× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Remembering the night by lighting the lamp in Jabi
hear-news
player
print-icon

জবিতে প্রদীপ জ্বেলে কালরাত স্মরণ

জবিতে-প্রদীপ-জ্বেলে-কালরাত-স্মরণ
২৫ মার্চ কালরাত্রি ও গণহত্যা দিবস উপলক্ষে জবিতে মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ রফিক ভবন চত্বরে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে একাত্তরের কালরাত স্মরণ করা হয়। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এক মিনিটের জন্য অন্ধকারাচ্ছন্ন করা হয়।

২৫ মার্চ কালরাত্রি ও গণহত্যা দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ রফিক ভবন চত্বরে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে একাত্তরের কালরাত স্মরণ করা হয়। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এক মিনিটের জন্য অন্ধকারাচ্ছন্ন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হকের নেতৃত্বে মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়।

জবিতে প্রদীপ জ্বেলে কালরাত স্মরণ

পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে চারুকলা বিভাগের শিল্পী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশালাকৃতির স্ক্রল পেইন্টিং আঁকা করা হয়।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, সহকারী প্রক্টর নিউটন হাওলাদারসহ অনেকে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Launched the main campus of the University of Aviation and Aerospace

এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস চালু

এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস চালু
ভিসি বলেন, ‘মূল ক্যাম্পাস লালমনিরহাটে হলেও আমরা ২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ঢাকায় অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরু করি। এখন যেহেতু লালমনিরহাট ক্যাম্পাসে অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ হয়েছে, তাই আজ পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হলো।’

দেশের প্রথম এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস লালমনিরহাটে ক্লাস চালুর মধ্য দিয়ে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

লালমনিরহাট শহরের পাশে বিমানঘাঁটি এলাকায় অবস্থিত এই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে রোববার সকাল ১০টার জাতীয় সংগীত গেয়ে ও পতাকা উত্তোলন করে ক্লাস চালু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) এয়ার ভাইস মার্শাল মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

চলতি শিক্ষাবর্ষে ১৫০ জন শিক্ষার্থী সেখানে ভর্তি হয়েছেন।

ভিসি নজরুল বলেন, ‘মূল ক্যাম্পাস লালমনিরহাটে হলেও আমরা ২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ঢাকায় অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরু করি। এখন যেহেতু লালমনিরহাট ক্যাম্পাসে অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ হয়েছে, তাই আজ পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হলো।

‘তবে মূল ক্যাম্পাসের কাজ শেষ হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।’

২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত।

ভিসি বলেন, ‘স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ৬২০ একর জমির অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। এখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা আসবেন। এখান থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্বমানের শিক্ষা লাভের সুযোগ সৃষ্টি করবেন।’

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টের ওপর এমবিএ, এভিয়েশন সেফটি অ্যান্ড অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশনে এমএসসি এবং আন্তর্জাতিক ও মহাকাশ আইনে এলএলএম বিষয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভিসি।

আরও পড়ুন:
বিদেশ থেকে এলেই কঠোর মনিটরিং
অ্যাভিয়েশনের প্রবৃদ্ধি ১৫ বছরে হবে তিন গুণ
লকডাউন লম্বা হলে এভিয়েশনে মহাসংকট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dipu Moni Nawfels dissatisfaction with the quality of service in the education office

শিক্ষা অফিসে সেবার মান নিয়ে দীপু মনি-নওফেলের অসন্তোষ

শিক্ষা অফিসে সেবার মান নিয়ে দীপু মনি-নওফেলের অসন্তোষ
‘সেবা নিয়ে পাবলিক পারসেপশন ভালো না, প্রভাবমুক্ত ও ভোগান্তিহীন সেবা দিতে হবে। যারা প্রান্তিক পর্যায়ের সেবা গ্রহিতা তারা সেবা পাচ্ছে না। আমরা ভোগান্তিহীনভাবে সেবা দিতে পারছি না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন অধিদপ্তর ও দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সেবার মান বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। একই অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘সেবার মান বাড়াতে হবে। কোনো সেবাগ্রহীতা যেন আমাদের কাছে বিমুখ হয়ে ফিরে না যান। যদি সেবাগ্রহীতাকে তার কাজ করে দেয়া সম্ভব নাও হয়, তবু তিনি যেন তৃপ্তি নিয়ে ফেরত যেতে পারেন।’

