× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Concerned neo hippies and their global warming ill tell ya
google_news print-icon

শিশু-মাতৃমৃত্যু, বাল্যবিয়ে না কমায় উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা

শিশু-মাতৃমৃত্যু-বাল্যবিয়ে-না-কমায়-উদ্বিগ্ন-বিশেষজ্ঞরা
‘স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর: বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিকাশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা
অধ্যাপক ডা. রওনক জাহান বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাতে গত ৫০ বছরে অনেক অর্জন থাকলেও মাতৃ, শিশুমৃত্যু, বাল্য বিয়ে, অল্প বয়সে গর্ভপাতের হার কমাতে পারছি না। আমরা একটি জায়গাতে আবধ্য রয়েছি। স্বাস্থ্যখাতে দুই-একটি বিষয়ে আমরা সফতলা দেখাতে পারলেও নারীস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যুর হার, নারীর প্রতি সহিংসতার এগুলোতে আমার এগোতো পারছি না। বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে ভেবে দেখতে হবে।’

স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশের স্বাস্থ্যখাতে বেশ কিছু অর্জনের কথা স্বীকার করলেও মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় না কমায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, নারীর ক্ষমতায়নে দেশ অনেক ভালো করছে, কিন্তু শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার আমরা কমাতে পারছি না।

২০১১ সালের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিতে শিশু ও মাতৃমৃত্যু কমানোর যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা পূরণ না হওয়ায় শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর: বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিকাশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে শনিবার এমন শঙ্কার কথা জানান বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. রওনক জাহান বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাতে গত ৫০ বছরে অনেক অর্জন থাকলেও মাতৃ, শিশুমৃত্যু, বাল্য বিয়ে, অল্প বয়সে গর্ভপাতের হার কমাতে পারছি না। আমরা একটি জায়গাতে আবধ্য রয়েছি। স্বাস্থ্যখাতে দুই-একটি বিষয়ে আমরা সফতলা দেখাতে পারলেও নারীস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যুর হার, নারীর প্রতি সহিংসতার এগুলোতে আমার এগোতো পারছি না। বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে ভেবে দেখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিটা অনুষ্ঠানে বলা হয় স্বাস্থ্যবাজেট বাড়ানোর জন্য, অথচ যেটুকু রবাদ্দ দেয়া হয় সেটিও খরচ করতে পারে না মন্ত্রণালয়। আমাদের আরেকটি বড় দুর্বলতা স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা। বছরের পর বছর ধরে আমরা সুপারিশ দিলেও বাস্তবায়ন হয়নি। গত ২৫ বছর ধরে এমন সুপারিশ করা হলেও চিকিৎসক, জনবল, ওষুধ সংকট কাটাতে পারেনি।’

বাংলাদেশের যে অর্জন সেটি আমরা কেবল দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা করি। পাশের দেশ নেপালও আমাদের অনেক ছোট মনে করে। থাইল্যান্ডসহ ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে আমরা কতটা এগোতে পেরেছি, সেটি দেখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘থাইল্যান্ড গত ৬০ বছরে সর্বজনীন স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পেরেছে। কীভাবে পেরেছে সেটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। তাদের সঙ্গে কেন তুলনা করি না আমরা?’

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, স্বাস্থ্যখাতে ৫০ বছরে স্বাস্থ্য খাতে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। পাকিস্তানে সময় যে ব্যবস্থাপনা ছিল তার চেয়ে অনেকগুণ আগ্রগতি হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যসেবা নেয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্য দেখা দিয়েছে। ধনী মানুষ অসুস্থ হলে বেসরকারি ব্যবস্থাপনা বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে আসতে পারে, গবীর মানুষ সরকারি হাসপাতালে তেমন সেবা পায় না বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে গবেষণায় জোর দেয়ার দাবি জানান তিনি।

প্রবীণ এই বিশেষজ্ঞ বলেন,’ সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসকারি সংস্থাগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির (সিডা) স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডা. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর আমাদের জন্য একটি মাইলফলক। এই বই স্বাস্থ্যখাতের একটি দলিল। আমাদের মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমলেও বেশকিছু দিন ধরে এক স্থানে রয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্যে যে বৈষম্য বাড়ছে, সেটি খুবই দুঃখজনক।’

