× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Doctor beaten to death over patients death
hear-news
player
print-icon

রোগীর মৃত্যুতে চিকিৎসককে ‘মারধর’, আটক ২

রোগীর-মৃত্যুতে-চিকিৎসককে-মারধর-আটক-২
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক বলেন, ‘রোগীর স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে এসেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) এক নারী রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও মারামা‌রির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রোগীর দুই ছেলেকে আটক করেছে পু‌লিশ।

তাদের মুক্তির দাবিতে রোববার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে খুলনা মহানগরীর নতুন রাস্তা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন রোগীর স্বজনরা। এতে যান চলাচল কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। এ সময়ে তারা ঘোষণা দেন, আটক দুজনকে ছাড়া না হলে তারা মৃত ব্যক্তির মরদেহ হাসপাতাল থেকে নেবেন না।

হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে রোববার রাত ৩টার দিকে ভাঙচুর ও মারামারির ওই ঘটনা ঘটে।

মৃত নারী হলেন নগরীর দৌলতপুরের পাবলা কারিকরপাড়ার মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী পিয়ারুন্নেছা। আটকরা হলেন তার দুই ছেলে তরিকুল ইসলাম কাবির ও সাদ্দাম হোসেন।

ওই নারীর স্বামী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর শ‌নিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

‘রাত ২টার দিকে আমার স্ত্রীর অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। তখন এক ছেলে গিয়ে চিকিৎসককে ডাকে। তবে কেউ না এসে রোগীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে বলেন।

‘পরে রোগী নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে জানালে তারা রোগীর কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলেন। তখন কাগজপত্র দেখে এক ইন্টার্ন চিকিৎসক বলেন, রোগীর কোনো সমস্যা নেই। তার কিছুক্ষণ পরেই আমার স্ত্রী মারা যায়।’

তিনি বলেন, ‘মায়ের এমন মৃত্যুতে আমার ছেলে মো. মোস্তাকিম গিয়ে ডাক্তারের কাছে জানতে চান, তারা কেন দেখতে এলেন না। এ নিয়ে আমার ছেলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয় চিকিৎসকের।

‘এ ঘটনায় এক চিকিৎসকের হাত কেটে যায়। পরে আমি ওই চিকিৎসকের কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে তারা আমাকে মারধর করে। এ সময়ে আমার ছেলেরা চিকিৎসকদের সঙ্গে হাতাহাতি করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে আমার দুই ছেলেকে আটক করে নিয়ে যায়। এ ছাড়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার স্ত্রীর লাশ আটকে রেখেছে।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই রোগী শনিবার রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এর আগে গত শুক্রবার তিনি একটি ক্লিনিকে ভর্তি ছিলেন। ওই ক্লিনিকে চিকিৎসা নেয়ার পরও তার অবস্থা উন্নত হচ্ছিল না। পরে ক্লিনিকের চিকিৎসকদের পরামর্শে স্বজনরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি সৈকত ঘোষ বলেন, ‘রাত আড়াইটার দিকে তারা চিকিৎসককে ডাকতে এলে একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক গিয়ে ওই রোগীকে চিকিৎসা দেন। ওই চিকিৎসক রোগীর কাছে থাকা অবস্থায় রোগী মারা যান। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের কোনো ত্রুটি ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো রোগী মারতে চাই না। একজন রোগীকে সুস্থ করতে পারলে আমরা বেশি খুশি হই। তবে ওই রোগীর স্বজনরা আমাদের এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে ইচ্ছামতো মেরেছেন।

‘বর্তমানে ডা. মনিস কান্তি দাস নামের ওই চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। রোগীর ছেলেরা চিকিৎসকের রুমের চেয়ার-টেবিল ভেঙে ফেলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার সময় পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছিল। তখন রোগীর স্বজনরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এরপর পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়। আমরা কাউকে আটক করিনি। তবে বিষয়টি আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।’

