করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে টানা দুই বছর বন্ধ থাকার পর প্রাক-প্রাথমিক ও মাধ্যমিকপর্যায়ে পুরোদমে ক্লাস শুরুর প্রথম দিনেই তীব্র যানজটে স্থবির হয়ে আছে রাজধানী ঢাকা।
সহপাঠীদের সঙ্গে ক্লাসে ফেরার আনন্দে মঙ্গলবার ভোর থেকে অভিভাবকদের হাত ধরে সড়কে সরব উপস্থিতি দেখা গেছে স্কুলমুখী খুদে শিক্ষার্থীদের। মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরাও ছিলেন স্কুলমুখো।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অফিস ধরতে কর্মমুখী মানুষের ভিড়ও বেড়েছে সড়কে। আর তাতেই শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ যানজট।
চৈত্র মাস শুরু হওয়ায় সূর্যের তাপও বেড়েছে। ‘দ্য ওয়েদার চ্যানেল’ বলছে, ঢাকায় আজকের তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যার ৩৪ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। কিন্তু মানুষের শরীরে তা অনুভূত হচ্ছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অসহনীয় যানজটের সঙ্গে তীব্রভাবে নাকাল হতে হচ্ছে নগরবাসীকে।
তীব্র যানজটের ছবিটি ধানমন্ডি-২৭ নম্বর এলাকা থেকে তুলেছেন পিয়াস বিশ্বাস।
ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিউজবাংলা প্রতিবেদকের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী ঢাকা শহরের বেশির ভাগ সড়কই স্থবির হয়ে আছে। যান চলছে শম্বুকগতিতে।
প্রগতি সরণির মধ্য বাড্ডা এলাকায় দুপুর থেকে যানবাহনের স্বাভাবিকের চেয়ে ধীরগতি দেখা গেলেও গুলশান লিংক রোডে ছিল তীব্র যানজট।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা নিবাসী ইয়াফেস আকবর জানান, ‘যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে থেকে মধ্য বাড্ডা পর্যন্ত আসতে সময় লেগেছে ঘণ্টারও বেশি।’
মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ ঘিরে যানজটের আখড়া হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে মিরপুর। সেদিকেও সকাল থেকে অসহনীয় যানজটের খবর পাওয়া গেছে।
মিরপুরের শেওড়াপাড়া থেকে মতিঝিলের শাপলা চত্বর পর্যন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পৌঁছাতে মৌসুমী ইসলামের সময় লেগেছে দুই ঘণ্টারও বেশি।
তীব্র যানজটের ছবিটি ফার্মগেট এলাকা থেকে তুলেছেন পিয়াস বিশ্বাস।
তিনি বলেন, ‘রাস্তায় বের হয়ে দেখি বাসগুলো লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে, চাকা ঘুরছে না। বাধ্য হয়েই বেশি ভাড়া দিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিতে হলো। অটোরিকশায় এ রাস্তা ও রাস্তা ঘুরেও দুই ঘণ্টার বেশি লাগল পৌঁছাতে।’
মগবাজার থেকে বাংলামোটরমুখী সড়কে চলছে মেরামতের কাজ। আবার ওই অঞ্চলে রয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে গরমে যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন মগবাজারের বাসিন্দারা।
গুলিস্তান থেকে পুরান ঢাকার দিকে যেতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন ওই রুটের নিয়মিত যাত্রীরা।
ইমেল আহমেদ জানান, ‘পুরান ঢাকায় এ দৃশ্য তো আর নতুন কিছু না। তবে আজকে আরও বেশি সময় লাগছে।’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান এলাকা নিউমার্কেট, ধানমন্ডির চিত্রও একই রকম। খুবই ধীরগতিতে এগোচ্ছে গাড়ি।
