রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের তৃতীয় মাস মার্চে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৪৭৬ কোটি ২২ লাখ (৪.৭৬ বিলিয়ন) ডলার বিদেশি মুদ্রা এনেছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা।
বর্তমান বিনিময় হার (৮৬ টাকা ২০ পয়সা) হিসাবে টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি।
গত বছরের মার্চের চেয়ে ৫৫ শতাংশ বেশি রপ্তানি আয় দেশে এসেছে। এই মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেশি এসেছে ৩৪ দশমিক ২২ শতাংশ।
আর অর্থবছরের হিসাবে ৯ মাসে অর্থাৎ জুলাই-মার্চ সময়ে ৩৮ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন রপ্তানিকারকরা। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের পুরো সময়ের প্রায় সমান।
যুদ্ধের মাসেও রপ্তানি আয়ে এই বড় উল্লম্ফনে খুবই খুশি রপ্তানিকারকরা। অর্থবছরের বাকি তিন মাসেও এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন তারা। আর তাতে অর্থবছর শেষে এবার রপ্তানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে রপ্তানি বাণিজ্যে ইতিহাস সৃষ্টি করবে বাংলাদেশ।
একক মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে মার্চ মাসের এই আয় তৃতীয় সর্বোচ্চ; সবচেয়ে বেশি এসেছিল গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ৪৯০ কোটি ৭৭ লাখ (৪.৯০ বিলিয়ন) ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এসেছিল চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ৪৮৫ কোটি ৩ লাখ ৭০ হাজার (৪.৮৫ বিলিয়ন) ডলার। দ্বিতীয় মাস ফেব্রুয়ারিতে এসেছিল ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ (৪.২৯ বিলিয়ন) ডলার।
এই মাসে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা ছিল ৩৫৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার। গত বছরের মার্চ মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩০৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার আয় হয়েছিল। ।
শুধু তৈরি পোশাক নয়, প্রায় সব খাতেই রপ্তানি আয় বেড়েছে। সব মিলিয়ে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসের (জুলাই-মার্চ) হিসাবে ৩৮ দশমিক ৬০ বিলিয়ন (৩ হাজার ৮৬০ কোটি ৫৬ লাখ) ডলার রপ্তানি আয় দেশে এসেছে। এই আয় গত অর্থবছরের পুরো সময়ের (১২ মাস, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন) প্রায় সমান।
২০২০-২১ অর্থবছরের এই ৯ মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল বাংলাদেশ।
চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৩ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি আয় দেশে এসেছে।
রপ্তানি আয় প্রায় প্রতি বছরই বাড়ে। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারে কমই। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। করোনার মধ্যেও দারুণ প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি যতটা লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তার চেয়ে বেশি হারে আয় করছে বাংলাদেশ।
৯ মাসের রপ্তানি আয় এবার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে। তার আগে থেকেই অবশ্য যুদ্ধের ডামাডোল চলছিল। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের কয়েকটা দিন গেছে যুদ্ধের মধ্যে। মার্চ মাসের পুরোটা সময় ছিল যুদ্ধের উত্তেজনা। রাশিয়াসহ অন্য দেশগুলোতেও পণ্য পাঠানো ব্যাহত হয়। যুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা বেশ আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। তারপরও এই মাসে রপ্তানি আয়ে উল্লম্ফন হয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সোমবার রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, জুলাই-মার্চ সময়ে তৈরি পোশাক ছাড়াও কৃষি প্রক্রিয়াজাত, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্য ও হস্তশিল্প রপ্তানি বেড়েছে। ফলে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় কমেছে ৭ শতাংশ।
পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩৪ শতাংশ
ইপিবির তথ্যে বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে ৩ হাজার ১৪২ কোটি ৮৪ লাখ (৩১.৪৩ বিলিয়ন) ডলারই এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
এই সময়ে মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে ৮১ দশমিক ৪৬ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক থেকে। এর মধ্যে নিট পোশাক থেকে এসেছে ১ হাজার ৭১২ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। লক্ষ্যের চেয়ে বেশি এসেছে ১৭ দশমিক শূন্য সাত শতাংশ।
