× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
About 24 lakh students did not get the second dose of the vaccine
google_news print-icon

টিকার দ্বিতীয় ডোজ পায়নি প্রায় ২৪ লাখ শিক্ষার্থী

টিকার-দ্বিতীয়-ডোজ-পায়নি-প্রায়-২৪-লাখ-শিক্ষার্থী
স্কুলে সশরীরে ক্লাস শুরুর এক মাস পরও করোনা প্রতিরোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ পায়নি প্রায় ২৪ লাখ শিক্ষার্থী। ফাইল ছবি
দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ৩৮ লাখ ৪২ হাজার ২৭৭। এর মধ্যে করোনা প্রতিরোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে ১ কোটি ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৫১০ জন। সেই হিসাবে এখনও দ্বিতীয় ডোজ পায়নি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৭৬৭ জন, যা মোট শিক্ষার্থীর ১৭ শতাংশ।

করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ শুরুর পর দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। এক মাস পর আবারও শুরু হয় সশরীরে ক্লাস।

ক্লাসে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের দুই ডোজ করোনা প্রতিরোধী টিকা নেয়ার কথা জানায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), কিন্তু স্কুলে সশরীরে ক্লাস শুরুর এক মাস পরও দ্বিতীয় ডোজ পায়নি প্রায় ২৪ লাখ শিক্ষার্থী।

মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বুধবার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ৩৮ লাখ ৪২ হাজার ২৭৭ জন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী (২১ মার্চ আপডেট করা) এরই মধ্যে করোনা প্রতিরোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে ১ কোটি ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৫১০ শিক্ষার্থী। সেই হিসাবে এখনও দ্বিতীয় ডোজ পায়নি ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৭৬৭ শিক্ষার্থী, যা মোট শিক্ষার্থীর ১৭ শতাংশ।

টিকার দ্বিতীয় ডোজ পায়নি প্রায় ২৪ লাখ শিক্ষার্থী

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ফাইল ছবি

৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনা প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের হিসাব বলছে, এখনও প্রথম ডোজ নেয়নি ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৬ শিক্ষার্থী।’

এ বিষয়ে মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনা প্রতিরোধী টিকা দেয়া চলমান প্রক্রিয়া। আশা করি, শিগগিরই শতভাগ শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনা হবে।’

কেন এখনও ১৭ শতাংশ শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া সম্ভব হয়নি, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ডোজ টিকা দিতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। এ জন্য কিছুটা দেরি হচ্ছে।’

মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন বিভাগ থেকে জানা যায়, করোনা প্রতিরোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে বরিশাল বিভাগের ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর চট্টগ্রাম বিভাগের ৮৯ শতাংশ, কুমিল্লা বিভাগের ৮৭ শতাংশ, ঢাকা বিভাগের ৮৩ শতাংশ, খুলনা বিভাগের ৭৬ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগের ৯২ শতাংশ, রাজশাহী বিভাগের ৮৯ শতাংশ, রংপুর বিভাগের ৭০ শতাংশ ও সিলেট বিভাগের ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পেয়েছে দ্বিতীয় ডোজ টিকা।

গত বছরের ১ নভেম্বর পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনা প্রতিরোধী টিকা দেয়া শুরু হয়। রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

এর আগে গত বছরের ১৪ অক্টোবর মানিকগঞ্জের কয়েকটি স্কুলের ১২০ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষামূলকভাবে ফাইজারের টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয়। তাদের কোনো সমস্যা না হওয়ায় পরে স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। শিক্ষার্থীদের দেয়া হচ্ছে ফাইজারের টিকা।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় গত ২১ জানুয়ারি। এ দফায় শিক্ষাঙ্গনে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকে এক মাস। ২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে।

২ মার্চ শুরু হয় প্রাথমিকে সশরীরে ক্লাস। টানা দুই বছর বন্ধের পর গত ১৫ মার্চ প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয়।

এর আগে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রথম দফায় প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনের দুয়ার।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ পেলেন সাড়ে ৬ হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী
এসএমএস ছাড়াই মিলছে বুস্টার ডোজ
দুই সপ্তাহে দেয়া হবে সোয়া ৩ কোটি টিকা
দ্বিতীয় ডোজ নিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভিড়
২২ কোটি টিকায় ব্যয় ৪০ হাজার কোটি টাকা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Leaving the office assistant to inspect the room the teachers notebook disappeared during the banquet
এসএসসি পরীক্ষা

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও বৃহস্পতিবার শেরপুরের আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

