× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Killed in BSF firing Flag meeting 14 days later
hear-news
player
google_news print-icon

মরদেহ দিতে ১৪ দিন পর বিএসএফের চিঠি

মরদেহ-দিতে-১৪-দিন-পর-বিএসএফের-চিঠি
নিহত যুবকের জাতীয় পরিচয়পত্র। ছবি: সংগৃহীত
উপজেলার জয়পুর সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠকটি হবে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত লিটন হোসেনের মরদেহ ফেরত দিতে পতাকা বৈঠকের জন্য বিজিবিকে চিঠি দিয়েছে বিএসএফ।

উপজেলার জয়পুর সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকটি হবে।

বিজিবির প্রাগপুর কোম্পানি কমান্ডার আমজাদ হোসেন নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আজ (শনিবার) সকালে তারা পতাকা বৈঠকের জন্য চিঠি পাঠিয়েছে।’

৫ মার্চ রাতে দৌলতপুরের বিলগাথুয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে নিহত হন বিলগাথুয়া মাঠপাড়ার আকবর আলী বিশ্বাসের ছেলে লিটন। ৩৫ বছর বয়সী এ যুবকের মরদেহ ভারতের হোগলবাড়িয়া থানায় নিয়ে যায় বিএসএফ।

প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান জানান, লিটন ভারত থেকে মালামাল নিয়ে বিলগাথুয়া সীমান্ত দিয়ে রাতে ফিরছিলেন।

ঘটনার পর দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবীদ হাসান বলেন, ‘ভারতের হোগলবাড়িয়া থানা থেকে ফোন করে তাকে নিশ্চিত করা হয়েছে মরদেহটি সেখানে আছে। হোয়াটস অ্যাপে তারা মরদেহের ছবিও পাঠায়। পরে নিহতের বাড়ি বিলগাথুয়া মাঠপাড়ায় গিয়ে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে ছবির মিল পাওয়া যায়।’

পরে মরদেহ কীভাবে হস্তান্তর হবে এ বিষয়ে দুইদিন পর একবার বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তরের কথা ছিল।

আরও পড়ুন:
বিএসএফের গুলিতে নিহত লিটনের মরদেহ আসতে পারে বিকেলে
বিএসএফের গুলিতে নিহত লিটনের বাড়িতে শোক
বিএসএফের গুলিতে নিহত: মরদেহ আনতে চিঠির অপেক্ষায় বিজিবি
বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত
গুলির পর বাংলাদেশির ‘মরদেহ নিয়ে গেল বিএসএফ’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
11 Chhatra League injured in attack in Gazipur protest blockade

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার গাজীপুর শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ছাত্রলীগ। ছবি: নিউজবাংলা
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রলীগের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে শহরের রথখোলার ঢালে এ ঘটনায় মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদক শেখ মোস্তাক আহমেদ কাজলসহ ১১ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কাজলসহ ৭ জনকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মহানগর ছাত্রলীগ। পরে নেতা-কর্মীরা শহরের শিববাড়ি মোড় প্রায় ৩০ মিনিট অবরোধ করে রাখে। এ সময় হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি মোশিউর রহমান সরকার বাবু।

আহত কাজল বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজায় প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠান শেষে মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ওয়াজউদ্দীনকে রথখোলা এলাকায় আমরা বিদায় জানাচ্ছিলাম। অ্যাডভোকেট ওয়াজউদ্দীন চলে যাওয়ার পর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) মাসুদ রানা এরশাদের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি দল আমাদের ওপর হামলা চালায়।

‘এ সময় আমাকে লক্ষ্য করে ৩ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। তা লক্ষভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যাই। এক পর্যায়ে চাপাতি দিয়ে কোপ দিলে আমার থুতনি কেটে যায়। আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে হামলাকারীদের চাপাতি ও হকিস্টিকের আঘাতে ছাত্রলীগ নেতা আনিছুর রহমান বাদল, মিরাজুর রহমান রায়হান, ইলিয়াস রুমন ও রনিসহ ১১ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আহত হয়। আমিসহ সাতজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।’

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে মাসুদ রানা এরশাদ বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। মোস্তাক আহমেদ কাজল ও কাজী আশরাফ রাকিব মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন। কাজল পদ পেলেও রাকিব পদ পাননি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। কাজলের অনুসারীরা রাকিবের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

