× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Change the design of the Shaheed Minar installation
hear-news
player

শহীদ মিনারের নকশা পরিবর্তন করে স্থাপনা!

শহীদ-মিনারের-নকশা-পরিবর্তন-করে-স্থাপনা সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরের নকশা পরিবর্তন করে স্থাপনা নির্মাণ করছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পেছনে আরেকটি স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে সিটি করপোরেশন। দেখতে অনেকটা স্মৃতিস্তম্ভের মতো এই স্থাপনা শহীদ মিনারের মূল নকশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে আপত্তি তুলেছেন অনেকে।

২০১৪ সালে পুনর্নির্মাণের পর থেকেই সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার শহরের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবে এটির চত্বরের নকশা পরিবর্তন করে স্থাপনা নির্মাণ করছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।

স্মৃতিস্তম্ভের মতো এই স্থাপনা শহীদ মিনারের নকশার সঙ্গে সংঘর্ষিক হবে এবং এতে এটির সৌন্দর্যহানি ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। নতুন স্থাপনা দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ নিয়ে সমালোচনা দেখা দিয়েছে। তবে সিসিক কর্মকর্তারা বলছেন, স্মৃতিস্তম্ভ নয়, ছোটোখাটো অনুষ্ঠানের জন্য মুক্তমঞ্চ নির্মাণ করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অবস্থান নগরের চৌহাট্টা এলাকায়। ২০১৩ সালে গণজাগরণ মঞ্চের বিরোধিতা করে ‘তৌহিদী জনতার’ ব্যানারে একটি মিছিল থেকে ভাঙচুর করা হয় শহীদ মিনারটি। এরপর তা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।

সিলেট শহীদ মিনারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে সিটি করপোরেশন। ২০১৪ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উদ্যোগে সিসিক ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই শহীদ মিনার পুনর্নির্মাণ করে।

‘চেতনায় আন্দোলিত ভূমি থেকে জেগে ওঠা বাঙালির আবহমান সংগ্রামী ঐতিহ্য’– এই প্রতিপাদ্যে নতুন শহীদ মিনারের নকশা করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক শুভজিৎ চৌধুরী। সবুজ টিলাভূমির ওপর সাদা স্মারকস্তম্ভে লাল সূর্যের এই শহীদ মিনারটি নির্মাণের পর থেকেই নজর কাড়ে সবার। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে তৎকালীন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এটিকে দেশের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনার বলে মন্তব্য করেছিলেন।

শহীদ মিনারের নকশা পরিবর্তন করে স্থাপনা!

এরপর ২০১৯ সালে এক পাশে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানকে একীভূত করে শহীদ মিনারের পরিসর বাড়ানো হয়। ৩৩ শতক জায়গাজুড়ে পুনর্বিন্যাসকৃত শহীদ মিনার কমপ্লেক্সেরও নকশা করেন শুভজিৎ চৌধুরী।

গত মার্চ থেকে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পেছনে আরেকটি স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে সিটি করপোরেশন, যা সম্প্রতি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। দেখতে অনেকটা স্মৃতিস্তম্ভের মতো এই স্থাপনা মূল নকশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন অধ্যাপক শুভজিৎ চৌধুরী।

সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার অধ্যাপক শুভজিৎ চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা যে যে মহাপরিকল্পনা দিয়েছিলাম, এই স্থাপনা তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি দেখতে অনেকটা স্মৃতিস্তম্ভের মতো হচ্ছে।’

শুভজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পেছনের খালি জায়গাটি আমরা নকশায় উন্মুক্ত প্রদর্শনীর জন্য রেখেছিলাম। চিত্রকলা বা এ রকম কিছুর প্রদর্শনীর জন্য এই জায়গা উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। কিন্তু স্থাপনা নির্মাণের ফলে এটি আর উন্মুক্ত থাকছে না।’

নিজের নকশায় পরিবর্তন আনা বা নতুন স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে তাকে কিছু জানানো হয়নি জানিয়ে শুভজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘এখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করাই ভালো।’

সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকে সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেট। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রজতকান্তি গুপ্ত মনে করেন, নতুন এই স্থাপনা শহীদ মিনারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশন থেকে এখানে একটি 'মুক্তমঞ্চ' নির্মাণ করার বিষয়ে আমাদের জানানো হয়েছে। সাহিত্য আড্ডাসহ ছোটোখাটো অনুষ্ঠান ওই মঞ্চে হবে এবং বড় অনুষ্ঠানগুলো শহীদ মিনারের পাশের মঞ্চে হবে– এমনটিই আমাদের জানানো হয়েছে। তবে স্থাপনার কোনো নকশা আগে আমাদের দেখানো হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘এখন যেটি নির্মিত হয়েছে তা দেখতে আরেকটা মিনারের মতো। এটি শহীদ মিনারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মানুষজন এটি দেখে দূর থেকে বিভ্রান্ত হতে পারে।’

রজত বলেন, ‘মুক্তমঞ্চে আমাদের আপত্তি নেই। তবে নকশার থিমটি পরিষ্কার করা দরকার।’

শহীদ মিনারের মর্যাদা রক্ষায় নতুন এই স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে জানিয়ে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান বলেন, ‘সিলেটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়। এতে অনেক সময় শহীদ মিনার বেদির মর্যাদা রক্ষা করা হয় না। এ কারণে শহীদ মিনারের দক্ষিণ পাশে খালি জায়গায় একটি 'মুক্তমঞ্চ' তৈরি করা হচ্ছে। এই মঞ্চে ছোটোখাটো অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে।’

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষক সুব্রত দাস ‘মুক্তমঞ্চের’ নকশা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি নিয়ে কেউ কেউ আপত্তি তুলেছেন। আপত্তির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। শহীদ মিনারের নকশাকার এবং মুক্তমঞ্চের নকশাকারের সঙ্গেও এ নিয়ে কথা হয়েছে।’

সিলেটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পেছনে আরেকটি স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে সিটি করপোরেশন। দেখতে অনেকটা স্মৃতিস্তম্ভের মতো এই স্থাপনা শহীদ মিনারের মূল নকশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে আপত্তি তুলেছেন অনেকে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Siblings drowned while picking mangoes

আম কুড়াতে বেরিয়ে ভাই-বোনের ডুবে মৃত্যু

আম কুড়াতে বেরিয়ে ভাই-বোনের ডুবে মৃত্যু
গাবতলী মডেল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার বিকেলে হালকা ঝোড়ো বাতাস শুরু হলে মিরাজ ও আয়শা বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও শিশু দুটি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাদের খুঁজতে বের হয়। একপর্যায়ে আমগাছের পাশের পুকুরে তাদের ভাসমান মরদেহ পাওয়া যায়।

বগুড়ার গাবতলীতে আম কুড়াতে বেরিয়ে দুই শিশুর পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। তারা দুজন চাচাতো ভাইবোন।

উপজেলার দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের তারাবাইশা গ্রামে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলো তারাবাইশা গ্রামের মো. মিরাজ ও আয়েশা সিদ্দিকা। দুজনেরই বয়স পাঁচ বছর।

গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেলে হালকা ঝোড়ো বাতাস শুরু হলে মিরাজ ও আয়শা বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও শিশু দুটি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাদের খুঁজতে বের হয়। একপর্যায়ে আমগাছের পাশের পুকুরে তাদের ভাসমান মরদেহ পাওয়া যায়।

ওসি বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা করেছে পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
বড় বোনকে খুঁজতে বেরিয়ে ছোট দুজনের মৃত্যু
মায়ের সঙ্গে গোসলে গিয়ে ডুবে ছেলের মৃত্যু
কর্ণফুলীতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১
৩ হাসপাতালে নিয়েও বাঁচানো গেল না শিশু জুনায়েদকে
ভারতে খাদ্যের অভাব ২ বছরের কম বয়সী ৮৯% শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 school children arrested for killing classmate