রমনা জোনের সহকারী কমিশনার (ট্রাফিক) রেফাতুল ইসলাম বলেন, ‘আজকে স্কুল খোলার কারণে সড়কে গাড়ির চাপ বেড়েছে। এর বাইরে আর কোনো কারণ নেই। কোনো ভিভিআইপি মুভমেন্ট নেই, কোনো দুর্ঘটনা নেই, কোনো বিক্ষোভ, মিছিল নেই। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’
তীব্র যানজটের ছবিটি মগবাজার এলাকা থেকে তুলেছেন সাইফুল ইসলাম।
তবে এই কর্মকর্তা মনে করেন, এ চিত্র ঢাকা শহরের জন্য নতুন কিছু নয়। দীর্ঘ দুই বছর পর শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ফেরার কারণে অনেকেই ভুলে গেছেন ঢাকার সেই যানজটের কথা।
তিনি বলেন, ‘ভিকারুননিসার ছুটি হলে যানজট থাকত নাবিস্কো পর্যন্ত। আজকে তো মাত্র ফ্লাইওভার পর্যন্ত। এক কথায় বলতে গেলে, গত দুই বছরে আমরা আসলে ভুলে গেছি তীব্র যানজটের কথা।’
বিএফ শাহীন স্কুলের সামনে গাড়ির জট
মঙ্গলবার থেকে সশরীরে ক্লাস শুরু হলে সকাল থেকেই স্কুলমুখী রাজধানীর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিএফ শাহীন স্কুলে শিক্ষার্থীদের পৌঁছে দিতে ব্যক্তিগত গাড়ির জট সৃষ্টি হয়েছে। স্কুলটির সামনের মূল সড়কে কয়েক লেনে পার্ক করা হয়েছে অভিভাবকদের ব্যক্তিগত গাড়ি।
এ জন্য জাহাঙ্গীরগেট থেকে মহাখালী রাওয়া কনভেনশন হলের সামনে এবং মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে যানজটে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকে এই সড়কে তীব্র যানজটে স্থবির হয়ে পড়েছে গোটা এলাকা। এর প্রভাবে বিজয় সরণি, চন্দ্রিমা উদ্যান, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, মিরপুর এলাকার মূল সড়কে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন অফিসগামী ও সাধারণ মানুষরা। এদিকে এই সংকট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা কাজ করে গেলেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না।
ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী একাধিক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকাল ৭টা থেকে এমন অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়৷
গুলশান অফিসে যেতে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে সকাল ৭টার দিকে রওনা হন আরিফুল সাজ্জাদ। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাসে করে খুব অল্প সময়ে মোহাম্মদপুর থেকে জাহাঙ্গীরগেট চলে আসি। কিন্তু জাহাঙ্গীরগেট সিগন্যালে অনেকক্ষণ বসে থাকতে হয়। প্রথমে ভেবেছিলাম কোনো ভিআইপি মুভমেন্ট হবে, তাই এত বড় সিগন্যাল৷ কিন্তু সিগন্যাল পার হয়েই দেখা গেল শাহীন স্কুলের সামনে ভয়াবহ জ্যাম। এখানেই প্রায় ৪০ মিনিট বসে থেকে বাস থেকে নেমে হাঁটা শুরু করি। যাবার পথে দেখলাম শত শত প্রাইভেট কার স্কুলের সামনে তিনটি লেনে দাঁড় করানো। পরে বুঝলাম স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের গাড়ি এগুলো। এই গাড়িগুলো পার্ক করে রাখার কারণে কোনো গাড়ি সামনে যেতে পারছে না।’
আব্দুল্লাহ আল হাফিজ নামের আরেকজন অফিসগামী যাত্রী বলেন, বিএএফ শাহীন স্কুলটা ইমিডিয়েটলি অন্য কোথাও শিফট করা উচিত। সড়কের পাশে স্টুডেন্টদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য প্রতিদিন অফিসে যেতে দেরি হয়।’
জাহিদুল ইসলাম নামের একজন বলেন, ‘পুরো ১ ঘণ্টায় শাহীন স্কুলের গেট পার হলাম। মেইন রোডে এভাবে শত শত গাড়ি পার্ক করা থাকলে কিভাবে হবে?’
