× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Dialogue Advise EC to talk less to avoid controversy
google_news print-icon

সংলাপ: বিতর্ক এড়াতে ইসিকে কম কথা বলার পরামর্শ

সংলাপ-বিতর্ক-এড়াতে-ইসিকে-কম-কথা-বলার-পরামর্শ
নির্বাচন ভবনে বুধবার বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের নিয়ে ইসির বৈঠক হয়। ছবি: নিউজবাংলা
‘ইসির সাফল্য-ব্যর্থতা আগামী নির্বাচনের ওপর নির্ভর করবে। শতভাগ ভোটদানের নিশ্চয়তা ইসিকে দিতে হবে। সারা দেশে একদিনে নির্বাচন না করে ভাগ করে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা যায় কি-না তা ভেবে দেখা যেতে পারে।’

নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) গণমাধ্যমের সঙ্গে কম কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও দৈনিক আজকের পত্রিকা সম্পাদক ড. গোলাম রহমান। নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘গণমাধ্যমের সঙ্গে যত কম কথা বলবেন তত ভুল কম হবে।’

রাজধানীর আগারগাওঁয়ে নির্বাচন ভবনে বুধবার সংলাপে অংশ নিয়ে আজকের পত্রিকা সম্পাদক এমন পরামর্শ দেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপদ্ধতি ঠিক করতে ইসির তৃতীয় দফা সংলাপে ২৩ সম্পাদকসহ ৩৪ জন সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে সংলাপে অংশ নেন ২৩ জন। বাকি ১১জন ইসির এই আমন্ত্রণে সাড়া দেননি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধরত ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন কাজী হাবিবুল আউয়াল। সিইসির এ বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনানুষ্ঠানিক বার্তা পাঠিয়েছেন ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভি মান্টিটস্কি। সিইসির বক্তব্যকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান হিসেবে দেখছে রুশ দূতাবাস। এবার ইসিকে কম কথা বলার পরামর্শ দিলেন সম্পাদক গোলাম রহমান।

এদিকে আনুষ্ঠানিক কোনো কমিশন সভা না করেই গত মাসে দু’দফা সংলাপে বসে ইসি। তবে সম্পাদকদের সঙ্গে সংলাপে বসার আগের দিন নিজেদের প্রথম কমিশন সভায় বসে তারা।

গোলাম রহমান বলেন, ‘কী ধরনের সংকট আসতে পারে তা কিন্তু আপনারা নিজেরাও জানেন। তর্ক-বিতর্ক যাই থাকুক, সব দল অংশ নিলে সেই নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সুযোগ থাকে। গত নির্বাচনে সব দল অংশ নিলো। আমরা দেখলাম বেলা ১২টা পর্যন্ত ভাল নির্বাচন হলো। তাই দলগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’

জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রয়োজন আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দলগুলোর ফান্ড কিভাবে আসে? এমন নানা প্রশ্ন আসে। সুতরাং সবকিছু মিলিয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। কমিশনকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। দলগুলোকে কিভাবে আস্থায় আনা যায় সে কৌশল আপনাদের নিতে হবে।’

ডিসিদের রিটার্নিং কর্মকর্তা না করার প্রস্তাব

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ না দেয়ার প্রস্তাব এসেছে ইসির সংলাপে। এক্ষেত্রে ইসির নিজস্ব লোকবলকে এ দায়িত্বে নিয়োজিত করার কথা বলা হয়েছে।

সংলাপে অংশ নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হোসেন এমন প্রস্তাব তোলেন।

তিনি বলেন, ‘ইসির সাফল্য-ব্যর্থতা আগামী নির্বাচনের ওপর নির্ভর করবে। তাই বাধাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। শতভাগ ভোটদানের নিশ্চয়তা ইসিকে দিতে হবে। আগের ইসির কী ভুল ছিল, আর তার আগের ইসি কী ভাল কাজ করেছে, তা চিহ্নিত করতে হবে।

