× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
I am a donkey so I went to the united front Kader Siddiqui
hear-news
player
print-icon

আমি গাধা, তাই ঐক্যফ্রন্টে গিয়েছি: কাদের সিদ্দিকী

আমি-গাধা-তাই-ঐক্যফ্রন্টে-গিয়েছি-কাদের-সিদ্দিকী
‘আমি একজন গাধা। এ জন্য ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টে গিয়েছিলাম। মনে করেছিলাম, কামাল হোসেনের মতো বর্ষীয়াণ একজন নেতা নেতৃত্ব করবেন; সারাদেশ তার পেছনে লাফ দিয়ে পড়বে। আর উনার যে আন্তর্জাতিক পরিচয় সারাবিশ্ব তার পেছনে দাঁড়িয়ে পড়বে। কিন্তু ড. কামাল হোসেনই (নির্বাচনে) দাঁড়ালেন না। আর তার পেছনে কে দাঁড়াবে?’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপিকে নিয়ে গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেনের জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যাওয়ায় নিজেকে ‘গাধা’ বললেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকী।

তিন বছর আগের ওই নির্বাচনে ভরাডুবির পর অকার্যকর হয়ে যাওয়া এই জোট নিয়ে কাদের সিদ্দিকী এমন মূল্যায়ন করেন বুধবার।

২ মার্চ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস উপলক্ষে বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির আয়োজনে এক আলোচনায় বক্তব্য দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নেতা।

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে মোকাবেলায় বিএনপি তার ২০ দলীয় জোটের পাশাপাশি নতুন জোট হিসেবে নিয়ে আসে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে। দল ছোট হলেও গণফোরাম নেতা ড. কামাল হোসেন এই জোটের প্রধান নেতা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

তবে এই জোট ও ২০ দল মিলিয়ে আসন পায় ৭টি। ভোট শেষে ফল মেনে না নিয়ে আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেয় ঐক্যফ্রন্ট। তবে পরে কোনো কর্মসূচি আর দেয়া হয়নি।

ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পাশাপাশি বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াতকে নিয়ে সমান্তরাল আরেকটি জোট চালিয়ে যাওয়ায় বিব্রত হন ঐক্যফ্রন্টের শরিকরা। একটি বিদেশি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কামাল হোসেন বলেন, জামায়াত বিএনপির সঙ্গে জোটে থাকবে জানলে তিনি ঐক্যফ্রন্টে যেতেন না।

কাদের সিদ্দিকীও জামায়াতকে নিয়ে আপত্তি তোলেন। একাত্তরের এই বীর যোদ্ধা পরে এক আলোচনায় বলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে তিনি বেহেশতেও থাকতে চান না।

জেএসডির আলোচনায় কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি একজন গাধা। এ জন্য ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টে গিয়েছিলাম। মনে করেছিলাম, কামাল হোসেনের মতো বর্ষীয়াণ একজন নেতা নেতৃত্ব করবেন; সারাদেশ তার পেছনে লাফ দিয়ে পড়বে। আর উনার যে আন্তর্জাতিক পরিচয় সারাবিশ্ব তার পেছনে দাঁড়িয়ে পড়বে। কিন্তু ড. কামাল হোসেনই (নির্বাচনে) দাঁড়ালেন না। আর তার পেছনে কে দাঁড়াবে? কেউ না।’

গত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জনতা লীগের নেতা। বলেন, ‘আলোচনা হলো জামায়াত এই জোটে (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) নাই। থাকল না। কিন্তু বেনামিতে ২৭-২৮টি সিট তাদেরকে দিয়ে দেয়া হলো। ঐক্যজোট ভাবল, আমরা যা বলব বাংলাদেশের মানুষ তাই করবে। আমার তো মনে হয় এ ধরনের দ্বিচারিতা করলে কিয়ামত পর্যন্ত কিছু হবে না।’

‘বিএনপি একটা মস্ত বড় দল। বিএনপি মনে করল, জামায়াত আছে। তারা ক্যাডারভিত্তিক দল। ক্যাডার দিয়ে আমাদেরকে ভাসিয়ে দেবে, আমাদের আর কোনো কিছু করতে হবে না।

‘জামায়াত মনে করল, বিএনপি তো সব করে ফেলবে, আমাদের আবার কী। মাঝখান থেকে আমাদের কয়েকটা সিট নিয়ে নেয়া হলো।’

