× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
International photo exhibition for the first time in RBI
google_news print-icon

রাবিতে প্রথমবার আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী

রাবিতে-প্রথমবার-আন্তর্জাতিক-আলোকচিত্র-প্রদর্শনী
আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীর জন্য গত ১ জানুয়ারি থেকে ছবি পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বে কয়েক দেশ থেকে ৪০০ আলোকচিত্রীর পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করে ১২৮টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য নেয়া হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ফটোগ্রাফি ক্লাবের আয়োজনে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয়েছে আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রাঙ্গনে বুধবার সকাল ৯ টায় প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম।

আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীর জন্য গত ১ জানুয়ারি থেকে ছবি পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বে কয়েক দেশ থেকে ৪০০ আলোকচিত্রীর পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করে ১২৮টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য নেয়া হয়।

রাবিতে প্রথমবার আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী

প্রদর্শনীর বিষয়ে জানতে চাইলে সংগঠনের জনসংযোগ সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আতিক আবরার বলেন, ‘ফটোগ্রাফি সুন্দর কিছু দেখার একটি শৈল্পিক কাজ। তাই মানুষকে কিছু সুন্দর দৃশ্য বা সুন্দর কিছু মুহূর্ত উপহার দেয়ার জন্য আমরা এর আয়োজন করেছি।

রাবিতে প্রথমবার আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী

তিনি আরও বলে, ‘এখানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ফটোগ্রাফার, দেশের ও দেশের বাইরের আলোকচিত্রকদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। প্রদর্শনীতে আন্তর্জাতিক মানের বেশ কয়েকটি চিত্র রয়েছে।’

এই প্রদর্শনী চলবে আগামী ১১ মার্চ পর্যন্ত।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In Badda the stench is spreading from house to house garbage truck is not coming

বাড্ডায় বাড়িতে বাড়িতে ময়লার স্তূপ, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ: আসছে না বর্জ্যের গাড়ি

বাড্ডায় বাড়িতে বাড়িতে ময়লার স্তূপ, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ: আসছে না বর্জ্যের গাড়ি ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পূর্ব বাড্ডার পোস্ট অফিস গলির একটি রিকশা গ্যারেজ। চারজন চালক দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। পাশেই রাখা একটা ময়লা ফেলার বড় ড্রাম। গলা অবধি ময়লায় পূর্ণ। মাছি উড়ছে। ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধও। আশপাশের অনেক বাড়ির সামনেও একই অবস্থা। ১৫ দিন ধরে এই এলাকায় আসছে না ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্জ্যের গাড়ি। ফলে পূর্ব বাড্ডার প্রতিটি বাড়িই এখন বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

সিটি করপোরেশন বলছে, নতুন করে তারা টেন্ডার ডেকেছেন। এলাকাবাসী যেন নিজ দায়িত্বে ভ্যান ভাড়া করে তাদের ময়লা ভাগাড়ে ফেলে আসেন। বিষয়টি তারা এলাকাবাসীকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, টেন্ডার কেন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর করা হবে?

রিকশার গ্যারেজটির ভেতরে ঢুকে কথা হলো চার চালকের সঙ্গে। তারা এখানে মাসিক চুক্তিতে খেতে আসেন। খাবারের মেসের মালিক মো. নয়ন। কেউ ময়লার গাড়ির খোঁজ নিচ্ছে শুনে নিজেই বের হলেন ঘর থেকে। জানালেন, পোস্ট অফিস গলি থেকে ময়লা নেয় না সিটি করপোরেশন। প্রথমে সপ্তাহখানেক ময়লা জমার পর নয়ন নিজ খরচে ভ্যান ভাড়া করে ময়লা ফেলে এসেছেন সিটি করপোরেশনের ভাগাড়ে।

এতে ভ্যানচালককে দিতে হয়েছে ১৫০ টাকা। উপরন্তু ময়লা ফেলার ড্রামটিও আর ফেরত পান নাই নয়ন। তার দাবি, ৮০০ টাকার ড্রাম গেল, সঙ্গে ভাড়াও গেল দেড়শ টাকা। অথচ সিটি করপোরেশনের গাড়ি বর্জ্য নিলে সেই বাবদ প্রতি মাসে নয়নকে দিতে হয় ২০০ টাকা। অন্যদিকে, নিজ খরচে ময়লা ফেলতে গিয়ে সাত দিনের বর্জ্যের পেছনেই নয়নের ১৫০ টাকা খরচ।

