× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
1971 at DU Unveiling of the book Unknown Genocide
hear-news
player
google_news print-icon

ঢাবিতে ‘১৯৭১: অজানা গণহত্যা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

ঢাবিতে-১৯৭১-অজানা-গণহত্যা-বইয়ের-মোড়ক-উন্মোচন
বৃহস্পতিবার ঢাবিতে ‘১৯৭১: অজানা গণহত্যা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা
ড. মুনতাসীর মামুন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকা, চীন এবং সৌদি আরব এ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। এদেশের গণহত্যার স্বীকৃতি দিলে তো তাদেরও বিচারের সম্মুখীন হতে হয়। এ কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের গণহত্যা স্বীকৃতি পেলেও এ দেশের গণহত্যার স্বীকৃতি দেয়া হয় না।’

মুক্তিযুদ্ধের সময় সাভারের ইছরকান্দি গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা নিয়ে ‘১৯৭১: অজানা গণহত্যা’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বইটি লিখেছেন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সাংবাদিক জি. এম. ফয়সাল আলম।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত এক প্রকাশনা উৎসবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইটির প্রকাশনা সংস্থা ‘অন্বেষা প্রকাশন’ এ আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ড. এনামুর রহমান বলেন, ‘যারা মুক্তিযুদ্ধকে স্বচক্ষে দেখেছেন, আগামী ১০ বছর পর হয়তো অনেকে থাকবেন না। তখন আমাদের একমাত্র অবলম্বন হবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা গ্রন্থগুলো। ইছরকান্দি একটা অনুন্নত এলাকা। মুক্তিযুদ্ধের সময় সেখানকার গণহত্যার কথা আজ ৫০ বছর পর উঠে আসল।’

তিনি বলেন, ‘একটি জাতি ও রাষ্ট্রের গৌরবময় ইতিহাস সেদেশের ভবিষ্যতের চালিকা শক্তি। এগুলো না থাকলে দেশ এগোতে পারে না। নতুন প্রজন্মকে এদেশের স্বাধীনতার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস জানাতে হবে, তাহলে স্বাধীনতার মূল্য উপলব্ধি করে তারা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে।’

ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকা, চীন এবং সৌদি আরব এ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। এদেশের গণহত্যার স্বীকৃতি দিলে তো তাদেরও বিচারের সম্মুখীন হতে হয়। এ কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের গণহত্যা স্বীকৃতি পেলেও এ দেশের গণহত্যার স্বীকৃতি দেয়া হয় না।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হওয়ার পরও এদেশে গণহত্যার সঠিক হিসাব এখনও উঠে আসেনি। গণহত্যা জাদুঘরের এক জরিপে এখন পর্যন্ত দেশের ৩২টি জেলায় মোট গণহত্যা হয়েছে সাড়ে ১৬ হাজার, গণকবর পাওয়া গেছে ১ হাজার ৬০০টি এবং টর্চার সেল পাওয়া গেছে ৬০০টির মতো। এছাড়া দুর্ভিক্ষসহ বিভিন্ন কারণে প্রায় পাঁচ লাখ শরণার্থী মারা গেছেন। সারাদেশে এই জরিপ সম্পন্ন হলে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।’

স্বাগত বক্তব্যে বইয়ের লেখক ফয়সাল আলম বলেন, ‘ইছরকান্দি গ্রামের মানুষেরা এই গণহত্যার স্বীকৃতির জন্যে বিভিন্ন স্থানে অনেক দৌঁড়ঝাপ করেছেন। তারা বিষয়টি আমাকে জানালে এটি নিয়ে আমি খোঁজখবর নেয়া শুরু করি এবং বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে অনুসন্ধানে নামি।’

