× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Domestic airlines under pressure from rising oil prices
hear-news
player
google_news print-icon

তেলের বাড়তি দরে চাপে দেশি এয়ারলাইনস

তেলের-বাড়তি-দরে-চাপে-দেশি-এয়ারলাইনস
তিন-চার বছরে উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বেড়েছে ১০০ শতাংশের বেশি। ফাইল ছবি
এয়ারলাইনসগুলো বলছে, তেলের দাম বাড়ার কারণে তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়েছে। ভাড়া বাড়িয়ে তা পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে আরেক ক্ষতির মুখে পড়েছে তারা। এর কারণ, ভাড়া বাড়ার সঙ্গে ক্রমেই কমছে আকাশপথে যাত্রী।

বিশ্বে করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে ২০১৮-১৯ সালের দিকে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরের ফ্লাইটে জনপ্রতি ভাড়া ছিল সর্বনিম্ন ২ হাজার ৭০০ টাকা। এই তিন-চার বছরে এই ভাড়া এখন ৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। অর্থাৎ এ সময়ে আকাশপথে এই রুটটিতে ভাড়া হয়ে গেছে প্রায় দ্বিগুণ।

এয়ারলাইনসগুলো বলছে, এই সময়ে উড়োজাহাজের জ্বালানি এভিয়েশন ফুয়েল বা জেট ফুয়েলের দাম বেড়েছে ১০০ শতাংশের বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যেখানে এক লিটার জেট ফুয়েল কিনতে এয়ারলাইনসগুলোকে খরচ করতে হতো ৪০ টাকা, সেখানে এখন গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা।

একটি ফ্লাইটের পরিচালনা ব্যয়ের অন্তত ৪০ শতাংশ নির্ভর করে জেট ফুয়েলের দামের ওপর। তাই জেট ফুয়েলের দাম বাড়লে সরাসরি প্রভাব পড়ে ভাড়ায়।

জ্বালানির বাড়তি মূল্য সমন্বয় করতে ধাপে ধাপে বেড়েছে টিকিটের দাম। কোভিড-পূর্ববর্তী সময়ে প্রতি বছর প্রায় ৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছিল আকাশপথের যাত্রীসংখ্যা।

এয়ারলাইনসগুলো বলছে, তারা ভাড়া বাড়ানোর পর উল্টো ক্ষতি হয়েছে। এর কারণ, ভাড়া বাড়ার সঙ্গে ক্রমেই কমছে আকাশপথে যাত্রী।

জেট ফুয়েলের দাম যেভাবে বাড়ছে

জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েলের তথ্য বলছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যন্তরীণ গন্তব্যের জন্য জেট ফুয়েলের দাম ছিল ৫৫ টাকা, মার্চে তা বেড়ে হয় ৬০ টাকা। এপ্রিলে তা ছিল ৬১ টাকা।

মে মাসে এক টাকা কমে দাম। এরপর আবার দাম বাড়ে। জুনে তা হয় ৬৩ টাকা, জুলাইয়ে ৬৬, আগস্টে ৬৭, অক্টোবরে ৭০, নভেম্বরে ৭৭ টাকায় পৌঁছে দাম।

এরপর ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে ২ টাকা করে কমলেও ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ৭ টাকা করে বেড়ে হয় ৮৭ টাকা। এপ্রিলে বাড়ানো হয় ১৩ টাকা। এখন প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্যও বেড়েছে জেট ফুয়েলের দাম। এখন থেকে প্রতি লিটার জেট ফুয়েল কিনতে হবে ১ দশমিক শূন্য ২ ডলার বা ৮৮ টাকায়।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ৫০ সেন্ট (৪২ টাকা), মার্চে ৫৫ সেন্ট (৪৬ দশমিক ৭৫ টাকা), মে মাসে ৫৬ সেন্ট (৪৭ দশমিক ৬ টাকা), জুনে ৫৯ সেন্ট (৫০ দশমিক ১৬ টাকা), জুলাইয়ে ৬২ সেন্ট (৫২ দশমিক ৭ টাকা), আগস্টে ৬৩ সেন্ট (৫৩ দশমিক ৫৫ টাকা), অক্টোবরে ৬৫ সেন্ট (৫৫ দশমিক ২৫ টাকা) এবং নভেম্বরে ৭৩ সেন্ট (৬২ দশমিক ০৫ টাকা)।

