সোমবার মধ্যরাতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। সে রেশে রাতভর উত্তেজনা ছিল রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায়।
মঙ্গলবার সকাল ছিল একেবারে থমথমে। এরপর আবারও পথে নেমে আসেন শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো এলাকা।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রড ও লাঠি-সোটা হাতে দল বেঁধে নিউ মার্কেট এলাকায় আসতে থাকেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। শুরু হয় ভাঙচুর। হাতে লাঠি-সোটা নিয়ে বেরিয়ে আসেন ব্যবসায়ীরাও। বেঁধে যায় তুমুল সংঘর্ষ। দুপুর হলেও সে সংঘর্ষ চলছেই।
নিউমার্কেট এলাকার সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে নিউজবাংলা টোয়েন্টফোরের লাইভ আপডেট।
ছাত্রদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের তদন্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী
দু'পক্ষকে আলাদা রাখা গেলে হয়তো প্রাণহানি এড়ানো যেত: শিক্ষামন্ত্রী
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়েন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নিহতের নাম মো. নাহিদ। তিনি ডেলিভারি ম্যানের কাজ করতেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিউ মার্কেট এলাকায় ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে আহত একজন মারা গেছেন।
নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা একত্রিত হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে।
ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তায় ৩ শতাধিক ছাত্র অবস্থান করেছেন। ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা কলেজের ছাত্ররা প্রধান গেট খুলে রাস্তায় নেমেছেন। তারা স্লোগান দিয়ে রাস্তায় অবস্থান করছেন।

আবারও রাস্তায় নেমেছেন ছাত্ররা। তারা আবারও যান চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। অন্যদিকে নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

ইফতারের পর সায়েন্স ল্যাব থেকে নিউ মার্কেট রোডে যান চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
বিকেল ৫টার পর থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্রদের সড়ক থেকে সরিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে ৫টা ৪৫ মিনিটে যান চলাচল শুরু হয়। ছাত্র ও ব্যবসায়ী দুপক্ষই সড়ক থেকে সরে যায়।
তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশের একমুখী আচরণের অভিযোগ এনে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের উপরই শুধু কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এতে ছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে ইডেন কলেজের ছাত্রীরা। তারা ছাত্রদের ওপর পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ার প্রতিবাদ জানান।

সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকটি ভ্যানগাড়ি।

ঢাকা কলেজ ও নিউ মার্কেট এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তা পথচারীদের জন্য পুলিশ খুলে দিয়েছিল। তবে দুই পক্ষ কিছু সময় শান্ত থাকার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ও ছাত্রাবাস ছাড়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন ছাত্ররা। বিষয়টির সুরাহা করতে অধ্যক্ষ মইনুল হোসেন অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন।
কলেজ ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ঢাকা কলেজ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ছাত্রদের বিকেলের মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পর্যন্ত পথচারীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এখন নির্বিঘ্নে পথচারীরা চলাচল করতে পারছেন।
দীর্ঘ সংঘর্ষের পর প্রশাসনের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে দোকান খুলতে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা নিউ মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি ড. দেওয়ান শাহীন।

শিক্ষার্থীদের অনুরোধে পুলিশ চন্দিমা সুপার মার্কেটের সামনে ও তার আশাপাশ থেকে ঢাকা কলেজের গেইট পর্যন্ত রাস্তা ক্লিয়ার করে দিয়েছে।
সেগুলোতে পড়ে থাকা ইট পাথর নিয়ে অবস্থান করা কর্মচারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। সরে যেতে না চাইলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। তখন শিক্ষার্থীরা কিছুটা শান্ত হন।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে কলেজ গেইট থেকে বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোাগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে ঢাকা কলেজে গিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এর আগে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যও গিয়েছেন ঢাকা কলেজে।

ভবনের ছাদে উঠে সেখান থেকে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট এলাকায় পুলিশের সামনে থেকে কর্মচারীদের সরিয়ে দিলে পুলিশের সঙ্গে কর্মচারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। তারপরও কর্মচারীরা না সরে পুলিশের সামনে অবস্থান করছে।
দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় দেয়া আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। এ সময় ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীরা ফায়ারসার্ভিস কর্মীদের সহায়তা করতে দেখা যায়।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছুড়ছেন নিউ মার্কেট এলাকার এক কর্মচারী (লাল হেলমেট পরা)। 
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা কলেজের ছাত্র ও নিউম মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত অবস্থায় ২৮ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও তারা পুলিশের কথা মানছেন না। পুলিশের সামনে গিয়েই তারা ছাত্রদের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করছেন।


ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি ঘটনাস্থলে অনেক জটিল আকার ধারণ করেছে। টেকনিক্যাল কারণেই পুলিশ ছাত্রদের প্রতি সফট আচরণ করছে। এখানে গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আশা করছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই এ ঘটনা কুল ডাউন হবে। যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী তাদের আইনের মুখামুখি হতে হবে।’
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছেন।
পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রেজাউল বলেন, ‘গতকাল রাতেও পুলিশ ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের দিকে গুলি ছুড়েছে, টিয়ারশেল মেরেছে। আজকেও তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে আমাদের মারছে। আমাদের ক্যাম্পাসের ভিতরে টিয়ারশেল মারতেছে।’
পুলিশের টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং কর্মচারীদের ইট পাটকেলের জবাবে ছাত্ররা ঢাকা কলেজের ভেতর থেকে, ছাদের উপর থেকে ইট পাটকেল ছুড়ছেন।
ঢাকা কলেজের একটি ভ্যানগাড়ি উল্টে দিয়ে আগুন দিয়েছেন নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে এগোচ্ছে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি নিউ মার্কেট এলাকার দোকান কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও ইট পাটকেল ছুড়ছেন।

ঢাকা কলেজের ভেতরে ছাত্রদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেডও ছুড়েছে পুলিশ।
অ্যাকশনে পুলিশ। চদ্রিমা সুপার মার্কেটে ছাত্ররা পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দিলে ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ছুড়ে পুলিশ। এরপর এগোতে থাকে ঢাকা কলেজের দিকে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরিস্থিতি দুপুরের পর স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশ্বাস দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অবশ্য ঈদবাজারের এই সময় নিউমার্কেটকেন্দ্রীক ২০টি মাকের্টে অন্তত শত কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে দাবি করেন হেলাল উদ্দিন।
সংঘর্ষ থামাতে এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ সদস্য যোগ দিয়েছেন।

গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের শতাধিক সহপাঠী আহত হয়েছেন।
জলকামান, টিয়ারগ্যাস নিয়ে পুলিশের একটি দল ঢাকা কলেজের দিকে এগুলেও চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় মার্কেটের কর্মচারীরা পুলিশের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ কর্মচারীদের পিছনে অবস্থান করছে।

আহত সহকর্মীকে আঘাতের প্রতিশোধ নিতে অর্ধশতাধিক কর্মচারী নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে যেতে চান। তবে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই লোহার রড নিয়ে নিউমার্কেটের দিকে এগুতে থাকেন তারা।
পরিকল্পনা করে সংঘর্ষ থামাতে চাইছে পুলিশ। এরইমধ্যে পুলিশ বৈঠকে বসেছে। রমনা ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো কথা বলতে চাননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অ্যাকশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিদ্ধান্ত পেলেই তারা অ্যাকশনে যাবেন বলে বলছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য।


বেলা পৌনে ১টায় জলকামান ও টিয়ারশ্যায়ার গাড়ি নিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর তারা ব্যবসায়ীদের সরিয়ে ঢাকা কলেজের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করে।
ব্যবসায়ীরা সড়ক বিভাজকের লোহার বেষ্টনি ভেঙে লোহার রড সংগ্রহ করে হামলায় যোগ দিচ্ছেন। তাদের হামলায় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক জানান, ব্যবসায়ীরা রড দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটাচ্ছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউমার্কেটের দোকান খুলতে ব্যবসায়ীদের বাধা দিতে মার্কেটে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে ময়লা ফেলে রাখে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।
সফলভাবে অনুষ্ঠিত হল বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের “ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা-২০২৬”। বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, রাজধানীর গুলশানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ। চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যত লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাসহ আগামীর কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও কে. এম. আওলাদ হোসেন। তিনি শাখাভিত্তিক ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমানত সংগ্রহ, মানসম্মত ঋণ বিতরণ এবং গ্রাহকসেবা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম সিকান্দার, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটিও ড. মো. রফিকুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সচিব মো. হুমায়ুন কবির, এফসিএস; বিভাগীয় প্রধানগণ এবং সকল শাখা ব্যববস্থাপকগণ সভায় অংশ নেন।
ছাত্রদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের তদন্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী
দু'পক্ষকে আলাদা রাখা গেলে হয়তো প্রাণহানি এড়ানো যেত: শিক্ষামন্ত্রী
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়েন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নিহতের নাম মো. নাহিদ। তিনি ডেলিভারি ম্যানের কাজ করতেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিউ মার্কেট এলাকায় ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে আহত একজন মারা গেছেন।
নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা একত্রিত হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে।
ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তায় ৩ শতাধিক ছাত্র অবস্থান করেছেন। ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা কলেজের ছাত্ররা প্রধান গেট খুলে রাস্তায় নেমেছেন। তারা স্লোগান দিয়ে রাস্তায় অবস্থান করছেন।

