× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The law is to protect transgender people
hear-news
player
print-icon

ট্রান্সজেন্ডারদের সুরক্ষায় হচ্ছে আইন

ট্রান্সজেন্ডারদের-সুরক্ষায়-হচ্ছে-আইন
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতিতে ট্রান্সজেন্ডার গোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, খাদ্য সংকট, বৈষম্য নিরসনে করণীয় শীর্ষক সংলাপে অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা
রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আইনটি বাস্তবায়িত হলে এই কমিউনিটির মানুষগুলো আর সেবা নিতে বৈষম্যের শিকার হবে না। বিদেশ যেতে পাসপোর্ট নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে জটিলতার নিরসন হবে। আইন দ্বারা তাদের অধিকার নিশ্চিত হবে।’

বৈষম্য ও লাঞ্ছনার শিকার ট্রান্সজেন্ডারদের সুরক্ষা ও অধিকার এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আইন তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ‘ট্রান্সজেন্ডার অধিকার সুরক্ষা আইন’ নামের আইনটি পাস হলে বৈষম্য থেকে অনেকটাই মুক্তি মিলবে ট্রান্সজেন্ডারদের।

বৃহস্পতিবার এমন তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপপরিচালক রবিউল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘আইনটি পাস হলে ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর বৈষম্য ও হয়রানির থেকে মুক্তি মিলবে।’

এদিন রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতিতে ট্রান্সজেন্ডার গোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, খাদ্যসংকট, বৈষম্য নিরসনে করণীয় শীর্ষক এক সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপপরিচালক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতের জন্য ট্রান্সজেন্ডার অধিকার সুরক্ষা আইনের খসড়া তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জন্য এই জনগোষ্ঠী ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আগামী মাসে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে সবার মতামত নিয়ে একটি আইন তৈরি করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর এটি সংসদে উপস্থাপন হবে। তারপর বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আইনটি বাস্তবায়িত হলে এই কমিউনিটির মানুষগুলো আর সেবা নিতে বৈষম্যের শিকার হবে না। বিদেশ যেতে পাসপোর্ট নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে জটিলতার নিরসন হবে। আইন দ্বারা তাদের অধিকার নিশ্চিত হবে।’

অনুষ্ঠানে ‘সম্পর্কের নয়া সেতু’ সংগঠনের সভাপতি জয়া সিকদার বলেন, ‘মহামারিতে সৃষ্ট সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সরকারিভাবে দুর্যোগকালীন জনগোষ্ঠীর জন্য তহবিল গঠন করতে হবে। এর মাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্যয়ম জনগোষ্ঠী ও সংগঠনগুলো তালিকাভুক্ত করে সরকারি সুযোগ-সুবিধা সব সদস্যের জন্য নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্রে সব জটিলতা দূর করতে হবে। সবার জন্য বৈষম্যহীন নীতি চালু করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আলাদাভাবে সেবা নিশ্চিতের ব্যবস্থা রাখতে হবে।’

ঢাকা জেলা সিভিল সার্জনের মেডিক্যাল অফিসার ফারহানা কবীর বলেন, ‘করোনা টিকা নিতে ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর নিবন্ধন জটিলতা দূর করতে সুরক্ষা অ্যাপে নারী-পুরুষের পাশাপাশি অন্য নামে কোনো কর্নার খোলার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলা হবে। এ ছাড়া টিকা নেয়ার জন্য নারী-পুরুষের মতো আলাদা কোনো সারি করা যায় কি না এ বিষয়েও আলোচনা করা হবে।’

সংলাপে নারী পক্ষ, সচেতন হিজড়া অধিকার সংঘ, সুস্থ জীবন, পদ্মকুঁড়ি হিজড়া সংঘ, আলোকিত শিশুসহ বেশকিছু সংগঠনের প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
ট্রান্সজেন্ডার মেঘা চাকরির আবেদন করলেন ‘নারী’ হিসেবে
মা-বাবার সম্পত্তি পাবেন ট্রান্সজেন্ডার
করোনায় চিকিৎসা নিতে বৈষম্যের শিকার ট্রান্সজেন্ডাররা
ট্রান্সজেন্ডারের সঙ্গে শিশু, ফাঁড়িতে হট্টগোল
তাসনুভাকে নিয়ে গর্বিত আমেরিকান দূতাবাস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Literacy rate among transgenders is 5365