তিনি মনে করেন, স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় মেটাতে গিয়ে অনেকে মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। গড় আয়ু বাড়লেও স্বাস্থ্যসেবা ভালো না হওয়ায় শেষ সময়ে গিয়ে বয়স্করা বোঝা হয়ে যাচ্ছেন। এ জন্য স্বাস্থ্য কমিশন জরুরি।

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক বঙ্গবন্ধু হত্যার পর স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও বর্তমান সময়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে তুলনামূলক আলোচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘অনেক দেশ জিডিপির ২-৩ শতাংশ ব্যয় করে স্বাস্থ্য খাতে, আমাদের ১ শতাংশেরও কম। তার পরও আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এগিয়েছে, যেটি ইতিবাচক।’

দেশে খাতটিতে এখনও অনেক অব্যবস্থাপনা রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশে পুষ্টি সমস্যা, বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার কথাগুলোও তুলে ধরেন। এজন্য মানুষের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান সাবেক এই মন্ত্রী।

প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, স্বাস্থ্যে মোট ব্যয়ের ১৫ শতাংশ হওয়া দরকার, কিন্তু আমরা একেবারে পিছিয়ে। সর্বজনীন স্বাস্থ্যব্যবস্থা নেই বললেই চলে। আবার হাসপাতালগুলোতে নানা অব্যবস্থাপনা। অনেক দামি দামি জিনিসপত্র কেনা হয়, কিন্তু সেগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয় না, আছে নিয়োগে অনিয়মসহ নানা অভিযোগ। এগুলো দূর করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য খাতে ৮ মাসে বরাদ্দের মাত্র ২৪ শতাংশ ব্যয়
স্বাস্থ্য খাতের ৩২৫০ কোটি টাকা ফেরত যাচ্ছে
টাকা ব্যয় করতে পারে না স্বাস্থ্য খাত
করোনায়ও বরাদ্দের টাকা ব্যয়ে ব্যর্থ স্বাস্থ্য খাত
স্বাস্থ্যে দুর্নীতি রোধে শিগগিরই ক্র্যাশ প্রোগ্রাম

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Health Minister seeks the help of District Administrators to close illegal health centers in the district

জেলায় অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধে জেলা প্রশাসকদের সহায়তা চান স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জেলায় অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধে জেলা প্রশাসকদের সহায়তা চান স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সারা দেশে অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে অভিযান চলছে। তবে, অনেক সময় কিছু অসাধু লোক বিভিন্ন উপায়ে এসব ক্লিনিক,ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু রাখতে নানা অসাধু উপায়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের এগুলো লক্ষ্য রাখতে হবে এবং সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে।’

জেলায় জেলায় অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধে ও বিভিন্নধরনের অনিয়ম রোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চলমান অভিযান পরিচালনায় জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা চেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা সামন্ত লালসেন।

রোববার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি অডিটোরিয়াম হলে চারদিন ব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান। খবর বাসসের

সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সারা দেশে অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে অভিযান চলছে। তবে, অনেক সময় কিছু অসাধু লোক বিভিন্ন উপায়ে এসব ক্লিনিক,ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু রাখতে নানা অসাধু উপায়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের এগুলো লক্ষ্য রাখতে হবে এবং সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের জন্য ভালো স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেও আপনাদেরকে ভূমিকা রাখতে হবে। আমরা সবাই মিলে একটি ইউনিটের মত কাজ করলে, দেশের স্বাস্থ্যসেবায় অবশ্যই ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

সম্মেলনে উপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা বলেন, স্বাস্থ্যখাতের দিকে সবাইকে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। হাসপাতালে বেডের তুলনায় রোগী দ্বিগুণ বা তিনগুণ হলেও হাসপাতাল থেকে কোন রোগীকে বের করে দেওয়া হয় না। চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে, এখন সময় এসেছে আমাদের অন্যান্য সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলো একযোগে সমাধান করা। আমরা সবাই একটি ফুটবল বা ক্রিকেট টিমের মত এক হয়ে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নিয়ে কাজ করলে, স্বাস্থ্যখাতে খুব বেশি সমস্যা আর থাকবে না।

সম্মেলনে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক ঝিনাইদহ জেলায় আত্মহত্যার হার বেশির জন্য সেখানকার সরকারি হাসপাতালে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগের অনুরোধ জানালে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।

এছাড়া সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক স্বাস্থ্যখাতে জনবলের ঘাটতি তুলে ধরলে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো জাহাঙ্গীর আলম দেড় মাসের মধ্যে জনবলের ঘাটতি অনেকটাই দূর করা হবে বলে জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়া, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহান আরা বানু উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hospitals can no longer be opened due to irregularities Health Minister