এ বছরের জানুয়ারিতে পদ্মা অয়েল প্রতি লিটার জেট ফুয়েল ৬৭ সেন্ট বা ৫৭ টাকায় সরবরাহ করেছে এয়ারলাইনসগুলোকে। আর ফেব্রুয়ারিতে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয় ৭৫ সেন্ট বা ৬৪ টাকা।

যাত্রী কমে অর্ধেক

দেশি এয়ারলাইনসগুলোর সংগঠন এভিয়েশন অপারেটস অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি ও নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তেলের দাম বাড়লেই ভাড়া বাড়ে আর ভাড়া বাড়লেই যাত্রী কমে যায়। এটা আমরা এখনই বুঝতে পারছি। কারণ তেলের দাম সমন্বয় করতে গিয়ে আমাদের ভাড়া বাড়াতে হয়েছে। যাত্রী এরই মধ্যে অর্ধেকের মতো কমে গেছে। প্রভাব এরই মধ্যে ফেলেছে এবং আরও ফেলবে।’

পরিস্থিতি এখন শাঁখের করাতের মতো। কাটছে দুই দিকেই। এর সমাধান কীভাবে হবে, সেটি জানা নেই মফিজুরের।

এর আগে ২০০৮-০৯ সালে বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দায় জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি এক ডলার ছাড়িয়ে যায়। সে বছর দেশের আকাশে পাখা মেলে দুটি বেসরকারি এয়ারলাইনস বেস্ট এয়ার এবং এভিয়ানা এয়ারওয়েজ। জেট ফুয়েলের বাড়তি দামের সঙ্গে সমন্বয় করতে না পেরে খুব কম সময়ের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় এয়ারলাইনস দুটো।

সে সময় জেট ফুয়েলের দাম উঠেছিল ১ দশমিক শূন্য ৭ ডলারে। এত বছর পর আবারও সেই পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে দেশি এয়ারলাইনসগুলো।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেট ফুয়েলের দামের সরাসরি একটি প্রভাব পড়বে। এখন ঈদের সময় দেখে বিষয়টি অতটা বোঝা যাচ্ছে না। এর কারণ ঈদের সময় এমনিতেই একটি বাড়তি চাপ থাকে। স্বাভাবিক সময়ে বা দীর্ঘমেয়াদে এটার প্রভাব বোঝা যাবে। যাত্রী প্রবৃদ্ধির ওপর এর সরাসরি একটি প্রভাব পড়ার কথা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোর জন্যও কিন্তু জ্বালানিতে বাড়তি দাম দিতে হচ্ছে। এটি যদি চলমান থাকে তাহলে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে আমাদের যে প্রতিযোগিতা, তাতে আমরা পিছিয়ে যাব। আমাদের যে বাজার আমরা এতদিন ধরে তৈরি করেছি, সেটি আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।’

গত ২৫ বছরে দেশে ১০টি বেসরকারি এয়ারলাইনস যাত্রা শুরু করলেও এখন টিকে আছে কেবল দুটি। এ সময়ের মধ্যে একে একে পাখা গুটিয়েছে অ্যারো বেঙ্গল, এয়ার পারাবত, রয়্যাল বেঙ্গল, এয়ার বাংলাদেশ, জিএমজি এয়ারলাইনস, বেস্ট এয়ার, ইউনাইটেড এয়ার ও রিজেন্ট এয়ার।

করোনার মধ্যে ২০২০-এর মার্চ থেকে ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে রিজেন্ট এয়ার। কয়েক দফা চালুর কথা বললেও আর ফ্লাইটে ফেরেনি তারা। বন্ধ হয়ে যাওয়া এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে জিএমজি, রিজেন্ট ও ইউনাইটেড আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও চালাত।

দেশে বর্তমানে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ছাড়া ফ্লাইটে রয়েছে বেসরকারি এয়ারলাইনস ইউএস বাংলা ও নভোএয়ার।

তেলের দাম ইস্যুতে দেশি এয়ারলাইসগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মত এভিয়েশেন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহেদুল আলমের। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একটি ফ্লাইটের অপারেটিং কস্টের ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশই জ্বালানি খরচ। এই জায়গায় যদি তারতম্য হয়, তাহলে তো স্বাভাবিকভাবেই ভাড়া বাড়বে। এটা একটা চেইন রিঅ্যাকশনের মতো। যখন এয়ারলাইনসের ওপর চাপ পড়বে, সে সেটা যাত্রীদের কাছ থেকেই আদায় করবে।

