× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The World Bank has given Tk 26000 crore to Corona
google_news print-icon

করোনায় ২৬ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক

করোনায়-২৬-হাজার-কোটি-টাকা-দিয়েছে-বিশ্বব্যাংক
গত বছর লকডাউনে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর। ছবি- সাইফুল ইসলাম
২০২০ সালের মার্চে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে জরুরি সহায়তা, টিকাদান এবং অন্যান্য সংকট পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা সমর্থনের জন্য বাংলাদেশকে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

করোনার ধাক্কা সামলাতে গত দুই বছরে বাংলাদেশকে ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলার ঋণসহায়তা দিয়েছে বহুপক্ষীয় সংস্থা বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ২০ পয়সা) হিসাবে টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ২৫ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের প্রধান মার্সি টেম্বন এ তথ্য জানিয়েছেন। এই সহায়তা মহামারি কাটিয়ে উঠে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

শুক্রবারও ২৫ কোটি ডলার বা ২ হাজার ১৫৫ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন দিয়েছে উন্নয়ন সংস্থাটি। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরে পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই ঋণ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মার্সি টেম্বন বলেছেন, ‘২০২০ সালের মার্চে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে জরুরি সহায়তা, টিকাদান এবং অন্যান্য সংকট পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা সমর্থনের জন্য বাংলাদেশকে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে। এ ঋণ সবুজায়ন, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করছে। এ ছাড়া কার্বন হ্রাসের পথ প্রশস্ত করতে এ-সংক্রান্ত নীতি এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামো আরও শক্তিশালী করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টাকে আরও ত্বরান্বিত করবে।’

শুক্রবার ২৫ কোটি ডলারের যে ঋণ অনুমোদন দেয়া হয়েছে, তা করোনার ফলে অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মসংস্থান ধরে রাখতে এবং বাংলাদেশের আর্থিক খাত আরও শক্তিশালী করতে ব্যয় করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ঋণসহায়তায় বাংলাদেশের আর্থিক ও আর্থিক খাতের নীতি শক্তিশালী হবে। এ ছাড়া করোনার ফলে অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মসংস্থান ধরে রাখতে এ অর্থ অগুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

‘বাংলাদেশকে ফাস্ট রিকভারি অ্যান্ড রেজিলেন্স ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট’ প্রকল্পের আওতায় এ অর্থ দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারকে কোভিড-১৯ মহামারি-পরবর্তী সময়ে প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পাশে থাকবে বিশ্বব্যাংক। ভবিষ্যতের ধাক্কাগুলোর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং নীতিগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তার অংশ হিসেবে এ অর্থায়ন করছে সংস্থাটি।

করোনায় ২৬ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক


এ অর্থ সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়াতে এবং প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সহায়ক হবে এবং রাজস্ব ও আর্থিক খাতের সক্ষমতা বাড়াবে। এটি দক্ষতা উন্নত করতে এবং গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের প্রধান টেম্বন বলেন, ‘এ প্রকল্পটি জাতীয় ট্যারিফ নীতির উন্নয়নে সহায়তা করবে, যা বাণিজ্য কর আধুনিকীকরণে সহায়তা করবে। এর আওতায় অনাবাসিক ডিজিটাল পরিষেবা সংস্থাগুলোসহ বিদেশি সংস্থাগুলোর সক্ষমতাও বাড়ানো হবে। যেমন- অনুসন্ধান, সোশ্যাল মিডিয়া ও ক্লাউড পরিষেবা সংস্থাগুলোকে আধুনিক করা হবে, ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার কাজও সহজ করা হবে।