আলোচনায় জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর বক্তব্য রাখেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে এই আলোচনায় আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি যাননি। তার অসুস্থতার কথা জানানো হলেও সভায় উপস্থিত মান্না ধারণা করেন, জাফরুল্লাহ উপস্থিত আছেন বলে বিএনপি নেতা সেখানে যাননি।

আরও পড়ুন:
বিএনপির সংলাপে আসা উচিত: কাদের সিদ্দিকী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The government is telling the myth of development

‘সরকার উন্নয়নের কল্পকাহিনি শোনাচ্ছে’

‘সরকার উন্নয়নের কল্পকাহিনি শোনাচ্ছে’
মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, ‘উৎপাদনহীন খাতে বরাদ্দের নামে মহা লুটপাট করছে, কিন্তু বেকার-যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেই। উন্নয়নের যে কল্পকাহিনি শোনাচ্ছেন এগুলো জনগণের উন্নয়ন নয়, আপনাদের সুবিধাভোগী দুর্নীতিবাজদের উন্নয়ন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে দুঃশাসনের রাজত্ব কায়েম করে মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার থেকে বহুদূর চলে গেছেন।’

সরকার উন্নয়ন নয়, উন্নয়নের কল্পকাহিনি শোনাচ্ছে বলে মনে করেন গণফোরামের একাংশের সভাপতি ও গত নির্বাচনে সরকারবিরোধী জোট ঐক্যফ্রন্টের নেতা মোস্তফা মোহসীন মন্টু।

শুক্রবার গণফোরামে তার নেতৃত্বাধীন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন ড. কামাল হোসেনকে ছেড়ে আসা এই গণফোরাম নেতা।

মন্টু গত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন। নির্বাচনের পর থেকেই গণফোরাম নিয়ে ‘নাটকীয়’ পরিস্থিতি তৈরি হয়। যার এক পক্ষের নেতা তিনি।

গত বছরের ৩ ডিসেম্বর ড. কামালকে ছাড়াই সম্মেলন করে দলের সভাপতি হন তিনি। দল হয়ে যায় দুই টুকরো।

গত ১২ মার্চ ড. কামাল হোসেনপন্থিদের সম্মেলনে মন্টুপন্থিদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ পাওয়া যায়। এরপর দুই অংশ বিভিন্ন স্থানে কাউন্সিলও করছে।

মন্টু বলেন, ‘উৎপাদনহীন খাতে বরাদ্দের নামে মহা লুটপাট করছে, কিন্তু বেকার-যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেই। উন্নয়নের যে কল্পকাহিনি শোনাচ্ছেন এগুলো জনগণের উন্নয়ন নয়, আপনাদের সুবিধাভোগী দুর্নীতিবাজদের উন্নয়ন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে দুঃশাসনের রাজত্ব কায়েম করে মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার থেকে বহুদূর চলে গেছেন।’

তিনি বলেন, ‘ছয় দফাকে কবর দিয়ে তো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন হয় না। আপনারা বলুন তো এই সরকারের আমলে ছয় দফার একটি দফাও কি জীবিত আছে? পাকিস্তান আমলে ভোট-ভাতের অধিকার নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, আজ ৫০ বছর পরেও একইভাবে ভোটের অধিকার আদায়ে লড়াই করছি, বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করছি। তাহলে আপনারা কীভাবে, কোন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের কথা বলছেন? মুক্তিযুদ্ধ কোটার নামে তরুণ মেধাবীদের দেশের সেবা করা ও নেয়া থেকে বঞ্চিত করছেন। এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হলো সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের মাধ্যমে কার্যকরী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।’

সকাল ১০টায় ইনস্টিটিউশন অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন গণফোরাম নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ।

তিনি বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম ধনী-গরিবের বৈষম্য কমাতে; কিন্তু এরা দুর্নীতির মাধ্যমে আরও বৈষম্য সৃষ্টি করছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিপক্ষের সনদপত্র দিচ্ছে তা স্রেফ জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি ব্যতীত আর কিছুই নয়।’

আবু সাইয়িদ বলেন, ‘পদ্মা সেতু তৈরিতে আপনাদের ভূমিকার প্রশংসা করছি, কিন্তু পদ্মা সেতুর শ্বেতপত্র জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী। এ ছাড়া গণফোরাম নির্বাহী সভাপতি মহসীন রশিদ, নির্বাহী সভাপতি মহিউদ্দিন আবদুল কাদেরসহ ঢাকা মহানগর ও কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

