× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The day of Katal Lokaj Mela is well organized in Tungipara
hear-news
player
google_news print-icon

টুঙ্গিপাড়ায় দারুণ আয়োজনে কাটল লোকজ মেলার দিন

টুঙ্গিপাড়ায়-দারুণ-আয়োজনে-কাটল-লোকজ-মেলার-দিন
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় লোকজ মেলার শেষ দিনে দর্শনার্থীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উপপরিচালক নিউজবাংলাকে বলেন, লোকজ আয়োজনে সাজানো হয়েছিল এ মেলা। ১০০ স্টল ছিল, যেখানে কারু শিল্পীরা তাদের পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করেছে। সাংস্কৃতিক আয়োজনেও ছিল লোকজ সংস্কৃতির পরিবেশনা।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মভূমি টুঙ্গিপাড়ায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত হলো মুজিববর্ষ লোকজ মেলা ২০২২। ছয় দিনব্যাপী মেলা শেষ হয়েছে শনিবার।

রাতে আতশবাজি ও সঙ্গীত আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হয় মেলা। মেলার সবদিনেই দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল বেশি।

শেষ দিন সঙ্গীত আয়োজনে গান পরিবেশন করেন শিল্পী শুভ্রদেব।

মেলার আয়োজন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন বাস্তবায়ন কমিটি। এর বাস্তবায়নে কাজ করেছে শিল্পকলা একাডেমি ও জেলা প্রশাসন। এতে সহযোগিতা করেছে সোনারগাঁও লোকজ ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উপপরিচালক নিউজবাংলাকে বলেন, লোকজ আয়োজনে সাজানো হয়েছিল এ মেলা। ১০০ স্টল ছিল, যেখানে কারু শিল্পীরা তাদের পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করেছে। সাংস্কৃতিক আয়োজনেও ছিল লোকজ সংস্কৃতির পরিবেশনা।

তিনি জানান, ৪৫ জন অ্যাম্বাসেডর মেলায় গিয়েছিলেন। জেলা প্রশাসন, স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিরা পুরো আয়োজনেই ছিলেন। স্থানীয় প্রশাসনও অনেক সাহায্য করেছে।

১৭ মার্চ মেলাটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে সব চ্যানেলে ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’
বঙ্গবন্ধু সমাধি কমপ্লেক্সে দুই সপ্তাহ প্রবেশ নিষেধ
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়া পরিদর্শনে সচিব
মন পড়ে আছে টুঙ্গিপাড়ায়: শেখ হাসিনা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Fire safety of the building is mandatory

ভবনের ফায়ার সেফটি বাধ্যতামূলক

ভবনের ফায়ার সেফটি বাধ্যতামূলক ৮ম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি এন্ড সিকিউরিটি এক্সপো-২০২২ এর অনুষ্ঠান। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, দেশের কোম্পানিগুলো ফায়ার সেফটি ও কমপ্লায়েন্স মেনে চলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা এগিয়ে আছি। বিশ্বের ১০ টি গ্রিন কারখানার আটটি এখন বাংলাদেশে। যার ফলে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে, উৎপাদন বেড়েছে এবং আমরা বেশি রপ্তানি করতে পারছি।

দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, ফায়ার সেফটি ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ করা হলে তা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হবে না। এখন থেকে যে ভবনগুলো হবে সেগুলোতে ফায়ার সেফটি থাকতেই হবে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) শুক্রবার রাতে ইলেকট্রনিক্স সেফটি এন্ড সিকিউরিটি এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসাব) এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে ৮ম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি এন্ড সিকিউরিটি এক্সপো ২০২২-এর ‘সেফটি এক্সিলেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, ‘দেশের কোম্পানিগুলো ফায়ার সেফটি ও কমপ্লায়েন্স মেনে চলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা এগিয়ে আছি। বিশ্বের ১০ টি গ্রিন কারখানার আটটি এখন বাংলাদেশে। যার ফলে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে, উৎপাদন বেড়েছে এবং আমরা বেশি রপ্তানি করতে পারছি।

‘এখন ফায়ার সেফটি পণ্য বেশিরভাগই আমদানি করা হচ্ছে। দেশে ১০০ ইকোনমিক জোন হচ্ছে, সেখানে ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদন করা যেতে পারে। এজন্য আগ্রহীদের ইকোনমিক জোনে প্লট পেতে সহযোগিতা করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ৩২টি উপজেলায় নতুন করে ফায়ার সার্ভিসের ডিপো স্থাপন করা হয়েছে। এটা দেশের বড় অর্জন। এখন দেশে ফায়ার সেফটি সনদ না থাকলে সেই ভবন ব্যবহারের অনুমতি দেবে না রাজউক বা সিটি করপোরেশন।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, ‘ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটির প্রয়োজনীয়তা বুঝে আমরা সেফটি কাউন্সিল গঠন করেছি। ইনডোর-আউটডোর প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।’