শাহীন স্কুলের সামনে এমন অচলাবস্থার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সব সড়কে। সকাল থেকেই থেমে আছে বিজয় সরণির মতো ব্যস্ততম সড়ক। এর প্রভাবে ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, আগারগাঁও, মিরপুর, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজারসহ সব সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির ট্রাফিক পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার শাহেদ আল মাসুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শাহীন স্কুলের সামনে কয়েক লেনে শত শত প্রাইভেট কার পার্ক করা ছিল সকাল থেকেই। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা ও তাদের অভিভাবকরা এসেছেন। আমরা সকাল থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছি। গাড়িচালক ও অভিভাবকদের বুঝিয়ে আমার গাড়িগুলো সরিয়ে দিচ্ছি। এখানে সমস্যা হলো, আমরা চাইলেও কঠোর হতে পারছি না। কারণ এখানে অধিকাংশই সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের গাড়ি আছে। তাই তাদের বুঝিয়ে রিকয়েস্ট করে গাড়িগুলো সরিয়ে নিতে আমরা অনুরোধ করছি। এ জন্য সময় লাগছে।’
তবে এই অবস্থা যেন সৃষ্টি না হয় সে জন্য আগে থেকেই স্কুল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল বলেও জানান ট্রাফিক পুলিশের ঊর্ধ্বতন এই কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, ‘শাহীন স্কুলের সামনের এই সমস্যা কিন্তু নতুন কিছু নয়। আজকে স্কুল খুলবে সেটা মাথায় রেখে আমরা চার দিন আগেই স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিটিং করেছিলাম। আমরা তাদের অনুরোধ করেছিলাম, তারা যেন তাদের লোক দিয়ে মনিটর করান, যেন কোনো গাড়ি রাস্তায় পার্ক না করে। পার্কিংয়ের প্রয়োজন হলে তারা যেন স্কুলের ভেতরে এর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু তারা এটি করেননি। এখন সকাল থেকে আমরা ট্রাফিক পুলিশরা যতটা পারছি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি।’
এদিকে রাজধানীর যেসব এলাকায় স্কুল-কলেজ রয়েছে প্রায় সব জায়গাতেই একই চিত্র দেখা গেছে। রমনা-মতিঝিল-খিলগাঁও-বনশ্রী-আজিমপুরসহ অন্যান্য প্রধান সড়কেও বাড়তি যানজট দেখা গেছে মঙ্গলবার সকাল থেকেই।
হত্যার পর স্কুলড্রেস পরে বেরিয়ে যায় গৃহকর্মী
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি বাসায় গৃহিনী মালাইলা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজকে (১৫) হত্যার পর বাথরুমে গোসল করে গৃহকর্মী আয়েশা (২৩)। এরপর মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসার ড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায়।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শাহজাহান রোডের ৩২/২/এ বাসার সপ্তম তলার ৭/বি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মাত্র চার দিন আগে বাসার দারোয়ান মালেকের মাধ্যমে ওই মেয়েকে আনা হয়। পরে গৃহকর্মী হিসেবে নিহত মালাইলা আফরোজের বাসায় কাজ দেওয়া হয়। তখন নিজের নাম আয়েশা বলে পরিচয় দেয়। পরে মা-মেয়েকে হত্যার পর নিহত নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে বের হয়ে যায় সেই মেয়ে।
ভবনের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিহত মালাইলা আফরোজ (৪৮) গৃহিণী। মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজ মোহাম্মদপুরের প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নাফিসার বাবা এম জেড আজিজুল ইসলাম পেশায় শিক্ষক। তিনি উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক।