ট্রান্সজেন্ডারদের সাক্ষরতার হার ৫৩.৬৫%

ট্রান্সজেন্ডারদের সাক্ষরতার হার ৫৩.৬৫% ফাইল ছবি
পুরুষের সাক্ষরতার হার ৭৬.৫৬ শতাংশ, নারী সাক্ষরতার হার ৭২.৮২ শতাংশ ও ট্রান্সজেন্ডারের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৩.৬৫ শতাংশ।

দেশে ট্রান্সজেন্ডার নাগরিকের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৩.৬৫ শতাংশ।

বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রথম ডিজিটাল ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে সাক্ষরতার হারের হিসাবে বলা হয়, দেশে নারী-পুরুষ মিলে ৭ বছর বা এর ওপরে মোট সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬ শতাংশ।

পুরুষের সাক্ষরতার হার ৭৬.৫৬ শতাংশ, নারী সাক্ষরতা হার ৭২.৮২ শতাংশ ও ট্রান্সজেন্ডারের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৩.৬৫ শতাংশ।

এতে জানানো হয়, সাক্ষরতার হার অঞ্চলভেদে গ্রামাঞ্চলে ৭১.৫৬ শতাংশ এবং শহর এলাকায় ৮১.২৮ শতাংশ।

নারী-পুরুষ লিঙ্গভিত্তিক বিবেচনায় সাক্ষরতার হার সর্বোচ্চ ঢাকা বিভাগে ৭৮.০৯ শতাংশ। সর্বনিম্ন ময়মনসিংহে ৬৭.০৯ শতাংশ৷
২০১১ সালে নারী-পুরুষ মিলে সাক্ষরতার হার ছিল ৫১.৭৭ শতাংশ।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সময় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদন বিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

আরও পড়ুন:
আইনি সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ট্রান্সজেন্ডারেরা
ট্রান্স নারীরা ‘বিশ্ব নারী সাঁতার প্রতিযোগিতা’ থেকে নিষিদ্ধ
প্রতিবন্ধী-ট্রান্সজেন্ডারদের চাকরি দিলে কর ছাড়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transgender people are being deprived of legal protection

আইনি সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ট্রান্সজেন্ডারেরা

আইনি সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ট্রান্সজেন্ডারেরা
‘তৃতীয় লিঙ্গের অনেক মানুষ সমাজের ভয়ে নিজের পরিচয় গোপন রাখে। কারণ পরিচয় প্রকাশ হলে হয়রানির শঙ্কা থাকে। তবে সরকারি-বেসরকারি প্রচেষ্টায় সাম্প্রতিক সময়ে এসব ক্ষেত্রে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।’

দেশের প্রচলিত আইনি সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ট্রান্সজেন্ডারেরা। তারা নানামুখী হয়রানির শিকার হচ্ছে। অথচ ন্যায্য নাগরিক অধিকারটুকুও পাচ্ছে না।

লিঙ্গ বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর আইনি সুরক্ষা ও অধিকার সংরক্ষণে বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আলোচকেরা এমন মন্তব্য করেন। এলইজিডি প্রকল্পের সহযোগিতায় এই সভার আয়োজন করে ‘সম্পর্কের নয়া সেতু’।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জয়া সিকদার বলেন, ‘হিজড়া জনগোষ্ঠীর মানুষের প্রতি সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। ফলে আইনি সুরক্ষা ও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন এই জনগোষ্ঠীর মানুষেরা। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরা ঠিকমতো স্বাস্থ্যসেবাও পান না।’