‘এ অর্থায়ন ব্যাংক কাঠামো সংস্কারে ব্যবহার করা হবে। পেমেন্ট ও সেটেলমেন্ট সিস্টেমের উন্নয়ন ও দক্ষতা জোরদারের জন্য নতুন আইন প্রস্তুত করা হবে, যা ডিজিটাল ও মোবাইল আর্থিক পরিষেবাগুলোকেও উৎসাহিত করবে। প্রোগ্রামটি বিভিন্ন পাবলিক সেভিংস সুদের হারের সমন্বয় করবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এই প্রকল্প সরকারকে নগদ স্থানান্তর কর্মসূচি (মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবা) আরও দ্রুত বাস্তবায়ন করতে সাহায্য করবে। ভবিষ্যতের ধাক্কা মোকাবিলা এবং নগদভিত্তিক প্রোগ্রামের জন্য সরকার-টু-ব্যক্তি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার সম্প্রসারণ করবে। জরুরি সহায়তার জন্য নতুন ও বিদ্যমান সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ জলবায়ু সম্পর্কিত সংকটগুলোয় আরও দ্রুত সহায়তা দেওয়ার কাজ সহজ করবে।

বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ বার্নার্ড হ্যাভেন বলেন, ‘এই অর্থায়ন বাংলাদেশকে সবুজ ও টেকসই উন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে সহায়তা করবে। আর্থিক ও আর্থিক খাতের নীতিগুলোর প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে এটি সহায়তা করবে। যখন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কভারেজ ও দক্ষতা বাড়ে, তখন অর্থনৈতিক ধাক্কা এমনিতেই মোকাবিলা করা সম্ভব। এর মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দরিদ্র ও দুর্বলদেরও রক্ষা করা যায়।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Special arrangements for cash around the World Cup

বিশ্বকাপকে ঘিরে নগদের বিশেষ আয়োজন

বিশ্বকাপকে ঘিরে নগদের বিশেষ আয়োজন

ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে দেশের তরুণ প্রজন্ম ও ফুটবলপ্রেমীদের সম্পৃক্ত করতে মাসব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড কাপ অ্যাক্টিভেশন’ কর্মসূচি শুরু করেছে দেশের শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজে উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচিটির উদ্বোধন হয়। দুই আয়োজনেই শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।

বিশ্বকাপ চলাকালে দেশের ২৭টি জেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনসমাগমস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে নগদ ব্র্যান্ডেড ক্যারাভানের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় এবং জনপ্রিয় ক্রীড়া ইনফ্লুয়েন্সারদের অংশগ্রহণে বিশ্বকাপজুড়ে চলবে আয়োজনটি।

অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন, স্পোর্টস কুইজ, ফুটবলভিত্তিক গেমস এবং প্লেস্টেশন ৫ গেমিং প্রতিযোগিতা। বিজয়ীদের জন্য রাখা হয়েছে মিনি ফুটবল, নগদ ব্র্যান্ডেড জার্সি, রিস্টব্যান্ডসহ বিভিন্ন পুরস্কার।

প্রথম দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের টেনিস কোর্টে। এতে জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় মাতসুশিমা সুমাইয়া অংশ নেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন কুইজ, ফুটবলভিত্তিক আয়োজন ও গেম শোতে অংশগ্রহণ করেন এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। প্রিয় ফুটবল তারকার সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানোর সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজনীন নাহার নিপা বলেন, ক্যাম্পাসে এমন আয়োজন সত্যিই আমাদের চমকে দিয়েছে। মাতসুশিমা সুমাইয়ার মতো তারকাকে কাছ থেকে দেখা এবং বিভিন্ন ফুটবল ও গেমিং কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ছিল দারুণ অভিজ্ঞতা। বিশ্বকাপের এই আমেজ আমাদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নগদকে ধন্যবাদ।

একই দিনে ঢাকা কলেজেও অনুষ্ঠিত হয় নগদের বিশ্বকাপ অ্যাক্টিভেশন কর্মসূচি। সেখানে শিক্ষার্থীরা স্পোর্টস কুইজ, গেমস ও বিনোদনমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন। প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

নগদের হেড অব মার্কেটিং এইচ ইউ এম মেহেদী সাজ্জাদ উল্লেখ করেছেন, ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে সারা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ। নগদ প্রতিদিন নিরাপদ, সহজ ও দ্রুত আর্থিক সেবার মাধ্যমে মানুষের জীবনকে আরও সহজ ও গতিশীল করে তুলছে।

