× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Writ against wrongdoing judge
hear-news
player

‘ভুল ব্যক্তিকে সাজা’, বিচারকের বিরুদ্ধে রিট

ভুল-ব্যক্তিকে-সাজা-বিচারকের-বিরুদ্ধে-রিট ভুল ব্যক্তিকে সাজার অভিযোগে বিচারকের বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছে
‘একজন বিচারক হিসেবে যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ না দিয়ে এতই খামখেয়ালিভাবে বিচার পরিচালনা করেন যে, আমার মক্কেলকে দোষী সাব্যস্ত করার আগে রায়ের আদেশ অংশে উল্লেখিত মোবাইল নম্বর দুইটির মালিকানা সম্পর্কে যাচাই/পরীক্ষা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি। তিনি নিরপরাধ নাগরিককে খেয়ালের বশে অন্যায়ভাবে দণ্ড দিয়েছেন। তিনি বিচারকের আসনে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন বলে আমরা মনে করি।’

ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুল ব্যক্তিকে সাজা দেয়ার অভিযোগ এনে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশকে তার বিচারিক পদ থেকে অপসারণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

আবেদনে ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত পিপি তাপস কুমার পাল ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন তুহিনের অপসারণও চাওয়া হয়েছে।

মঙ্গলাবার হাইকোর্টে রিটটি করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী বদিউজ্জামান তপাদার।

এতে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশ প্রধান, সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ, ডিএমপি কমিশনার, বার কাউন্সিল সচিবসহ ১০ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ, অতিরিক্ত পিপি তাপস কুমার পাল, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন তুহিন ও আসামিপক্ষের আইনজীবীকে তাদের দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।

রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে আদেশ চাওয়া হয়েছে।

ঘটনা তুলে ধরে রিটকারী আইনজীবী বলেন, ‘একজন আসামির পরিবর্তে অন্য একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে সেই আসামি সাজিয়ে খিলগাও থানার একটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দেয়। এ মামলায় সেই তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সেই নির্দোষ ব্যক্তিকে ছয় বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেয়।’
আইনজীবী বলেন, ‘আমার মক্কেল রায়ের তারিখে হাজির ছিল না। পরে গিয়ে তিনি জানতে পারেন তার ছয় বছরের সাজা হয়েছে।

“এরপর তিনি আমার কাছে এসে বললেন, ‘আমি এ মামলার আসামি না। এ মামলার প্রকৃত আসামির বাড়ি নারায়ণগঞ্জে আর আমার বাড়ি চাঁদপুর।’
“পরে আমি তাকে আত্মসমর্পণের পরামর্শ দেই। তার আত্মসমর্পণের পর তার মূল কাগজপত্র আমার কাছে আসে। পরে তার পক্ষে আপিল ফাইল করি, এবং তাকে জামিন করাই।”

তিনি বলেন, ‘এরপর আমি তার সব কাগজপত্র দেখে তার পক্ষে একটা একটা আইনি নোটিশ দেই। দীর্ঘ দিনেও নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট করি।’

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী রোববার রিটটির শুনানি হবে।

২০১৮ সালের ২৭ জুন ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় রাজধানী খিলগাঁও থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় ঢাকা কেরানীগঞ্জের জিনজিরা এলাকার ফজলুল হকের মেয়ে মোসা. ইতি, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জামাল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে আলমগীর বিশ্বাস, পিরোজপুর জেলা জিয়ানগর থানার মৃত হাসানের ছেলে আল আমিন, নারায়ণঞ্জের অজ্ঞাত থানার বাসিন্দা কামাল ও আলামিনসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

রিটকারী আইনজীবী জানান, এ মামলায় নারায়ণগঞ্জের আল আমিনের বদলে একই নামের তার মক্কেলের নাম উল্লেখ করে অভিযোগপত্র দেন।
তবে নাম একই হলে এই আল আমিনের বাবা, ঠিকানা, সবই ভিন্ন। তিনি মগবাজার টিঅ্যান্ডটিতে চাকরি করেন।