সহপাঠী খুনে আটক ৪ স্কুলছাত্র

সহপাঠী খুনে আটক ৪ স্কুলছাত্র স্কুলছাত্র হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক চার সহপাঠী। ছবি: নিউজবাংলা
ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম জানান, নিহত ধ্রুবর সঙ্গে তার ক্লাসের কয়েকজন সহপাঠীর বিরোধ ছিল। রাতে ধ্রুব এই এলাকায় গেলে তার পাঁচ থেকে সাতজন সহপাঠী স্কুলের সামনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে অন্ধকার স্থানে পেয়ে তারা ধ্রবকে ছুরি দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে থাকে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে সহপাঠীরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ফতুল্লার ইসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত স্কুলছাত্রের নাম ধ্রুব চন্দ সাহা। তার বয়স ১৫ বছর।

সে ওই এলাকার মাদব চন্দ্রের ছেলে। ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ত সে।

আটক স্কুলছাত্ররা হলো ইয়াসিন, পিয়াস, অজয় দাস ও মো. নিপন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম জানান, নিহত ধ্রুবর সঙ্গে তার ক্লাসের কয়েকজন সহপাঠীর বিরোধ ছিল। রাতে ধ্রুব এই এলাকায় গেলে তার পাঁচ থেকে সাতজন সহপাঠী স্কুলের সামনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে অন্ধকার স্থানে পেয়ে তারা ধ্রবকে ছুরি দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে থাকে।

ধ্রুব চিৎকার করলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে ফেলে পালিয়ে যায় সহপাঠীরা। পরে লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, স্থানীয় লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ধ্রুবকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত ১০টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।

নিহত ধ্রুবর বাবা মাধব চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমার ছেলে রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বাসার সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে তলপেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শ্যালককে ‘কুপিয়ে হত্যা’, দুলাভাই গ্রেপ্তার
‘চাচাতো ভাইয়ের’ ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
‘ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে’ বৃদ্ধ নিহত
পল্টনে বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাত
ছাত্রলীগ নেতা খুনের ঘটনায় মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Brahmanbaria fox meat is publicly distributed

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস ভাগবাটোয়ারা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস ভাগবাটোয়ারা প্রতীকী ছবি
উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ছতুরা শরীফ গ্রামের একটি বেগুনক্ষেত থেকে দুটি শিয়াল ধরা হয়। ওই সময় কসবা উপজেলার ভাদুইর গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আসলাম ও ফোরকান ওই গ্রামের কিছু লোকজন নিয়ে তন্তরবাজার এলাকায় একটি শিয়াল জবাই করেন।এরপর সেই মাংস ভাগবাটোয়ারা ও বিক্রি করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি ও ভাগবাটোয়ারা হয়েছে।

উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তন্তর বাজার এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ইউনিয়নের ছতুরা শরীফ গ্রামের কয়েকটি পরিবারের লোকজন শিয়ালের মাংস ভাগবাটোয়ারা করে।

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ও ধরখার ফাঁড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই শিয়ালের মাংস নিয়ে পালিয়ে যান লোকজন।

এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে না পারলেও দড়িতে বাঁধা জীবিত একটি শিয়াল উদ্ধার করে জঙ্গলে মুক্ত করা হয়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ছতুরা শরীফ গ্রামের একটি বেগুনক্ষেত থেকে দুটি শিয়াল ধরা হয়। ওই সময় কসবা উপজেলার ভাদুইর গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আসলাম ও ফোরকান ওই গ্রামের কিছু লোকজন নিয়ে তন্তরবাজার এলাকায় একটি শিয়াল জবাই করেন।

এরপর সেই মাংস ভাগবাটোয়ারা ও বিক্রি করা হয়।

শিয়ালের মাংস কেনা এক ক্রেতা বলেন, ‘বাত, ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এসব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংস অব্যর্থ ওষুধ। এই কথা বিশ্বাস করে অনেকেই শিয়ালের মাংস কিনে নেন।’

আরও পড়ুন:
শিয়ালের আক্রমণ, বনরক্ষীসহ ৯ জন হাসপাতালে
শিয়ালের আক্রমণে আহত ৩০,  গ্রামবাসীর পাহারা
শিয়ালের বিরুদ্ধে বিধানসভায় অভিযোগ
শিয়ালের আক্রমণে শিশুসহ আহত ৫
ইসির বিরুদ্ধে ৪২ নাগরিকের চিঠি ‘অনিয়ম ঠেকাতে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The head teacher pulled the students veil

ছাত্রীর ওড়না ধরে টানাটানি প্রধান শিক্ষকের!

