× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Hotel bakery closed for keeping dirty food
google_news print-icon

নোংরা খাবার রাখায় সাজা, হোটেল-বেকারি বন্ধ

নোংরা-খাবার-রাখায়-সাজা-হোটেল-বেকারি-বন্ধ
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের প্রতিবাদে রাস্তায় হোটেল শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
ভ্রাম্যমাণ আদালত মঙ্গলবার বিকেলে শহরে অভিযান চালিয়ে হোটেল রোজ ও হোটেল গাওসিয়াকে ৩ লাখ টাকা করে জরিমানা করে। অনাদায়ে রোজের ম্যানেজার রুবেল হোসেন ও গাওসিয়ার ম্যানেজার পলাশ চৌধুরীকে ১ বছর করে কারাদণ্ড দেয়।

ঠাকুরগাঁওয়ের অস্বাস্থ্যকর খাবার রাখার দায়ে দুই হোটেলের ম্যানেজারকে জেল-জরিমানা দেয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য জেলার সব খাবার দোকান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছে হোটেল রেস্তোরা মালিক সমিতি।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জয়নাল আবেদিন।

তিনি জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত মঙ্গলবার বিকেলে শহরে অভিযান চালিয়ে হোটেল রোজ ও হোটেল গাওসিয়াকে ৩ লাখ টাকা করে জরিমানা করে। অনাদায়ে রোজের ম্যানেজার রুবেল হোসেন ও গাওসিয়ার ম্যানেজার পলাশ চৌধুরীকে ১ বছর করে কারাদণ্ড দেয়।

জয়নাল বলেন, ‘আমরা গরীব হোটেল শ্রমিক। দিন রোজগার করি দিন খাই। আমাদের উপর জেল জুলুম কেন? আমাদের মালিকদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে হোটেলে কাজে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের ভাইদের নিঃশর্ত মুক্তি না দেয়া পর্যন্ত আমরা আর কাজে যাব না। কোনো হোটেলে কাজ করব না।’

হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি অতুল কুমার পাল বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য আইনে তুচ্ছ ভুলের কারণে হোটেল রোজ ও গাওসিয়াকে ৩ লাখ করে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। হোটেল দুটির ম্যানেজারকে ১ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ কারণে কর্মবিরতি দিয়েছেন শ্রমিকরা। তারা হোটেলে না আসলে হোটেল খোলা রাখা আর বন্ধ রাখা সমান কথা। আমরা তাদের সিদ্ধান্তে একাত্মতা প্রকাশ করছি।’

কী কারণে সাজা দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে রোজ হোটেলের মালিক আবুল কাশেম বলেন, ‘শহরের সুপরিচিত ও রুচিশীল হোটেল রোজ। এখানে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসে ফ্রিজে আধা কেজি ওজনের একটি আটার খামির দেখে সেটিকে ময়লা দাবি করে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেন। আমার ম্যানেজারকে ১ বছরের সাজা দেন। আমি মনে করি এ রায় অযৌক্তিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

গাওসিয়া হোটেলের মালিক ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘একটি দইয়ের বাটির উপর সামান্য পানি জমেছিল আমার হোটেলে। সেটিকে কেন্দ্র করে ৩ লাখ টাকা জরিমানা ও ম্যানেজারকে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। আমরা আমাদের জরিমানা মওকুফসহ দুই হোটেলের ম্যানেজারের মুক্তি দাবি করছি।’

ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ের পরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে দুই হোটেলের অর্ধশত শ্রমিক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও চৌরাস্তা ট্রাফিক মোড়ে রাস্তায় খাবার ফেলে প্রতিবাদ করেন।

এ বিষয়ে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিত্যানন্দ সরকার জানান, নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর অধীনে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করা হয় মঙ্গলবার বিকেলে। সে সময় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা খাবার রাখার দায়ে ওই দুই হোটেলকে জরিমানা ও ম্যানেজারদের সাজা দেয়া হয়।