আরও পড়ুন:
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ
ফরিদপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের ৩ জন গ্রেপ্তার
রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ
বিয়ে, পিতৃত্ব শেষে এবার তারা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Pre paid gas meters are sitting in Sylhet

সিলেটে গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার, অবশেষে চুক্তি

সিলেটে গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার, অবশেষে চুক্তি জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড ভবন। ছবি: নিউজবাংলা
বর্তমানে জালালাবাদ গ্যাসের ৩ লাখ আবাসিক গ্রাহক। প্রথম অবস্থায় ৫০ হাজার গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে বাকিদেরও এই মিটারের আওতায় নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিলেটে গ্যাসের আবাসিক গ্রাহকদের প্রি-পেইড মিটারের দরপত্র আহ্বানের প্রায় এক বছর পর চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।

দি কনসোর্টিয়াম অব জেনার মিটারিং টেকনোলজি (সাংহাই) লিমিটেড ও হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড, চায়নার সঙ্গে গত সপ্তাহে চুক্তি করেছে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের (জেজিটিডিএসএল)।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে জেজিটিডিএসএলের গৃহস্থালি পর্যায়ের ৫০ হাজার গ্রাহক প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আসবেন। এতে গ্যাসের অপচয় রোধের পাশাপাশি গ্রাহকরা অতিরিক্ত বিল দেয়া থেকে রেহাই পাবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রাথমিক অবস্থায় সিলেটের ৫০ হাজার গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হবে।

প্রথম ডিপিপি অনুযায়ী চলতি বছরের নভেম্বরে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। মার্চের মধ্যে কাজ শুরু হওয়ার কথা। তবে ডিপিপি সংশোধন করে গত মার্চে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে জালালাবাদ গ্যাস। এতে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। এখনও শুরু না হওয়ায় এই সময়ের মধ্যেও কাজ শেষ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

দেরিতে চুক্তি সম্পর্কে এই প্রকল্পের পরিচালক লিটন চন্দ্র নন্দী বলেন, ‘২০১৯ সালে এ ব্যাপারে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্প অনুমেদন হয়। এরপর দরপত্র আহ্বান করা হলেও উপযুক্ত দরদাতা পাওয়া যাচ্ছিল না। এছাড়া প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয়েও কিছু অসামাঞ্জস্য ছিল। তাই ডিপিপি সংশোধন করে চলতি বছরে আবার দরপ্রত্র আহ্বান করা হয়।’

এই প্রকল্পে ১২০ কোটি টাকা ব্যয় হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চুক্তির পর জরিপ কাজ শুরু হয়ে গেছে। চলতি বছরেই মাঠ পর্যায়ের কাজও শুরু হবে। আশা করছি, নির্ধারিত সময়েই কাজ শেষ করা যাবে।’

তিনি জানান, গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের মাধ্যমে একদিকে যেমন গ্যাসের অপচয় রোধ হবে, অন্যদিকে গ্রাহকের প্রতি মাসের খরচও কমবে। দুই চুলার গ্যাসের জন্য এখন প্রতি মাসে গ্রাহক এক হাজার টাকার ওপর বিল দিচ্ছেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ছোট পরিবারের এক হাজার টাকায় তিন মাস গ্যাস ব্যবহার করতে পারবে। মাসে তার খরচ পড়বে ৩০০ টাকার মতো। এছাড়া গৃহস্থালি পর্যায়ে প্রি-পেইড গ্যাস মিটার ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকদের মধ্যে গ্যাস ব্যবহারে সচেতনতা, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনিটরিং ব্যয়ও কমবে।

প্রকল্প পরিচালক জানান, মিটারের মূল্য মাসিক ভাড়া হিসেবে সমন্বয় করা হবে। কাছাকাছি রিচার্জ পয়েন্ট থেকে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে ক্রেডিট কিনে প্রি-পেইড মিটার রিচার্জ করা যাবে। রিচার্জ শেষ হলেও এতে ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের সুবিধা থাকবে।

তিনি জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রি-পেইড গ্যাস মিটার থাকলেও সিলেটে প্রথমবারের মতো চালু করা হচ্ছে এ পদ্ধতি।

জেজিটিডিএসএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শোয়েব আহমদ মতিন জানান, প্রথমে নগরের শাহজালাল ও হাউজিং এস্টেট আবাসিক এলাকায় পাইলট ভিত্তিতে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। কারণ সরকারি মালিকানাধীন এই দুই আবাসিক এলাকা পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। এখানে কাজ করা সহজ হবে।

তিনি বলেন, ‘২০২১ সালের শুরুতে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর মিটার স্থাপনের জন্য অবশেষে চায়না কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হল।’

তিনি আরও জানান, অনেকে ম্যাচের কাঠি বাঁচাতে অপ্রয়োজনে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখেন। প্রি-পেইড মিটার যুক্ত হলে তারা এ কাজ থেকে বিরত থাকবেন। অনেক গ্রাহক আছেন, সারা মাস গ্যাস ব্যবহার না করলেও মাস শেষে নির্ধারিত বিল পরিশোধ করতে হয়। তাদের আর গ্যাস না জ্বালালে বিল দিতে হবে না। যতটুকু গ্যাস ব্যবহার করবেন কেবল ততটুকুর বিল দিতে হবে।

জেজিটিডিএসএল কর্মকর্তারা জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রতিটি আবাসিক গ্রাহকের মাসিক গড় গ্যাস ব্যবহার ৬৬ ঘনমিটার থেকে ৪০ ঘনমিটারে নেমে আসবে। ফলে গ্রাহকপ্রতি গ্যাস সাশ্রয় হবে গড়ে ২৬ ঘনমিটার। গ্যাস বিতরণ লাইন লিকেজজনিত অপচয়ও রোধ হবে।

বর্তমানে জালালাবাদ গ্যাসের ৩ লাখ আবাসিক গ্রাহক। প্রথম অবস্থায় ৫০ হাজার গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে বাকিদেরও এই মিটারের আওতায় নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে হেক্সিং ইলেকট্রিক্যালের রিজিওনাল সিইও লিও জু বলেন, ‘বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ এদেশে অনেক প্রকল্পে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমাদের। আমরা ১৪ বছর ধরে এ কাজে নিয়োজিত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জালালাবাদ গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ শেষ করতে পারবো বলে আশাবাদী।’

আরও পড়ুন:
গ্রিন টাউন এলপি গ্যাস ও টি কে গ্যাস সিলিন্ডারের চুক্তি
বিদ্যুৎ গ্যাস পানি এখন রাজনৈতিক পণ্য: আমীর খসরু
এবার লাটভিয়ায় গ্যাস বন্ধ রাশিয়ার
গ্যাস-বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার আইন বাতিল চান ব্যবসায়ীরা
ইউরোপে রুশ গ্যাস পাওয়া নিয়ে নতুন শঙ্কা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Threatening to take off clothes of women who come to deposit money

টাকা জমা দিতে আসা নারীর কাপড় খুলে নেয়ার হুমকি

টাকা জমা দিতে আসা নারীর কাপড় খুলে নেয়ার হুমকি ডাকঘরের রানার হিসেবে কর্মরত সুমন আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযোগ স্বীকার করে নিয়ে সুমন আহমেদ বলেন, ‘হাতে কাজ থাকায় সেবা নিতে আসা ওই নারীকে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি অপেক্ষা না করে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় রেগে গিয়ে কাপড় খুলে নেয়ার কথা বলেছিলাম।…উত্তেজিত হয়ে আমি বাজে কথা বলেছি। মানুষ রাগের মাথায় অনেক কিছুই বলে। আমার এভাবে কথা বলা ঠিক হয়নি, আমার ভুল হয়েছে।’

গাজীপুর পোস্ট অফিসে ডাক জীবন বিমার টাকা জমা দিতে গিয়ে আউটসোর্সিং কর্মীর মাধ্যমে লাঞ্ছিত হয়েছেন এক নারী। এ সময় ওই নারীর কাপড় খুলে নেয়ারও হুমকি দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের প্রধান ডাকঘরে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত সুমন আহমেদ প্রায় আড়াই বছর ধরে ডাকঘরের আউটসোর্সিং কর্মী (রানার) হিসেবে কর্মরত। সেই নারীর অভিযোগের পর তিনি তা স্বীকারও করেছেন। বলেছেন, উত্তেজিত হয়ে এই কথা বলে ফেলেছেন।