আবারও রাস্তায় নেমেছেন ছাত্ররা। তারা আবারও যান চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। অন্যদিকে নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

ইফতারের পর সায়েন্স ল্যাব থেকে নিউ মার্কেট রোডে যান চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
বিকেল ৫টার পর থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্রদের সড়ক থেকে সরিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে ৫টা ৪৫ মিনিটে যান চলাচল শুরু হয়। ছাত্র ও ব্যবসায়ী দুপক্ষই সড়ক থেকে সরে যায়।
তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশের একমুখী আচরণের অভিযোগ এনে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের উপরই শুধু কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এতে ছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে ইডেন কলেজের ছাত্রীরা। তারা ছাত্রদের ওপর পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ার প্রতিবাদ জানান।

সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকটি ভ্যানগাড়ি।

ঢাকা কলেজ ও নিউ মার্কেট এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তা পথচারীদের জন্য পুলিশ খুলে দিয়েছিল। তবে দুই পক্ষ কিছু সময় শান্ত থাকার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ও ছাত্রাবাস ছাড়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন ছাত্ররা। বিষয়টির সুরাহা করতে অধ্যক্ষ মইনুল হোসেন অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন।
কলেজ ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ঢাকা কলেজ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ছাত্রদের বিকেলের মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পর্যন্ত পথচারীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এখন নির্বিঘ্নে পথচারীরা চলাচল করতে পারছেন।
দীর্ঘ সংঘর্ষের পর প্রশাসনের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে দোকান খুলতে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা নিউ মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি ড. দেওয়ান শাহীন।

শিক্ষার্থীদের অনুরোধে পুলিশ চন্দিমা সুপার মার্কেটের সামনে ও তার আশাপাশ থেকে ঢাকা কলেজের গেইট পর্যন্ত রাস্তা ক্লিয়ার করে দিয়েছে।
সেগুলোতে পড়ে থাকা ইট পাথর নিয়ে অবস্থান করা কর্মচারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। সরে যেতে না চাইলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। তখন শিক্ষার্থীরা কিছুটা শান্ত হন।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে কলেজ গেইট থেকে বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোাগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে ঢাকা কলেজে গিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এর আগে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যও গিয়েছেন ঢাকা কলেজে।

ভবনের ছাদে উঠে সেখান থেকে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট এলাকায় পুলিশের সামনে থেকে কর্মচারীদের সরিয়ে দিলে পুলিশের সঙ্গে কর্মচারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। তারপরও কর্মচারীরা না সরে পুলিশের সামনে অবস্থান করছে।
দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় দেয়া আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। এ সময় ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীরা ফায়ারসার্ভিস কর্মীদের সহায়তা করতে দেখা যায়।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছুড়ছেন নিউ মার্কেট এলাকার এক কর্মচারী (লাল হেলমেট পরা)। 
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা কলেজের ছাত্র ও নিউম মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত অবস্থায় ২৮ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও তারা পুলিশের কথা মানছেন না। পুলিশের সামনে গিয়েই তারা ছাত্রদের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করছেন।


ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি ঘটনাস্থলে অনেক জটিল আকার ধারণ করেছে। টেকনিক্যাল কারণেই পুলিশ ছাত্রদের প্রতি সফট আচরণ করছে। এখানে গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আশা করছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই এ ঘটনা কুল ডাউন হবে। যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী তাদের আইনের মুখামুখি হতে হবে।’
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছেন।
পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রেজাউল বলেন, ‘গতকাল রাতেও পুলিশ ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের দিকে গুলি ছুড়েছে, টিয়ারশেল মেরেছে। আজকেও তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে আমাদের মারছে। আমাদের ক্যাম্পাসের ভিতরে টিয়ারশেল মারতেছে।’
পুলিশের টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং কর্মচারীদের ইট পাটকেলের জবাবে ছাত্ররা ঢাকা কলেজের ভেতর থেকে, ছাদের উপর থেকে ইট পাটকেল ছুড়ছেন।
ঢাকা কলেজের একটি ভ্যানগাড়ি উল্টে দিয়ে আগুন দিয়েছেন নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে এগোচ্ছে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি নিউ মার্কেট এলাকার দোকান কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও ইট পাটকেল ছুড়ছেন।

ঢাকা কলেজের ভেতরে ছাত্রদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেডও ছুড়েছে পুলিশ।
অ্যাকশনে পুলিশ। চদ্রিমা সুপার মার্কেটে ছাত্ররা পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দিলে ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ছুড়ে পুলিশ। এরপর এগোতে থাকে ঢাকা কলেজের দিকে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরিস্থিতি দুপুরের পর স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশ্বাস দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অবশ্য ঈদবাজারের এই সময় নিউমার্কেটকেন্দ্রীক ২০টি মাকের্টে অন্তত শত কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে দাবি করেন হেলাল উদ্দিন।
সংঘর্ষ থামাতে এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ সদস্য যোগ দিয়েছেন।

গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের শতাধিক সহপাঠী আহত হয়েছেন।
জলকামান, টিয়ারগ্যাস নিয়ে পুলিশের একটি দল ঢাকা কলেজের দিকে এগুলেও চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় মার্কেটের কর্মচারীরা পুলিশের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ কর্মচারীদের পিছনে অবস্থান করছে।

আহত সহকর্মীকে আঘাতের প্রতিশোধ নিতে অর্ধশতাধিক কর্মচারী নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে যেতে চান। তবে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই লোহার রড নিয়ে নিউমার্কেটের দিকে এগুতে থাকেন তারা।
পরিকল্পনা করে সংঘর্ষ থামাতে চাইছে পুলিশ। এরইমধ্যে পুলিশ বৈঠকে বসেছে। রমনা ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো কথা বলতে চাননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অ্যাকশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিদ্ধান্ত পেলেই তারা অ্যাকশনে যাবেন বলে বলছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য।


বেলা পৌনে ১টায় জলকামান ও টিয়ারশ্যায়ার গাড়ি নিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর তারা ব্যবসায়ীদের সরিয়ে ঢাকা কলেজের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করে।
ব্যবসায়ীরা সড়ক বিভাজকের লোহার বেষ্টনি ভেঙে লোহার রড সংগ্রহ করে হামলায় যোগ দিচ্ছেন। তাদের হামলায় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক জানান, ব্যবসায়ীরা রড দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটাচ্ছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউমার্কেটের দোকান খুলতে ব্যবসায়ীদের বাধা দিতে মার্কেটে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে ময়লা ফেলে রাখে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর প্রতিনিধিরা প্রধান অতিথির কাছ থেকে চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (NCSA)-এর উদ্যোগে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় আয়োজিত জাতীয় সাইবার ড্রিলের বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ১৩ জুন ২০২৬ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাইবার ড্রিলের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফকির মাহবুব আনাম, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
এছাড়া অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা, ভারপ্রাপ্ত সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ড. মো. তৈয়বুর রহমান, মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি।
বক্তারা দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ছাত্রদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের তদন্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী
দু'পক্ষকে আলাদা রাখা গেলে হয়তো প্রাণহানি এড়ানো যেত: শিক্ষামন্ত্রী
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়েন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নিহতের নাম মো. নাহিদ। তিনি ডেলিভারি ম্যানের কাজ করতেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিউ মার্কেট এলাকায় ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে আহত একজন মারা গেছেন।
নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা একত্রিত হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে।
ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তায় ৩ শতাধিক ছাত্র অবস্থান করেছেন। ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা কলেজের ছাত্ররা প্রধান গেট খুলে রাস্তায় নেমেছেন। তারা স্লোগান দিয়ে রাস্তায় অবস্থান করছেন।

আবারও রাস্তায় নেমেছেন ছাত্ররা। তারা আবারও যান চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। অন্যদিকে নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