ফায়ার সেফটি পণ্যে আমদানি নির্ভরতা কমানোর দাবি জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ইলেক্ট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসাব) অগ্নি-নিরাপত্তা সঠিকভাবে বজায় রাখায় ৯টি কোম্পানিকে পুরস্কৃত করে। এছাড়া চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডু বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন ও বিস্ফোরণে নিহত ফায়ার ফাইটারদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ১৩টি ক্রেস্ট দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেজাউল করিম, ইএসএসএবি সভাপতি জহির উদ্দিন বাবর, সিনিয়র সহ-সভাপতি নিয়াজ আলী চিশতি, মহাসচিব মাহমুদুর রশীদ, প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলামসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
গাজীপুরে পোশাক কারখানার গুদামে আগুন
মানববন্ধনে তাজরীন ট্র্যাজেডিসহ শ্রমিক ‘হত্যাকাণ্ডের’ বিচার দাবি
চট্টগ্রামে বাটার শোরুমের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চীনে কারখানায় আগুন, নিহত ৩৬
আগুনে দগ্ধ ছেলের মৃত্যু, বাবার মামলায় মা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three days later the expatriates wifes body was found in the garden

তিন দিন পর বাগানে মিলল প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ

তিন দিন পর বাগানে মিলল প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় গাছের ভাঙা ডালের সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাটি খুবই রহস্যজনক।’

মাদারীপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর মৌসুমি আক্তার নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার উত্তর দুধখালী এলাকার একটি বাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

২৪ বছর বয়সী মৌসুমি দুধখালী ইউনিয়নের উওর দুধখালী এলাকার মানিক হাওলারের মেয়ে এবং একই এলাকার সৌদিপ্রবাসী ইলিয়াস মীরারের স্ত্রী।

স্বজনরা জানিয়েছেন, কিছুদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন মৌসুমি। তার পাঁচ ও চার বছর বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

স্বজনদের বরাতে ওসি আরও জানান, ২৩ নভেম্বর বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে দাদির বাড়ির উদ্দেশে বের হন মৌসুমি। কিন্তু দাদির সঙ্গে দেখা করে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।

সেদিন মৌসুমিকে অনেক খুঁজেও পাননি তার পরিবারের সদস্যরা। পরদিন তারা সদর মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

নিখোঁজের ৩ দিন পেরিয়ে গেলে শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তর দুধখালী এলাকার একটি বাগানে মৌসুমির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ রাত ৯টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের খালাতো বোন তানজিলা আক্তার বলেন, ‘আমার বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে গাছের ডালের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কিন্তু কারা এ কাজ করেছে তা আমরা বুঝতে পারছি না। আমার বোনের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা নেই। তবু তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।’

এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় গাছের ভাঙা ডালের সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাটি খুবই রহস্যজনক। পুলিশ আসল সত্য বের করে আনবে।’

আরও পড়ুন:
প্রেমের সম্পর্ক না মানায় সাউথ আফ্রিকায় প্রবাসীর ‘আত্মহত্যা’
বাসচাপায় প্রবাসীর স্ত্রী নিহত, ছেলে হাসপাতালে
বাবাকে ফোনকলে রেখে ফ্রান্সে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of Mahila League worker after coming to the conference

সম্মেলনে এসে মহিলা লীগ কর্মীর মৃত্যু

সম্মেলনে এসে মহিলা লীগ কর্মীর মৃত্যু
প্রতিবেশী চম্পা বেগম বলেন, ‘মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন শেষে হেঁটে শাহবাগ মোড়ে গাড়িতে ওঠার সময় তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিলে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এসে কমলা বেগম নামে এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

কমলা বেগমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী চম্পা বেগম বলেন, ‘আমরা মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দিতে গাজীপুরের পুবাইল থেকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসি। সম্মেলন শেষে হেঁটে শাহবাগ মোড়ে গাড়িতে ওঠার সময় তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। মাথায় পানি ঢালার পরও জ্ঞান না ফেরায় আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

তিনি জানান, কমলা বেগম পুবাইল থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। তিনি থানার বড় কেল্লারটেক এলাকার মো. কুমুদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জননী।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How about the dialogue with Khaleda Tarek Prime Minister

খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী

খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে, তারা হয়তো করবে, নয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে।’

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে উদ্ভূত সংকট নিরসনে অতীতে সংলাপ করলেও এবার তা না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই সংলাপের কথা বলছেন। কার সঙ্গে সংলাপ করতে হবে? ওই বিএনপি-খালেদা জিয়া-তারেক জিয়ার সঙ্গে! যারা আমাকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছিল, যারা অর্থ পাচারকারী, খুনি, সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত। যারা এতিমদের অর্থ আত্মসাৎ করে দণ্ডিত আসামি। তাদের সঙ্গে সংলাপ করতে হবে, সেটা আবার কেমন কথা!’