তিনি জানান, দুই ম্যানেজারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন:
পুলিশ-জেলে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় মামলা
মজুচৌধুরীরহাটে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জেলে নিহত, গুলিবিদ্ধ ৩
চট্টগ্রামে ৩ বাজারে অভিযান, ২৫ মামলা
মাঝরাতে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান
কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করায় জরিমানা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two sisters died after drowning in a pond in Jeevannagar

জীবননগরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

জীবননগরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর পর প্রতিবেশী ও স্বজনরা ভিড় জমান বাড়িতে। ছবি: নিউজবাংলা
শিশু দুটি দাদা কাশেম মণ্ডল বলেন, ‘খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে নিজাম খাঁর পুকুর পাড়ে ওদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখে পুকুরে নেমে ওদের খুঁজতে থাকি। তখন আমার হাতে ওদের মরদেহ উঠে আসে।’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পানিতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শাখারিয়া গ্রামে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মৃত শিশুরা হলো- একই গ্রামের মসজিদ পাড়ার আশরাফুল হকের মেয়ে ছয় বছর বয়সী উম্মে তাবাসসুম ও রাজু আহাম্মেদের পাঁচ বছরের মেয়ে রিতু খাতুন। তারা দুজন সম্পর্কে চাচাতো বোন।

মৃত শিশুদের দাদা কাশেম মণ্ডল বলেন, ‘বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে বসে তখন তাবাসসুম ও রিতু খাবার খেতে খেতে আমার কাছে এসে কিছুক্ষণ বসে। খাবার খাওয়া শেষ করে একজন বসে থাকে আর একজন শুয়ে থাকে। একটু পর ওরা বাড়ি চলে যায়।

‘আধ ঘণ্টা পর থেকে ওদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে নিজাম খাঁর পুকুর পাড়ে ওদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখে পুকুরে নেমে ওদের খুঁজতে থাকি। তখন আমার হাতে ওদের মরদেহ উঠে আসে।’

সীমান্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইশাবুল ইসলাম মিল্টন বলেন, ‘খেলার সময় পুকুরে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। শিশু দুটির মরদেহ বাড়িতে রয়েছে।’

জীবননগর থানার ওসি এস এম জাবীদ হাসান বলেন, ‘থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাদারীপুরে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু
মহানন্দায় গোসলে নেমে শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
কুড়িগ্রামে পুকুরের পানিতে খেলতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The womans hands feet and head were scattered on the railway line

রেললাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল নারীর হাত পা ও মাথা

রেললাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল নারীর হাত পা ও মাথা রেললাইন থেকে পারুল বেগমের খণ্ডিত মরদেহ সরানো হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে পারুল বেগম ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন।’

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে পারুল বেগম নামের এক নারী নিহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের বাগেরটেকি এলাকায় রেললাইন থেকে নিহতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গলের রেলওয়ে পুলিশ।

৩৫ বছর বয়সী পারুল বেগম উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের চৌধুরীবাজার এলাকার মো. ফারুক মিয়ার স্ত্রী। প্রায় মাসখানেক আগে তাদের বিয়ে হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন দুপুর ১২টার দিকে বাগেরটেকি এলাকায় পৌঁছালে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন পারুল বেগম। এতে তার দুই হাত ও পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মাথা থেঁতলে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।’

তিনি বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে পারুল বেগম ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
টাঙ্গাইলে চলন্ত লরির পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২
বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় কলেজছাত্র নিহত
কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু, রেললাইন অবরোধ
বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Killing of MP Anna Dada wants punishment for the culprit

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে নাম এসেছে শিলাস্তি রহমানের। ছবি: নিউজবাংলা
দাদা সেলিম মিয়া বলেন, ‘আরিফুর রহমানের দুই সন্তান। শিলাস্তি বড় ও সুবাহ ছোট। ভাতিজা ঝুট ব্যবসায়ী। ছোট বেলা থেকেই ঢাকার উত্তরায় বসবাস করে। মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এলেও দুই/একদিন থেকেই চলে যায়। যতটুকু দেখেছি, আমার নাতনী শিলাস্তির চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল। সে অপরাধী হয়ে থাকলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।’

