জোরালো করাই এই বিক্ষোভের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 party alliance including Jamaat is taking to the streets on the day of the founding anniversary of banned activities

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে নামছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে নামছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট ছবি: সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় জোটের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে একটি বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। সোমবার মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটির এক বৈঠক শেষে এই কর্মসূচির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে গণমাধ্যম।

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গণহত্যার বিচার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা, গত সরকারের আমলে হওয়া গুম ও খুনের বিচার নিশ্চিত করা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তবে জোটের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো জানিয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যাতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে কোনো ঝটিকা মিছিল বা শোডাউন করতে না পারে, তা ‘ঠেকাতে’ এবং রাজপথ নিজেদের দখলে রাখতেই মূলত এই কৌশলগত কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় বিজয়নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং আগামী ৪ জুলাই সারাদেশের জেলা শহরগুলোতে মিছিল ও সমাবেশ পালন করবে জোটটি। হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে এই বিচার শেষ করে দোষীদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।” আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে কর্মসূচি পালন প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, এটি একটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং কোনো নিষিদ্ধ দলের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করার দায়িত্ব সরকারের।

অন্যদিকে, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সমালোচনা করে অবিলম্বে দুর্নীতির অবসানের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষায় আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের বিশেষ কর্মসূচি পালন করবে এই ১১ দলীয় জোট। এই কর্মসূচির চূড়ান্ত রূপরেখা আগামী ২৫ জুন বৈঠকের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Before the election my wife took a loan from Islami Bank to buy a flat Dr Shafiqul Islam Masood

নির্বাচনের আগে আমার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ফ্ল্যাট কেনার জন্যে: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

নির্বাচনের আগে আমার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ফ্ল্যাট কেনার জন্যে: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার (১৬ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকার বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের আগে বিনা জামানতে আপনার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন, আসলেই কি বিষয়টা এমন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ ঋণ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। অত্যন্ত নিয়ম মেনেই তিনি এই হোম লোন নিয়েছেন জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, একটা ব্যাংক থেকে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, তার এই দুই কোটি টাকার লোন নেওয়াটা তো আলোচনার মধ্যে আসার বিষয়ই না।

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এদিকে নির্বাচনের আগে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার স্ত্রীর নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, জামায়াতের নেতারা নিজের নামে নয় বরং আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু বান্ধব বা দলের সাধারণ কর্মীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে। এজন্য তাদেরকে ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপী দেখানোর কোন সুযোগ নেই। আবার তাদের ক্ষমতা দেখেন, বিনা জামানতে তারা কোটি কোটি টাকা ঋণ পায়, কিন্তু আমি আপনি কি পাবো?

মাসুদ দাবি করেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nation must prepare for another revolution Jamaat Amir warns

আরেকটি বিপ্লবের জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নিতে হবে: জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি

আরেকটি বিপ্লবের জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নিতে হবে: জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও দলীয় প্রভাবমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে রাজপথে আন্দোলনের আগ্নেয়গিরি তৈরি করা হবে এবং আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে ১১ দলের বৃহৎ বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশবাসীর প্রতি এই আহ্বান জানান।

জামায়াত আমির তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত নির্বাচনে চুরি, ডাকাতি ও নানা রকম ইঞ্জিনিয়ারিং করে তাদের নিশ্চিত ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এত বড় অন্যায়ের পরও দেশে যাতে কোনো ধরনের গৃহযুদ্ধ বা চরম বিশৃঙ্খলা শুরু না হয়, মূলত সেই বৃহত্তর স্বার্থে তাঁরা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই সনদ যদি দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হয়, তবে এবার আর সংসদে নয়, বরং রাজপথেই চূড়ান্ত ফয়সালার ব্যবস্থা করা হবে।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিভাগীয় সমাবেশে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক এবং এনসিপির নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রমুখ।

সমাবেশে উপস্থিত দলের শীর্ষ নেতারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেন এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dr Yunus never called me a mastermind Mahfuz Alam

ড. ইউনূস আমাকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড বলেননি: মাহফুজ আলম

ড. ইউনূস আমাকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড বলেননি: মাহফুজ আলম ছবি: সংগৃহীত

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমাকে কখনোই ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেননি। এমনটাই দাবি করেছেন, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

সম্প্রতি একটি অনলাইন টকশোতে অংশ নিয়ে এই বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে যেয়ে মাহফুজ আলম বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁকে নিয়ে দুটি কথা বলেছেন, কিন্তু তাঁর বক্তব্যের কোথাও ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটি ব্যবহার করেননি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মাস্টারমাইন্ড শব্দটি সাধারণত একটি নেতিবাচক বা কুখ্যাত অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

নিজের বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূস মূলত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দিতে ‘ব্রেইনস বিহাইন্ড’ বা নেপথ্যের চিন্তাকারী শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেছিলেন।

পশ্চিমা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনায় এ ধরনের শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং ইতিবাচক হলেও বাংলাদেশে এটিকে ভিন্নভাবে এবং ভুল অর্থে উপস্থাপন করা হয়েছে।

একই সাথে তিনি তাঁর দাবি প্রসঙ্গে বলেন, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমও এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। পরিশেষে মাহফুজ আলম আক্ষেপ প্রকাশ করে দাবি করেন, তাঁকে ঘিরে তৈরি করা সমস্ত ব্যাখ্যা বা ন্যারেটিভগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিন্নভাবে ফ্রেম বা সাজানো হয়েছে, যার সাথে প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া বাস্তব বক্তব্যের কোনো মিল নেই।

মন্তব্য

p
উপরে