আইনজীবী বদিউজ্জামান তপাদার বলেন, ‘একজন বিচারক হিসেবে যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ না দিয়ে এতই খামখেয়ালিভাবে বিচার পরিচালনা করেন যে, আমার মক্কেলকে দোষী সাব্যস্ত করার আগে রায়ের আদেশ অংশে উল্লেখিত মোবাইল নম্বর দুইটির মালিকানা সম্পর্কে যাচাই/পরীক্ষা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি। তিনি নিরপরাধ নাগরিককে খেয়ালের বশে অন্যায়ভাবে দণ্ড দিয়েছেন। তিনি বিচারকের আসনে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন বলে আমরা মনে করি।’

আরও পড়ুন:
ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বন্ধে ইউজিসির নির্দেশ
অর্থ আত্মসাৎ: আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ পুনঃতদন্তের নির্দেশ
জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ব্রিটিশ সরকার
ইমেরিটাস অধ্যাপক হলেন এবিএম আব্দুল্লাহ
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে চীনা চর: এমআই-ফাইভ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two were sentenced to death in the murder case while four were sentenced to life imprisonment

হত্যার দায়ে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

হত্যার দায়ে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী রঞ্জন বসাক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী বুলবুল আহমেদ গোলাপ ও আহসান হাবীব উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

মানিকগঞ্জের ঘিওরে প্রাইভেটকার চালক জাহাঙ্গীর আলম হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী রঞ্জন বসাক নিউজবাংলাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত জাহাঙ্গীর আলম ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ঘোষেবের এলাকার মুকলেসুর রহমানের ছেলে।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন, ওমর হোসেন সাইফুল, আরিফুজ্জামান সজীব; যাবজ্জীবন পেয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফরহাদ হোসেন, মোহাম্মদ আলী সীমান্ত ও আজিম খান। এর মধ্যে সাইফুল, সজীব, সীমান্ত পলাতক। আসামিদের সবার বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কুসন্ডা এলাকায় চালক জাহাঙ্গীর আলমকে শ্বাসরোধে হত্যা করে প্রাইভেটকার নিয়ে পালিয়ে যান আসামিরা। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিন রাতেই ঘিওর থানার এসআই লুৎফর রহমান অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। গ্রেপ্তার করা হয় ছয় আসামিকে। ২০১২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযগপত্র দেয়া হয়।

১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী রঞ্জন বসাক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী বুলবুল আহমেদ গোলাপ ও আহসান হাবীব উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
পারিবারিক বিরোধে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
বাবাকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, পরে মুক্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wife and partner sentenced to death for killing husband

স্বামীকে হত্যার দায়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড

স্বামীকে হত্যার দায়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড
এজাহারে বলা হয়, উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মুক্তি খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামের মনিরুল হকের বিয়ে হয় ২০১৯ সালে। এই বিয়ের আগে মুক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সাইদুলের। মুক্তি বিয়ের পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্বামীকে হত্যায় এক নারী ও তার সঙ্গীর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রায়ে শাস্তি পাওয়া দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা নাজির মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান রানা বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়ারা হলেন উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মুক্তি খাতুন ও বাড়াবিল গ্রামের সাইদুল ইসলাম।

এজাহারে বলা হয়, উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মুক্তি খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামের মনিরুল হকের বিয়ে হয় ২০১৯ সালে। এই বিয়ের আগে মুক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সাইদুলের। মুক্তি বিয়ের পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

বিয়ের দুই মাস পর মনিরুলকে নিয়ে মুক্তি শক্তিপুর গ্রামে দাদা হোসেন আলীর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ঘুমানোর আগে তিনি তার স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। পরে মুক্তি ও তার সঙ্গী মিলে মনিরুলকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

এ ঘটনার পরদিন ৪ জুন নিহতের বাবা জেলহক প্রামানিক শাহজাদপুর থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
পারিবারিক বিরোধে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
বাবাকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, পরে মুক্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ED wants PK Haldar remanded for another 10 days

পি কে হালদারকে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে

 পি কে হালদারকে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে গ্রেপ্তার পি কে হালদার। ছবি: সংগৃহীত
গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আর্থিক জালিয়াতি সংঘটনে ‘বহুমুখী প্রতিভার’ পরিচয় দেয়া পি কে হালদারসহ ছয়জনকে। এরপর তিন দিনের জন্য রিমান্ডে নেয়া হয় তাদের।

হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ মাথায় নিয়ে ভারতে গ্রেপ্তার প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারকে আরও ১০ দিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে পেয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের সিবিআই আদালতে পি কে হালদারসহ ছয়জনকে হাজির করা হয়। সেখানে গ্রেপ্তার পাঁচ পুরুষকে ১০ দিন করে রিমান্ডে চাইলে আদালত কিছুটা সময় নিয়ে হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আর্থিক জালিয়াতি সংঘটনে ‘বহুমুখী প্রতিভার’ পরিচয় দেয়া পি কে হালদারসহ ছয়জনকে। এরপরই তিন দিনের জন্য রিমান্ডে নেয়া হয় তাদের।

গ্রেপ্তারের সময় পি কে হালদারের কাছ থেকে ভারতের নাগরিকত্ব, আধার কার্ডসহ বেশ কিছু নথি জব্দ করে ইডি।

নানা কৌশলে নামে-বেনামে একের পর এক কোম্পানি খুলে, প্রভাব খাটিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধসিয়ে দিয়েছেন পি কে হালদার।

ঋণের নামে টাকা লোপাট, নামে-বেনামে পুঁজিবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনার অভিযোগ রয়েছে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক এই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে।

পি কে হালদার ২০০৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইআইডিএফসিতে উপব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালক ছিলেন। ২০০৯ সালে তিনি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি হয়ে যান। এরপর ২০১৫ সালের জুলাইয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকে এমডি পদে যোগ দেন।

আরও পড়ুন:
বন্দরে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৩৮ মিনিট আগে দেশ ছাড়েন পি কে
পি কে হালদারকে ফেরানো নিয়ে রুলের শুনানি ১২ জুন
পি কে হালদারকে আজ আদালতে তোলা হচ্ছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
PK left the country 36 minutes before the ban arrived at the port

বন্দরে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৩৮ মিনিট আগে দেশ ছাড়েন পি কে

বন্দরে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৩৮ মিনিট আগে দেশ ছাড়েন পি কে ভারতে গ্রেপ্তার পি কে হালদার। ছবি: সংগৃহীত
কর্মকর্তারা বলেছেন, বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর মাত্র ৩৮ মিনিট আগে, অর্থাৎ ৩টা ৫৯ মিনিটে বেনোপল বন্দর দিয়ে দালালের মাধ্যম পি কে হালদার ভারতে পৌঁছে যান।

হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ মাথায় নিয়ে আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার বেনাপোল বন্দর দিয়ে যখন দেশ ছেড়ে ভারতের মাটিতে পা রাখেন; তার কিছু সময় পরই তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার নোটিস পৌঁছায় সে বন্দরে।

পি কে হালদারকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে।

গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পি কে হালদারসহ ছয়জনকে। এরপরই তিনদিনের জন্য রিমান্ডে নেয়া হয় তাদের। মঙ্গলবার এ আসামিদের আবার আদালতে উপস্থিত করা হয়েছে।

ইডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পি কে হালদার তাদের জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর তিনিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় বাংলাদেশ সরকার। সেই নিষেধাজ্ঞা দেশের সব বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, সমুন্দ্রবন্দর ও অভিববাসন কেন্দ্রে পৌছায় ২৩ অক্টোবর বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটি।

কর্মকর্তারা বলেছেন, বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর মাত্র ৩৮ মিনিট আগে, অর্থাৎ ৩টা ৫৯ মিনিটে বেনোপল বন্দর দিয়ে দালালের মাধ্যম পি কে হালদার ভারতে পৌঁছে যান।

সীমান্ত পেরিয়ে পি কে হালদার উত্তর পরগনার অশোকনগরে চলে যান এবং সেখানে তার সহযাগী সুকুমার মৃধার কাছে আশ্রয় নেন বলে জানান ইডি কর্মকর্তারা।

সূত্র জানিয়েছে, ২০১৯ সালে বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতির পর ভারতে পালিয়ে গিয়ে শিবশঙ্কর হালদার নামে পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, পাসপোর্ট গ্রহণ করেন পি কে হালদার। তাকে সাহায্য করেন অশোকনগরের সুকুমার মৃধা।