ওভেন পোশাক থেকে এসেছে ১ হাজার ৪৩০ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। আয় বেড়েছে ৩২ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেড়েছে ২২ দশমিক ১৭ শতাংশ।
অন্যান্য খাত
এ ছাড়া জুলাই-মার্চ সময়ে ৯৫ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের কৃষিপণ্য, ১১৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলারের হোম টেক্সটাইল, ৮৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ৮৮ কোটি ৭০ লাখ ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
হিমায়িত মাছ রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৩ কোটি ৫৯ লাখ ডলার। ওষুধ রপ্তানি থেকে এসেছে ১৪ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।
গত বছরের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি আয়ের মোট লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৪৩ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাত থেকে আয়ের লক্ষ্য ধরা আছে ৩৫ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার।
গত ২০২০-২১ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩৮ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার আয় করে বাংলাদেশ, যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।
২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৬৭ কোটি (৩৩.৬৭ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ শতাংশ কম।
আগামী কয়েক বছর এমন উল্লম্ফন থাকবে
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। করোনার আতঙ্ক চলে গেছে। বড় ধরনের আর কোনো সঙ্কট না দেখা দিলে আগামী কয়েক বছর রপ্তানি আয়ের এই উল্লম্ফন অব্যাহত থাকবে বলে আশা কথা শুনিয়েছেন দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান তৈরি পোশাক শিল্পমালিকরা।
পোশাক রপ্তানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন,‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আমরা বেশ আতঙ্কের মধ্যে ছিলাম। আমাদের পোশাকের একটি সম্ভাবনাময় এবং উদীয়মান বাজার রাশিয়ার উপর বেশ কয়েকটি দেশ ব্যাপক পরিধিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। বিশেষ করে সুইফট আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেমে রাশিয়ান ব্যাংকগুলোর অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেয়ায় আমাদের বাণিজ্যে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছিল। তারপরও আমরা ভালো প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। এ সমস্যাটা না থাকলে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়ত।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এখন প্রচুর অর্ডার পাচ্ছি। নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে। দামও ভালো পাচ্ছি। করোনা চলে গেছে। যুদ্ধও স্বাভাবিক হয়ে আসছে বলে মনে হচ্ছে। এখন আর আমাদের কোনো ভয় নেই। আর যদি কোনো সঙ্কট না আসে তাহলে আগামী কয়েক বছর আমাদের রপ্তানি আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছি।’
নিট পোশাক শিল্পমালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা খুশি। এত দ্রুত করোনা মহামারির ধাক্কা সামলে আমরা ঘুরে দাঁড়াব, ভাবতে পারিনি। করোনার ভয় এখন আর নেই। শঙ্কিত ছিলাম রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে। সেটাও কেটে গেছে। সবমিলিয়ে আমাদের রপ্তানি বাণিজ্যের বর্তমান ইতিবাচক ধারা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘একটা ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে আমরা নতুন বছর শুরু করেছিলাম। সেটা অব্যাহত আছে। প্রচুর অর্ডার আছে; নতুন অর্ডার আসছে। দামও ভালো পাচ্ছি। ২০২২ সালটা উল্লম্ফনের মধ্য দিয়েই যাবে বলে আমরা আশা করছি।’
অর্থনীতির গবেষক বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক মঞ্জুর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অর্থনীতির সূচকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় আছে এখন রপ্তানি খাত। সত্যিই অবাক করার মতো উল্লম্ফন দেখা যাচ্ছে এই খাতে। এই যে করোনার ধকল সামলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাতে সবচেয়ে বড় অবদান রেখে চলেছে রপ্তানি আয়।’
চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে মোট ৫১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ধরেছে সরকার। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৪৩ বিলিয়ন ডলার।
ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে দেশের তরুণ প্রজন্ম ও ফুটবলপ্রেমীদের সম্পৃক্ত করতে মাসব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড কাপ অ্যাক্টিভেশন’ কর্মসূচি শুরু করেছে দেশের শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজে উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচিটির উদ্বোধন হয়। দুই আয়োজনেই শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।
বিশ্বকাপ চলাকালে দেশের ২৭টি জেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনসমাগমস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে নগদ ব্র্যান্ডেড ক্যারাভানের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় এবং জনপ্রিয় ক্রীড়া ইনফ্লুয়েন্সারদের অংশগ্রহণে বিশ্বকাপজুড়ে চলবে আয়োজনটি।
অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন, স্পোর্টস কুইজ, ফুটবলভিত্তিক গেমস এবং প্লেস্টেশন ৫ গেমিং প্রতিযোগিতা। বিজয়ীদের জন্য রাখা হয়েছে মিনি ফুটবল, নগদ ব্র্যান্ডেড জার্সি, রিস্টব্যান্ডসহ বিভিন্ন পুরস্কার।
প্রথম দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের টেনিস কোর্টে। এতে জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় মাতসুশিমা সুমাইয়া অংশ নেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন কুইজ, ফুটবলভিত্তিক আয়োজন ও গেম শোতে অংশগ্রহণ করেন এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। প্রিয় ফুটবল তারকার সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানোর সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজনীন নাহার নিপা বলেন, ক্যাম্পাসে এমন আয়োজন সত্যিই আমাদের চমকে দিয়েছে। মাতসুশিমা সুমাইয়ার মতো তারকাকে কাছ থেকে দেখা এবং বিভিন্ন ফুটবল ও গেমিং কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ছিল দারুণ অভিজ্ঞতা। বিশ্বকাপের এই আমেজ আমাদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নগদকে ধন্যবাদ।
একই দিনে ঢাকা কলেজেও অনুষ্ঠিত হয় নগদের বিশ্বকাপ অ্যাক্টিভেশন কর্মসূচি। সেখানে শিক্ষার্থীরা স্পোর্টস কুইজ, গেমস ও বিনোদনমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন। প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
নগদের হেড অব মার্কেটিং এইচ ইউ এম মেহেদী সাজ্জাদ উল্লেখ করেছেন, ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে সারা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ। নগদ প্রতিদিন নিরাপদ, সহজ ও দ্রুত আর্থিক সেবার মাধ্যমে মানুষের জীবনকে আরও সহজ ও গতিশীল করে তুলছে।
বিশ্বকাপের উন্মাদনা সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে এই কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ কুইজ ও রিচার্জভিত্তিক ক্যাম্পেইনও চালু করেছে নগদ। বিশ্বকাপ চলাকালে এসব ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে গ্রাহকরা বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার পাশাপাশি বিদেশে জাতীয় ফুটবল দলের একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ২১ টি কর্পোরেট শাখার ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়ের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপসহ সিএমএসএমই ঋণ বিতরণ, আমানত সংগ্রহ, আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স সংগ্রহের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়াও ২০২৬ সালের সকল ব্যবসায়িক সূচকসমূহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কর্পোরেট শাখা প্রধানগণকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এসময় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসুমা আলম, মো. আবুল বাশার ও রূবানা পারভীন, মহাব্যবস্থাপকগণ, সার্কেল প্রধান ও কর্পোরেট শাখা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল সোর্সিং প্ল্যাটফর্ম ইনটেক্স বাংলাদেশ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে আজ ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি)। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং, উদ্ভাবন এবং আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছেন বস্ত্র প্রস্তুতকারক, সোর্সিং পেশাজীবী, ক্রেতা, ব্র্যান্ড, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, কূটনীতিক, শিল্প নেতৃবৃন্দ এবং আন্তর্জাতিক প্রদর্শকরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জনাব রাজেশ ভগত (চেয়ারম্যান ও এমডি, ওয়ার্ল্ডেক্স ইন্ডিয়া), জনাব মুরালি বালকৃষ্ণ (জয়েন্ট ডিরেক্টর, টেক্সপ্রোসিল), জনাব মো. আব্দুল হামিদ পিন্টু (সভাপতি, বিজিবিএ) এবং জনাব মোহাম্মদ হাতেম (সভাপতি, বিকেএমইএ)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও এক্সপোর্ট উইং প্রধান জনাব আব্দুর রহিম খান।