গণফোরাম ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সম্মেলনে হাবিবুর রহমান বুলুকে সভাপতি ও তাজুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
কার্যালয় মন্টুদের দখলে, নতুন ঠিকানায় ড. কামালপন্থিরা
গণফোরামের সভাপতি মণ্টু, সাধারণ সম্পাদক সুব্রত
গণফোরামে মন্টুপন্থিদের সম্মেলনে কামালের শুভকামনা
মাঠে নামলেই বিজয়, ধারণা কামাল-জাফরুল্লাহর
জাতীয় ঐক্য চাওয়া ড. কামালের দলেই বিভেদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The government is determined to suppress communal evil

‘সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দমনে সরকার বদ্ধপরিকর’

‘সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দমনে সরকার বদ্ধপরিকর’ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামে শ্রীকৃষ্ণ মন্দির থেকে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে মাঝেমধ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। এই অপশক্তি সাপের মতো ছোবল মারতে চায়। বিভিন্ন সময় সেই অপচেষ্টা হয়েছে। আমাদের সরকার সেগুলোকে কঠোর হস্তে দমন করেছে। আমরা যেকোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কঠোর হস্তে দমনে বদ্ধপরিকর।’

বর্তমান সরকার যেকোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কঠোর হস্তে দমনে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামে শ্রীকৃষ্ণ মন্দির আয়োজিত রথযাত্রার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে মাঝেমধ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। এই অপশক্তি সাপের মতো ছোবল মারতে চায়। বিভিন্ন সময় সেই অপচেষ্টা হয়েছে। আমাদের সরকার সেগুলোকে কঠোর হস্তে দমন করেছে। আমরা যেকোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কঠোর হস্তে দমনে বদ্ধপরিকর।’

তিনি বলেন, ‘যারা সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে লালন-পালন করে, সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে রাজনীতি করে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে যারা দেশে গণ্ডগোল পাকায়, যারা এই দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তাদেরকে আপনারা চেনেন, তাদেরকে বর্জন করুন।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কেউ স্বীকার করুক আর না করুক, ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগ হয়েছিল সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে। হিন্দুদের জন্য একটি রাষ্ট্র আর মুসলিমদের জন্য আরেকটি। বিভাজনের পর আমরা বাঙালিরা অনুধাবন করেছি, এই সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা আমাদের জন্য নয়।

‘আমাদের প্রথম পরিচয় হচ্ছে, আমি বাঙালি, আমি বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান গাই। দ্বিতীয় পরিচয় হচ্ছে হিন্দু না মুসলিম, না বৌদ্ধ নাকি খ্রিষ্টান। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পাকিস্তানে সেই সংস্কৃতি এবং পরিচয় যখন হুমকির মুখে পড়ল, তখন জাতির পিতার নেতৃত্বে বাংলাদেশ রচিত হয়।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা ভালো করে জানেন এবং বোঝেন, কারা এই দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। আর দুর্যোগ-দুর্বিপাকে প্রয়োজনের সময় কারা আপনাদের পাশে থাকে, সেই কথাটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ লীলারাজ দাশ ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান, চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন ও ইসকন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারী।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক নিপীড়ন: পুলিশের নির্লিপ্ততা নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশ্ন
শিক্ষককে জুতার মালা: প্রধান অভিযুক্ত রনি গ্রেপ্তার
অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা ওসির সামনেই
শিক্ষককে জুতার মালা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি
‘শিক্ষকের নয়, পুরো জাতির গলায় জুতার মালা পরানো হয়েছে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Communalism The Information Minister warned the followers of traditional religions

সাম্প্রদায়িকতা: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সতর্ক করলেন তথ্যমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িকতা: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সতর্ক করলেন তথ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
‘আপনারা ভালো করে জানেন এবং বোঝেন কারা এই দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, আর দুর্যোগ দুর্বিপাকে প্রয়োজনের সময় কারা আপনাদের পাশে থাকে, সেই কথাটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এ জন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ জানিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির মূলে রয়েছে আওয়ামী লীগ বিরোধিতা ও ভারত বিরোধিতা। তাই যারা সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে রাজনীতি করে ও দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের বর্জন করতে হবে।’

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়ে শুক্রবার বিকেলে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) আয়োজিত রথযাত্রা উৎসব উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হয়ে যান হাছান।

শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ লীলারাজ দাশ ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার ডেপুটি কমিশনার মো. মমিনুর রহমান, চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাই-কমিশনার রাজীব রঞ্জন ও ইসকন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারী।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যারা সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে লালন-পালন করে, সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে রাজনীতি করে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে যারা দেশে গণ্ডগোল পাকায় এবং যারা এই অসাম্প্রদায়িক দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, অতীতে করেছিল, তাদেরকে আপনারা চেনেন, তাদেরকে বর্জন করুন।’