ইডির তদন্তকারীরা বলছেন, সুকুমারের সঙ্গে পি কের দীর্ঘদিনের পরিচয়। বাংলাদেশ থেকে জালিয়াতি করে পাওয়া টাকা পশ্চিমবঙ্গে নিতে মাছ ব্যবসার আড়ালে পি কে হালদারকে সাহায্য করতেন এই তিনি।

আর্থিক জালিয়াতি সংঘটনে ‘বহুমুখী প্রতিভার’ পরিচয় দিয়েছেন পি কে হালদার। নানা কৌশলে নামে-বেনামে একের পর এক কোম্পানি খুলে, প্রভাব খাটিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধসিয়ে দিয়েছেন তিনি।

ঋণের নামে টাকা লোপাট, নামে-বেনামে পুঁজিবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনার অভিযোগ রয়েছে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে নিজের আত্মীয়, বন্ধু, সাবেক সহকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে পর্ষদে বসিয়ে অন্তত চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখল করেন।

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দীঘিরজান গ্রামে পি কে হালদারের জন্ম। বাবা প্রয়াত প্রণনেন্দু হালদার ও মা লীলাবতী হালদার। তার মা ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। দুই ভাইয়ের মধ্যে পি কে হালদার বড়। ছোট ভাইয়ের নাম প্রীতিশ কুমার হালদার। দুই ভাই-ই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে ব্যবসায় প্রশাসন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

পি কে হালদার ২০০৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইআইডিএফসিতে উপব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালক ছিলেন। ২০০৯ সালে তিনি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি হয়ে যান। এরপর ২০১৫ সালের জুলাইয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকে এমডি পদে যোগ দেন।

আরও পড়ুন:
পি কে হালদারকে ফেরানো নিয়ে রুলের শুনানি ১২ জুন
পি কে হালদারকে আজ আদালতে তোলা হচ্ছে
পি কে হালদারকে কবে ফিরিয়ে আনা যাবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
War crimes Judgment in the case of 3 accused including Hablu of Moulvibazar on Thursday

যুদ্ধাপরাধ: ৩ আসামির রায় বৃহস্পতিবার

যুদ্ধাপরাধ: ৩ আসামির রায় বৃহস্পতিবার ফাইল ছবি
মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামসহ তিন বিচারপতির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য এ দিন ঠিক করে দেয়।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মৌলভীবাজারের আব্দুল আজিজ হাবলুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী বৃহস্পতিবার।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারমান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামসহ তিন বিচারপতির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য এ দিন ঠিক করে দেয়।

এর আগে গত ১২ এপ্রিল মামলাটি সিএভি (রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ) রাখে ট্রাইব্যুনাল।

আব্দুল আজিজ ছাড়া বাকি দুই আসামি হলেন আব্দুল মান্নান ও আব্দুল মতিন। এর মধ্যে আব্দুল মতিন পলাতক।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম সারোয়ার হোসেন ও আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল ও সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি।

পরে সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানার তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। পরে রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়। মামলাটি রায়ের জন্য তালিকায় এলে আগামী ১৯ মে বৃহস্পতিবার রায়ের জন্য দিন ঠিক করে দেয় আদালত।’

তিনি বলেন, ‘এ আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগে শুনানি হয়েছে। আমরা সবগুলো অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করে যুক্তি দিয়েছি। ১৯৭১ সালে আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মতিন দুই ভাই মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিতে ভারতে যান। সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে তারা রাজাকারে নাম লেখান।

‘এর স্বপক্ষে আমরা প্রমাণ জমা দিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭২ সালের মামলাও রয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা তাদের অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করি তাদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।’

আসামি পক্ষের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগের ভিত্তিতে আমার মক্কেলকে ফাঁসানো হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। বরং আমার মক্কেলেরা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর কমান্ডারসহ আতাউল গনি ওসমানির দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট আছে। সুতরাং এ মামলায় আমরা খালাস পাবো এমনটিই প্রত্যাশা করছি।

২০১৮ সালের ১৫ মে এ মামলার বিচার শুরু হয়। এরপর করোনা কারণে দীর্ঘদিন ট্রাইব্যুনালের বিচার কাজ বন্ধ ছিল।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধাপরাধীর সম্পত্তি পরিত্যক্তর বিধান রেখে খসড়া পাস
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার ২ আসামি গ্রেপ্তার
যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি রশিদ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Progress to stop illegal brick kilns 5 DC