‘ভাড়া বাড়লে দেখা যাবে কিছু যাত্রী হয়তো সেটা মেনে নেবে। কিন্তু অনেক যাত্রী আবার সেটার সঙ্গে সমন্বয় করতে পারবে না। এখন আকাশপথে ভ্রমণের যে কমফোর্ট, সেটা অনেকেই বুঝে গেছে। কিন্তু যখন সাধ্যের বাইরে চলে যাবে, তখন তো আর এফোর্ট করতে পারবে না।

‘এতে যাত্রীর লোড যেটা আছে, সেটা ড্রপ করবে। এতে শেষ পর্যন্ত এয়ারলাইনসগুলোই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

জ্বালানির দাম বাড়লেও এখনই ভাড়া না বাড়াতে এয়ারলাইনসগুলোকে অনুরোধ জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঈদের সময় ভাড়া বাড়লে মানুষের জন্য কষ্ট হবে। জেট ফুয়েলের দাম বাড়ছে এটাও ঠিক, কিন্তু ভাড়াটাও সাধ্যের মধ্যে রাখতে হবে। এখন ফুয়েলের দাম বেড়েছে, হয়তো একসময় কমে যাবে। এগুলো কনসিডারেশনে রাখতে হবে।’

বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলোর হিসাব বলছে, প্রতি বছর দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন গন্তব্যে আকাশপথে ভ্রমণ করেন অন্তত ১৮-২০ লাখ যাত্রী। প্রতি বছর যাত্রীসংখ্যা বাড়ছে ৭ শতাংশ হারে।

অবশ্য ২০২০ সালের মার্চে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর নানা বিধিনিষেধের কারণে অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে যাত্রী হারিয়েছে দেশি এয়ারলাইনসগুলো।

আরও পড়ুন:
বৈদেশিক মুদ্রায় তেল কিনতে পারবে বিদেশি এয়ারলাইনস
আসছে আরও দুই বেসরকারি এয়ারলাইনস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Earthquake in Turkey Syria National mourning in Bangladesh Thursday

তুরস্ক সিরিয়ায় ভূমিকম্প: বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক বৃহস্পতিবার

তুরস্ক সিরিয়ায় ভূমিকম্প: বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক বৃহস্পতিবার তুরস্কে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত স্থাপনা। ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সরকার এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ার নাগরিকদের মৃত্যুতে আগামী ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে ০১ (এক) দিনের শোক পালন করা হবে।’

তুরস্ক ও সীমান্তবর্তী দেশ সিরিয়ায় সোমবার ভোররাতের ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বুধবার এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সরকার এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ার নাগরিকদের মৃত্যুতে আগামী ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে ০১ (এক) দিনের শোক পালন করা হবে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘এ উপলক্ষে আগামী ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং নিহতদের আত্মার শান্তির জন্য দেশের সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।’

স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় এরই মধ্যে প্রায় ৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছে কমপক্ষে ৪০ হাজার মানুষ।

ভূমিকম্পের ৪৮ ঘণ্টা পরও ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের উদ্ধার করা হচ্ছে। কাহরামানমারাসে মঙ্গলবার ১৪ বছর বয়সী এক শিশুকে উদ্ধারের অভিযান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

ওই ঘটনার মধ্য দিয়ে আরও অনেককে জীবিত উদ্ধারের আশা করা হচ্ছিল, তবে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বেড়েই চলছে মৃতের সংখ্যা।

আরও পড়ুন:
জীবিত বা মৃত পাওয়া গেলেই ধ্বনি উঠছে আল্লাহু আকবার
বাংলাদেশের উদ্ধারকারী দল যাচ্ছে তুরস্কে
‘এই ধ্বংসস্তূপের নিচে একটি পরিবার আছে, আমি জানি’
আবারও কাঁপল তুরস্ক, ২৪ ঘণ্টায় ১০০ ‘আফটার শক’
‘মানুষ চিৎকার করছে, আমরা তাদের বাঁচাতে পারছি না’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Prime Minister asked the boys to be attentive this time