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে, তারা হয়তো করবে, নয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে। সব সেক্টরে উন্নয়ন করেছে। কিন্তু বিএনপি কী দিয়েছে? সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, অর্থ পাচার, মানি লন্ডারিং। এই খুনি ও সন্ত্রাসী এবং যুদ্ধাপরাধীরা আবার ক্ষমতায় এসে ত্রাসের রাজত্ব করবে তা আর জনগণ চায় না।’

সরকার বিএনপির কোনো কর্সূচিতে বাধা দিচ্ছে না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের আন্দোলনের নামে যদি একজন মানুষও আঘাতপ্রাপ্ত হয়, কাউকে ছাড়া হবে না।’

মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের সভাপতি সাফিয়া খাতুন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তার আগে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন ওড়ান তিনি।

মঞ্চে আসার পর সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দলটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। পরে সম্মেলনের সাংস্কৃতিক উপকমিটির আয়োজনে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। সাফিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনে সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক রোজিনা নাসরিন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ দেশের সকল অঙ্গনে নারীর অবদান রয়েছে। দেশের অগ্রযাত্রায়ও তাদের ভূমিকা রাখতে হবে। গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে এবং দেশকে উন্নত করে গড়ে তুলতে তাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধিকার প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের সরকার নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে এই দেশ স্বাধীন করেছি। জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। জাতির পিতা চেয়েছিলেন এ দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ করতে। জাতির পিতাকে হত্যার পর খুনিদের রাজত্ব আর যুদ্ধাপরাধীদের রাজত্ব। আওয়ামী লীগই একমাত্র এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। পরপর আমরা তিনবার ক্ষমতায় এসেছি। আজকে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছিল, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলের নেতাও কোনোদিন হবে না। হতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ ১০০ বছরেও ক্ষমতায় যাবে না। আল্লাহতালা এ ধরনের গর্বভরা কথা পছন্দ করেন না। আর বাংলোদেশের মানুষ তো একেবারেই পছন্দ করে না। সেই জন্য খালেদা জিয়ার মুখের কথা তার বেলায় লেগে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন ওই দুর্নীতিবাজ সাজাপ্রাপ্ত এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারী, অর্থ পাচারকারী, গ্রেনেড হামলাকারী, আইভি রহমানের হত্যাকারী আর জিয়াউর রহমান ছিল আমার বাবার হত্যাকারী, আর এদের সাথে ডায়ালগ করতে হবে, আলোচনা করতে হবে, আবার মানবাধিকারের কথাও বলে– এটা কেমন ধরনের কথা, সেটাই আমি জিজ্ঞেস করি?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র আছে, নির্বাচন কমিশন আছে। যাদের ইচ্ছা নির্বাচন করবে। আর নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে তারা হয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে। আর ভোট চুরি করলে তারা মেনে নেয় না। খালেদা জিয়া ভোট চুরি করেছিল ১৫ ফ্রেবুয়ারি ’৯৬ সালে। বাংলাদেশের মানুষ তাকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামিয়েছিল। ওই ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করেছে, দেড় মাস থাকতে পারে নাই। ৩০ মার্চ জনগণের আন্দোলনে খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিল ভোট চুরির অপরাধে। ভোট চোররা ভোট চুরি করতেই জানে।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘ভোটের অধিকার সকলের। আমাদের মহিলারা সকলে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিবে। তার গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করবে। আর নির্বাচনে স্থানীয় সরকারে ৩০ শতাংশ কোটা আছে, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ সব জায়গায় কোটা রাখা আছে। সেখানে আমাদের মেয়েরা সরাসরি নির্বাচনও করতে পারে, কোটার মাধ্যমে করতে পারে। কাজেই আজকে আমরা সকলে নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আপাতত স্থগিত
দেশের অর্থনীতি নিরাপদে: প্রধানমন্ত্রী
যশোরে প্রধানমন্ত্রী, বক্তব্য দিচ্ছেন প্যারেড গ্রাউন্ডে
খেলাধুলায় সরকার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী
পরিবেশের ক্ষতি করে উন্নয়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A call to stand against the destroyers of communal harmony

