× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
On the morning of March 26 normal traffic was stopped on Aminbazar Road
hear-news
player
print-icon

২৬ মার্চ সকালে আমিনবাজার সড়কে সাধারণ যানবাহন বন্ধ


২৬-মার্চ-সকালে-আমিনবাজার-সড়কে-সাধারণ-যানবাহন-বন্ধ
মন্ত্রণালয়ে বুধবার কথা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: নিউজবাংল
‘২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যে কোনো ধরনের নাশকতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে।’

আসন্ন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সাভারের স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নয়ারহাট থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত সাধারণ যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

বুধবার সচিবালয়ে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মন্ত্রী বলেন, ‘নয়ারহাট থেকে আমিনবাজার ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তায় ভোর ৪টা থেকে সব ধরনের সাধারণ যানবাহন বন্ধ থাকবে। শুধু যেসব অতিথি পুস্পস্তবক অর্পণ করতে যাবেন, তাদের যানবাহন চলবে।

ওইদিন ভোর ৪টা থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন এবং বিদেশি অতিথিরা না যাওয়া পর্যন্ত সড়ক সাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। সর্বোচ্চ ৭টা পর্যন্ত সড়ক বন্ধ থাকবে।’

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গের সড়ক পথে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাওয়া ও পুস্পস্তবক অর্পণ এবং ফেরতকালীন সর্বোচ্চ সতর্কতা, নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাগণের পুস্পস্তবক অর্পণ ও শৃঙ্খলা রক্ষাসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশি কূটনৈতিকদের সাভার স্মৃতিসৌধে আনা-নেয়ার সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণের পুস্পস্তবক অর্পণের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভাগ-জেলা পর্যায়ে পুস্পস্তবক অর্পণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ সব আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌসহ বিভিন্ন রাস্তাঘাটের প্রয়োজনীয় মেরামত, ২৫ ও ২৬ মার্চ আয়োজিত সকল অনুষ্ঠানে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে।

সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ সহ সব গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানস্থলে প্রয়োজনীয় জনবলসহ অগ্নিনির্বাপক গাড়ি-অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ফায়ার সার্ভিস জরুরি সেবা দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার জন্য মেডিক্যাল টিমও প্রস্তুত থাকবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব হাসপাতাল, শিশুপরিবার, বৃদ্ধাশ্রম, ভবঘুরে কেন্দ্র ও এতিমখানায় উন্নত খাবার সরবরাহ করা হবে। ২৫ ও ২৬ মার্চের সব আয়োজনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।

‘২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যে কোনো ধরনের নাশকতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে।’

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে
পুলিশের প্রশংসা করেছেন মোদি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে, রায় কার্যকর হবে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Opportunity for illegal Bangladeshis to become legal in the Maldives

মালদ্বীপে অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

মালদ্বীপে অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধ হওয়ার সুযোগ
মালদ্বীপে বসবাসরত আনডকুমেন্টেড প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের (ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রি) আওতায় বৈধকরণ প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু রয়েছে। যাদের বৈধ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট নেই তাদেরকে দ্রুততার সঙ্গে ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে বৈধভাবে কাজ শুরু করারও অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন।

মালদ্বীপে অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাই দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জরুরি ভিত্তিতে বৈধকরণ প্রক্রিয়ায় ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করার অনুরোধ জানিয়েছে মালেতে বাংলাদেশে হাইকমিশন।

বৃহস্পতিবার এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটিতে বাংলাদেশের হাইকমিশন।

এতে বলা হয়, মালদ্বীপে বসবাসরত আনডকুমেন্টেড প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের (ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রি) আওতায় বৈধকরণ প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু রয়েছে।

যাদের বৈধ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট নেই তাদেরকে দ্রুততার সঙ্গে ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে বৈধভাবে কাজ শুরু করারও অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈধকরণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা যে প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ করছে, সেই প্রতিষ্ঠান মালিককে ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রিতে আবেদন করতে হবে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন দুর্ঘটনায় সব প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন হওয়ারও অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন।