সবাইকে সতর্ক করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচন অতি সন্নিকটে। তারা আবারও একই স্লোগান নিয়ে হাজির হবে। আমাদের সরকার হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য অনেক কাজ করেছে।’

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা ভালো করে জানেন এবং বোঝেন কারা এই দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, আর দুর্যোগ দুর্বিপাকে প্রয়োজনের সময় কারা আপনাদের পাশে থাকে, সেই কথাটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

সাম্প্রদায়িকতা দমন করে সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করে এবং এ অপশক্তি মাঝেমধ্যে সাপের মতো ছোবল মারার চেষ্টা করে। বিভিন্ন সময় সেই অপচেষ্টা হয়েছে। আমাদের সরকার সেগুলোকে কঠোর হস্তে দমন করেছে।

‘আমরা যেকোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে কঠোর হস্তে দমন করে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। সেজন্য দুর্গাপূজার সময় যেভাবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছিল, ত্বরিৎ গতিতে সেগুলো দমন করা হয়েছিল।’

‘১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান আমলে আইন করা হয়েছিল- শত্রু সম্পত্তি আইন। দেশের তিন কোটি মানুষকে শত্রু আখ্যা দিয়ে কোনো আইন হতে পারে না। সে কারণে আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সেই আইন পাল্টে দিয়েছেন। সেই আইনের সুযোগ নিয়ে যে সম্পত্তিগুলো বেহাত হয়েছিল সেগুলো ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, এই দেশে যারা সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে রাজনীতি করে, তাদের রাজনীতির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা এবং ভারতবিরোধিতা।

“যখন নির্বাচন আসে তখন তারা সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে আসে- বলতে শুরু করে ‘আওয়ামী লীগ হচ্ছে হিন্দুদের দল, আওয়ামী লীগ হচ্ছে ভারতের চর।’ যদিও এই সমস্ত ট্যাবলেট আগের মতো কাজ করে না।”

চট্টগ্রামে রথযাত্রা উৎসবের গৌরবোজ্জ্বল অতীত প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘রথযাত্রা চট্টগ্রামে একটি বড় উৎসব। যুগ যুগ ধরে এই রথযাত্রা উৎসব হয়ে আসছে। হাজার হাজার মানুষ রথযাত্রায় অংশ নেন। এই উৎসব নগরীর প্রতিটি মানুষ বুঝতে পারেন।’

বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নানাবিধ অনুষ্ঠান আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই রথযাত্রাও তাই। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে এসে অসম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রচনার জন্যই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছিল।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু নিয়ে ইউনূস সেন্টারের ব্যাখ্যা সত্যের অপলাপ: তথ্যমন্ত্রী
বিএনপির রাজনীতি পদ্মায় ডুবে গেছে : তথ্যমন্ত্রী
সিলেটের প্রধান নদীগুলো ড্রেজিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Thanks to BNP for proving no corruption in Padma Gayeshwar

পদ্মায় দুর্নীতি হয়নি প্রমাণ করতে পারলে বিএনপির ধন্যবাদ: গয়েশ্বর

পদ্মায় দুর্নীতি হয়নি প্রমাণ করতে পারলে বিএনপির ধন্যবাদ: গয়েশ্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনায় বিএনিপর স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ছবি: নিউজবাংলা
‘যে প্রকল্পে দুর্নীতি হয়, সেই প্রকল্পের জন্য আমরা ধন্যবাদ দিতে পারি না। আপনারা শ্বেতপত্র প্রকাশ করুন যে কত টাকা কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। দুর্নীতি হয়নি-এটা যদি প্রমাণ করতে পারলে, ধন্যবাদ দেয়া যাবে।’

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়নি- এটি প্রকাশ করতে পারলে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানাবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

দলটির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এখনও বন্দি আখ্যা দিয়ে গয়েশ্বর এও বলেছেন, খালেদা জিয়াই এই ধন্যবাদ দিতে পারতেন সরকারকে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি নেতা এসব কথা বলেন।

গত ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপির ৭ নেতাকে আমন্ত্রণ জানালেও তারা তাতে অংশ নেননি। সেদিন বিএনপির কোনো নেতা কোনো কর্মসূচিতে অংশ নেননি, পদ্মা সেতু নিয়ে একটি বক্তব্যও বলেননি।