শেরপুরের শ্রীবরদীতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে এক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীকে দিয়ে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করানোর পর এক পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চার কক্ষ পরিদর্শককে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতেই চারজনের নাম উল্লেখ করে কেন্দ্র সচিব সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

শুক্রবার সন্ধায় বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন নিউজবাংলাকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালনকারী অফিস সহকারীর নাম মাছুদা আক্তার। তিনি বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত।

পরীক্ষাকেন্দ্র সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার শ্রীবরদীর ওই কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে ৭৯ জন্য পরীক্ষার্থী ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে দায়িত্বরত কক্ষ পরিদর্শকরা সহকারী কেন্দ্র সচিবের কাছে ৭৯টি ওএমআর শিট জমা দিলেও খাতা জমা দেন ৭৮টি। তবে কোন পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়েছে, তা জানা যায়নি।

কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোছা. মারুফা আক্তার, সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার ও গোপালখিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারিমা খাতুন।

কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

কেন্দ্র সচিব মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খাতা হারানোর বিষয়টি জানার পর আমরা কেন্দ্রের দায়িত্বরত চারজনকে অব্যহতি দিয়েছি। তাদের নামে রাতে থানায় জিডিও করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে অফিস সহকারী যে ডিউটি করছিলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সহকারী কেন্দ্র সচিব আমাকে লিখিত দিয়েছিলেন, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার একজন সহকারী শিক্ষক।’

শ্রীবরদী ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার কারণে ১৫ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত চার শিক্ষককে এসএসসি পরীক্ষার পরবর্তী সকল কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে। তাদের নামে থানায় জিডি করা হয়েছে।’

এছাড়া বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
জাল প্রবেশপত্রে এসএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার
বাবার মরদেহ বাসায় রেখে এসএসসির কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী
ডিসির অনুরোধে পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র পেলেন ১৪ শিক্ষার্থী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DU admission war starts on Friday

ঢাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু

ঢাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি
বেলা ১১টা থেকে ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে শুরু হয় কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা। চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এবারের ভর্তিযুদ্ধ।

ইউনিটটির আগের নাম ‘খ’ ইউনিট। সম্প্রতি প্রতিটি ইউনিটের নাম পরিবর্তন করেছে ঢাবি।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে শুরু হয় এ ইউনিটের পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

আসন, আবেদনকারী ও কেন্দ্র

ইউনিটটিতে আসনের সংখ্যা দুই হাজার ৯৩৪টি। এর বিপরীতে ১ লাখ ২২ হাজার ২৭৯ জন শিক্ষার্থীর আবেদন জমা পড়েছে। যদি আবেদন করা সবাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়, তখন প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়তে হবে ৪২ জন শিক্ষার্থীকে।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান ভবন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

ঢাকা বিভাগের পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে, খুলনা বিভাগের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে, সিলেট বিভাগের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে, রংপুর বিভাগের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে, বরিশাল বিভাগের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ময়মনসিংহ বিভাগের পরীক্ষা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ বছর ৮০টি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের ভর্তি পরীক্ষায় চারটি ইউনিটে আসনসংখ্যা ৫ হাজার ৯৬৫টি। এসব আসনের বিপরীতে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

ইউনিটের সংখ্যা ও নাম পরিবর্তন

আগে পাঁচ ইউনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও গত বছর থেকে শুধু চারটি ইউনিটেই হচ্ছে এ পরীক্ষা। বাদ দেয়া হয়েছে আগের ‘ঘ’ ইউনিট।

গত বছর ইউনিটগুলোর নামও পরিবর্তন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আগের ‘ক’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিজ্ঞান ইউনিট। ‘খ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ‘গ’ ইউনিটের নাম বদলে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট এবং ‘চ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে চারুকলা ইউনিট করা হয়েছে।

নম্বর বণ্টন

প্রতিটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময় দেড় ঘণ্টা। এর মধ্যে চারুকলা ইউনিট ছাড়া বাকি সব ইউনিটে ৬০ নম্বরের বহুনির্বাচনি ও ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। শুধু চারুকলা ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের বহুনির্বাচনি ও ৬০ নম্বরের অংকন পরীক্ষা ছিল। এই ইউনিটে (চারুকলা) বহুনির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট ও অংকন পরীক্ষার জন্য ৬০ মিনিট সময় থাকবে।

আর অন্যান্য ইউনিটের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট ও লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় থাকবে।