ইফতারের পর সায়েন্স ল্যাব থেকে নিউ মার্কেট রোডে যান চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
বিকেল ৫টার পর থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্রদের সড়ক থেকে সরিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে ৫টা ৪৫ মিনিটে যান চলাচল শুরু হয়। ছাত্র ও ব্যবসায়ী দুপক্ষই সড়ক থেকে সরে যায়।
তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশের একমুখী আচরণের অভিযোগ এনে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের উপরই শুধু কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এতে ছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে ইডেন কলেজের ছাত্রীরা। তারা ছাত্রদের ওপর পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ার প্রতিবাদ জানান।

সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকটি ভ্যানগাড়ি।

ঢাকা কলেজ ও নিউ মার্কেট এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তা পথচারীদের জন্য পুলিশ খুলে দিয়েছিল। তবে দুই পক্ষ কিছু সময় শান্ত থাকার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ও ছাত্রাবাস ছাড়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন ছাত্ররা। বিষয়টির সুরাহা করতে অধ্যক্ষ মইনুল হোসেন অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন।
কলেজ ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ঢাকা কলেজ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ছাত্রদের বিকেলের মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পর্যন্ত পথচারীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এখন নির্বিঘ্নে পথচারীরা চলাচল করতে পারছেন।
দীর্ঘ সংঘর্ষের পর প্রশাসনের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে দোকান খুলতে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা নিউ মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি ড. দেওয়ান শাহীন।

শিক্ষার্থীদের অনুরোধে পুলিশ চন্দিমা সুপার মার্কেটের সামনে ও তার আশাপাশ থেকে ঢাকা কলেজের গেইট পর্যন্ত রাস্তা ক্লিয়ার করে দিয়েছে।
সেগুলোতে পড়ে থাকা ইট পাথর নিয়ে অবস্থান করা কর্মচারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। সরে যেতে না চাইলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। তখন শিক্ষার্থীরা কিছুটা শান্ত হন।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে কলেজ গেইট থেকে বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোাগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে ঢাকা কলেজে গিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এর আগে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যও গিয়েছেন ঢাকা কলেজে।

ভবনের ছাদে উঠে সেখান থেকে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট এলাকায় পুলিশের সামনে থেকে কর্মচারীদের সরিয়ে দিলে পুলিশের সঙ্গে কর্মচারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। তারপরও কর্মচারীরা না সরে পুলিশের সামনে অবস্থান করছে।
দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় দেয়া আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। এ সময় ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীরা ফায়ারসার্ভিস কর্মীদের সহায়তা করতে দেখা যায়।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছুড়ছেন নিউ মার্কেট এলাকার এক কর্মচারী (লাল হেলমেট পরা)। 
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা কলেজের ছাত্র ও নিউম মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত অবস্থায় ২৮ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও তারা পুলিশের কথা মানছেন না। পুলিশের সামনে গিয়েই তারা ছাত্রদের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করছেন।


ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি ঘটনাস্থলে অনেক জটিল আকার ধারণ করেছে। টেকনিক্যাল কারণেই পুলিশ ছাত্রদের প্রতি সফট আচরণ করছে। এখানে গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আশা করছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই এ ঘটনা কুল ডাউন হবে। যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী তাদের আইনের মুখামুখি হতে হবে।’
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছেন।
পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রেজাউল বলেন, ‘গতকাল রাতেও পুলিশ ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের দিকে গুলি ছুড়েছে, টিয়ারশেল মেরেছে। আজকেও তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে আমাদের মারছে। আমাদের ক্যাম্পাসের ভিতরে টিয়ারশেল মারতেছে।’
পুলিশের টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং কর্মচারীদের ইট পাটকেলের জবাবে ছাত্ররা ঢাকা কলেজের ভেতর থেকে, ছাদের উপর থেকে ইট পাটকেল ছুড়ছেন।
ঢাকা কলেজের একটি ভ্যানগাড়ি উল্টে দিয়ে আগুন দিয়েছেন নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে এগোচ্ছে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি নিউ মার্কেট এলাকার দোকান কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও ইট পাটকেল ছুড়ছেন।

ঢাকা কলেজের ভেতরে ছাত্রদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেডও ছুড়েছে পুলিশ।
অ্যাকশনে পুলিশ। চদ্রিমা সুপার মার্কেটে ছাত্ররা পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দিলে ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ছুড়ে পুলিশ। এরপর এগোতে থাকে ঢাকা কলেজের দিকে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরিস্থিতি দুপুরের পর স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশ্বাস দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অবশ্য ঈদবাজারের এই সময় নিউমার্কেটকেন্দ্রীক ২০টি মাকের্টে অন্তত শত কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে দাবি করেন হেলাল উদ্দিন।
সংঘর্ষ থামাতে এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ সদস্য যোগ দিয়েছেন।

গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের শতাধিক সহপাঠী আহত হয়েছেন।
জলকামান, টিয়ারগ্যাস নিয়ে পুলিশের একটি দল ঢাকা কলেজের দিকে এগুলেও চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় মার্কেটের কর্মচারীরা পুলিশের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ কর্মচারীদের পিছনে অবস্থান করছে।

আহত সহকর্মীকে আঘাতের প্রতিশোধ নিতে অর্ধশতাধিক কর্মচারী নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে যেতে চান। তবে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই লোহার রড নিয়ে নিউমার্কেটের দিকে এগুতে থাকেন তারা।
পরিকল্পনা করে সংঘর্ষ থামাতে চাইছে পুলিশ। এরইমধ্যে পুলিশ বৈঠকে বসেছে। রমনা ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো কথা বলতে চাননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অ্যাকশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিদ্ধান্ত পেলেই তারা অ্যাকশনে যাবেন বলে বলছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য।


বেলা পৌনে ১টায় জলকামান ও টিয়ারশ্যায়ার গাড়ি নিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর তারা ব্যবসায়ীদের সরিয়ে ঢাকা কলেজের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করে।
ব্যবসায়ীরা সড়ক বিভাজকের লোহার বেষ্টনি ভেঙে লোহার রড সংগ্রহ করে হামলায় যোগ দিচ্ছেন। তাদের হামলায় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক জানান, ব্যবসায়ীরা রড দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটাচ্ছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউমার্কেটের দোকান খুলতে ব্যবসায়ীদের বাধা দিতে মার্কেটে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে ময়লা ফেলে রাখে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাবে ২০২৬ সালের জন্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি তাদের অর্ধবার্ষিক ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস’ প্রতিবেদনে এক আশঙ্কাজনক সতর্কবার্তা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যদি এই যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হয় এবং জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়, তবে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি আশঙ্কাজনকভাবে কমে মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতিতে এক ভয়াবহ আর্থিক সংকট তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটনভিত্তিক এই ঋণদাতা সংস্থা।
রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে যে বিশ্বব্যাংকের এবারের পূর্বাভাস গত জানুয়ারির অনুমানের চেয়ে দশমিক ১ শতাংশ কম। কোভিড-১৯ মহামারীর পরবর্তী সময়ে এটিই বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০১৫ সালে বিশ্ব অর্থনীতি কিছুটা ভালো অবস্থানে থাকলেও বর্তমান সামরিক সংঘাত পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাংক বিশ্বের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দেশেরই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে দিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখন চতুর্থ মাসে পা দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। ফলে বিশ্বজুড়ে নতুন করে মূল্যস্ফীতির প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো উচ্চ সুদহারের মতো কঠোর মুদ্রানীতির কথা ভাবছে। এছাড়া যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে সারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক তাদের মূল প্রাক্কলনে ব্রেন্ট ক্রুড জ্বালানি তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলার হওয়ার সম্ভাবনা ধরে নিয়েছে। তবে বিকল্প একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসতে পারে। পরিস্থিতি আরও চরমে পৌঁছালে প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৩ শতাংশে ঠেকতে পারে। বিশ্বব্যাংকের উপ-প্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেন, ‘জ্বালানি সরবরাহ সংকট এবং আর্থিক বাজারের চাপ যখন একে অন্যকে প্রভাবিত করে, তখন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে প্রবৃদ্ধি সামান্য ঘুরে দাঁড়ালেও তা ২০১০-এর দশকের গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে অনেক কম থাকবে। প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দরমিত গিল জানিয়েছেন, উচ্চ সরকারি ঋণ, বেসরকারি বিনিয়োগে মন্দা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের শ্লথগতি এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ২ শতাংশ এবং চীনের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিশ্বব্যাপী এই মন্দার মধ্যেও ভারত ৬ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বড় অর্থনীতি হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক স্থবিরতার সম্মুখীন হয়েছে।
ছাত্রদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের তদন্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী
দু'পক্ষকে আলাদা রাখা গেলে হয়তো প্রাণহানি এড়ানো যেত: শিক্ষামন্ত্রী
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়েন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নিহতের নাম মো. নাহিদ। তিনি ডেলিভারি ম্যানের কাজ করতেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিউ মার্কেট এলাকায় ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে আহত একজন মারা গেছেন।
নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা একত্রিত হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে।
ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তায় ৩ শতাধিক ছাত্র অবস্থান করেছেন। ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা কলেজের ছাত্ররা প্রধান গেট খুলে রাস্তায় নেমেছেন। তারা স্লোগান দিয়ে রাস্তায় অবস্থান করছেন।