ভবনের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নাফিসার বাবা স্কুলের উদ্দেশে সকাল ৭টার দিকে বের হয়ে যান। সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে বোরখা পরে ওই বাসার লিফটে ওঠে সাত তলায় যায় গৃহকর্মী আয়েশা। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে কাঁধে স্কুল ব্যাগ নিয়ে ড্রেস পরে মুখে মাস্ক লাগিয়ে বের হয়ে যায়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাফিসার বাবা বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।
নিহত নাফিসার বাবা আজিজুল ইসলাম বলেন, বাসায় একজন কাজের মহিলা দরকার ছিল। সাধারণত গেটে অনেকে কাজের সন্ধানে আসেন। চার দিন আগে একটি মেয়ে আসে। বোরকা পরিহিত মেয়েটি বাসার দারোয়ান খালেকের কাছে কাজের সন্ধান করলে সে আমাদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়। এরপর আমার স্ত্রী মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে কাজে রেখে দেয়।
পরে স্ত্রীর মুখে শুনেছি, মেয়েটার নাম আয়েশা। বয়স আনুমানিক ২০ বছর। তার গ্রামের বাড়ি রংপুর। জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকে। বাবা-মা আগুনে পুড়ে মারা গেছে। তার শরীরেও আগুনে পোড়ার ক্ষত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মেয়েটা কাজ শুরুর পর প্রথম দুদিন সময়মতো এসেছে। গতকাল সে সাড়ে ৯টার দিকে আসে। আজ কী হয়েছে, এটা তো আর বলার অবস্থায় নেই।
এদিকে ঘটনাস্থল ফ্ল্যাটটিতে গিয়ে দেখা যায়, ফ্ল্যাটের প্রবেশমুখ থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ। বাসার আলমারিসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তছনছ করা।
পুলিশের আরেকটি সূত্র জানায়, মাকে হত্যার পর ওই মেয়েটি দৌড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় হয়তো ইন্টারকমে সিকিউরিটি গার্ডকে ফোন দিতে চেয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে ইন্টারকমের লাইনটি খোলা পাওয়া যায়। মেয়েটি খুব সুন্দরভাবে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করে বাথরুমে গিয়ে গোসল করে শরীরের রক্ত পরিষ্কার করে নাফিসার স্কুলের ড্রেস পরে নির্দ্বিধায় গেট দিয়ে বেরিয়ে যায়।
তল্লাশি করে বাথরুমে একটি সুইচ গিয়ার ও একটি ধারাল অস্ত্র পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ছুরি দুটি দিয়ে মা-মেয়েকে হত্যা করেছে গৃহকর্মী আয়েশা। এ ঘটনায় ওই বাসার দারোয়ান মালেককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানান, পুলিশ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খবর পায়। মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখানে নেওয়ার পর মারা যায়। পরে লাশ দুটি সুরতহালের পর ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য পেয়েছি, সেসব যাচাই-বাছাই চলছে।
গৃহকর্মীর প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি, হত্যার আগে-পরে তার উপস্থিতি ও অ্যাকটিভিটিজ বিশ্লেষণ করে পরবর্তী তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাব।
বাসার ভেতরের অবস্থার বিষয়ে পুলিশ বলছে, বাসায় ধস্তাধস্তির আলামত রয়েছে, মেঝেতে এবং দেওয়ালে রক্তের দাগ রয়েছে। আলমারি ও ভ্যানিটি ব্যাগ তছনছ অবস্থায় রয়েছে। যা মনে করছি, প্রাথমিকভাবে কিছু খোয়া যেতে পারে। সিসি ক্যামেরা ফুটেজে আমরা একজনকেই দেখেছি, পরে দেখব আশপাশে আরও কেউ ছিল কি না?