ইনটেক্স বাংলাদেশ ২০২৬-এ ভারত, চীন, তাইওয়ান, জাপান, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, হংকং, উজবেকিস্তান এবং বাংলাদেশসহ ১২টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে ৩০০-এর বেশি বুথ অংশগ্রহণ করছে, যা চারটি নির্ধারিত প্রদর্শনী হলে বিস্তৃত। প্রদর্শিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ফাইবার, ইয়ার্ন, ফেব্রিক, কৃত্রিম ফাইবার, ট্রিমস, অ্যাকসেসরিজ, কম্প্লায়েন্স সলিউশন, ট্রেসেবিলিটি প্রযুক্তি এবং টেকসই বস্ত্র উদ্ভাবন।
টেক্সপ্রোসিল, মেটেক্সিল এবং পিডেক্সসিলের সহায়তায় পরিচালিত ‘ইনক্রেডিবল টেক্সটাইলস অব ইন্ডিয়া প্যাভিলিয়ন’-এ ৭৫টিরও বেশি ভারতীয় কোম্পানি অংশগ্রহণ করছে, যারা তুলা, এমএমএফ, টেকসই ফেব্রিক এবং মূল্য সংযোজিত সোর্সিং সমাধান উপস্থাপন করছে। ‘চায়না ফ্যাশন টেক্সটাইলস প্যাভিলিয়ন’-এ চীনের প্রধান বস্ত্র উৎপাদনকারী প্রদেশগুলো থেকে ৭০টিরও বেশি প্রস্তুতকারক অংশগ্রহণ করছে, যারা ফ্যাশন ফেব্রিক, ফাংশনাল ম্যাটেরিয়াল, প্রযুক্তিগত বস্ত্র এবং পোশাক অ্যাকসেসরিজ উপস্থাপন করছে।
‘ইন্টারন্যাশনাল প্যাভিলিয়ন’ এই পরিসরকে আরও বিস্তৃত করেছে, যেখানে তাইওয়ান, জাপান, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, হংকং এবং উজবেকিস্তান থেকে আগত প্রদর্শকরা সোর্সিং পেশাজীবীদের জন্য উন্নত বস্ত্র প্রযুক্তি এবং পারফরম্যান্স ফেব্রিক উপস্থাপন করছেন।
জনাব আব্দুর রহিম খান বলেন, "উদ্ভাবন, কম্প্লায়েন্স এবং দক্ষ মানবসম্পদে সুনির্দিষ্ট বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ দায়িত্বশীল ফ্যাশন ও বস্ত্র সোর্সিংয়ের পরবর্তী অধ্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা বিশ্বাস করি, ইনটেক্স বাংলাদেশের মতো একটি প্ল্যাটফর্ম আমাদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, পাশাপাশি বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহে সহায়তা করবে।"
জনাব রাজেশ ভগত বলেন, "ইনটেক্স বাংলাদেশের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো এই শিল্পখাতকে উচ্চমানের সরবরাহকারী, বৈচিত্র্যময় পণ্য উদ্ভাবন এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার সুযোগ প্রদান করা। এই প্ল্যাটফর্মটি একটি বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যম হিসেবে গড়ে উঠেছে, যেখানে বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্ব বাজারে যুক্ত হতে পারে — কেবল সরবরাহকারী হিসেবে নয়, বরং এক কৌশলগত অংশীদার হিসেবে।"
প্রদর্শনীর পাশাপাশি, হল ৪-এর ‘ইন্টারঅ্যাকটিভ বিজনেস ফোরাম (আইবিএফ) সেমিনার সিরিজ’-এ অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেশন: “স্কেলিং সাসটেইনেবল ম্যাটেরিয়ালস অ্যাক্রস গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনস” (১৮ জুন, টেক্সটাইলজেনেসিসের সহযোগিতায়) এবং “ফ্রম ফ্যাক্টরি ফ্লোর টু গ্লোবাল ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্স” (২০ জুন, ফ্যাশন বিজনেস জার্নালের সহযোগিতায়), যেখানে আলোচনা করা হচ্ছে ট্রেসেবিলিটি, টেকসইতা এবং বিশ্ব পোশাক উৎপাদনে বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল ভূমিকা নিয়ে।
এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা, ভারত, হংকং, চীন, জাপান, জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সোর্সিং পেশাজীবী এবং ক্রেতা প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানানো হয়েছে।
পদোন্নতি পেয়ে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হলেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) মোহাম্মদ মামুন ফারুক।
তিনি এখন হোলসেল ব্যাংকিং বিভাগের (ডব্লিউবিডি) প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বুধবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামুন ফারুক ১৯৯৯ সালে সিটি ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০১০ সালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে যোগ দেন। ব্যাংকিং পেশায় তার অভিজ্ঞতা ২৬ বছরের বেশি সময়ের।
এমটিবিতে তিনি শাখা ব্যাংকিং, ট্রেড অপারেশনস ও রিলেশনশিপ ব্যাংকিং এবং করপোরেট ব্যাংকিংয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
ঢাকার অন্যতম বাণিজ্যিক স্থাপনা শান্তা পিনাকলে নতুন আউটলেট চালু করেছে বিউটি ও লাইফস্টাইল রিটেইল ব্র্যান্ড ‘সুন্দরা’।