আবারও রাস্তায় নেমেছেন ছাত্ররা। তারা আবারও যান চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। অন্যদিকে নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

ইফতারের পর সায়েন্স ল্যাব থেকে নিউ মার্কেট রোডে যান চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
বিকেল ৫টার পর থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্রদের সড়ক থেকে সরিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে ৫টা ৪৫ মিনিটে যান চলাচল শুরু হয়। ছাত্র ও ব্যবসায়ী দুপক্ষই সড়ক থেকে সরে যায়।
তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশের একমুখী আচরণের অভিযোগ এনে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের উপরই শুধু কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এতে ছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে ইডেন কলেজের ছাত্রীরা। তারা ছাত্রদের ওপর পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ার প্রতিবাদ জানান।

সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকটি ভ্যানগাড়ি।

ঢাকা কলেজ ও নিউ মার্কেট এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তা পথচারীদের জন্য পুলিশ খুলে দিয়েছিল। তবে দুই পক্ষ কিছু সময় শান্ত থাকার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ও ছাত্রাবাস ছাড়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন ছাত্ররা। বিষয়টির সুরাহা করতে অধ্যক্ষ মইনুল হোসেন অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন।
কলেজ ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ঢাকা কলেজ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ছাত্রদের বিকেলের মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পর্যন্ত পথচারীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এখন নির্বিঘ্নে পথচারীরা চলাচল করতে পারছেন।
দীর্ঘ সংঘর্ষের পর প্রশাসনের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে দোকান খুলতে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা নিউ মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি ড. দেওয়ান শাহীন।

শিক্ষার্থীদের অনুরোধে পুলিশ চন্দিমা সুপার মার্কেটের সামনে ও তার আশাপাশ থেকে ঢাকা কলেজের গেইট পর্যন্ত রাস্তা ক্লিয়ার করে দিয়েছে।
সেগুলোতে পড়ে থাকা ইট পাথর নিয়ে অবস্থান করা কর্মচারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। সরে যেতে না চাইলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। তখন শিক্ষার্থীরা কিছুটা শান্ত হন।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে কলেজ গেইট থেকে বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোাগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে ঢাকা কলেজে গিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এর আগে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যও গিয়েছেন ঢাকা কলেজে।

ভবনের ছাদে উঠে সেখান থেকে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট এলাকায় পুলিশের সামনে থেকে কর্মচারীদের সরিয়ে দিলে পুলিশের সঙ্গে কর্মচারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। তারপরও কর্মচারীরা না সরে পুলিশের সামনে অবস্থান করছে।
দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় দেয়া আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। এ সময় ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীরা ফায়ারসার্ভিস কর্মীদের সহায়তা করতে দেখা যায়।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছুড়ছেন নিউ মার্কেট এলাকার এক কর্মচারী (লাল হেলমেট পরা)। 
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা কলেজের ছাত্র ও নিউম মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত অবস্থায় ২৮ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও তারা পুলিশের কথা মানছেন না। পুলিশের সামনে গিয়েই তারা ছাত্রদের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করছেন।


ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি ঘটনাস্থলে অনেক জটিল আকার ধারণ করেছে। টেকনিক্যাল কারণেই পুলিশ ছাত্রদের প্রতি সফট আচরণ করছে। এখানে গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আশা করছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই এ ঘটনা কুল ডাউন হবে। যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী তাদের আইনের মুখামুখি হতে হবে।’
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছেন।
পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রেজাউল বলেন, ‘গতকাল রাতেও পুলিশ ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের দিকে গুলি ছুড়েছে, টিয়ারশেল মেরেছে। আজকেও তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে আমাদের মারছে। আমাদের ক্যাম্পাসের ভিতরে টিয়ারশেল মারতেছে।’
পুলিশের টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং কর্মচারীদের ইট পাটকেলের জবাবে ছাত্ররা ঢাকা কলেজের ভেতর থেকে, ছাদের উপর থেকে ইট পাটকেল ছুড়ছেন।
ঢাকা কলেজের একটি ভ্যানগাড়ি উল্টে দিয়ে আগুন দিয়েছেন নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে এগোচ্ছে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি নিউ মার্কেট এলাকার দোকান কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও ইট পাটকেল ছুড়ছেন।

ঢাকা কলেজের ভেতরে ছাত্রদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেডও ছুড়েছে পুলিশ।
অ্যাকশনে পুলিশ। চদ্রিমা সুপার মার্কেটে ছাত্ররা পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দিলে ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ছুড়ে পুলিশ। এরপর এগোতে থাকে ঢাকা কলেজের দিকে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরিস্থিতি দুপুরের পর স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশ্বাস দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অবশ্য ঈদবাজারের এই সময় নিউমার্কেটকেন্দ্রীক ২০টি মাকের্টে অন্তত শত কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে দাবি করেন হেলাল উদ্দিন।
সংঘর্ষ থামাতে এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ সদস্য যোগ দিয়েছেন।

গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের শতাধিক সহপাঠী আহত হয়েছেন।
জলকামান, টিয়ারগ্যাস নিয়ে পুলিশের একটি দল ঢাকা কলেজের দিকে এগুলেও চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় মার্কেটের কর্মচারীরা পুলিশের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ কর্মচারীদের পিছনে অবস্থান করছে।

আহত সহকর্মীকে আঘাতের প্রতিশোধ নিতে অর্ধশতাধিক কর্মচারী নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে যেতে চান। তবে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই লোহার রড নিয়ে নিউমার্কেটের দিকে এগুতে থাকেন তারা।
পরিকল্পনা করে সংঘর্ষ থামাতে চাইছে পুলিশ। এরইমধ্যে পুলিশ বৈঠকে বসেছে। রমনা ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো কথা বলতে চাননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অ্যাকশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিদ্ধান্ত পেলেই তারা অ্যাকশনে যাবেন বলে বলছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য।


বেলা পৌনে ১টায় জলকামান ও টিয়ারশ্যায়ার গাড়ি নিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর তারা ব্যবসায়ীদের সরিয়ে ঢাকা কলেজের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করে।
ব্যবসায়ীরা সড়ক বিভাজকের লোহার বেষ্টনি ভেঙে লোহার রড সংগ্রহ করে হামলায় যোগ দিচ্ছেন। তাদের হামলায় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক জানান, ব্যবসায়ীরা রড দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটাচ্ছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউমার্কেটের দোকান খুলতে ব্যবসায়ীদের বাধা দিতে মার্কেটে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে ময়লা ফেলে রাখে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।
ছবি: সংগৃহীত
সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছে ইরানের শীর্ষস্থানীয় চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। এই অতর্কিত হামলার ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর নিয়মিত আর্থিক সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় সাময়িক বিপর্যয় ও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
ইরানের ব্যাংকিং সমন্বয় পরিষদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্যে অননুমোদিত প্রবেশাধিকার কিংবা তথ্য চুরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে হামলার কারণে ব্যাংকগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, হামলাটি মূলত ব্যাংক মেল্লি, ব্যাংক তেজারাত, ব্যাংক সাদেরাত এবং এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক অব ইরান-এর ব্যবহৃত একটি যৌথ যোগাযোগ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সেবা পুনরায় স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
ছাত্রদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের তদন্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী
দু'পক্ষকে আলাদা রাখা গেলে হয়তো প্রাণহানি এড়ানো যেত: শিক্ষামন্ত্রী
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়েন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নিহতের নাম মো. নাহিদ। তিনি ডেলিভারি ম্যানের কাজ করতেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিউ মার্কেট এলাকায় ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে আহত একজন মারা গেছেন।
নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা একত্রিত হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে।
ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তায় ৩ শতাধিক ছাত্র অবস্থান করেছেন। ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা কলেজের ছাত্ররা প্রধান গেট খুলে রাস্তায় নেমেছেন। তারা স্লোগান দিয়ে রাস্তায় অবস্থান করছেন।