তিনি বলেন, ‘অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমরা মাত্র তিনটি ভুক্তভোগী পরিবারের দেখা পেয়েছিলাম। বাকিরা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। নিজের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে বিষয়টি নিয়ে আমি লিখেছি। এর মাধ্যমে একটা উদাহরণ সৃষ্টি করতে চাই, যেন এর মাধ্যমে এ ধরনের ঘটনা তুলে আনতে আরও মানুষ উৎসাহিত হন।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে এই গণহত্যার অনুসন্ধান নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়। এরপর অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন:
‘দেশকে চেনা যায়, এমন আইকনিক স্থাপনা তৈরি হবে’
সেই রক্তমাখা বকশিশ
রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি যুক্তরাষ্ট্রের
মুক্তিযুদ্ধে ‘প্রথম প্রতিরোধের’ স্বীকৃতি দাবি
‘দেড় শ টাকার লুঙ্গির জন্য দেশ স্বাধীন করিনি’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
There is no compulsion to commit immorality in Eden

‘ইডেনে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার ঘটনা নেই’

‘ইডেনে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার ঘটনা নেই’ ইডেন কলেজ ছাত্রলীগে সংঘাত চলাকালে এক শিক্ষার্থী ‘দেহ ব্যবসায়ী প্রেসিডেন্ট চাই না, চাই না’ লেখা সংবলিত প্লাকার্ড প্রদর্শন করেন। ফাইল ছবি
কলেজ প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা শিক্ষার্থীদের আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করে অনৈতিক কাজে বাধ্য করেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ওঠা শিক্ষার্থীদের অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগের সত্যতা পায়নি তদন্ত কমিটি। কলেজ অধ্যক্ষ সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ঘিরে অস্থিরতা তদন্তে কলেজ প্রশাসন একটি কমিটি গঠন করে। চার সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক মোহাম্মদ জিয়াউল হক, অধ্যাপক কাজী আতিকুজ্জামান, অধ্যাপক সুফিয়া আখতার ও অধ্যাপক মেহেরুন্নেসা মেরী।

কলেজে ছাত্রলীগের কোন্দল চলাকালে এক গ্রুপের অভিযোগ ছিল কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা শিক্ষার্থীদের আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করে অনৈতিক কাজে বাধ্য করেন। ওই সময় এক শিক্ষার্থী মাস্ক পরে ‘দেহ ব্যবসায়ী প্রেসিডেন্ট চাই না চাই না’ লেখা সংবলিত প্লাকার্ডও প্রদর্শন করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে ইডেন মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও তৎপরবর্তীকালে অন্যান্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির ঘটনাগুলো এবং বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত কিছু শিক্ষার্থীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থীকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এছাড়া হলে সিট বাণিজ্য ও মারামারির ঘটনাসহ অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কলেজ প্রশাসন বিধি অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

এ বিষয়ে জানতে অধ্যক্ষ সুপ্রিয়া ভট্টাচার্যকে ফোন করলে তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি সিট বাণিজ্যের অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি। আমাদের শিক্ষার্থীদের অনুপাতে হলের সিট সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। সে হিসাবে যারা অভিযোগ করেছে এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তাদের সবার রুমে যতটা সিট তার চেয়ে বেশি মেয়ের উপস্থিতি রয়েছে। কেউ বলেনি যে তারা সেখানে অর্থের বিনিময়ে থাকছে। তারা বলেছে, পরিচয় বা আত্মীয়তার সূত্রে তারা এখানে কিছুদিন থাকছে।’

‘এখন আমরা হল প্রশাসনের সঙ্গে বসে আলোচনা করে যেসব রুমের বিষয়ে অভিযোগ এসেছে সেসব রুমে গিয়ে খতিয়ে দেখব যে তারা আসলে কিসের ভিত্তিতে থাকছে।

‌এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, ‘তদন্ত কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখেছে। তারা সিট বাণিজ্যের অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি। কমিটি ফাইন্ডিংসগুলো দিয়েছে। এখন এসব ব্যাপারে আমরা কী ব্যবস্থা নেব তা বসে ঠিক করা হবে।’