এবারও ছেলেদের মনোযোগী হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

এবারও ছেলেদের মনোযোগী হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে বুধবার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সরকারপ্রধান। ছবি: সংগৃহীত
পাসের হার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাসের হারে মেয়েদের সংখ্যাটা বেশি। ছেলেদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়া দরকার।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসে মেয়েরা এগিয়ে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছেলেদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে বুধবার বেলা ১১টা ৪৬ মিনিটে ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগে দেয়া বক্তব্যে বিগত বছরগুলোর মতো এবারও এমন পরামর্শ দেন সরকারপ্রধান।

এর আগে বেলা সোয়া ১১টার পর গত বছর অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ‍অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। পরে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা ফল হস্তান্তর করেন।

ফল হস্তান্তর শেষে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বক্তব্য দেন।

দুই মন্ত্রীর পরে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষিত জনগোষ্ঠী ছাড়া কোনো দেশ উন্নত হতে পারে না। এ কারণে জাতির পিতা শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশে শিক্ষার হার বাড়ানোয় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার শিক্ষাকে বহুমুখী করেছে। প্রতি জেলায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তা ছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা হয়েছে; শিক্ষাকে ‍যুগোপযোগী করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ওই সময় তিনি পরীক্ষার ৫৭ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

পাসের হার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাসের হারে মেয়েদের সংখ্যাটা বেশি। ছেলেদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়া দরকার।

তিনি আরও বলেন, মেয়েরা সুযোগ পেলে অসাধ্য সাধন করতে পারে।

আরও পড়ুন:
এইচএসসির ফল প্রকাশ
এইচএসসি ও সমমানের ফল জানবেন কীভাবে
এইচএসসির ফলের অপেক্ষা
দেশপ্রেম ও কর্তব্যবোধ মোসলেম উদ্দিনকে স্মরণীয় করে রাখবে: প্রধানমন্ত্রী
৩ ফসলি জমিতে প্রকল্প না নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wait until February 19 to know the name of the new president

নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানতে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা

নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানতে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা
আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সভায় ওবায়দুল কাদের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন। দলের সব সদস্য এই প্রস্তাব সমর্থন করেন।

রাষ্ট্রপতি পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোয়ন চূড়ান্ত করতে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দায়িত্ব দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সদস্যরা। আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা থেকে তাকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সরকারি দলের সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদীয় দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভা শেষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানাান।

সভায় ওবায়দুল কাদের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন। এরপর দলের সব সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব সমর্থন করেন।

সবমিলে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। সেক্ষেত্রে তারিখটি ১৯ ফেব্রুয়ারি হতে পারে। কারণ ওইদিন রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানতে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সভায় সভাপতিত্ব করেন। ছবি: পিআইডি

বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের কয়েক এমপি জানান, বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এরপর তিনি রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের প্রসঙ্গটি তোলেন। এ বিষয়ে তিনি এমপিদের মতামত চাইলে শুরুতে বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের সভায় বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদে কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সে দায়িত্ব আমরা সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে আমাদের সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিতে চাই। তিনি যাকে মনোনয়ন দেবেন প্রয়োজন হলে আমরা সবাই তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করব।’

উপস্থিত এমপিরা সবাই সমস্বরে তার বক্তব্য সমর্থন করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেন।

বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন বেশ কঠিন হবে। ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার সুযোগ নেই। এই নির্বাচনে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হবে। নানা অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করা হবে। এসব বিষয়ে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।’ পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকারের যেসব উন্নয়ন আছে সেসব নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালানোর নির্দেশনা দেন তিনি।

প্রসঙ্গ, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। পরদিন মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। আর ১৯ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে ভোট নেয়া হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন। তবে একাধিক প্রার্থী না থাকলে ১৩ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

অবশ্য একাধিক প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি হবেন এটা প্রায় নিশ্চিত। কারণ বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। আর আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থী দেয়ার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দেবে তিনিই হতে যাচ্ছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি।

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার
ইউজিসিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেল বেঙ্গল পলিমার ওয়্যারস
ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: সংসদে রাষ্ট্রপতি
মেয়াদ বাড়ল রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিবের 

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Naogaon is getting a university named after Bangabandhu