শহরের বাসিন্দা মধ্য বয়সী এক নারী বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডাক জীবন বিমার কিস্তির টাকা জমা দিতে শহরের রাজবাড়ি সড়কের প্রধান ডাকঘরে যান। সেখানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও টাকা জমা দিতে না পেরে পোস্টাল অপারেটর আয়েশা বেগমের দ্বারস্থ হন।

আয়েশা ওই নারীকে আউট সোর্সিং কর্মী (রানার) সুমন আহমেদের কাছে পাঠান। কিন্তু সুমনও তাকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখেন।

পরে ওই নারী তার কাজটি দ্রুত করে দেয়ার অনুরোধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন সুমন। এ নিয়ে দুই জনের মধ্যে তর্ক বাঁধে। এক পর্যায়ে সুমন কিস্তি জমা দিতে আসা ওই নারীকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে পরনের কাপড় খুলে নেয়ার হুমকি এবং মারার জন্য তেড়ে যান।

ওই নারীকে সেখানে বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধও করে রাখা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা এমন অবস্থা চলাকালে বিভিন্ন সেবা নিতে ডাকঘরে আসা লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

একাধিক সেবা প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, এ ডাকঘরে সেবা পেতে দুর্ব্যবহারসহ মানুষকে নানা হয়রানি পোহাতে হয়।

সুমন বলেন, ‘হাতে কাজ থাকায় সেবা নিতে আসা ওই নারীকে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি অপেক্ষা না করে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় রেগে গিয়ে কাপড় খুলে নেয়ার কথা বলেছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘উত্তেজিত হয়ে আমি বাজে কথা বলেছি। মানুষ রাগের মাথায় অনেক কিছুই বলে। আমার এভাবে কথা বলা ঠিক হয়নি, আমার ভুল হয়েছে।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সহকারী পোস্ট মাস্টার ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘আউটসোর্সিং কর্মী সুমন স্টাফদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করে। আমাদের ক্ষমতা নেই তাকে বাদ দেয়ার, তাকে ওপর মহল থেকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।’

পোস্ট মাস্টার খন্দকার নূর কুতুবুল আলম জানান, ঘটনার সময় তিনি ব্যাংকে ছিলেন। পরে সব জেনে বলেন, ‘নারীর সঙ্গে করা আচরণ শোভন হয়নি। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে জানানো হবে।’

তিনি জানান, সুমন আহমেদের নিয়োগ রানার পদে। জনবল সংকটের কারণে তাকে দিয়ে কিছু অফিসিয়াল কাজ করানো হয়।

আরও পড়ুন:
গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ
সবচেয়ে দূষিত বায়ু গাজীপুরে, কম মাদারীপুরে
অপহরণের ৯ ঘণ্টা পর শিশু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Akash Alis death casts a pall over the joy of worship

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ আলীর মৃত্যু

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ আলীর মৃত্যু বুধবার সন্ধ্যায় জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে আকাশ আলীর মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনের কান্না। ছবি: নিউজবাংলা
৩৬০ বছর পুরনো শ্রীশ্রী দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন ভাদুড়ী বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর থেকেই নিজের ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করছি। এত বড় একটা উৎসবে একজন মা তার আদরের ধন হারাল। একটা মায়ের বুক খালি হয়ে গেল। এই ছেলেটি আমার বা আপনারও হতে পারত। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

বছর ঘুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য আনন্দের উপলক্ষ হয়ে আসে শারদীয় দুর্গোৎসব। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। কিন্তু একটি মৃত্যু সেই আনন্দের আবহে বিষাদ ছড়িয়ে দিয়েছে।

জামালপুরে বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের সময় ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ডুবে মারা যান মো. আকাশ আলী। আনন্দ আয়োজন উদযাপনকালে ২২ বছর বয়সী এই তরুণের মৃত্যুর শোক ছুয়ে গেছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে।

আকাশ জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার সোজাউর রহমান রানার ছেলে। এই অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি শোকে বাকরুদ্ধ। একইসঙ্গে স্থানীয় মুসলিম ও হিন্দু কমিউনিটির প্রতিটি মানুষ যেন মেনে নিতে পারছেন না এই দুর্ঘটনা। তারা বলছেন- আনন্দ উৎসবে এমন মর্মান্তিক ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।

বৃহস্পতিবার সকালে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে আকাশকে দাফন করা হয়েছে। তার এমন মৃত্যুতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ আলীর মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদের এই স্থানটিতেই বুধবার সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় পানিতে ডুবে মারা যান মো. আকাশ আলী। ছবি: নিউজবাংলা