আবারও রাস্তায় নেমেছেন ছাত্ররা। তারা আবারও যান চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। অন্যদিকে নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

ইফতারের পর সায়েন্স ল্যাব থেকে নিউ মার্কেট রোডে যান চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
বিকেল ৫টার পর থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্রদের সড়ক থেকে সরিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে ৫টা ৪৫ মিনিটে যান চলাচল শুরু হয়। ছাত্র ও ব্যবসায়ী দুপক্ষই সড়ক থেকে সরে যায়।
তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশের একমুখী আচরণের অভিযোগ এনে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের উপরই শুধু কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এতে ছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে ইডেন কলেজের ছাত্রীরা। তারা ছাত্রদের ওপর পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ার প্রতিবাদ জানান।

সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকটি ভ্যানগাড়ি।

ঢাকা কলেজ ও নিউ মার্কেট এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তা পথচারীদের জন্য পুলিশ খুলে দিয়েছিল। তবে দুই পক্ষ কিছু সময় শান্ত থাকার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ও ছাত্রাবাস ছাড়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন ছাত্ররা। বিষয়টির সুরাহা করতে অধ্যক্ষ মইনুল হোসেন অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন।
কলেজ ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ঢাকা কলেজ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ছাত্রদের বিকেলের মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পর্যন্ত পথচারীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এখন নির্বিঘ্নে পথচারীরা চলাচল করতে পারছেন।
দীর্ঘ সংঘর্ষের পর প্রশাসনের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে দোকান খুলতে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা নিউ মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি ড. দেওয়ান শাহীন।

শিক্ষার্থীদের অনুরোধে পুলিশ চন্দিমা সুপার মার্কেটের সামনে ও তার আশাপাশ থেকে ঢাকা কলেজের গেইট পর্যন্ত রাস্তা ক্লিয়ার করে দিয়েছে।
সেগুলোতে পড়ে থাকা ইট পাথর নিয়ে অবস্থান করা কর্মচারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। সরে যেতে না চাইলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। তখন শিক্ষার্থীরা কিছুটা শান্ত হন।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে কলেজ গেইট থেকে বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোাগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে ঢাকা কলেজে গিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এর আগে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যও গিয়েছেন ঢাকা কলেজে।

ভবনের ছাদে উঠে সেখান থেকে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট এলাকায় পুলিশের সামনে থেকে কর্মচারীদের সরিয়ে দিলে পুলিশের সঙ্গে কর্মচারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। তারপরও কর্মচারীরা না সরে পুলিশের সামনে অবস্থান করছে।
দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় দেয়া আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। এ সময় ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীরা ফায়ারসার্ভিস কর্মীদের সহায়তা করতে দেখা যায়।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছুড়ছেন নিউ মার্কেট এলাকার এক কর্মচারী (লাল হেলমেট পরা)। 
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা কলেজের ছাত্র ও নিউম মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত অবস্থায় ২৮ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও তারা পুলিশের কথা মানছেন না। পুলিশের সামনে গিয়েই তারা ছাত্রদের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করছেন।


ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি ঘটনাস্থলে অনেক জটিল আকার ধারণ করেছে। টেকনিক্যাল কারণেই পুলিশ ছাত্রদের প্রতি সফট আচরণ করছে। এখানে গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আশা করছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই এ ঘটনা কুল ডাউন হবে। যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী তাদের আইনের মুখামুখি হতে হবে।’
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছেন।
পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রেজাউল বলেন, ‘গতকাল রাতেও পুলিশ ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের দিকে গুলি ছুড়েছে, টিয়ারশেল মেরেছে। আজকেও তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে আমাদের মারছে। আমাদের ক্যাম্পাসের ভিতরে টিয়ারশেল মারতেছে।’
পুলিশের টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং কর্মচারীদের ইট পাটকেলের জবাবে ছাত্ররা ঢাকা কলেজের ভেতর থেকে, ছাদের উপর থেকে ইট পাটকেল ছুড়ছেন।
ঢাকা কলেজের একটি ভ্যানগাড়ি উল্টে দিয়ে আগুন দিয়েছেন নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে এগোচ্ছে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি নিউ মার্কেট এলাকার দোকান কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও ইট পাটকেল ছুড়ছেন।

ঢাকা কলেজের ভেতরে ছাত্রদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেডও ছুড়েছে পুলিশ।
অ্যাকশনে পুলিশ। চদ্রিমা সুপার মার্কেটে ছাত্ররা পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দিলে ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ছুড়ে পুলিশ। এরপর এগোতে থাকে ঢাকা কলেজের দিকে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরিস্থিতি দুপুরের পর স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশ্বাস দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অবশ্য ঈদবাজারের এই সময় নিউমার্কেটকেন্দ্রীক ২০টি মাকের্টে অন্তত শত কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে দাবি করেন হেলাল উদ্দিন।
সংঘর্ষ থামাতে এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ সদস্য যোগ দিয়েছেন।

গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের শতাধিক সহপাঠী আহত হয়েছেন।
জলকামান, টিয়ারগ্যাস নিয়ে পুলিশের একটি দল ঢাকা কলেজের দিকে এগুলেও চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় মার্কেটের কর্মচারীরা পুলিশের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ কর্মচারীদের পিছনে অবস্থান করছে।

আহত সহকর্মীকে আঘাতের প্রতিশোধ নিতে অর্ধশতাধিক কর্মচারী নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে যেতে চান। তবে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই লোহার রড নিয়ে নিউমার্কেটের দিকে এগুতে থাকেন তারা।
পরিকল্পনা করে সংঘর্ষ থামাতে চাইছে পুলিশ। এরইমধ্যে পুলিশ বৈঠকে বসেছে। রমনা ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো কথা বলতে চাননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অ্যাকশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিদ্ধান্ত পেলেই তারা অ্যাকশনে যাবেন বলে বলছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য।


বেলা পৌনে ১টায় জলকামান ও টিয়ারশ্যায়ার গাড়ি নিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর তারা ব্যবসায়ীদের সরিয়ে ঢাকা কলেজের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করে।
ব্যবসায়ীরা সড়ক বিভাজকের লোহার বেষ্টনি ভেঙে লোহার রড সংগ্রহ করে হামলায় যোগ দিচ্ছেন। তাদের হামলায় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক জানান, ব্যবসায়ীরা রড দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটাচ্ছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউমার্কেটের দোকান খুলতে ব্যবসায়ীদের বাধা দিতে মার্কেটে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে ময়লা ফেলে রাখে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।
ছবি: সংগৃহীত
শেয়ারবাজারের দুই আলোচিত প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর ভিন্নধর্মী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। গত মঙ্গলবার ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘ সময় পর সম্পূর্ণ ফ্লোর মুক্ত হলেও আজ (১৪ জুন) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে কোম্পানি দুটির শেয়ারের মুভমেন্ট ছিল সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী।
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের প্রথম কয়েক দিন উভয় কোম্পানিতেই ক্রেতা সংকট দেখা দিলেও আজ দুপুরে চিত্রটি পাল্টে যায়। ইসলামী ব্যাংক ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে বিনিয়োগকারীদের প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেখা যায়, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে প্রচুর ক্রয় আদেশ থাকলেও বিক্রেতার সংখ্যা ছিল শূন্য। ফলে কোম্পানিটির শেয়ারদর সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা অর্থাৎ প্রায় ১০ শতাংশ বা ২ টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে ৩২ টাকায় লেনদেন শেষ হয়। হল্টেড হওয়ার আগে কোম্পানিটির প্রায় ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।
অন্যদিকে, বেক্সিমকো লিমিটেডের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। ফ্লোর পরবর্তী সময়ে শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আজ দুপুরে দেখা গেছে, বেক্সিমকোর শেয়ারে বিপুল পরিমাণ বিক্রয় আদেশ থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। এর ফলে কোম্পানিটির শেয়ারদর সার্কিট ব্রেকারের সর্বনিম্ন সীমা বা ১০ শতাংশ (৮ টাকা) কমে ৭২ টাকা ৩০ পয়সায় অবস্থান নেয়। লেনদেনের পরিমাণ ছিল অত্যন্ত নগণ্য, মাত্র ৫৭ বারে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের পুনরায় ফিরে আসা বাজারের জন্য ইতিবাচক সংকেত হলেও বেক্সিমকোর ক্ষেত্রে ফ্লোর পরবর্তী দরপতন বিনিয়োগকারীদের মাঝে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সকল কোম্পানি ফ্লোর মুক্ত হওয়ায় বাজার তার স্বাভাবিক গতি ফিরে পাবে বলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন।
ছাত্রদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের তদন্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী
দু'পক্ষকে আলাদা রাখা গেলে হয়তো প্রাণহানি এড়ানো যেত: শিক্ষামন্ত্রী
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়েন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নিহতের নাম মো. নাহিদ। তিনি ডেলিভারি ম্যানের কাজ করতেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিউ মার্কেট এলাকায় ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে আহত একজন মারা গেছেন।
নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা একত্রিত হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে।
ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তায় ৩ শতাধিক ছাত্র অবস্থান করেছেন। ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা কলেজের ছাত্ররা প্রধান গেট খুলে রাস্তায় নেমেছেন। তারা স্লোগান দিয়ে রাস্তায় অবস্থান করছেন।