রোববার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীন ২৩ টি অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘সেবা নিয়ে পাবলিক পারসেপশন ভালো না, প্রভাবমুক্ত ও ভোগান্তিহীন সেবা দিতে হবে। যারা প্রন্তিক পর্যায়ের সেবা গ্রহিতা তারা সেবা পাচ্ছে না। আমরা ভোগান্তিহীনভাবে সেবা দিতে পারছি না।

‘জেলা ও উপজেলার শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের বাজেট বাড়ছে কিন্তু সেবার মান বাড়ছে না। অর্থ অনেক খরচ হচ্ছে অথচ প্রভাবমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে পারছি না। প্রভাবমুক্ত ও ভোগান্তিহীন সেবা নিশ্চিত করতে হবে।’

সেবার মান ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত না হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, ‘কিছু দিন আগে আমরা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দিয়েছি ২৩৩ জনকে। এই পদোন্নতির জন্য আমরা ছাড়পত্র পেয়েছিলাম ডিসেম্বর মাসে। আমরা যদি জানুয়ারিতে পদোন্নতি দিয়ে দিতাম, কোনো সমস্যা ছিল না। এতে কোনও বাধা ছিল না আমাদের। আমরা দিতে দেরি করায় আট জন মারা গেছেন, ২৪ জন পিআরএল এ গেছেন। শেষ পর্যন্ত যখন প্রস্তাব পাঠাই তখন আরও একজন পিআরএল এ চলে গেছেন। আমার মনে হয়, তাদের এ ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করায় আমাদের জবাব দিতে হবে।’

২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপ্রিএ) চূড়ান্ত মূল্যায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সরকারের ৫১টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

আরও পড়ুন:
বন্যা গেলেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
সহশিক্ষা কার্যক্রম কর্মজীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে : শিক্ষামন্ত্রী
নতুন শিক্ষাক্রমে পরীক্ষা-মূল্যায়ন দুটিই থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী
আবার করোনায় আক্রান্ত শিক্ষামন্ত্রী
অনুমোদনহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে উদ্যোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The results of DU B unit will be released on Monday

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ সোমবার

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ সোমবার
চলতি মাসের ৪ তারিখ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।  ইউনিটে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৫৫১ জন। আর মোট আসন সংখ্যা ১৭৮৮টি। সেক্ষেত্রে এ ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়েছেন প্রায় ৩৩জন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল সোমবার প্রকাশ করা হবে।

রোববার বিকেলে জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবেন।

চলতি মাসের ৪ তারিখ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগীয় শহরে খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

‘খ’ ইউনিটে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৫৫১ জন। আর মোট আসন সংখ্যা ১৭৮৮টি। সেক্ষেত্রে এ ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়েছেন প্রায় ৩৩জন।

আরও পড়ুন:
রাতে ঢাবি ক্লাবে রিজভী, সভাপতিকে নোটিশ
‘মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেয়েছি’
সুনামগঞ্জে আটকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের উদ্ধার সেনাবাহিনীর
ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের নাম হবে শেখ রাসেলের নামে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আষাঢ় পার্বণ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mausi UGC signed the APA

এপিএতে সই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির

এপিএতে সই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির মাউশি ও ইউজিসির মধ্যে এপিএ সই অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির হাত থেকে অভিনন্দন ও সনদপত্র নেন ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান। ছবি: নিউজবাংলা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সফলতা ও দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নের স্বীকৃতি হিসেবে সনদপত্র পায় ইউজিসি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ড. ফেরদৌস জামান অভিনন্দন ও সনদপত্র নেন।

২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে (এপিএ) সই করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে রোববার বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক ও ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

অনুষ্ঠানে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সফলতা ও দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নের স্বীকৃতি হিসেবে সনদপত্র পায় ইউজিসি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ড. ফেরদৌস জামান অভিনন্দন ও সনদপত্র নেন।