আরও পড়ুন:
মালদ্বীপে লক্ষাধিক বাংলাদেশির বৈধতার সুযোগ
মালদ্বীপে যাবে ডাক্তার-নার্স
মালদ্বীপের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তির খসড়া অনুমোদন
পর্যটনে মালদ্বীপের চেয়ে কেন পিছিয়ে বাংলাদেশ
মালদ্বীপে ‘সুদিনের অপেক্ষায়’ বাংলাদেশি কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Permission to register online portal of 3 portal 15 daily

৩ পোর্টাল, ১৫ দৈনিকের অনলাইন সংস্করণকে নিবন্ধন অনুমতি

৩ পোর্টাল, ১৫ দৈনিকের অনলাইন সংস্করণকে নিবন্ধন অনুমতি
বিজ্ঞপ্তি দুটিতে এসব সংবাদমাধ্যমকে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

দেশের আরও তিনটি নিউজপোর্টাল ও ১৫টি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণকে নিবন্ধনের অনুমতি দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত দুটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি দুটিতে এসব সংবাদমাধ্যমকে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

তিনটি নিউজপোর্টাল হলো শীর্ষ সংবাদ ডটকম, এইচবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং শেয়ারবাজার নিউজ ডটকম।

১৫টি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণগুলো হলো দৈনিক সকালের সময়, দৈনিক অগ্রসর, দৈনিক মাতৃভূমির খবর, দৈনিক বর্তমান কথা, দৈনিক আমাদের বাংলা, দৈনিক কুমিল্লার কাগজ, সাপ্তাহিক অন্যধারা, দৈনিক করতোয়া, দৈনিক ফুলকি, দৈনিক জননেত্র, দৈনিক পল্লী বাংলা, দৈনিক আমাদের কক্সবাজার, দৈনিক আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দৈনিক মাধুকর ও দ্য নিউ নেশন।

আরও পড়ুন:
অনিবন্ধিত নিউজপোর্টাল বন্ধে সময় পেল বিটিআরসি
নিবন্ধনহীন অনলাইন নিউজপোর্টাল বন্ধ শুরু
এত অনলাইনের প্রয়োজন নেই: তথ্যমন্ত্রী
চালু থাকবে যেসব অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনিবন্ধিত সব নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The locals do not want a shelter project in the centenary Balaishimul field

শতবর্ষী বলাইশিমুল মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প চায় না এলাকাবাসী

শতবর্ষী বলাইশিমুল মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প চায় না এলাকাবাসী নেত্রকোণার বলাইশিমুল মাঠ রক্ষায় আন্দোলনে নেমেছেন স্থানীয়রা। ছবি: নিউজবাংলা
তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক সৈয়দা রত্না বলেন, ‘মাঠ আন্দোলন যৌক্তিক ও মানবিক আন্দোলন। আগামী প্রজন্মের জন্য এই লড়াই, অন্য যেকোন আন্দোলন থেকে কম নয়। আপনাদের এই দাবি যদি প্রধানমন্ত্রী শোনেন, নিশ্চয় তিনি একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় শতবর্ষী বলাইশিমুল খেলার মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প না করার দাবি জানিয়েছে সে ইউনিয়নের বাসিন্দারা। তারা প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করেছেন, শিশুদের সঠিক বিকাশে ভুমিকা রাখা বলাইশিমুল মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প না করে অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বলাইশিমুল ইউনিয়নবাসী’ ব্যানারে আয়োজিত ‘শতবর্ষী প্রাচীন বলাইশিমুল খেলার মাঠ থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্প অন্যত্র স্থাপনের দাবিতে’ মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

বলাইশিমুল মাঠ রক্ষা আন্দোলনে এ সময় সংহতি জানান তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক সৈয়দা রত্না।

তিনি বলেন, ‘মাঠ আন্দোলন যৌক্তিক ও মানবিক আন্দোলন। আগামী প্রজন্মের জন্য এই লড়াই, অন্য যেকোন আন্দোলন থেকে কম নয়। আপনাদের এই দাবি যদি প্রধানমন্ত্রী শোনেন, নিশ্চয় তিনি একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

রত্না বলেন, ‘যারা বলাইশিমুল মাঠ দখল করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায়, তারা পক্ষান্তরে প্রধানমন্ত্রীর আদেশ অমান্য করছে। দেশে উন্নয়ন প্রয়োজন, কিন্তু প্রকৃতি ধ্বংস করে না।’

মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন, ‘অতন্ত দুঃখ পাই যখন একটা মাঠ রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে লাগে, একটা নদী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে লাগে। একজন ব্যক্তির পক্ষে এক সঙ্গে সবদিক খেয়াল করা সম্ভব না। যারা মাঠ দখল করে প্রকল্প গ্রহণ করেছে তারা বলাইশিমুলবাসীকে সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই মাঠ আপনাদের মাঠ, মালিকানা আপনাদের। আপনারা এই মাঠ ছাড়বেন না। এইটা রূপক আন্দোলন, সারা দেশেই মাঠ রক্ষায় আমাদের আন্দোলন চালু থাকবে।’

বলাইশিমুল গ্রামের বাসিন্দা মশিউর জামান টিটু বলেন, ‘আমারা চাই সুন্দর জীবন, সুষ্ঠু জীবন৷ আমরা চাই আগামীর প্রজন্ম যেন সুন্দরভাবে বেড়ে উঠে। কিন্তু এই মাঠ দখল হলে স্থানীয় শিশু-কিশোররা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ হারাবে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, আমাদের আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যতে কথা চিন্তা করে প্রকল্প অন্যত্রে স্থানান্তর করা হোক।’

মানববন্ধনে অন্যরা বলেন, ‘শত বছরের পুরোনো ওই খেলার মাঠটি বলাইশিমুল গ্রামের ১ একর ৮৭ শতক সরকারি জায়গায় অবস্থিত। সেখানে এলাকার শিশু-কিশোর, শিক্ষার্থীসহ তরুণ-যুবকেরা খেলাধুলা করেন। সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসন মাঠের দুই পাশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ২৩টি ঘর নির্মাণ করছে। তাই ওই জায়গার পরিবর্তে মাঠের উত্তর পাশে কিছুটা নিচু জমিতে ঘর নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।’

এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন ব্রহ্মপুত্র সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক আবুল কালাম আল আজাদ, কণ্ঠশিল্পী বীথি ঘোষসহ এলাকার ছাত্র ও যুবকরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The legitimacy of bringing back the money of trafficking is good for evil

পাচারের অর্থ ফিরিয়ে আনার বৈধতা ‘মন্দের ভালো’

পাচারের অর্থ ফিরিয়ে আনার বৈধতা ‘মন্দের ভালো’ রাজধানীর এফডিসিতে শুক্রবার নতুন অর্থবছরের বাজেট নিয়ে ছায়া সংসদে প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: নিউজবাংলা
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘যেসব দেশে টাকা পাচার করা হয়, সেসব দেশের সরকার অর্থের বৈধতা যাচাই না করেই তা বিনিয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে দেশে কিছু টাকা ফেরত এলে অসুবিধা কোথায়? তাই পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত মন্দের ভালো।’

নতুন অর্থবছরে বাজেটে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনগতভাবে বৈধতা দেয়া হলেও সেটা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তবে এ সিদ্ধান্তকে ‘মন্দের ভালো’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

রাজধানীর এফডিসিতে শুক্রবার নতুন অর্থবছরের বাজেট নিয়ে এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

এম এ মান্নান বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, আইনের বৈধতা দিয়েও তা পুরোপুরি ফেরত আনা সম্ভব নয়। চুরি করা টাকা ফেরানোর জন্য পাচার করেনি পাচারকারীরা। তাই পাচারকৃত অর্থের খুব সামান্যই দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে।’

বাংলাদেশে একশ্রেণির মানুষের কাছে প্রচুর টাকা রয়েছে এবং তারা পাচার করছেন বলেও মন্তব্য করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘যেসব দেশে টাকা পাচার করা হয়, সেসব দেশের সরকার অর্থের বৈধতা যাচাই না করেই তা বিনিয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে দেশে কিছু টাকা ফেরত এলে অসুবিধা কোথায়? তাই পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত মন্দের ভালো।’

এ ক্ষেত্রে সরকার বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধির জন্য কাজ করছে না বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