বঙ্গবন্ধুর নামে বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে নওগাঁ

বঙ্গবন্ধুর নামে বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে নওগাঁ নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা শহরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আনন্দ মিছিল বের হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জাতীয় সংসদে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ’ বিল সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ার খবরে আনন্দে ভাসছে নওগাঁ। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের হয়েছে। তাদের এই খুশির স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নামে নওগাঁ জেলায় হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়’। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, নওগাঁ বিল-২০২৩’ পাস হয়েছে।

এদিকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ’ বিল পাসের খবরে আনন্দে ভাসছে নওগাঁ। এমন বড় উপহার দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের হয়েছে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সংসদ অধিবেশনে বিলটির উপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। তবে তাদের সেই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

এর আগে গত ১০ জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। পরে বিলটি পাসের সুপারিশ করে সংসদে প্রতিবেদন জমা দেয় সংসদীয় কমিটি।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসরমান বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, বিশেষত বিভিন্ন ক্ষেত্রে আধুনিক জ্ঞানচর্চা ও পঠন-পাঠনের সুযোগ সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বেতনভোগী শিক্ষক ও কর্মচারী সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের কোনো পদে প্রার্থী হতে চাইলে ওই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে ইস্তফা দেবেন।

আরো বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ-১৯৭৩ এর বিধানাবলি পরিপালন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। তিনি নির্ধারিত শর্তে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে চার বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ করবেন। নিয়োগ বাতিলের ক্ষমতাও তাঁর হাতে থাকবে।

নওগাঁয় আনন্দ মিছিল

জাতীয় সংসদে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ’ বিল সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ার খবরে আনন্দে ভাসছে নওগাঁ। এমন বড় উপহার দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের হয়েছে। তাদের এই খুশির স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলার নিয়ামতপুর, সাপাহার, মহাদেবপুর, বদলগাছী ও পোরশা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

পাবলিক এই বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে নওগাঁবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু নওগাঁ কিংবা উত্তারাঞ্চল নয়, পুরো দেশের জন্যই শিক্ষার নতুন দার উন্মোচন করবে। সরকারি সফরে জাপানে থাকায় মোবাইল ফোনে গণমাধ্যমকে এই অভিব্যক্তি জানান তিনি।

নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার বলেন, এটি নওগাঁবাসীর জন্য আশীর্বাদ।

সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে শিক্ষা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে গেল দেশ। আমার পিতা প্রয়াত নেতা আব্দুল জলিলেরও স্বপ্ন ছিলো এমন একটি বিদ্যাপিঠ প্রতিষ্ঠার। দীর্ঘদিন পর হলেও এমন একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The rescue team of Bangladesh is going to Turkey

বাংলাদেশের উদ্ধারকারী দল যাচ্ছে তুরস্কে

বাংলাদেশের উদ্ধারকারী দল যাচ্ছে তুরস্কে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্কের একটি ভবন। ছবি: এএফপি
উদ্ধারকারী দলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের পাঁচজন করে সদস্য থাকছেন। একইসঙ্গে জরুরি চিকিৎসা সেবা দিতে আরেকটি মেডিক্যাল টিম যাচ্ছে।

তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কাজের জন্য একটি দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। ১০ সদস্যের এই উদ্ধারকারী দলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের পাঁচজন করে সদস্য থাকবেন। একইসঙ্গে জরুরি চিকিৎসা সেবা দিতে আরেকটি মেডিক্যাল টিম যাচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক সেহেলী সাবরীন মঙ্গলবার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

দলে ফায়ার সার্ভিসের ১২ সদস্য থাকছেন

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে পাঠানো সম্মিলিত সাহায্যকারী দলের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের ১২ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে উদ্ধারকারী দলের সদস্য হিসেবে যারা যাচ্ছেন তারা ইন্টারন্যাশনাল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ অ্যাডভাইজারি গ্রুপ-এর স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী বিধ্বস্ত ভবনে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ পরিচালনা বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্ধার কাজ পরিচালনার জন্য এটি ফায়ার সার্ভিসের প্রথম বিদেশ গমন। বর্তমান সরকারের সময়ে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বৃদ্ধির এটি একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। এটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জন্য একটি অভাবনীয় স্বীকৃতি। আমি বিশ্বাস করি, ফায়ার সার্ভিসের সব সদস্য নিজের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দেবেন।’

ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান এক বার্তায় জানান, বাংলাদেশ সরকার তুরস্ককে এই দুর্যোগে সহায়তা দিতে চেয়েছে। তারা আজ অথবা আগামীকাল উদ্ধারকারী দল পাঠাতে পারে।