নারী পক্ষের সদস্য আইনজীবী কামরুন নাহার বলেন, ‘তৃতীয় লিঙ্গের অনেক মানুষ সমাজের ভয়ে নিজের পরিচয় গোপন রাখে। কারণ পরিচয় প্রকাশ হলে হয়রানির শঙ্কা থাকে। তবে সরকারি-বেসরকারি প্রচেষ্টায় সাম্প্রতিক সময়ে এসব ক্ষেত্রে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

‘দেশে প্রতিদিন ৩০০ ট্রান্সজেন্ডার শিশু জন্মগ্রহণ করে। পরবর্তীতে এদের কেউ কেউ হত্যা বা পাচারের শিকার হয়। দেশে সবচেয়ে বেশি পাচারের শিকার হয় সাতক্ষীরায়।

অনুষ্ঠানে আলোচনায় আরও অংশ নেন মানবাধিকার কর্মী মুশফিকা লাইজু, নাগরিক উদ্যোগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাদিরা পারভীন, আশার আলোর প্রোগ্রাম ম্যানেজার সানোয়ার হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
ট্রান্স নারীরা ‘বিশ্ব নারী সাঁতার প্রতিযোগিতা’ থেকে নিষিদ্ধ
প্রতিবন্ধী-ট্রান্সজেন্ডারদের চাকরি দিলে কর ছাড়
হোচিমিনের পরিবার একঘরে!
ট্রান্স পুরুষের পরিপক্ব ডিম্বাণুতে জন্ম নেবে সন্তান
ট্রান্সজেন্ডারদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The transgender girl in the mask wants to change the name given by her parents

বাবা-মায়ের দেয়া নাম বদলাতে চান মাস্কের ট্রান্সজেন্ডার মেয়ে

বাবা-মায়ের দেয়া নাম বদলাতে চান মাস্কের ট্রান্সজেন্ডার মেয়ে ইলন মাস্ক
সম্প্রতি ১৮ বছরে পা দেয়া জেভিয়ার আলেকজান্ডার মাস্ক তার বাবা বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের মাস্কের সঙ্গে আর কোনোভাবেই সম্পর্কিত থাকতে চান না বলে জানিয়েছেন। 

বাবা-মায়ের দেয়া নাম বদলাতে চান ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্কের ট্যান্সজেন্ডার মেয়ে।

গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের সুপ্রিম কোর্টে তিনি নাম বদল ও নতুন জন্ম সনদ চেয়ে আবেদন করেন বলে এক প্রতিবেদনে মঙ্গলবার জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

সম্প্রতি ১৮ বছরে পা দেয়া জেভিয়ার আলেকজান্ডার মাস্ক তার বাবা বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের মাস্কের সঙ্গে আর কোনোভাবেই সম্পর্কিত থাকতে চান না বলে জানিয়েছেন।

আদালতের কাছে ছেলে থেকে মেয়ে পরিচয়ের স্বীকৃতি এবং বর্তমান নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম নিবন্ধন করতে আবেদন করেন তিনি।

আলেকজান্ডার মাস্ক বলেন, 'আমি আর কোনোভাবেই আমার জন্মদাতা বাবার সঙ্গে থাকতে বা তার নাম-পরিচয় বহনের সম্পর্ক রাখতে চাই না।'

ইলন মাস্ক-জাস্টিন উইলসনের ঘরে জন্ম নেন আলেকজান্ডার মাস্ক। ২০০৮ সালে তার বাবা-মায়ের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

২০০০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জাস্টিনের সঙ্গে ঘর করার পর আরও দুই নারীকে বিয়ে করেছিলেন ইলন মাস্ক। অবশ্য এই দুই স্ত্রীর সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয় তার।

মেয়ের নাম পরিবর্তনের আবেদনের ব্যাপারে মাস্কের প্রতিষ্ঠান টেসলা বা তার নিজের কোনো আইনজীবীর মন্তব্য জানা যায়নি।

তবে এই আবেদনের মাসখানেক পর যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির প্রতি সমর্থনের কথা জানান ইলন মাস্ক; যে পার্টির নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অবস্থান দেশজুড়ে ট্রান্সজেন্ডার অধিকারকে সীমিত করার আইনের পক্ষে।