তদন্ত কমিটি কিছুই না পেয়ে থাকলে কী দেখবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, ‘আমরা দেখব যেসব শিক্ষার্থী থাকেন তারা কেন থাকেন। আমরা এসব বিষয় বিস্তারিত পর্যালোচনা করে দেখব। তারা যেন বাইরে থেকে শিক্ষা জীবন চালিয়ে নিতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভার বিরুদ্ধে নগ্ন করে ভিডিও ধারণের অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ বলেন, ‘এ ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কেউ এ ব্যাপারে কিছু বলেনি।’

‘কলেজ প্রশাসনের চেয়ে আমার ক্ষমতা বেশি’ শীর্ষক রিভার অডিও ফাঁসের বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ বলেন, ‘এটা আসলে কেউ বলতেই পারে। বলা আর বাস্তবতা তো এক না। আমাদের এখানে হল কতৃপক্ষ ছাড়া কারও এলটমেন্ট দেয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

কোন কোন ঘটনায় কাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি শাস্তির সুপারিশ করেছে জানতে চাইলে সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য বলেন, ‘তদন্ত কমিটি কিছু সুপারিশ করেছে। সেসবের আলোকে যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার তাদের সবার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন কোন ঘটনায় কার কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে সাংবাদিকরা দ্রুতই জানতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা
‘ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক কেন বহিষ্কার হলেন না?’
আমৃত্যু খাবার মুখে না তোলার প্রতিজ্ঞা ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের
সংবাদ সম্মেলনে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা
ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jobs 6 Step Progress in Implementing Annual Performance Agreements

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে জবির ৬ ধাপ অগ্রগতি

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে জবির ৬ ধাপ অগ্রগতি
সর্বমোট স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট পেয়ে র‍্যাংকিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ৯৪ দশমিক ৪৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আর ৯৩ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট লাভ করে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মূল্যায়নে দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। বিগত অর্থবছরে এক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল নবম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ আলম নিউজবাংলাকে মঙ্গলবার এ তথ্য জানান।

ইউজিসির সচিব অধ্যাপক ড. ফেরদৌস জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এপিএ বাস্তবায়নের জন্য শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা, ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন, অভিযোগ ও প্রতিকার ব্যবস্থা, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি সিটিজেন চার্টার এবং তথ্য অধিকার বিষয়ক পৃথক ছয়টি ফোকাল পয়েন্ট রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও ইউজিসি নির্ধারিত এপিএর আওতায় সর্বমোট স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট পেয়ে এবারও র‍্যাংকিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এপিএ মূল্যায়নে ৯৪ দশমিক ৪৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আর ৯৩ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট লাভ করে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে জবি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মূল কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক এবং সদস্য সচিব হচ্ছেন রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।

এই অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাইকে ধন্যবাদ জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। ভবিষ্যতে শীর্ষ স্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নিশ্চিত করতে সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

একটি প্রতিষ্ঠানে বা সংস্থায় সেবা প্রদানে গতিশীলতা আনয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার ২০১৪-১৫ সালে দেশে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সংক্ষেপে এপিএ চালু করে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার উন্নয়ন, সব স্তরের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিরূপণ এবং সরকার ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ ও রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়ন অনেকটা সহজ হয়।

আরও পড়ুন:
ছাত্রী হলে প্রবেশের সময় রাত ১০টা করার দাবি
রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়িচালককে মারধর মামলার প্রতিবেদন জমা পড়েনি
জবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি: মামলায় আসামি ৩
সাংবাদিকদের হুমকি, জবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে জিডি
পারিশার ফোনটি ৪ হাজারে বিক্রি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Education Ministers importance in meditation