এই এলাকার এক বাড়িওয়ালা মো. হালিম। ২-৩ জন লোকের সঙ্গে চা খাচ্ছিলেন একটি ঘুপচি দোকানে। জানালেন, ময়লা বাণিজ্য নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দলের দ্বন্দ্ব। এরপর থেকেই এমন অবস্থা চলছে। আগে পরপর ময়লার গাড়ি এলেও গত দুই সপ্তাহে দেখা নাই। নির্বাচনের পর থেকেই ময়লা নিয়ে এই দুর্দশা ভোগ করছেন বলে যোগ করেন তিনি।

প্রায় একই কথা বললেন আরেক বাসিন্দা হেলাল। কবরস্থান রোডের কাছাকাছি থাকেন তিনি। জানালেন, ২০০ টাকা বিল দিয়েছেন। তবুও ময়লা নেয় না।

পূর্ব বাড্ডার পোস্ট অফিস গলি ধরে এগিয়ে কবরস্থান রোড পর্যন্ত এই চিত্র। অন্য এলাকায় বর্জ্যের গাড়ি (ভ্যান সার্ভিস) এলেও এই এলাকায় বন্ধ। সড়কে, বাড়ির সামনে, এমনকি বেজমেন্টে বা গাড়ির গ্যারেজেও ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। কোথাও কোথাও বর্জ্য পচে ময়লা পানি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এতে তেমন সাড়া নেই সিটি করপোরেশনের। কথা বলতে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে ফোনে না পাওয়া গেলেও উপপ্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, ‘আমাদের নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে। আপাতত এলাকাবাসীকে নিজ খরচে ভ্যান ঠিক করে ময়লাগুলো ভাগাড়ে ফেলতে হবে।’ কবে নাগাদ সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে এই এলাকা থেকে বর্জ্য নেবে, সে বিষয়ে কোনো আলোকপাত করলেন না এই কর্মকর্তা।

এমন পরিস্থিতিতে নগর পরিকল্পনাবিদরা প্রশ্ন তুলেছেন, বর্জ্য পরিবহনের মতো একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয়ের টেন্ডার কেন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর করা হবে? সিটি করপোরেশনের উচিত একটি টেন্ডার শেষ হওয়ার আগেই আরেকটির চূড়ান্ত করা। আর এই গড়িমসির পেছনে যদি রাজনৈতিক কোনো বিষয় থাকে, তাহলে সেটির তদন্ত করতে পরামর্শ দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hundreds of people in Jhenaidah got free health care from Walton

ওয়ালটনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেল ঝিনাইদহের শতাধিক মানুষ

ওয়ালটনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেল ঝিনাইদহের শতাধিক মানুষ ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ঝিনাইদহে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে ওয়ালটন প্লাজা। বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের অগ্নিবীণা সড়কে অবস্থিত ওয়ালটন প্লাজায় এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাম্পে শহরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১০০ জন গ্রাহক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা দেন কালীগঞ্জ ডায়াবেটিস হাসপাতালের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আলী রেজা তপু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার রিফাত হাসান খান, চুয়াডাঙ্গা মোড় শাখার ম্যানেজার সাদিক-ই-নুর, ঝিনাইদহ প্লাজার ম্যানেজার তোতা মিয়া, হেলথ কেয়ার অ্যান্ড হ্যাপিনেস অফিসার আলী মুরাদ খান শুভ, জাকারিয়া হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষরা। তারা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকরা জানান, ওয়ালটন প্লাজা শুধু ব্যবসায়িক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়; সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশের মতো ঝিনাইদহেও এই বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
82 thousand 501 children are getting vitamin A plus capsules in Jhalkathi

ঝালকাঠিতে ৮২ হাজার ৫০১ শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

ঝালকাঠিতে ৮২ হাজার ৫০১ শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ছবি: সংগৃহীত

টিকা সংকটে প্রায় ১৪ মাস বন্ধ থাকার পর দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২৮ জুন ঝালকাঠি জেলায় ৮২ হাজার ৫০১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে আয়োজিত একটি সভায় বুধবার (২৪ জুন) এ তথ্য জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্য বলছে, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে ক্যাম্পেইন। এদিন ঝালকাঠির চারটি উপজেলার সকল ইউনিয়ন এবং দুটি পৌরসভার সকল ওয়ার্ডে একযোগে ৮২ হাজার ৫০১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সি ১০ হাজার ১১ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সি ৭২ হাজার ৪৯০ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের কার্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়ম অনুসারে বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা। তবে ক্যাপসুলসংকটে গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে তা আর হয়নি। দীর্ঘ ১৪ মাস পর আগামী ২৮ জুন এই ক্যাম্পেইন হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Innovative inspection of farmers using modern agricultural technology in Kurigram