এর আগে ২০২০ সালে এক টুইট বার্তায় ইলন মাস্ক বলেছিলেন, 'আমি পুরোপুরি ট্রান্সজেন্ডারদের সমর্থন করি। কিন্তু নারী বা পুরুষ পরিচয় বেছে নেওয়া একটি দুঃস্বপ্ন।'

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ থেকে ইলন মাস্কের স্টারলিংকের অর্ডার নেয়া শুরু
জীবনহানির শঙ্কায় ইলন মাস্ক
ইলন মাস্ককে টুইটারের বদলে শ্রীলঙ্কা কেনার পরামর্শ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Trans women are banned from world womens swimming competitions

ট্রান্স নারীরা ‘বিশ্ব নারী সাঁতার প্রতিযোগিতা’ থেকে নিষিদ্ধ

ট্রান্স নারীরা ‘বিশ্ব নারী সাঁতার প্রতিযোগিতা’ থেকে নিষিদ্ধ লিয়া টমাস মার্চে এনসিএএ সাঁতার প্রতিযোগিতায় প্রথম ট্রান্স ক্রীড়াবিদ হিসেবে শিরোপা জেতেন। ছবি: এপি
নতুন নীতি সম্পর্কে ফিনার প্রেসিডেন্ট হুসেন আল-মুসাল্লাম বলেন, ‘ক্রীড়াবিদদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার রক্ষা করতে হবে। আমাদের ইভেন্টগুলোতে, বিশেষ করে ফিনা প্রতিযোগিতায় নারী বিভাগে প্রতিযোগিতামূলক ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।’

আন্তর্জাতিক নারী সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন না ট্রান্সজেন্ডার। এ প্রশ্নে হওয়া ভোটের পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাঁতারের বিশ্ব পরিচালন সংস্থা- ফিনা। তারা বলেছে, যেসব নারী পুরুষালি আচরণের যেকোনো শারীরিক অভিজ্ঞতা অনুভব করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে ১৫২টি দেশের ফেডারেশন ভোটে অংশ নেয়। ৭১ শতাংশ ভোট পড়ে ট্রান্সজেন্ডারদের বাদ দেয়ার পক্ষে।

ফিনা বৈজ্ঞানিক প্যানেলের একটি প্রতিবেদন বলছে, ট্রান্স নারীরা ওষুধের মাধ্যমে তাদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমানোর পরও সিসজেন্ডার নারী সাঁতারুদের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সুবিধা পেয়ে থাকে।

ফিনার নতুন ৩৪ পৃষ্ঠার নীতিতে বলা হয়েছে, পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তর ক্রীড়াবিদরা কেবল তখনই নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে, যখন তারা এটা প্রমাণ করতে পারবে যে ট্যানার স্টেজ-টুর বাইরে পুরুষ বয়ঃসন্ধির কোনো কিছু অনুভব করেনি।

নতুন নীতি সম্পর্কে ফিনার প্রেসিডেন্ট হুসেন আল-মুসাল্লাম বলেন, ‘ক্রীড়াবিদদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার রক্ষা করতে হবে। আমাদের ইভেন্টগুলোতে, বিশেষ করে ফিনা প্রতিযোগিতায় নারী বিভাগে প্রতিযোগিতামূলক ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।’

এই জটিলতায় যারা পড়বেন তাদের আশাহত হওয়ার কারণ নেই। ফিনার নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, কিছু ইভেন্টে ট্রান্স নারীদের জন্য একটি ‘উন্মুক্ত’ বিভাগ খোলা হবে।

ফিনার সভাপতি মুসাল্লাম বলেন, ‘আমরা সব সময় ক্রীড়াবিদকে স্বাগত জানাই। একটি উন্মুক্ত বিভাগ তৈরির অর্থ হলো, প্রত্যেকেরই অভিজাত স্তরে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ রয়েছে। এটি আগে করা হয়নি। তাই ফিনাকে পথ দেখাতে হবে।’