ধ্যানে গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর

ধ্যানে গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর ধ্যানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ফাইল ছবি
‘লক্ষ্য স্থির করে জীবনকে এগিয়ে নেয়ার জন্য, শুদ্ধাচার চর্চার জন্য, অর্থাৎ যা কিছু আমাদের সঠিক পথে এগিয়ে দেবে, জীবনের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে এবং একটা উন্নত, সুখি সমৃদ্ধ জীবন দিতে পারবে তার সব কিছু অর্জনের পথে ধ্যান গুরুত্বপূর্ণ। সমাজে যে অসততা, অন্যয়, অস্থিরতা, নেতিবাচকতা রয়েছে তা দূর করতে ধ্যান চর্চা দরকার।’

দেশের প্রায় পাঁচ কোটি শিক্ষার্থীর ধ্যান চর্চায় অংশ নেয়ার মধ্য দিয়ে সমাজে সৎ, সাহসী, আশাবাদী, সহমর্মী ও ইতিবাচক মানুষ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

সোমবার রাজধানীর আইডিইবি ভবনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোস্ট-কোভিড টোটাল ফিটনেস কর্মসূচি উদ্বোধনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ধ্যানে গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোস্ট-কোভিড টোটাল ফিটনেস কর্মসূচি উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। নিউজবাংলা

প্রধান অতিথি দীপু মনি বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষার্থীরা মানবিক মূল্যবোধগুলোর চর্চা করে আলোকিত মানুষ হোক। ধর্মচর্চা ও আত্মিক উন্নয়নে ধ্যান গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য, সকল হতাশা-নেতিবাচকতা দূর করার জন্য, সকল আসক্তি থেকে মুক্ত থাকার জন্য, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ার জন্য ধ্যান বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

‘লক্ষ্য স্থির করে জীবনকে এগিয়ে নেয়ার জন্য, শুদ্ধাচার চর্চার জন্য, অর্থাৎ যা কিছু আমাদের সঠিক পথে এগিয়ে দেবে, জীবনের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে এবং একটা উন্নত, সুখি সমৃদ্ধ জীবন দিতে পারবে তার সব কিছু অর্জনের পথে ধ্যান গুরুত্বপূর্ণ। সমাজে যে অসততা, অন্যয়, অস্থিরতা, নেতিবাচকতা রয়েছে তা দূর করতে ধ্যান চর্চা দরকার।’

শিক্ষার্থীদের ধ্যান চর্চার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ধ্যান বা মেডিটেশন চর্চার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের দৈহিক, মানসিক ও আত্মিকভাবে সুস্থ ও সবল করে তোলা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের দক্ষ, যোগ্য, মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

‘শিক্ষার্থীদের আমরা বিজ্ঞান মনস্ক, প্রযুক্তি-বান্ধব, উদ্ভাবনে দক্ষ, মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবো। আমাদের এ প্রয়াসের সাফল্যে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে ধ্যান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টোটাল ফিটনেস কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আমি আশা করবো সবার মধ্যে ধ্যানের চর্চাটা ছড়িয়ে দিতে।’

মনোচিকিৎসক ও সাহিত্যিক অধ্যাপক ডা. আনোয়ারা সৈয়দ হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মশিউর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ফরহাদুল ইসলাম, কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো ওমর ফারুকসহ কর্মকর্তারা।

ডা. আনোয়ারা সৈয়দ হক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টোটাল ফিটনেস প্রোগ্রামের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বর্তমানে যে হতাশা, অস্থিরতা, মাদকাসক্তি, ডিজিটাল আসক্তি, অসহিষ্ণুতা এমনকি আত্মহননের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তা নিরসনে এ কর্মসূচি ভূমিকা রাখবে বলে তিনি অভিমত দেন।

আরও পড়ুন:
নিজ ক্লাসের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী
ধর্ম শিক্ষা বাদ দেয়ার খবরটি গুজব: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে আমূল পরিবর্তন
শিক্ষার্থীরা এবার বেশি এনার্জি নিয়ে পড়তে পারবে: শিক্ষামন্ত্রী
নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তাহ হবে ৫ দিনে: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Belayt finally became a student of State University