অনিয়ম করে আর হাসপাতাল খোলা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনিয়ম করে আর হাসপাতাল খোলা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত
বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সাধারণ একটা ভুলের জন্য এতগুলো মানুষের প্রাণ চলে গেল। আমার মনে হয় গণপূর্ত এবং রাজউকের আরও সজাগ হওয়া উচিত। এসবের বিরুদ্ধে অভিযান চলা উচিত।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘অতীতে কী হয়েছে, সেগুলো মনে রাখা যাবে না। ইচ্ছা করলেই অনিয়ম করে আর হাসপাতাল খোলা যাবে না। অভিযান চলবে। হাসপাতাল থাকবে, সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালও থাকবে। কিন্তু হাসপাতালগুলোকে নিয়ম মেনে চলতে হবে।’

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির ‘২৩তম আন্তর্জাতিক সায়েন্টিফিক সেমিনার’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাসপাতালে অভিযান চালানো প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বক্তব্য খুব স্পষ্ট, আমি বাংলাদেশের সব হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়ার পক্ষে নই।’

বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এতগুলো মানুষের প্রাণ চলে গেল। এটা তো আমার বিষয় না। আমার মনে হয় গণপূর্ত এবং রাজউকের আরও সজাগ হওয়া উচিত। সাধারণ একটা ভুলের জন্য ৪৫টি (মোট ৪৬ মৃত্যু) প্রাণ চলে গেল।

‘এর থেকে মর্মান্তিক আর কিছু হতে পারে না। আমি মনে করি এসবের বিরুদ্ধে অভিযান চলা উচিত।’

আরও পড়ুন:
চমেক হাসপাতালে চালু হলো ৫০ শয্যার আইসিইউ ওয়ার্ড
হাসপাতালের মেঝেতে আর যাতে চিকিৎসা নিতে না হয়, ব্যবস্থা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি করলে কেউ রেহাই পাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সব জেলায় বার্ন ইউনিটের পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নামে খোলা সব ফেসবুক অ্যাকাউন্টই ভুয়া

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 people are under treatment at Bern University and 3 at DMK Hospital
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন

বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজে বৃহস্পতিবার র রাতে অগ্নিকাণ্ডে ভবনে অনেকে আটকা পড়েন। ছবি: নিউজবাংলা
বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ১১ জনই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১১ জন এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তিনজন।

ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা হলেন- মোহাম্মদ জুয়েল, জোবায়ের ও হালিম। ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী এই তিনজনের কারও মেরুদণ্ড, কারও পা আবার কারও হাত ও পা ভেঙেছে। তাদেরকে অর্থোপেডিক ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ১১ জনই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

এখানে চিকিৎসাধীন ১১ জন হলেন- ফয়সাল আহমেদ, সুজন মণ্ডল, পুরোহিত, আবিনা, রাকিব, কাজী নওশাদ, আজাদ আবরার, মেহেদী হাসান, শাদ মাহমুদ, রাকিব হাসান ও সুমাইয়া। তাদের বয়স ২৩ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে চিকিৎসাধীন ১১ জনকে পোস্ট অপারেটিভে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাদের সবারই কার্বন-মনোক্সাইড (পয়জনিং) জনিত শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত।’

আরও পড়ুন:
আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি
মাকে ইফতার সামগ্রী কিনে দেয়া হলো না জিহাদের
ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড
আগুন কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারকে
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
None of those injured in the Bailey Road fire are safe

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন রাজধানীর বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতে আগুন লাগার পর ভবনে আটকা পড়াদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের তৎপরতা। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আগুন লাগার পর ভবনের বদ্ধ জায়গায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেকে মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। তাদের সবারই শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ২২ জন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এই তথ্য জানিয়ে বলেছেন, আগুনের এই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীনদের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। কেউই আশঙ্কামুক্ত নন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শুক্রবার সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগুন লাগার পর ভবনের বদ্ধ জায়গায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেকে মারা গেছেন। আর যারা আহত হয়েছেন তারা কেউই শঙ্কামুক্ত নন। তাদের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, যারা মারা গেছে তারা কার্বন মনোক্সাইড পয়জনিংয়ের শিকার হয়েছে। একটা বদ্ধ ঘরে যখন বের হতে পারে না, তখন ধোঁয়াটা শ্বাসনালীতে চলে যায়। প্রত্যেকেরই তা হয়েছে এবং যাদের খুব বেশি হয়েছে, তারা বাঁচতে পারেনি। দুঃখজনকভাবে তারা মারা গেছেন।’