বিশ্বকাপের উন্মাদনা সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে এই কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ কুইজ ও রিচার্জভিত্তিক ক্যাম্পেইনও চালু করেছে নগদ। বিশ্বকাপ চলাকালে এসব ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে গ্রাহকরা বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার পাশাপাশি বিদেশে জাতীয় ফুটবল দলের একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Business review meeting at Agrani Bank

অগ্রণী ব্যাংকে ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা

অগ্রণী ব্যাংকে ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ২১ টি কর্পোরেট শাখার ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়ের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপসহ সিএমএসএমই ঋণ বিতরণ, আমানত সংগ্রহ, আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স সংগ্রহের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়াও ২০২৬ সালের সকল ব্যবসায়িক সূচকসমূহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কর্পোরেট শাখা প্রধানগণকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এসময় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসুমা আলম, মো. আবুল বাশার ও রূবানা পারভীন, মহাব্যবস্থাপকগণ, সার্কেল প্রধান ও কর্পোরেট শাখা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Intex Bangladesh 2026 kicks off in Dhaka Bringing together worlds textile sector leaders in sourcing and collaboration

ঢাকায় শুরু হলো ইনটেক্স বাংলাদেশ ২০২৬, সোর্সিং ও সহযোগিতায় একত্রিত বিশ্বের টেক্সটাইল খাতের নেতৃবৃন্দ

ঢাকায় শুরু হলো ইনটেক্স বাংলাদেশ ২০২৬, সোর্সিং ও সহযোগিতায় একত্রিত বিশ্বের টেক্সটাইল খাতের নেতৃবৃন্দ

দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল সোর্সিং প্ল্যাটফর্ম ইনটেক্স বাংলাদেশ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে আজ ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি)। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং, উদ্ভাবন এবং আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছেন বস্ত্র প্রস্তুতকারক, সোর্সিং পেশাজীবী, ক্রেতা, ব্র্যান্ড, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, কূটনীতিক, শিল্প নেতৃবৃন্দ এবং আন্তর্জাতিক প্রদর্শকরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জনাব রাজেশ ভগত (চেয়ারম্যান ও এমডি, ওয়ার্ল্ডেক্স ইন্ডিয়া), জনাব মুরালি বালকৃষ্ণ (জয়েন্ট ডিরেক্টর, টেক্সপ্রোসিল), জনাব মো. আব্দুল হামিদ পিন্টু (সভাপতি, বিজিবিএ) এবং জনাব মোহাম্মদ হাতেম (সভাপতি, বিকেএমইএ)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও এক্সপোর্ট উইং প্রধান জনাব আব্দুর রহিম খান।

ইনটেক্স বাংলাদেশ ২০২৬-এ ভারত, চীন, তাইওয়ান, জাপান, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, হংকং, উজবেকিস্তান এবং বাংলাদেশসহ ১২টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে ৩০০-এর বেশি বুথ অংশগ্রহণ করছে, যা চারটি নির্ধারিত প্রদর্শনী হলে বিস্তৃত। প্রদর্শিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ফাইবার, ইয়ার্ন, ফেব্রিক, কৃত্রিম ফাইবার, ট্রিমস, অ্যাকসেসরিজ, কম্প্লায়েন্স সলিউশন, ট্রেসেবিলিটি প্রযুক্তি এবং টেকসই বস্ত্র উদ্ভাবন।