‘সারা দেশে একদিনে নির্বাচন না করে ভাগ করে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা যায় কি-না তা ভেবে দেখা যেতে পারে। ভারতে যেমনটা হয়, এক মাস পর ভোটের ফল প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশে এখনো চিন্তা করা যায় না যে ভোটগ্রহণের এক মাস পর ফল প্রকাশ হবে।’

দলগুলো হেরে গেলে ভোটের ফল মেনে নিতে চায় না মন্তব্য করে জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিক বলেন, ‘যদি গণতন্ত্র চাই, তাহলে নির্বাচনে হারলে তা মেনে নিতে হবে। যারা নিজেদের অবস্থান জানে, তারা আগে থেকেই ভাবতে থাকে কিভাবে এই হারটা ঠেকানো যায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘জেলা প্রশাসক কেন রিটার্নিং কর্মকর্তা হবেন। ইসির নিজস্ব লোকবল না থাকলে আগামী দুই বছরে সেই লোকবল আনতে হবে। প্রশাসনের কোনো লোক নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে না। কয়েক ভাগে ভাগ করে নির্বাচন করলে ইসির লোকবল দিয়েই নির্বাচন করা সম্ভব।

‘সংসদের ৩০০ আসন নিয়ে ইসির গবেষণা থাকা উচিত। সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। আমরা টিএন সেশন (ভারতের সর্বজনবিদিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার) চাই, নূরুল হুদা চাই না।’

‘মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা পাওয়ার সুযোগ আছে’

নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ করে ইংরেজি দৈনিক নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেন, ‘আপনারা ব্যক্তিগত জীবনে যা অর্জন করতে চেয়েছিলেন তা পেয়েছেন। এখন নির্বাচন কমিশনার হয়েছেন, এই পদগুলো বোনাস। তাই জীবনে আর হারানোর কিছু নেই। মানুষের শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা পাওয়ার সুযোগ আছে।

‘আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল সত্তরের নির্বাচনের ফল পাকিস্তান মানেনি বলে। বিচারপতি সাত্তার কমিশনের অধীনে যেমন নির্বাচন হয়েছিল, তেমন নির্বাচন যদি করতে না পারি তাহলে সেটা আমরা, রাজনৈতিক দলগুলো, নির্বাচন কমিশন- সবার জন্য লজ্জার।’

নূরুল কবীর বলেন, ‘সংবিধানে বলা আছে যে নির্বাচনের সময় নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করবে। তাই আপনারা চাইলে নির্বাহী বিভাগকে আপনাদের কথা মানতে বাধ্য করতে পারেন। সেটা করবেন কি-না তা আপানাদের সিদ্ধান্ত। যে বাছাই কমিটির মধ্য দিয়ে কমিশনের নিয়োগ হয়েছে, সেই কমিটির প্রতি মানুষের আস্থা নেই। কাজেই আপনাদের আস্থা অর্জন করতে হবে।’

‘ইসির ভাবমূর্তি শূন্যের কোটায় নেমে গিয়েছিল’

নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি শূন্যের কোটায় চলে গিয়েছিল মন্তব্য করে ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, ‘বর্তমান কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনা। যে কোনো একটি নির্বাচন তাদের জন্য এসিড টেস্ট হবে। তারা প্রথমেই কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। এটাকে আমরা ব্যর্থতা হিসেবে দেখছি।

‘কমিশনের মধ্যেই বিভক্তি- এরকম যেন না হয়। ইসি যেন একক ইউনিট হিসেবে কাজ করে। আরেকটি বিষয় হলো সব দলকে নির্বাচনে আনা। এটি কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু গত কমিশনের সে চেষ্টাও ছিল না। বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ জানিয়েছেন, এটা লজ্জার বিষয়। কাজেই নির্বাচন কমিশনের এখানেও একটি রোল আছে।’

তিনি বলেন, ‘কোন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে এটা ইসির এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। যে সরকারের অধীনেই নির্বাচন হোক ইসির দায়িত্ব হবে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন উপহার দেয়া। তবে যেখানে রাজনৈতিক সমঝোতা নেই, আস্থা নেই; সেখানে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা খুবই দুরূহ কাজ।‘

অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী ইসিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘সংবিধানের আওতায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তাই জানেন আপনাদের দায়িত্ব কী। দায়িত্ব পালনে কোথাও কোথাও বাধা আসতে পারে তা-ও আপনারা জানেন। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য আরপিওতে (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) ক্ষমতা দেয়া আছে, সংবিধানেও আছে। সেটা প্রয়োগ করতে হবে।

‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বেশ কয়েকটি নির্বাচন হবে। এমনকি উপনির্বাচনও হতে পারে। সেই নির্বাচন হচ্ছে লিটমাস টেস্ট। ভাল করতে পারলে যাদের এখন নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর অনাস্থা রয়েছে, সেগুলো থাকবে বলে মনে হয় না। সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারলে রাজনৈতিক অচলায়তন দূর হবে।’

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন এর আগে ১৩ মার্চ প্রথম দফায় ৩০ শিক্ষাবিদকে সংলাপের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তাতে ১৭ জনই সাড়া দেননি। দ্বিতীয় দফার সংলাপে ৪০ বিশিষ্ট নাগরিককে আমন্ত্রণ জানানো হলেও পরে একজনকে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। ওই পর্যায়ে ৩৯ বিশিষ্ট নাগরিকের মধ্যে সংলাপে অংশ নেন ১৯ জন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Prime Minister arrived in China

চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় তিনি সেখানে পৌঁছান।

এর আগে মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষ করে সোমবার (২২ ‍জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা দেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, মালয়েশিয়া থেকে চীনের দালিয়ানের ‍উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যাত্রা শুরু করেছেন। দালিয়ানে দুইদিন কর্মব্যস্ত থাকবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিং যাবেন। সেখানে চীনে প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরের মূল কর্মসূচি শুরু হবে।

দালিয়ানে বিশ্ব আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বুঙ্গা রায় কমপ্লেক্সের এক্সক্লুসিভ ভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলফিকলি হাসান। এই সময়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনার মনজুরুল করিম ও ডেপুটি হাই কমিশনার শাহানারা মলিকা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Clash between seniors and juniors over consumption of ganja

গাঁজা সেবনের অভিযোগে সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সংঘর্ষ

গাঁজা সেবনের অভিযোগে সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সংঘর্ষ ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের 'বিদ্রোহী হলের' একটি কক্ষে গাঁজা সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (২১ জুন) রাতে হলের ৬১৫ নম্বর কক্ষে এই মারামারির ঘটনা ঘটে, যাতে সিনিয়র ও জুনিয়র উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীই গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, হলের ৭১৪ নম্বর কক্ষে একসাথে থাকতেন আইন ও বিচার বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী হান্নান এবং দর্শন বিভাগের ২০২৪-২৫ সেশনের নবীন শিক্ষার্থী সিফাতুল সিয়াম মুগ্ধ। মুগ্ধের বিরুদ্ধে রুমে বসে মাদক সেবনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে হল প্রশাসনকে অবহিত করেন হান্নান।

অভিযোগ পেয়ে বিদ্রোহী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে কক্ষটি পরিদর্শন করলেও প্রাথমিক তল্লাশিতে কোনো ধরনের মাদকের আলামত পাননি। তবে প্রভোস্ট চলে যাওয়ার পর হান্নান কক্ষে ফিরে টেবিলের অ্যাশট্রেতে গাঁজার অংশবিশেষ দেখতে পান বলে দাবি করেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং একপর্যায়ে হান্নান জুনিয়র শিক্ষার্থী মুগ্ধকে চড় মারেন বলে অভিযোগ ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এই ঘটনার জের ধরে রাতে হান্নান যখন ৬১৫ নম্বর কক্ষে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন, তখন মুগ্ধসহ বেশ কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থী সেখানে গিয়ে হান্নানের ওপর পালটা হামলা চালান।