২০১১ সালে বিশ্বব্যাংক যখন এই সেতু প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতিচেষ্টার অভিযোগ তোলে, তখন বিএনপির সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে। ২০১২ সালে বিশ্বব্যাংক এই প্রকল্প থেকে সরে যাওয়ার পর বিএনপি বলতে থাকে, সরকার দুর্নীতি করতে গিয়ে দেশকে এই সেতু থেকে বঞ্চিত করছে।

তবে ২০১৭ সালে কানাডার আদালত যখন এ সংক্রান্ত একটি মামলা খারিজ করে দিয়ে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগকে বায়বীয় ও গালগপ্প বলে উড়িয়ে দেয়, তখন বিএনপি আর কিছু বলেনি। তবে এখনও দলটি এই সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ করে আসছে, যদিও তাদের অভিযোগটি সুনির্দিষ্ট নয়।

গয়েশ্বর বলেন, ‘যে প্রকল্পে দুর্নীতি হয়, সেই প্রকল্পের জন্য আমরা ধন্যবাদ দিতে পারি না। আপনারা শ্বেতপত্র প্রকাশ করুন যে কত টাকা কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। দুর্নীতি হয়নি-এটা যদি প্রমাণ করতে পারলে, ধন্যবাদ দেয়া যাবে।’

বিএনপির সাত নেতাকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বেগম খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ না জানানোর সমালোচনা করেন গয়েশ্বর। বলেন, ‘পদ্মা সেতুর নির্মাণের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া একটি ধন্যবাদ দিতে পারতেন। আইনমন্ত্রী বললেন, খালেদা জিয়াকে দাওয়াত দিতে কোনো বাধা নেই। যদি বাধা না থাকে তাহলে খালেদা জিয়াকে দাওয়াত দিতে বাধা হলো কেন?

‘তিনি (সরকার) আমার নেত্রীকে (খালেদা জিয়া) দাওয়াত দিলেন না, দাওয়াত দিলেন আমাদের কয়েকজনকে (সাতজন নেতা)। আমরা যদি ওই দাওয়াত কবুল করতাম, তাহলে রাস্তায় হাঁটতে পারতাম?’

পদ্মা সেতুর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেরও সমালোচনা করেন বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, ‘আনন্দ উৎসবের জন্য যে টাকা ব্যয় করা হয়েছে, তা যদি বন্যাদুর্গতঅসহায় মানুষদের জন্য ব্যয় করত তাহলে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) কিঞ্চিত হলেও প্রশংসিত হতে পারতেন।

‘যার কলঙ্ক ভালো লাগে তাকে সুপরামর্শ দেওয়া যুক্তি নেই। আসলে লজ্জা, শরম নেই। কারণ, যে পরিমাণ গুম, খুন, নির্যাতন করা হচ্ছে, এটা ছাড়া তাদের টিকে থাকার উপায়ও নেই। উনি জনগণের ভালোবাসা, আস্থার প্রয়োজন মনে করেন না, উনি মনে করেন যতদিন প্রতিবেশী আছেন, ততদিন উনি ক্ষমতায় আছেন।’

জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন চৌধুরীর এক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তারও সমালোচনা করেন গয়েশ্বর। বলেন, ‘এক পাগল দেখলাম জাতীয় সংসদে বলেছে, ড. ইউনূস, বেগম খালেদা জিয়া ও হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে স্যাংশন দিতে। স্যাংশন শব্দের অর্থ বোঝ? খালেদা জিয়াকে জেলে দিয়ে রেখেছে, তাকে আর স্যাংশন কী?’

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়-এই সিদ্ধান্তে অটল থাকতেও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান বিএনপি নেতা। বলেন, ‘যদি শেষ দিন পর্যন্ত আমরা অটল থাকতে পারি, তাহলে শেখ হাসিনা সরকার নেই। তার নির্বাচন করার ক্ষমতা নাই নাই নাই...।

‘ভেলকিবাজি তিনি (শেখ হাসিনা) যা করার করেছে; নতুন করে ভেলকিবাজি করার ক্ষমতা নেই। তাই সব রাজনৈতিক দল সবাইকে বলব, আপনারা একটা জায়গায় অটল থাকেন-এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, ২০ দলীয় জোটের শরিক ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি।

আরও পড়ুন:
মকারির নির্বাচনে আর না, খেলা হবে ‘ফেয়ার’: টুকু
বন্যার্তদের জন্য ৩০ লাখের তহবিল গড়বে যশোর বিএনপি
পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি হতে পারেনি বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Organizational activities of JOB Chhatra League have been suspended

জবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত

জবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত মিছিলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।’

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ‘সুপার ইউনিট’ খ্যাত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত শুক্রবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।’

আগের কমিটি বিলুপ্তির প্রায় ৩৪ মাস পর চলতি বছরের পয়লা জানুয়ারি এক বছরের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ৩৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কী কারণে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি বিজ্ঞপ্তিতে, তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ এক নেতা বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ছেলে রিয়াদ আহমেদ তুষারের গাড়িচালককে মারধর করেছেন জবি ছাত্রলীগের কর্মীরা। এর জেরে শাখা ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

কী হয়েছিল গাড়িচালকের সঙ্গে

রাষ্ট্রপতির ছেলে তুষারের গাড়িচালক নজরুল ইসলাম গত ২৬ জুন বঙ্গভবন থেকে রাষ্ট্রপ্রধানের নাতি ইসা আব্দুল্লাহকে প্রাইভেট পড়তে দিয়ে বঙ্গভবনে ফিরছিলেন। তিনি ওয়ারীর চামু ডেল্টার মোড় থেকে টিপু সুলতান রোডের মাথায় পৌঁছার পর গাড়ির হর্ন দেন। ওই সময় জবি ছাত্রলীগকর্মী কৌশিক সরকার সাম্য মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছিলেন।

হর্ন দেয়ার পর সাম্য উত্তেজিত হয়ে গাড়ির দিকে তেড়ে আসেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে চালকের মুখে থুতু নিক্ষেপের পর গাড়ির পেছনে জোরে লাথি মারেন তিনি।

এমন আচরণের পর সাম্যের পরিচয় জানার চেষ্টা করলে তিনি উত্তেজিত হয়ে মোবাইল ফোনে অজ্ঞাত চার-পাঁচজনকে ডেকে আনেন। এ সময় সাম্যসহ অন্যরা নজরুলের মুখ ও পিঠে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন এবং হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান।

এ ঘটনায় গাড়িচালক নজরুল ইসলাম রাজধানীর ওয়ারী থানায় মামলা করেন।

মামলায় জবি ছাত্রলীগকর্মী কৌশিক সরকার সাম্যসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত সাম্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনের অনুসারী।

আরও পড়ুন:
জবিতে সাংবাদিকতার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ
জবি রোভার-ইন-কাউন্সিলের সভাপতি জামিরুল, সাধারণ সম্পাদক আদন
গবেষণার জন্য ‘স্কাইফাইন্ডার’ সাবস্ক্রিপশন পেল জবি
উত্তরপত্রে ‘স্যার, মন ভালো নেই’ লিখে বিপাকে জবি শিক্ষার্থী
জবির ৭ শিক্ষার্থী রিমান্ডে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Many people from America come to the country for treatment Health Minister

আমেরিকা থেকে অনেকে দেশে চিকিৎসা নিতে আসে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আমেরিকা থেকে অনেকে দেশে চিকিৎসা নিতে আসে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ফাইল ছবি
‘এমন অনেক রোগী আছে যারা ভালো চিকিৎসা না পেয়ে এ দেশে আসে চিকিৎসা নেয়ার জন্য। এখানে অনেক চিকিৎসা যেমন দাঁতের চিকিৎসা, পেটের চিকিৎসা সব বাংলাদেশে নেয়ার জন্য আসে।’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেক রোগী বাংলাদেশে চিকিৎসা নিতে আসে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা অনেক ভালো। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা এখন অনেক এগিয়ে গেছে। আমেরিকা থেকেও অনেক মানুষ আমার এখানে চিকিৎসা নেয়ার জন্য আসে।’

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট পাসের আগে বৃহস্পতিবার রাতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের ওপর আনা মঞ্জুরি দাবির আলোচনায় বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে মন্ত্রী এ দাবি করেন।

তিনি বলেন, ‘এমন অনেক রোগী আছে যারা ভালো চিকিৎসা না পেয়ে এ দেশে আসে চিকিৎসা নেয়ার জন্য। এখানে অনেক চিকিৎসা যেমন দাঁতের চিকিৎসা, পেটের চিকিৎসা সব বাংলাদেশে নেয়ার জন্য আসে।’

বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার ‘প্রতি বছর ৮-১০ লাখ মানুষ শুধু ভারতে চিকিৎসা নিতে যায়’ বক্তব্যের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কোভিডকালীন যখন কেউ বিদেশে যেতে পারেনি, তখন এই ১৭ কোটি লোকের চিকিৎসা এই বাংলাদেশে হয়েছে। বাইরে কাউকে যেতে হয়নি। তবে কিছু লোক যদি বাইরে যায়, তাদের তো আমরা এখানে ধরে রাখতে পারব না।