টেক্সপ্রোসিল, মেটেক্সিল এবং পিডেক্সসিলের সহায়তায় পরিচালিত ‘ইনক্রেডিবল টেক্সটাইলস অব ইন্ডিয়া প্যাভিলিয়ন’-এ ৭৫টিরও বেশি ভারতীয় কোম্পানি অংশগ্রহণ করছে, যারা তুলা, এমএমএফ, টেকসই ফেব্রিক এবং মূল্য সংযোজিত সোর্সিং সমাধান উপস্থাপন করছে। ‘চায়না ফ্যাশন টেক্সটাইলস প্যাভিলিয়ন’-এ চীনের প্রধান বস্ত্র উৎপাদনকারী প্রদেশগুলো থেকে ৭০টিরও বেশি প্রস্তুতকারক অংশগ্রহণ করছে, যারা ফ্যাশন ফেব্রিক, ফাংশনাল ম্যাটেরিয়াল, প্রযুক্তিগত বস্ত্র এবং পোশাক অ্যাকসেসরিজ উপস্থাপন করছে।

‘ইন্টারন্যাশনাল প্যাভিলিয়ন’ এই পরিসরকে আরও বিস্তৃত করেছে, যেখানে তাইওয়ান, জাপান, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, হংকং এবং উজবেকিস্তান থেকে আগত প্রদর্শকরা সোর্সিং পেশাজীবীদের জন্য উন্নত বস্ত্র প্রযুক্তি এবং পারফরম্যান্স ফেব্রিক উপস্থাপন করছেন।

জনাব আব্দুর রহিম খান বলেন, "উদ্ভাবন, কম্প্লায়েন্স এবং দক্ষ মানবসম্পদে সুনির্দিষ্ট বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ দায়িত্বশীল ফ্যাশন ও বস্ত্র সোর্সিংয়ের পরবর্তী অধ্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা বিশ্বাস করি, ইনটেক্স বাংলাদেশের মতো একটি প্ল্যাটফর্ম আমাদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, পাশাপাশি বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহে সহায়তা করবে।"

জনাব রাজেশ ভগত বলেন, "ইনটেক্স বাংলাদেশের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো এই শিল্পখাতকে উচ্চমানের সরবরাহকারী, বৈচিত্র্যময় পণ্য উদ্ভাবন এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার সুযোগ প্রদান করা। এই প্ল্যাটফর্মটি একটি বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যম হিসেবে গড়ে উঠেছে, যেখানে বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্ব বাজারে যুক্ত হতে পারে — কেবল সরবরাহকারী হিসেবে নয়, বরং এক কৌশলগত অংশীদার হিসেবে।"

প্রদর্শনীর পাশাপাশি, হল ৪-এর ‘ইন্টারঅ্যাকটিভ বিজনেস ফোরাম (আইবিএফ) সেমিনার সিরিজ’-এ অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেশন: “স্কেলিং সাসটেইনেবল ম্যাটেরিয়ালস অ্যাক্রস গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনস” (১৮ জুন, টেক্সটাইলজেনেসিসের সহযোগিতায়) এবং “ফ্রম ফ্যাক্টরি ফ্লোর টু গ্লোবাল ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্স” (২০ জুন, ফ্যাশন বিজনেস জার্নালের সহযোগিতায়), যেখানে আলোচনা করা হচ্ছে ট্রেসেবিলিটি, টেকসইতা এবং বিশ্ব পোশাক উৎপাদনে বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল ভূমিকা নিয়ে।

এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা, ভারত, হংকং, চীন, জাপান, জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সোর্সিং পেশাজীবী এবং ক্রেতা প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mamun Farooq is the new DMD of Mutual Trust Bank

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের নতুন ডিএমডি মামুন ফারুক

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের নতুন ডিএমডি মামুন ফারুক

পদোন্নতি পেয়ে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হলেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) মোহাম্মদ মামুন ফারুক।

তিনি এখন হোলসেল ব্যাংকিং বিভাগের (ডব্লিউবিডি) প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বুধবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামুন ফারুক ১৯৯৯ সালে সিটি ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০১০ সালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে যোগ দেন। ব্যাংকিং পেশায় তার অভিজ্ঞতা ২৬ বছরের বেশি সময়ের।

এমটিবিতে তিনি শাখা ব্যাংকিং, ট্রেড অপারেশনস ও রিলেশনশিপ ব্যাংকিং এবং করপোরেট ব্যাংকিংয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sundaras new outlet was inaugurated at Shanta Pinnacle in Tejgaon