আবারও রাস্তায় নেমেছেন ছাত্ররা। তারা আবারও যান চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। অন্যদিকে নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

ইফতারের পর সায়েন্স ল্যাব থেকে নিউ মার্কেট রোডে যান চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
বিকেল ৫টার পর থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্রদের সড়ক থেকে সরিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে ৫টা ৪৫ মিনিটে যান চলাচল শুরু হয়। ছাত্র ও ব্যবসায়ী দুপক্ষই সড়ক থেকে সরে যায়।
তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশের একমুখী আচরণের অভিযোগ এনে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের উপরই শুধু কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এতে ছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে ইডেন কলেজের ছাত্রীরা। তারা ছাত্রদের ওপর পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ার প্রতিবাদ জানান।

সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকটি ভ্যানগাড়ি।

ঢাকা কলেজ ও নিউ মার্কেট এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তা পথচারীদের জন্য পুলিশ খুলে দিয়েছিল। তবে দুই পক্ষ কিছু সময় শান্ত থাকার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ও ছাত্রাবাস ছাড়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন ছাত্ররা। বিষয়টির সুরাহা করতে অধ্যক্ষ মইনুল হোসেন অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন।
কলেজ ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ঢাকা কলেজ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ছাত্রদের বিকেলের মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পর্যন্ত পথচারীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এখন নির্বিঘ্নে পথচারীরা চলাচল করতে পারছেন।
দীর্ঘ সংঘর্ষের পর প্রশাসনের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে দোকান খুলতে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা নিউ মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি ড. দেওয়ান শাহীন।

শিক্ষার্থীদের অনুরোধে পুলিশ চন্দিমা সুপার মার্কেটের সামনে ও তার আশাপাশ থেকে ঢাকা কলেজের গেইট পর্যন্ত রাস্তা ক্লিয়ার করে দিয়েছে।
সেগুলোতে পড়ে থাকা ইট পাথর নিয়ে অবস্থান করা কর্মচারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। সরে যেতে না চাইলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। তখন শিক্ষার্থীরা কিছুটা শান্ত হন।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে কলেজ গেইট থেকে বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোাগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে ঢাকা কলেজে গিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এর আগে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যও গিয়েছেন ঢাকা কলেজে।

ভবনের ছাদে উঠে সেখান থেকে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট এলাকায় পুলিশের সামনে থেকে কর্মচারীদের সরিয়ে দিলে পুলিশের সঙ্গে কর্মচারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। তারপরও কর্মচারীরা না সরে পুলিশের সামনে অবস্থান করছে।
দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় দেয়া আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। এ সময় ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীরা ফায়ারসার্ভিস কর্মীদের সহায়তা করতে দেখা যায়।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছুড়ছেন নিউ মার্কেট এলাকার এক কর্মচারী (লাল হেলমেট পরা)। 
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা কলেজের ছাত্র ও নিউম মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত অবস্থায় ২৮ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও তারা পুলিশের কথা মানছেন না। পুলিশের সামনে গিয়েই তারা ছাত্রদের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করছেন।


ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি ঘটনাস্থলে অনেক জটিল আকার ধারণ করেছে। টেকনিক্যাল কারণেই পুলিশ ছাত্রদের প্রতি সফট আচরণ করছে। এখানে গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আশা করছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই এ ঘটনা কুল ডাউন হবে। যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী তাদের আইনের মুখামুখি হতে হবে।’
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছেন।
পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রেজাউল বলেন, ‘গতকাল রাতেও পুলিশ ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের দিকে গুলি ছুড়েছে, টিয়ারশেল মেরেছে। আজকেও তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে আমাদের মারছে। আমাদের ক্যাম্পাসের ভিতরে টিয়ারশেল মারতেছে।’
পুলিশের টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং কর্মচারীদের ইট পাটকেলের জবাবে ছাত্ররা ঢাকা কলেজের ভেতর থেকে, ছাদের উপর থেকে ইট পাটকেল ছুড়ছেন।
ঢাকা কলেজের একটি ভ্যানগাড়ি উল্টে দিয়ে আগুন দিয়েছেন নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে এগোচ্ছে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি নিউ মার্কেট এলাকার দোকান কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও ইট পাটকেল ছুড়ছেন।

ঢাকা কলেজের ভেতরে ছাত্রদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেডও ছুড়েছে পুলিশ।
অ্যাকশনে পুলিশ। চদ্রিমা সুপার মার্কেটে ছাত্ররা পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দিলে ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ছুড়ে পুলিশ। এরপর এগোতে থাকে ঢাকা কলেজের দিকে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরিস্থিতি দুপুরের পর স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশ্বাস দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অবশ্য ঈদবাজারের এই সময় নিউমার্কেটকেন্দ্রীক ২০টি মাকের্টে অন্তত শত কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে দাবি করেন হেলাল উদ্দিন।
সংঘর্ষ থামাতে এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ সদস্য যোগ দিয়েছেন।

গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের শতাধিক সহপাঠী আহত হয়েছেন।
জলকামান, টিয়ারগ্যাস নিয়ে পুলিশের একটি দল ঢাকা কলেজের দিকে এগুলেও চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় মার্কেটের কর্মচারীরা পুলিশের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ কর্মচারীদের পিছনে অবস্থান করছে।

আহত সহকর্মীকে আঘাতের প্রতিশোধ নিতে অর্ধশতাধিক কর্মচারী নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে যেতে চান। তবে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই লোহার রড নিয়ে নিউমার্কেটের দিকে এগুতে থাকেন তারা।
পরিকল্পনা করে সংঘর্ষ থামাতে চাইছে পুলিশ। এরইমধ্যে পুলিশ বৈঠকে বসেছে। রমনা ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো কথা বলতে চাননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অ্যাকশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিদ্ধান্ত পেলেই তারা অ্যাকশনে যাবেন বলে বলছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য।


বেলা পৌনে ১টায় জলকামান ও টিয়ারশ্যায়ার গাড়ি নিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর তারা ব্যবসায়ীদের সরিয়ে ঢাকা কলেজের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করে।
ব্যবসায়ীরা সড়ক বিভাজকের লোহার বেষ্টনি ভেঙে লোহার রড সংগ্রহ করে হামলায় যোগ দিচ্ছেন। তাদের হামলায় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক জানান, ব্যবসায়ীরা রড দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটাচ্ছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউমার্কেটের দোকান খুলতে ব্যবসায়ীদের বাধা দিতে মার্কেটে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে ময়লা ফেলে রাখে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির এই সন্ধিক্ষণে সামষ্টিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের পাশাপাশি কর ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘ইউরোচ্যাম বাংলাদেশ’। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রোববার (১৪ জুন) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে যে, বাজেটে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে এর প্রকৃত সুফল পেতে হলে কার্যকর বাস্তবায়ন ও ধারাবাহিক নীতি সংস্কার অপরিহার্য।
ইউরোচ্যাম বাংলাদেশের পর্যালোচনা অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বাজেটে তাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশের প্রতিফলন ঘটেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—একটি বহু-বার্ষিক কর নীতি রোডম্যাপের প্রবর্তন, কর প্রদান ও রিফান্ড ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বন্ডেড ও শুল্কমুক্ত সুবিধার সম্প্রসারণ। এছাড়া প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) কাঠামোকেও তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। সংগঠনটি মনে করে, এই উদ্যোগগুলো ব্যবসায়িক নীতির পূর্বাভাসযোগ্যতা বাড়িয়ে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
নবায়নযোগ্য শক্তি, বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি), আইসিটি এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতের জন্য ঘোষিত প্রণোদনাকে সাধুবাদ জানিয়ে ইউরোচ্যাম বলেছে যে, সরকারের ৬.৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ এবং বেসরকারি খাতের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। ইউরোচ্যাম বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আরিফ শাম্মা বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর প্রশাসন ও বাণিজ্য সহজীকরণের ভালো উদ্যোগ থাকলেও বিদেশি বিনিয়োগ টানতে ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি ও ধারাবাহিক সংস্কারের বিকল্প নেই। তবে তিনি সবকিছুর মূলে এই নীতিমালার সঠিক ও কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন ইউরোচ্যাম সরকারকে নীতিমালার ধারাবাহিকতা রক্ষা, শুল্ক আধুনিকীকরণ এবং মানসম্মত সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আরও বেশি জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে। টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও বাণিজ্য অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করতে সংগঠনটি সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
ছাত্রদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের তদন্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী
দু'পক্ষকে আলাদা রাখা গেলে হয়তো প্রাণহানি এড়ানো যেত: শিক্ষামন্ত্রী
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়েন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নিহতের নাম মো. নাহিদ। তিনি ডেলিভারি ম্যানের কাজ করতেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিউ মার্কেট এলাকায় ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে আহত একজন মারা গেছেন।
নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা একত্রিত হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে।
ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তায় ৩ শতাধিক ছাত্র অবস্থান করেছেন। ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা কলেজের ছাত্ররা প্রধান গেট খুলে রাস্তায় নেমেছেন। তারা স্লোগান দিয়ে রাস্তায় অবস্থান করছেন।