‘যত ভালো সেবাই হোক, এখানে সেবা নেবে না তারা। তারা আমেরিকা যাবে, ইউরোপে যাবে, সিঙ্গাপুর যাবে। এটা স্বাভাবিক। তবে আমেরিকা থেকেও অনেক রোগী ভালো চিকিৎসা না পেয়ে বাংলাদেশে আসে।’

করোনা ভ্যাকসিন দিতে ৪৫ হাজার কোটি টাকা

করোনা অতিমারি নিয়ন্ত্রণে দেশের মানুষকে নিরাপদে রাখতে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হয়েছে বলে সংসদে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘আমরা নিজেদের অর্থায়নে ভ্যাকসিন দিয়েছি প্রায় ১৭ হাজার কোটি ডোজ। সব মিলিয়ে ভ্যাকসিন দিতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লেগেছে আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে। আর বিদেশ থেকে ১০ কোটি ভ্যাকসিন বিনা মূল্যে পেয়েছি। তার দাম প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।

‘প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন দিতে হয়েছে। এটাও দেশের অর্জন, প্রধানমন্ত্রীর অর্জন। কোনো দেশ ১০ কোটি ভ্যাকসিন পায়নি, যেটা বাংলাদেশ পেয়েছে।’

করোনা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব সময় বলেছি আপনারা সতর্ক হন। এখন করোনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতকাল কিছু নির্দেশনাও দিয়েছি। শিশু ভ্যাকসিনের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি। পাঁচ বছর থেকে ১২ বছর শিশুদের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হয়েছে। ডব্লিউএইচও থেকে ভ্যাকসিন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং সেটা আমার শিশুদের দেয়ার ব্যবস্থা হাতে নিয়েছি। জুলাইয়ের শেষ দিকে শিশুদের ভ্যাকসিন দিতে সক্ষম হব।’

আরও পড়ুন:
অবকাঠামো আছে, চিকিৎসক ও জনবল লাগবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মানহীন হাসপাতাল বন্ধ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অসংক্রামক রোগে দেশে দিনে ১৯০০ মৃত্যু
কোনো জাদুমন্ত্রে করোনা নিয়ন্ত্রণ হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৪০ হাজার কোটি নয়, টিকার ব্যয় এর অর্ধেক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Yunus Centers statement is misleading Selim Mahmud

ইউনূস সেন্টারের বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক: সেলিম মাহমুদ

ইউনূস সেন্টারের বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক: সেলিম মাহমুদ
‘অন্যান্য ব্যাংকের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের যে পার্থক্যের কথা বলা হচ্ছে, ব্যাংকের এমডির চাকরির মেয়াদের সঙ্গে এই পার্থক্যের সম্পর্ক নেই। বরং সব সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের মতো গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদটি একটি পূর্ণকালীন চাকরির পদ। এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদটি অন্য সব ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদের মতো মেয়াদভিত্তিক ও অপূর্ণকালীন।’

গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। এতে গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কিত আইনের নানা ভুল ব্যাখ্যা এবং অসত্য তথ্য দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সেলিম মাহমুদ এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক কোনো বেসরকারি ব্যাংক নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান। এটি নির্দিষ্ট আইনের দ্বারা সৃষ্ট এবং আইনে উল্লেখ করা বিধান অনুযায়ী পরিচালিত।

‘গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রপতির জারি করা অর্ডিন্যান্স-এর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। আইনটির ধারা-২ তে বলা আছে, আইনটি সেসব গ্রামীণ এলাকায় কার্যকর হবে, যেসব এলাকা সরকার কর্তৃক গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

‘১৯৮৩ সালের আইনের ধারা ৪(৪)-এ বলা আছে, সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ব্যাংক কোম্পানিজ আইন অথবা ব্যাংক কোম্পানিজ সম্পর্কিত অন্য কোনো আইনের বিধান গ্রামীণ ব্যাংকে প্রয়োগ করতে পারবে।

‘এই আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী আইনটি একটি বিশেষ আইন। কারণ এই আইনের ধারা ৩-এ বলা আছে, অন্যান্য আইনে বিধানাবলি যা-ই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধান কার্যকরী হবে।