এর আগে ২০২০ সালে বিশ্ব রাগবি প্রতিযোগিতায় এমন সিদ্ধান্ত এসেছিল। তবে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা দিয়ে বাছাই করাকে অনেকেই করেছেন প্রশ্নবিদ্ধ। আরও অনেক প্রতিযোগিতায় এই পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হয় ট্রান্স নারীদের।

যুক্তরাষ্ট্রে লিয়া টমাস এক ট্রান্স নারী সাঁতারু, যিনি কলেজভিত্তিক একটি সাঁতার প্রতিযোগিতায় (পুরুষ বিভাগে) গেল মার্চে শিরোপা জেতেন। বিষয়টি তখন বেশ আলোচিত হয়। অনেকেই দাবি তুলেছিলেন, এ ধরনের সাফল্য অবশ্যই উদযাপন করা উচিত। ফিনার নতুন সিদ্ধান্তে প্যারিস অলিম্পিকে থমাস আর নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।

সাবেক ব্রিটিশ সাঁতারু শ্যারন ডেভিস অবশ্য এই খবরকে স্বাগত জানিয়েছেন। টুইটে তিনি লেখেন, ‘আমি আপনাকে বলতে পারব না যে আমি আমার খেলাধুলার জন্য কতটা গর্বিত। ফিনা এবং ফিনা প্রেসিডেন্ট বিজ্ঞানের ভিত্তিতে এমন করছেন। সাঁতার সব সময় সবাইকে স্বাগত জানাবে, তবে ন্যায্যতা হলো খেলার ভিত্তি।’

আরেক সাবেক ব্রিটিশ সাঁতারু ক্যারেন পিকারিং বলেন, ‘উপস্থাপনা, আলোচনা এবং ভোটের জন্য ফিনা কংগ্রেসে ছিলাম। যেকোনো ক্রীড়াবিদ যারা এখন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না তাদের জন্য সহানুভূতি জানাতে পারি। নারীদের বিভাগে প্রতিযোগিতামূলক ন্যায্যতা অবশ্যই রক্ষা করা উচিত।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের উদ্যোগে ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য পার্লার-ফুডকোর্ট
ট্রান্সজেন্ডারদের সুরক্ষায় হচ্ছে আইন
ট্রান্সজেন্ডার মেঘা চাকরির আবেদন করলেন ‘নারী’ হিসেবে
মা-বাবার সম্পত্তি পাবেন ট্রান্সজেন্ডার
করোনায় চিকিৎসা নিতে বৈষম্যের শিকার ট্রান্সজেন্ডাররা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
This is the first time that two transgender people will vote in Comilla City

কুমিল্লা সিটিতে এই প্রথম নিজ পরিচয়ে ভোট দেবেন ২ ট্রান্সজেন্ডার

কুমিল্লা সিটিতে এই প্রথম নিজ পরিচয়ে ভোট দেবেন ২ ট্রান্সজেন্ডার কুমিল্লার প্রথম দুই ট্রান্সজেন্ডার ভোটার প্রীতি (বাঁয়ে) ও হাসু। ছবি: নিউজবাংলা
হাসু বলেন, ‘আমি ও প্রীতি ছাড়া এখানে পৌনে ৪০০ হিজড়া আছেন। তাদের কেউ পুরুষ ভোটার, কেউ নারী ভোটার। আমরাই প্রথম ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে ভোট দেব।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এই প্রথম দুজন ট্রান্সজেন্ডার পরিচয়ে ভোট দিতে যাচ্ছেন।

আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এই প্রথম দুজন ট্রান্সজেন্ডার ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।’

এই দুই ট্রান্সজেন্ডার হলেন নগরীর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার প্রীতি ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হাসু।

২০১৪ সালে পুরুষ ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হন প্রীতি। গত বছর তিনি ট্রান্সজেন্ডার ভোটার ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত হন।

প্রীতি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে। এবার নিজের পরিচয়ে ভোট দিতে পারব৷ কাকে ভোট দেব তা এখন বলব না। কেন্দ্রে গিয়ে যাকে ভালো লাগবে তাকে ভোট দিব।’