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি প্রদীপ কুমার সোম বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিস মুকন্দবাড়ির প্রতিমার নিচ থেকে ছেলেটির দেহ উদ্ধার করার পর আমরা সবাই অস্থির হয়ে গেলাম। ছেলেটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। সব জায়গায় খবর লাগালাম। পরে তার পরিবারের লোকজন এল। রাত ১২টার পর আমরা হাসপাতাল থেকে এলাম।

এ ঘটনায় আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাই শোকাহত। এমন দুঃখজনক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আমাদেরে আরও সচেতন থেকে উৎসব উদযাপন করা উচিত।’

৩৬০ বছর পুরনো শ্রীশ্রী দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন ভাদুড়ী বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন উৎসবে মুসলমান ছেলেরাই বেশি থাকে। আমরা সবাই মিলে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেই। একটি উৎসবে এমন মৃত্যু কারও কাম্য নয়।

‘ঘটনাটি শোনার পর থেকেই নিজের ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করছি। এত বড় একটা উৎসবে একজন মা তার আদরের ধন হারাল। একটা মায়ের বুক খালি হয়ে গেল। এই ছেলেটি আমার হতে পারত। আপনারও হতে পারত। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

জামালপুরের মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘আনন্দ উৎসবে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় সবারই আনন্দ ম্লান করে দিয়েছে। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবাইকে ছুয়ে গেছে এই বিয়োগান্তক ঘটনা।’

বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক সাযযাদ আনসারী বলেন, ‘জামালপুরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন উৎসবে মুসলমান কিশোর-যুবকরা বরাবরই দলে দলে অংশগ্রহণ করে থাকে। সবাই মিলে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে। এটি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি বড় উদাহর। প্রতিমা বিসর্জনের সময় ছেলেটির এই অকাল মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কারও কাম্য নয়।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখার রেসকিউ বোট ক্রু তানজিল আহম্মেদ তন্ময়। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে মো. আকাশ আলী নামের ছেলেটি দুইবার নদে পড়ে যায়। সঙ্গে থাকা বন্ধু-বান্ধবরা দুবারই তাকে নদের পাড়ে তুলে আনে।

‘তৃতীয় বার যখন ছেলেটি নদে পড়ে যায় তখন আর কেউ খেয়ালা করেনি। মিনিট দশেক পর তার অনুপস্থিতি দেখে সঙ্গীয় বন্ধুরা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।ক দেয় পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ছেলেটিকে নদীতে বিসর্জন দেয়া প্রতিমার নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে।’

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, ‘এই মৃত্যু নিয়ে আকাশের মা-বাবার কোনো অভিযোগ নেই। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
প্রতিমার সঙ্গে ডুবে মুসলিম যুবকের মৃত্যু
পূজার আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
President and Prime Minister are going to Tungipara on Friday

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন শুক্রবার

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন শুক্রবার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক জানান, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া সফর ঘিরে জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যাবতীয় প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন।

টুঙ্গিপাড়ায় বিকেলে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাবেন প্রধানমন্ত্রী।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া সফর ঘিরে জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যাবতীয় প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।

টুঙ্গিপাড়ার মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে গণভবন থেকে সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে তিনি জাতির পিতার সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহাপাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানারও আসার কথা রয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিকেলে সড়কপথে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে টুঙ্গিপাড়া যাবেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবদীন বাসসকে জানান, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে থাকবেন পারিবারিক সদস্য ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

বঙ্গভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রাসহ টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে বেলা পৌনে ২টায় রাষ্ট্রপতির যাত্রা করার কথা রয়েছে।

রাষ্ট্রপ্রধান জাতির পিতার সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেবেন। মোনাজাত শেষে তিনি পরিদর্শন বইয়ে সই করবেন।

পরে রাষ্ট্রপতি মোটর শোভাযাত্রাস টুঙ্গিপাড়া থেকে কালনা সেতু এলাকা পরিদর্শন করবেন। সেখান থেকে মাদারীপুরের শিবচরে ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীর কবর জিয়ারত এবং ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী কলেজ ও মসজিদ পরিদর্শনে যাবেন।