এ প্রসঙ্গে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক বলেন, ‘রোগীর স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে এসেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, পুলিশ রোগীর দুই স্বজনকে আটকের পর তারা মৃতের লাশ ইচ্ছা করে নেয়নি। আমরা তাদের লাশ নিতে বারবার অনুরোধ করেছি।

‘তারা দাবি করেছেন আটক দুই ছেলেকে না ছেড়ে দিলে তারা মৃতের লাশ নেবেন না। তবে তাদের আটকে আমাদের কোনো হাত নেই। পুলিশ তাদের আটক করেছে।

‘রোগীর অন্য স্বজনরা বিভিন্নভাবে আমাদের হুমকিতে রাখতে চেষ্টা করছেন। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আটক দুজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
রূপগঞ্জে কারখানায় আগুন: দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু
নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার
পদ্মায় ডুবে কিশোরীর মৃত্যু
পুকুরে গোসলে নেমে বৃদ্ধর মৃত্যু
সাগরে নিখোঁজ, ৪ দিন পর ভাসল মরদেহ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bike rider killed in truck crash

ট্রাকচাপায় বাইকআরোহী নিহত

ট্রাকচাপায় বাইকআরোহী নিহত
ওসি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত শিমুলকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের চাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন।

সদর উপজেলার মহারাজপুর ঘোড়া স্ট্যান্ড এলাকায় শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ২৬ বছরের পলাশ আলী মহারাজপুর ইউনিয়নের ডালিম শেখের ছেলে। আহত ২৮ বছরের শিমুলকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

ওসি মোজাফফর জানান, শিবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাক চাঁপাইনবাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। একই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয় ট্রাকটি। এতে বাইকের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।

তাদের উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য শিমুলকে পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
ট্রাকের চাপায় পিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা
প্রশিক্ষণ নেয়া হলো না ৪ শিক্ষকের, আর্থিক সহায়তার ঘোষণা
ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত
স্কুল থেকে ফেরার পথে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট নাহিদ
ট্রাকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case of rape of a fifth class student

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা প্রতীকী ছবি।
মামলার পর মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নওগাঁর রাণীনগরে পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে সোহেল রানা নামে ৩৬ বছর বয়সী এক যুবকের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন। অভিযুক্ত সোহেল উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের চাড়াপাড়া গ্রামের হানিফের ছেলে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী মেয়েটি সোহেলের বাড়ির পাশের পুকুর থেকে হাঁস নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। পথে সোহেল রানা তাকে ডেকে বাড়ির ভেতরে নিয়ে যান।

এক পর্যায়ে মেয়েটির মুখে কাপড় গোজে তাকে ধর্ষণ করেন সোহেল। পরে মেয়েটি কান্না করতে করতে বাড়িতে গিয়ে তার মাকে জানায়। প্রায় তিন দিন ধরে বিষয়টি স্থানীয় কিছু মোড়ল ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু মেয়ের মা-বাবা সমঝোতায় রাজি না হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় সোহেল রানাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রাণীনগর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলার পর মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে সোহেল গা ঢাকা দেয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

এ বিষয়ে রাণীনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। খুব তাড়াতাড়ি তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Pakistanis also want Sheikh Hasina as Prime Minister State Minister for Planning

‘পাকিস্তানিরাও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায়’

‘পাকিস্তানিরাও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায়’ রথযাত্রা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, ‘ভারতের পার্লামেন্টে সুষমা স্বরাজ কয়েক বছর আগে বলেছেন, বাংলাদেশে গত এক দশকে ৮ শতাংশ হিন্দু বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে ছিল ২ শতাংশ। এখন তা ১০ শতাংশ। এতে কি বোঝা যায়? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে সকলেই একসাথে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাস করতে পারে। সুষমা স্বরাজের বক্তব্য অনুযায়ীই হিন্দু বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ সকলের জন্য এখন নিরাপদ।’

পাকিস্তানিরাও তাদের দেশে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায় বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকার ধামরাইয়ে শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথযাত্রার রথটান উপলক্ষে আয়োজিত সভায় এ কথা বলেন তিনি।