প্রতিযোগিতায় সরকারি তিতুমীর কলেজকে পরাজিত করে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ছায়া সংসদে বিচারক ছিলেন উন্নয়ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক রিজভী নেওয়াজ, সাংবাদিক কাবেরী মৈত্রেয় ও সাংবাদিক আরিফুর রহমান। ছায়া সংসদে মক স্পিকার হিসেবে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন:
বড় পরিবর্তন ছাড়া বাজেট পাস, কার্যকর শুক্রবার থেকে
বড় পরিবর্তন ছাড়াই পাস হচ্ছে প্রস্তাবিত বাজেট
মেডিটেশনে ভ্যাট কমল, বাড়ল বিটুমিনে
মিতব্যয়ী হোন, দেশেই চিকিৎসা নিন: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If it had not turned around Padma Bridge Metrorail would not have happened DMP Commissioner
হোলি আর্টিজানে হামলা

‘ঘুরে না দাঁড়ালে পদ্মা সেতু-মেট্রোরেল হতো না’

‘ঘুরে না দাঁড়ালে পদ্মা সেতু-মেট্রোরেল হতো না’ হোলি আর্টিজান হামলায় নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে শ্রদ্ধা জানান ডিএমপি কমিশনার। ছবি: নিউজবাংলা
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হোলি আর্টিজানের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর আমরা যদি ঘুরে দাঁড়াতে না পারতাম, তবে আজ যে পদ্মা সেতু দেখছি, মেট্রোরেল দেখছি, তার কোনো প্রজেক্টই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না। কোনো বিদেশি ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশে কাজ করতে আসত না। আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’

গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে পদ্মা সেতু-মেট্রোরেল প্রজেক্টই বাস্তবায়ন হতো না বলে মনে করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

হোলি আর্টিজান হামলার ষষ্ঠ বার্ষিকীতে শুক্রবার ‘দীপ্ত শপথ’ ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

হোলি আর্টিজান হামলায় তৎকালীন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রবিউল করিম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সালাউদ্দিন নিহত হন। তাদের স্মরণে গুলশান মডেল থানার সামনে ‘দীপ্ত শপথ’ নামে এই দুই অফিসারের ভাস্কর্য বানানো হয়। প্রতি বছর হোলি আর্টিজানের হামলার বার্ষিকীতে ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় তাদের স্মরণে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হোলি আর্টিজানের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর আমরা যদি ঘুরে দাঁড়াতে না পারতাম, তবে আজ যে পদ্মা সেতু দেখছি, মেট্রোরেল দেখছি, তার কোনো প্রজেক্টই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না। কোনো বিদেশি ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশে কাজ করতে আসত না। আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘হরকাত-উল-জিহাদের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের উত্থান হয় ও জেএমবির উত্থান ঘটে। এরপর ইরাকে যখন আইএসের উৎপাত শুরু হয়, তখন বাংলাদেশের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য দেশের কিছু মানুষ তামিম চৌধুরীর নেতৃত্বে হোলি আর্টিজানে হামলা চালায়।’

তিনি বলেন, ‘হোলি আর্টিজানের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গি দমনে নতুন একটি ইউনিট খোলে। এই ইউনিটের অধিকাংশ সদস্যই বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হন। এরপর দেশের যেসব জায়গায় জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছে, সেখানেই জঙ্গিদের আস্তানা তছনছ করে দেয়া হয়েছে।’

জঙ্গি দমনে আত্মতৃপ্তিতে ভুগছেন না বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। বলেন, ‘এখনও জঙ্গি তৎপরতা মাঝে মাঝে চোখে পড়ছে। জঙ্গিদের সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভিটিসহ সব বিষয়ে আমরা মনিটরিং করছি।

‘এ ছাড়া বিভিন্ন সময় অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটসহ বিভিন্ন মেট্রো ও জেলা পুলিশ মিলে একটি করে ছোট ইউনিট করা হয়েছে। বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে জঙ্গিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, হচ্ছে। জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক নস্যাৎ করে দেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
‘সন্তানরা বাবাকে মিস করে না, এমন দিন দেখিনি’
হোলি আর্টিজানে হামলায় নিহতদের প্রতি দূতদের শ্রদ্ধা
জঙ্গিরা এখন কতটা শক্তিশালী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ocean Conference Bangladesh reaffirms commitment to SDGs

মহাসাগর সম্মেলন: এসডিজি অর্জনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

মহাসাগর সম্মেলন: এসডিজি অর্জনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে হচ্ছে জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসাগর সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত
মহাসাগর সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে মোমেন উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার করুন।’