হাসু বলেন, ‘আমি ও প্রীতি ছাড়া এখানে পৌনে ৪০০ হিজড়া আছেন। তাদের কেউ পুরুষ ভোটার, কেউ নারী ভোটার। আমরাই প্রথম ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে ভোট দেব।’

২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভোটার তালিকা বিধিমালায় পরিবর্তন এনে ট্রান্সজেন্ডার ক্যাটাগরি যুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। বর্তমানে সারা দেশে ৪৫৪ জন ট্রান্সজেন্ডার ভোটার আছেন। এর আগে ট্রান্সজেন্ডাররা নারী অথবা পুরুষ পরিচয়ে ভোটার হতেন।

১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আছেন পাঁচজন। তারা হলেন আওয়ামী লীগের আরফানুল হক রিফাত, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার, কামরুল আহসান বাবুল এবং ইসলামী আন্দোলনের রাশেদুল ইসলাম।

এ ছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১০৮ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

২৭ ওয়ার্ডে মোট ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন। তাদের মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন, পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন ও ট্রান্সজেন্ডার ভোটার দুজন।

আরও পড়ুন:
মেয়র প্রার্থী কায়সারকে ফের অর্থদণ্ড
কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলি আর্টিজানে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ
নির্বাচনি প্রচারকালে সহিংসতায় আহত ১২ 
প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি বিলিয়ে মৌসুমি আয়
নেচে-গেয়ে সাক্কুর নির্বাচনি প্রচারে ট্রান্সজেন্ডাররা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The transgender student took the exam in B unit of DU

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থী

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থী ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থীর ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে ঢাবির প্রক্টর বলেন, ‘এই শিক্ষার্থী যদি চান্স পায়, তাহলে এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটা বড় অগ্রগতি। আশা করি সে ভালো করবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ট্রান্সজেন্ডার এক শিক্ষার্থী।

ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী এই তথ্য জানিয়েছেন।

ভর্তিচ্ছু এ শিক্ষার্থী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার জানা মতে, এবারই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় কোনো ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন।’

ভর্তির ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের জেন্ডার নির্ণয়ের অপশন নিয়ে তিনি বলেন, “আবেদনের সময় ছাত্র বা ছাত্রী এ রকম একটু অপশন আছে। এটির উত্তর আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিই না। এটা আমরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড থেকে নিই।

“বোর্ডে যেটা থাকে, সেটাই নিই। সেখানে আমরা এখন পর্যন্ত ‘আদার্স’ নামে কোনো অপশন পাইনি। এই শিক্ষার্থী হয়তো ছাত্র বা ছাত্রী কোনো অপশনে পরীক্ষা দিয়েছে।”

ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে প্রক্টর বলেন, ‘এই শিক্ষার্থী যদি চান্স পায়, তাহলে এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটা বড় অগ্রগতি। আশা করি সে ভালো করবে।

‘সে চান্স পেলে আমরা খুশি হব। সে যদি চান্স পায়, তাকে কোন হলে দেব, সেটা নিয়ে আমাদের এখন ভাবতে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পয়সা চাইবে কেন? সে কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারবে না? এটা একটা মুভমেন্ট। এই মুভমেন্টকে এগিয়ে নিতে হবে।’

‘খ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়ক এবং কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল বাছির বলেন, ‘সে (ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থী) যদি সুযোগ পায়, তবে আমরা বেশি খুশি হব। তার সামনে এখন দুইটা চ্যালেঞ্জ আছে। একটি হলো এমসিকিউ, আরেকটি রিটেন। সে সব চ্যালেঞ্জ পার করে যদি ভর্তি হতে পারে, তাহলে এটি বিরাট অগ্রগতি।’