শ্রী শ্রী যশোমাধব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাশের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নন্দ গোপাল সাহা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, ‘ভারতের পার্লামেন্টে সুষমা স্বরাজ কয়েক বছর আগে বলেছেন, বাংলাদেশে গত এক দশকে ৮ শতাংশ হিন্দু বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে ছিল ২ শতাংশ। এখন তা ১০ শতাংশ। এতে কি বোঝা যায়? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে সকলেই একসাথে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাস করতে পারে। সুষমা স্বরাজের বক্তব্য অনুযায়ীই হিন্দু বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ সকলের জন্য এখন নিরাপদ।’

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের এক রাজনীতিক পার্লামেন্টে বলেছেন, শেখ হাসিনাকে পাকিস্তানে এনে দাও। পাকিস্তানকে সে বাংলাদেশ বানিয়ে দিক এটাই আমাদের চাওয়া। কী বোঝায়? যে পাকি বাঙালিরা এখনো পাকিস্তানি কৃষ্টি-কালচার নিয়ে রাজনীতি করে। অথচ পাকিস্তানিরা চায় শেখ হাসিনা সেখানে প্রধানমন্ত্রী হোক। তাদের পরিবর্তন হোক। আর কী চান আপনারা?’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে পাকিস্তানের নাগরিকদের আয় পূর্ব পাকিস্তানের তুলনায় ৭৫ গুণ বেশি ছিল। এখন তাদের তুলনায় বাংলাদেশিদের আয় ৫০ গুণ বেশি। আমাদের মাথাপিছু আয় ২০২১ অর্থবছরে ছিল ২৫০০ ডলার, পাকিস্তানে ১৫৬০ ডলার। অর্থাৎ পাকিস্তানকে আমরা পেছনে ফেলেছি। শুধু তাই নয়। আমরা ভারতকেও গত ২-৩ বছরে মাথাপিছু আয়ে পেছনে ফেলেছি।’

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান, দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার হার বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি, গড় আয়ু বেশি, মাতৃমৃত্যু সবচেয়ে কম, শিশু মৃত্যু সবচেয়ে কম।

শামসুল আলম বলেন, ‘গোপাল কৃষ্ণ হত্যাকাণ্ড, মানিক সাহা হত্যাকাণ্ড, আহসান উল্লাহ মাস্টার, এসএম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট হামলা চালানো হয়েছে। তবুও শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। একটা অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার জন্যই।’

এভাবে দেশ এগোলে ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ হবে বলে দাবি করেন তিনি।

এ সময় রথযাত্রার প্রশংসা করে ড. শামসুল আলম বলেন, ‘এটা একটি স্মরণীয় অনুষ্ঠান। একটা পরম আকাঙ্খিত অনুষ্ঠান। আজকের এই আয়োজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে আপনারা পালন করতে পারছেন। নির্বিঘ্নে পালন করতে পারছেন। এটা সরকারের অবদানের কারণে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ধামরাইয়ের কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দের দাবি করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদ। দাবিগুলো পূরণে যথাসাধ্য চেষ্টা করার কথা জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার শ্রী বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী, ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন সরদার, ধামরাই পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লাসহ অনেকেই।

আরও পড়ুন:
জনগণকে চা পান কমানোর পরামর্শ পাকিস্তানি মন্ত্রীর
বেলুচিস্তানে চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান বেইজিংয়ের
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ক্লিন সুইপ পাকিস্তানের
১/১১-এর সরকার ও শেখ হাসিনার কারামুক্তি
দুরারোগ্য ব্যাধির সঙ্গে লড়ছেন পারভেজ মোশাররফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Woman beaten in UP chairmans arbitration