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের (এসডিজি) সব লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে দ্বিতীয় জাতিসংঘ মহাসাগর সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে তিনি দেশের এ অবস্থানের কথা জানান।

শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মোমেন তার বক্তৃতায় উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার করুন।’

সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অংশ নেন মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল খুরশেদ আলম, পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সমুদ্র ও সমুদ্রের টেকসই উন্নয়নকে বেগবান করতে সমুদ্রবিজ্ঞান চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে ও দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ প্রতিবেশী উভয় দেশের সঙ্গে সমুদ্রসীমার সমস্যা সমাধান করেছে এবং যৌথভাবে সম্পদ কাজে লাগাতে প্রস্তুত। অবৈধ, আনরিপোর্টেড এবং আনরেগুলেটেড মাছ ধরা দূর করার জন্য বাংলাদেশ সরকার তার একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের মোট প্রায় ৪.৪ শতাংশ এলাকাকে সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং ২০১৯ সালে জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় তা বাস্তবায়ন করেছে।’

তিনি বলেন, সরকার বাংলাদেশ জাহাজ চলাচল আইনকে সংশোধন করেছে। সরকার রিসাইকেল অ্যাক্ট-২০১৮ মেনে চলছে। ২০২৩ সালের মধ্যে হংকং কনভেনশন মেনে চলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ২০২৩ সালের মধ্যে নিরাপদ জাহাজ পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন পদক্ষেপেরও ঘোষণা করেছে। একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক শপিং ব্যাগ উৎপাদন নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেয়া উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।

আরও পড়ুন:
‘রোহিঙ্গাদের কারণে আর্থ-সামাজিক ও পরিবেশগত ঝুঁকিতে বাংলাদেশ’
রাষ্ট্রদূতকে প্রশ্ন করুন যুক্তরাষ্ট্রে কেন বিচারবহির্ভূত হত্যা: মোমেন
রাশিয়ার গম-জ্বালানি কিনতে ভারতের কাছে বুদ্ধি চেয়েছে বাংলাদেশ
আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি ভাগাভাগি অপরিহার্য: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে মিয়ানমারমুখী হোন: বাংলাদেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Teacher Tinku released from A League in Narail incident

অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনায় শিক্ষক টিংকুকে আ.লীগ থেকে অব্যাহতি

অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনায় শিক্ষক টিংকুকে আ.লীগ থেকে অব্যাহতি শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসকে লাঞ্ছনার ঘটনায় দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। গ্রাফিক্স মামুন হোসাইন/নিউজবাংলা
টিংকুকে দেয়া নড়াইল সদর আওয়ামী লীগের নোটিশে বলা হয়, ‘বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়, মিডিয়ার খবরে আপনাকে জড়িত করে সংবাদ পরিবেশিত হচ্ছে। সে কারণে আপনি এর দায়িত্ব এড়াইতে পারেন না এবং আমরা মনে করি আপনি সভাপতি হিসেবে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। উপরোক্ত কারণে আপনাকে উক্ত বিষয়ে এই পত্র পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে নিম্ন স্বাক্ষরকারীদ্বয়ের নিকট লিখিত কারণ দর্শাইতে বলা গেল এবং অদ্য হইতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া গেল।’

নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে জুতার মালা পরানোর ঘটনায় ওই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষককে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নড়াইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অচীন কুমার চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দলের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়া আক্তার হোসেন টিংকু ওই কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। তিনি নড়াইল সদরের বিছালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

কী আছে নোটিশে

টিংকুকে দেয়া নড়াইল সদর আওয়ামী লীগের নোটিশে বলা হয়, ‘এতদ্বারা আপনাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা যাচ্ছে যে, গত ১৮ জুন/২২ তারিখে মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের এক ছাত্রের মোবাইলে স্ট্যাটাস নিয়ে এক সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। উল্লেখ্য আপনি উক্ত কলেজের একজন শিক্ষক এবং ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় আপনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে দেখা যায়, আপনার উপস্থিতিতে উক্ত কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষককে জুতার মালা পরিয়ে বাহির করে আনা হয়, যাহা নিন্দনীয়, শিক্ষকসমাজকে হেয়প্রতিপন্ন করার শামিল।’