কুড়িগ্রামে কৃষকদের ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি’ ব্যবহার উদ্ভাবনী পরিদর্শন

কুড়িগ্রামে কৃষকদের ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি’ ব্যবহার উদ্ভাবনী পরিদর্শন ছবি: সংগৃহীত

‘বদলে যাচ্ছে কৃষিটা রোজ, নতুন প্রযুক্তিতেই সাফল্যের খোঁজ’ এই স্লোগানে সফল কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার উদ্ভাবনী পরিদর্শন করানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় বুধবার (২৪ জুন) সকালে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় আরডিআরএস বাংলাদেশ কৃষকদের এই সফরের আয়োজন করে।

উপজেলার বিএডিসি, খামার, সমন্বিত আদর্শ খামার, আধুনিক কৃষি নার্সারি পরিদর্শন করানো হয়। এ সময় কুড়িগ্রামের ৩৫ জন লিড কৃষকদের আধুনিক নার্সারি, সমন্বিত কৃষি খামার ব্যবস্থাপনায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতি সরাসরি প্রদর্শনের জন্য সফল ও আদর্শ কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ তৈরি করে আরডিআরএস বাংলাদেশের স্পেশাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট কৃষি ইউনিট।

আরডিআরএস-এর টেকনিক্যাল অফিসার কৃষিবিদ সজিব আহমেদ জানান, লিড ফার্মারদের এক্সপোজার ভিজিট বা অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর হলো কৃষকদের জন্য একটি প্রায়োগিক শিক্ষা কার্যক্রম, যার মূল উদ্দেশ্য ‘দেখা এবং বিশ্বাস করা’ এর মাধ্যমে নির্বাচিত মডেল ও সফল খামারিদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে আধুনিক ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জন করা হয়।

‎উক্ত আয়োজনে সমন্বিত কৃষি খামারের পাশাপাশি কৃষকরা বিএডিসি পরিদর্শন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএডিসি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ মিজানুর রহমান ও কৃষিবিদ জলিল উদ্দিন।

এ সময় বিএডিসি’র কার্যক্রম, আধুনিক বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং বিপণন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান, কীভাবে কৃষক বিএডিসি থেকে উপকৃত হতে পারে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।‎

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Introduction meeting and reception of new lawyers was held in Khulna

খুলনায় নবীন আইনজীবীদের পরিচিতি সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

খুলনায় নবীন আইনজীবীদের পরিচিতি সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ২০২৬ সালে তালিকাভুক্ত নবীন আইনজীবীদের নিয়ে পরিচিতি সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকালে সমিতির লাইব্রেরি মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীন আইনজীবীদের ফুল ও আইডি কার্ড প্রদান করে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মো. মাসুম রশিদ এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা মশিয়ুর রহমান নান্নু। বক্তারা নবীন আইনজীবীদের আইনপেশার মর্যাদা, দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও পেশাগত দক্ষতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তারা বলেন, ‘আইনপেশা কেবল জীবিকা অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক মহান দায়িত্ব। তাই পেশাগত জীবনের শুরু থেকেই সততা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতার চর্চাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, শেখ আব্দুল আজিজ ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউনুস। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট তৌহিদুর রহমান চৌধুরী তুষার, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এ কে এম শহিদুল আলম, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আসাদুল আলম, ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা গোলাম মাওলা, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম মুজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার (খোকন), মাহফুজুর রহমান, অ্যাডভোকেট হালিমা আক্তার খানম এবং অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান খানসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোল্লা মো. মাসুম রশিদ নবীন আইনজীবীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আইনপেশা শুধু জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্র নয়, এটি ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক মহান দায়িত্ব। একজন আইনজীবীর পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি সততা, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে সমিতির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মহসিন চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মো. মোশারফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এম তহিদুজ্জামান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুন্নাহার নাজমুন্নেছা জেবা, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা এবং সমিতির বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kishore Bandhan leads a normal life without eating rice since birth

জন্মের পর থেকে ভাত না খেয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন কিশোর বাঁধনের

জন্মের পর থেকে ভাত না খেয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন কিশোর বাঁধনের ছবি: সংগৃহীত

যেখানে আর দশজন ভাত খেয়ে বেঁচে আছে, সেখানে জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত ভাত না খেয়েই স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন কিশোর বাঁধন।