ইউপি চেয়ারম্যানের সালিশে নারীকে মারধর

ইউপি চেয়ারম্যানের সালিশে নারীকে মারধর
মরিয়ম বেগম বলেন, ‘নবীপুর (পশ্চিম) ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি জাকির হোসেনের সামনে তার ভাতিজা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার দেলোয়ার হোসেন দলবল নিয়ে আমার ওপর চড়াও হয়। থানায় গেলে পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। তাই মামলা করা হয়নি।’

কুমিল্লার মুরাদনগরে এক নারী মানবাধিকারকর্মীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। নবীপুর (পশ্চিম) ইউনিয়নের কোম্পানিগঞ্জ বাজারে ইউপি চেয়ারম্যানের সামনে ২৮ জুন রাতে এ ঘটনা ঘটে।

ওই মানবাধিকার কর্মীর নাম মরিয়ম বেগম। তিনি ইন্টারন্যাশনাল লিগ্যাল এইড ফাউন্ডশনের কর্মী। বর্তমানে তিনি দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।

মরিয়ম বেগম বলেন, ‘নবীপুর (পশ্চিম) ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি জাকির হোসেনের সামনে তার ভাতিজা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার দেলোয়ার হোসেন দলবল নিয়ে আমার ওপর চড়াও হয়। থানায় গেলে পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। তাই মামলা করা হয়নি।’

সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, দোকানের সামনে কয়েকজন মানুষের জটলা। এর মধ্যে থেকে তিন ব্যক্তি বোরকা পরা এক নারীকে ধরার চেষ্টা করলে, তিনি ওই দোকানের ভেতর ঢুকে পড়েন। এ সময় দেলোয়ারের লোকজন তার বোরকা ধরে টানাটানি করতে থাকলে, তাদের বাধা দেন জাকির। এক পর্যায়ে দেলোয়ার ও তার লোকজন দোকান থেকে ওই নারীকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে নিয়ে যান।

মরিয়ম বেগম বলেন, ‘ভিপি জাকির পরিকল্পিতভাবে আমাকে ডেকে নিয়ে সালিশে বসেন‌। সেখানে তার ভাতিজা দেলোয়ার এবং তার দলবল আমাকে নির্যাতন করে। দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তারা আমাকে ধরে এনে ফের মারধর করে। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দেবীদ্বার উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাকির হোসেনের চাপে থানায় মামলা নিচ্ছে না পুলিশ। আমি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

এ বিষয়ে মরিয়মের ছেলে আরিফ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে দেলোয়ার আমাদের জমি দখলের চেষ্টা করছে। আমার আম্মা আদালত থেকে স্টে অর্ডার আনে। এতে দেলোয়ার ও জাকির আমাদের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করতে পারছিল না। এ নিয়ে আম্মাকে তারা হত্যার হুমকিও দেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ৩১ জানুয়ারি এই ইউনিয়নে উপনির্বাচন হয়। নির্বাচনে আম্মা দেলোয়ার মেম্বারের হয়ে কাজ করেনি। তাই গত ২৮ জুন রাতে সালিশের কথা বলে আম্মাকে ডেকে নিয়ে মারধর করে তারা।’

অভিযোগ মেনে নিয়েছেন অভিযুক্ত ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন। তার দাবি, গালাগালি করায় ওই নারীকে পিটিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, ‘পুরোনো একটি বিরোধ নিয়ে আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি।’

মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাশিম বলেন, ‘এক নারী সাধারণ ডায়রি করতে এসেছিলেন। আমরা তাকে মামলা করার পরামর্শ দিই। তারপরও বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’

আরও পড়ুন:
কিশোরীকে উঠিয়ে আনতে গিয়ে পিটুনির শিকার, আহত যুবকের মৃত্যু
পরীক্ষা চলাকালীন ৩ ছাত্রকে ‘পেটালেন’ নিরাপত্তা প্রহরী
ভাই-বোনকে মারধরের ঘটনায় মামলা
বোনকে ‘উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায়’ ভাইকে মারধর, আটক ২
ভাইরাল ভিডিও দেখে ১২ দিন পর পুলিশের টনক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
70 injured in A League attack on BNP leaders and activists

বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর আ.লীগের ‘হামলা’, আহত ৬০

বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর আ.লীগের ‘হামলা’, আহত ৬০ প্রতীকী ছবি।
বিএনপির অভিযোগ, হামলায় ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এ ছাড়া আহতদের হাসাপাতলে নিয়ে যাওয়া হলে পুনরায় হামলা চালানো হয়। এতে আহতের ৩০ স্বজনও আহত হন।

ফেনীর ফুলগাজীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ উঠেছে।

বিএনপির অভিযোগ, হামলায় ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এ ছাড়া আহতদের হাসাপাতলে নিয়ে যাওয়া হলে পুনরায় হামলা চালানো হয়। এতে আহতের ৩০ স্বজনও আহত হন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ফুলগাজী বাজারে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ দলটির।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল জানান, ফুলগাজী উপজেলার দৌলতপুরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে বন্যার্ত অসহায় মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি ছিল। সেখানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেনের আশার কথা রয়েছে।

এ উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফুলগাজী উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ফুলগাজীর মুন্সিরহাটে আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ওই সময় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়।

হামলায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ভিপি ফখরুল আলম স্বপন, সদস্য সচিব আবুল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রসুল গোলাপ, নরুল হুদ শাহিন, যুগ্ম আহ্বায়ক ফুলগাজী উপজেলা যুবদল আকবর হোসেন, ফুলগাজী উপজেলা যুবদল সদস্য মোহাম্মদ দিদার, শিমুল, রবিউল হক বাবু, ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি রতন মুত্তরসহ ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হন।

আলাল উদ্দিন আলাল জানান, চিকিৎসা নিতে নেতাকর্মীরা উপজেলা হাসপাতালে যাওয়ার পর চিকিৎসাধীন নেতাকর্মীদের ওপর পুনরায় হামলা চালানো হয়। এতে নেতাকর্মীদের স্বজনসহ আরও প্রায় ৩০ জন আহত হন। ভাঙচুর করা হয় হাসপাতালের আসবাবপত্র।

ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ মজুমদার বলেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীরা সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নিজাম কোম্পানীর ওপর হামলা চালিয়ে ৫ জনকে আহত করেন। পরে দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সামান্য হাতাহাতিও হয়েছে।’

ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈন উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনা শুনে আমরা সেখানে গিয়েছি। কাউকে পাওয়া যায়নি।’

আরও পড়ুন:
ভুয়া অভিযোগে তাণ্ডব মৌলবাদীদের: উদীচী
উত্তেজনা তৈরি করে নাট্যকারের বাসায় হামলা
হোলি আর্টিজানে হামলায় নিহতদের প্রতি দূতদের শ্রদ্ধা
শেখ হাসিনার বহরে হামলা: এবার আইনজীবীকে হত্যার হুমকি
মসজিদের অর্থের হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্ব, একজনকে কুপিয়ে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Surveyor arrested with Rs 20 lakh bribe

‘ঘুষের’ ২০ লাখ টাকাসহ সার্ভেয়ার আটক

‘ঘুষের’ ২০ লাখ টাকাসহ সার্ভেয়ার আটক ভূমি অধিগ্রহণ শাখার (এলএও) সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান।
ফোন রিসিভ না করায় এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মামুনুর রশীদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজারের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার (এলএও) সার্ভেয়ার আতিকুর রহমানকে ২০ লাখ টাকাসহ ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জব্দ করা ওই টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগদ টাকাসহ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দল আতিকুরকে আটক করে।

এর আগে শুক্রবার সকাল ৯টায় ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে তিনি কক্সবাজার থেকে ঢাকায় পৌঁছান বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সম্মিলিত কক্সবাজারের দুদুকের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারে দায়িত্বরত সার্ভেয়ার আতিককে নগদ ২০ লাখ টাকাসহ আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে এ পর্যন্ত ওই টাকার উৎস সম্পর্কে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।’

এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মামুনুর রশীদকে একাধিকবার কল করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ব্যাংকারকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
‘সিস্টেমের টাকা এসিল্যান্ডও পায়’
‘ভোটে জেতাতে ঘুষ’, নির্বাচন কর্মকর্তা বরখাস্ত
ভোটের সময় নির্বাচন কর্মকর্তার ব্যাংকে বিপুল টাকা জমা
পুলিশকে ঘুষ না দেয়ায় স্বামী জেলে, দাবি স্ত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Former BCL leaders wedding by helicopter

হেলিকপ্টারে চড়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিয়ে

হেলিকপ্টারে চড়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিয়ে
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইব্রাহীম বলেন, ‘হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কৌতূহলী ও উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে।’

বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা হেলিকপ্টারে করে গেলেন কনে আনতে। এ সময় শত শত লোক ভিড় জমান। উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে ছিল পুলিশও।

এ জমকালো বিয়ের বর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি রিদওয়ান আনসারি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকার আনসারি বাড়ির এ আর আনসারি বাবরু ও রোকসানা আনসারি পপির ছোট ছেলে তিনি।

পরিবারটি আগে থেকেই বেশ স্বচ্ছ্বল।

শুক্রবার দুপুরে শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বোর্ডিং এর মাঠ থেকে রিদওয়ান হেলিকপ্টারে যাত্রা শুরু করেন। সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের সুহিলপুর বাজারে তার আকাশযান অবতরণ করে। কনের বাড়ি সুহিলপুর গ্রামে।

হেলিকপ্টারে চড়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিয়ে
হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত

কনে তামান্না খানম চাঁদনী সুহিলপুর গ্রামের আক্তার খানের মেয়ে। তিনি এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী। বর ও কনে উভয়ের বাড়ি একই জেলায় হওয়ায় এ ঘটনায় আজ সাড়া পড়ে গিয়েছে।

বিকেলে এই বিয়ের পর বর রিদওয়ান ফের হেলিকপ্টারে চড়ে কনে নিয়ে শহরের বোর্ডিং এর মাঠে অবতরণ করে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন।

হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। কৌতূহলী ও উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে।

সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইব্রাহীম বলেন, ‘হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কৌতূহলী ও উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে।’

বরের বড় ভাই রাইয়ান আনসারি রিকি জানান, তাঁরা দুই ভাই, কোনো বোন নেই। রিদওয়ান সবার ছোট। আদরের ভাইয়ের বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে হেলিকপ্টারে করে বরযাত্রা ও কনে নিয়ে আসার আয়োজন করা হয়। ঢাকা থেকে ভাড়া করে হেলিকপ্টার আনা হয়।

তিনি বলেন, ‘ছোট ভাইয়ের খুব ইচ্ছে ছিল বিয়ের দিন কনের বাড়িতে হেলিকপ্টারে যাবে। সেই আশায় আমরা পূরণ করেছি।’

কনের গ্রাম সুহিলপুরের বাসিন্দা ও সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ ভূইয়া বলেন, ‘হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনে গ্রামের উৎসুক লোকজন হেলিকপ্টার ও বর-কনেকে দেখতে ভিড় জমান। গ্রামবাসীর মধ্যে এ সময় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল বলে স্থানীয় বিভিন্ন জানিয়েছেন। ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় আমি বিয়েতে যেতে পারিনি। তবে বিষয়টি শুনেছি।’

আরও পড়ুন:
সহপাঠীরাই ঠেকিয়ে দিল কিশোরীর বিয়ে
এবার একসঙ্গে দুই তরুণীকে বিয়ের বাংলাদেশি কাণ্ড ভারতেও
মেয়ের বিয়ের দাওয়াত দিতে যাওয়ার পথে কৃষক খুন
নিজেকে বিয়ে করে ৩ মাস পর তালাক
পাত্রকে কনের অন্তঃসত্ত্বার জাল সনদ পাঠিয়ে আটক ৩

মন্তব্য

p
উপরে