এতে আরও বলা হয়, ‘বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়, মিডিয়ার খবরে আপনাকে জড়িত করে সংবাদ পরিবেশিত হচ্ছে। সে কারণে আপনি এর দায়িত্ব এড়াইতে পারেন না এবং আমরা মনে করি আপনি সভাপতি হিসেবে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

‘উপরোক্ত কারণে আপনাকে উক্ত বিষয়ে এই পত্র পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে নিম্ন স্বাক্ষরকারীদ্বয়ের নিকট লিখিত কারণ দর্শাইতে বলা গেল এবং অদ্য হইতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া গেল। ইউনিয়নের সহসভাপতি মশিয়ার রহমানকে দায়িত্ব দেয়া গেল।’

অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনায় শিক্ষক টিংকুকে আ.লীগ থেকে অব্যাহতি
নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক টিংকুকে দেয়া নোটিশ। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মার সমর্থনে কলেজের এক হিন্দু শিক্ষার্থীর পোস্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুন দিনভর নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, সহিংসতা চলে। গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয় ওই শিক্ষার্থীর পক্ষ নিয়েছেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস।

এরপর পুলিশ পাহারায় বিকেল ৪টার দিকে স্বপন কুমার বিশ্বাসকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে দাঁড় করিয়ে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেয় একদল ব্যক্তি। শিক্ষক স্বপন কুমার হাত উঁচিয়ে ক্ষমা চাইতে থাকেন। পরে তাকে তুলে নেয়া হয় পুলিশের গাড়িতে।

মোবাইল ফোনে ধারণ করা এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ।

ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন। এই কমিটিতে নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুবায়ের হোসেনের নেতৃত্বে আছেন নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শওকত কবির ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান।

আরও পড়ুন: শিক্ষককে জুতার মালা: ঘুম ভাঙল প্রশাসনের, হারাচ্ছেন না পদ

কী বেরিয়ে এসেছে নিউজবাংলার অনুসন্ধানে

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে হেনস্তার পেছনে কলেজে অভ্যন্তরীণ বিরোধের বিষয়গুলোও অনুসন্ধান করছে এই তদন্ত কমিটি। কমিটির সদস্য নড়াইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই দিনের ঘটনার সঙ্গে শিক্ষকদের কেউ জড়িত কি না আমরা খোঁজার চেষ্টা করছি। ঘটনার ধারাবাহিকতায় বিষয়টি আমাদের এ রকম মনে হচ্ছে।

‘এত শিক্ষক থাকতে যখন ঘটনাটি অল্পের মধ্যে ছিল, তখন বিষয়টি সবাই মিলে চেষ্টা করলে সমাধান করা যেত। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ বিষয়টি জটিল করার দিকে নিয়ে এটা করেছি কি না, সে বিষয়টি আমাদের অনুসন্ধানের মধ্যে আছে। আমি বিষয়টি এখনও পরিষ্কার হতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘তদন্তে এমন কিছু এখনও প্রমাণ করতে পারিনি। তবে যারা আমাদের সাক্ষাৎ দিয়েছেন, তারা বলছেন অভ্যন্তরীণ কোনো ঝামেলা থাকতে পারে।’

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘কলেজে বেশ কয়েক বছর ধরে অধ্যক্ষের পদ ফাঁকা আছে। স্বপন কুমারের আগে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন আক্তার হোসেন টিংকু নামের আরেক শিক্ষক। পরে তাকে সরিয়ে স্বপন কুমার বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

‘আমরা শুনেছি, এদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোনো বিরোধ থাকতে পারে। তবে স্পষ্ট করে কেউ কিছু বলেনি। হয়তো তাদের অন্তরে বিরোধিতা ছিল। প্রকাশ্যে কিছু ছিল না।’

আরও পড়ুন: পুলিশের সামনে শিক্ষকের গলায় জুতার মালা কীভাবে?

আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে স্বপন কুমার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিতে বাধ্য হন গত বছরের ২৭ এপ্রিল। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আক্তার হোসেন জুনিয়র ছিলেন, তার ওপরে ছিলেন স্বপন কুমার বিশ্বাস। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দেশনা আছে, অধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অন্যজন দায়িত্ব পালন করবেন। সে কারণে তাকে (আক্তার) সরিয়ে নতুন একজনকে অধ্যক্ষ করা হয়েছিল।’

আইনটি সম্পর্কে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বেসরকারি কলেজ শাখার উপপরিচালক (কলেজ-২) মো. এনামুল হক হাওলাদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘২০১১ সালের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রে বলা হয়, বেসরকারি কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা অনুসরণ করতে হবে।’

অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনায় শিক্ষক টিংকুকে আ.লীগ থেকে অব্যাহতি
শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসকে লাঞ্ছনার ঘটনায় তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। গ্রাফিক্স মামুন হোসাইন/নিউজবাংলা

আক্তার হোসেনের পরিবর্তে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিতে অনীহা ছিল স্বপন কুমারের। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট অচীন চক্রবর্তী। তবে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণেই পদটি গ্রহণ করতে হয় স্বপন কুমারকে।

অচীন চক্রবর্তী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আক্তার হোসেনের আগে কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন রওশান আলী। তিনি দুর্নীতির দায়ে অব্যাহতি পেয়েছিলেন। তখন স্থানীয় সংসদ সদস্য (নড়াইল-১ আসনের এমপি কবিরুল হক) কলেজের সভাপতি ছিলেন, তিনি আক্তার হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেন। আক্তার কয়েক বছর দায়িত্বে ছিলেন।

‘পরে কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা সেলিম। তিনি পর্যালোচনা করে দেখেন, নীতিমালায় আছে অধ্যক্ষ না থাকলে টপ মোস্ট সিনিয়র শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পাবেন। এরপর তিনি নীতিমালা অনুসারে স্বপনকে দায়িত্ব নিতে বলেন।

‘তিনি (স্বপন কুমার) রাজি ছিলেন না। তবে নীতিমালায় আছে, উপযুক্ত কারণ ছাড়া টপ মোস্ট সিনিয়র দায়িত্ব না নিতে চাইলে তার শাস্তি হবে। তাই তিনি দায়িত্ব নিতে বাধ্য হন।’

অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনায় শিক্ষক টিংকুকে আ.লীগ থেকে অব্যাহতি
স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আক্তার হোসেন টিংকু। ছবি: সংগৃহীত

নীতিমালার এই দিকটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বেসরকারি কলেজ শাখার উপপরিচালক (কলেজ-২) মো. এনামুল হক হাওলাদারও নিশ্চিত করেছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কেউ দায়িত্ব গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। এ রকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ (পরিচালনা পর্ষদ) তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে। ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হলে ভুক্তভোগী শিক্ষক মাউশিতে অভিযোগ করতে পারেন। এরপর মাউশি থেকে তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিচালনা পর্ষদকে নির্দেশ দেয়া হয়।’

মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট অচীন চক্রবর্তীর দাবি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিবর্তন নিয়ে স্বপন কুমারের সঙ্গে আক্তার হোসেনের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। তবে কলেজে শিক্ষকদের মধ্যে আগে থেকে দ্বন্দ্ব আছে। কলেজে বিভিন্ন জটিলতার কারণে স্বপন কুমার এরই মধ্যে তিনবার দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে আইনি বাধ্যবাধকতায় তিনি পদটি ছাড়তে পারেননি।

অচীন চক্রবর্তী বলেন, ‘স্বপন বাবু খুব ভালো মানুষ। সে কারও সাত-পাঁচে জড়ায় না, কারও সঙ্গে দ্বন্দ্বও বাধায় না। সে আগেও তিনবার আমাকে বলেছে, এই ঝামেলার জায়গায় থাকতে চায় না। বলেছে তার শরীর ভালো নেই।’

ঘটনার দিন প্রভাবশালী শিক্ষকরা ছিলেন নিশ্চুপ

মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র রাহুল দেব রায় গত ১৭ জুন রাতে ফেসবুকে নূপুরকে প্রশংসা করে একটি পোস্ট দেন। পরদিন রাহুলের বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে যান একদল শিক্ষার্থী। কলেজের চারপাশ ঘিরে জড়ো হয় হাজারো বিক্ষুব্ধ মানুষ।

এমন পরিস্থিতিতে পরামর্শের জন্য স্বপন কুমার কলেজের কয়েক শিক্ষককে ডেকে নিলেও তারা নিশ্চুপ ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফেসবুকে পোস্ট দেয়া ছাত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা ওসির সামনেই