নাটোরের সিংড়া উপজেলার দুর্গম পল্লী চলনবিল অধ্যুষিত গ্রাম বেড়াবাড়ি। এই গ্রামের কৃষক বুদ্দু মোল্লার পুত্র বাঁধন (১৩)। ২ বোনের ১ ভাই বাঁধন।

বড় বোন বর্ষা, ছোট বোন রুবি। বাঁধনের বাবা একজন দিনমজুর। বর্ষাকালে শ্যালো নৌকা চালিয়ে সংসার চালান। বাবা অসুস্থ হলে বাঁধন ও নৌকার হাল ধরেন। সে ও বাবার কাজে সহযোগিতা করেন। বাঁধন বিয়াশ উচ্চবিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আর সবার মতো সুস্থ এবং স্বাভাবিকভাবেই তার জন্ম। জন্মের পর তার কোনো সমস্যাই ছিল না। সমস্যা শুরু হয় ‘মুখে ভাত’ খাওয়া নিয়ে। সবাই যখন তার মুখে প্রথমবার ভাত দিতে যায়, তখন সে মুখে ভাত দিলেই কান্নাকাটি শুরু করে দেয় এবং বমি করে ফেলে। এতে করে বিব্রত হয়ে পড়ে তার পরিবার।

পরিবারের লোকজন ভাবে আরেকটু বড় হোক তখন ভাত খাওয়ানো যাবে। দুই বছর পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ খেয়েই বড় হয় সে। এরপর তাকে আবার ভাত খাওয়ানোর চেষ্টা শুরু করে পরিবারের লোকজন। কিন্তু তখনো সে ভাত খেতে চায় না। জোর করে ভাত খাওয়াতে গেলেই বমি করে দেয়। যদিও পরিবারের কেউ তাকে ভাত খাওয়ানোর আর চেষ্টা করেনি। তবে ডাক্তার আর কবিরাজের কাছে গিয়েছেন কয়েকবার। কিন্তু কোনো চিকিৎসায় কাজ হয়নি।

বাঁধনের মা বলেন, ‘আমরা ভাত খাই তখন সে রুটি, মুড়ি কিংবা শুধু সবজি খেয়ে থাকে। আমাদের সাথে ভাত খেতে বসে না। সকালে মুড়ি, দুপুরে সবজি দিয়ে রুটি, রাতে মুড়ি খেয়ে থাকে। মুড়ি না থাকলে না খেয়ে থাকতে হয়। তবুও সে ভাত খাবে না।’

বাঁধনের বাবা বুদ্দু জানান, তার ছেলে ছোট থেকেই এই সমস্যা। শুকনো খাবার খেয়ে থাকে। ভেজা খাবারে চাহিদা নাই। ভাতের আশেপাশে থাকে না।

হয় তাকে আগে খেতে দিতে হয়। কোনো অনুষ্ঠানে গেলে সে শুধু মাংস খায়।

বাঁধন বলেন, ‘আমি ছোট থেকেই শুকনা খাবারে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। ভাত খেতে পারি না। ভাত খেলেই বমি হয়। কেন হয় বলতে পারি না। বাবা, মা ভাত খাওয়ার সময় দূরে দূরে থাকি। আমি তাদের আগে কিংবা পরে মুড়ি, রুটি খেয়ে নিই।’

বিয়াশ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমি শোনেছি। সে আমার স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। বিদ্যালয়ে তার উপস্থিতি কম। তার ভর্তি রোল ৬১, স্কুলে নিয়মিত হলে তার বিষয়ে আমাদের আলাদা কেয়ার থাকবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Authority to inspect the bridge construction site on Sugandha river

সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন কর্তৃপক্ষের

সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন কর্তৃপক্ষের ছবি: সংগৃহীত

ঝালকাঠি ও নলছিটি উপজেলার মধ্যে যোগাযোগ সহজ করতে সুগন্ধা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। স্থানীয় উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনতে প্রস্তাবিত এ সেতুকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (২৪ জুন) সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীর প্রস্তাবিত ঝালকাঠি-নলছিটি সংযোগ সেতুর সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদল।

সফরের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন (পিএন্ডডি) বিভাগের উপপরিচালক মো. নুর ইয়াসিনের নেতৃত্বে গঠিত প্রতিনিধিদল সভায় অংশ নেয়। পরে তারা জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সুগন্ধা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে ঝালকাঠি ও নলছিটিসহ কয়েকটি আশপাশের জেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

তারা আরও বলেন, ‘সেতুটি দীর্ঘমেয়াদে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করবে এবং স্থানীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

মন্তব্য

p
উপরে