ভর্তি পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এর মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ এবং এসএসসি বা সমমান ও উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার ফলের ওপর থাকবে ২০ নম্বর।

কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পর ২৪ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট, ১ মার্চ বিজ্ঞান ইউনিট এবং ৯ মার্চ চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু হয়। ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পেরেছেন।

আরও পড়ুন:
মেয়াদ শেষ হওয়ার ২ মাস পর পূর্ণাঙ্গ হলো ঢাবি ছাত্রলীগের কমিটি
এসএসসির প্রথম দিন অনুপস্থিত ১৯৩৫৯, বহিষ্কার ২৫
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ: বাধ্যতামূলক ছুটিতে ঢাবি অধ্যাপক জুনাইদ
সৈয়দপুরের এক কলেজ থেকে মেডিক্যালে সুযোগ ৫১ শিক্ষার্থীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
University cannot be considered in fragmented phase
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী

খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না

খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শোভাযাত্রা। ছবি: নিউজবাংলা
ইউজিসির সাবেক এ চেয়ারম্যান বলেন, ‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিশ্ববিদ্যালয়টিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর মান রক্ষার দায়িত্ব এখানকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের।

কোনো খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না জানিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় যখন সৃষ্টি হয় তখন তার জ্ঞানের কোনো পরিসীমা থাকবে না। একটি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের যে প্রান্তেই সৃষ্টি হোক না কেন, তার কাজ হচ্ছে জ্ঞানের প্রজ্বলন করা, জ্ঞান সৃষ্টি করা। মানবতার উন্নয়ন ঘটিয়ে অনেক উচ্চস্তরের সমাজ গড়ে তোলা।’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিশ্ববিদ্যালয়টিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর মান রক্ষার দায়িত্ব এখানকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের।

‘সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় একদিন নিজেকে নিয়ে যাবে ঈর্ষান্বিত পর্যায়ে, যাতে আমরা গর্ব করে বিশ্ববাসীকে বলতে পারি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়।’

খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না

ববি উপাচার্য (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ড. গুলশান আরা লতিফা এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জিহাদুল কবির।

অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ববি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তানভীর কায়ছার, বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট আরিফ হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তারেক মাহমুদ আবীর, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাহাউদ্দিন গোলাপ, গ্রেড ১১-১৬ কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নূরউদ্দিন এবং গ্রেড ১৭-২০ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আরিফ সিকদার।

রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টর, প্রভোস্ট, পরিচালক, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, দপ্তরপ্রধান, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না

এর আগে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ১১টায় প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও উপাচার্য বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করেন। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও উপাচার্যসহ অন্যান্যরা।

দিবসটি উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টায় আনন্দ শোভাযাত্রা বের করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৪ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এদিন সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবন-১-এর নিচতলা অনুষ্ঠিত হয় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Clash between two groups of Pabiprabi officials over giving flowers

ফুল দেয়া নিয়ে পাবিপ্রবি কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপে হাতাহাতি

ফুল দেয়া নিয়ে পাবিপ্রবি কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপে হাতাহাতি বুধবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
হাতাহাতি চলাকালে দুই নারী কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে কর্মকর্তাদের এক পক্ষ।

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে।

হাতাহাতি চলাকালে দুই নারী কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে কর্মকর্তাদের এক পক্ষ।

বুধবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের শহীদ মিনারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা চেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে এক পক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নিউজবাংলাকে জানায়, ‘পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন’ নামে কর্মকর্তাদের একটি সংগঠন নিয়ে তাদের মধ্যে গ্রুপিং হয়। সম্প্রতি একটি গ্রুপ ‘পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন’ নামে আরেকটি সংগঠন তৈরি করে। এ নিয়েই দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।

মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে দুই গ্রুপ মুখোমুখি হয়। প্রথমে পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। পরবর্তীতে পুষ্পার্ঘ নিয়ে শহীদ মিনারের সামনে যায় নতুন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তাদের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের বাধা দেয়ার অভিযোগ ওঠে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আরও জানায়, ওই গ্রুপের সঙ্গে থাকা পুষ্পার্ঘ ও প্যানা ছিনিয়ে নেন পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যেই উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়।

ধস্তাধস্তি চলাকালে নতুন সংগঠনের দুই নারী সদস্যকে লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক হয়।

পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক জিএম শামসাদ ফখরুল ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ফুল নিয়ে শহীদ মিনারের সামনে যাওয়ার পরপরই কর্মকর্তা পরিষদের নেতারা আমাদের বাধা দেন এবং ফুলের তোড়ায় থাকা আমাদের সংগঠনের নাম-সম্বলিত প্যানা ছিনিয়ে নেন। এরপর আমাদের দুই নারী কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ ঘটনার বিচার ও নিরাপত্তা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছি।’

পাবিপ্রবি কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি হারুনুর রশিদ ডন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তাদের একটিই সংগঠন রয়েছে। সেটা হচ্ছে পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। এছাড়া আর কোনো সংগঠন নেই। একটি পক্ষ প্রায় একই নামে আরেক সংগঠন তৈরি করেছে।’

তিনি বলেন, ‘তারা যেহেতু আমাদের সংগঠনেরই ভোটার, তাই আমরা তাদের বলেছি- একই নাম ব্যবহার না করে অন্য কোনো নামে সংগঠন তৈরি করতে। এসব নিয়েই শুধুমাত্র কথা কাটাকাটি হয়েছে, আর কিছু নয়।’

হাতাহাতি, প্যানা ছিনিয়ে নেয়া ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।

পাবিপ্রবি প্রক্টর ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘শহীদ মিনারে ফুল দেয়া নিয়ে কর্মকর্তাদের দুটি সংগঠনের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। একই নামে দুটি সংগঠন হওয়ায় তাদের মধ্যে একটু বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে দুই পক্ষই শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।’

এ বিষয়ে পাবিপ্রবি রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, ‘শহীদ মিনারে কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপের মধ্যে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও পেয়েছি। অভিযোগের আলোকে আমরা তদন্ত কমিটি করছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Admission test starts from Thursday in Jabi

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা পরীক্ষার্থী ও স্বজনদের ভিড়ে মুখরিত জাবি ক্যাম্পাস। ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা ৬টি পর্বে অনুষ্ঠিত হবে এবং পরীক্ষা চলবে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে যা চলবে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা ৬টি পর্বে অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া আগামী রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় হবে প্রথম পর্বে ‘সি-১’ ইউনিটের পরীক্ষা। পরে সকাল ১০টা ২৫ মিনিট থেকে ‘সি’ ইউনিটের বাকি পর্বের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ও বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুই দিনে ৪ পর্ব করে ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় ২টি পর্বে ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হবে। পরে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে তৃতীয় পর্বে ইনস্টিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন শেষ দুই পর্বে হবে ‘ই’ ইউনিটের পরীক্ষা।

এদিকে ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান।

তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক রাখতে ভর্তি পরীক্ষা শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা কমিটি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।’

প্রক্টর জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে রাতে পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা দিতে প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে রোভার স্কাউট সদস্য, ১৫০ জন পোশাকধারী সশস্ত্র ও সাদা পোশাকধারী পুলিশ ফোর্স এবং অতিরিক্ত ৬০ জন আনসার সদস্য ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবেন।

ভর্তিচ্ছুদের সহায়তায় বিভিন্ন ভবনে ১২০ জন বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্য শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক (ডেইরি গেট), জয়বাংলা গেট (প্রান্তিক গেট) ও বিশমাইল গেট-সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) চালু রাখা হয়েছে।’

এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোনো অস্থায়ী দোকান বসানো যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা, ফটক ও জয়বাংলা গেট-সংলগ্ন খাবারের দোকানগুলো মনিটরিংয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jabi teacher accused of sexual harassment dismissed

যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত জাবি শিক্ষক জনি বরখাস্ত

যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত জাবি শিক্ষক জনি বরখাস্ত মাহমুদুর রহমান জনি। ফাইল ছবি
মাহমুদুর রহমান জনি পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৩৬ ব্যাচের ছাত্র। ২০১২ সালে জাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হন তিনি। ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক’ সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ ওঠে।

যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান জনিকে বরখাস্ত (চাকরিচ্যুত) করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম।

তিনি বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনের পর স্ট্রাকচার্ড কমিটির প্রতিবেদনেও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা মেলায় শাস্তিস্বরূপ তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত (চাকরিচ্যুত) করা হয়েছে।’

সিন্ডিকেট সভায় জনির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ায় স্বস্তি ফিরেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে। আন্দোলনকর্মী শিক্ষার্থী হাসিব জামান বলেন, ‘ধর্ষণকাণ্ড ক্যাম্পাসে না ঘটলে জনির বিচার হতো না। উপাচার্য কালক্ষেপণের মাধ্যমে তাকে দায়মুক্তি দিয়ে দিতেন।’