সোমবার তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল সিরিয়ার সীমান্তবর্তী তুরস্কের গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে। ভূপৃষ্ঠের ১৭ দশমিক ৭ কিলোমিটার গভীরে ছিল এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। ভূমিকম্পের কারণে তুরস্ক ও সিরিয়ায় মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। দুই দেশে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সংখ্যাটি আরও অনেক বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভূমিকম্পের পরপরই বিভিন্ন দেশ এবং সংস্থা তুরস্ক ও সিরিয়ায় সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুরস্কের প্রেসিডেন্টের কাছে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন।

সূত্র বলছে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকেই তুরস্ককে উদ্ধারকারী দল পাঠানোর বিষয়ে প্রস্তাব দেয়া হয়। তুরস্ক দ্রুত এ বিষয়ে তাদের আগ্রহের কথা জানায়।

আরও পড়ুন:
তুরস্কে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে বহুতল ভবন
বহু হতাহতের মধ্যেই তুরস্কে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প
‘১০ মিনিটে একটি লাশ উদ্ধার হচ্ছে সিরিয়ায়’
ভূমিকম্পে মৃত্যু ৩৮০০ ছাড়িয়েছে
‘দোলনার মতো দুলছিলাম’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Prime Ministers Deputy Press Secretary is Meena

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হলেন মিনা

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হলেন মিনা নূর এলাহি মিনা। ছবি: সংগৃহীত
নূর এলাহি মিনা বাংলাদেশ বেতারে উপপরিচালক হিসেবে কাজ করছিলেন। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে প্রথম সচিব (প্রেস) হিসেবে সাড়ে ছয় বছর দায়িত্ব পালন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম উপ-প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা নূর এলাহি মিনা।

মঙ্গলবার তাকে স্ববেতনে প্রেষণে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

নূর এলাহি মিনা বাংলাদেশ বেতারে উপপরিচালক হিসেবে কাজ করছিলেন। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে প্রথম সচিব (প্রেস) হিসেবে সাড়ে ছয় বছর দায়িত্ব পালন করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের দুই মেয়াদে মিনা প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব হিসেবে কাজ করেন। প্রথম দফায় ২০১০ থেকে ২০১৪ এবং ২০১৪ থেকে ২০১৬ মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি প্রায় সাড়ে ছয় বছর এ দায়িত্ব পালন করেন। তার এ দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করায় সরকার তাকে জাতিসংঘের স্থায়ী মিশনে নিয়োগ দেয়।

সেখানে দায়িত্ব পালন শেষে প্রায় ১৫ দিন আগে তিনি দেশে ফিরে তার মূল কর্মস্থল বাংলাদেশ বেতারে যোগ দেন। এরপর তাকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপ-প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া হল।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশের অপেক্ষা
দেশে জাপানের বড় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
রিসাইক্লিং শিল্পে বিপুল বিনিয়োগে আগ্রহী ‘রিকভার’
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল ১৪ ডিসেম্বর
সিঙ্গাপুরকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান সালমানের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awal Commission on Huda Road on Parliamentary Boundaries

সংসদীয় সীমানা নিয়ে হুদার পথে আউয়াল কমিশন

সংসদীয় সীমানা নিয়ে হুদার পথে আউয়াল কমিশন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইসি সচিব ইসি জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: নিউজবাংলা
ইসি সচিব জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান কমিশনের ১৪তম সভায় মূল আলোচ্যবিষয় ছিল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকা বিভক্তিকরণ। কীভাবে এটি করা হবে সে বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা সংক্রান্ত একটি সভা ছিল। এ সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অন্য সময়ে যেভাবে এলাকার বিভক্তিকরণ হয়। ওই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিদায়ী নূরুল হুদা কমিশনের দেখানো পথে হাঁটছে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে যে নির্বাচনী এলাকাগুলো ছিল, তার খসড়া প্রকাশ করবে সাংবিধানিক এ সংস্থা। পাশাপাশি ইতোমধ্যেই স্বপ্রণোদিতভাবে ২৫টি আবেদন এসেছে। নির্দিষ্ট সময়ে প্রাপ্ত আবেদন নিয়ে পরে সংসদীয় আসন চূড়ান্ত করবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ১৪তম কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব ইসি জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। এদিন মাত্র পৌনে এক ঘণ্টায় নিজেদের কমিশন বৈঠক শেষ করে বর্তমান কমিশন।