অবৈধ ইটভাটা বন্ধের অগ্রগতি জানালেন ৫ ডিসি

অবৈধ ইটভাটা বন্ধের অগ্রগতি জানালেন ৫ ডিসি ফাইল ছবি
আদালতের তলবে উপস্থিত হয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চকে এ বিষয়ে জানান তারা।

ঢাকাসহ আশপাশের পাঁচ জেলার অবৈধ ৪১১ ইটভাটার অধিকাংশই বন্ধ করা হয়েছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

আদালতের তলবে উপস্থিত হয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চকে এ বিষয়ে জানান তারা।

পরে হাইকোর্ট আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে লিখিত দিতে নির্দেশ দিয়ে পাঁচ ডিসি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেয়।

ঢাকা ছাড়াও বাকি জেলাগুলো হলো মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাইনুল হাসান।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘বায়ুদূষণ নিয়ে আমরা যে রিট করেছিলাম, সেই রিটে ঢাকাসহ পাঁচ জেলায় অবৈধ ইটভাটার তালিকা দেয়া হয়েছিল। তা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কয়েক দফা নির্দেশনার পরও তা কার্যকর না হওয়ায় আমরা আদালতে আবেদন করেছিলাম জেলা প্রশাসকদের বিরুদ্ধে।

‘সেই আবেদন শুনে আদালত পাঁচ জেলার জেলা প্রশাসক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে তলব করেছিলেন আদালত। আজ তারা হাজির হয়েছিলেন। আদালতে তাদের বক্তব্য ছিল, তারা সব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানিয়েছেন, তারা ৬৫ শতাংশ অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। আদালত আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তাদের লিখিত দিতে বলেছেন।’

ঢাকা শহর ও আশপাশের এলাকায় বায়ুদূষণ বন্ধে গত ৩০ জানুয়ারি মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট করে।

আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত ১ ফেব্রুয়ারি ওই পাঁচ জেলায় থাকা অবৈধ ইটভাটার তালিকা দাখিল করতে নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া পাঁচ জেলার জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আদালতে তলব করা হয়।

আরও পড়ুন:
হাইকোর্টে দুদিনে সাড়ে ৮ হাজার মামলা নিষ্পত্তি
এক দিনে হাইকোর্টের এক বেঞ্চেই ১৪৯৮ রুলের নিষ্পত্তি
ঢাকা-গাজীপুরসহ ৫ জেলার ডিসিকে তলব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Madrasa teacher arrested for sexually harassing student

ছাত্রকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

ছাত্রকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
মামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার রাত ১০টার দিকে রব্বানি তার মাদ্রাসার এক ছাত্রকে যৌন হয়রানি করেন। ওই ছাত্র চিৎকার করলে রব্বানি তাকে নানা রকম ভয়ভীতি দেখান। সোমবার সকালে শিশুটি বাড়ি ফিরে তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ছাত্রকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

হাতীবান্ধা উত্তর পারুলিয়া এলাকার বটতলা হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে সোমবার রাত ১০টার দিকে গোলাম রব্বানিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি উত্তর পারুলিয়া গ্রামে।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার রাত ১০টার দিকে রব্বানি তার মাদ্রাসার এক ছাত্রকে যৌন হয়রানি করেন। ওই ছাত্র চিৎকার করলে রব্বানি তাকে নানা রকম ভয়ভীতি দেখান। সোমবার সকালে শিশুটি বাড়ি ফিরে তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়।

এরপর সোমবার বিকেলে তার বড় ভাই রব্বানির নামে হাতীবান্ধা থানায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেন।

ওসি বলেন, ‘আমরা শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়ে ওই শিক্ষককে আটক করি। আটকের পর তার নামে করা অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ এ মাসেই
টিকাকেন্দ্রে স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানি, আটক ১
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ
অধ্যক্ষের ‘কলকাঠিতে’ ১৮ মাস বেতন নেই ৭ শিক্ষকের
ইনডেক্সধারী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি না হতে পারার অভিযোগ

মন্তব্য

উপরে