আহত হান্নান অভিযোগ করেন, রাতে হঠাৎ করেই ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করায় তিনি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এই সংঘর্ষের সময় পরিস্থিতি শান্ত ও নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে বিদ্রোহী হলের হাউজ টিউটর ও দর্শন বিভাগের প্রভাষক খাইরুল ইসলাম নিজেও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা গাঁজা সেবনের সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জুনিয়র শিক্ষার্থী মুগ্ধ বলেন, প্রভোস্ট স্যারের উপস্থিতিতে রুম তল্লাশি করে যেহেতু কোনো আলামত পাওয়া যায়নি, তাই তিনি কক্ষ থেকে চলে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রুমমেটের ডাকে কক্ষে ফিরে এলে দেখতে পান তাঁর অনুপস্থিতিতেই অ্যাশট্রেতে গাঁজা রেখে সাজানো ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়েছে।

মুগ্ধ আরও অভিযোগ করেন, হান্নান ভাই সে সময় তাঁর বুকে লাথি মারেন এবং গালে চড়সহ ইচ্ছেমতো মারধর করেন। এই অন্যায়ের বিষয়টি তিনি তাঁর বন্ধুদের জানালে তাঁরা হাউজ টিউটরকে সাথে নিয়ে কথা বলতে যান। কিন্তু সেখানে হান্নান আবারও উচ্চস্বরে কথা বলে মারধর শুরু করলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র হাতাহাতি ও সংঘর্ষের রূপ নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, হলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In the current year BTVs income is 8 crore and expenditure is 254 crore Information Minister

চলতি বছরে বি‌টি‌ভির আয় ৮‌ কো‌টি টাকা, ব্যয় ২৫৪ কো‌টি: তথ্যমন্ত্রী

চলতি বছরে বি‌টি‌ভির আয় ৮‌ কো‌টি টাকা, ব্যয় ২৫৪ কো‌টি: তথ্যমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) বিশাল পরিমাণ আয়-ব্যয়ের ব্যবধান বা লোকসানের চিত্র জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নওগাঁ–৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত বিগত ১১ মাসে করসহ বিটিভি মোট ৮ কোটি ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আয় করেছে। তবে একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন ও সামগ্রিক ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৫৪ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়। মন্ত্রী আরও জানান, চলতি অর্থবছরে বিটিভির মোট আয়ের সিংহভাগ অর্থাৎ ৫ কোটি ৭ লাখ ৯ হাজার ৪১৭ টাকা এসেছে বিজ্ঞাপন খাত থেকে।

সংসদে বিটিভির বিগত কয়েকটি অর্থবছরের আয়ের তুলনায় বিপুল ব্যয়ের খতিয়ানও তুলে ধরেন তথ্যমন্ত্রী। তাঁর দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে বিটিভির আয় ছিল ৩৪ কোটি ৫ লাখ ৯৯ হাজার টাকা এবং ব্যয় হয়েছিল ২৮০ কোটি ৮১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

২০২১-২২ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ৪০ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা আয় করলেও এর বিপরীতে ব্যয় হয় ২৮৫ কোটি ৪৭ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

এরপর ২০২২-২৩ অর্থবছরে আয়ের পরিমাণ কিছুটা কমে ৩০ কোটি ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা হলেও ব্যয় একলাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৭০ কোটি ৬১ লাখ ৫১ হাজার টাকায়।

পরবর্তী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৪৪ কোটি ২১ লাখ ২২ হাজার টাকা আয়ের বিপরীতে ব্যয় হয়েছিল ২৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

আর সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিটিভি মোট ২৭ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা আয় করতে সক্ষম হলেও একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির পেছনে সরকারের ব্যয় হয়েছে ৩০৭ কোটি ৯২ লাখ ২২ হাজার টাকা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two years will be a tough time everyone will have to suffer Finance Minister

দুই বছর কঠিন সময় যাবে সবাইকে কষ্ট করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