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে গেছে একটি নাম- শিলাস্তি রহমান। তথ্য বেরিয়েছে, শিলাস্তি রহমান হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী শিমুল ভূঁইয়ার পরিকল্পনার অংশ হয়ে হত্যাকাণ্ডে সহযোগীর ভূমিকা রেখেছেন। তাকে দিয়ে টোপ ফেলেই

এমপি আনারকে তার বন্ধুর বাসা থেকে ঘাতকদের ফ্ল্যাটে নেয়া হয়।

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের এই তরুণী বাস্তবিকই যদি অপরাধী হয়ে থাকেন তাহলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া।

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুবরিয়া ইউনিয়নের পাইসানা গ্রামের মিয়া বাড়ির সন্তান শিলাস্তি রহমান। শনিবার দুপুরে সরজমিনে দেখা গেছে, বাড়িটি পুরোপুরি ফাঁকা। শিলাস্তিদের টিনের ঘরের দরোজায় তালা ঝুলছে। টিনের ঘরের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে দোতলা একটি বাড়ি। তবে বাড়ির ভেতরে কোনো আসবাবপত্র নেই।

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার নাগরপুর পাইসানা গ্রামের মিয়া বাড়ির সন্তান শিলাস্তি (বাঁয়ে); দাদা সেলিম মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

এ সময় পাশের ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া। তিনি শিলাস্তির বাবা আরিফুর রহমানের বাবার ছোট ভাই।

সেলিম মিয়া জানান, তার ভাতিজা আরিফুর রহমানের দুই সন্তান। শিলাস্তি বড় ও সুবাহ ছোট। তাদের কোনো ভাই নেই। আরিফুর রহমান একজন জুট ব্যবসায়ী। ছোট বেলা থেকেই তারা ঢাকার উত্তরায় বসবাস করেন। মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এলেও দুই/একদিন পরই আবার ঢাকায় চলে যান। গ্রামে পাড়া-প্রতিবেশী কারও সঙ্গেই ওদের তেমন কোনো কথাবার্তা হয় না।

তিনি বলেন, ‘আমার নাতনী শিলাস্তির চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল এবং বাড়ির বাইরে দিনের পর দিন সময় কাটায়। এসব কারণে ওদের সঙ্গে কথা বলা বাদ দিয়েছি। আমার পরিবারের লোকজনও ওদেরকে এড়িয়ে চলে।

‘বাড়িতে অল্প সময়ের জন্য এলেও শিলাস্তির যে ড্রেসআপ তা দেখে মনে হতো ওর বাবা কোটিপতি। সে বাড়িতে বসেই সবার সামনে সিগারেটও টানে। আমি বাধা দিলেও শুনতো না। পরে আর বাধা দেয়ারও চেষ্টা করিনি। আমার নাতনী শিলাস্তি অপরাধ করে থাকলে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।’

স্থানীয় লোকজন জানায়, শিলাস্তি রহমান ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকায় বসবাস করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পরই শিলাস্তি রহমানের দাদার সম্পত্তি তার বাবা আরিফুর রহমান বিক্রি করে ঢাকায় চলে যায়। বাড়িটা থাকলেও তারা কেউ এখানে তেমন একটা আসে না।

এ বিষয়ে নাগরপুরের ধুবরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান খান বলেন, ‘ওরা অনেক আগে থেকেই ঢাকায় থাকে। কেউ সঠিকভাবে বলতেও পারে না যে শিলাস্তি কোথাকার। এখন আমরা জানতে পারলাম যে তার বাড়ি নাগরপুরে। গতকাল (শুক্রবার) পর্যন্তও বিষয়টি জানতাম না।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, ‘শিলাস্তি নামের মেয়েটি নাগরপুরের- এমন কোনো তথ্য এখনও পাইনি। তার বিষয়েও আর কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আমার কাছে নেই। জানলে জানাতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামি রিমান্ডে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা
হাজারও মানুষের জানাজায় অংশ নেয়া এমপি আনারের মরদেহই মিলছে না
মাঠের মাঝে শাহীনের রহস্যঘেরা বাংলো
এমপি আনার হত্যা নিয়ে কালীগঞ্জে ধোঁয়াশা!