৬০ বছরের বেশি বয়সে গ্রামীণ ব্যাংকের দায়িত্বে থাকা প্রসঙ্গে ড. ইউনূসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- গ্রামীণ ব্যাংক এমন একটি ব্যাংক যার ৭৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক এর ঋণগ্রহীতারা। একটি আলাদা আইনের মাধ্যমে কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য সন্নিবেশ করে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ফলে অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের সঙ্গে এর পার্থক্য আছে।

সেলিম মাহমুদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ব্যাংকের পেইড-আপ ক্যাপিটাল বা পরিশোধিত শেয়ার মূলধনের ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতারা এর কত ভাগ মালিক, এর সঙ্গে ব্যাংকের এমডি পদে নিয়োগ কিংবা ওই পদের মেয়াদের কোনো সম্পর্ক নেই। এমডি পদে নিয়োগ এবং পদের মেয়াদের ক্ষেত্রে একমাত্র আইনের বিধানই প্রযোজ্য হবে।

‘অন্যান্য ব্যাংকের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের যে পার্থক্যের কথা বলা হচ্ছে, ব্যাংকের এমডির চাকরির মেয়াদের সঙ্গে এই পার্থক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং সব সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের মতো গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদটি একটি পূর্ণকালীন চাকরির পদ। এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদটি অন্য সব ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদের মতো মেয়াদভিত্তিক ও অপূর্ণকালীন।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, “ড. ইউনূসের পক্ষে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয় এর পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে একটি চুক্তির অধীনে। এই নিয়োগের জন্য কোনো বয়সসীমা আইনে বা পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে উল্লেখ ছিল না।’

“এই বক্তব্য অসত্য। কারণ ১৯৮৩ সালের গ্রামীণ ব্যাংকের অর্ডিন্যান্স-এর ধারা ১৪(১) অনুযায়ী এই ব্যাংকের এমডির নিয়োগ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এমডি পদে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য একটি সিলেকশন কমিটি থাকে এবং সেই বাছাইয়ের ভিত্তিতে ব্যাংকের বোর্ড এমডি নিয়োগ করে। এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যানও নিয়োগ করে সরকার।”

তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান বলেই আইনে এই নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের হাতেই রাখা হয়েছে। ১৯৮৩ সালের গ্রামীণ ব্যাংক আইন অনুযায়ী ব্যাংকের এমডি পদটি একটি সার্বক্ষণিক পদ এবং তিনি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী (সিইও)। আইনের ধারা ৯ (২) অনুযায়ী এমডি পদাধিকার বলে ব্যাংকের পরিচালক, তবে এমডি বোর্ডে ভোট দিতে পারবেন না। আইনের ধারা ১০(২) অনুযায়ী কোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সরকার এমডি ছাড়া অন্য যেকোনো পরিচালককে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে।

‘আইনের উল্লিখিত বিধানাবলি পড়লে এটি পরিষ্কার যে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদটি সার্বক্ষণিক চাকরি।

‘যেকোনো সার্বক্ষণিক পদের একটা মেয়াদ থাকে। ১৯৮৩ সালের অধ্যাদেশে এমডি পদের অবসরের সময়সীমা উল্লেখ না থাকলেও এটি নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। কারণ ১৯৮৩ সালের আইনের ধারা ৪(৪)-এ বলা আছে, সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ব্যাংক কোম্পানিজ আইন অথবা ব্যাংক কোম্পানি সম্পর্কিত অন্য কোনো আইনের বিধান গ্রামীণ ব্যাংকে প্রয়োগ করতে পারবে। সরকারের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা ছাড়াও Interpretation of Statutes এর সাধারণ নীতি অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরে অন্যান্য ব্যাংকের এমডি পদের মেয়াদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই গ্রামীণ ব্যাংকের এমডির চাকরির মেয়াদ ধরতে হবে। অন্য সব ব্যাংকে এই মেয়াদ তখন ছিল ৬০ বছর।

‘এ ছাড়া সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২(১) তে আইনের যে সংজ্ঞা আছে তাতে প্রথা বা রীতিকেও আইন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ফলে অন্যান্য ব্যাংকের চাকরির বিধান প্রথা হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।’

ড. ইউনূসের পক্ষে বিবৃতিতে পদ্মা সেতু নিয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। এর জবাবে সেলিম মাহমুদ প্রশ্ন রাখেন, ‘ড. ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট ফার্মের মাধ্যমে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার কেন খরচ করেছিলেন?’

আরও পড়ুন:
ইউনূস সেন্টার ছাড়লেন তানবিরুল ইসলাম

মন্তব্য

p
উপরে