দুই বছর কঠিন সময় যাবে সবাইকে কষ্ট করতে হবে: অর্থমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতি নিয়ে সতর্ক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অর্থনীতি নানামুখী চাপে থাকায় আগামী দুই বছর সময় কঠিন যাবে, আমি আগেভাগে বলছি। দুইটা বছর কষ্ট করতে হবে সবাই মিলে। আর জনগণের লাইফ যেটা (স্বাভাবিক রাখার) ওটা আমরা করব নীতির ভিত্তিতে। সহায়তার ভিত্তিতে। যতটুকু সীমিত আমাদের সম্পদ ওটা দিয়েই আমরা করব। ওইটা বলছি না। কিন্তু এটা (অর্থনীতি) ঘুরে দাঁড়াতে, এই যে ভঙ্গুর থেকে স্থিতিশীলতা, সেটার জন্য দুবছর লাগবে।

সোমবার ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সহযোগিতায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি যদি বলি কালকে সকালে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে, এই কমিটমেন্টটা আমি দিতে চাইব না। এটার জন্য দুবছর সময় প্রয়োজন। এ ভঙ্গুর অর্থনীতি, খারাপ অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল করতে দুই বছর লাগবে। তৃতীয় বছরে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে ইনশাল্লাহ। ঘুরে দাঁড়াবে। এবং চতুর্থ ও পঞ্চম বছরে অর্থনীতি হবে ‘প্রসপারিটি অব বাংলাদেশ’।

চতুর্থ ও পঞ্চম বছর হবে ‘প্রসপারিটি ফর বাংলাদেশ’। চতুর্থ ও পঞ্চম বছর হচ্ছে সমৃদ্ধির বাংলাদেশ- আমরা দেখব।

পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াতেও দুবছর প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্যাপিটাল মার্কেট, এগেইন আমি তো বলছি দুই বছরের কুশন দরকার। আপনি দেখবেন ইনশাল্লাহ সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে। দুই বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ঘুরে দাঁড়াবে। আমাদের বিশাল একটা অপরচুনিটি ক্রিয়েট হবে ক্যাপিটাল মার্কেটে, বিশাল অপরচুনিটি। সবার জন্য।

কীভাবে হবে ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, এইজন্য আমরা ক্যাপিটাল মার্কেটের প্রথম আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে আস্থাটা ফিরিয়ে আনা। এইজন্য আমরা একটা কমিশন করেছি যারা একদম ইন্ডিপেন্ডেন্ট, নন পলিটিক্যাল এবং পুরোপুরি পেশারদার লোক। সুতরাং এরা সব আইনগুলো চেঞ্জ করছে যাতে আমাদের ইনভেস্টররা সিকিউর থাকে। যারা তালিকাভুক্ত হবে কোম্পানিগুলো তারা যাতে আস্থা পায় যে এই ক্যাপিটাল মার্কেটে তার শেয়ারটা প্রোপারলি লেনদেন হবে। এবং সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল যারা ইনভেস্টর আছে তাদের যাতে বাংলাদেশের ক্যাপিটাল মার্কেটের ওপর আস্থা থাকে।

মন্ত্রী আরো বলেন, ডিরেগুলেশন ইজ এ বিগ মুভ। আমি জানি এটা খুব কঠিন। অনেক বাধাগ্রস্ত আমি হয়ে গেছি অলরেডি। ইতোমধ্যে করার (ঘোষণা) সময়ই বাধাগ্রস্ত হয়েছি। এটা এক্সিকিউশন করতে গেলে আরও বাধাগ্রস্ত হব আমি জানি কিন্তু যত কঠিন ডিসিশন নিতে হয় আমি নিতে প্রস্তুত আছি।