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB arrests 5 workers in Naogaon stops bus movement in protest

নওগাঁয় র‌্যাবের হাতে ৫ শ্রমিক আটক, প্রতিবাদে বন্ধ বাস চলাচল

নওগাঁয় র‌্যাবের হাতে ৫ শ্রমিক আটক, প্রতিবাদে বন্ধ বাস চলাচল নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে দুপুর ১২টা থেকে শ্রমিকরা জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে সব বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা দিয়ে প্রতিবাদ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
নওগাঁ জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এস এম মতিউজ্জামান মতি জানান, সকাল ১১টার দিকে র‌্যাব কোনো কারণ ছাড়াই পাঁচজন সদস্যকে আটক করে নিয়ে যায়। এর পর শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন।

নওগাঁ শহরের বাইপাস চেকপোস্ট থেকে মোটর মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের পাঁচজন সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব

শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের বাইপাস থেকে তাদের আটক করা হয়। এরপর দুপুর ১২টা থেকে নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিকরা জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে সকল বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা দিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন।

রাস্তার মাঝখানে বাস দিয়ে ব্যারিকেড দিয়েছেন শ্রমিকরা। ফলে কোনো ধরনের যানবাহন যেতে পারছে না।

এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন জনসাধারণ। তারা বাসে করে গন্তব্যে যেতে পারছেন না, তবে অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় বাড়তি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের। রাজশাহীর যাত্রীবাহী বাস নওগাঁয় থাকায় তারা যাত্রী নিয়ে ফিরে যাচ্ছে।

নওগাঁ জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এস এম মতিউজ্জামান মতি বলেন, ‘শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দুরে নওগাঁ-রাজশাহী আঞ্চলিক মহাসড়কের শহরের বাইপাস চেকপোস্ট রয়েছে। যেখানে মোটর মালিকের নেতৃবৃন্দ শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা থাকে।’

সকাল ১১টার দিকে র‌্যাব কোনো কারণ ছাড়াই পাঁচজন সদস্যকে আটক করে নিয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি। এর পর শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন।

এ বিষয়ে র‌্যাবের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক বলেন, ‘কেন বাস চলাচল বন্ধ করা হয়েছে, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যাটির সুহারা হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
বনানীর আগে বাসে যাত্রী তুললেই মামলা: ডিএমপি কমিশনার
অবৈধ অভিবাসী ইস্যুতে ইতালির ‘নিরাপদ’ তালিকায় বাংলাদেশ
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আটক, প্রায় ২৩ লাখ টাকা জব্দ
ভয়ঙ্কর প্রতারক চক্রের ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ফাঁদ, অবশেষে ধরা
তাপজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে জাতীয় নির্দেশিকা আসছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The temperature in Chuadanga rises to 41 7 degrees and the discomfort is increasing

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি চুয়াডাঙ্গায় তীব্র গরমে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তাঘাটে লোকজনের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ছে। ছবি: নিউজবাংলা
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, টানা পাঁচ দিন ধরে এ জেলায় মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ বিকেল তিনটায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৪২ শতাংশ।

তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়া চুয়াডাঙ্গায় আগের দিনের তুলনায় শনিবার তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় বেলা তিনটার দিকে এ তাপমাত্রা রেকর্ড করে।

চুয়াডাঙ্গায় টানা ৫ দিন মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে।

জেলায় তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ে বাড়ছে অস্বস্তি। জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদে পুড়ে কাজ করতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষকে।

দেশের কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে সেখানে মৃদু তাপপ্রবাহ বা দাবদাহ বইছে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তীব্র দাবদাহ ধরা হয়। অন্যদিকে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে বলা হয় অতি তীব্র দাবদাহ।