অবশেষে স্টেট ইউনিভার্সিটির ছাত্র হলেন বেলায়েত

অবশেষে স্টেট ইউনিভার্সিটির ছাত্র হলেন বেলায়েত বেলায়েত শেখ এখন স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র। ফাইল ছবি
রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন গাজীপুরের ৫৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী বেলায়েত শেখ। কিন্তু দূরত্ব ও মায়ের আপত্তির কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশে ভর্তি হয়েছেন।

গাজীপুরের আলোচিত বেলায়েত শেখ অবশেষে স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের শিক্ষার্থী হলেন। তিনি বেসরকারি এই বিদ্যায়তনে জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছর পর পর চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন ৫৫ বছর বয়সী অদম্য এই বিদ্যানুরাগী।

রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একই বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দূরত্ব ও মায়ের আপত্তির কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত তিনি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন।

বেলায়েত বলেন, ‘রাজশাহীতে ভর্তি হওয়ার বিষয়ে মায়ের আপত্তি ছিল। তাছাড়া গাজীপুর থেকে রাজশাহীর দূরত্বও অনেক। এখানে ভর্তি হওয়ায় এখন বাড়ি থেকেই ঢাকায় ক্লাস করতে পারব।’

স্টেট ইউনিভার্সিটিতে বেলায়েতের ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাসরিন আক্তার। তিনি জানান, বেলায়েত ২৭ সেপ্টেম্বর এই বিভাগে ভর্তি হয়েছেন।

নাসরিন আক্তার বলেন, ‘বেলায়েতের জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ ও সাধনা আমাদের অভিভূত করেছে। তার এই অগ্রযাত্রায় অংশ হতে পারায় আমাদের ভালো লাগছে।’

বেলায়েত ১৯৮৩ সালে প্রথমবার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলেও টাকার অভাবে সেবার নিবন্ধন করতে পারেননি। ১৯৮৮ সালে তিনি আবারও এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সে বছর সারা দেশে বন্যার কারণে পরীক্ষা দিতে পারেননি।

এর কয়েক মাস পর তিনি একজন আলোকচিত্রী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ‘দৈনিক করতোয়া’র গাজীপুর জেলার শ্রীপুর প্রতিনিধি।

কর্মজীবন শুরুর পর বেলায়েত আর পড়ালেখা না করার সিদ্ধান্ত নেন। ছোট ভাইদের মাধ্যমে নিজের অধরা স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। বর্তমানে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক।

অদম্য বেলায়েত অবশেষে ২০১৯ সালে এসএসসি ও ২০২১ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। যে বছর তিনি এইচএসসি পরীক্ষা দেন, একই বছর তার ছোট ছেলেও এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

আশপাশের মানুষের উপহাস আর বিদ্রূপ উপেক্ষা করে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া বেলায়েতের স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ার। সে অনুসারে চলতি বছরের ১১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু সুযোগ পাননি।

পরে একে একে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেন তিনি। সবশেষে তিনি স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এ গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হলেন।

আরও পড়ুন:
জাবির ফল দেখে বেলায়েত বললেন, ‘আমার ভাগ্য খারাপ’
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গিয়ে সেই বেলায়েত আহত
রাবিতে পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত বেলায়েত
ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দেবেন ৫৫ বছরের বেলায়েত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
LEGAL NOTICE ON ELECTION OF PARENTAL REPRESENTATIVES OF VIKARUNNISA

ভিকারুননিসার অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন বন্ধে আইনি নোটিশ

ভিকারুননিসার অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন বন্ধে আইনি নোটিশ ফাইল ছবি
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, যেহেতু তিন্না খুরশিদ আদালত কর্তৃক ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবক মনোনীত হয়েছেন, সেহেতু অবশ্যই তার ভোটার হওয়ার আইনগত অধিকার রয়েছে। বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা এবং নির্বাচন অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হলো।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২০২২ সালের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন এবং নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা বন্ধ রাখার জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক তিন্না খুরশিদ জাহানের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির সোমবার এ নোটিশ পাঠান।