ছাত্রীর ওড়না ধরে টানাটানি প্রধান শিক্ষকের! অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালী।
আশাশুনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগটি আমি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। আর এ অভিযোগ তুলেছেন ওই স্কুলেরই দশম শ্রেণির এক ছাত্রী।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে আশাশুনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই স্কুলছাত্রী।

ভুক্তভোগী জানান, কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর কাছে তিনি প্রাইভেট পড়তেন। সেই সুযোগে প্রথমে ফোন নম্বর নিয়ে পরে তার সঙ্গে ফেসবুকে যুক্ত হন প্রধান শিক্ষক।

এর পর থেকে প্রায়ই ভুক্তভোগীকে ফোন করে লেখাপড়ার খোঁজখবর নিতেন দুখীরাম। একপর্যায়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে উত্তেজক মেসেজ দিতে থাকেন তিনি। এমনকি মেসেজে ও ভিডিও কলে শরীরের গোপন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ছবি দেখতে চাইতেন তিনি।

ওই স্কুলছাত্রী বলেন, ‘যখন আমি একা থাকতাম তখন স্যার আমার ওড়না ধরে টানাটানি করতেন। আমি এগুলো সহ্য করতে পারতাম না। ভয়ে প্রথমে কাউকে কিছু জানাইনি। পরে সহপাঠীদের জানালে তারা এর প্রতিবাদ করতে বলে।’

এ বিষয়ে ওই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক দুখীরাম দুই বছর আগে বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। ছাত্রীর সঙ্গে এই ঘটনা শুনে আমরা সবাই হতভম্ব। ফেসবুকে গোপনে তিনি কখন কী করেছেন তা আমরা জানি না। আমরা স্যারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি ফেসবুক হ্যাক করে কেউ এমনটি করেছেন বলে দাবি করেন।’

এদিকে প্রধান শিক্ষকের পাঠানো মেসেজগুলোর স্ক্রিনশট শিক্ষার্থীসহ এলাকার বিভিন্ন মানুষের মোবাইলে ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগটি আমি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষক দুখীরাম ঢালীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি যাচাই-বাছাই ও তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ
অধ্যক্ষের ‘কলকাঠিতে’ ১৮ মাস বেতন নেই ৭ শিক্ষকের
ইনডেক্সধারী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি না হতে পারার অভিযোগ
৪৭১ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ
নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস সরবরাহের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MBBS claims first aid training

নিয়েছেন প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ, দাবি এমবিবিএস

নিয়েছেন প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ, দাবি এমবিবিএস ভুয়া চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
বাগেরহাট জেলার সহকারী কমিশনার রোহান সরকার বলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ নিয়েই তিনি নিজেকে এমবিবিএস পাস দাবি করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি সাইনবোর্ডে যে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখেছেন সেটিও ভুয়া।’

বাগেরহাটের কচুয়ায় এম এম মনির নামের এক ভুয়া চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্ট এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে ওই চিকিৎসকের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রোহান সরকার এই দণ্ডাদেশ দেন।

ওই সময় চিকিৎসকের চেম্বার সিলগালা করে দেয়া হয়।

বাগেরহাট জেলার সহকারী কমিশনার রোহান সরকার বলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ নিয়েই তিনি নিজেকে এমবিবিএস পাস দাবি করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি সাইনবোর্ডে যে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখেছেন সেটিও ভুয়া।

‘তার অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লাখ টাকা জরিমানা ও তার চেম্বরটি বন্ধ করে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। তিনি কখনও চিকিৎসা সেবা দেবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
বাটায় আবার স্টিকারের কারসাজিতে বাড়তি দাম
তিন সেমাই কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা
অনিয়মের দায়ে ৩ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
বেশি দামে তরমুজ ও খেজুর বিক্রির দায়ে জরিমানা
প্রাইস ট্যাগ বদলে ফের জরিমানা গুনল বাটা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The BCL leader who went live during the exam is loud again