বার্ন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও ইউনিটপ্রধান প্রবীর চন্দ্র দাস বলেন, ‘বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতের অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর কারণ কার্বন মনোক্সাইড পয়জনিং। সহজ ভাষায় যাকে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া বলা যায়।’

এই চিকিৎসক বলেন, ‘আগুনের ঘটনায় যে কয়জন মারা গেছেন তাদের সবার মৃত্যুর কারণ পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার রাতে যে ১০ জনকে আহত ভেবে বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছিল তাদের মৃত্যুর কারণ পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে সেগুলো কার্বন মনোক্সাইড পয়জনিং।

আহত ব্যক্তিরা আধ ঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিট বদ্ধ ঘরে কালো ধোঁয়ার মধ্যে আটকে ছিলেন বলেও জানান ডা. প্রবীর চন্দ্র দাস।

আরও পড়ুন:
‘আমার ছেলেটারে একবার দেখতে দাও, ওরে বাসায় নিয়ে যাব’
বেইলি রোডের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৪৬
সাংবাদিক অভিশ্রুতির প্রাণ গেল বেইলি রোডের আগুনে
বেইলি রোডে আগুন: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক
আইনের শাসন না থাকলে বিপর্যয় ঘটতেই থাকে: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The operation of the child abandoned by the parents is completed

‘মা-বাবার’ ফেলে যাওয়া শিশুর অপারেশন সম্পন্ন

‘মা-বাবার’ ফেলে যাওয়া শিশুর অপারেশন সম্পন্ন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার শেষে ভালো আছে শিশুটি। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নবজাতকটিকে চিকিৎসাধীন রেখে ইমার্জেন্সি থেকে ভর্তির কাগজ আনার কথা বলে বাবা-মা পরিচয় দেয়া দুজন আর ফিরে আসেননি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে শিশুটিকে চিকিৎসা দিচ্ছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে অসুস্থ নবজাতককে ফেলে পালিয়ে যান মা-বাবা। শিশুটির একটি জন্মগত ত্রুটি ধরা পড়েছে। সোমবার রাতে শিশুটির অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি ভালো আছে। শিশুটিকে সমাজসেবার অধীনে হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএমএ শামীম আহমেদ বলেন, ‘শনিবার আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী দুজন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাচ্চাটিকে ওয়ার্ডে নিয়ে আসেন। চিকিৎসা চলা অবস্থায় গেট থেকে ভর্তির কাগজ নিয়ে আসার নাম করে তারা চলে যান।

‘সদ্য ভূমিষ্ঠ ছেলে বাচ্চাকে শ্বাসকষ্টের কথা বলে ভর্তি করাতে নিয়ে আসা হয়। নার্সরা নবজাতককে ভর্তির কাগজ আনতে বললে কাগজ আনার কথা বলে শিশুটিকে রেখে চলে যান বাবা-মা পরিচয় দেয়া দু’জন। এরপর আমরা থানায় জানিয়ে আদালতের মাধ্যমে সমাজসেবায় শিশুটিকে হস্তান্তর করেছি।’

তিনি বলেন, ‘শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের চিকিৎসক ও নার্সদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হাসপাতাল ও সমাজসেবা কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনাও দিয়েছি। হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয় থেকে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় ওষুধ, পোশাক, বেড, কোলবালিশ দেয়া হয়।

‘পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শিশুটির একটি জন্মগত ত্রুটি ধরা পড়েছে। সেই ত্রুটি সারাতে শিশুটির অপারেশনও ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শিশুটি হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি রয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পর শিশুটিকে ছোটমনি নিবাসে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রাজশাহী ছোটমনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাবধায়ক রোকসানা খাতুন বলেন, ‘আমাদের সমাজসেবা প্রবেশনারি অফিসারের মাধ্যমে শিশুটির খোঁজ জানতে পারি। আমরা ওর খাবার ও কাপড়ের ব্যবস্থা করেছি। দেখভালও করছি। অপারেশন শেষে শিশুটি এখন ভালো আছে। সুস্থ হলে আমার শিশুটিকে শিশুমনি নিবাসে নিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
খাদ্যে ‘বিষক্রিয়া’: শিশু মৃত্যুর ঘটনায় চারজন আটক
রাজধানীতে খতনা করাতে গিয়ে ফের শিশুর মৃত্যু, ২ চিকিৎসককে রিমান্ডে চায় পুলিশ
দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে রামেক হাসপাতালে আইইডিসিআর
রাজশাহীতে দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ নিপাহ ভাইরাস নয়  
কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু, নিপাহ’র সন্দেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
47 European doctors in Bangladesh to serve the poor