তিনি বলেন, এই ডিরেগুলেশনের পথে যদি কেউ বাধাগ্রস্ত হয়, তাদের আমরা বেরিয়ে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেব। ওই যে দরজা আছে পেছনে ওদিক দিয়ে বেরিয়ে যান। কোন দরকার নাই (তাদের)। দেশ হিসেবে আমরা অনেক ‘সাফার’ করেছি। বাংলাদেশের মানুষের এখন চায় একটা সত্যিকার মুক্ত জীবনযাপন করতে। সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অনুমোদন ও লাইসেন্স নিতে যেসব বাধার শিকার হতে আমলাতান্ত্রিক কারণে সেসবের অনেককিছু কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয় সরকারের তরফে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যদি সঞ্চয় না বাড়ে, সম্পদ তৈরি না হয়, তাইলে অর্থনীতির সুদিন ফিরবে না। কারণ তারা (সীমিত আয়ের মানুষ) তো ভোক্তাও বটে। তো সেই কনটেক্সটে আমার কাছে এইবারের যে আয়করের হারের কাঠামো যেটা সরকার দিয়েছে, তা কিছুটা ‘রিগ্রেসিভ’ মনে হয়েছে। কারণ এর আগে ৫ শতাংশ হার একটা ছিল। আমরা যারা ঢাকায় থাকি অনেকের সীমিত আয় আছে। শহরের অন্যান্য প্রান্তেও অনেকে থাকে। আমার কাছে মনে হয় শতাংশ হার এটি রাখা উচিত ছিল সরকারের।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Armed forces got magisterial powers in 6 districts for 8 days

৬ জেলায় ৮ দিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পেল সশস্ত্র বাহিনী

৬ জেলায় ৮ দিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পেল সশস্ত্র বাহিনী ফাইল ছবি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত তৎপরতা ও বিশৃঙ্খলা রুখতেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব সমপদমর্যাদার কমিশনড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার।

সোমবার (২২ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-২ শাখা থেকে জারি করা এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরকারি এই আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলায় ২২ জুন থেকে আগামী ৩০ জুন তারিখ পর্যন্ত এই বিশেষ ক্ষমতা কার্যকর থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী নির্দিষ্ট এসব এলাকা এবং এই সময়সীমার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।

একই সাথে কোস্ট গার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) প্রেষণে নিয়োজিত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তারাও এই বিশেষ আইনি ক্ষমতার আওতাভুক্ত হবেন। সশস্ত্র বাহিনীর এই কর্মকর্তারা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ এবং ১৪২ অনুযায়ী নির্ধারিত অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগ ও শান্তি বজায় রাখতে সরাসরি তাঁদের এই ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
No religion supports bad deeds Gayeshwar Chandra Roy

কোনো ধর্মই খারাপ কাজকে সমর্থন করে না: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

কোনো ধর্মই খারাপ কাজকে সমর্থন করে না: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন বিধি-নিষেধের বাইরে ছিল না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছিল।

সোমবার (২২ জুন) সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা হলরুমে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের সনদ ও অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সব ধর্মেই ভালো ও মন্দ কাজের প্রতিফল সম্পর্কে ধারণা রয়েছে। মানুষ তার কর্ম অনুযায়ী ফল ভোগ করবে।

ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী কোনো সাংঘর্ষিক আইন সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাকে ইফতার পার্টি আয়োজন করতে দেওয়া হয়নি। তখন আমি গাড়িতে করে বিভিন্ন স্থানে ইফতার বিতরণ করতাম। ইসলাম যেমন নিরাকার আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, তেমনি আমি একজন হিন্দু হিসেবে সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করি।

ধর্ম ও কর্ম একে অপরের পরিপূরক। রাষ্ট্রের আইন এবং দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে। কোনো ধরনের উগ্রবাদ প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই।’

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু, কেরানীগঞ্জ উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইনচার্জ মো. আল-আমীন, বিএনপি নেতা আলি হোসেন আলী, চঞ্চল এবং যুবদল নেতা আরমান উল্লাহ ডাবলু প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Who are the members of ACC search committee

দুদকের সার্চ কমিটিতে সদস্য হলেন যারা

দুদকের সার্চ কমিটিতে সদস্য হলেন যারা ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেওয়ার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি সার্চ কমিটি গঠন করেছে সরকার।

সোমবার (২২ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সার্চ কমিটি গঠনের তথ্য জানায়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন যুগ্মসচিব তানভীর আহমেদ। সার্চ কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচাপতি মো. রেজাউল হক।

সার্চ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল। এছাড়া আইন অনুযায়ী পদাধিকারবলে বাংলাদেশ মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এস এম রেজভী, বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোবাশ্বের মোনেম এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সচিব ড. নাসিমুল গনি।

মন্তব্য

p
উপরে