পরীক্ষার হলে লাইভ করা সেই ছাত্রলীগ নেতা আবারও সরব

পরীক্ষার হলে লাইভ করা সেই ছাত্রলীগ নেতা আবারও সরব মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন সুমন (লাল বৃত্ত)। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন,দলের এক নেতা বলেন, ‘ছাত্রলীগকে কলঙ্কিত করা নেতা দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়া লজ্জাকর। দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন নেতা দরকার নাই।’

পরীক্ষা চলাকালে ফেসবুকে লাইভে এসে দেশব্যাপী সমালোচিত ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন সুমনকে দলীয় অনুষ্ঠানে দেখা গেছে।

ওই ঘটনার পর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মিছিলে দেখা যায় তাকে।

শহরের ভূষণ স্কুল রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিকেলে কালীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার। সুমন এমপির ৭ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের বক্তব্য নিজের ফেসবুকে লাইভ দেন।

এরপর একটি মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে স্লোগান দিতেও দেখা যায় সুমনকে। ভিডিওতে দেখা যায় কালো রঙের পাঞ্জাবি পরে আছেন সুমন।

ছাত্রলীগের সমালোচিত এই নেতা আবারও দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতাকর্মীরা।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল দুপুরে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। এ সময় পরীক্ষার হলে বসেই ৯ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের একটি লাইভ করেন সুমন। পরে তার এই লাইভটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।

এরপর এ ঘটনা তদন্তে ৯ এপ্রিল ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চিফ ইন্সট্রাক্টর সোহরাব হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। একই রাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

দলের এক নেতা বলেন, ‘ছাত্রলীগকে কলঙ্কিত করা নেতা দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়া লজ্জাকর। দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন নেতা দরকার নাই।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ
ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে উত্তেজনা
ছাত্রলীগের সেই তুখোড় নেতারা এখন যেমন
কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের ৫ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
পিস্তল হাতে ভাইরাল সেই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Zia has made a joke about the vote Liton

জিয়া ভোট নিয়ে তামাশা করে গেছেন: লিটন

জিয়া ভোট নিয়ে তামাশা করে গেছেন: লিটন
লিটন বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অনেক মিল রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে বিমানবন্দরে যেমন মানুষের ঢল নেমেছিল, তেমনি শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের দিনেও বিমানবন্দরে মানুষের ঢল নেমেছিল। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর তাকে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হয়েছে। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ক্ষমতায় এসে তিনি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ছেন।’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘আজকে বিএনপি গণতন্ত্র নিয়ে, ভোট নিয়ে নানা কথা বলছে। অথচ তাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ভোট নিয়ে প্রহসন করে গেছেন, গণভোট আয়োজন করে ভোট নিয়ে তামাশা করে গেছেন। রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষকতা ও মৌলবাদের উত্থান ঘটিয়েছেন তিনি।’

এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন লিটন। রাবির শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে এ সভার আয়োজন করা হয়।

লিটন বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অনেক মিল রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে বিমানবন্দরে যেমন মানুষের ঢল নেমেছিল, তেমনি শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের দিনেও বিমানবন্দরে মানুষের ঢল নেমেছিল। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর তাকে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হয়েছে। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ক্ষমতায় এসে তিনি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ছেন।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এই সদস্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বারবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা শেখ হাসিনার মাধ্যমেই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করবেন, তাই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলংকা হবে না, কারণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি স্বাবলম্বী হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু মানুষের মুখের হাসি ফোটানোর যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই কাজটি বাস্তবায়ন করেছেন তারই সুযোগ্যকন্যা শেখ হাসিনা।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার। সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপউপাচার্য প্রফেসর চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও উপউপাচার্য প্রফেসর মো. সুলতান-উল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
জাতির পিতার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন
মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে স্বাধীনতা পেল পূর্ণতা
১০ জানুয়ারি: আলোর পথে যাত্রা
গণমানুষের মুজিব ফিরলেন স্বাধীন ঘরে 
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনে বিজয়ের পূর্ণতা

মন্তব্য

উপরে