মাহমুদুর রহমান জনি পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৩৬ ব্যাচের ছাত্র। ২০১২ সালে জাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হন তিনি। ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক’ সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ ওঠে।

২০২২ সালের ২১ নভেম্বর মাহমুদুর রহমান জনি ও একই বিভাগে নিয়োগ পাওয়া প্রভাষক আনিকা বুশরা বৈচির একটি ছবি (সেলফি) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে পোস্টারিং করা হয়। একই সাথে বিভাগের শিক্ষক পদে আবেদনকারী ৪৩ ব্যাচের এক ছাত্রীর সঙ্গে অন্তর‌ঙ্গ কথাবার্তার অডিও প্রকাশ্যে আসে; যেখানে মাহমুদুর রহমান জনি ভুক্তভোগীকে জোর করে গর্ভপাত করান। এ ছাড়া, তার সাথে ছাত্রলীগের একাধিক নেত্রীর ‘অনৈতিক’ সম্পর্ক স্থাপন এবং ‘অশালীন’ চ্যাটিংয়ের ছবি ও তথ্য সামনে আসে।

আরও পড়ুন:
ধর্ষণকারী যৌন নিপীড়কদের বিচার দাবিতে জাবিতে কুশপুত্তলিকা দাহ
জাবিতে ধর্ষণ: ৫ দাবি আদায় না হলে ভর্তি পরীক্ষায় বাধার হুমকি
চোখে ঠোটে সুপার গ্লু লাগিয়ে গৃহবধূকে ‘ধর্ষণের মূল আসামি’ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dictionary of Sign Language Education Launched by UNDP
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

‘ইশারায় ভাষা শিক্ষার অভিধান’ চালু ইউএনডিপির

‘ইশারায় ভাষা শিক্ষার অভিধান’ চালু ইউএনডিপির ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট
ই-অভিধান, ইশারার ভাষার একটি বিস্তৃত শব্দভান্ডার সরবরাহ করে, নিচের লিংকে সরাসরি প্রবেশ করা যেতে পারে- https://ishara.sonket.org/। এছাড়া গুগল প্লে স্টোর থেকেও এটি ডাউনলোড করা যাবে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে একটি উদ্ভাবনী ‘সাইন ল্যাংগুয়েজ ই-ডিকশনারি’ বা ‘ইশারার ভাষা শিক্ষার অভিধান’ চালু করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।

অভিধানটি ব্যক্তিদের ইশারার ভাষা শিখতে এবং শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধীদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে সক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। খবর ইউএনবির

ই-অভিধান, ইশারার ভাষার একটি বিস্তৃত শব্দভান্ডার সরবরাহ করে, নিচের লিংকে সরাসরি প্রবেশ করা যেতে পারে-

https://ishara.sonket.org/। এছাড়া গুগল প্লে স্টোর থেকেও এটি ডাউনলোড করা যাবে।

এই উদ্যোগটি সমস্ত দিক থেকে বৈচিত্র্য, সমতা এবং প্রবেশযোগ্যতা তুলে ধরার জন্য ইউএনডিপির চলমান প্রতিশ্রুতিতে জোর দেয়।

ইশারার ভাষায় ই-ডিকশনারি উন্মোচনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার।

তিনি বলেন, শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধীদের মধ্যে যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউএনডিপি বাংলাদেশ একটি অসাধারণ ‘ইশারায় ভাষা শিক্ষার অভিধান’ উন্মোচন করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই উদ্ভাবনী উদ্যোগটি কেবল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনার সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বরং আমাদের কাজের সমস্ত ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য, সমতা এবং প্রবেশযোগ্যতা প্রচারের জন্য আমাদের চলমান প্রচেষ্টাকেও প্রতিফলিত করে। ইশারায় ভাষা শিক্ষার অভিধান একটি শক্তিশালী হাতিয়ার যা সাধারণ ব্যক্তিদের আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বোধগম্যতার সমাজ গঠনে শিখতে এবং অবদান রাখতে দেয়।

ইউএনডিপি ব্যক্তি, সম্প্রদায় এবং সংস্থাকে ইশারা ভাষা ই-অভিধান অন্বেষণ এবং ব্যবহার করতে, অন্তর্ভুক্তির সংস্কৃতি লালন করতে এবং যোগাযোগের বাধাগুলো ভেঙে ফেলতে উৎসাহিত করে।

মন্তব্য

p
উপরে