সুন্দরার নতুন আউটলেট উদ্বোধন হলো তেজগাঁওয়ের শান্তা পিনাকলে

সুন্দরার নতুন আউটলেট উদ্বোধন হলো তেজগাঁওয়ের শান্তা পিনাকলে

ঢাকার অন্যতম বাণিজ্যিক স্থাপনা শান্তা পিনাকলে নতুন আউটলেট চালু করেছে বিউটি ও লাইফস্টাইল রিটেইল ব্র্যান্ড ‘সুন্দরা’।

নতুন এই আউটলেটে ১৫০টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের বিউটি, পারফিউম, স্কিনকেয়ার ও অন্যান্য লাইফস্টাইল পণ্য পাওয়া যাবে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা স্টোর নেটওয়ার্কের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফরম sundora.com.bd -এর মাধ্যমেও গ্রাহকদের কাছে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Golden Harvest is increasing paratha production

পরোটা উৎপাদন বাড়াচ্ছে গোল্ডেন হারভেস্ট

পরোটা উৎপাদন বাড়াচ্ছে গোল্ডেন হারভেস্ট

বাজারে পরোটার চাহিদা বেড়েই চলছে। তাই উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে নতুন পরোটা উৎপাদন লাইন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজারে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গোল্ডেন হারভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই-সিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, বুধবার (১৭ জুন) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের ১৮৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গাজীপুরে অবস্থিত কারখানায় একটি নতুন পরোটা উৎপাদন লাইন কিনে স্থাপন করা হবে। বিদ্যমান বাজার চাহিদা মোকাবিলা এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

কোম্পানি মনে করছে, নতুন উৎপাদন লাইন চালু হলে পরোটা উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়বে। ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান ভোক্তা চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বাড়বে।

তবে নতুন উৎপাদন লাইনের জন্য সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ, স্থাপনের সময়সীমা কিংবা উৎপাদন সক্ষমতা কতটা বাড়বে— এসব বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ডিএসইর প্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) অনুযায়ী, পরিচালনা পর্ষদের এ সিদ্ধান্ত কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গোল্ডেন হারভেস্টের অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০১৩ সালে। ‘বি’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধন ২১৫ কোটি ৮৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সে হিসাবে কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ২১ কোটি ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার ৬২১টি। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত কোম্পানির উদ্যোক্তাদের হাতে ৩০ দশমিক ৪২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে ০ দশমিক ২২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩১ দশমিক ৪৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Daraj has confidence in the Bangladeshi market

বাংলাদেশের বাজারে আস্থা রাখছে দারাজ

বাংলাদেশের বাজারে আস্থা রাখছে দারাজ

বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং দেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে দারাজ বাংলাদেশ। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিক্রেতা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি এ অবস্থান স্পষ্ট করে। দারাজ জানিয়েছে, আলোচিত বিষয়গুলো তাদের বর্তমান কৌশলগত অগ্রাধিকার বা দৈনন্দিন কার্যক্রমের প্রতিফলন নয়।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

গত এক বছরে দারাজ প্ল্যাটফর্মে ৭ হাজারের বেশি নতুন বিক্রেতা যুক্ত হয়েছেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্রেতা ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণের ফলে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে দারাজ। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্ব এবং প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি অনুদান দেওয়া হয়।

দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন, “দারাজ বাংলাদেশে তার কার্যক্রম পরিচালনায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। আমরা টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাংগঠনিক কাঠামো নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়, যাতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে কার্যক্রমের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।”

দারাজ জানিয়েছে, বিক্রেতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহক অভিজ্ঞতার উন্নয়ন এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের প্রসারে তারা কাজ চালিয়ে যাবে। ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহারের বিস্তারকে সামনে রেখে শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও প্রতিষ্ঠানটি মনে করে।

মন্তব্য

p
উপরে