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দুটি ধারাল ছুরি উদ্ধার করেছে এবং হত্যাকারী ফ্রেশ হয়েছে বাথরুমে— এমন আলামত পাওয়া গেছে।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে মিরপুর ১২ নম্বরের সি-ব্লক মোড়ে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়া হয়। এ ঘটনায় একজনকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটক ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মফিজুর রহমান গোলাম কিবরিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তিনি পল্লবী থানা যুবদলের নেতা ছিলেন। তবে কে বা কারা গুলি করেছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক জানান, গুলিবিদ্ধ কিবরিয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে নেয়া হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে স্থানীয়দের ভাষ্য থেকে জানা যায়, কিবরিয়াকে অন্তত ৫ রাউন্ড গুলি করা হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপির পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে বিএনপি নেতাকে গুলি করার খবর এসেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা কি নিয়ে এই গুলির ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আমরা পুরো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।’
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে পল্লবী সেকশন-১২ এ অবস্থিত বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারিতে বসে থাকা অবস্থায় পল্লবী থানা যুবদল সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে মোটরসাইকেলযোগে এসে তিনজন দুর্বৃত্ত ভেতরে ঢুকে তার মাথা, বুকে ও পিঠে পিস্তল ঠেকিয়ে ৭ রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ৭ রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।
রাজধানীতে আবারও ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে গুলিস্তান, সূত্রাপুর, মিরপুর বেড়িবাঁধ, হাতিরঝিল ও কারওয়ান বাজার এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত ৯টার দিকে গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট এলাকায় দুইটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের পরপরই দুর্বৃত্তরা দ্রুত সরে পড়ে।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সূত্রাপুর ও মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতকারীরা। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
একই রাতে হাতিরঝিলের রেইনবো ক্রসিং ও কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তের সামনে আরও দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এভাবে একের পর এক বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগে নাশকতার আশঙ্কা করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট, কাকরাইল মোড়, কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রাতভর তল্লাশি চালায় পুলিশ। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্যমতে, গত এক সপ্তাহে রাজধানীতে অন্তত ২০টির বেশি ককটেল বিস্ফোরণ এবং ১১টি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, “কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে রাজধানীতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। জনগণের মাঝে ভীতি ছড়ানোই তাদের উদ্দেশ্য।”
তিনি আরও বলেন, “রাজধানীতে শঙ্কার কিছু নেই। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছে। শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চেকপোস্ট ও টহল জোরদার করা হয়েছে।”
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে অগ্নিসংযোগ ও ঝটিকা মিছিলে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫৫২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের অধিকাংশই রাজধানীর বাইরে থেকে আসা বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
পুলিশ জানিয়েছে, নাশকতাকারীদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে তারা।
পাঁচ দফা দাবি আদায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের ডাকা গণসমাবেশে অংশ নিতে রাজধানীর পল্টন এলাকায় আসতে শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা। বেলা দুইটায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার পর ঢাকার আশপাশের কয়েকটি জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীদের বায়তুল মোকাররম মসজিদের আশপাশে ব্যানার-ফেস্টুন হাতে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি বাস্তবায়ন, নভেম্বরে গণভোট, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে এই কর্মসূচির ঘোষণা করে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ আট দল।
এর আগে গত ছয়ই নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছিল এই দলগুলো।
রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৩৪ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক ক্ষুদেবার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, রাজধানীতে ঝটিকা মিছিল পরিকল্পনা, অর্থায়ন ও অংশগ্রহণকারী কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আরও ৩৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রাজধানীর গুলশানে আরও একটি নতুন অভিজাত ক্লাবের যাত্রা শুরু হলো। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি অ্যান্ড ফার্মস থেকে ‘গুলশান সাউথ ক্লাব’ নামে একটি নতুন ক্লাবের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেছে।
গতকাল (৩ নভেম্বর ) ক্লাবটির নিবন্ধন অনুমোদনের পর এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
গুলশান সাউথ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ড. সৈয়দ মো. শাহান শাহ শাহীন। উদ্যোক্তা পরিচালক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জনাব মোহাম্মদ খুরশিদ আলম।
এছাড়া ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে রয়েছেন আরও সাতজন— খান মোহাম্মদ ইকবাল, কৃষিবিদ মো. ইউনুস আলী, মো. খালিদুজ্জামান, মোহাম্মদ নূর নবী, আব্দুল আউয়াল বিপ্লব, মো. এনামুল হক এবং জুবাইদা নাজনীন প্রমুখ।
নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে গুলশান এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) এর বহির্বিভাগ টিকেট কাটতে এখন থেকে আর দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হবে না। রোগীরা বিএমইউ এর ওয়েবসাইটে (https://bmu.ac.bd) গিয়ে অনলাইনে পেমেন্ট সম্পন্ন করে ব্যবস্থাপত্রটি (টিকেট) প্রিন্ট করে টিকেটে উল্লেখিত বিভাগ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে ডাক্তার দেখিয়ে পরামর্শ নিতে পারবেন। মূলত রোগীদের ভোগান্তি নিরসন ও দুর্ভোগ লাঘবসহ অযাচিত ভিড় এড়াতে এবং বহিবির্ভাগ চিকিৎসাসেবা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যেই অনলাইন টিকেটিং সিস্টেম চালু করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এরফলে এখন থেকে বাসায় বসেই অনলাইনে কাটা যাবে বিএমইউ এর বহির্বিভাগের টিকেট। একইসঙ্গে সকাল থেকেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার দেখাতে করতে হবে না দীর্ঘ অপেক্ষা। আজ বুধবার ২৯ অক্টোবর ২০২৫ইং তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে এই কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে বিএমইউ ও পূবালী ব্যাংক এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
বিএমইউ এর সম্মানিত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলামের সঞ্চালানায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, অনলাইন টিকেট সিস্টেম দেশের প্রয়োজনে চালু করা হয়েছে। যেকোনো দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সবসময় জনগণ কেন্দ্রিক হয়। শিক্ষা ও গবেষণা দেশের মানুষের জন্যই হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে দেশের মানুষের জন্য। আমরা অনেকদিন থেকে ভাবছিলাম রোগীদের যেন দীর্ঘ অপেক্ষা করতে না হয়। অনলাইন টিকেটিং সিস্টেম দীর্ঘ অপেক্ষা ও ভোগান্তি কমাবে। এই পদ্ধতিতে রোগীরা তাদের চাহিদামতো সময়ে চিকিৎসককে দেখাতে পারবেন। সময়ের ব্যবধানে সবকিছু অনলাইন সিস্টেমে হবে। অনলাইন নানাদিক থেকে সুবিধা দিবে। টিকেট কাটতে আর হাসপাতালে দীর্ঘ লাইন দিতে হবে না জানিয়ে অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম বলেন, ওয়েটিং টাইমটাকে চেম্বার বা হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে যেতে চাই। হাসপাতালে অপেক্ষা করা লাগবে না। তবে এই কার্যক্রমে শুরুর দিকে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। তা ওভারকাম করার জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে সাংবাদিক, গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন। তারা ইতিবাচকভাবে তুলে ধরলে বিএমইউ এর এই প্রচেষ্টা অবশ্যই সাফল্য পাবে। প্রায় সকল রোগীই বিএমইউ এর চিকিৎসাসেবায় সন্তুষ্ট। কিন্তু দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কাটা, ডাক্তার দেখাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা তাদেরকে কষ্ট দেয়। সেই কষ্ট দূরীকরণের লক্ষ্যেই আজকের এই উদ্যোগ। বিএমইউকে ডিজিটালাইজড হাসপাতালে রূপান্তরেরর কার্যক্রম চলমান আছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে অটোমেশনের বিকল্প নাই। বিএমইউ এর অটোমেশন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতেই হবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান, পূবালী ব্যাংক লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
তারা বলেন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাসেবা, উচ্চতর মেডিক্যাল শিক্ষা ও গবেষণায় একটি আস্থার নাম। আজকেরই এই উদ্যোগ দেশের জন্য একটি মাইলফলক। এর মাধ্যমে মূলত রোগীরাই সবচাইতে বেশি উপকৃত হবেন। আগামী দিনে সেবার সকলক্ষেত্রেই এটা চালু করতে পারলে রোগীরা স্বাছন্দ্যে টিকেট কাটা থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন।
মন্তব্য