এপিএ বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের অধীন ২৩টি দপ্তর/অধিদপ্তর/সংস্থার সঙ্গেও রোববার চুক্তি সই করে।

ইউজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, এপিএর মূল উদ্দেশ্য সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎকর্ষ সাধন।

আরও পড়ুন:
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় মাউশির নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষায় ইউজিসির গাইডলাইন
উচ্চশিক্ষার পাঠক্রম উন্নয়নে সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম তদন্তে ইউজিসি
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বাড়ছে ৯৩৮ কোটি টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Teacher Recruitment The work of publishing the fourth mass notification has started

শিক্ষক নিয়োগ: চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজ শুরু

শিক্ষক নিয়োগ: চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজ শুরু রোববার থেকে শিক্ষকের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। ফাইল ছবি
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সচিব ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য আজ শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম। এটা গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রথম ধাপ। ই-রিকুইজিশন পেলে আমরা গণবিজ্ঞপ্তি দেব। আশা করছি ই-রিকুইজিশন পাওয়ার পর প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষ করতে এক-দুই সপ্তাহ লাগতে পারে।’

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজ শুরু হয়েছে। এ জন্য রোববার থেকে শিক্ষকের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত।

শূন্য পদের তথ্য পেয়ে গেলে দুই সপ্তাহের মধ্যেই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

রোববার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সচিব ওবায়দুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য আজ শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম। এটা গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রথম ধাপ। ই-রিকুইজিশন পেলে আমরা গণবিজ্ঞপ্তি দেব। আশা করছি ই-রিকুইজিশন পাওয়ার পর প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষ করতে এক-দুই সপ্তাহ লাগতে পারে।

জানা গেছে, চতুর্থ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের লক্ষ্যে দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসা ব্যবস্থাপনা) থেকে অনলাইনে এমপিওভুক্ত শূন্য পদের অধিযাচন সংগ্রহের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ওই কার্যক্রম আজ রোববার থেকে শুরু হয়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

এনটিআরসিএর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম চলমান থাকায় তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে যেসব শূন্য পদের ই-রিকুইজিশন দেয়া হয়েছে তা বাদ দিয়ে আগামী ৩০ জুন যেসব এমপিওভুক্ত পদ শূন্য হবে, ওইসব শূন্য পদের অধিযাচন দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের অনুরোধ করা হয়েছে। তৃতীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় নিয়োগ সুপারিশ দেয়ার পর যেসব এমপিওভুক্ত পদে শিক্ষক যোগদান করে অন্যত্র চলে গেছেন, সেসব এমপিওভুক্ত শূন্য পদের বিপরীতেও অধিযাচন দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা তাদের নিজস্ব ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে অথবা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) ই-রিকুইজিশন সেবা বক্সের লগইন অপশনে ক্লিক করে ই-রিকুইজিশন প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে অনলাইন ফরমটি পূরণপূর্বক শুধু এমপিওভুক্ত শূন্য পদের অধিযাচন পাঠাবেন।

অনলাইন ফরমটি পূরণের সময় এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত ই-রিকুইজিশনসংক্রান্ত নির্দেশিকাটি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ বলছে, প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক অনলাইনে ই-রিকুইজিশন দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং পরবর্তী সময়ে জেলা শিক্ষা অফিসার তাদের নিজ নিজ ইউজার আইডি/পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ই-রিকুইজিশন প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করবেন এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধান কর্তৃক পাঠানো শূন্য পদের তালিকাটি সঠিকভাবে যাচাইপূর্বক অনলাইনে সাবমিট করবেন।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পর্যায়ের এমপিও ক্যাটাগরির শিক্ষকের শূন্য পদের অধিযাচন প্রদানের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো। নন-এমপিও পদের জন্য শূন্য পদের চাহিদাসংক্রান্ত অধিযাচন পরবর্তী সময়ে গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন:
শূন্য শিক্ষক পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু ২৬ জুন
শিক্ষা প্রকৌশলে কোন্দল, আটকে নিয়োগ-পদোন্নতি
ছাত্রদের বেত্রাঘাত : অবরুদ্ধ প্রধান শিক্ষককে ৯৯৯ এ কলে উদ্ধার
স্ত্রীকে নিয়োগ দিয়ে বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক
কর্মস্থলে নিরাপত্তা দাবিতে শিক্ষকদের কর্মবিরতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 lakh applications for admission in cluster system