আইন অনুযায়ী, প্রতি সংসদ নির্বাচনের আগেই সংসদীয় আসনের সীমান পরিবর্তন করে নির্বাচন কমিশন। এ অবস্থায় সেনা সমর্থিত শাসনব্যবস্থায় শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন নবম সংসদ নির্বাচনে ১৫৩ সংসদীয় আসনে পরিবর্তন আনে।

তার পরবর্তী কাজী রকিবউদ্দিন কমিশন ৫৩ সংসদীয় আসনে পরিবর্তন আনে। আর বিদায়ী নূরুল হুদা কমিশন পরিবর্তন আনে মাত্র ২৫ সংসদীয় আসনে।
প্রশাসনিক অখণ্ডতা বজায় রাখলে দ্বাদশ সংসদীয় আসনে প্রায় ৪৫টি সংসদীয় আসনে পরিবর্তন আসতে পারে।

ইসি সচিব জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান কমিশনের ১৪তম সভায় মূল আলোচ্যবিষয় ছিল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকা বিভক্তিকরণ। কীভাবে এটি করা হবে সে বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা সংক্রান্ত একটি সভা ছিল। এ সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অন্য সময়ে যেভাবে এলাকার বিভক্তিকরণ হয়। ওই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

কমিশন সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, গত একাদশ সংসদ নির্বাচনে যে নির্বাচনী এলাকাগুলো ছিল, সে এলাকার খসড়া প্রকাশ করা হবে। ওই বিভক্তিতে বিভিন্ন আপত্তিতে যে সমস্ত আপত্তি উত্থাপিত হবে। ইতোমধ্যেই ২৫টি আপত্তি এসেছে। ওই নির্দিষ্ট সময়ে যেসব আপত্তি, সেগুলো নিয়ে শুনানি করে বিধি- বিধানের আলোকে বিভক্তি এলাকা ঘোষণা করা হবে।

একাদশ সংসদ নির্বাচন ২৫টি সংসদীয় এলাকার পরিবর্তন হয়েছিল, এবার কত আসনের পরিবর্তন হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন আমরা খসড়াটা চূড়ান্ত করবো আগেরটা। পরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে আপত্তি আসবে সেই আপত্তি আর সুমোটো (স্বপ্রণোদিত আবেদন) যে আবেদন করেছেন সেগুলো শুনানিঅন্তে বলতে পারবো কয়টায় কি হয়েছে।

দ্বাদশ নির্বাচনের আগে যেভাবে করা হয়েছে উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করে এখন যেটা চূড়ান্ত আছে একাদশের সেটা দিয়ে আমরা খসড়া প্রকাশ করে দেব। নির্দিষ্ট সময় থাকবে এত দিনের মধ্যে যদি আপত্তি থাকে সেই আপত্তি তারা দাখিল করবে। এছাড়া সুমটো অনেকগুলো আবেদন পেয়েছি, প্রায় ২৫টি। অন্যান্য নির্দিষ্ট সময়ে যে আবেদন হবে সেই আবেদন চূড়ান্ত হলেই বোঝা যাবে কয়টা চূড়ান্ত হচ্ছে, কয়টা হচ্ছে না।

আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একাদশ জাতীয় সংসদের খসড়া প্রকাশ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বাস্তবতা ও আইনের বিষয়টি তাই। অর্থাৎ আমাদের তো জানাতে হবে, তাদের কোনো আপত্তি থাকলে জানাবে। সরকারের বিধিমালা আইন আছে। প্রথম হচ্ছে ভৌগলিক অখণ্ডতা। তারপর আঞ্চলিক অভিবেজ্যতা। তারপর প্রশাসনিক এলাকা। তারপর জনসংখ্যার ঘনত্ব, ওগুলো বিবেচনায় নিয়ে যদি প্রয়োজন হয় সংশোধন, তাহলে পরিবর্তন হবে।

আরও পড়ুন:
৬ আসনে গড়ে ভোট পড়েছে ১৫-২৫ শতাংশ: সিইসি
আত্মগোপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রার্থী: ইসি আনিছ
‘দ্বাদশ ভোটে সিসিটিভি ক্যামেরা চায় কমিশন’

মন্তব্য

p
উপরে