আরও পড়ুন:
টুঙ্গিপাড়ায় দারুণ আয়োজনে কাটল লোকজ মেলার দিন
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে সব চ্যানেলে ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’
বঙ্গবন্ধু সমাধি কমপ্লেক্সে দুই সপ্তাহ প্রবেশ নিষেধ
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়া পরিদর্শনে সচিব
মন পড়ে আছে টুঙ্গিপাড়ায়: শেখ হাসিনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suicide of lover at doctor lovers house

চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা

চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় গ্রেপ্তার চিকিৎসক ফিরোজ আলম। ছবি: নিউজবাংলা
আশুলিয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চিকিৎসক ফিরোজ তার ভাড়া ফ্ল্যাটে বারান্দায় গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় ফিরোজের অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন নুসরাত। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নুসরাত বারান্দা থেকে কক্ষে এসে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঢাকার সাভারে চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় এসে আত্মহত্যা করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। ওই তরুণীর বড় ভাইয়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রেমিককে।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বৃহস্পতিবার সকালে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার রাতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায় আশুলিয়া থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ফিরোজ আলম ঢাকার দোহার থানার রাধানগর গ্রামের ওমর আলীর ছেলে। তিনি আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত।

নুসরাত মিমের বড় ভাই ফেরদৌস আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি ফরিদপুরে একটি এনজিওতে চাকরি করি। আমার ছোট বোন সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স চতুর্থ বর্ষের ইংরেজি সাহিত্যে লেখাপড়া করত। পাশাপাশি সে সাভার সুপার হাসপাতালে নার্সের চাকরি করত।

‘বছর দুয়েক আগে সুপার হাসপাতালে ডিউটি ডাক্তার ফিরোজ আলমের সঙ্গে আমার বোনের পরিচয় হয়। এক সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ৭-৮ মাস আগে ফিরোজ অন্যত্র গোপনে বিয়ে করে। তারপরও সে আমার বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে আসছিল।’

ফেরদৌস আলম আরও বলেন, ‘৪ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ডিউটি শেষ করার পর আমার বোনকে ফোন করে আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় নিজের ভাড়া ফ্ল্যাটে ডেকে নেয় ফিরোজ। পরদিন ৫ অক্টোবর বিকেলে আমার বোনের আত্মহত্যার খবর পেয়ে ছুটে আসি। আমার বোনকে ডেকে এনে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এসআই জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফিরোজ তার ভাড়া ফ্ল্যাটে নুসরাতকে রেখে বারান্দায় গিয়ে গোপনে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় ফিরোজের অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন নুসরাত। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নুসরাত বারান্দা থেকে কক্ষে এসে ভেতর থেকে বারান্দার দিকের দরজা আটকে দেন। পরে নিজের ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি জানালা দিয়ে দেখতে পেয়ে ফিরোজ চিৎকার করতে থাকেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি আশুলিয়া থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে।

‘এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাইয়ের করা মামলায় ফিরোজ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতেই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে রিকশাচালকের ‘আত্মহত্যা’
ছেলের সামনেই স্বামীহারা নারীর ‘আত্মহত্যা’
গায়ে আগুন দিয়ে গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
দাদির সঙ্গে অভিমানে শিশুর ‘আত্মহত্যা’
‘ধর্ষণের শিকার’ স্কুলছাত্রীর মৃত্যুতে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is lying about grid disaster Hanif

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুবউল আলম হানিফ। ছবি: নিউজবাংলা
‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, ‘বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় একটি দুর্ঘটনা। এ নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছেন মির্জা ফখরুলরা। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। চাহিদার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের।

‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক দল, জামায়াত তাদের পরিপূরক। একই মায়ের দুই সন্তান। সেই দলের নেতাদের মুখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অভিযোগ মানায় না। বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের আনুকূল্য পেতে তারা এসব বলছে।’

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আকম সরোয়ার জাহান বাদশাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় স্কুল কলেজের কয়েক শ ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়।

গ্রিড বিপর্যয়

মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে ইস্টার্ন গ্রিড ফেল করার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর সন্ধ্যা থেকে জেলা শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

বেলা ২টা ৪ মিনিটে অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর ২টা ৩৬ মিনিটে আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন চালুর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহের কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হয়। এবং সতর্কতার সঙ্গে সেটা বাড়িয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ চলমান।

মন্তব্য

p
উপরে