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তির আবেদন ৩ লাখ ছুঁইছুঁই

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তির আবেদন ৩ লাখ ছুঁইছুঁই গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৯৩ হাজার। ফাইল ছবি
গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন পড়েছে প্রায় ৩ লাখ। তিনটি ইউনিটে প্রায় ২ লাখ ৯৩ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করেছেন।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন পড়েছে প্রায় ৩ লাখ। তিনটি ইউনিটে প্রায় ২ লাখ ৯৩ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করেছেন।

গুচ্ছভুক্ত টেকনিক্যাল কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার নিউজবাংলাকে রোববার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে তিন ইউনিটে মোট আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৯৩ হাজার। এর মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে। সবচেয়ে কম আবেদন পড়েছে বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটে।

গুচ্ছের টেকনিক্যাল সাবকমিটি সূত্রে জানা গেছে, ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ৬০ হাজারের কিছু বেশি, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটে ৯০ হাজারের অধিক ও মানবিকের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ‘সি’ ইউনিটে ৪২ হাজার ভর্তীচ্ছু আবেদন করেছেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘব এবং সময় বাঁচাতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা মাত্র একটি আবেদনের মাধ্যমেই ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

শিক্ষার্থীরা www.gstadmission.ac.bd ওয়েবসাইটে ঢুকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সব তথ্য পাবেন।

এর আগে গত ১৫ জুন গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদন শুরু হয়। ২৫ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলে আবেদন গ্রহণ।

এবার ৩০ জুলাই বিজ্ঞান বিভাগ, ১৩ আগস্ট মানবিক বিভাগ এবং ২০ আগস্ট বাণিজ্য বিভাগের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষার ফি এবার ধরা হয়েছে ১৫০০ টাকা।

আবেদনের যোগ্যতা

২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের এসএসসি ও সমমান এবং ২০২০ ও ২০২১ সালের এইচএসসি ও সমমান, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল), A লেভেল এবং অন্যান্য সমমান পরীক্ষায় (সমমান নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদনক্রমে) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই কেবল ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য শাখা হতে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে যথাক্রমে ইউনিট-এ, ইউনিট-বি ও ইউনিট-সি-তে আবেদন করতে পারবে।

গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

আরও পড়ুন:
কী থাকছে শিক্ষা আইনে
সহশিক্ষা কার্যক্রম কর্মজীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে : শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dope test is compulsory for university admission

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ডোপ টেস্ট

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ডোপ টেস্ট ডোপ টেস্ট। ফাইল ছবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন করা হচ্ছে। আইনে যা থাকবে, সে অনুযায়ী তাদের ডোপ টেস্ট করা হবে। তাদের ভর্তির সময় যে মেডিকেল টেস্ট করা হবে, তার এই ডোপ টেস্ট থাকবে।’

বিশ্বাবিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলেক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

সচিবালয়ে 'মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার এ কথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলেছিলেন, তার আগেই আমরা পুলিশের ডোপ টেস্ট শুরু করে দিয়েছিলাম। এরপর আমরা প্রধানমন্ত্রী কাছে একটি প্রস্তাব দিয়েছিলাম, চাকরিতে যারা নিয়োগ পাবে তাদের ডোপ টেস্ট করার। সিভিল সার্জন যে সকল পরীক্ষা করেন, সেখানেও ডোপ টেস্ট করবে। সেটাও আমাদের কাছে চলে আসছে। এটা ব্যাপকভাবে চালু করতে অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। সেই প্রচেষ্টা আমরা শুরু করেছি।’

‘বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন করা হচ্ছে। আইনে যা থাকবে, সে অনুযায়ী তাদের ডোপ টেস্ট করা হবে। তাদের ভর্তির সময়
যে মেডিকেল টেস্ট করা হবে, তার এই ডোপ টেস্ট থাকবে।’

মন্তব্য

p
উপরে