শিক্ষাসচিব, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, কলেজের এডহক কমিটির চেয়ারম্যান এবং অধ্যক্ষ বরাবর ডাকযোগে নোটিশ পাঠানো হয়।

হুমায়ন কবির সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, তিন্না খুরশিদ তার ভাইয়ের মেয়ের অভিভাবক হিসেবে মনোনীত হন আদালতের আদেশে। এই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষার্থীর সিদ্ধান্ত নিয়ে তিন্না খুরশিদকে চিঠি লেখেন।

পরে ২০২২ সালের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তিন্না খুরশিদ অভিভাবক হিসেবে ফরম পূরণ করে জমা দেন। কিন্তু তার নাম অন্তর্ভুক্ত না করেই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।

একপর্যায়ে তিন্না খুরশিদ তার নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য শিক্ষাসচিব, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান, স্কুলের এডহক কমিটির চেয়ারম্যান এবং অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে সাড়া না পেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, যেহেতু তিন্না খুরশিদ আদালত কর্তৃক উক্ত শিক্ষার্থীর অভিভাবক মনোনীত হয়েছেন, সেহেতু অবশ্যই তার ভোটার হওয়ার আইনগত অধিকার রয়েছে। বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা এবং নির্বাচন অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হলো।

এ ব্যাপারে পদক্ষেপ না নিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
ভিকারুননিসায় কামরুন নাহারের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ
এ অধ্যক্ষ ছাড়া কি ভিকারুননিসা চলবে না: হাইকোর্ট
ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ কামরুন নাহারের পদত্যাগ দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
National University Masters Result Released Pass 68 19

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ফল প্রকাশ, পাস ৬৮.১৯%

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ফল প্রকাশ, পাস ৬৮.১৯%
রোববার বিকেলে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১৫ হাজার ৯০৯ জন। ১১৭টি কেন্দ্রে ১৭৫টি কলেজে ৩০টি বিষয়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৯ সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষায় পাসের হার ৬৮ দশমিক ১৯ শতাংশ।

রোববার বিকেলে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১৫ হাজার ৯০৯ জন। ১১৭টি কেন্দ্রে ১৭৫টি কলেজে ৩০টি বিষয়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মো. আতাউর রহমান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ফলাফল জানানো হয়।

প্রকাশিত ফলে কোনো প্রকার অসংগতি বা ভুল পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন অথবা ফল সম্পূর্ণ বাতিল করার ক্ষমতা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংরক্ষণ করে।

মুঠোফোন থেকে এসএমএসের মাধ্যমে বা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এই ফল পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডিতে ভর্তির আবেদন শুরু ১৪ জুন
অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল প্রকাশ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ভর্তি আবেদন শুরু
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন শুরু ২২ মে
ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Comilla University closed due to BCL conflict

ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শনিবার বিকেলে অস্ত্র হাতে মুখোমুখি অবস্থান নেয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। ফাইল ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ১০ থেকে ১৭ অক্টোবরের সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ছাত্রদের এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হলগুলো বন্ধ থাকবে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল বন্ধ ঘোষণা ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোববার এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সভা শেষে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল হক চৌধুরী।

তিনি জানান, আগামী ১০ থেকে ১৭ অক্টোবরের সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ছাত্রদের এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হলগুলো বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজস্ব পরিবহন ছাড়া সব পরিবহন বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার রাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় নেতারা। ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ নিয়ে কুবি ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ তার ফেসবুক আইডিতে উল্লেখ করেন, ‘কমিটি বিলুপ্তির কোনো ঘটনা ঘটেনি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি দেবে।’

শুক্রবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তারে শনিবার বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে মুখোমুখি অবস্থান নেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে। উপাচার্য স্যারসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি মিটিংয়ে আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটিও করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ

মন্তব্য

p
উপরে