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের রুখে দাঁড়ানোর ডাক

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের রুখে দাঁড়ানোর ডাক বাগেরহাট শহরের এসিলাহা মিলনায়তনে শুক্রবার রাতে সম্প্রীতি বাংলাদেশের জেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি নাট্যকার পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সম্প্রীতি বিনষ্টকারীরা কখনোই মানুষের ভালো চায় না। তারা এখনও আমাদের মাঝে থেকে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। সময় এসেছে, এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ডাক দিয়েছে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন। বাগেরহাট শহরের এসিলাহা মিলনায়তনে শুক্রবার রাতে সংগঠনটির নবগঠিত জেলা কমিটির পরিচিতি সভায় এই আহ্বান জানান সংগঠনের সভাপতি নাট্যকার পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রীতি বিনষ্টকারীরা কখনোই মানুষের ভালো চায় না। তারা এখনও আমাদের মাঝে থেকে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। সময় এসেছে, এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা দেশ ও জাতির সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করছি। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্প্রীতি বাংলাদেশ বাগেরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মিলন কুমার ব্যানার্জী। বক্তব্য দেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান, পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক, সাবেক সচিব মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন আহমেদ, সম্প্রীতি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন, বাগেরহাট জেলা কমিটির সদস্যসচিব শেখ লিয়াকত হোসেন লিটন, ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতাসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সভায় অংশ নেন।

সমাবেশ শেষে জেলা কমিটির আয়োজনে বাউল সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tajuddins daughter Rimi is a member of the presidium of A League

তাজউদ্দীনকন্যা রিমি আ.লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য

তাজউদ্দীনকন্যা রিমি
আ.লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সিমিন হোসেন রিমি। ফাইল ছবি
শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হয়েছেন তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি। আর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জাহানারা বেগম।

শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের প্রথমে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শবনম জাহান শিলার নাম ঘোষণা করেন।

এরপর তিনি আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকির স্থলে (মহিলাবিষয়ক সম্পাদক) জাহানারা বেগমের নাম ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে সিমিন হোসেন রিমির নাম ঘোষণা দেন।

এ ছাড়া মহিলা আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাহেদা খানম দিপ্তী। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন হাসিনা বারী। দক্ষিণের সভাপতি সাবেরা বেগম স্বপদে বহাল রয়েছেন। নতুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন পারুল আক্তার।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকা ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে যায়। শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন, অন্যদিকে শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে শাপলা চত্বর পর্যন্ত সাজানো হয় নানাভাবে।

আরও পড়ুন:
মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চুমকি ও শিলা
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের ভিত জনগণ: হাছান মাহমুদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The patient died after jumping from the third floor of the hospital

হাসপাতালের তিনতলা থেকে লাফিয়ে রোগীর মৃত্যু

হাসপাতালের তিনতলা থেকে লাফিয়ে রোগীর মৃত্যু ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ফাইল ছবি
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, কারও সঙ্গে রাগ, মনোমালিন্য, মানসিক দুশ্চিন্তা কিংবা চিকিৎসা-সংক্রান্ত কোনো কারণে মনোয়ার আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তিনতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে মনোয়ার হোসেন নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালের তিনতলার ১৪ নম্বর মেডিসিন ওয়ার্ড থেকে পড়ে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান ৪০ বছর বয়সী মনোয়ার। তিনি জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার উয়াপাড়া এলাকার শরিফ মিয়ার ছেলে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের উপপরিচালক ওয়ায়েজ উদ্দিন ফরাজি।

তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মনোয়ার হোসেন। হঠাৎ শুনি, তিনতলার ওই ওয়ার্ডের বারান্দা থেকে লাফিয়ে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মৃত্যুর পেছনে কেউ জড়িত থাকলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কারও সঙ্গে রাগ, মনোমালিন্য, মানসিক দুশ্চিন্তা কিংবা চিকিৎসা-সংক্রান্ত কোনো কারণে মনোয়ার আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
রোগীর মৃত্যুতে চিকিৎসককে ‘মারধর’, আটক ২
হাসপাতালে তিন মাস ভর্তি এই রোগী কে?
হাসপাতালে নতুন ১৩৮ ডেঙ্গু রোগী
হাসপাতালে আরও ১০৩ ডেঙ্গু রোগী
আরও ১৫৭ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

মন্তব্য

p
উপরে