মেডিক্যাল সেন্টারে পরীক্ষা

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মোহাম্মদ মর্তুজা মেডিক্যাল সেন্টারে জলবসন্তে আক্রান্ত এক নারী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে অধ্যাপক আবদুল বাছির বলেন, ‘এই শিক্ষার্থী গতকাল (শুক্রবার) রাতে তার সমস্যার কথা জানিয়ে আমাদের কাছে আবেদন করেছে। আমরা অনুমোদন দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘তার কাগজপত্র দেখে আমাদের মনে হয়েছে, যে রুমে তার সিট পড়েছে, সেখানে সে গেলে একটা প্যানিক তৈরি হতে পারে। তাই আমরা তাকে আমাদের মেডিক্যাল সেন্টারে পরীক্ষা দেয়ার ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছি।

‘আমাদের একজন শিক্ষক সেখানে সার্বক্ষণিক ছিলেন। আর মেডিক্যাল সেন্টারের একজন অ্যাটেন্ডেন্ট ছিলেন। ফলে কোনো অসুবিধা হয়নি।’

আরও পড়ুন:
ঢাবি প্রক্টরকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে সাদা দলের আহ্বান
ঢাবিতে ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান দাবি সাদা দলের
ঢাবিতে ‘আলহাজ্ব মকবুল হোসেন ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন
ঢাবিতে ‘সালাম না দেয়ায়’ ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর
ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দেবেন ৫৫ বছরের বেলায়েত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transgender people dancing and singing in Sakkurs election campaign

নেচে-গেয়ে সাক্কুর নির্বাচনি প্রচারে ট্রান্সজেন্ডাররা

নেচে-গেয়ে সাক্কুর নির্বাচনি প্রচারে ট্রান্সজেন্ডাররা নেচে-গেয়ে নির্বাচনের প্রচার করছেন ট্রান্সজেন্ডাররা। ছবি: সংগৃহীত
নাগি ও ববিতা নামে দুজন ট্রান্সজেন্ডার বলেন, ‘আমরা মানুষের কাছে হাত পেতে খাই। সাক্কু ভাই আমাদের ভালোবাসেন। তিনি বলেছেন, এবার নির্বাচিত হলে আমাদের চাকরি দেবেন।’

নেচে-গেয়ে উল্লাস করে ভোট চাচ্ছেন একদল ট্রান্সজেন্ডার। নিজেরাই গান পরিবেশন করছেন। পাশাপাশি ভোটও চাচ্ছেন। নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় থেকে শুরু করে অলিগলি চষে বেড়াচ্ছেন তারা।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাবেক মেয়র স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর পক্ষে তাদের এই প্রচার।

বুধবার সারা দিন এ ধরনের প্রচার দেখা যায়। তাদের নাচ দেখতে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।

নাগি ও ববিতা নামে দুজন ট্রান্সজেন্ডার বলেন, ‘আমরা মানুষের কাছে হাত পেতে খাই। সাক্কু ভাই আমাদের ভালোবাসেন। তিনি বলেছেন, এবার নির্বাচিত হলে আমাদের চাকরি দেবেন।

‘আমরাও আর মানুষের কাছে হাত পাততে চাই না। তাই সাক্কু ভাইয়ের জন্য ভোট চাচ্ছি।’

মেয়রপ্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ট্রান্সজেন্ডার মানুষগুলো আমাকে ভালোবাসে। আমিও তাদের আশ্বস্ত করেছি, তাদের যেন আর কখনও হাত পেতে খেতে না হয়। তাদের চাকরির ব্যবস্থা করব।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পাঁচ মেয়র প্রার্থীসহ ১৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নগরীর ২৭টি সাধারণ ও ৯টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ভোটার ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৯২ জন। আগামী ১৫ জুন ১০৫টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হবে।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি প্রচারে ঘোড়া, মেয়র প্রার্থীর জরিমানা
সাক্কুর নির্বাচনি পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ল কারা
কুমিল্লায় আ.লীগের প্রথম নির্বাচনি কার্যালয় রাণীরদিঘিতে
কুমিল্লা সিটি নির্বাচন: প্রতীক পেয়েই প্রচারে প্রার্থীরা
এক দিনের ব্যবসা 

মন্তব্য

p
উপরে