আবারও রাস্তায় নেমেছেন ছাত্ররা। তারা আবারও যান চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। অন্যদিকে নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

ইফতারের পর সায়েন্স ল্যাব থেকে নিউ মার্কেট রোডে যান চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
বিকেল ৫টার পর থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্রদের সড়ক থেকে সরিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে ৫টা ৪৫ মিনিটে যান চলাচল শুরু হয়। ছাত্র ও ব্যবসায়ী দুপক্ষই সড়ক থেকে সরে যায়।
তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশের একমুখী আচরণের অভিযোগ এনে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের উপরই শুধু কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এতে ছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে ইডেন কলেজের ছাত্রীরা। তারা ছাত্রদের ওপর পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ার প্রতিবাদ জানান।

সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকটি ভ্যানগাড়ি।

ঢাকা কলেজ ও নিউ মার্কেট এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তা পথচারীদের জন্য পুলিশ খুলে দিয়েছিল। তবে দুই পক্ষ কিছু সময় শান্ত থাকার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ও ছাত্রাবাস ছাড়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন ছাত্ররা। বিষয়টির সুরাহা করতে অধ্যক্ষ মইনুল হোসেন অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন।
কলেজ ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ঢাকা কলেজ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ছাত্রদের বিকেলের মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পর্যন্ত পথচারীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এখন নির্বিঘ্নে পথচারীরা চলাচল করতে পারছেন।
দীর্ঘ সংঘর্ষের পর প্রশাসনের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে দোকান খুলতে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা নিউ মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি ড. দেওয়ান শাহীন।

শিক্ষার্থীদের অনুরোধে পুলিশ চন্দিমা সুপার মার্কেটের সামনে ও তার আশাপাশ থেকে ঢাকা কলেজের গেইট পর্যন্ত রাস্তা ক্লিয়ার করে দিয়েছে।
সেগুলোতে পড়ে থাকা ইট পাথর নিয়ে অবস্থান করা কর্মচারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। সরে যেতে না চাইলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। তখন শিক্ষার্থীরা কিছুটা শান্ত হন।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে কলেজ গেইট থেকে বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোাগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে ঢাকা কলেজে গিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এর আগে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যও গিয়েছেন ঢাকা কলেজে।

ভবনের ছাদে উঠে সেখান থেকে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট এলাকায় পুলিশের সামনে থেকে কর্মচারীদের সরিয়ে দিলে পুলিশের সঙ্গে কর্মচারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। তারপরও কর্মচারীরা না সরে পুলিশের সামনে অবস্থান করছে।
দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় দেয়া আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। এ সময় ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীরা ফায়ারসার্ভিস কর্মীদের সহায়তা করতে দেখা যায়।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছুড়ছেন নিউ মার্কেট এলাকার এক কর্মচারী (লাল হেলমেট পরা)। 
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা কলেজের ছাত্র ও নিউম মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত অবস্থায় ২৮ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও তারা পুলিশের কথা মানছেন না। পুলিশের সামনে গিয়েই তারা ছাত্রদের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করছেন।


ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি ঘটনাস্থলে অনেক জটিল আকার ধারণ করেছে। টেকনিক্যাল কারণেই পুলিশ ছাত্রদের প্রতি সফট আচরণ করছে। এখানে গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আশা করছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই এ ঘটনা কুল ডাউন হবে। যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী তাদের আইনের মুখামুখি হতে হবে।’
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছেন।
পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রেজাউল বলেন, ‘গতকাল রাতেও পুলিশ ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের দিকে গুলি ছুড়েছে, টিয়ারশেল মেরেছে। আজকেও তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে আমাদের মারছে। আমাদের ক্যাম্পাসের ভিতরে টিয়ারশেল মারতেছে।’
পুলিশের টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং কর্মচারীদের ইট পাটকেলের জবাবে ছাত্ররা ঢাকা কলেজের ভেতর থেকে, ছাদের উপর থেকে ইট পাটকেল ছুড়ছেন।
ঢাকা কলেজের একটি ভ্যানগাড়ি উল্টে দিয়ে আগুন দিয়েছেন নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে এগোচ্ছে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি নিউ মার্কেট এলাকার দোকান কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও ইট পাটকেল ছুড়ছেন।

ঢাকা কলেজের ভেতরে ছাত্রদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেডও ছুড়েছে পুলিশ।
অ্যাকশনে পুলিশ। চদ্রিমা সুপার মার্কেটে ছাত্ররা পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দিলে ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ছুড়ে পুলিশ। এরপর এগোতে থাকে ঢাকা কলেজের দিকে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরিস্থিতি দুপুরের পর স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশ্বাস দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অবশ্য ঈদবাজারের এই সময় নিউমার্কেটকেন্দ্রীক ২০টি মাকের্টে অন্তত শত কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে দাবি করেন হেলাল উদ্দিন।
সংঘর্ষ থামাতে এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ সদস্য যোগ দিয়েছেন।

গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের শতাধিক সহপাঠী আহত হয়েছেন।
জলকামান, টিয়ারগ্যাস নিয়ে পুলিশের একটি দল ঢাকা কলেজের দিকে এগুলেও চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় মার্কেটের কর্মচারীরা পুলিশের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ কর্মচারীদের পিছনে অবস্থান করছে।

আহত সহকর্মীকে আঘাতের প্রতিশোধ নিতে অর্ধশতাধিক কর্মচারী নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে যেতে চান। তবে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই লোহার রড নিয়ে নিউমার্কেটের দিকে এগুতে থাকেন তারা।
পরিকল্পনা করে সংঘর্ষ থামাতে চাইছে পুলিশ। এরইমধ্যে পুলিশ বৈঠকে বসেছে। রমনা ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো কথা বলতে চাননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অ্যাকশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিদ্ধান্ত পেলেই তারা অ্যাকশনে যাবেন বলে বলছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য।