দরিদ্রের সেবায় ইউরোপের ৪৭ চিকিৎসক বাংলাদেশে

দরিদ্রের সেবায় ইউরোপের ৪৭ চিকিৎসক বাংলাদেশে সোমবার ঢাকায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, ব্রিটেনের হাউজ অফ লডর্স সদস্য মঞ্জিলা পলাউদ্দিনসহ সফররত চিকিৎসকদের কয়েকজন। ছবি: নিউজবাংলা
চিকিৎসকদের দলটি মঙ্গলবার সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে জটিল রোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেবেন। এই দলে আছেন ফ্রান্সের স্বনামধন্য কার্ডিয়াক সার্জন অধ্যাপক ফিলিপ মেনাশে, ইংলান্ডের অধ্যাপক ম্যাথিয়াস ও অধ্যাপক কুমারান।

দরিদ্র রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দিতে বাংলাদেশে এসেছেন ইউরোপের খ্যাতনামা ৪৭ জন চিকিৎসক। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবিক সেবা প্রতিষ্ঠান তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সিলেট বিভাগে আগামী এক সপ্তাহ মেগা মেডিক্যাল ক্যাম্প করবেন তারা।

চিকিৎসকদের সফরকারী দলটি সোমবার বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে অংশ নেন।

রাজধানীতে ইন্টারকন্টিন্টোল হোটেলের বলরুমে এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ এসোসিয়েশন, ঢাকা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, ব্রিটেনের হাউজ অফ লডর্সের সদস্য মঞ্জিলা পলাউদ্দিনসহ দেশের খ্যাতিমান চিকিৎসকরা।

কার্ডিয়াক, ব্রেন, নিউরো, শিশু, চক্ষু, গাইনিসহ বিভিন্ন বিষয়ের প্রখ্যাত ইউরোপিয়ান চিকিৎসকরা আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের নানা বিষয় তুলে ধরেন এই সেমিনারে।

চিকিৎসকদের দলটি মঙ্গলবার সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে জটিল রোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেবেন। এই দলে আছেন ফ্রান্সের স্বনামধন্য কার্ডিয়াক সার্জন অধ্যাপক ফিলিপ মেনাশে, ইংলান্ডের অধ্যাপক ম্যাথিয়াস ও অধ্যাপক কুমারান।

বাংলাদেশে বিদেশি চিকিৎসকদের এত বড় মেগা মেডিক্যাল ক্যাম্প আগে আর হয়নি বলে জানান আয়োজক প্রতিষ্ঠান তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সেলিনা বেগম।

মেডিক্যাল ক্যাম্প শেষে ৬ মার্চ বাংলাদেশ ছাড়বেন ইউরোপের এই চিকিৎসক দলটি।

আরও পড়ুন:
বিএসএমএমইউতে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন সেন্টার চালু
যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকদের নেতৃত্বে খালেদার যকৃতে অস্ত্রোপচার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Another death due to Corona

করোনায় আরও এক প্রাণহানি

করোনায় আরও এক প্রাণহানি ফাইল ছবি
এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮৯ জনে। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৮ হাজার ২৩২ জনে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও একজনের প্রাণ গেছে। এ ছাড়া নতুন করে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে আরও ৪৬ জনের শরীরে।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার সকাল থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার এ হিসাব দেয়া হয়েছে।

এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮৯ জনে। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৮ হাজার ২৩২ জনে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৫টি পরীক্ষাগারে ৫৩৯ টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। তাদের মধ্যে ৪৫ জনই ঢাকার রোগী। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮দশমিক ৫৩ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ১৫ হাজার ২৮৭ জন। সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
২৪ ঘণ্টায় ২৯ জনের করোনা শনাক্ত
দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৮২ জনে পৌঁছাল
বেনাপোল বন্দরে নষ্ট থার্মাল স্ক্যানার, বাড়ছে করোনার ঝুঁকি

মন্তব্য

p
উপরে