নতুন এই আউটলেটে ১৫০টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের বিউটি, পারফিউম, স্কিনকেয়ার ও অন্যান্য লাইফস্টাইল পণ্য পাওয়া যাবে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা স্টোর নেটওয়ার্কের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফরম sundora.com.bd -এর মাধ্যমেও গ্রাহকদের কাছে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাজারে পরোটার চাহিদা বেড়েই চলছে। তাই উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে নতুন পরোটা উৎপাদন লাইন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজারে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গোল্ডেন হারভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
বৃহস্পতিবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই-সিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, বুধবার (১৭ জুন) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের ১৮৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গাজীপুরে অবস্থিত কারখানায় একটি নতুন পরোটা উৎপাদন লাইন কিনে স্থাপন করা হবে। বিদ্যমান বাজার চাহিদা মোকাবিলা এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
কোম্পানি মনে করছে, নতুন উৎপাদন লাইন চালু হলে পরোটা উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়বে। ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান ভোক্তা চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বাড়বে।
তবে নতুন উৎপাদন লাইনের জন্য সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ, স্থাপনের সময়সীমা কিংবা উৎপাদন সক্ষমতা কতটা বাড়বে— এসব বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
ডিএসইর প্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) অনুযায়ী, পরিচালনা পর্ষদের এ সিদ্ধান্ত কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গোল্ডেন হারভেস্টের অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০১৩ সালে। ‘বি’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধন ২১৫ কোটি ৮৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সে হিসাবে কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ২১ কোটি ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার ৬২১টি। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত কোম্পানির উদ্যোক্তাদের হাতে ৩০ দশমিক ৪২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে ০ দশমিক ২২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩১ দশমিক ৪৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং দেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে দারাজ বাংলাদেশ। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিক্রেতা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি এ অবস্থান স্পষ্ট করে। দারাজ জানিয়েছে, আলোচিত বিষয়গুলো তাদের বর্তমান কৌশলগত অগ্রাধিকার বা দৈনন্দিন কার্যক্রমের প্রতিফলন নয়।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।
গত এক বছরে দারাজ প্ল্যাটফর্মে ৭ হাজারের বেশি নতুন বিক্রেতা যুক্ত হয়েছেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্রেতা ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণের ফলে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে দারাজ। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্ব এবং প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি অনুদান দেওয়া হয়।
দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন, “দারাজ বাংলাদেশে তার কার্যক্রম পরিচালনায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। আমরা টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাংগঠনিক কাঠামো নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়, যাতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে কার্যক্রমের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।”
দারাজ জানিয়েছে, বিক্রেতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহক অভিজ্ঞতার উন্নয়ন এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের প্রসারে তারা কাজ চালিয়ে যাবে। ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহারের বিস্তারকে সামনে রেখে শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও প্রতিষ্ঠানটি মনে করে।
মন্তব্য