চুয়াডাঙ্গায় শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলায় তীব্র গরমে দিনমজুর, ভ্যান ও রিকশাচালকরা কাজ করতে না পেরে অলস সময় পার করছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তাঘাটে লোকজনের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ছে।

দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ডের ভ্যানচালক আবদুর রহিম বলেন, ‘কয়েক দিন থেকি যে তাপ পড়চি, তাতে একেবারে টিকা যাচ্চি না। গাছের ছায়ায় গিয়িও শান্তি নেই। ভ্যাপসা গরমে গা ভিজি যাচ্চি। কারেন্টও থাকচি না। তাই বাড়ি গিয়িও শান্তি নেই।’

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, টানা পাঁচ দিন ধরে এ জেলায় মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ বিকেল তিনটায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৪২ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ
উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত
কক্সবাজার, পায়রা বন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে গভীর নিম্নচাপটি
প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস
চুয়াডাঙ্গায় ফের তীব্র তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The farmer died while threshing paddy in summer

গরমে ধান মাড়াইয়ের সময় প্রাণ গেল কৃষকের

গরমে ধান মাড়াইয়ের সময় প্রাণ গেল কৃষকের মেহেরপুরে গরমে ধান মাড়াইয়ের সময় এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ‘কয়েকদিন ধরেই চুয়াডাঙ্গাসহ এ অঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজকে দুপুর ১২টার দিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’

মেহেরপুরে গাংনী উপজেলায় ধান মাড়াইয়ের কাজ করার সময় এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়নের আকুবপুর গ্রামে শনিবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রাণ হারানো সিরাজ মন্ডল ওই গ্রামের বাসিন্দা।

হিটস্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, গাংনী উপজেলার আকুবপুর গ্রামের কৃষক সিরাজ মন্ডল শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে তার জমির ধান মাড়াই করছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। মাঠে কর্মরত শ্রমিকদের সহায়তায় তাকে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ‘কয়েকদিন ধরেই চুয়াডাঙ্গাসহ এ অঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজকে দুপুর ১২টার দিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’

আরও পড়ুন:
মাদারীপুরে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু
কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
গজারিয়ায় বসত ঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ময়মনসিংহে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, বিচার চেয়ে বিক্ষোভ
নামাজ পড়তে বের হয়ে কুকুরের কামড়ে মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Couple killed by bus in Bhaluka

ভালুকায় বাসের ধাক্কায় দম্পতি নিহত

ভালুকায় বাসের ধাক্কায় দম্পতি নিহত প্রতীকী ছবি
ভরাডোবা হাইওয়ে থানার এটিএসআই মো. কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সখিপুরের কালমেঘা থেকে ভালুকার আমতলী এলাকায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন আব্বাস আলী ও হাজেরা খাতুন। শুক্রবার রাতে রাস্তা পারাপারের সময় একটি বাস তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

ময়মনসিংহের ভালুকায় রাস্তা পারাপারের সময় বাসের ধাক্কায় দম্পতি নিহত হয়েছেন।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উপজেলার বিডিআর বাড়ির সামনে শুক্রবার রাত সোয়া ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো দুজন হলেন টাঙ্গাইলের সখিপুরের কালমেঘা এলাকার ৭০ বছর বয়সী আব্বাস আলী ও তার ৬০ বছর বয়সী স্ত্রী হাজেরা খাতুন।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার এটিএসআই মো. কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সখিপুরের কালমেঘা থেকে ভালুকার আমতলী এলাকায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন আব্বাস আলী ও হাজেরা খাতুন। শুক্রবার রাতে রাস্তা পারাপারের সময় একটি বাস তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন:
টাঙ্গাইলে চলন্ত লরির পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২
মানিকগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায় সড়কে ঝরল দুই প্রাণ
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই স্কুলছাত্রের
এপ্রিলে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৭০৮, আহত ২৪২৬
পাবনায় তেলবাহী লরির চাপায় দুজন নিহত

মন্তব্য

p
উপরে