এ বিষয়ে স্বপন কুমার বিশ্বাস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকালে কিছু ছাত্র আমাকে ঘটনাটি জানালে আমি তিনজন শিক্ষককে ডেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করি। তাদের মধ্যে ছিলেন কলেজের পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক শেখ আকিদুল ইসলাম, পরিচালনা পরিষদের আরেক সদস্য ও কৃষি শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক কাজী তাজমুল ইসলাম। বাকি আরেক জন হলেন স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আক্তার হোসেন টিংকু।’

অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনায় শিক্ষক টিংকুকে আ.লীগ থেকে অব্যাহতি
মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে জুতার মালা পরানোর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত

স্বপন কুমার বলেন, ‘কলেজের যেকোনো অঘটন ঘটলে আমি সব থেকে আগে এই তিন শিক্ষককে জানাই। প্রতিবারের মতো সেদিনও একইভাবে তাদের জানালাম।

‘স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেয়ার বিষয় নিয়ে আমি তাদের সঙ্গে আলোচনা করলাম। তবে তারা নীরব ছিলেন। কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এরই মধ্যে কলেজে গুজব ছড়িয়ে পড়ে আমি ওই ছাত্রকে সাপোর্ট করছি। তখন কিছু ছাত্র কলেজে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।’

কলেজের শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে সাহায্য করেছে বলে মনে করছেন পরিচালনা পরিষদের সভাপতিও।

আরও পড়ুন: শিক্ষককে জুতার মালা: ছাত্রের বিরুদ্ধে এজাহারেরলেখকপুলিশ

তিনি বলেন, ‘যেকোনো ক্লাব, স্কুল, কলেজ, বাজার, রাজনীতিক যা বলেন সবখানে পক্ষ-বিপক্ষ আছে। সেই রকম একটি বিষয় আমাদের কলেজেও আছে। কলেজের কোনো বিষয় নিয়ে স্বপন বাবুর সঙ্গে আক্তার হোসেনের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। তবে আক্তার হোসেনের হয়তো উদ্দেশ্য ছিল স্বপন বাবু সরে গেলে সে প্রিন্সিপাল হতে পারবে। এটা হয়তো আশা।

‘তবে কলেজের ১৮ জুনের ঘটনাটি এলাকার জামায়াত-বিএনপির লোকজনই ঘটিয়েছে। তারা চারপাশের পাঁচ থেকে সাতটি গ্রাম থেকে নছিমন ভরে ভরে লোক এনেছে। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, জামায়াত-বিএনপিরাই এসব করেছে। তারা হ্যান্ড মাইক নিয়ে এসে জামায়াত স্টাইলে এসব করেছে।’

কলেজের ভেতর থেকেই বাইরে গুজব ছড়ানো হয়ে থাকতে পারে বলেও সন্দেহ করছেন অচীন চক্রবর্তী।

কলেজের কোনো শিক্ষক জড়িত থাকতে পারেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘থাকতে পারে মে বি। এটা ইন্টারনালি ইনফর্ম করে দিছে। এখন সারা দেশে জামায়াত-বিএনপি খুবই সোচ্চার। টেলিফোন পেলেই চলে আসে।’

অচীন চক্রবর্তীর দাবি, স্বপন কুমারের সঙ্গে কলেজের কোনো শিক্ষকের দ্বন্দ্ব নেই। তবে শিক্ষক আক্তার হোসেনের সঙ্গে শেখ আকিদুল ইসলাম নামের আরেক শিক্ষকের দ্বন্দ্ব আছে। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এই শেখ আকিদুলকেও পরামর্শের জন্য ডেকেছিলেন স্বপন কুমার।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক নির্যাতন বন্ধ না হলে আন্দোলনের ঘোষণা
লাঞ্ছিত স্বপন কুমার অধ্যক্ষের দায়িত্ব নেন বাধ্য হয়ে
শিক্ষক হত্যা: জিতুকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ
শিক্ষক হত্যা: আশুলিয়ার সেই কলেজের গভর্নিং বডি স্থগিত
শিক্ষক হত্যা-লাঞ্ছনায় প্রতিবাদ চবি শিক্ষকদের

মন্তব্য

p
উপরে