বেলা পৌনে ১টায় জলকামান ও টিয়ারশ্যায়ার গাড়ি নিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর তারা ব্যবসায়ীদের সরিয়ে ঢাকা কলেজের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করে।
ব্যবসায়ীরা সড়ক বিভাজকের লোহার বেষ্টনি ভেঙে লোহার রড সংগ্রহ করে হামলায় যোগ দিচ্ছেন। তাদের হামলায় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক জানান, ব্যবসায়ীরা রড দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটাচ্ছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউমার্কেটের দোকান খুলতে ব্যবসায়ীদের বাধা দিতে মার্কেটে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে ময়লা ফেলে রাখে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।
ছবি: সংগৃহীত
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে “সুফি নাইটস ও ডিনার” শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে টোয়াবের সম্মানিত সদস্যদের উপস্থিতিতে গড়ে ওঠে এক অনন্য সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি ও পেশাগত ঐক্যের পরিবেশ।
সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে টোয়াবের সদস্যবৃন্দ, পর্যটন খাতের বিভিন্ন অংশীজন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পেশাগত বন্ধন ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখে। আগামী টোয়াব নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি সামাজিক মিলনমেলা নয়, বরং দেশের পর্যটন শিল্পের অংশীদারদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।
অনুষ্ঠানে সুফি সংগীত পরিবেশনা, নৈশভোজ এবং অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা পর্যটন শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। উপস্থিত প্যানেল প্রধান ও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জনাব ড. তাসলিম আমিন শোভন ও সদস্যরা একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং টেকসই পর্যটন খাত গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প আজ এমন এক পর্যায়ে রয়েছে যেখানে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। তারা শিল্পের উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তি এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৌফিক উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সভাপতি, টোয়াব এবং গ্রুপ চেয়ারম্যান, গ্যালাক্সি বাংলাদেশ; ফরিদুল হক, সাবেক সভাপতি, টোয়াব ও চেয়ারম্যান, ইনোগ্লোব; সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ, সভাপতি, বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (বোটোয়া); সৈয়দ গোলাম কাদির, প্রধান সম্পাদক, ট্রাভেল ক্যানভাস; এবং রেজাউল একরাম (রাজু), প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (বোটোয়া) ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট (বিএফটিডি)। এছাড়াও টোয়াবের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং পর্যটন শিল্পের বিশিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও ট্রাভেলবাংলা ডটকমের প্রধান সম্পাদক প্রণব সাহা। পুরো আয়োজনটি সমন্বয় করেন টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের প্রধান সমন্বয়কারী চৌধুরী হাসানুজ্জামান রনি, সভাপতি, বোটফ; এবং উপ-সমন্বয়কারী আবদুল্লাহ আল কাফি, সিইও, বাংলাদেশ ভ্যাকেশন।
ছাত্রদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের তদন্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী
দু'পক্ষকে আলাদা রাখা গেলে হয়তো প্রাণহানি এড়ানো যেত: শিক্ষামন্ত্রী
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়েন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নিহতের নাম মো. নাহিদ। তিনি ডেলিভারি ম্যানের কাজ করতেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিউ মার্কেট এলাকায় ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে আহত একজন মারা গেছেন।
নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা একত্রিত হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে।
ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তায় ৩ শতাধিক ছাত্র অবস্থান করেছেন। ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঢাকা কলেজের ছাত্ররা প্রধান গেট খুলে রাস্তায় নেমেছেন। তারা স্লোগান দিয়ে রাস্তায় অবস্থান করছেন।

আবারও রাস্তায় নেমেছেন ছাত্ররা। তারা আবারও যান চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। অন্যদিকে নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজের নিচে ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

ইফতারের পর সায়েন্স ল্যাব থেকে নিউ মার্কেট রোডে যান চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
বিকেল ৫টার পর থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্রদের সড়ক থেকে সরিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে ৫টা ৪৫ মিনিটে যান চলাচল শুরু হয়। ছাত্র ও ব্যবসায়ী দুপক্ষই সড়ক থেকে সরে যায়।
তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশের একমুখী আচরণের অভিযোগ এনে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের উপরই শুধু কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এতে ছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে ইডেন কলেজের ছাত্রীরা। তারা ছাত্রদের ওপর পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ার প্রতিবাদ জানান।

সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকটি ভ্যানগাড়ি।

ঢাকা কলেজ ও নিউ মার্কেট এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তা পথচারীদের জন্য পুলিশ খুলে দিয়েছিল। তবে দুই পক্ষ কিছু সময় শান্ত থাকার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ও ছাত্রাবাস ছাড়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন ছাত্ররা। বিষয়টির সুরাহা করতে অধ্যক্ষ মইনুল হোসেন অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন।
কলেজ ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ঢাকা কলেজ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ছাত্রদের বিকেলের মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন।
নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পর্যন্ত পথচারীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এখন নির্বিঘ্নে পথচারীরা চলাচল করতে পারছেন।
দীর্ঘ সংঘর্ষের পর প্রশাসনের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে দোকান খুলতে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা নিউ মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি ড. দেওয়ান শাহীন।

শিক্ষার্থীদের অনুরোধে পুলিশ চন্দিমা সুপার মার্কেটের সামনে ও তার আশাপাশ থেকে ঢাকা কলেজের গেইট পর্যন্ত রাস্তা ক্লিয়ার করে দিয়েছে।
সেগুলোতে পড়ে থাকা ইট পাথর নিয়ে অবস্থান করা কর্মচারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। সরে যেতে না চাইলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। তখন শিক্ষার্থীরা কিছুটা শান্ত হন।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে কলেজ গেইট থেকে বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোাগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে ঢাকা কলেজে গিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এর আগে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যও গিয়েছেন ঢাকা কলেজে।

ভবনের ছাদে উঠে সেখান থেকে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট এলাকায় পুলিশের সামনে থেকে কর্মচারীদের সরিয়ে দিলে পুলিশের সঙ্গে কর্মচারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। তারপরও কর্মচারীরা না সরে পুলিশের সামনে অবস্থান করছে।
দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নিউ মার্কেট থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় দেয়া আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। এ সময় ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীরা ফায়ারসার্ভিস কর্মীদের সহায়তা করতে দেখা যায়।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দিকে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছুড়ছেন নিউ মার্কেট এলাকার এক কর্মচারী (লাল হেলমেট পরা)। 
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা কলেজের ছাত্র ও নিউম মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত অবস্থায় ২৮ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও তারা পুলিশের কথা মানছেন না। পুলিশের সামনে গিয়েই তারা ছাত্রদের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করছেন।


ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি ঘটনাস্থলে অনেক জটিল আকার ধারণ করেছে। টেকনিক্যাল কারণেই পুলিশ ছাত্রদের প্রতি সফট আচরণ করছে। এখানে গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আশা করছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই এ ঘটনা কুল ডাউন হবে। যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী তাদের আইনের মুখামুখি হতে হবে।’
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছেন।
পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রেজাউল বলেন, ‘গতকাল রাতেও পুলিশ ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের দিকে গুলি ছুড়েছে, টিয়ারশেল মেরেছে। আজকেও তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে আমাদের মারছে। আমাদের ক্যাম্পাসের ভিতরে টিয়ারশেল মারতেছে।’
পুলিশের টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং কর্মচারীদের ইট পাটকেলের জবাবে ছাত্ররা ঢাকা কলেজের ভেতর থেকে, ছাদের উপর থেকে ইট পাটকেল ছুড়ছেন।
ঢাকা কলেজের একটি ভ্যানগাড়ি উল্টে দিয়ে আগুন দিয়েছেন নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে এগোচ্ছে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি নিউ মার্কেট এলাকার দোকান কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও ইট পাটকেল ছুড়ছেন।

ঢাকা কলেজের ভেতরে ছাত্রদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেডও ছুড়েছে পুলিশ।
অ্যাকশনে পুলিশ। চদ্রিমা সুপার মার্কেটে ছাত্ররা পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দিলে ছাত্রদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ছুড়ে পুলিশ। এরপর এগোতে থাকে ঢাকা কলেজের দিকে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরিস্থিতি দুপুরের পর স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশ্বাস দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অবশ্য ঈদবাজারের এই সময় নিউমার্কেটকেন্দ্রীক ২০টি মাকের্টে অন্তত শত কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে দাবি করেন হেলাল উদ্দিন।
সংঘর্ষ থামাতে এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ সদস্য যোগ দিয়েছেন।

গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের শতাধিক সহপাঠী আহত হয়েছেন।
জলকামান, টিয়ারগ্যাস নিয়ে পুলিশের একটি দল ঢাকা কলেজের দিকে এগুলেও চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় মার্কেটের কর্মচারীরা পুলিশের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ কর্মচারীদের পিছনে অবস্থান করছে।

আহত সহকর্মীকে আঘাতের প্রতিশোধ নিতে অর্ধশতাধিক কর্মচারী নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে যেতে চান। তবে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই লোহার রড নিয়ে নিউমার্কেটের দিকে এগুতে থাকেন তারা।
পরিকল্পনা করে সংঘর্ষ থামাতে চাইছে পুলিশ। এরইমধ্যে পুলিশ বৈঠকে বসেছে। রমনা ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো কথা বলতে চাননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অ্যাকশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিদ্ধান্ত পেলেই তারা অ্যাকশনে যাবেন বলে বলছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য।


বেলা পৌনে ১টায় জলকামান ও টিয়ারশ্যায়ার গাড়ি নিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর তারা ব্যবসায়ীদের সরিয়ে ঢাকা কলেজের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করে।
ব্যবসায়ীরা সড়ক বিভাজকের লোহার বেষ্টনি ভেঙে লোহার রড সংগ্রহ করে হামলায় যোগ দিচ্ছেন। তাদের হামলায় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক জানান, ব্যবসায়ীরা রড দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটাচ্ছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউমার্কেটের দোকান খুলতে ব্যবসায়ীদের বাধা দিতে মার্কেটে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে ময়লা ফেলে রাখে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা।
মন্তব্য